সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মৌলভীবাজার

বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরদিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার হীড বাংলাদেশ কনফারেন্স রুমে ‘ইকোলজি এন্ড কনজারভেশন অব হুল্লুক গিবন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এর সভাপতিত্বে ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু মুছা শামসুল মোহিত চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে হুল্লুক গবেষণা ও প্রকল্প বিষয়ে সচিত্র উপস্থাপনা করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকল্প উপ-পরিচালক ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর। কর্মশালা উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ সদস্যের একটি দল লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় হুল্লুকের উপর গবেষণা পরিচালনা করবে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকসহ বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। তাছাড়া প্রাচীন আমল থেকে সিলেট-আখাউড়া সড়কে প্রবাহিত রেলপথের লাউয়াছড়া উদ্যানের ভেতরের রেলপথকে আন্ডারপাস ও ঘন বনাঞ্চল এলাকার রেলপথকে স্থানান্তর করা যেতে পারে।
ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর গবেষণা বিষয়ে উপস্থাপনায় বলেন, বন ফাঁকা হলে বন্যপ্রাণি খাবার ও আবাসস্থল সংকটে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০১ সনে হুল্লুক নিয়ে গবেষণা বিষয়ে কাজ শুরু করার পর ২৮২টির সন্ধান পাওয়া যায়। অথচ ১৯৮০ সনে ধরা হতো ১ লাখ ৭০ হাজার ও ২০১০ সালে নেমে আসে ৩ থেকে ৫ হাজারে।

কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির পর কমলগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিবসটির কর্মসূচী শুরু হয়। ভোর সাড়ে ৬টায় শমশেরনগর, কামুদপুর ও দেওড়াছড়া বধ্যভূমিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধে পুষ্প স্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৮টায় কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক ও কমলগঞ্জ থানার ওসি মো: আরিফুর রহমান। পরে সারাদেশের সাথে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।


দুপুর ১২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হকের সভাপতিত্বে এবং এডভোকেট মো: সানোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের তাৎপর্য্য এবং উন্নয়ন অগ্রগতি বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো: হেলাল উদ্দিন, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব তরফদার, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মোমিন তরফদার, অধ্যক্ষ মো: নুরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল কান্তি দাস, রিয়াজ উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মন্জুর আহমদ আজাদ মান্না প্রমুখ। সভায় বক্তারা চাকুরীক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার যথাযথ বাস্তবায়ন ও সকল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা টানানোর দাবী জানান।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানার আয়োজনে কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কমলগঞ্জ থানার ওসি মো: আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক মোশাহীদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো: আশরাফুজ্জামান। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশত হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষেকমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে মুক্ত হলো ১১টি বন্যপ্রাণী


কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিপন্ন ১১টি বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আমতলী নামক স্থানে ৩টি অজগর সাপ, ১টি মেছো বাঘ, ১টি বন বিড়াল, ১টি গন্ধ গোকুল, ১টি তক্ষক, ২টি সরালি হাঁস, ২টি বেগুনী কালিম পাখি অবমুক্ত করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রাণীগুলো অবমুক্ত করেন বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. জোবায়ের হাসনাৎ পিএসসি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৬ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আরিফুল হক, মৌলভীবাজার সহকারী বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) মো. আনিসুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বকর সিদ্দিক, লাউয়াছড়া বিট অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব, পরিচালক সজল দেব, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, বৃহত্তর আদিবাসী ফোরামের মহাসচিব ফিলা পত্মি প্রমুখ। এসময় লাউয়াছড়ায় একটি বটবৃক্ষের চারা রোপন করেন অতিথিরা।
বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, অবমুক্ত করা প্রাণীগুলো বিভিন্ন সময় এতদ্ অঞ্চলের লোকালয়ে মানুষের হাতে ধরা পড়ে। আমরা এগুলোকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সুস্থ করে আবার তার আবস্থলে অবমুক্ত করেছি। প্রতিবছরই আমরা স্বাধীনতা দিবসে বন্যপ্রাণীদের স্বাধীন জীবনে ফিরিয়ে দেই।

মৌলভীবাজারে ইয়াবা সহ (ডিবি) পুলিশের হাতে আটক ২

মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১৫ পিছ ইয়াবা সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। (২৫ শে মার্চ) মঙ্গলবার বিকাল ৪:৪৫ মিনিটের সময় শ্রীমঙ্গল থানাধীন ভলুচড়া গ্রীন গ্যালস টি রিসোর্ট এর গেইটের সামনের রাস্তা থেকে জেলা গোয়েন্দা শাখার  ওসি বিনয় ভূষণ রায়ের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করা হয়।

