• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে ইউএনও জিয়াউর রহমানের প্রশংসনীয় উদ্যোগ আদিব আহমদ চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অর্জন কমলগঞ্জে মনিপুরী তাঁতশিল্পের সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং নকশা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পৌরসভার অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা দৈনিক ঘোষণা’র জেলা সেরা প্রতিবেদক হিসেবে প্রাথমিক মনোনীত হলেন মৌলভীবাজারের শায়েক আহমেদ কমলগঞ্জে মণিপুরী মহারাসলীলা সেবা সংঘের সভাপতি চাঁদ মুরারী, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনে হঠাৎ বদলির হিড়িক: জনমনে আশঙ্কা ও নানা প্রশ্ন কমলগঞ্জের পতনঊষার – নয়াবাজার সড়কে রোপিত অর্ধশতাধিক গাছ মরে যাচ্ছে ও চুরির অভিযোগ: কার্যকর পদক্ষেপের দাবি প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের নতুন তারিখ ১ অক্টোবর নতুন দায়িত্বে মণিপুরী সমাজের পরিচিত মুখ দেবাশীষ কুমার সিংহ: শেকড়ের টানে সমাজসেবায় অবিরাম পথচলা

শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে ইউএনও জিয়াউর রহমানের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

Reporter Name / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

 

‘বই পড়ো, জ্ঞান বাড়াও, আলোকিত মানুষ হও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় শিক্ষার্থীদের বইপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান। ডিজিটাল আসক্তির যুগে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে তার এই বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রচারাভিযান উপজেলাজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের অতিব্যবহার শিশুদের পড়াশোনা ও বইবিমুখ করে তুলছে। এই সংকট উত্তরণে প্রতিদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে ইউএনও মো. জিয়াউর রহমান সশরীরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হচ্ছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও রূপকথার বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা সহজ ও সাবলীল ভাষায় বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

তার এই কার্যক্রমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে দারুণ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত লাইব্রেরি থেকে বই পড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে লাইব্রেরি কার্যক্রম গতিশীল করা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গল্পের বই বিতরণের এই ধারাবাহিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

ইউএনও মো. জিয়াউর রহমান জানান, পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডির বাইরে মুক্তবুদ্ধির মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে বইপড়ার বিকল্প নেই। আজকের শিশুদের ভেতর থেকে গ্যাজেটপ্রীতি কমিয়ে বইমুখী করতে পারলে একটি আলোকিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে উঠবে। শ্রীমঙ্গলের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, ‘শ্রীমঙ্গল বই পড়া উৎসব-২০২৬’-এর মুকুল পর্বে (প্রথম পর্বে) নির্দিষ্ট কিছু বই নিয়ে উপজেলার ৩৮টি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, দাখিল, আলিম ও সমপর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে। এই উৎসবের পরবর্তী ‘ফুল’ পর্বের জন্য পাঠ্যতালিকাভুক্ত করার উপযোগী সুন্দর ও মানসম্মত বইয়ের নাম ও লেখকের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিজিটাল আসক্তি দূর করে শিক্ষার্থীদের মননশীল ও মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Web Service