সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

মিরতিংগায় চা ছাত্র যুব পরিষদের মে দিবস পালিত

2017-05-23--08_42_01
এম কে পাল (জয়) :

কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা-বাগানে মিরতিংগা চা- ছাত্র যুব পরিষদের উদ্দ্যগে ২০ মে চা-শ্রমিক দিবস উদযাপন করা হয় ।

2017-05-23--08_41_51

সকাল ৮ ঘটিকার সময় মিরতিংগা শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে ১৯২১ সালের শহিদ চা-শ্রমিকদের স্মরনে অস্থায়ী শহিদ মিনারে মিরতিংগা চা-ছাত্র যুব পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারন সম্পাদক মানিক প্রসাদ পালের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের মাননীয় সাধারণ সম্পাদক বাবু রামভজন কৈরী, ও বিশেষ অতিথি অর্থ সম্পাদক বাবু পরেশ কালিন্দি এবং বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বাবু বিজয় হাজরা সহ অত্র চা- বাগানের নেতৃবর্গর উপস্থিতে বাগানের প্রধান সড়কে একটি মৌন মিছিল করা হয়।

মিরতিংগা চা বাগানে শ্রমিক সমাবেশ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

Pic-2-1

দৈনিক মজুরী ৮৫ টাকা থেকে ২৩০ টাকায় উন্নীত করণ, চাকুরী ও উচ্চ শিক্ষায় চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য কৌটা প্রথা চালু করণ ও ভূমি উচ্ছেদ আইন বাতিলকরণের দাবি জানিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগানে চা শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ৯৬ বছর আগে চা শ্রমিকদের মুল্লুক চলো আন্দোলনে চাঁদপুরে রেলওয়ে স্টশন ও লঞ্চঘাটে ব্রিটিশ সরকারের নির্দেশে গোর্খা বাহিনীর গুলিতে কয়েক’শ চা শ্রমিক মারা যাওয়ার দিন উপলক্ষে গতকাল শনিবার (২০ মে) সকাল ১১টায় মিরতিংগা চা বাগানে চা শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।
রহিমপুর ইউপি সদস্য চা শ্রমিক ধনা বাউরীর সভাপতিত্বে শনিবারের চা শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালেঞ্জী, বালিশিরা ভ্যালির(অঞ্চলের) সভাপতি বিজয় হাজরা, মনু-ধলই ভ্যালির সাধারন সম্পাদক নির্মল দাশ পাইনকা, চা শ্রমিক নেতা গোপাল নুনিয়া, মোবারক হোসেন, মিরতিংগা চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নিরঞ্জন তন্তÍ বাই।
পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষ চা শ্রমিকের উপস্থিতে চা শ্রমিক দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, এ অঞ্চলে চা শিল্পের গোড়াপত্তনে শুরু থেকেই ব্রিটিশরা নানা প্রলোভন দেখিয়ে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে নিরিহ অসহায় চা শ্রমিকদের এনেছিল। এর পর থেকে চা শ্রমিকদের উপর নানাভাবে নিপিড়ন ও নির্যাতন হয়। ফলে চা শ্রমিকরা আবার নিজের এলাকায় ফিরে যেতে “ মুল্লুক চলো” আন্দোলন শুরু করে রেলপথে পায়ে হেটে চাঁদপুর পর্যন্ত গিয়েছিল। সে সময় চা শ্রমিকদের কাছে ছিল না কোন টাকা পয়সা। চা শ্রমিকরা চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে লঞ্চযোগে ভারতে যেতে চাইলে লঞ্চ ঘাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে ব্রিটিশ সরকার তাদের বিশেষ বাহিনী গোর্খা রেজিমেন্ট লেলিয়ে দিলে গোর্খা রেজিমেন্টের গুলিতে চাঁদপুর লঞ্চ ঘাট ও স্টেশনে কয়েক ’শ চা শ্রমিক মারা গিয়েছিল। জীবিতদের ধরে আবারও ট্রেন যোগে সিলেটের বিভিন্ন চা বাগানে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। প্রধান অতিথিসহ বক্তারা বলেন, এখন ডিজিটাল যোগেও কোন না কোন চা বাগানে আগের কায়দায় চা শ্রমিকদের উপর নির্যাতন হচ্ছে। চা শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। ২০ মে-কে চা শ্রমিক দিবস হিসাবে জাতীয় স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হবে।
সমাবেশে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী আরও বলেন, চা শিল্পের প্রাণই হচ্ছে চা শ্রমিক। অথচ চা বাগানের ভূমির উপর তাদের কোন অধিকার নেই। যতদিন চাকুরী আছে ততদিন চা বাগানের ভূমি ব্যবহার করতে পারে। নতুবা ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তাই ভূমি উচ্ছেদ আইন বাতিল করণ, চা শ্রমকি সন্তানদের চাকুরী ক্ষেত্রে ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে কৌটা প্রথা চলা করা ও দৈনিক মজুরী বৃদ্ধি করে ২৩০ টাকায় উন্নীত করা দাবি জানান চা শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক রামভজন কৈরী।