মাদক ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম (৩০) কাছ থেকে ৬০ পিছ ইয়াবা সহ আটক করা হয়। তার  পিতা মো: আব্দুল খালেক, সাং আলীসারফুল, শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার। মো: শরীফ মিয়া (২২) কাছ থেকে ৫৫ পিছ ইয়াবা সহ আটক করা হয়। তার পিতার নাম, শায়েস্তা মিয়া সাং উওরসুর, শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার। মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই মুমিন উল্ল্যাহ জানান, গোপন সংবাদের বিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে নজরুল ইসলাম ও মো: শরীফ মিয়াকে ১১৫ পিছ ইয়াবা সহ আটক করা হয়। দীর্ঘ দিন ধরে তারা মাদক ব্যবসায় জড়িত।

শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক বন দিবস পালিত

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা

বন বনানী জানি জানাই, ভালোবেসে বনকে বাঁচাই, এই প্রতিপাদ্যের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পালিত হলো আন্তর্জাতিক বন দিবস ২০১৯।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০ঘটিকায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজার এর আয়োজনে ও পাহাড় রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির সহযোগিতায় এক পথ শোভাযাত্রা শ্রীমঙ্গল শহরে বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু মুসা শামসুল মোহিত চৌধুরী।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পাহাড় রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ, সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলী,লাউয়াছড়া বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ইকো ট্যুর গাইড সাজু মারছিয়াং, দ্বীপ শিখা প্রি ক্যাডেট এ্যান্ড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জনা সিনহা ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন যারা—

 

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।  চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বড়লেখা উপজেলায় সুয়েব আহমদ (স্বতন্ত্র), জুড়ী উপজেলায় এম এ মুহিদ ফারুক (স্বতন্ত্র), কুলাউড়া উপজেলায় অধ্যক্ষ একে এম শফি আহমদ সলমান (স্বতন্ত্র), কমলগঞ্জ উপজেলায় অধ্যাপক রফিকুর রহমান (আ’লীগ), শ্রীমঙ্গল উপজেলায় রনধীর কুমার দেব (আ’লীগ), রাজনগর উপজেলায় শাহাজান খান (স্বতন্ত্র) বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদন্ধিতায় বিজয়ী হন মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় কামাল হোসেন (আ’লীগ)।

কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সলমান, ভাইস চেয়ারম্যান সাহেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পপি বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সলমান, ভাইস চেয়ারম্যান সাহেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পপি বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত

 মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আনারস প্রতীকে সফি আহম্মদ সলমান ৫৪ হাজার ২শত ৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হক খাঁন সাহেদ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ ফাতেহা ফেরতৌস চৌধুরী পপি বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

কুলাউড়ায় ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ৯৭ টি ভোট কেন্দ্র প্রাপ্ত ফলাফল অনুসারে আনারস প্রতিক নিয়ে শফি আহমদ সলমান পান ৫৪ হাজার ৭০০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি নৌকার কান্ডারি আসম কামরুল ইসলাম পান ২৪ হাজার ১০০ ভোট। আর নবাব আলী নকি খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৩ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন মোঃ ফজললু হক খাঁন সাহেদ বই মার্কায় এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন মোঃ পপি চৌধুরী হাসঁ মার্কায় বিজয়ী হয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান চেয়ারম্যান (আওয়ামীলীগ), রামভজন কৈরী ভাইস চেয়ারম্যান, বিলকিস বেগম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-K
পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন ভোট সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান ৪৯,১৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি  স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের মো: ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল ১৯,৪৫০ ভোট ও ওয়ার্কার্স মনোনীত প্রার্থী হাতুড়ী প্রতীকের আব্দুল আহাদ মিনার ভোট ৩৬৫ পান।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে টিউবওয়েল প্রতীকের রামভজন কৈরী ৩১,০১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি তালা প্রতীকের মো: সিদ্দেক আলী ১৮,৭৭৯ ভোট, চশমা প্রতীকের শাব্বির এলাহী ৯,৭৬৮ ভোট ও মাইক প্রতীকের আব্দুল মুয়ীন ফারুক ৮,১৮২ ভোট পান।

Kamalgonj Pic-4
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদ্মফুল প্রতীকের বিলকিস বেগম ৩৮,৭৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ও বল প্রতীকের পারভীন আক্তার লিলি ২৮,৩৫৪ ভোট পান।
কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চাবাগানের কয়েকটি ভোট কেন্দ্র ব্যতীত অন্যান্য ভোট কেন্দ্র সমুহে ভোটারের উপস্থিতি ছিল খুবই নগন্য। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও কেন্দ্র সমুহে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টরা বসে অলস সময় পার করেছেন। দু’একটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয।

