সদ্য সংবাদ

বিভাগ: সিলেট বিভাগ

কমলগঞ্জে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জাতীয় হিন্দু মহাজোট উপজেলা শাখার সম্মেলন রহিমপুর ইউনিয়নের ছয়চিরী দিঘীর পারে রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের শুরতেই সভাপতি কর্তৃক মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন এবং গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী বিজয়কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য।
জাতীয় হিন্দু মহাজোট মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এড. বিষ্ণুপদ সভাপতিত্বে ও এড. অনুকুল মালাকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক বলরাম বসাক, সিলেট জেলা শাখার উপদেষ্টা নির্মল ভট্টাচার্য্য, নির্বাহী সভাপতি সমীরণ আচার্য্য, সিলেট মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এড. গঙ্গেশ দাস, জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার মাহাতো, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ পাল, পূর্ণেন্দু দাস পবিত্র, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব এর সহ সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, রহিমপুর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসমঞ্জু প্রসাদ রায় চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী, ইউপি সদস্য সুনীল চন্দ্র মালাকার, অর্জুন শর্ম্মা (নিধু), নিখিল মালাকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন স্বাধীনতার পর থেকে এই দেশে হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এতো বছর পার হলেও এদেশের হিন্দুদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় নাই। তারা আরো বলেন, প্রতিটি নির্বাচনের আগেও পরে হিন্দুদের জীবনে নেমে আসে কালো মেঘ। এদেশে হিন্দুরা আস্তে আস্তে বিলুপ্ত প্রায়। সকল মত ও পথের সকলকে একই স্রোতধারায় নিয়ে মহাজাগরন ঘটাতে প্রয়াসী। এরই লক্ষে হিন্দুরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে গঠন করেছে “বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট”। এই সংগঠন হিন্দুত্ব রক্ষায় ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অধিকার আদায়ের সংগঠন।
বক্তারা আরো বলেন বাংলাদেশে হিন্দুরা দ্বিতীয় সংখ্যা গরিষ্ঠ জাতি, কিন্তু হিন্দুরা এদেশে অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত। তারা বলেন এই সংগঠনের সবাই একসাথে একে অপরের দুর্দিনে এগিয়ে আসতে হবে।
সম্মেলন শেষে ২য় অধিবেশনে অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরীকে সভাপতি, অর্জুন শর্ম্মা (নিধু)কে সাধারণ সম্পাদক, সজীব দেবরায়কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে উপজেলা জাতীয় হিন্দু মহাজোট, সাংবাদিক পিন্টু দেবনাথকে সভাপতি, নিখিল মালাকারকে সাধারণ সম্পাদক, উজ্জ্বল দেবকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এবং রাজিব মল্লিককে সভাপতি, অনুকুল মালাকারকে সাধারণ সম্পাদক, অজয় চন্দ্র শীলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার কমিটি ঘোষনা করা হয়।

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্যের সিলেটের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের সু- সম্পর্ক রয়েছে । – কমলগঞ্জে ভারতীয় কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলী দাশ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলী দাশ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন একটা সোনালী অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। বাংলাদেশের মাঝে সিলেট বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই সিলেটের সাথে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরার সীমান্ত রয়েছে। এই তিন রাজ্যের সাথে সিলেটের ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিকতায় সুনিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ফলে প্রয়োজনীতা উপলব্দি করেই সিলেটে একটি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। দুই দেশ আরও কাছাকাছি এসে দুই দেশের সামাজিকতা, সংস্কৃতি ও ব্যবসা বাণিজ্যের আরও উন্নয়ন সম্ভব। সিলেট বিভাগে বহু ভাষাভাষী মানুষজনের বসবাস। তাদের রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতির সুষ্ঠু বিকাশে ভারত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আসছে। তার ফলশ্রুতিতে ভারতীয় হাই কমিশন কমলগঞ্জে কয়েকটি কমপ্লেক্স নির্মাণ করে দিয়েছে। তিনি শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় ভারতীয় অর্থায়নে ২ কোটি ৫৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৪০০ টাকা ব্যয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার তিলকপুর সার্বজনীন পূজা মন্দির ও মন্ডপ এর সবনির্মিত দ্বিতল ভবনের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।


