সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

মানুষের খাবারের অভাব হবে না -হাওরে প্রধানমন্ত্রী

কমলকুঁড়ি ডেস্ক
777778
হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরবর্তী ফসল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হাওরবাসীর মধ্যে বিনামূল্যে সার ও কীটনাশক দেওয়া হবে। বিপদ মোকাবিলায় সরকার পাশে থাকবে বলেও তিনি জানান। রোববার সকালে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শহীদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। হাওরের ফসলের ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু তাতে প্রভাব পড়বে না। যত খাবার লাগবে, আমরা দিতে পারব। প্রয়োজনে আমদানি করব। গো-খাদ্যের অভাব রয়েছে, সেটাও দেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ চাষের পাশাপাশি হাওরের মানুষকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে মাছ চাষ, সবজি চাষে অভ্যস্ত হওয়ার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘পানি একটু নামলেই এখানে মাছে পোনা ছেড়ে দেওয়া হবে, যাতে এখানে মাছের চাষ বাড়ে।’  এ সময় হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে যদি কর্তৃপক্ষ বা ঠিকাদারের গাফিলতি প্রমাণ হয়, তাহলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ওএমএস ডিলার নিয়োগ দিতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা দেখতে আজ শাল্লায় যান প্রধানমন্ত্রী। সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি শাল্লা হাই স্কুল মাঠে অবতরণ করে। সেখানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বিকেলে রাজধানীতে ফিরবেন। কয়েক দিনের টানা মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে এলাকার উঠতি বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার কৃষকের জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
বন্যায় সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কমলগঞ্জ পৌরসভায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ ও ৯৫০ জনকে সৌর বিদ্যুতোর সোলার প্যানেল বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic--M A Shahid M
সাম্প্রতিক বন্যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চারটি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ হিসাবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। রোববার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় পৌরসভা মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রাণের চাল বিতরণ করেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি।
কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদের সভাপতিত্বে ও ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমদ মানিক, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমদ বদরুল, কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান। কমলগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নাগড়া, গোপালনগর ও যুদ্ধাপুর গ্রামের সাড়ে ৪’শ ক্ষগ্রিস্তদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

oPic--M A Shahid M
পরে কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে কাবিখা ও টিআর কর্মসুচীর আওতায় ৯৫০ জনকে সৌর বিদ্যুতোর সোলার প্যানেল বিতরণ কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

১০ দফা দাবি আদায়ে কমলগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ক্ষেত মজুর ও কৃষক সমিতির স্মারকলিপি

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

index
সাম্প্রতিক বন্যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলাসহ জেলার অন্যান্য উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের মানুষকে বাঁচাতে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ১০ দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতি ও বাংলাদেশ কৃষক সমিতির পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।    রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কমলগঞ্জ উপজেলা শাখা সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান ও বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক আব্দুল মন্নাফ খান স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের কাছে প্রদান করা হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কমলগঞ্জ শাখার সভাপতি আহমেদ সিরাজ।
ক্ষেতমজুর ও কৃষক সমিতির ১০ দফা দাবিগুলো হচ্ছে, অবলম্বে বন্যা কবরিত হাওর অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা,দুর্গত এলাকার ইজারা বাতিল করে জনসাধারনের মাছ ধরে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেওয়া। সারা বছর দুর্গত এলাকাবাসীর জন্য ত্রাণের মাধ্যমে চাল, ডাল,তেল, লবণসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্র্রী প্রদান করা, ১০ টাকা কেজির দরের চাল বেশী পরিবারের মাঝে বিতরণ করা। অবিলম্বে গবাদি পশুর জন্য গো-খাদ্য সরবরাহ করা, দুর্গত এলাকার কৃষকদের জন্য সকল প্রকার কৃষি ঋণ, এনজিও ঋণ, মহাজনী ঋণ মওকুফ করে আগামী ফসলের জন্য নতুন করে সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ করা। চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। হাওর উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। হাওর অঞ্চলের সমস্ত নদী ও খাল খনন করতে হবে। হাওর অঞ্চলের ফসল রক্ষা বাঁধ ও বেড়ি বাঁধ যথা সময়ে এবং যথাযথভাবে নির্মাণ ও মেরামত করতে হবে। দুর্দশাগ্রস্থ কৃষকদের জিম্মি করে জমি কেনাবেচা ও দাদন ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুর হক ১০ দফা দাবি স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি গ্রহনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তা যথাযথ কর্র্তপক্ষের বরাবরে প্ররেণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুনামগঞ্জের শাল্লায় পৌঁছেছেন–

