সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: March 20th, 2019

আবেদ খান পিআইবির চেয়ারম্যান 

নিউজ ডেস্ক::

প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান। সোমবার (১১ মার্চ) পিআইবি পরিচালনা বোর্ড গঠন করে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

পিআইবির চেয়ারম্যান ও দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার গত বছরের ১৩ আগস্ট সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

আবেদ খান প্রকাশিতব্য দৈনিক জাগরণের সম্পাদক। তিনি এর আগে দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক যুগান্তর ও সমকালের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পিআইবির নতুন পরিচালনা বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তথ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থবিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ মনোনীত যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন করে প্রতিনিধি। এ ছাড়া তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ পোস্টের প্রধান সম্পাদক শরীফ শাহাবুদ্দিন, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ, বিএফইউজের সদস্য শেখ মামুনুর রশীদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ সংবাদদাতা অনুপ খাস্তগীরকে পরিচালনা বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।

পিআইবির মহাপরিচালক এই বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে উপজেলা নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে ॥ প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৪৩.৩২ শতাংশ

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

14

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও ক্ষমতসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে নির্বাচন কিছুটা হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে। এছাড়া এই নির্বাচনে বিএনপির অনেক প্রার্থী দলের নির্দেশ অমান্য করেই এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভও করেছে। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পাশাপাশি, দলের অনেক বিদ্রোহী এবং বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে। এ ছাড়া দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় কেন্দ্র দখল এবং ভোট কারচুপির ঘটনা অনেক কম হয়েছে। ভোট কম পড়লেও নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। ইসির হিসাব অনুযায়ী প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৪৩.৩২ শতাংশ।
গত রবিবার প্রথম দফায় ৭৮ উপজেলায় ভোট হয়। যদিও নির্বাচনের আগেই ১৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান এবং ৬ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৭ উপজেলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে। কিন্তু বাকি উপজেলায় আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার পাশাপাশি দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরাই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এর বাইরে অনেক উপজেলায় বিএনপির প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন এ কারণেই ব্যাপকভাবে ভোট কারচুপি এবং জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে কম। নৌকা মার্কা প্রার্থীর পাশাপাশি এ কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়লাভ করতে সমর্থ হয়েছে।
৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে উপজেলায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। বিএনপির এই বর্জনের কারণে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়নি। অন্য দল নির্বাচনে না আসায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি নমনীয়ভাব প্রদর্শন করে। প্রায় সব উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও নির্বাচনের আগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কারও বহিষ্কার পর্যন্ত করা হয়নি। জানা গেছে প্রথম থেকেই নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করতে এ বিষয়ে নমনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী এবারই প্রথমবারের মতো দলীয় ভিত্তিতে উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আইন অনুযায়ী দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রার্থীরা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এবং প্রার্থী মনোনয়নও দল থেকেই দেয়া হবে। কিন্তু অন্যদলগুলো এবারে উপজেলায় না আসায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে এবারে দলীয় ভিত্তির নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকেই দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। প্রায় প্রতি উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বাইরে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়া হলেও বিদ্রোহীদেরও পরোক্ষভাবে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি না আসায় তৃণমূলে নেতাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টির ওপর জোর দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে কাউকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি যদি জিততে না পারেন, তাহলে বিদ্রোহী যে প্রার্থী জিততে পারবে তাকেই মূল্যায়ন করার বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে প্রায় প্রতি উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বড় ধরনের কোন সহিংসতা ঘটেনি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কোন কোন এলাকায় কেন্দ্র দখল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে ইসির পক্ষ থেকে দেশের ২৮ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। অথচ ইসির হিসাব অনুযায়ী ৭৮ উপজেলায় ভোট কেন্দ্রে ছিল ৫ হাজার ৮৪৭টি। সে তুলনায় খুব কমসংখ্যক কেন্দ্রে নির্বাচনের অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপি আসলে নির্বাচন অনেকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো, নির্বাচন আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হতো। ভোটার উপস্থিতি অনেক বেশি হতো। ভোট নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ থাকত বেশি। কিন্তু দলটি না আসায় নির্বাচনী পরিবেশ যেমন ছিল নিরুত্তাপ। ভোটার উপস্থিতিও আশানুরূপ ছিল না।
ভোট শেষে রবিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রথম ধাপের ৭৮ উপজেলার নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতাপূর্ণ হলে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়ে। এ নির্বাচনে অনেক দল অংশ না নেয়ায় তিনি ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম বলে উল্লেখ করেন।
প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৪৩.৩২ শতাংশ : এদিকে ভোট শেষে সোমবার ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে প্রথম দফায় উপজেলায় ভোট পড়েছে ৪২.৩২ শতাংশ। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, যেসব কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে, কেন বন্ধ হয়েছে, তা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচনে ২৮টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, পরবর্তীতে এগুলোর তারিখ নির্ধারণ করে পুননির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিষয়ে বলেন, এটা নৈতিকতার বিষয়। অনেক সময় অনেকে নৈতিকতা হারিয়ে কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। তবে সেগুলো নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে কমিশন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।

কমলগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic- Raly
“প্রাথমিক শিক্ষা দ্বীপি, উন্নত জীবনের ভিত্তি” এর শ্লোগানে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে শতভাগ ভর্তি, ঝড়েপড়ারোধ ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে উদ্বুদ্ধমূলক এক বর্ণাঢ্য শিক্ষা র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (১৩ মার্চ) সকাল ১১ টায় কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক এর নেতৃত্বে শিক্ষা র‌্যালী বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। শিক্ষা র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন্নাহার পারভীন,  সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা জয় কুমার হাজরা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।