সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: April 2019

গ্রাম রক্ষায় কমলগঞ্জের দক্ষিণ তিলকপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

2017-06-30--00_37_05

জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টিতে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ধলাই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে আদমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ তিলকপুর গ্রাম এলাকায় ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে চারটি গ্রামের বসত বাড়ি ও ফসলি জমি নিমজ্জিত করেছিল। পরবর্তীতে একে একে তিন দফা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে এ ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করলে ফসলি জমির সাথে সবগুলো বাড়িতে ২ থেকে ৩ ফুট পরিমাণ পানিতে নিমজ্জিত ছিল। সরকারীভাবে দক্ষিণ তিলকপুর গ্রামের ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ উন্নয়নে কাজ করার কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছা শ্রমে কাজ করে ভেঙ্গে যাওয়া ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত শুরু করেন। ঈদের ছুটি আসা গ্রামের চাকুরীজীবিরা, করেজ পড়–য়া ছাত্র সবাই মিলে গত ২৮ জুন থেকে প্রায় ২০০ লোক মিলে বস্তায় বালু ভরে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত করতে শুরু করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) বেলা দুইটায় দক্ষিণ তিলকপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, চাকুরীজীবি, কলেজ ছাত্র সবাই মিলে প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামতরে কাজ করছেন। আর এ কাজে এগিয়ে আসেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দীন। জানা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন সম্প্রতি বিতরণকৃত ভিজিএফ চালের খালি ২০০ বস্তা, প্যানেল চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দীন তার মৎস্য খামারে মাছের খাবারের খালি আরও ৩০০ বস্তা দিয়ে সহায়তা করেন। নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে আলাপে পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজার এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দু বিজয় শঙ্কর চক্রবর্তী আরও ১০০০ খালি বস্তা দিয়ে সহায়তা করেন। তাছাড়া গ্রামবাসীরা নিজেরাও ২ টা থেকে শুরু করে ৫টি করে বস্তা নিয়ে আসেন।

বাঁধ এলাকায় দেখা যায় কেউ কেউ খালি বস্তা বালু ভর্তি করছেন। আর যুবক ও ছাত্ররা এসব বালু ভর্তি বস্তা নিয়ে বাঁধের কাছে স্থাপন করছেন। কাজের সুবিধার্থে আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরের সবার খাবারের ব্যবস্থা করেন।

ইউপি সদস্য মো: হেলাল উদ্দীনও স্বেচ্ছাশ্রমে কর্মরত গ্রামবাসীরা জানান, এ বাঁধ ভেঙ্গে গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে তিনবার দক্ষিণ তিলকপুর গ্রামের ১৩০ বাড়ি, উত্তল তিলকপুর গ্রামের ৮৫টি বাড়ি, ঘোড়ামারা গ্রামের ১৫০টি বাড়ি ও হুমেরজান গ্রামের ১০০টি সব মিলিয়ে ৪৬৫ টি বাড়িসহ চারটি গ্রামের ফসলি জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। আবহাওয়ার অবস্থায় বোছা যায় আরও টানা বৃষ্টিপাত হতে পারে। তখন আবারও এ ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করে চারটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এ চিন্তা ভাবনায় গ্রামবাসীরা মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত কাজ শুরু করেন।

স্বেচ্ছাশ্রমে কাজে যোগ দেওয়া ঈদের ছুটিতে আসা পুলিশ সদস্য সাইফুর রহমান, সেনা বাহিনীর সদস্য জসিম উদ্দীন, ঢাকা সুপ্রীম কোর্টের অফিস সহকারী জাহাঙ্গীর হোসেন, সেনা সদস্য আব্দুস শহীদ, প্রাথমিক শিক্ষক আরিশ উদ্দীন, কলেজ ছাত্র আবুল হোসেন ও সাব্বির আহমদ বলেন, নিজেদের বাড়ি ঘর, ফসল রক্ষার তাগিদে তারা স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিরক্ষা বাঁধ রক্ষার কাজে যোগ দিয়েছেন। এখানে সবাই খুবই আন্তরিকভাবে গত দুই দিন ধরে কাজ করছে। উপজেলঅ নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যসহ যারাই তাদের এ কাজে সহায়তা করছেন তাদের সবাইকে গ্রামবাসীরা ধন্যবাদ জানান।

আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, দক্ষিণ তিলকপুর গ্রামের ৬০০ ফুট ভাঙ্গন এলাকা সরকারীভাবে মেরামত করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তার আগে আরও কয়েক দফা ধলাই নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ভাবনায় গ্রামবাসীদের সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি সম্মান জানিয়ে তাদের সাথে কাজে সহায়তা করতে এসেছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, গ্রামবাসীরা নিজেদের রক্ষায় নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে এত বড় কাজ শুরু করেছে তা শুনে তিনিও বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে এসে তাদের কাজে সহায়তা করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলায় তিনি ১০০০ খালি বস্তা পাঠিয়েছেন। তাছাড়া আগামী প্রতিরক্ষা বাঁধ রক্ষায় স্থায়ীভাবে কি কাজ করা যায় তা নিয়ে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজার এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দু বিজয় শঙ্কর চক্রবর্তী এ প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে বলেন, এটি একটি ভাল কাজ। এজন্য কাজে অংশগ্রহনকারী গ্রামবাসীদের ধন্যবাদ জানাতে হয়। তিনিও খালি বস্তা দিয়ে সহায়তা করেছেন। আগামী শুষ্ক মৌসুম ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ

কমলগঞ্জে খেলার ছলে পাওয়ার টিলারের চাপায় ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

খেলার ছলে বসতঘরের বারান্দায় রাখা বন্ধ পাওয়ার টিলারের চাপায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে তিন বছরের একটি শিশু মারা গেছে। এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (২৮ জুন) মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাদে সোনাপুর গ্রামে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, বাদে সোনাপুর গ্রামের মামুন মিয়া ধানি জমিতে হালচাষাবাদে পাওয়ার টিলার ব্যবহার করেন। বুধবার দুপুরে তিনি পাওয়ার টিলারটি বসত ঘরের বারান্দায় তুলে বন্ধ করে রাখেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সবার অজান্তে খেলার ছলে মামুন মিয়ার তিন বছর বয়সী একমাত্র ছেলে অলি মিয়া পাওয়ার টিলারের উপরে উঠে খেলা করছিল। একসময় পাওয়ার টিলারটি উল্টে গেলে শিশু অলি মিয়ার বুকের উপর পড়ে। গুরুতর আহতাবস্থায় শিশু অলিকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার সময় তার মৃত্যু হয়। বুধবার সন্ধ্যায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।

সিলেটের কৃতি সন্তান আনোয়ার চৌধুরীকে আইল্যান্ডের গভর্নর নিযুক্ত করলো ব্রিটিশ সরকার

2017-06-29--13_32_28

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

একযুগ আগে বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্বপালন করে যাওয়া সিলেটের কৃতি সন্তান আনোয়ার চৌধুরীকে যুক্তরাজ্যের ওভারসিজ টেরিটরি কেইম্যান আইল্যান্ডের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ব্রিটিশ সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পেরুতে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে থাকা আনোয়ার চৌধুরী ২০১৮ সালের মার্চ থেকে কেইম্যান আইল্যান্ডের গভর্নর হেলেন কিলপ্যাট্রিকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনোয়ার চৌধুরী ২০০৪ থেকে চার বছর ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনারছিলেন। ওই সময় সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজার প্রাঙ্গণে তাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হন, আনোয়ার চৌধুরীসহ ৪০ জন আহত হন। সম্প্রতি ওই হামলার মূল আসামি হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশ থেকে ২০০৮ সালে ফিরে গিয়ে আনোয়ার চৌধুরী ২০১১ সাল পর্যন্ত ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউশন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ওই দপ্তরের আরও কয়েকটি পদে কাজ করেন তিনি। ২০১৩ সালে তাকে রাষ্ট্রদূত করে পেরুতে পাঠানো হয়।

গভর্নর হিসেবে আনোয়ার চৌধুরী যেখানে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন সেই কেইমেন আইল্যান্ডের আয়তন মাত্র ২৬৪ বর্গকিলোমিটার। এর রাজধানী জর্জটাউন; লোকসংখ্যা ৬০ হাজার। প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, গভর্নরই এ দ্বীপের প্রধান। ব্রিটিশ সরকারের পরামর্শে রাণী গভর্নরকে নিয়োগ দেন। আর গভর্নর দ্বীপের প্রশাসন চালাতে নিয়োগ দেন একজন প্রিমিয়ার ও একটি কেবিনেট।

বিশ্বের অন্যতম ফাইনানশিয়াল সেন্টার হিসেবে পরিচিত কেইম্যান আইল্যান্ডের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয় – ব্যাংকিং, হেজ ফান্ড, বিনিয়োগ এবংক্যাপ্টিভ ইন্সুরেন্স ও সাধারণ কর্পোরেট কার্যক্রম ঘিরে।

কেইম্যান আইল্যান্ড হলো বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ব্যাংকিং সেন্টার যেখানে ২৭৯টি ব্যাংক রয়েছে এবং এরমধ্যে ২৬০টি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ের জন্য অনুমোদিত।

কমলগঞ্জে পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ঢল

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

2017-06-27--22_37_04

পাহাড়, ঝরনা আর সবুজের প্রাচুর্যে ভরা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ অঞ্চলের ছড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন সব পর্যটন কেন্দ্র। সবুজে মোড়া পাহাড়ের কোলঘেঁষা বন, ঝরনা, চা-বাগান, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন—কী নেই এখানে! ঈদের পরেরদিন ২৭ শে জুন মঙ্গলবার কমলগঞ্জের বৈচিত্র্যে ভরা সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন পর্যটক আর ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। ঈদের মতো উৎসবে পর্যটনকেন্দ্র দক্ষিন এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট লাউয়া ছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেইক, নয়নভিরাম হামহাম জলপ্রপাত,খাঁসিয়াপল্লী গুলোতে থাকে উপচে পড়া ভিড়। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভারে থাকে মুখরিত।
ডাক্তার ফজলুর রহমান পরিবার-পরিজন নিয়ে বি-বাড়ীয়া থেকে মাধবপুর লেইকে বেড়াতে, এবারের ঈদের ছুটিতে দৃষ্টিনন্দিত স্হান গুলো দেখতে তাঁরা ছুটে এসেছেন।
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের প্রতীক মাধবপুর লেইক ও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘিরে ছিল পর্যটকদের ঢল। আগামী কয়েক দিন একই রকম দৃশ্য থাকবে বলে স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে।
রাস্তা খারাপ হওয়া সত্ত্বেও এখানে বেড়াতে এসে পর্যটকেরা নিজেদের সাধ্যমতো আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করছেন।
জলের মধ্যে উচু নিচু পাহাড়ে চা বাগান ঘেরা, এ এক আলাদা মায়াবী টান। আর এ আকর্ষণেই কিশোরগঞ্জ আসা জাহিদুল হক বলেন আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে ছুটে এসেছি। এখানে অনেক পর্যটকের উপস্থিতিও দেখলাম।’
ঢাকা থেকে স্ব-পরিবারে আসা আং রব তার স্ত্রী শাহনাজ পারভীন কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তিথি, কুমিল্লা থেকে ইন্জিনিয়ার আফরোজ চৌধুরী তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ্জোহরা, সিলেট বিয়ানীবাজার থেকে আসা প্রবাসী কায়েছ আহমেদ, সুমি আক্তার, টাঙ্গাইল থেকে আসা ব্যবসায়ী শামীম আহমদ তার স্ত্রী শবনম আরা সহ কয়েকজন পর্যটকের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, তিনটি পর্যটনকেন্দ্রে যেতে রাস্তার দুরবস্থা পর্যটকদের বেশি ভোগাচ্ছে। এ দুর্ভোগের আশঙ্কা সত্ত্বেও পর্যটকেরা বেশি আসছেন এসব এলাকায়। রাস্তাগুলো সংস্কার করা গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সম্ভাবনা শতভাগ কাজে লাগানো সম্ভব হতো। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি হিসেবে পর্যটনকেন্দ্রগুলো ভ্রমণপিপাসুদের কাছে গুরুত্ব পেলেও কেবল ভাঙাচোরা রাস্তা আর পর্যটন গুলোতে বসার, জল খাবার কিংবা পাহাড়ের চুড়ায় উঠার রাস্তা জরাজীর্ণ সহ ছোট শিশুদের আনন্দ দেওয়ার সুযোগ না থাকার কারণে অনেক পর্যটক এসব স্থানে যেতে বিমুখ হচ্ছেন।আমাদের দেশে এত সুন্দর সুন্দর দর্শনীয় স্হান থাকার পরও পর্যটন মন্ত্রনালয় কেন এগুলোকে এভাবে অবহেলায়, অযতনে ফেলে রেখেছে।সিংগাপুর,মালয়েশিয়ার মত এত ছোট ছোট দেশগুলোতে পর্যটন শিল্পকে গুরুত্ব দেওয়ায় কারণে দেশের অর্থনীতির সিংহ ভাগ রেমিটেন্স উপার্জন করছে এই শিল্প থেকে।আর এ দেশের এত সুন্দর সবুজে ঘেরা পর্যটন এলাকা থাকার পর সরকার এটার উপর কোন গুরুত্বই দিচ্ছেনা,এই শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য দূর্নীতিতে পতিত করা হয়েছে। এ শিল্পকে বাঁচাতে সরকার জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহন করবে বলে আমরা আশাবাদী।