44444

কমলকুঁড়ি ডেস্ক রিপোর্ট

বন্যাকবলিত হাওর এলাকা পরিদর্শনে সুনামগঞ্জের শাল্লায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি স্থানীয় শাহেদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।এ বিদ্যালয় মাঠেই বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী সুনামগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকায় পরিদর্শন করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে ত্রাণসহায়তা বিতরণ করবেন। সেখানে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন তিনি।এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরবাসীকে দেখতে গত ১৬ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। হেলিকপ্টারে দুর্গত হাওর পরিদর্শন শেষে ওদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। সার্কিট হাউজে রাতযাপন শেষে পরদিন আবারও হাওর পরিদর্শন শেষে বঙ্গভবনে ফেরেন তিনি।চলতি মাসের শুরুতে পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাওরের বাঁধ ভেঙে যায়। এতে এসব হাওরের লক্ষাধিক হেক্টর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। এছাড়া মারা যায় কয়েক মেট্রিক টন মাছ ও হাজার হাজার হাঁস।

কমলগঞ্জে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে দেড় শতাধিক ঘর সম্পূর্ণ, প্রায় দুইশত ঘর আংশিক বিধ্বস্ত,আতঙ্কে স্ট্রোক করে এক নারী ও দেয়াল চাপায় ১টি গরুর মৃত্যু। সহস্রাধিক গাছ ভেঙ্গেছে, ১৫টি বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গেছে

kamalgonjnewspic0225032017 Pic--Kamalgonj---03

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আকস্মিক সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ে তিনটি ইউনিয়নে দেড় শতাধিক কাঁচা ঘর সম্পূর্ণরুপে বিধ্বস্ত হয়েছে। আরও প্রায় দুই শত কাঁচা ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়েরর সময় চোখের সামনে গাছ ভেঙ্গে পড়ছে দেখে আতঙ্কে স্ট্রোক করে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। একটি চা বাগানে দেয়াল চাপায় এক চা শ্রমিকের একটি গরুও মারা গেছে। ঝড়ের কারণে ইসলামপুর, আদমপুর ও মাধবপুর ইউনিয়নে সহ¯্রাধিক ছোট বড় গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। দুটি ইউনিয়নে ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়ে। ঘুর্ণিঝড়ে আহত হয়েছেন কমপেক্ষ ১৫ জন। ঘূর্ণিঝড়ে রাস্তার উপর একাধিক গাছ উপড়ে পড়লে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ-পাত্রখোলা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

Pic--Kamalgonj---02
শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে আকস্মিকভাবে আকাশ কালো হয়ে কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর, আদমপুর ও মাধবপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। এ ঘূর্নিঝড়ে ইসলামপুর ইউনিয়নের চাম্পারায় চা বাগান, কুরমা চা বাগান, কোণাগাঁও, শ্রীপুর, নয়াবাজার, আদমপুর ইউনিয়নের তেঁতইগাঁও, মধ্যভাগ, নঈনারপার, হেরেঙ্গাবাজার ও মাধবপুর ইউনিয়নের মাধবপুর বাজার এলাকা, পাত্রখোলা চা বাগান ও ধলই চা বাগান এলাকায় দেড় শতাধিক কাঁচা ঘর সম্পূর্ণরুপে ভেঙ্গে গেছে। অনেক ঘরের চাল উড়ে গাছেল উঁচু ডালে গিয়ে আটকেছে। আবার অনেক ঘর মাটির সাথে মিশে গেছে। আবার আরও প্রায় দুই শত ঘর আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

