সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

মৌলভীবাজার ৪ টি আসনের মধ্যে ৩টি আওয়ামীলীগ ও ১টি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর বিজয়

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

MP

মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনের মধ্যে ৩টি আওয়ামীলীগ ও ১টি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিজয় লাভ করে।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শাহাব উদ্দিন ৭৭ হাজার ৮শ ৬৩ ভোটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক জয় লাভ করেছেন। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ প্রাথী মো. শাহাব উদ্দিন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রাথী নাসির উদ্দিন মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮১৪ ভোট। এর আগে তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সাংসদ নির্বাচিত হন।
মৌলভীবাজার-২: সিলেট বিভাগ তথা সারাদেশজুড়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জয়জয়কারের মধ্যেও জয়লাভ করেছেন মৌলভীবাজার-২ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমদ। ২ হাজার ৫৭২ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন তিনি।
এই আসনের মোট ৯৩ কেন্দ্রের মধ্যে সুলতান মনসুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে বিকল্পধারার প্রার্থী এমএম শাহীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট।

মৌলভীবাজার-৩ : মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে ৭৯ হাজার ৯শ ৮৭ ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেসার আহমদ।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। স্থানীয় সূত্রে ১৬৮টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে জানা যায়, আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেসার আহমদ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫শ ৭৯ ভোট। অপরদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী নাসের রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫শ ৯২ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪: টানা ৬ষ্ঠ বারের মতো আবারো নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. আব্দুস শহীদ। তার মোট প্রাপ্ত ভোট ২ লক্ষ ১১হাজার ৬১৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২৯৫টি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস শহীদ মোট ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৩১৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৮০টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ড. আব্দুস শহীদ মোট ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৩৫০ টি, ধানের শীষ প্রতীকে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ৪৯ হাজার ৫০৯ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে মো. সালাউদ্দিন ৭শ’ ১৭ ভোট এবং উদীয়মান সূর্য প্রতীকে শান্তিপদ ঘোষ ৮৬ ভোট।
কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কমলগঞ্জ উপজেলার ৭২টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে মো. আব্দুস শহীদ মোট ভোট পেয়েছেন ৯৭ হাজার ২৬৩ টি, ধানের শীষ প্রতীকে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ৪৩ হাজার ৭৮৬ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে মো. সালাউদ্দিন ৬শ’০৮ ভোট এবং উদীয়মান সূর্য প্রতীকে শান্তিপদ ঘোষ ৬১ ভোট।

শমশেরনগরে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

images

কমলগঞ্জের শমশেরনগর চাতলাপুর সড়কের একটি আবাসিক হোটেলের গোসলখানা থেকে ক্ষতবিক্ষত এক ব্যক্তির লাশ পুলিশ উদ্ধার করেছে। শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াই টায় তানজিম আবাসিক হোটেলের ৩য় তলার ২১১ নং কক্ষের গোসলখানা থেকে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যুবকের লাশটি উদ্ধার করে।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, তানজিম আবাসিক হোটেলের পক্ষ থেকে দুপুরে ফোন পেয়ে ৩য় তলার ২১১ নং কক্ষের গোসলখানায় উপত হয়ে পড়ে থাকা এক যুবকের লাশ দেখতে পান।

হোটেলে ও রেজিষ্টার খাতা সূত্রে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি সাইফুল ইসলাম (২৫) ব্যবসার কাজে শমশেরনগর এসে কয়েক ঘন্টা বিশ্রামের জন্য হোটেল বুক করেছিলেন। তার ঠিকানা শ্রীমঙ্গল উল্লেখ করেছেন। হোটেল বুক করার সময় বলা হয়েছিল তার এক পরিচিত লোক দেখা করতে আসবে। গত ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে এ হোটেলে এসেছিলেন তিনি।

শনিবার সাড়ে ১টায় হোটেল মালিক অ্যাড. মাহবুবুর রহমান হোটেলের কক্ষগুলির পানির লাইন মেরামত করতে গিয়ে গোসলখানায় এ লাশটি দেখে পুলিশকে অবহিত করেন।

