সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

কমলগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

শাব্বির এলাহী :

download

২৬ফেব্রুয়ারী দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পাইওনীয়ার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ সমীজ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং রঞ্জিত অধিকারী ও জুবেল আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ তফাদার রিজুয়ানা ইয়াসমিন । চলিত বছরে এ স্কুল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনোরমা দেবী,প্রবীণ শিক্ষাবিদ গোপেশচন্দ্র দেবনাথ,সাবেক আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ ভূইঁয়া, লেখক-সাংবাদিক শাব্বির এলাহী, কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সম্পাদক মোশাহীদ আলী, স্থানীয় ইউপি সদস্য বশির বক্স প্রমুখ। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাইওনীয়ার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষ শেখ লতিফুর রহমান,হক্তিয়ার খোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন,নইনারপার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জয়নাল আবেদীন ও স্কুলের শিক্ষক রাহেল মিয়া।বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে উক্ত অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে অতিথিবৃন্দ ফুল, ক্রেস্ট ও শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী তুলে দেন।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ : প্যানেল চেয়ারম্যান-১ রিজুয়ানা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

2017-02-27--08_42_07
মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ব্লকের সদস্য তফাদার রিজুয়ানা ইয়াসমিন সুমি জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নির্বাচিত হয়েছেন। সুমি আদমপুর বদরুন নাহার ভূঁইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর আদমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাবি্বর আহমদ ভূঁইয়ার সহধর্মিণী। মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন মহল তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তিনি জেলা পরিষদের সব সদস্যকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলবাসীসহ মৌলভীবাজার জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে দোয়া, আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা কি মুক্তিযোদ্ধা,মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অথবা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন না?

আমার মা শামছুন নাহার মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের সত্তরোর্ধ অসুস্থ নারী। একাত্তরের মুক্তি সংগ্রামে যিনি নিজের বসতবাড়ী ছেড়ে দুই শিশু সন্তান নিয়ে ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে জীবনের ঝূঁকি নিয়ে কাটিয়েছেন যুদ্ধকালীন পুরোটা সময়।তার স্বামী আমার পিতা প্রয়াত আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি শিক্ষাবিদ এম,এ,সবুর যুদ্ধের পুরো নয়টি মাস ভারতে এককোটি বাঙালীর আশ্রয়স্থল শরণার্থী শিবিরে ঘুরে ঘুরে তাদের খাদ্য ও রসদ সরবরাহ করেছেন । মৃত্যুকে মাথায় করে পাকিস্তানী বন্দুকের গুলির সম্মুখে এপার ওপার করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য সরবরাহ করেছেন বিশ্বস্ততার সাথে। এ অপরাধে এদেশীয় রাজাকার ও শান্তি কমিটির সদস্যরা তার বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিলো, ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিয়েছিলো। এমনকি দেশ স্বাধীনের পরপর স্থানীয় প্রভাবশালী রাজাকার ও শান্তি কমিটির প্ররোচনায় মিথ্যা মামলায় তাকে কয়েক মাস কারাবরণও করতে হয়। একাত্তরের মাঝামাঝিতে ভারতের হালাহালি শহরের কাছে কমলপুর গ্রামে শত্রুর মর্টার বিষ্ফোরনের শব্দে তাদের নিষ্পাপ শিশু সন্তান আমার বড় ভাই শোয়েব এলাহীর কান ফেটে গিয়েছিলো। সে থেকে আজ অবধি সে মূক ও বধির হয়ে জীবন কাটাচ্ছে।পৃথিবীর সমস্ত শব্দ স্বাধীন বাংলার কোন বিজয় উল্লাস, কোন সুসংবাদ-দুঃসংবাদ তার কানে পৌছে না। আজও মা বলে ডাকতে পারছে না সে তার গর্ভধারিনীকে।তার ভাই আমার মামা বায়ান্নের ভাষা সৈনিক,বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য,বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ,মৌলভীবাজারের এমএনএ মোহাম্দ ইলিয়াছ এমপি ৪নং সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেছেন,ভারতে শরণার্থী শিবিরে ঘুরে ঘুরে তাদের খাদ্য ও রসদ সরবরাহ করেছেন। আমার প্রয়াত পিতা ও আমার অসুস্থ মা কি মুক্তিযোদ্ধা,মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অথবা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারেন না?