Pic--Kamalgonj---04
ঝড়ের সময় চোখের সামনে একটি বড় গাছ ভেঙ্গে পড়তে দেখে আতঙ্কে ইসলামপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের  আছকন মিয়ার স্ত্রী সাহেরা বিবি (৫০) ঘটনাস্থলেই স্ট্রোক করে মারা গেছেন। মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানের পশ্চিম লাইন শ্রমিক বস্তির  শুকুয়া রিকিয়াশনের ঘরের দেয়াল চাপায় তার একটি গরু মারা গেছে। ঝড়ে শ্রীপুর কোণাগাঁও-এর ভিক্ষক লিলাই বিবি(৬০)-র ঘর ও একই গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা মন্তাজ মিয়ার কাঁচ ঘরটিও সম্পূর্ণরুপে বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে আদমপুরের উত্তরভঅগ গ্রামের আতিকুর রহমান, পাত্রখোলা চা বাগানের শ্রমিক শ্যামাকান্ত ভৌমিকসহ তিনটি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সরেজমিন দেখা যায়,আদমপুর ইউনিয়ন সদরে তেঁতইগাঁও গ্রামের প্রায় আড়াই’শ বছরের পুরোনো তেঁতুর গাছসহ, হেরেঙ্গা বাজার এলাকার বেশ কয়েকটি শত বর্র্ষি গাছ, মধ্যভাগ গ্রামের মখদ্দছ শাহের মাজারের বড় বট গাছ, ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনের পুকুর পাড়ের একটি বড় গাছ শিকড় শুদ্ধ উপড়ে পড়েছে। ইসলাপমপুর ইউনিয়নের কুরমা ও চাম্পারায় চা বাগান. মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা ও ধলই চা বাগানের প্লান্টেশন এলাকার ব্যাপকহারে গাছ গাছালি ভেঙ্গে পড়েছে। ঘটনার পর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ইসলামপুর, আদমপুর ও মাধবপুর উনিয়নের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
ঘূর্নিঝড়ে আদমপুর ইউনিয়নের নঈনারপার গ্রামে ১০টি বৈদ্যুতিক খুটি ও মাধবপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার ৫টি বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গে পড়েছে। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কমলগঞ্জ জোনাল ব্যবস্থাপক মোবারক হোসেন শুক্রবার সন্ধ্যার আগের ঘূর্ণিঝড়ে দুটি ইউনিয়নে ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে ও লাউযাছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় গাছ পড়ে বৈদ্যুতিক তার ছেড়াসহ ব্যাপক ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত বলেন, রাতে ছেড়া তার জোড়া দিয়ে কিছু স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা গেলেও তিনটি ইউনিয়নে সম্পূর্ণরুপে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়নি।
শনিবার দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ক্ষতিগ্রস্ত মাধবপুর, ইসলামপুর ও আদমপুর ইউনিয়ন এলাকা পরিদর্শণ করেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক শুক্রবারের ঘূর্নিঝড়ে ক্ষয় ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্বল কাঠামোওয়ালা প্রায় দেড় শতাধিক কাঁচা ঘর সম্পূর্ণরুপে বিধ্বস্ত হয়েছে। আরও প্রায় দুই শত ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের সময় বড় গাছ ভেঙ্গে পড়তে দেখে আতঙ্কে এক নারীর মৃত্যুসহ কয়েকজন আহত হওয়ার সত্যতাও নিশ্চিত করেন নির্বাহী কর্মকর্তা। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন চলছে। এখন ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সঠিক তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করা হবে।
আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন ও মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপকতার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। এখনও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে নতুন করে তথ্য আসছে। তাই শনিবার বিকালের মধ্যে ক্ষয় ক্ষতির সঠিক তথ্য প্রদান করা হবে উপজেলা প্রশাসনে।
পাত্রখোলা চা বাগান ব্যবস্থাপক শামছুল ইসলাম ও ধলই চা বাগানের ব্যবস্থাপক দিলীপ সরকার বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে চা বাগানের প্লান্টেশন এলাকায় ছায়াদানকারী অনেক গাছ ও শ্রমিক বস্তির অসংখ্য গাছ ভেঙ্গে পড়েছে।