ফিচার: “চারুকলা কলেজের চলমান প্রশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থা”

20170508_121637

নজরল ইসলাম তোফাঃ
শিক্ষা সংস্কৃতি একটি জাতিকে উন্নত শিখরে নিয়ে যেতে সক্ষম তেমনি একটি জাতি কত উন্নত তা তার সংস্কৃতির মধ্যেই পরিচয় পাওয়া যায়। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশে শিক্ষার হার উন্নত দেশের তুলনায় কম। যদিও স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু শিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘটেনি সেই হারে। তবুও মানুষের জীবন যাপনের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। সেই সাথে রুচিবোধের পাশাপাশি আমাদের সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি কালচারের চর্চাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এসবের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে চারুকলা চর্চার প্রয়োজনীয়তা লক্ষনীয় ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের চারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা দেরিতে হলেও প্রায় সত্তর বছর হতে চলেছে। এর মধ্যে স্বাধীনতার পর চারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। এদেশের সরকারিসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চারুকলা পাঠ্য বিষয় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্হান দখল করে নিয়েছে। এখনও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিষয়টিকে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপর দিকে প্রতিটি জেলায় একটি করে চারুকলা কলেজ খোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে সরকার। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় শিক্ষালয়ে কম্পিউটার গ্রাফিক্স সংযোজন ঘটিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশকে আর এক ধাপ উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। সুতরাং পাঠ্য সিলেবাসের সঙ্গে কম্পিউটার গ্রাফিক্স আশু প্রয়োজন। এমন প্রয়োজনীয়তার জন্য চারুকলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সঠিক ভাবে কাজ করছেন না। এক সময় চারুকলার পথ সুগম না হলেও বর্তমানে চারুকলার পথ প্রসারিত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে পড়ার অাগ্রহী হয়ে উঠেছে। যার ফলে সামাজিক প্রয়োজনীয়তার উপর লক্ষ্য রেখে সামাজিক বাধাও কমে এসেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্হানরত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চারুকলা বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে। প্রতি শিক্ষাবর্ষে চারুকলা বিষয়ে ভর্তির আসন সংখ্যা (আনুমানিক) যেমন: ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা অনুষদ)-১৩৫ জন ২. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা অনুষদ)- ১২০ জন ৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা অনুষদ)- ১২০ জন ৪. খুলনা চারুকলা ইন্সটিটিউট ১২০ জন ৫. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা বিভাগ)- ২০০ জন ৬. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা বিভাগ)- ১০০ জন ৭. কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল (চারুকলা বিভাগ)- ১০০ জন ৮. ইউডা বিশ্ববিদ্যালয় (চারুকলা বিভাগ)- ২০০ জন সান্তা মারিয়াম- ৪৩০ জন।