হোটেল মালিক অ্যাড. মাহবুবুর রহমান এ প্রতিনিধিকে বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে তার হোটেল ম্যানেজারের কাছে সাইফুল ইসলাম পরিচয় দিয়ে নিজের হাতে রেজিষ্টারে লিখে কয়েক ঘন্টার জন্য কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলো। বেলা আড়াইটার দিকে হোটেল ম্যানেজারের অনুপস্থিতিতে ভাড়া নেওয়া ব্যক্তি হোটেলেল অফিসে কক্ষের চাবি রেখে চলে যায়।

ভাড়া নেওয়া ব্যক্তি চলে যাওয়ার পর থেকে আর এ কক্ষটি খোলা হয়নি। কক্ষের গোসলখানার পানির লাইন মেরামতের কাজ করতে গিয়ে গতকার শনিবার দুপুরে গোসলখানায় এক ব্যক্তি উপত হয়ে পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান। তিনি সাথে সাথেই বিষয়টি পুলিশ ফঁড়িতে অবহিত করলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) অরুপ কুমার চৌধুরী লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চি করে বলেন, ধারণা করা যাচ্ছে তাকে কোনভাবে অবচেতন করে হত্যার পর চাকু দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দুস্কৃতিকারী নিরাপদে পালিয়ে গেছে। আর লাশটি ৪/৫ আগের। হোটেল পক্ষ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত আলামতও সংগ্রহ করা হয়। লাশের পরিচয় পেলেও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কর্মকর্তা বেশী কিছু বলতে চাচ্ছেন না।

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা ছাত্রাবাস

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা::

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব জমিতে সরকারের অর্থায়নে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা বিশিষ্ট বহুবিধ সুবিধাসম্পন্ন ছাত্রাবাস। এ ছাত্রাবাসে শুধুমাত্র চা বাগান শ্রমিকদের পরিবারের গরীব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে বা স্বল্পব্যায়ে আবাসন সুবিধা পাবে। ৩০০ আসন বিশিষ্ট নির্মিতব্য এ ছাত্রাবাসে ১৫০টি আসন ছাত্রদের জন্য বাকি ১৫০টি আসন ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এ ব্যাপারে সরকার ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলস্থ চা শিল্প শ্রম কল্যাণ বিভাগের হলরুমে সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব শিবনাথ রায় ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী নির্মিতব্য ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ, ছাত্রাবাসসহ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় জেলা প্রশাসক বা তাঁর উপযুক্ত প্রতিনিধির সভাপতিত্বে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শ্রীমঙ্গলস্থ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের ১ জন প্রতিনিধি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর শ্রীমঙ্গলের ১ জন প্রতিনিধি উপজেলা প্রশাসনের ২ জন প্রতিনিধি, চা শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ জন প্রতিনিধি (১ জন সদস্য সচিবসহ) সহ মোট ১১ জনের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড/কমিটি ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কর্তৃত গঠিত পরিচালনা কমিটি ভবনের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সভাপতি মাখন লাল কর্মকার, বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব রেজা, রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক আহ্বায়ক বিজয় বুরার্জী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল মাহমুদ, চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, বালিশিরা ভ্যালী কমিটির সভাপতি বিজয় হাজরা, সিলেট ভ্যালী সভাপতি রাজু গোয়ালা, মনু-ধলাই ভ্যালী সম্পাদক নির্মল দাস পাইনকাসহ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির ৩৪ জন সদস্য।

চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, ‘চা শ্রমিক ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি বর্তমান চা শ্রমিকবান্ধব সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এর জন্য কাজ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনগ্রসর চা জনগোষ্টির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সদইচ্ছার ফসল।

তিনি আশা করছেন, খুব তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় কাজ কর্ম শেষে এর নির্মান কাজ শুরু হবে। এটি নির্মিত হবার পর শ্রমিক সন্তানদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন হবে। তিনি যুগান্তকারী এ পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ ও চা শিল্পে নিয়োজিত সকল শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

কমলগঞ্জে জানিপপের অবহিতকরণ কর্মশালা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