Kamalgonj Pic-2
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে সীমান্তবর্তী এ উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ১,৭৯,৪শ’ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৯ হাজার ৫৬৪ ও মহিলা ৮৯ হাজার ৮৩৬ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪৫৬টি। তবে সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্র সমুহে ভোটারের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। চা বাগানের কিছু কেন্দ্র সমুহে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক। উপজেলা সদর, পতনঊষার, শমশেরনগর, রহিমপুর ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়। বিকেলে কর্মী সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি থেকে কিছু ভোটার এনে ভোট প্রদান করেন। বেলা ১১টায় পতনঊষার মাইজগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আনারস ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া রহিমপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌণে ১২টায় জাল ভোটের অভিযোগে প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুর রহমানের সাথে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। ইসলামপুরের বাঘাছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬২টি ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া পুরো উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ড. খলীকুজ্জামান

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

 রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পদক’ এ ভূষিত হয়েছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, গবেষক, লেখক ও সমাজ সংষ্কারক ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ। তিনি স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন সমাজসেবা ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য। আগামী ২৫ মার্চ বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে তাঁরা “স্বাধীনতা পুরষ্কার- ২০১৯” গ্রহণ করবেন।

বরেণ্য অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সমাজ ভাবনার অন্যতম ব্যক্তিত্ব কাজী খালিকুজ্জামানের রংতুলির জীবনবাদী আঁচড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে দেশ বিদেশের আনাচে কানাচে। তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ মার্চ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পাঁচগাও এলাকার এক বনেদি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মৌলানা কাজী মুফজ্জল হোসেন ছিলেন একজন তুখোড় রাজনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯৪৬ সালে নির্বাচিত এম এল এ ছিলেন। ড. খলীকুজ্জামানের মাতা বেগম মরহুম ছহিফা খাতুন ছিলেন একজন মহিয়ষী নারী। তদানিন্তন সময়ে শিক্ষা বিস্তারে তিনি ব্যাপক কাজ করে গেছেন।

পরিবেশের উপর তিনি যুগান্তকারী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির স্বর্ণপদক-২০১২, সমাজসেবায় একুশে পদক-২০০৯, ২০০৭ সালের শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী ইন্টারগভর্নমেন্ট প্যানেল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ এর সদস্য, ২০০৫ সালে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরষ্কার।

পারিবারিক জীবনে ড. কাজী খলীকুজ্জামান অত্যন্ত সফল ও সুখী জীবনযাপন করছেন। তাঁর স্ত্রী ড. জাহেদা আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপনা করছেন। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ড. জাহেদা বিভিন্ন গবেষনায় জড়িত রয়েছেন। তাঁর লেখার হাত ভারি চমৎকার। তাঁদের দুজন সন্তান রয়েছেন। একজন কাজী রুশদী আহমদ অপরজন কাজী উরফী আহমদ।

বড়লেখার দুই শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব : শাবি’র মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট

বড়লেখা প্রতিনিধি::

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালের মাস্টার্স (ইংরেজি) ফাইনাল পরীক্ষায় যুগ্মভাবে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়েছে বড়লেখার দুই মেধাবী ছাত্রী। এদের একজন সুমাইয়া ফেরদৌস ও অপরজন শারমিন বেগম। তারা দুইজনই সিলেট বিভাগের নারীশিক্ষা প্রসারের অন্যতম পিদ্যাপিট বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রী কলেজের সাবেক ছাত্রী। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী মেধাবী সুমাইয়া ও শারমিন উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে আগ্রহী।

সুমাইয়া ফেরদৌস বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হারুন-উর-রশীদ ও সাবেক স্কুল শিক্ষিকা কবি লাইলি বেগমের মেয়ে। এ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় সুমাইয়া জিপিএ-৫ অর্জন করে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে বি.এ আনার্সে ভর্তি হয়। অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষায় সে প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এদিকে শারমিন বেগম উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী সফিক উদ্দিন ও গৃহিনী আনোয়ারা বেগমের কনিষ্ট মেয়ে।

বড়লেখার মেধাবী এ দুই ছাত্রী ভবিষ্যতে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত হতে আগ্রহী হলেও এই মুহূর্তে তারা চাকরীর কথা ভাবছে না। ডক্টরেট ডিগ্রীসহ ইংরেজির ওপর তারা উচ্চতর ডিগ্রী নিতে আগ্রহী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম একটি বিশ্ববিদ্যালয় শাবি থেকে মাস্টার্সে ঈর্ষনীয় ফলাফল অর্জন করায় কৃতী শিক্ষার্থী সুমাইয়া ও শারমিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বড়লেখা নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী।