সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মুন্সীবাজার

কমলগঞ্জে আরডিআরএস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
”ইভটিজিং প্রতিরোধে রাষ্ট্রের সুশাসন ব্যবস্থা না সামাজিক সচেতনতা প্রয়োজন ? ” সমসাময়িক এই সমস্যা-কে নিয়ে বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ এর বাস্তবায়নে এবং পল্লী-কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মোট ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরডিআরএস বাংলাদেশ স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০১৯ আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ঘটিকা হতে কমলগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ২৪জন প্রতিযোগিদের নিয়ে উক্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিকাল ৪ ঘটিকায় পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরডিআরএস বাংলাদেশ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সামছুল হকের সভাপতিত্বে ও আরডিআরএস বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ এখলাছ মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামছুন নাহার পারভিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, সহকারি প্রধান শিক্ষক বিলকিস আক্তার, কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম মান্না।

পতনঊষারে দু’দিনব্যাপী বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা সমাপ্ত


পতনঊষার প্রতিনিধি
“লোকজ সংস্কৃতি ও কৃষ্টি লালনের লক্ষে” মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের শহীদনগর বাজারে স্থানীয় শাপলা সবুজ সংঘের ২৭ তম আয়োজনে দু’দিন ব্যাপী বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সমাপ্ত হয়। সোমবার রাত ৯ টায় মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনট সদস্য প্রফেসর ড. মো. ফজলুল আলী।
নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি, পতনঊষার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নারায়ণ মল্লিক সাগরের সভাপতিত্বে ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবেদ শওকত মিলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা এর সহযোগি অধ্যাপক মোঃ শরিফুর রহমান, সুজা মেমোরিয়াল কলেজের প্রভাষক মোঃ আব্দুল আহাদ, কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, শহীদনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি অলি আহমদ খান, হুরুন্নেচ্ছা খাতুন চৌধুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বয়তুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবক সভাপতি আসাদুজ্জামান রনি, নাট্যকার হিফজুর রহমান বক্স, শহীদনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর জিল্লুল। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমরেড আফরোজ আলী, সমাজসেবক জুনেদ খান, মেলা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে রাত ১.৩০ ঘটিকায় বৈশাখী মেলা উপলক্ষে র‌্যফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। দু’দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলায় নানা শ্রেণিপেশার বিপুলসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন।

কমলগঞ্জে যুবকের প্রাণ বাঁচালো পুলিশ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


পহেলা বৈশাখীর দিনে ট্রেনের নীচে ঝাঁপ দিয়ে আতœহত্যার চেষ্টা করতে যাওয়া ইমন নামের এক যুবকের প্রাণ বাঁচালো কমলগঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ রেলস্টেশন এর সংলগ্ন কুমড়াকাপন এলাকায় সিলেট-আখাউড়া রেল লাইনে।
কমলগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার পহেলা বৈশাখের দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা খবর দেয় ১টি ছেলে ট্রেন লাইনে উপর শুয়ে আছে। লোকজন বার বার বলছিলো, কিছুক্ষনের মধ্যে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পারাবত ট্রেন এই জায়গাটি অতিক্রম করবে। স্থানীয়রা ট্রেন লাইন থেকে সরে যাওয়ার কথা বললেও কারো কথা শুনছেনা ছেলেটি। এমন সংবাদের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ থানার এসআই সুরুজ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দলসহ স্থানীয়রা বাবুল মিয়ার ছেলে ইমন আহমেদ (২২) কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ব্যপারে কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেটিকে আতœহত্যার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, ছেলেটি ১টি গাড়ীর হেলপার ছিলো। কিছুদিন আগে হাইওয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় তার দুই হাতের বেশ কয়েকটি স্থাানে ভেঙ্গে যায়। দুই হাত প্লাস্টারিং করলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সুচিকিৎসা করাতে না পারায়, আর দিন দিন হাতের যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ার কারণে তা সহ্য করতে না পেরেই আতœহত্যার এমন সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানায়। তিনি আরো বলেন, সুচিকিৎসা করার জন্য মানবিক আবেদনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দুপুর ১ টায় ইমনকে কে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়

বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরদিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার হীড বাংলাদেশ কনফারেন্স রুমে ‘ইকোলজি এন্ড কনজারভেশন অব হুল্লুক গিবন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এর সভাপতিত্বে ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু মুছা শামসুল মোহিত চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে হুল্লুক গবেষণা ও প্রকল্প বিষয়ে সচিত্র উপস্থাপনা করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকল্প উপ-পরিচালক ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর। কর্মশালা উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে অধ্যাপক ড. হাবিবুন নাহার এর নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ সদস্যের একটি দল লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় হুল্লুকের উপর গবেষণা পরিচালনা করবে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকসহ বন্যপ্রাণীর বিচরণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত সড়কপথ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া উচিত। তাছাড়া প্রাচীন আমল থেকে সিলেট-আখাউড়া সড়কে প্রবাহিত রেলপথের লাউয়াছড়া উদ্যানের ভেতরের রেলপথকে আন্ডারপাস ও ঘন বনাঞ্চল এলাকার রেলপথকে স্থানান্তর করা যেতে পারে।
ড. সাবির বিন মুজাফ্ফর গবেষণা বিষয়ে উপস্থাপনায় বলেন, বন ফাঁকা হলে বন্যপ্রাণি খাবার ও আবাসস্থল সংকটে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০১ সনে হুল্লুক নিয়ে গবেষণা বিষয়ে কাজ শুরু করার পর ২৮২টির সন্ধান পাওয়া যায়। অথচ ১৯৮০ সনে ধরা হতো ১ লাখ ৭০ হাজার ও ২০১০ সালে নেমে আসে ৩ থেকে ৫ হাজারে।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান চেয়ারম্যান (আওয়ামীলীগ), রামভজন কৈরী ভাইস চেয়ারম্যান, বিলকিস বেগম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-K
পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন ভোট সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান ৪৯,১৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি  স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের মো: ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল ১৯,৪৫০ ভোট ও ওয়ার্কার্স মনোনীত প্রার্থী হাতুড়ী প্রতীকের আব্দুল আহাদ মিনার ভোট ৩৬৫ পান।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে টিউবওয়েল প্রতীকের রামভজন কৈরী ৩১,০১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি তালা প্রতীকের মো: সিদ্দেক আলী ১৮,৭৭৯ ভোট, চশমা প্রতীকের শাব্বির এলাহী ৯,৭৬৮ ভোট ও মাইক প্রতীকের আব্দুল মুয়ীন ফারুক ৮,১৮২ ভোট পান।

Kamalgonj Pic-4
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদ্মফুল প্রতীকের বিলকিস বেগম ৩৮,৭৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ও বল প্রতীকের পারভীন আক্তার লিলি ২৮,৩৫৪ ভোট পান।
কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চাবাগানের কয়েকটি ভোট কেন্দ্র ব্যতীত অন্যান্য ভোট কেন্দ্র সমুহে ভোটারের উপস্থিতি ছিল খুবই নগন্য। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও কেন্দ্র সমুহে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টরা বসে অলস সময় পার করেছেন। দু’একটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয।

Kamalgonj Pic-2
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে সীমান্তবর্তী এ উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ১,৭৯,৪শ’ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৯ হাজার ৫৬৪ ও মহিলা ৮৯ হাজার ৮৩৬ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা ৪৫৬টি। তবে সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্র সমুহে ভোটারের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। চা বাগানের কিছু কেন্দ্র সমুহে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক। উপজেলা সদর, পতনঊষার, শমশেরনগর, রহিমপুর ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়। বিকেলে কর্মী সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি থেকে কিছু ভোটার এনে ভোট প্রদান করেন। বেলা ১১টায় পতনঊষার মাইজগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আনারস ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া রহিমপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌণে ১২টায় জাল ভোটের অভিযোগে প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুর রহমানের সাথে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। ইসলামপুরের বাঘাছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬২টি ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া পুরো উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জীববৈচিত্র রক্ষার স্বার্থে লাউয়াছড়ার ভিতরের রাস্তা ও ট্রেন লাইন নতুনভাবে নির্মান ও সরানোর বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে – পরিবেশ ও বন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন

Pic-22কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিভিন্ন প্রাণী ও জীববৈচিত্র রক্ষার স্বার্থে লাউয়াছড়ার ভিতর দিয়ে যে রাস্তা ও ট্রেন লাইন রয়েছে সেটি নতুনভাবে নির্মান ও সরানোর বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। পাশাপাশি পাকা রাস্তাটি বন্ধ না করে উভয় পাশে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ফ্যানসিং করার পরিকল্পনা আছে। এটি বাস্তবায়িত হলে তখন আর লাউয়াছড়ায় বন্য প্রানী দূর্ঘটনায় মারা যাবেনা। পরিবেশ ও বন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন শনিবার (৯ মাচ) মৌলভীবাজার বর্ষিজুড়া ইকোপার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

Pic-1
মন্ত্রী আরো বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক পলিথিন ব্যবহার আমরা এক সাথে বন্ধ করে দিলে তখন এমনিতেই পলিথিন বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পলিথিন ব্যবহারের বিকল্প পাটের ব্যাগ ব্যবহারে আর্থীক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাটের ব্যাগ ব্যবহার শুরু হলে এমনিতেই পলিথিন চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) রোকন উদ্দিন, মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ইতিহাসে চির অম্লান তথা উজ্জ্বল হয়ে থাকবে ৭ মার্চের এই ভাষণ

images১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্সের জনসভায় বাঙালির আকাক্সিক্ষত স্বপ্নের বাণী উচ্চারণ করেছিলেন। ঘোষণা করেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ একই সঙ্গে তিনি সাত কোটি বাঙালিকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাঁর এই ভাষণকে বিশ্বের ইতিহাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বলে গণ্য করা হয়। এই ভাষণই বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত করেছিল সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেই ভাষণ প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা সংগ্রামে শরিক হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানী শাসকদের সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিক আলোচনার পথ থেকে পিছিয়ে যাননি। এটা নিঃসন্দেহে তাঁর বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে। কিন্তু পাকিস্তানী হানাদাররা বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করে। একদিকে আলোচনা চলেছে, অন্যদিকে তারা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও অস্ত্র আনা অব্যাহত রেখেছে। তারা কখনই এ দেশের মানুষের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে চায়নি। তারা চেয়েছিল বাংলার মানুষকে চিরকাল গোলাম করে রাখতে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ববঙ্গের মানুষের ন্যায্য দাবি কখনই মেনে নেয়নি। এখানকার মানুষকে তারা সমান অধিকার দেয়নি কখনই। বরং শুরু থেকেই নব্য ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের যাঁতাকলে বেঁধেছে এখানকার মানুষকে। প্রথমে তারা আঘাত হেনেছে বাংলা ভাষার ওপর। উর্দুকে তারা পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার কথা ঘোষণা করেছিল। ১৯৪৮ সাল থেকেই পাকিস্তানী শাসকদের এ ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গের মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিতে হয় এদেশের মানুষকে। বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার, শফিকসহ অনেককে ভাষার জন্য জীবন দিতে হয়। কিন্তু আন্দোলন থেমে থাকেনি। বরং পাকিস্তানীদের অন্যায় শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে এখানকার গণতান্ত্রিক আন্দোলন স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ নেয় এবং তা ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে।
বস্তুত ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, তার একটি বিশাল ও রক্তক্ষয়ী পটভূমি রয়েছে। ১৯৪৭ সালের পর ২৩ বছরের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এ জন্য এ দেশের মানুষকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে, অনেক আত্মত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার গর্বে উন্মাতাল পাকিস্তানী শাসকরা কখনও উপলব্ধি করেনি, এভাবে অন্যায়-জুলুমের মধ্য দিয়ে কোন সচেতন মানবগোষ্ঠীকে দাবিয়ে রাখা যায় না।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রমনার রেসকোর্সের জনসভায় বঙ্গবন্ধুর চিরায়ত ভাষণের মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের ভবিষ্যত নির্ধারিত হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মানুষ শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে শান্তিপূর্ণভাবে-নিয়মতান্ত্রিক পথে সমস্যা সমাধানের। কিন্তু ২৫ মার্চ রাতে বিশ্বাসঘাতক পাকিস্তানী হানাদাররা সব নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর। সেদিন ‘যার যা আছে তাই নিয়ে’ এ দেশের মানুষ হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাসের নিরন্তর মুক্তির লড়াইয়ের পর বিজয়ী হয় বাঙালি জাতি। তাই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের গুরুত্ব আজও অম্লান। মূলত ৭ মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা এবং একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জনের নির্দেশিত পথ। যতকাল বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডটি বেঁচে থাকবে ভূমন্ডলে ততকাল বেঁচে থাকবেন তার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কমলগঞ্জের ভাষা উৎসব উদযাপিত : বহু ভাষাভাষি অধ্যুষিত কমলগঞ্জ উপজেলায় ভাষা চর্চা একাডেমি স্থাপনের দাবী

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Vasha Pic Kamalgonj-2
বহু ভাষার ক্ষৃদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কমলগঞ্জে ভাষা চর্চা একাডেমি স্থাপনের আহবান জানিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জের ভাষা উৎসব-২০১৯ উদযাপিত হয়েছে। ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনা ও ১০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শনিবার বিকেলে সমাপ্ত হলো কমলগঞ্জের ভাষা উৎসব। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, কমলগঞ্জ এর আয়োজনে শনিবার সকাল ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী ভাষা উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক চিফ হুইপ, সরকারি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি।

Vasha Pic Kamalgonj-3

পরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে অডিটরিয়ামে এসে শেষ হয়। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনার পর কমলগঞ্জের ভাষা-বৈচিত্র্য এবং ভাষাসংগ্রামী ‘ মো: ইলিয়াস জীবন ও কর্ম গ্রন্থদ্বয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। সম্মাননা প্রদান করা হয় ভাষাসংগ্রামী জননেতা মো: ইলিয়াস এর সহধর্মিনীকে। মূলত, ভাষাচর্চা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বিপন্নতারোধ, চর্চা ও বিকাশের লক্ষে উপজেলা প্রশাসন এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ যৌথভাবে এর আয়োজন করে। ভাষা উৎসবকে কেন্দ্র করে নানা ভাষার মানুষের বর্ণিল মেলবন্ধন ঘটেছিল। ভাষা উৎসব উপলক্ষে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামের সামনে বিভিন্ন ধরণের স্টল বসেছিল।

Pic-1
দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হকের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক শাহাজান মানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, কমলগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, কমলগঞ্জ এর আহবায়ক আহমদ সিরাজ। আলোচনায় অংশ নেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক নাজমুন্নাহার বেগম, লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী ড. সেলু বাসিত, কবি ও গবেষক প্রফেসার নৃপেন্দ্র লাল দাশ, লেখক ও গবেষক রসময় মোহান্ত, শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, লেখক ও গবেষক ড. শোয়াইব জিবরান, লেখক ও গবেষক ড. রণজিত সিংহ, কবি ও কথা সাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান, কমলগঞ্জ সরকারি গণ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিয়া, সুজা মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ ম. মুর্শেদুর রহমান, আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো: হেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য্য, কবি সনাতন হামোম প্রমুখ।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের আহবায়ক আহমদ সিরাজ।