তিনি আরও বলেন, ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্যের সিলেটের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের সু- সম্পর্ক রয়েছে। এ ব্যবসা বানিজ্য আরও তরান্বিত করতে দুই দেশ একযোগে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় স্থানে সীমান্ত হাট হচ্ছে। সিলেট বিভাগ ছাড়াও বাংলাদেশের যে কোন স্থানে সার্বিক উন্নয়ন ভারত সহায়তা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও দিয়ে যাবে। এভাবেই দুই দেশ আরও কাছাকাছি আসতে পারবে।
তিলকপুর সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি ছালিয়া সিংহের সভাপতিত্বে ও মানবিকা সিনহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার এল কৃষ্ণমূর্তি, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান, মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিন্হা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তিলকপুর চাকুরীজীবি সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার সিংহ। অনুষ্ঠান শেষে ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলী দাশ এর সম্মানে মণিপুরী শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলী দাশ ও তাঁর সফরসঙ্গীদের মণিপুরীদের ঐতিহ্যবাহী শাড়ী, গামছাসহ উপহারসমাগ্রী প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মণিপুরী নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ তিলকপুর সার্বজনীন পূজা মন্দির ও মন্ডপে পৌঁছলে পুষ্প বৃষ্টি দিয়ে ও ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে বরণ করেন মণিপুরী নারী ও মেয়েরা। এরপর ভারতীয় হাই কমিশনার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে তিলকপুর পূজা মন্দির ও মন্ডপ ভবনের উদ্বোধন করেন।
এর আগে শুক্রবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলী দাশ কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামে ভারতীয় হাইকমিশনের ৩৫ লাখ টাকার সহায়তায় নির্মাণাধীন আধুনিক মণিপুরী থিয়েটার স্টুডিও নটমন্ডপ এর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। সবশেষে মণিপুরী ঐতিহ্যবাহী মৃদঙ্গ বাজন, হলি কীর্তন লীলা, রাধা কৃষ্ণের লীলা রাখাল নৃত্য পরিবেশ করা হয়। ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রিভা গাঙ্গুলী দাস বলেনে তিনি ও তার সফর সঙ্গীরা এই পরিবেশনা দেখে মুগ্ধ।

বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরদিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার হীড বাংলাদেশ কনফারেন্স রুমে ‘ইকোলজি এন্ড কনজারভেশন অব হুল্লুক গিবন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এর সভাপতিত্বে ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু মুছা শামসুল মোহিত চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে হুল্লুক গবেষণা ও প্রকল্প বিষয়ে সচিত্র উপস্থাপনা করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকল্প উপ-পরিচালক ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর। কর্মশালা উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ সদস্যের একটি দল লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় হুল্লুকের উপর গবেষণা পরিচালনা করবে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকসহ বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। তাছাড়া প্রাচীন আমল থেকে সিলেট-আখাউড়া সড়কে প্রবাহিত রেলপথের লাউয়াছড়া উদ্যানের ভেতরের রেলপথকে আন্ডারপাস ও ঘন বনাঞ্চল এলাকার রেলপথকে স্থানান্তর করা যেতে পারে।
ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর গবেষণা বিষয়ে উপস্থাপনায় বলেন, বন ফাঁকা হলে বন্যপ্রাণি খাবার ও আবাসস্থল সংকটে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০১ সনে হুল্লুক নিয়ে গবেষণা বিষয়ে কাজ শুরু করার পর ২৮২টির সন্ধান পাওয়া যায়। অথচ ১৯৮০ সনে ধরা হতো ১ লাখ ৭০ হাজার ও ২০১০ সালে নেমে আসে ৩ থেকে ৫ হাজারে।

  বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ রহিমপুর ইউনিয়ন শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত :সভাপতি অসমঞ্জু সভাপতি, পংকজ সম্পাদক নির্বাচিত


কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের দেবীপুর সার্বজনীন দেবালয়ে (২৯ মার্চ) শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শাখার সভাপতি অসমঞ্জু প্রসাদ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ ভট্টাচার্য্যরে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শংকর লাল সাহা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সদস্য অশোক বিজয় দেব কাননজ্ঞ কাজল, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাশ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দেব, যুগ্ম সম্পাদক সমরেন্দু সেন গুপ্ত। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গেšরাঙ্গ দাশ, বিকাশ পাল, অঞ্জন প্রসাদ রায় চেšধুরী, প্রদীপ পাল, শিপ্রাংশু পাল প্রমুখ। সম্মেলন শেষে ২য় অধিবেশনে অসমঞ্জু প্রসাদ রায় চেšধুরী সভাপতি ও পংকজ ভট্টাচার্য্যকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহসভাপতি বিকাশ পাল, শিপ্রাংশ পাল, যুগ্ম সম্পাদক গঙ্গেশ দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন প্রসাদ রায় চেšধুরী, কোষাধ্যক্ষ রাধাকান্ত পাল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সন্ধ্যা রানী পাল। অন্যান্য পদ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গঠন করে অনুমোদন প্রদান করা হবে।

কমলগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভাঙলো এক শিক্ষার্থীর

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পাওয়ার টিলার ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংর্ঘষে পা ভাঙ্গলো ৬ষ্ট শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর। ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনী এলাকায়। আহত শিক্ষার্থী কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণির ছাত্রী এবং কমলগঞ্জ পৌরসভার নগর এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে মুন্নি আক্তার (১২)।
সিএনজি গ্রুপের উপজেলা সভাপতি আলমাছ মিয়া জানান, সিএনজি করে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বিপরীত থেকে আসা পাওয়ার টিলার ও সিএনজি অটোরিকশার সংর্ঘষে ঘটনাস্থলেই মুন্নি আক্তারের একটি পা ভেঙ্গে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি মো: আরিফুর রহমান জানান, ঘটনাটি তাকে কেউ জানায়নি, তবে খবর নিয়ে বিষয়টি দেখছেন।

৪৮ বছরেও বীরাঙ্গনার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি কমলগঞ্জের জয়গুন নেছা শেষ বয়সে এসে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের জয়গুন নেছা খানম স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি। সহায়হীন এ বীরাঙ্গনা শেষ বয়সে এসে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ছয়মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দি শিবিরের দুর্বিষহ যন্ত্রণা ও পাকিস্তানি সেনাদের ঔরস সন্তান নিয়ে সামাজিক নানা বিড়ম্বনা যেন এখনও তাকে খামচে ধরে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমসের নগর বাজার সংলগ্ন ভাদাইর-দেউল গ্রামের সুঞ্জর খানের মেয়ে জয়গুণ স্থানীয় রামচিজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তখন সবে পঞ্চম শ্রেণিতে পরীক্ষা দিয়েছেন। আনন্দে উল্লাসে ছিল তার শৈশব আবার দেখতেও তিনি সুন্দরী ছিলেন।
রাজাকার বাড়ির [বিটি বারী নামে পরিচিত] নেতৃত্বে তখন থমথমে শমশের নগর। একদিন ভোর বেলা তাকে তুলে নেওয়া হয় শমশের নগর বন্দি শিবিরে। সেখানে পাকিস্তানি সেনা সুবেদার লালখান, মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন রফিক ও ক্যাপ্টেন দাউদ টানা ছয়মাস পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন জয়গুণ।
যুদ্ধ শেষের দিকে একদিন ক্যাম্প থেকে তিনি প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসেন। কিন্তু ততদিনে জয়গুন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরবর্তীতে নিমসানা আক্তার নামে এক মেয়ের জন্ম দেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নিমসানার বাবার পরিচয় না থাকায় বিপাকে পড়েন তিনি। এরপর কুলাউড়ার শরিফপুর ইউপির লালারচক গ্রামের ভূমিহীন ও সহজ-সরল মারুফ আহমদকে ‘ঘরজামাই’ করে বিয়ে দেওয়া হয় জয়গুণের সঙ্গে। যুদ্ধশিশু নিমসানাকে মারুফের পিতৃ পরিচয়ে বিয়ে দেন তিনি।
যুদ্ধশিশুর বাবার পরিচয়ের জন্য যার কাছে বিয়ে দেওয়া হয় সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দেন জয়গুণ নেছা। স্বামীও অকালে মারা যান। বছরখানেক আগে একমাত্র ছেলেও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে চলে যান। এখন তিনি এক মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
জয়গুণ নেছা খানম বলেন, ‘ছোট একটি ঘরে আমাকে রাখা হয়েছিল। পাকিস্তানি সেনারা সেই ঘরে আমার ওপর নির্যাতন চালাতো। একটা সময় শুধু রক্ত দেখেছি। মাটিতে পড়ে গেলে ওরা চারজন আমাকে চেপে ধরতো। আমি বাঁচার জন্য চিৎকার করলে একজন বাইরে থেকে কালো আটা জাতীয় রাবার এনে আমার ঠোঁটে-মুখে লাগিয়ে দিতো। এভাবে ছয়মাস সহ্য করেছি।’
তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছুদিন আগে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হই। সেসময় হানাদার বাহিনীর ধারাবাহিক নির্যাতনের কারণে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যাই। আমরা বাড়ি ফিরে দেখি সবকিছু ধ্বংস। আত্মহত্যার জন্য হাতে ইঁদুর মারার ওষুধ নেই। তখন মা-বাবা বলেন— ‘তুমি একলা নায়। আরও অনেক মেয়ে আছে।’
‘এদিকে মানুষ বলতে থাকে ‘পেঠ হইছে’। লজ্জায় ঘরে বসে থাকি। মা বললেন— ‘যদি তুমি মর তবে বেহেশত পাইতায় নায়।’ অবশেষে ফাল্গুন মাসে আমার মেয়ের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় নিমসানা আক্তার। এ মেয়ে বড় হতে থাকলে- লোকে বলতে থাকে ‘লালখানের পুড়ি’। তখন কতো মানুষ যে আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞা করেছে তা বলে শেষ করা যাবে না।’
জয়গুন নেছা আরও বলেন, ‘আমার এখন থাকার মতো একটি ভিটে নেই। অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়ে আছি। এ অবস্থায় হয়তো চলে যাব পরপারে। কিন্তু মরার আগে আমি চাই রাষ্ট্র যেন আমাকে স্বীকৃতি দেয়। সমাজের মানুষ আমাকে যেভাবে ঘৃণা করেছে তাদের মুখে কালি দিয়ে যেন আত্মতুষ্টি নিয়ে মরতে পারি।’
বীরাঙ্গনাদের নিয়ে গবেষণা করে আসছেন মৌলভীবাজার টিচার্স ট্রেনিং ইনসটিটিউটের ইন্সট্রাক্টর দীপঙ্কর মোহান্ত। তিনি বলেন, ‘জয়গুন নেছার জীবনী সবার আড়ালেই ছিল। নানা বঞ্চনা নিয়ে তিনি লড়াই করে যাচ্ছেন। আমি বহু কষ্টে তার কাছে পৌঁছাই। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পিটিআইতে আমাদের একটি অনুষ্ঠানে তাকে পরিচয় করিয়ে দেই। আমি আশা করি রাষ্ট্র তাকে স্বীকৃতি দিয়ে পরবর্তী জীবনে গর্ব করে বাঁচার অধিকার দিবে।

কমলগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ কর্তৃক মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় গুড নেইবারস বাংলাদেশ মৌলভীবাজার সিডিপি’র আয়োজনে কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর নয়াপত্তনস্থ কার্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। ২৬ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৮ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। পরে স্বাধীনতার তাৎপর্য্য নিয়ে আলোচনা সভা সিডিসি সভাপতি শিক্ষক ভূবন সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মাহিমা আক্তার মুক্তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিডিপি ব্যবস্থাপক জন বৃগেন মল্লিক। অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি পিন্টু দেবনাথ, আদমপুর ইউপি সদস্য কে. মনিন্দ্র কুমার সিংহ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইপি অফিসার জুয়েল বিশ্বাস, আইজি অফিসার রাফিউল ইসলাম, একে বাংলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরচন্দ্র সিংহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য, সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষেকমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে মুক্ত হলো ১১টি বন্যপ্রাণী


কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিপন্ন ১১টি বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আমতলী নামক স্থানে ৩টি অজগর সাপ, ১টি মেছো বাঘ, ১টি বন বিড়াল, ১টি গন্ধ গোকুল, ১টি তক্ষক, ২টি সরালি হাঁস, ২টি বেগুনী কালিম পাখি অবমুক্ত করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রাণীগুলো অবমুক্ত করেন বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. জোবায়ের হাসনাৎ পিএসসি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৬ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আরিফুল হক, মৌলভীবাজার সহকারী বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) মো. আনিসুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বকর সিদ্দিক, লাউয়াছড়া বিট অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব, পরিচালক সজল দেব, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, বৃহত্তর আদিবাসী ফোরামের মহাসচিব ফিলা পত্মি প্রমুখ। এসময় লাউয়াছড়ায় একটি বটবৃক্ষের চারা রোপন করেন অতিথিরা।
বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, অবমুক্ত করা প্রাণীগুলো বিভিন্ন সময় এতদ্ অঞ্চলের লোকালয়ে মানুষের হাতে ধরা পড়ে। আমরা এগুলোকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সুস্থ করে আবার তার আবস্থলে অবমুক্ত করেছি। প্রতিবছরই আমরা স্বাধীনতা দিবসে বন্যপ্রাণীদের স্বাধীন জীবনে ফিরিয়ে দেই।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষেকমলগঞ্জে কাবাডি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ


কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কাবাডি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্টিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় কমলগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে কমলগঞ্জ মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ খেলাটি অনুষ্ঠিত হয় । কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্কাউট সম্পাদক মোশাহিদ আলীর পরিচালনায় পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশেকুল হক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো: আশরাফুজ্জামান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শমশেরনগর পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ অরুপ কুমার চৌধুরী, কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কমলগঞ্জ রিপোর্টাস ইউনিটির সম্পাদক আসহাবুর ইসলাম শাওন, সাপ্তাহিক কমলগঞ্জ সংবাদ সম্পাদক এডভোকেট মো. সানোয়ার হোসেন, কমলগঞ্জ কলেজ ছাত্রলীগ সম্পাদক হাসান আহমেদ প্রমুখ।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় মোট ৪টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রথম সেমিফাইনালে কমলগঞ্জ পৌরসভা লালদল আলীনগর ইউনিয়ন কাবাডি দলকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠে। দ্বিতীয় সেমীফাইনালে পতনউষার ইউনিয়ন কাবাডি দল রহিমপুর ইউনিয়ন কাবাডি দলকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠে। পরে ফাইনাল খেলায় কমলগঞ্জ পৌরসভা লালদল ২৩-২০ পয়েন্টে পতনউষার ইউনিয়ন কাবাডি দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্সআপ দলের মধ্যে ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা ।

শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক বন দিবস পালিত

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা

বন বনানী জানি জানাই, ভালোবেসে বনকে বাঁচাই, এই প্রতিপাদ্যের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পালিত হলো আন্তর্জাতিক বন দিবস ২০১৯।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০ঘটিকায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজার এর আয়োজনে ও পাহাড় রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির সহযোগিতায় এক পথ শোভাযাত্রা শ্রীমঙ্গল শহরে বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু মুসা শামসুল মোহিত চৌধুরী।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পাহাড় রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ, সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলী,লাউয়াছড়া বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ইকো ট্যুর গাইড সাজু মারছিয়াং, দ্বীপ শিখা প্রি ক্যাডেট এ্যান্ড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জনা সিনহা ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।