সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

শিক্ষিকা-অটোরিকশা চালকের প্রেমে, সামাজিক অপমানে প্রেমিকার আত্মহত্যা

  Poto-1-4

ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ,জগন্নাথপুর:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে লোক লজ্জার অপমানে রোমেনা বেগম (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের আখলুছ মিয়ার মেয়ে। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

সরজমিনে স্থানীয়রা জানান, পাটলি ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের আখলুছ মিয়ার মেয়ে জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী রোমেনা বেগম ও তার খালাতো ভাই একই ইউনিয়নের চক আছিমপুর গ্রামের আবু মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক ইউনুছ মিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এছাড়া কলেজ ছাত্রী রোমেনা বেগম স্থানীয় একটি ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। স্কুলটি ইউনুছ মিয়ার বাড়িতে হওয়ায় তাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত কথা হতো। ঘটনাটি জানাজানি হলে ছেলে পরিবার বিষয়টি মেনে না নেয়া নিয়ে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর মধ্যে গত ২৭ জুলাই বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে রোমেনা বেগমকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ইউনুছ মিয়া। অপহরণের ২ দিন পর সামাজিক চাপে অপহৃতা কলেজ ছাত্রীকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে গ্রামে শালিস বৈঠক হয়। বৈঠকে ঘটনাটি নিস্পত্তি হয়নি।
অবশেষে ঘটনার ৪ দিন পর ৩১ জুলাই সোমবার সকালে সামাজিক লোক লজ্জার অপমানে বিষপান করে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকেন কলেজ ছাত্রী রোমেনা বেগম। এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বেলা দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমানীতে হতভাগ্য কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে কলেজ ছাত্রীর পিতা আখলুছ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, চক আছিমপুর গ্রামের শালিসি ব্যক্তি আরিফ উল্লাহ গংরা বিষয়টি নিস্পত্তি করতে বিলম্ব করায় সামাজিক অপমানে ক্ষোভে-দুঃখে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। জানতে চাইলে শালিসি ব্যক্তি আরিফ উল্লাহ বলেন, ছেলে পরিবার মেয়েকে বিয়ে নিতে রাজি না হওয়ায় নিস্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। এখানে আমার কোন দোষ নেই। জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি আমি এখনো জানিনি। খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মৌলভীবাজারে গাছ থেকে পড়ে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

Moulvibazar-30

বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে নারিকেল গাছ থেকে পড়ে সৈয়দ সাইদুর রহমান (২২) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ৩০ জুলাই রোববার শহরের বেড়িরপাড়স্থ নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুর শহরের বেড়ির পাড় এলাকার ফিরুজ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাইদুর রহমান নারিকেল পাড়ার জন্য গাছে উঠতে গিয়ে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনেরা তাৎক্ষনিক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। সাইদুর আট ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট। নিহত সাইদুর রহমান সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রয়াত মহসিন আলীর চাচাতো ভাই। তিনি মৌলভীবাজার পৌর ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

কমলগঞ্জে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আছকন আলীর বিদায়ী সংবর্ধনা

Pic- 1

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক   মোহাম্মদ আছকন আলী অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্টিত অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বিদ্যালয়ের হলরুমে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে  ইমন আহমদের পরিচালনায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমদ বাবু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী রাধাগবিন্দপুর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র দেবনাথ, দরগাহপুর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, পতনঊষার বালিকা সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাবা মনোয়ারা বেগম, রাজদিঘীরপার সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইয়াওর আলী, রাজদিঘীরপার সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন, লক্ষীপুর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়েী প্রাধান শিক্ষক অশোক রঞ্জন চক্র্বরতী, কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, পতনঊষার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামছুর রহমান, পতনঊষার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুল হক পিপুল, অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিফজুর রহমান তুহিন ।
বক্তব্য রাখেন মিলের বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক ছালিম আহমদ, রসুলপুর যুব সংঘের সভাপতি ইঞ্জিঃ আরজান আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আছকন স্যার শিক্ষার জ্ঞান দিয়ে হাজারো ছাত্র-ছাত্রী তৈরি করেছেন। তিনি সার্বক্ষণিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের ভালো, সৎ ও নির্ভীক সহকর্মী এবং বন্ধু।  অনুষ্টান শেষে বিদায়ী ব্যক্তি আছকন আলীর কে হাতে পুরষ্কার তুলে দেন বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও ম্যনেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ।