শমশেরনগরে সাংবাদিকের বাড়ি চুরি

শমশেরনগর সংবাদদাতা

Churi

কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে দৈনিক নতুন দিন পত্রিকার কমলগঞ্জ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেনের বাড়ির বাড়িতে সিঁদ কেটে চুরি সংঘঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
দৈনিক নতুন দিন কমলগঞ্জ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, বড় ভাই পুলিশের উপ-সহকারী পরিদর্শক আতাউর রহমানের শারীরিক অসুস্থ্যতায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ২টায় তাকে নিয়ে সিলেট পুলিশ লাইন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এসময় বাড়িতে তার ছোট বোনকে একা রেখে যান। এর পর ভোরের আগে কোন এক সময়ে একদল চোর বাড়ির রান্না ঘরের পিছনের দরজা নিচে সিদ কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। চোরচক্র গৃহ নির্মাণ কাজের জন্য ঘরে রক্ষিত নগদ দেড় লাখ টাকা ও একটি স্বর্ণের চেইন চুরি করে নেয়। এ ঘটনায় তিনি শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন।
শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্ব প্রাপ্ত পরিদর্শক নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো: নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জোর তদন্ত চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা যাচ্ছে, জানাশোনা কেউ বাড়িতে লোকজন না থাকার সুযোগে এ ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকেতে পারে।

শনির প্রভাব শাকিব-অপুর সংসারে!

11

বিনোদন ডেস্ক::

অপুর কোলে ঢালিউডের এক নম্বর তারকা দম্পতির সন্তানকে দেখে শাকিব ও অপুর ভক্তদের পাশাপাশি তাদের নিন্দুকদের হৃদয়েও ঠাঁই করে নেয় তাদের একমাত্র সন্তান আব্রাহাম খান জয়। অবশেষে অনেক জল ঘোলা করে স্ত্রী ও পুত্রকে মেনেও নেন শাকিব খান। কিন্তু তারপরেও শাকিব-অপুর সংসারের ভবিষৎ অন্ধকার বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা। এই তারকা দম্পতির সুখের সংসারকে ভাঙার জন্য নেপথ্যের নাটের গুরু হিসেবে নির্মাতা শামীম আহমেদ রনী কাজ করছেন বলেই সিনেপাড়ার অনেকেই মনে করছেন।

সিনেপাড়ায় গুঞ্জন অপুর ভাগ্য নেহাতই খারাপ। তা না হলে তার বহু প্রতীক্ষিত সুখের সংসারে দুঃখের আগুন জ্বালাতে কেন তৎপরতা। গণমাধ্যমে হঠাৎ করেই দীর্ঘ নয় বছরের আড়াল ভেঙে সন্তানসহ বিয়ের কথা প্রকাশের পর থেকে স্পটলাইটে উঠে আসে শাকিব-অপু দম্পতির খবর। আকষ্মিক এই খবর বোমা ফাটিয়ে ছিলো সিনেপাড়ায়।

পহেলা বৈশাখে অসুস্থ অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে পরিবারের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পরেই রাতে ‘রংবাজ’ সিনেমার মহরতে বুবলির সঙ্গে উপস্থিত হন শাকিব খান। এর কয়েকদিন পরেই পাবনায় সিনেমার দৃশ্যধারণের জন্য চলে যাওয়ার পর থেকেই শাকিব-অপুর সংসার ভাঙার চেষ্টার গুঞ্জন চারিদিকে চাউর হয়েছে বেশ।

তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে খুবই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন ‘রংবাজ’ নির্মাতা শামীম আহমেদ রনী। তিনি বলেন,“আমার দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজ কর্ম রয়েছে। কারো সংসার নিয়ে চিন্তা করার জন্য আমার এত সময় নেই। শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসারে আমি এমন কোনো ব্যক্তি না যার কথায় তাদের সংসার ভাঙবে। শাকিব খান আমার সিনেমার নায়ক। তার সঙ্গে আমার সম্পর্কের ব্যাপারটা শুধু এইটুকুই। আমি তাদের সংসারের তো কেউ নই, সেক্ষেত্রে আমি কিভাবে তাদের সংসার ভাঙবো? এটা খুবই হাস্যকর কথা নয় কি?”