এই পরিসংখ্যানে দেখা যায় সরকারি ও বেসরকারি চারুকলা বিষয়ে সর্বমোট প্রায় ১৪২৫ জন ভর্তি হয়ে থাকে। ফলে প্রতি বছর পাশ করে বের হচ্ছে অন্তত: ১৪০০ জন। এছাড়াও আসন সংখ্যা ক্রমেই বেড়েই চলেছে। অপরদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ন্তভূক্ত কলেজ গুলোতে প্রতি শিক্ষাবর্ষে কলেজ প্রতি ৪০টি আসনে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যায় এদেশে প্রতি বছর ১৭০০ শিক্ষার্থী চারুকলা বিষয়ে পাস করে বের হচ্ছে। আবার সরকারি বেসরকারি স্কুল, কলেজে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে চারুকলা বিষয়টি পাঠ্যক্রমে অর্ন্তভূক্ত রয়েছে। এছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত বেশ কয়েকটি কলেজে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে। অন্যান্য কলেজ গুলোতে অনার্স কোর্স চালু করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশে চারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পর্যালোচনায় দেখা যায় চারুকলার শাখা-প্রশাখা বিস্তৃতির সাথে সাথেই শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। চারুকলা এখন আর অখন্ড কোন বিষয় নয়। যা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে জড়িয়ে আছে। বর্তমানে চারুকলার চাহিদা পুরনের লক্ষে জাতিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ন্তভূক্ত এম.পিও, এবং নন এম.পিও ৭টি চারুকলার প্রাতিষ্ঠান রয়েছে। যা কিনা শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের নীতিমালা অনুসারে পরিচালিত হয়ে আসছে। আমরা জানি চারুকলা প্রতিষ্ঠানের মত বিশেষায়িত যত প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ধরন অনুযায়ী জনবল কাঠামো রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম ও পাঠদানের প্রক্রিয়া সাধারণ প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে ভিন্ন যা অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে একেবারেই মেলে না। ফলে এখানকার প্রশাসনিক পদগুলো চারুকলায় ডিগ্রীধারীদের রাখা হয়। যা সঙ্গীত কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক, মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কারিগরি, ভোকেশনাল সহ এই রূপ নানা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের মতোই (সংযুক্ত জনবল কাঠামো)। চারুকলায় সহায়ক বিষয় হিসেবে পাঠ্যক্রমে তত্ত্বীয় বিষয় পড়ানো হলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ডিগ্রী ধারীদের রাখা হয়। চারুকলা শিক্ষা প্রসারের সাথে সাথে বাইরের দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে বর্তমানে চারুকলার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নানা বৈচিত্রময় বিষয় অর্ন্তভূক্ত হয়েছে। ফলে আগামীতে চারুকলা কলেজ গুলোতে এই সকল বিষয়ের শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হবে। উদাহরন সরূপ একজন সঙ্গীত শিক্ষককে যদি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ করা হলে অকার্যকর অবস্থার সৃষ্টি হবে। তাই সঠিক জায়গায় সঠিক ব্যক্তি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে যা সঠিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করবে।

চারুকলা কলেজের পাঠ্যক্রম ও পাঠদান প্রক্রিয়া: চারুকলা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এখানে বি. এফ. এ (ব্যাচেলর অফ ফাইন আর্ট) ডিগ্রীটি দু’টি পর্যায়ে বিভক্ত। প্রথম পর্যায়ে প্রাক ডিগ্রী বা প্রি-ডিগ্রী যা দু’বছরে সমাপ্ত হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে বি. এফ. এ পাস ডিগ্রী যা তিন বছরে তিন সেমিস্টারে সমাপ্ত হয়। যাহা পার্ট-১, পার্ট-২, পার্ট-৩ নামে বিভক্ত। ডিগ্রী কোর্সটি ৭টি বিভাগে বিভক্ত যথা- ১. অংকন ও চিত্রায়ন বিভাগ ২. ভাস্কর্য বিভাগ ৩. ছাপচিত্র বিভাগ ৪. গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ (কম্পিউটার গ্রাফিক্স সহ এই বিভাগটি হওয়া প্রয়োজন ছিল কিন্তু তা আদৌ সিলেবাসে অর্ন্তভূক্ত হয়নি) ৫. কারুকলা বিভাগ ৬. মৃৎশিল্প বিভাগ ৭. প্রাচ্যকলা বিভাগ। নম্বর বন্টনের ক্ষেত্রে দেখা যা প্রি-ডিগ্রীতে সর্বমোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে ব্যবহারিক ৭টি পত্রে ৭০০ নম্বর, তত্ত্বীয় ৩ টি পত্রে ৩০০ নম্বর (সংযুক্ত সিলেবাস)। যথা বিষয়ের মানবন্টনে দেখা যায়- ব্যবহারিক: স্কেচ, ১ম পত্র, পূর্ণমান-১০০, তত্ত্বীয় বিষয় বাংলা ১ম পত্র, পূর্ণমান- ১০০, ব্যবহারিক: জলরং, ২য় পত্র, পূর্ণমান-১০০, তত্ত্বীয় বিষয় ইংরেজী ২য় পত্র, পূর্ণমান- ১০০, ব্যবহারিক: ছাপচিত্র, ৩য় পত্র, পূর্ণমান-১০০, তত্ত্বীয় বিষয় ক. সভ্যতার ইতিহাস ৩য় পত্র, পূর্ণমান- ৫০ ও ৩য় পত্র সমাজতত্ত্ব পূর্ণমান- ৫০, ব্যবহারিক: ভাস্কর্য, ৪র্থ পত্র, পূর্ণমান- ১০০, ব্যবহারিক: ড্রইং, ৫ম পত্র, পূর্ণমান-১০০, ব্যবহারিক: মৌলিক নকশা ৬ষ্ঠ পত্র, পূর্ণমান- ১০০, এবং ৭ম পত্র ক. পরিপ্রেক্ষিত, পূর্ণমান- ৫০, খ. লেটারিং ৫০ মোট ব্যবহারিক: ৭০০, ও তত্ত্বীয় মোট: ৩০০