শাব্বির এলাহী,
লেখক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মী,

মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সাথে প্রবাসীদের মতবিনিময়

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

unnamed-5-38-768x544

প্রবাসীদের নিরাপত্তা বিষয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়ার সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশন ইনকে ও প্রেসিডেসন্ট কেরামত আলী। বৃহস্পতিবার এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় কেরামত আলী বলেন, প্রবাসীরা দেশে আসলে সব সময় হয়রানির স্বীকার হন। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। এর প্রতিকারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেতন হতে হবে। তিনি প্রবাসীদের নিরাপত্তা চেয়ে আইনশৃ্খংলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের নাগরিক ফ্লোরাস।
পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া প্রবাসীদের নিরাপত্তা বিষয়ে পুলিশ সবসময় সচেতন আছে বলে জানান। এ ব্যাপারে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। – বিজ্ঞপ্তি

নিউইয়র্কে সিলেটি ব্যবসায়ী খুন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
dsnewspic23feb17_020-1

নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী সিলেটি জাকির খান (৪৪) খুন হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ব্রঙ্কসে ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

কমিউনিটির একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যার জনক। তার স্ত্রী ন্যান্সী খানসহ সন্তানরাও ব্রঙ্কসে বসবাস করছেন। তারা ৭ ভাই ও ৫ বোন ছিলেন। গ্রামের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ। ১৯৯২ সালে তিনি অভিবাসী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বসবাস করছিলেন।

এদিকে সিটি পুলিশ জাকির খানকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে সোমবার রাতে তার বাড়ি মালিক এক মিশরীয়কে আটক করেছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে।

জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে ব্রঙ্কসে তিনি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। এর তাতে দ্রুত স্থানীয় জ্যাকবি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কে বা কারা তাকে ছরিকাঘাত করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে একাধিক সূত্র জানায়, ব্রঙ্কসে তিনি যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাসার মালিকের সাথে বাসার ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরোধ চলছিলো। বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছিলো। পুলিশ জাকির খান নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্ত করছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জাকির খানের মরদেহ জ্যাকবি হাসপাতালেই ছিলো।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সাথে জড়িত জাকির খান এক সময় ব্যবসায় খুব ভালো করেন এবং মূলধারার মিডিয়ার ব্যবসা-বাণজ্য বিভাগের শিরোনাম হন। তাকে ব্রঙ্কসের ‘কিং অব রিয়েল এস্টেট’ আখ্যায়িত করাও হয়। নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীর ক্যাপিটাল হলে ‘বাংলাদেশ ডে পালন’-এর অন্যতম উদ্যোক্তা ও সংগঠক ছিলেন জাকির খান। এছাড়াও কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় পদচারণা ছিলো।

কার জন্যে

:  পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী  :

2017-02-24--11_05_41

দখিনা বাতাস এসে, মাতাল কি করে দিছে মন
উথাল পাতাল প্রাণ, জোয়ারের নদীর মতোন?
উড়েছে কি নীলরঙা তোমার ঐ শাড়ির আচল
দেখতে কি পাখি, প্রজাপতি না কি পরী অবিকল?
কেমন লেগেছে তোমার, গাছের পাতাঝরা সুর
কালো কোকিলের কুহু কুহু রব কতোটা মধুর?
গায়ে কি মেখেছো, লেবু-কাঞ্চন-কামিনীর ঘ্রাণ
উল্লসিত কেনো এতো, কেনো আজ উদাসিনী প্রাণ?
কিভাবে করেছো জয়, রক্তলাল পলাশের মন
কেমন দেখেছো আজ, হলুদাভ শিমুলের বন?
ফুটেছে কি কৃষ্ণচূড়া, ধরেছে কি আমের মুকুল
কার জন্যে মালা গাঁথো, কার জন্যে তুলে আনো ফুল?
কার জন্যে রঙ-রূপ, কার জন্যে এতো আয়োজন
কার জন্যে বসে থাকো, কার জন্যে বুঝোনি স্বজন?

