• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পতনউষার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে নবাগত ইউএনও সন্দীপ তালুকদারের সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় কমলগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ এর ‘ওয়ার্ড মাস্টার প্রতিযোগিতা’র বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে কর্নারে চতুর্থবারের মতো বই সরবরাহ ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন এবং কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা কমলগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা ও মাছের পোনা অবমুক্ত    গুড নেইবারস বাংলাদেশ কর্তৃক শিশু সুরক্ষা নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত চলতি অর্থছরেই ৫ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: শ্রীমঙ্গলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কমলগঞ্জে ১৩৫তম “প্যাট্রিওটস ডে অব মণিপুর” উদযাপিত মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি: প্রযুক্তির আলোকবর্তিকায় এক যুগ ও সংস্কৃতির মহামিলন

পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছাত্রদল নেতা রাফিকে হত্যা করলো ছোট ভাই

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ / ৮১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

 কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে সংঘটিত আলোচিত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম রাফি (২৬) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার আপন ছোট ভাই ও মাদ্রাসা ছাত্র রানাকে (ছদ্মনাম, বয়স ১৬)।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, হত্যার পরপরই মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা, শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এবং কমলগঞ্জ থানার ওসি আবু আফর মো. মাহফুজুল কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তি, গোপন সূত্র এবং এলাকাবাসীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের ছোট ভাই রানাকে ঘটনার দিনই হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরে নিহতের স্ত্রী ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে রানা রবিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বীকার করে যে, ৯ আগস্ট সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

রানা পুলিশকে জানায়, ঘটনার আগের দিন (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সে বড় ভাই রাফির কাছে ৫০০ টাকা চায়। রাফি টাকা না দিয়ে গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রানা পরদিন সকাল ৭টার দিকে মাকে বাড়িতে না পেয়ে এবং ভাইয়ের ঘরের দরজা খোলা দেখে খাটের নিচে রাখা ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর দা ও রক্তমাখা লুঙ্গি ধুয়ে খাটের নিচে রেখে স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।

তবে পুলিশ জানায়, কেবল ৫০০ টাকা না দেওয়াই হত্যার একমাত্র কারণ নয়। চার বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর রাফি ছোট ভাইয়ের অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছিল এবং মাদ্রাসায় থাকার জন্য তাকে চাপ দিতেন। পড়াশোনায় অনাগ্রহী রানা এ শাসন মানতে পারত না। এছাড়া রাফি পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করায় ভাবী-শাশুড়ি ও দেবরের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এসব কারণে বড় ভাইয়ের প্রতি ক্ষোভ জমে ওঠে রানার।

গ্রেপ্তারের পর রানার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত দা এবং রক্তমাখা লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১০ আগস্ট কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Web Service