বি.এফ.এ পর্যায়ের সিলেবাসে নম্বর বন্টনের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তিন সেমিস্টারে সর্বমোট ১৫০০ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করা হয় যথা- পার্ট-১ সর্বমোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর তত্ত্বীয়। পার্ট-২ সর্বমোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর তত্ত্বীয়। পার্ট-৩ সর্বমোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর তত্ত্বীয়। উল্লেখ থাকে যে পার্ট-১ তত্ত্বীয় বিষয়ে ৫০ নম্বরে শিল্প মাধ্যম ও করণকৌশল এবং পার্ট-৩ এ মৌখিক পরীক্ষার জন্য ২৫ নম্বর রয়েছে যা চারুকলার সম্মানিত ব্যবহারিক শিক্ষকরাই নিয়ে থাকেন। অর্থাৎ বিএফএ ডিগ্রীর সর্বমোট ১৫০০ নম্বরের মধ্যে ১১৭৫ নম্বর ব্যবহাবিক চারুশিল্পীর সকল শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ থাকে।

অপর দিকে ৪ বছরের অনার্স কোর্স- এ ১৮ টি ব্যবহারিক বিষয় এবং ৬ টি তত্ত্বীয় বিষয়ে সর্বমোট ২২০০ নম্বরে মূল্যায়ন করা হয়। তার মধ্যে তত্ত্বীয় পত্রের জন্য ৬০০ নম্বর, মৌখিক ৫০ নম্বর এবং ব্যবহারিক বিষয়ের জন্য ১৫৫০ নম্বর রয়েছে (সংযুক্ত সিলেবাস)। সুতরাং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিষয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। যেখানে চারুকলা বিষয়ের শিল্পী বা শিক্ষকদের সংখ্যা শতকরা ৭৫% ভাগ। অর্থাৎ চারুকলা বিষয়ের শিল্পী শিক্ষকরাই সর্বাপেক্ষা বেশি। ফলে ব্যবহারিক বিষয়ের প্রাধান্যের কারণে ব্যবহারিক শিল্পী শিক্ষকদের এ সকল প্রতিষ্ঠানে তাৎপর্যময় ভূমিকা রয়েছে। যেহেতু এই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বি.এফ.এ এবং এম.এফ.এ ডিগ্রী প্রদান করা হয়। এখানে কোন প্রকার বি.এ কিংবা এম.এ ডিগ্রী দেয়া হয় না। একজন ব্যবহারিক চারুকলার শিক্ষককে ১ ম বর্ষ থেকে ৫ ম বর্ষ পর্যন্ত ক্লাস নিতে হয়। অন্যদিকে একজন তত্ত্বীয় শিক্ষকে শুধু মাত্র ১০০ কিংবা ৫০ নম্বরের জন্য একটি বর্ষ বা দু’টি বর্ষে ক্লাস নিয়েও পূর্ণকালীন শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন। আবার দুঃখ জনক হলেও সত্য এই সকল সম্মানিত শিক্ষকরাই সহকারি অধ্যাপক পদ লাভ করেছেন।