17093

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদ (জানিপপ) তাদের নিয়োগ প্রাপ্ত পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনকারী পর্যক্ষেকদের অংশ গ্রহনে এক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটায় কমলগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ি) ও মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) সংসদীয় আসনের নিয়োজিত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অবহিতকরণ কর্মশালায় জানিপপের প্রশিক্ষক শামীম হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জানিপপ মৌলভীবাজার জেলা সমন্বয়কারী এম এ হামিদ। কর্মশালা শেষে জানিপপ কর্তৃক ৬৩ জন পর্যবেক্ষকদের মাঝে নির্বাচনে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক সামগ্রী প্রদান করা হয়।

কমলগঞ্জে বিএনপি ও যুবদলের দুজনকে গ্রেফতার

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1-177
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উপজেলা যুবদলের ও শমশেরনগর ইউনিয়ন বিএনপির দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে কমলগঞ্জের পতনউষার থেকে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল উদ্দীনকে গ্রেফতার করা হয়।  শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শমশেরনগর ইউনিয়নের শিংরাউলী গ্রাম থেকে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাহিদ মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অরুপ কুমার চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার রাতে য়ুবদল ও বিএনপির দুইজনকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে বলে দৃঢ় আশাবাদ । ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাকে শেখ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

30

একাদশ সাধারণ নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে বলে দৃঢ় আশাবাদ জানিয়েছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। ভারতের আনন্দবাজারকে গত বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমরাই আসছি। মানুষ আমাদেরই চাইছে।’ আনন্দবাজার জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় সুধাসদনে বসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিপুল আস্থা। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। জনগণের ভোটেই আমরা নির্বাচিত হব।’ দিন বদলের স্বপ্ন দেখিয়ে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০১৪ সালে বিএনপির বর্জনের মধ্যে দশম সংসদ নির্বাচন জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শেখ হাসিনার দল ক্ষমতায় আসে।

শেখ হাসিনা আনন্দবাজারকে বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটা আগের মতো অত চ্যালেঞ্জিং নয়। বৈরিতার পরিবেশও নেই। বরং আমাদের স্বপক্ষে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোয় একটা বিভেদ লক্ষ্য করতাম। এবার কিন্তু একচেটিয়াভাবে সবার সমর্থনটা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। সেটা টেরও পাচ্ছি।’

৩০ ডিসেম্বর ভোট সামনে রেখে শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন-বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অর্থায়নে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (আরডিসি) করা একটি জনমত জরিপে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবার ২৪৮ আসনে জয়ী হতে পারে। অন্যদিকে বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেতে পারে ৪৯ আসন।

আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসছে এটা নিশ্চিত কীভাবে হচ্ছেন এ প্রশ্নে আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং পরবর্তী সময়ে সহিংসতা সে কথা মনে করিয়ে  দেয়। জনগণই সে সময়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং তারাই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেই জনগণ আবার তাকে ভোট দেবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতিকে উদ্ধৃত করে আনন্দবাজার লিখেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরে সহিংসতার জন্য বিএনপি জনসমর্থনহীন হয়ে পড়ে। তাতেই আওয়ামী লীগের ফের সরকার গঠনের সম্ভাবনা আরো জোরালো হয়ে উঠেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা আনন্দবাজারকে বলেন, ‘নালিশ করার পাশাপাশি বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং মিথ্যা কথা বলতে ওরা ভীষণ পারদর্শী।’

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার প্রতি আসনে একাধিক ব্যক্তিকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়ায় তাদের নিজেদের মধ্যেই সংঘাত শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘দলের পুরনো বা জিতবেন এমন  নেতাদের মনোনয়ন দেয়নি ওরা। যে কারণে বঞ্চিতদের কাছে ওদের আক্রান্ত হতে হচ্ছে।’

আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা বলেন, এখনকার তরুণরা আওয়ামী লীগের বিষয়ে ‘খুবই উৎসাহী’। বিএনপির সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটা বিকৃতির ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সত্যকে জানার একটা আগ্রহ রয়েছে। ইন্টারনেটে খুঁজলেই একাত্তরের অনেক তথ্য এখন জানা যায়। ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার বিষয়টি এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ‘এর ফলে আওয়ামী লীগের প্রতি যুব সম্প্রদায়ের মতটাই পাল্টে গিয়েছে।’