কমলগঞ্জের মাধবপুরে বন্ধুর হাতে বন্ধু নিহত

Nihoto

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট   

কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

 444444

শমশেরনগর সংবাদদাতা
কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ২৪ জুন (শনিবার) মাহে রমজান এর তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । অনলাইন সাংবাদিকদের সংগঠন কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব এর কার্যালয় শমশেরনগর লামাবাজারস্থ এ বি সি বিল্ডিংয়ে  অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক প্রণীত রঞ্জন দেবনাথ। প্রধান আলোচক ছিলেন মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মশাহিদ আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম এ কাইয়ূম। কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হোসেন জুবায়ের এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিষ্টার, কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এইচ এম আব্দুল বাছিত খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিফজুর রহমান তুহিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সুমন আহমদ, সদস্য জামি জাকের প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, অনলাইন মিডিয়ার গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার অনলাইন সাংবাদিকদের সম্মান প্রদর্শন করে অনলাইন নীতিমালা অনুমোদন করেন। এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অনলাইন সাংবাদিকদের সক্রিয় থেকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে। আলোচনা সভায় শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এইচ এম আব্দুল বাছিত খান।

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে : কমলগঞ্জে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট কর্তৃক গরীব দুঃস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

4
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট এর চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফারুক আহমেদ, তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও পারিবারিক বন্ধুদের পক্ষে যাকাত আদায় উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় গরীব দুঃস্থদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

7

শনিবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর ঈদগাহ মাঠে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্টের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি।

5
ট্রাষ্টের প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি এম মোস্তাক আহমেদ, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ হেলাল উদ্দিন, ১নং রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, পতনঊষার ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমেদ বাবু, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. শামসুদ্দিন আহমেদ।

6

যুবনেতা আবুল বশর জিল্লুলেল পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ, পৌর কাউন্সিল মোঃ আনোয়ার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আশিদ আলী প্রমুখ।