মসজিদে মালামাল সড়ক দিয়ে পরিবহণ করাকে কেন্দ্র করে কমলগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ ॥ আহত ২২ ॥ আটক ৪

Pic- Ram
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নে রামচন্দ্রপুর গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২২ জন আহত ও সাজু মিয়া নামে ১জন নিহত হয়েছেন।
কমলগঞ্জ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই রবিবার উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মসজিদের মালামাল নিয়ে যাতায়াতকারী গাড়িটিকে গ্রামের সড়কে যাতায়াত করতে একটি পক্ষ বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার জের ধরে দিন দুপুরে মৃত হানিফ উল্ল্যার গোষ্ঠীর দেওয়ান আলী ও রহমত আলীর সাথে সাজিদ আলী ও আইয়ুব আলীর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে উভয় পক্ষের আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও ধনুকসহ সজ্জিত হয়ে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দেওয়ান আলী পক্ষের আব্দুল মিয়া (৪০), মছকন আলী (৩০), হোসেন আলী (২৬), মন্তাজ মিয়া (৬০), সোহাগ আলী (২৫), রুবি বেগম (২৮), জয়নব বিবি (৫০), দিলারা বেগম (৪৫), ফাতেমা বেগম (৪০), সাফিয়া বেগম (৩২), নুরুন বেগম (৪০) আহত হন।
অন্যদিকে সাজিদ আলী গ্র“পের আব্দুর রহিম (৭৫) সুমিনা বেগম (২৭) কুলসুম বিবি (৩০) তৈয়ব মিয়া (৩৭) আব্দুল হেকিম (৬০) ও সাজু মিয়া (২০) আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে আব্দুল হেকিম মিয়া পুত্র সাজু মিয়া রবিবার রাত ১১ টায় মারা যান। সাজিদ আলীর পক্ষের সাহেদ (৩২), শাহাজান (৩০) জালাল (৩২) আশরাফ (৩০), কয়েদ ভানু (৫০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে সাহেদ মিয়ার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে রাতে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় ৩১ জুলাই সকালে দেওয়ান আলী পক্ষের চারজনকে আটক করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ।
এ বিয়য়ে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বদরুল হাসান  এ প্রতিনিধিকে বলেন এ ঘটনায় সাজু নামের একজন মৃত্যু হয়েছে ও ৪ জন আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বাকী আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৩১ জুলাই সোমবার বেলা সোয়া ১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রামচন্দ্রপুর এলাকায় পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। অনেক নারী পুরুষ এলাকা ছেড়ে যাচ্ছেন। কেউ আবার বিদেশ পাড়ি দিচ্ছেন।

আদমপুরে গুড নেইবারস বাংলাদেশ এর কৃমি সংক্রমণ রোধে ট্যাবলেট বিতরণ

Pic- Good N
কমলকুুঁড়ি রিপোর্ট
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান গুড নেইবারস বাংলাদেশ, মৌলভীবাজার সিডিপি এর উদ্যোগে সোমবার ৩১ জুলাই সকালে কৃমি সংক্রমণ ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিমো রনি হালদারের সভাপতিত্বে ও একে বাংলা স্কুলের শিক্ষক বাবু সুরচন্দ্র সিংহের উপস্থাপনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ হোসনে আরা বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিডিপি মেডিকেল অফিসার ডাঃ শ্রীনিবাস দেবনাথ, হেলথ অফিসার মোঃ রিপন মিয়া। সেমিনারে উপস্থিত বক্তারা কৃমি সংক্রমণ ও প্রতিরোধ নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন এবং গুড নেইবারস বাংলাদেশ ও ওয়ার্ল্ড কনসার্ণ এনজিও এর সহযোগিতায় উপস্থিত সমাবেশের মধ্যে কৃমির ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, কৃমি সংক্রমণ রোধে আদমপুর কর্ম এলাকায় কমিউনিটির মধ্যে ৫৮০০ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়।

কমলকুঁড়ি পত্রিকা ৩১ জুলাই ২০১৭, সোমবার, ৭ম বর্ষ সংখ্যা-৪

1

2

3

4

আইডি কার্ডে বয়স ৫১ হলেও চা বাগানে ৬০ হওয়ায় নারী শ্রমিককে অবসর : ‘এ কেমন কথা বাবু, এক দেশে দুই রকম আইন’