তিনি আরো বলেন, “যাদের কাছে এই মুহূর্তে কোনো খবর নেই তাদের পত্রিকার হয়ত কাটতি বাড়ানো দরকার, একটা কিছু তো লিখতে হবে তাই এগুলো লিখেছেন। সেখানে আমার কোনো মন্তব্য কি নেওয়া হয়েছে?”

বর্তমানে পাবনায় চলছে ‘রংবাজ’ সিনেমার দৃশ্যধারণের কাজ। সেখানে দৃশ্যধারণে অংশগ্রহণ করেছেন শাকিব খান ও শবনম বুবলি জুটি। তবে শাকিব-অপুর সংসারের বিষয়ে নিজেকে ঘিরে গুঞ্জন সর্ম্পকে রনী যে অবস্থান অবলম্বন করুক না কেন ‘রংবাজ’ সিনেমাকে ঘিরে শাকিব খানের অতি উৎসাহ নিয়ে সিনেপাড়ায় চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের কানাঘুষো এখনোও চলছে। সকলেই এই তারকা দম্পতির জন্য শুভকমনা জানালেও শাকিব অপুর সংসারের সুন্দর ভবিষৎ নিয়ে এখনও তারা আশঙ্কিত। সূত্র: বিডিনিউজ

কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

Pic--Kamalgonj
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রান শাখা থেকে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২.৩০টায় কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজারের অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিষ্ট্যাট মীর মাহবুবুর রহমান।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক সঞ্জয় কান্তি দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার গকুল চন্দ্র দেবনাথ, প্রধান শিক্ষিকা মোছা: হাজেরা খাতুন, ইউপি সদস্য মো: নওরুজ, মোস্তফা মিয়া, সুমন মল্লিক, সুনীল মালাকার, সমাজসেবক শফিক উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ৭ ও ৮ ওয়ার্ডে জনপ্রতি ১০ কেজি করে ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ হিসেবে জিআর চাল বিতরণ করা হয়।

শমশেরনগরে সুজা মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

IMG-20170425-WA0022
শমশেরনগর সংবাদদাতা
কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সুজা মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের কর্মী সভা মঙ্গলবার শমশেরনগর মোকামবাজার আউলিয়া কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
শমশেরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ গোলাম রাব্বির সভাপতিত্বে ও শমশেরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমান এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ও কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক গোলাম রাব্বানি তৈমুর। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ মামুনুর রহমান মামুন, উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইজ্জাদুর রহমান ইজ্জাদ,  কমলগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক চৌধুরী মোঃ মবু,  কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য এমদাদুর রহমান রুমন, পতনউষার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সিপার আহমেন, প্রধান বক্তা  ছিলেন কমলগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কাজী ফয়সাল, বিশেষ বক্তা ছিলেন কমলগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জাফর সাদিক জামি প্রমুখ।
সভায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সম্পাদক নুরুল আলম নুরো সহ যত নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যা করা হয়েছে তাদের জন্য এক মিনিট নিরবতা পালন  করা হয়। তিনি মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলে যুগ্ম আহবায়ক আলিম হোসেন মিরুর নিঃস্বার্থ মুক্তি দাবী করেন।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদ্বয়কে সংবর্ধনা প্রদান ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠান

 121
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির আয়োজনে বুধবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আজিজুর রহমান ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান এবং কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

K. P
কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জুনেল আহমেদ তরফদারের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য হামিদুল হক চৌধুরী বাবরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ হেলাল উদ্দিন, ৩নং মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব তরফদার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল নান্টু, আওয়ামীলীগ নেতা কালীপদ দেব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তিদ্বয়ের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ এবং প্রধান ও বিশেষ অতিথিবৃন্দকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আজিজুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। তাই শিক্ষার উন্নয়নে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রাচীনতম এই  বিদ্যালয়ে একাডেমীক ভবন নির্মাণের জন্য প্রতিশ্র“তি প্রদান করেন।
পরে বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলের, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।