প্রাক্ষান্তরে শিল্পকলার ইতিহাস, শিল্পমাধ্যম ও করণকৌশল, শিল্পের নন্দনতত্ত্ব এই সকল বিষয় সাধারণত শিল্পরাই পড়িয়ে থাকেন। শুধুমাত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ন্তভূক্ত কলেজ গুলোতে শিল্পমাধ্যম ও করণ কৌশল বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ে সাধারণ বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে যা আগামীতে আর প্রয়োজন হবে না। তার কারণ, শিল্পকলার ইতিহাস বিষয়ে এদেশে বর্তমানে অনার্স ডিগ্রী ও মাস্টার্স ডিগ্রী দেয়া হচ্ছে। তাই দর্শন, ইতিহাস কিংবা ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের শিক্ষক দ্বারা চারুকলার সঠিক পাঠদান একেবারেই সম্ভব নয়।

ক্লাস রুটিনের সময় কালের ক্ষেত্রেও দেখা যায় একজন তত্ত্বীয় বিষয়ের শিক্ষক প্রতি বিষয়ের জন্য ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা ক্লাস নিয়ে থাকেন। আবার তত্ত্বীয় পরীক্ষাও প্রতিটি বিষয়ে ২ ঘন্টা থেকে ৩ ঘন্টায় সমাপ্ত হয়ে থাকে। অপর দিকে একজন ব্যবহারিক শিল্পী বা শিক্ষক একটি ক্লাস ১ দিন থেকে ৬ দিনে সমাপ্ত করে থাকেন। ব্যবহারিক শিক্ষক প্রতিদিন ৫/৬ ঘন্টা করে নির্দিষ্ট ক্লাসে অবস্হান করতে হয়। অর্থাৎ ১টি ক্লাস মানে একটি পূর্ণ ইতিহাস রচনা, যার বিনিময়ে নির্মিত হয় একটি শিল্পকর্ম। ব্যবহারিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও দেখা যায় একজন ব্যবহারিক শিক্ষককে প্রতি বিষয়ে ৫/৬ ঘন্টা থেকে ৩৬ ঘন্টা পর্যন্ত পরীক্ষা নিতে হয়।

সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের জায়গা নয়। এখানে আগামী প্রজন্মকে লালন করা হয়ে থাকে, তাদের স্বার্থই মূখ্য বিষয়। বিশেষায়িত কোন একটি প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো পরিবর্তন হলে অন্যান্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও আবশ্যক হয়ে পড়বে। যা প্রশাসনিক কর্মকান্ডে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করবে এবং সুষ্ঠু শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত হবে। সরকারের উদ্দেশ্য ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া কিন্তু শিল্পী সমাজ মনে করেন, শিল্পীদের নিজস্ব অস্তিত্বে আঘাত হানলে শিল্পী সমাজ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হবেন। অনেক অংশে ক্ষতি হবে বিশ্বের সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা।অবশ্যই চারুকলা শিক্ষা ব্যবস্হার সাথে কম্পিউটার গ্রাফিক্স সিলেবাস সংযুক্ত করতে হবে এবং প্রশাসনিক দ্বায়িত্ব চারুকলায় পড়া শিল্পী বা শিক্ষকদের হাতে নাস্ত করাটাই যুক্তিযুক্ত হবে। চলমান উন্নয়নে শিল্পীদের ভূমিকা অনেক উর্ধে, সে বিষয়ে সরকারকে অবশ্যই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা বাঞ্চনীয়।

আইন প্রণয়নের সময় বিচারকদের সাথে রাখলে আইনে এত গড়মিল থাকতো না – প্রধান বিচারপতি

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

2017-05-18--09_24_00

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, আইন প্রণয়নের সময় বিচারকদের সাথে রাখলে আইনে এত গড়মিল থাকতো না। এতে করে মামলার জটও কমে আসতো। তাই যারা আইন প্রণয়ন করেন তারা যেন বিচার বিভাগকে সাথে রেখেই আইন করেন।

তিনি পবিত্র রমজানে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু রাখা ও ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি এ আহবান জানান।

এ সময় তিনি আরো বলেন, জেলা পর্যায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে বেশি দুর্নীতি করছে তা খতিয়ে দেখারও নিদের্শ দেন জেলা প্রশাসকদের।

টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা জজ মোঃ রবিউল হাসান এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, পুলিশ মো. মাহবুব আলম, স্পেশাল জেলা জজ ওয়াহেদুজ্জামান সিকদার, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট খালেদা খানম, জেলা এডভোকেট বার সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

এ সময় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আদালতের বিচারকবৃন্দ, আইনজীবী ও সাংবাদিকসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রহিমপুরে চা-শ্রমিক ও নৃ-জনগোষ্ঠীদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ

Pic- Rahimpur

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যান পরিষদ হতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের দুঃস্থ ও কর্মহীন চা শ্রমিক এবং নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে   দুঃস্থ ও কর্মহীন চা শ্রমিক এবং নৃ-গোষ্ঠী ৭৭ জনকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট তিন লক্ষ পঁচাশি হাজার টাকা বিতরণ করেন সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি। রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল এর সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা আবুল বশর জিল্লুল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম,মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ বদরুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অ:দা:) মোঃ সোয়েব হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

মুন্সীবাজারে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান

Pic- KP High School
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। শনিবার (১৩ মে) বেলা সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের আয়োজনে ও কমলকুঁড়ি পত্রিকার সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নিহারেন্দু ভট্টাচার্য্য।
কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জুনেল আহমদ তরফদারের সভাপতিত্বে ও কমলকুঁড়ি সম্পাদক পিন্টু দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বশির উদ্দিন আহমদ, উসমানীনগর আল এহসান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাও: মো. মোক্তার হোসেন, কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল (নান্টু), কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য হামিদুল হক চৌধুরী বাবর, ছয়কুট অভয় চরন উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. সুলেমান মিয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক শাব্বির এলাহী, সাংবাদিক আসহাবুর ইসলাম শাওন, জালালাবাদ প্রদেশ বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি মোনায়েম খান, কৃতি শিক্ষার্থী রাবেয়া খানম, তাকরিম আহমেদ তরফদার, রায়হান আহমদ সুমন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

কমলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

Pic- K
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুষ্ককৃতিকারীদের দেয়া আগুনে একটি মুদির দোকান পুড়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবারে রাতে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পদ্মছড়া চা বাগানে।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পদ্মছড়া চা বাগানের মোড়া লাইনে বুধবার রাত আড়াইটার দিকে রাহাত মিয়া (৩৬) এর মুদির দোকানে আগুন ধরে যায়।  এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুনের সূত্রপাত জানা না গেলেও দোকানদার রাহাত মিয়া বলেন দুষ্ককৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এব্যাপারে দুষ্ককৃতিকারীর নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করা হবে বলে জানান। তবে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস অফিসে জানানো হয়নি।

চীনে ভূমিকম্পে নিহত ৮

 10
ডেস্ক রিপোর্ট
চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত আটজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ২৩ জন। বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে প্রাচীন সিল্ক রোড নগরী কাশগার থেকে ২১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে আটজন মারা যায় ও অন্তত ২৩ জন আহত হয়। ভূমিকম্পে ১২ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে সিনহুয়া জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ২০০ জনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। উদ্ধার তৎপরতায় এক হাজারের বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য এবং দেড় হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক অংশ নিয়েছে।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ এক খদ্দের ও দুই পতিতাকে গ্রেফতার


ঝলক দত্ত
10
আজ ১১ মে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার সময় শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোড বস্তিতে অভিযান চালিয়ে এক খদ্দের ও দুই পতিতাকে আটক করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ। শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল, এসআই কামাল হোসেন, সংঙ্গীয় ফোর্স সহ ষ্টেশন রোড় বস্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকায় শ্রীমঙ্গল মুসলিমবাগ এলাকার মৃত রমিজ মিয়ার পুত্র খদ্দের মো: আবু মিয়া। পতিতা মারিয়া আক্তার হবিগঞ্জ জেলার উমেদ নগর গ্রামোর মৃত: কেলু মিয়া কন্যা ও অপর পতিতা সাথী আক্তার কুমিল্লা স্টেশন রোডের মৃত: কামাল উদ্দিনের কন্যাকে গ্রেফতার করে।

কমলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

Fire-1
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুষ্ককৃতিকারীদের দেয়া আগুনে একটি মুদির দোকান পুড়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবারে রাতে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পদ্মছড়া চা বাগানে।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পদ্মছড়া চা বাগানের মোড়া লাইনে বুধবার রাত ২টা দিকে রাহাত মিয়া (৩৬) এর মুদির দোকানে আগুন লেগে যায়। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুনের সূত্রপাত জানা না গেলের দোকানদার রাহাত মিয়া বলেন দুষ্ককৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এব্যাপারে দুষ্ককৃতিকারীর নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করা হবে বলে জানান। তবে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস অফিসে জানানো হয়নি।