10
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
‘এ কেমন কথা বাবু। এক দেশে দুই রকম আইন। সরকার সব কাজে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার বাধ্যতামূলক করলেও চা-বাগানের ম্যানেজার তা মানতে রাজি নন।’ গতকাল কান্নাজড়িত কন্ঠে এই কথাগুলো বলেন কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর চা-বাগানের নারী চা-শ্রমিক লছমী রাজভর। বাগান কর্তৃপক্ষ গত জানুয়ারী মাসে তাঁর বয়স ৬০ ঊর্ধ্ব দেখিয়ে চাকুরী থেকে অবসর দেন। লছমী রাজভরের দাবি, তার বয়স ৫১ বছর এবং তিনি এখনও বাগানের কাজে সক্ষম ও আগ্রহী। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী লছমী রাজভরের জন্মতারিখ ১৯৬৬ সনের ১০ জুলাই।
বাগান কর্তৃপক্ষের অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি লিখিতভাবে ম্যানেজার বরাবর একটি আবেদন করে কাজে যোগদানের অনুমতি চান এবং এই আবেদনের অনুলিপি মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেন। মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ৩ এপ্রিল কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে সরজমিনে তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ১৯ জুন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শমসেরনগর চা-বাগানের ম্যানেজারের কার্যালয়ে তদন্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ শ্রমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত ‘সি’ ফরম ও সার্ভিস বইয়ের যে তথ্যাদি পেশ করেছেন। তদন্তক্রমে চাকরির বিধি মোতাবেক রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৮ ধারায় কোন শ্রমিকের অবসর গ্রহণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে বয়স যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের সার্ভিস বইয়ে লিপিবদ্ধ জন্ম তারিখ উপযুক্ত প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হইবে। আবারা শ্রম আইনের ৮ ধারায় বলা হয়েছে মালিক কোন শ্রমিকের চাকুরীর শুরুতে এবং তার চাকুরী চলাকালে তৎসম্পর্কে সার্ভিস বইয়ে সময় সময় এই অধ্যায় ও বিধির অধীন প্রয়োজনীয় তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করবেন এবং মালিক ও শ্রমিক উভয়েই দস্তখত করবেন। চা বাগান কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিচয়পত্রকে গুরুত্ব প্রদান না করলেও চা-বাগানে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের নীতিমালায় খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চা-শ্রমিকদের মধ্যে বয়োজেষ্ঠ্যদের অগ্রাধিকার এবং খাদ্যসহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলীতে উল্লেখ রয়েছে প্রার্থীর জন্মনিবন্ধন/জাতীয় পরিচয় নম্বরকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়।
চাকুরী থেকে অবসর দেয়া লছমী রাজভর অভিযোগ করে বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞেস না করেই তার জন্ম তারিখ লিখেছেন। আইন অনুয়ায়ী ‘সি’ ফরম ও সার্ভিস বইতে শ্রমিকের স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক হলেও বাগান কর্তৃপক্ষ তার নিকট হতে কোন স্বাক্ষর নেননি। লছমী রাজভর আক্ষেপ করে বলেন, আমরা যে ঘর থাকি সেটা আমাদের নয়, চাকরী শেষ হলে আমাদের ঘর কেড়ে নেওয়া হয় (যদি পরিবারের কারো বাগানে চাকরী না থাকে)। এখন বয়স হওয়ার আগেই যদি আমাকে অবসরে যেতে হয় তাহলে আমাকে না খেয়ে মরতে হবে। এছাড়া শ্রমআইন-এর ৫ ধারা অনুযায়ী নিয়োগপত্র ও শ্রমিকের ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও বিভিন্ন বাগানের চা-শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদেরকে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান করা হয় না।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলেও শমশেরনগর চা বাগান ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে চা বাগানের একজন কর্মকর্তা বলেন, চাকুরির বিধিতে চা বাগানের সার্ভিস বইয়ের রেকর্ড অনুযায়ী লছমি রাজভরের বয়স ষাটোর্দ্ধ হওয়ায় তাকে অবসর দেয়া হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা বৃদ্ধির দাবি সিলেটে বন্যায় বোরো ফসল, আউশ ক্ষেত ও আমন চাষ নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষক

10

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
বন্যায় বৃহত্তর সিলেটে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বোরো ফসলের। উঠতি ফসল বিনষ্ট হওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েন কৃষক। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সিলেট অঞ্চলে কৃষকরা আউশ ও আমনের উপর জোর দেন। পরবর্তীতে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় আউশ ক্ষেত। এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা বন্যায় সিলেটের কৃষকদের দুশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। আমন ক্ষেত ও বিজতলা তৈরি নিয়ে কৃষকরা উগি¦গ্ন। বন্যার পানি কমলেও বহু এলাকা এখনো রয়েছে জলমগ্ন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বোরো মৌসুমে ধান পাকার আগেই সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি উপজেলাসহ সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও হাওরাঞ্চলে পানি বেড়ে ধান বিনষ্ট হয়। বোরোর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সিলেট বিভাগে এক লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। কিন্তু বন্যায় লক্ষ্যমাত্রার পুরো ফসল পাওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশই হ্রাস পেয়েছে। কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্তের অভিযোগ জানালেও কৃষি বিভাগ কৃষকদের অভিযোগ পরিপূর্ণভাবে মানছে না।
কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, বৈশাখের শুরুতে ঢলের পানিতে সিলেট বিভাগে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৫ হেক্টর জমির বোরো ফসল তলিয়ে যায়। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ২৬ হাজার ৭১৫ হেক্টর, মৌলভীবাজারে ১০ হাজার ২৭৬ হেক্টর, হবিগঞ্জে ৪৭ হাজার ১৮০ হেক্টর ও সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ৮১ হাজার ৫২৪ হেক্টর জমির বোরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সিলেটে মোট ৬৪ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে আউশের চাষাবাদ হয়। এর মধ্যে পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে চার হাজার ৩৩০ হেক্টর। অন্যদিকে মৌলভীবাজারে দু’দফায় ১৭০৭ হেক্টর ও সুনামগঞ্জে ১৪০ হেক্টর আউশ জমি তলিয়ে গেছে। এছাড়া সিলেটে ৩৫ হেক্টর ও মৌলভীবাজারে ১০ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগীয় কর্মকর্তারা বলেন, ধলাই, মনু, কুশিয়ারা ও সুরমা নদীর পানি কমায় ফসলি জমি থেকে পানি নামছে। কিছু কিছু জাতের ধান হয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। সিলেট বিভাগের অন্তত ১২ উপজেলার বিপুল সংখ্যক কৃষক আউশের কাঙ্কিত ফলন পাবেন না বলে আশঙ্কা করছেন। বীজতলা নিমজ্জিত হওয়ায় আমনের চাষও বিঘিœত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। গত এপ্রিলে অকাল বন্যায় সুনামগঞ্জে অধিকাংশ বোরো ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উজান থেকে নেমে ঢলের পাশাপাশি আর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসলেও সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি এখনও ওঠা-নামা করছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কৃষক শেরওয়ান আলী, সিদ্দিকুর রহমান, তোয়াবুর রহমান বলেন, বন্যায় বোরো ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আউশ ক্ষেতও নিয়ে যায়। অনেক স্থানে আমনের চারা বিনষ্ট হয়। সব মিলিয়ে এতদ এলাকার কৃষক সাধারণকে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে। বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতা সবার ভাগ্যে জুটেনি।
১০ এপ্রিল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ জেলার ফসলহারা কৃষকদের জন্য ৪২টি পয়েন্টে ১৫ টাকা কেজিতে চাল বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলে। পরবর্তী মাসে প্রতিটি হাওর এলাকার বাজারে আরো ৬৮টি ওএমএস কেন্দ্র চালু করা হয়।
সিলেটের হাওর জেলা সুনামগঞ্জে বোরো ফসলহারা কৃষকদের জন্য নেওয়া সরকারি সহায়তা ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে। বন্ধ হয়ে গেছে খোলা বাজারে চাল বিক্রয় কার্যক্রম। চলতি মাসের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যাবে প্রান্তিক, দরিদ্র ও ক্ষুদ্র চাষিদের জন্য নেওয়া বিশেষ ভিজিএফ কার্যক্রম। সরকারি প্রণোদনার পাশাপাশি বেসরকারি ত্রাণ সহায়তাও কমে আসছে। কৃষকরা জানিয়েছেন দু’এক মাসের মধ্যেই সিলেট অঞ্চলের হাওরে অভাব আরো প্রকট হয়ে উঠতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তা কার্যক্রম বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। প্রায় একই অবস্থা সিলেট ও মৌলভীবাজারের ১৪টি উপজেলার।
সূত্র মতে, সুনামগঞ্জ জেলায় ফসলহারা সোয়া তিন লাখ কৃষকের মধ্যে এখন দেড়লাখ কৃষককে প্রতিমাসে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ৩০ কেজি চাল, নগদ ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এটিও বন্ধ হয়ে গেলে সমগ্র জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা গভীর সংকটে পড়বে বলে জানান স্থানীয়রা।
মৌলভীবাজারের কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, বোরো ফসল ও আউশ ক্ষেতে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শতভাগ আমন চাষাবাদে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তবে আমন চাষে কৃষকদের কোন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, তাৎক্ষনিকভাবে আমনের বিজ পাওয়া যায় না। তবে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