নির্বাচনী সফরে জনগণের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ অন্তর থেকে চাইছেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসুক। জনগণ এটা জানেন, আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তিত হবে।’

এবার বিএনপির মনোনয়নে জামায়াতে ইসলামীর ২২  নেতার ভোট করার প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘জামায়াত তো গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। মেয়েদের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া থেকে ঘরবাড়ি দখল করেছিল। ওদের  মনোনোয়ন দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মানুষ শঙ্কিত।’

ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে থাকা এক সময়ের আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে গিয়ে গণফোরাম গঠনের পর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি থেকে দাঁড়িয়ে ড. কামাল হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই তিনি কি না গেলেন জামায়াত-বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে? ‘আমি অবাক হইনি। কারণ কী জানেন? উনার শ্বশুরবাড়ি পাকিস্তানে। ছেলেদের একটু শ্বশুরবাড়ির টানটা বেশি থাকে।’

আনন্দবাজার বলছে, সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে শেখ হাসিনার কাছে তারা জানতে চেয়েছিল, ভোটের ফল কেমন হবে? উত্তরে শেখ হাসিনা হেসে বলেন, ‘ওই যে প্রথমেই বলেছিলাম, আমরাই আসছি। কারণ, মানুষ আমাদেরই চাইছে।’

মৌলভীবাজারে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক

 

11-750x430
মৌলভীবাজার সংবাদদাতা

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক বলেছেন, একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং সকল ভোটারের উপস্থিতিতে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলেছি।

 

শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলামের সাথে দেখা করে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের দিন এটাই দেখার বিষয় হবে যে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোট দিতে পারছেন কি না।

মৌলভীবাজার-৪ আসন : কমলগঞ্জে শেষ মুহুর্তে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

এস.কে.দাস

MP

প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমলগঞ্জে শেষ মুর্হুতে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। জয় নিশ্চিত করতে আওয়ামীলীগ চা বাগানের ভোট ধরে রাখতে চায়। অপরদিকে বিএনপি চাচ্ছে চা বাগানের ভোট ব্যাংক ভাঙতে। আওয়ামীলীগ চা বাগান সমূহের চা শ্রমিক ভোটারের দ্বারে দ্বারে জোর গণ সংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছে। ভোট ব্যাংক গ্রামাঞ্চল ধরে রেখে চা বাগানে ভাগ বসিয়ে চা বাগান ভোট ভাঙ্গতে চায় বিএনপি। বিগত ৫ বারের নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামী প্রার্থীর নানা ত্রুটি বিচ্যূতি তুলে ধরে চা শ্রমিক ভোটারের কাছে গণ সংযোগ ও প্রচারনা চালাচ্ছে বিএনপি।
১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে চা বাগানের শ্রমিক ভোটাররা এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগের প্রতীক নৌকায় ভোট দিয়ে যাচ্ছে। চা শ্রমিকদের ধারণা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই তাদের ভোটাধিকার দিয়েছিলেন। এই বিশ্বাসে চা বাগানের শ্রমিকরা হচ্ছেন আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক। কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজারের বেশী চা শ্রমিক ভোট। এ ভোট ব্যাংকের ৯৫ শতাংশই আওয়ামীলীগ পেয়ে থাকে।
এ আসনের আওয়ামীলীগের ষষ্ঠবারের প্রার্থী এম এ শহীদ এবার ভোট ব্যাংক চা শ্রমিক ভোটারদের শতভাগ ভোট ধরে রেখে নৌকার পক্ষে নিয়ে নিতে সবচেয়ে বেশী গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন চা বাগান সমূহে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখারও জোর চেষ্টা করছেন তিনি। সাথে সাথে গ্রামাঞ্চল থেকে আরও বেশী ভোট নৌকার পক্ষে নিতে সুসংগঠিত দল গঠন করে  জোর প্রচারনা চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে বিএনপি মনে করে গ্রামাঞ্চলের ভোটাররা ধানে শীষের ভোট ব্যাংক। বিএনপি ভোট ব্যাংক গ্রামকে ধরে রেখে বিগত ৫ বারের নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামীলীগের নানা ত্রুটি বিচ্যূতি তুলে ধরে আওয়ামী ভোট ব্যাংক চা বাগানে ভাঙ্গন ধরাতে চাচ্ছে। চা বাগান এলাকা ঘুরে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ভোটের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। এবং যোগ্য ব্যক্তিকেই তারা নির্বাচিত করবেন। এ সুযোগ নিতে মরিয়া হয়ে প্রচারনায় ব্যস্ত বিএনপি। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে দিন রাত অবিরাম জনসংযোগ, উঠান বৈঠক করে নিজের প্রতীকে ভোটারদের কাছ ভোট প্রার্থনা করছেন আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও উভয়দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনে এবার ভোটের লড়াইয়ে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলে চারজন নির্বাচনে ছিলেন। সে হিসেবে ব্যালটেও চারজনের নাম ও প্রতীক রয়েছে। অতি সম্প্রতি গণ ফোরমের প্রার্থী অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন নির্বাচনী মাঠের লড়াইয়ে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তারা হচ্ছে আওয়ামীলীগ থেকে ৫ বারের সাংসদ মো. আব্দুস শহীদ (নৌকা), বিএনপি থেকে আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান (ধানের শীষ) ও ইসলামী আন্দোলনের বাংলাদেশের মাওলানা সালাহ্ উদ্দিন (হাতপাখা)।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩৫। কমলগঞ্জে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪শ ও শ্রীমঙ্গলে ২ লাখ ১৯ হাজার ৫৩৫ জন। কমলগঞ্জে ৭২ও শ্রীমঙ্গলে ৮০টি ভোট কেন্দ্র রযেছে।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ সালাহ্ উদ্দীন কয়েকজন সমর্থককে সাথে নিয়ে প্রচারণার চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে দিনরাত সমান তালে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছে। তবে শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ উঠান বৈঠক ও গন সংযোগের মাধ্যমে নিজের পক্ষে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। আসনটিতে ৩ জন প্রতিদ্বন্ধীতা করলে ও মূল লড়াই হবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে।

কমলগঞ্জ দুজন গ্রেফতার

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1-177

কমলগঞ্জ থানা পুলিশ পৌর বিএনপির এক নেতা ও পতনউষার ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে।  বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে পতনউষার ইউনিয়নের বুন্দাবনপুর গ্রাম থেকে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রুমেল আহমেদকে ও বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজার আদালত চত্তর থেকে কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ও কমলগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার এ এসআই আব্দুল হামিদ জানান, বুধবার পতনউষার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রুমেল আহমেদকে ও বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার আদারত চত্তর থেকে কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। কোন অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে এ এসআই আব্দুল হামিদ না জানালেও শুধু বলেন গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

আমি কোন দলে যোগ দেইনি, আমি আওয়ামী লীগের কর্মী: সুলতান মনসুর

1

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

ডাকসুর সাবেক ভিপি মৌলভীবাজার-২ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মনসুর বলেছেন, আমি কোন দলে যোগ দেইনি, আমি আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। শুধু একটি নিবন্ধিত দলের পেপার জমা দিতে হয় বলে আমি গণফোরামের হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছি নিয়ম রক্ষার জন্য।

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় মৌলভীবাজারে প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় সুলতান মনসুর অভিযোগ করে বলেন, প্রতীক বরাদ্দ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল কিন্তু এর পর থেকে কিছু অতি উৎসাহী পুলিশ এবং মহাজোট প্রার্থী বিকল্পধারার এম এম শাহীনের উগ্র সমর্থক মিলে যখন তখন আমার প্রচারে হামলা করছে। মিথ্যা এবং গায়েবি মামলায় এখন পর্যন্ত ৫ থেকে ৬শ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে অতি উৎসাহী পুলিশ। এই অবস্থায় প্রতিকূল পরিবেশে আমাকে প্রচার চালাতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনী এ দেশের সাধারণ জনগণের সাথে যে বর্বর এবং নির্মম আচরণ করেছিল ঠিক সে রকম হামলা ঘটছে স্বাধীন দেশে আমার নির্বাচনী এলাকা কুলাউড়ায়।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, সাবেক সাংসদ নবাব আলী আব্বাস, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আবেদ রাজা প্রমুখ।