Vasha Pic Kamalgonj-4
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলায় বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং চা বাগানে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। সমতলের অন্য কোন উপজেলায় এতো ক্ষুদ্র ন-গোষ্ঠীর বসবাস বিরল। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনায় বক্তারা বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলার মতো বাংলাদেশের আর কোন উপজেলায় এমনভাবে জনবৈচিত্র্যের বিপুল সম্ভার নেই। এই জনবৈচিত্র্যের সম্ভার ভাষা-মণিপুরী (তিনভাগি), খাসি, সাওতাল, মুন্ডা, গারো, তেলেগু, উরাং, ত্রিপুরী, ভুজপুরীসহ নানা ভাষার জনগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে। বহুমাত্রিক ও বর্ণিল জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যসমৃদ্ধ সীমান্তবর্তী উপজেলা কমলগঞ্জ বাংলাদেশের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য স্পর্শ করে নান্দনিক চরিত্র বহন করছে। মূলত ভাষাচর্চা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বিপন্নতারোধ, চর্চা ও বিকাশের লক্ষ্যে এই ভাষা উৎসবের আয়োজন। রাজধানী ঢাকার পরেই উপজেলা হিসেবে কমলগঞ্জে বহু ভাষাভাষার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এজন্য এই উপজেলায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় একটা ভাষা চর্চা একাডেমি বা ভাষা চর্চা কেন্দ্র স্থাপন করা জরুরী।
অতিথিদের আলোচনার ফাঁকে ফাঁনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ :কমলগঞ্জে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

FB_IMG_1551161800341-1FB_IMG_1551161786991

52822972_250045105937553_6182612212935294976_n-1

দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার জেলা রিটার্ণিং অফিসারের কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তান চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান  (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমতিয়াজ আহদে বুলবুল (আনারস) ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আহাদ মিনার (হাতুড়ে)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো: সিদ্দেক আলী (তালা) রামভজন কৈরী (টিবওয়েল), শাব্বির এলাহী (চশমা) ও আং মুয়ীন ফারুক (মাইক), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার লিলি (ফুটবল) ও বিলকিস বেগম (পদ্মফুল)।

প্রতীক পাওয়ার পরই বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হয়েছে।

The Tried and True Way of Virtual Data Security in Step by Stage

If you take care of the data space for the very first time, it’s preferable to receive accustomed to the BEST Digital Info Place Providers Analysis. The digital data room possesses evolved to turn into a tool to facilitate the total deal study course, not just simply just for to carry away research. The very first step up preparing up the digital info room should be to opt for a specialist utilizing electronic data place comparison sites and virtual data space reviews. It enables companies to gain a competitive benefits in the marketplace. Therefore methods that you will need to have to choose the best possible virtual data room. Although virtual data rooms offer you many advantages, it is not suitable for each and every organization. A digital data space (sometimes referred to seeing as a VDR) is a great promotion database info which usually is applied for the store and the distribution of papers. Internet security concerns together with the protection info and data the use are a few of the significant challenges faced by the digital info room users. To start with, it’s highly recommended to produce a persistence about the important tasks with regards to the digital data place providers. From our discussion to date, it’s clear there are many benefits of switching to virtual data room. The net data talk about is also possible. Of course of action, it truly is readily available for you. Thus discover no need to check about records every of the moment. Values VDR is certainly a extremely protected, dependable and user friendly digital data room.

Details of Online Data Secureness

You may end up being wondering just how diverse a digital info room is at comparison for the various file-sharing services which are widely offered. The digital data room has a wide selection of applications and is also incredibly adaptable. That generally called to because VDR is a series of little-known extranets that provides on the web repository of information. To determine, whether it is used in line with physical data space or being a stand-alone device, there can be no suspect that VDR may help widen the option of the company to show hypersensitive info with other people in a safeguarded platform. Typically, virtual data areas are used for legal transactions, like mergers and acquisitions, nevertheless they’ve turned out to be a widely recognized way of securing organization venture. The protect digital data area really need to have the middle selling price. After you put into action on the web info room right into a business method, you are heading to manage to track benefits. Needless to say, it has the highly advisable to choose the popular and the absolute best info space. Several individuals possibly think that the details place is known as an expensive pleasure. Virtual info rooms are usually named Package Rooms. Searching for info area demands to come to be simpler to put in place and observe after. Also, this works a major position in controlling the compliance within the legal business function. A good digital info place can be one particular which provides you with the flexibility to complete points the route you would like.

Discover more facts regarding Safe Electronic Info Place below — www.dynaqube.com .