দৈনিক শুভ প্রতিদিন এর আত্মপ্রকাশে কমলগঞ্জে আনন্দ শোভা যাত্রা

pic
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক শুভ প্রতিদিন এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আনন্দ শোভা যাত্রা অনুষ্টিত হয়। ২৯ জুলাই শনিবার দুুপুর সাড়ে ১২টায় কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মো.মোস্তাফিজুর রহমান এর সহযোগীতায় এক আনন্দ শোভা যাত্রা বের করা হয়। উপজেলা চৌমুহনী হতে র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।
আনন্দ শোভা যাত্রায় শরিক হন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এম এ ওয়াহিদ রুলু, সম্পাদক শাহীন আহমেদ, মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ফোরামের  সম্পাদক মছব্বির আলী, মানবজমিন জেলা ষ্টাফ রিপোর্টার  ম ইমাদ উদ্দীন  কমলগঞ্জ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর জাতীয় পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান মিষ্টার, কমলগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের নেতা সাংবাদিক আসহাবুর ইসলাম শাওন, মাসিক চা মজদুর সম্পাদক সীতারাম বীন, শ্রীমঙ্গলের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, জুড়ূীর সাংবাদিক রাহেলা সিদ্দিকা, কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুল বাছিত খান, যুগ্ম সম্পাদক হিফজুর রহমান তুহিন, নারীনেত্রী শেখ মনোয়ারা, সমাজসেবক আব্দুল মন্নান, আব্দুল মুৃক্তাদির, সুমন আহমদ প্রমুখ। আলোচনায় বক্তারা পত্রিকাটির সফলতা কামনা করেন।

সাংবাদিক হয়রানীর প্রতিবাদে কমলগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

Pic- Press
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের জেরে আলোচিত যৌন নিপীড়নকারী ও নানা অপকর্মের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম সজীব কর্তৃক মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার এস এম উমেদ আলীসহ ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের প্রতিবাদে শনিবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনা চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে কমলগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদ ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কমলগঞ্জ শাখার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে।

Pic- UNO
কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এম, এ, ওয়াহিদ রুলুর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথের সঞ্চালনায় একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার মু. ইমাদ উদ দীন, জেলা সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এম. মছব্বির আলী, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সম্পাদক শাহীন আহমদ, কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, কমলগঞ্জ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর জাতীয় পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান মিষ্টার, কমলগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের নেতা সাংবাদিক আসহাবুর ইসলাম শাওন, মাসিক চা মজদুর সম্পাদক সীতারাম বীন, শ্রীমঙ্গলের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, জুড়ূীর সাংবাদিক রাহেলা সিদ্দিকা, কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুল বাছিত খান, যুগ্ম সম্পাদক হিফজুর রহমান তুহিন, নারীনেত্রী শেখ মনোয়ারা, সমাজসেবক আব্দুল মন্নান, আব্দুল মুৃক্তাদির, সুমন আহমদ প্রমুখ।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে নারীলোভী ও অসংখ্য অপকর্মের হোতা সাইফুল ইসলাম সজিবের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার ও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় এর প্রতিবাদে মৌলভীবাজার জেলার সর্বস্থরের সাংবাদিকরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। মানববন্ধন শেষে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় একাত্মতা পোষণ করেন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সমাজিক সংগঠনের নেতৃবন্দ।