10
অনুষ্ঠানে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২৫০ জনকে ৮শ’ টাকা করে মোট ২ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
ঈদ উপলক্ষে অনুদানপ্রাপ্তরা আর্থিক অনুদান পেয়ে তারা আনন্দিত। এজন্য জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট এর চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফারুক আহমেদ এর পারিবারিক সদস্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ডাঃ নাইওর উদ্দিন আহমেদ, লায়লা ফৌজিয়া আহমেদ (সফি) ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী সৈয়দা আনজুম রহমান এর অসুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়।
উল্লেখ্য, জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট প্রতি বছর ঈদ, শারদীয় দূর্গোৎসব, অসহায় দরিদ্রদের সাহায্য, গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে। অর্থ-মানবতার সেবায় সব সময় জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট নিরলসভাবে কাজ করছে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বৃক্ষ শূণ্য টিলায় বিজিবি’র বৃক্ষ রোপন

19396689_1379651215403572_2721204081182097426_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বৃক্ষশূণ্য টিলার ঝোপ ঝাড় পরিষ্কার করে সেখানে শ্রীমঙ্গলস্থ বিজিবি ৪৬ নং ব্যাটেলিয়নের উদ্যোগে ১০ হাজার ফলজ গাছের চারা রোপন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন বিভাগের ডরমিটরীর দক্ষিণের টিলায় এসব ফলজ গাছের চারা রোপন করা হয়।
শ্রীমঙ্গলস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৪৬ নং ব্যাটেলিয়ন সূত্রে জানা যায়, বিজিরি প্রায় শতাধিক সদস্য একযোগে এসব গাছের চারা রোপন করেন। শ্রীমঙ্গলস্থ বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আশরাফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলজ গাছেল চারা রোপন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। বিজিবির ৪৬ ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার লে: কর্ণেল এস এম আনিসুজ্জামান, মেজর ইসফ ইকবাল, মেজর ইমতিয়াজ উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া মৌলভীবাজারের সহকারী বন সংরক্ষক (বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও প্রকৃতি সহব্যবস্থাপনা বিভাগ) তবিবুর রহমান, লাউয়াছড়া বনবিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, সিপিজি(কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপ) সভাপতি মহসিন মিয়াও উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি ৪৬ নং ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার লে: কর্ণেল এস এম আনিসুজ্জামান এ প্রতিনিধিকে বলেন, সারা দেশে  পাহাড় ধসের চিন্তা করে এবং বন ও জীব বৈচিত্রের চিন্তা করেই বিজিবি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বৃক্ষ শূণ্য টিলাসহ সমতল এলাকায় ২৫ হাজার ফলজ গাছের চারা রোন কার্যক্রম শুরু করেছেন। এর আগে বিজিবি ৪৬ নং ব্যাটেরিয়নের উদ্যোগে গত ৩০ মে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বাঘমারা বন ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় কয়েক হাজার ফলজ গাছের চারা রোপন করেছিল। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া দাবি করে বিজিবি ৪৬ নং ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার লে: কর্ণেল এস এম আনিসুজ্জামান বলেন, বিজিবি সদস্যরা শুধুমাত্র সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী নয়। তারা দেশ উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত থাকে। তাই প্রয়োজনের জন্যই এখন বিজিবি সদস্যরা ফলজ গাছের চারা রোপন করছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে।

কমলগঞ্জ পৌরসভায় ঈমাম মুয়াজ্জিনদের মধ্যে আর্থিক অনুদান প্রদান

25_n
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌর এলাকার সকল মসজিদের ঈমাম ও মুয়াজ্জিনদের মধ্যে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় কমলগঞ্জ পৌর  হল রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদান প্রদান করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও অফিস সহকারী কয়সর আহমেদ এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর রমুজ উদ্দিন, কাউন্সিলর আফজল হোসেন, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ। অনুষ্ঠানে ১৯ টি মসজিদের ঈমাম ও মুয়াজ্জিনের মধ্যে অনুদান প্রদান করা হয়।

কমলগঞ্জে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের টাকা বিতরন

Pic--M A Shahid M.P
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এর অনুকুলে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত ঐচ্ছিক তহবিল এর টাকা এবং ধর্ম মন্ত্রনালয় হতে প্রাপ্ত অনুদান এর চেক প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব অনুদান প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এম.পি। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হক এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে  ১০ টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৬০ টাকার চেক এবং ৭১ জন ব্যক্তির মাঝে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বিতরন করা হয়।