শফিক চৌধুরীর গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাজ্য ক্যামডেন বাসীর প্রতিবাদ সভা

2017-02-24--10_55_47

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

সিলেট জেলা আওয়ামীলীগে’র সাধারন সম্পাদক সাবেক সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরীর গাড়ীতে পরিকল্পিতভাবে হামলার প্রতিবাদে গত ২৩ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত ৭.৩০ ঘটিকায় যুক্তরাজ্য ক্যামডেন এর একটি স্থানীয় হলে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ ক্যামডেন শাখার প্রতিষ্টাতা-সভাপতি আব্দুল মতিন এর সভাপতিত্বে ও যুক্তরাজ্য যুবলীগের সহ সভাপতি মন্তর আলীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আব্দুল করিম, কবির মিয়া, লিয়াকত আলী, জহির মিয়া, মুকিদ মিয়া, ইমরান আহমেদ, সালাম তালুকদার, মনির ইসলাম, কাউছার আহমেদ, মোহম্মদ মিজান, কামরুল ইসলাম, কাদের মিয়া, জাকির হোসেন, নেছার আহমেদ, প্রমুখ।
সভায় বক্তারা শফিক চৌধুরীর গাড়ি ভাংচুর করায় তীব্র নিন্দা ও হামলা কারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। এটি শুধু গাড়িতে হামলা নয় এটি সাবেক এমপি ও সিলেটের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা জেলা আওয়ামীলীগে’র সাধারন সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীকে হত্যার গভীর ষড়্যন্ত্র হামলাকারী যারাই হউক না কেন তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।

পতনঊষারে মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত

মাইদুর রহমান, পতনঊষার থেকে :

2017-02-23--21_33_10
কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষারে মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূল সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন জনমিলন কেন্দ্রে পতনঊষার ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমদ বাবুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল সার্কেলর সিনিয়র পুলিশ সুপার খন্দকার আসফাকুজ্জামান।

আবুল বশর জিল্লুলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন   শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সৈয়দ নাসির উদ্দিন, কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু, শহীদনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাসুক আহমদ, প্যানেল চেয়ারম্যান নারায়ন মল্লিক সাগর  প্রমুখ ।

চা বাগানে শূন্যপদে শ্রমিক সন্তানদের স্টাফ নিয়োগ, রেশনে আটাসহ বিভিন্ন দাবিতে : শমশেরনগরের কানিহাটি ও বাঘিছড়া চা বাগানে কর্মবিরতি

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

download-1

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডানকান ব্রাদার্স শমশেরনগর এর ফাঁড়ি কানিহাটি ও বাঘিছড়া চা বাগানে শুন্যপদে চা শ্রমিক বেকার সন্তানদের স্টাফ নিয়োগ, রেশনে আটার পরিবর্তে চাল, শিক্ষিত চা শ্রমিকদের সম্মানজনক কাজ, চা শ্রমিক ইউনিয়নের চুক্তি মোতাবেক কর্মরত শ্রমিকদের গ্রেচ্যুইটি ও মাঠওয়ালের খরচ প্রদান, লেট্রিন ও পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে চা শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
কানিহাটি চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি প্রতাপ রিকিয়াশন বলেন, কানিহাটি চা বাগানে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি দাওয়া নিয়ে ইতিপূর্বে চা বাগান কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে দাবি জানানো হলেও এর কোন কার্যকারিতা দেখতে না পেয়ে ম্যানেজমেন্টকে বৃহস্পতিবার কানিহাটি বাগানে বসার জন্য দাবি জানিয়েছি। তবে ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে কেউ না আসায় দু’টি ফাঁড়ির প্রায় পাঁচশ’ শ্রমিক সকাল ৮টা থেকে কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছে। কর্মবিরতি চলা পর্যন্ত ম্যানেজমেন্টের কেউ না আসলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।
কানিহাটি চা বাগানের স্থানীয় ইউপি সদস্য সীতারাম বীন দুই ফাঁড়ির কর্মবিরতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চা শ্রমিকদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ম্যানেজমেন্টের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। এই দাবি সমুহ বাস্তয়নের জন্যই শ্রমিকরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছে।
কর্মবিরতি বিষয়ে জানতে চাইলে শমশেরনগর চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক কে, জে, আজম বলেন, আমরা এখনও কিছুই জানি না। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকেও কিছুই জানানো হয়নি। কানিহাটি ও বাঘিছড়া বাগানে শ্রমিকদের পূর্বেরও কোন দাবি আছে বলে জানা নেই।

কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

Pic--K.P High School, Kamalgonj

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭ তে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি লাভ করেছে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়। সম্প্রতি কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সদস্য সচিব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পালের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। উপজেলা পর্যায়ে কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক/শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক- কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ বিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করেন। ভবিষ্যতে এই সুনাম ধরে রাখা ও সূখ্যাত প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সকলের কাছে সহযোগীতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।