সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

কবি ও সাংবাদিক সৌমিত্র দেব টিভি নাটকে অভিনয় করলেন

soumitra-dev-on-a-tv-drama

বিনোদন ডেস্ক : 

এই প্রথম টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করলেন কবি ও সাংবাদিক সৌমিত্র দেব । বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় আরটিভিতে প্রচারিত হয় সৌমিত্র দেব অভিনীত নাটক লুকোচুরি । শুভ্র খান পরিচালিত  ধারাবাহিক নাটক অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য’ বেশ কিছু দিন ধরে প্রচারিত হচ্ছে। তারই একটি  পর্ব ছিল এটি। নাটকটি রচনা করেছেন শ্রাবণী ফেরদৌস। তিনি বলেন এই নাটকে আমি খুব স্বাধীনভাবে কাজ করছি। চিত্রনাট্য  করছি আর সাথে সাথে ক্রিয়েটিভ ডিরেকশনটাও দেখতে হচ্ছে। তাই বলা চলে বেশ ভালই ব্যস্ত আছি এখানে।

শ্রাবনী ফেরদৌস বলেন, সিরিয়ালের নাম ‘অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য’। বলতে গেলে আমাদের প্রতিদিনের কিছু দুঃস্বপ্ন বা অপরাধ কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনার গল্প নিয়েই লেখা হচ্ছে চিত্রনাট্য। দেখতে দেখতে  ৫০ পর্ব স্যুটিং শেষ হয়ে গেছে। তাই আমরা অনেক খুশি ।

তিনি জানান, অভিজ্ঞতা তো হয়েছেই। নিজের চোখে দেখা সত্য গল্প নিয়ে কাজ করেছি আবার কারও জীবনের কোন দুঃস্বপ্ন নিয়েও লিখেছি চিত্রনাট্য। একটা গল্প শেয়ার করি, আমাদের টিমেরই একজন অভিনেত্রী একটা ট্রাপে পড়েছিলেন। কিছু অসৎ ব্যক্তি তাঁকে প্রলোভন দেখিয়ে একটা কাজের কথা বলে, লোভ দেখায়। পরে আমাদের টিম প্লান করে সেই ট্রাপ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে এবং পরে এই ঘটনা নিয়েই একটি চিত্রনাট্য তৈরি করে কাজ করা হয়।

সৌমিত্র দেব কবি ও সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত হলেও  অভিনয়ের প্রতি তাঁর টান আলাদা। ইতিপূর্বে তিনি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি মাসুদ পথিক পরিচালিত নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ। তিনি বলেন, অনেক মজা করে আমরা এই নাটকের কাজ করেছি। গল্পটাও খুব ভাল। আমার লম্পট বন্ধুর কূটচালে পড়ে ব্যবসাতে ক্ষতিগ্রস্ত  হই। তার চোখ পড়ে  প্রথমে আমার বউ এর দিকে, তার পরে মেয়ের দিকে । এক পর্যায়ে খুন হয়ে যায় সে। রহস্য দানা বাঁধে।এই নাটকে আমার সহ শিল্পী ছিলেন কুমকুম হাসান, সুমনা সোমা, তুলনা, সমাপ্তি প্রমুখ।

হবিগঞ্জে একই পরিবারের ৪ জন বিদ্যুতস্পৃষ্ট

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা :

images

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ছড়িপুর গ্রামে একই পরিবারের শিশুসহ ৪ জন বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়েছে। শনিবার (২৭ আগষ্ট) বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী (৭), শহীদ মিয়া (১৭) ও ১৭ দিনের শিশু নুসরাত জাহান মীমকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত সূত্র জানায়, শহীদ মিয়া ও মেহেদী পাশের বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এ সময় একটি কাঁচা বাঁশের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে বাঁশটি বিদ্যুতের তারে গিয়ে পড়লে তারা বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়। এ সময় তাদের রক্ষা করতে গিয়ে ১৭ দিনের মীমকে কোলে নিয়ে তার মা শহীদ ও মেহেদীকে স্পর্শ করলে শিশুসহ তিনিও আহত হন। আশপাশের লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় শহীদ ও মেহেদীকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ইরানকে ৩-০ গোলে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

afc_23459_1472311465-300x169

ক্রীড়া ডেস্ক:

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে ইরানকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। শনিবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ইরানকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। পুরো সময় আধিপত্য ধরে রেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে অনেকগুলো সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। তা না হলে আরো গোল খেত ইরানের মেয়েরা। বার বার আক্রমণ করলেও খেলার প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধে এসে গোলের দেখা পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হয়ে গোল ৩টি করেন মার্জিয়া,মৌসুমী ও তহুরা। আগামী সোমবার দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

জঙ্গি তামিমের লাশ নেবে না স্বজনরা

69266-300x172

সিলেট : জঙ্গি তামিম আহমদ চৌধুরীর লাশ গ্রহণ করবেন না বিয়ানীবাজারের স্বজনরা। তাদের সাফ কথা-‘এই জঙ্গি আমাদের কেউ না। ওকে আমরা চিনি না। ওর লাশ গ্রহণের প্রশ্নই আসে না।’ বরং তামিমের মৃত্যুতে তারা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। কেবলমাত্র রক্তের সম্পর্ক হওয়ায় এতোদিন তামিম দহনে জ্বলছিলেন তারা। তামিমের কারণে তাদের বার বার হতে হয়েছিল প্রশ্নের মুখোমুখি। পুলিশ-সাংবাদিকদের কারণে তাদের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে তামিমের মৃত্যু বিয়ানীবাজারের স্বজনদের কাছে স্বস্তির খবর। তামিমের মৃত্যুর খবর বিয়ানীবাজারে পৌঁছামাত্র স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি নেমে আসে। তবে, ভয়ে তামিমের পুরুষ স্বজনরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। বাড়িতে থাকা মহিলারা জানিয়েছেন, তামিম কিংবা তার পরিবারের কারও সঙ্গে তাদের পরিচয় নেই। জন্মের পর তামিম একবারের জন্য বিয়ানীবাজারে আসেননি। কিংবা কানাডায় থাকায় স্বজনদের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগও নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে মোস্ট ওয়ানটেড তামিম আহমদ চৌধুরী নিহত হয়েছেন তা দুপুরের আগেই জেনে যান তার গ্রামের বাড়ির লোকজন। বাড়িতে থাকা পুরুষ সদস্যরা দ্রুত অন্যত্র চলে যান। ওই বাড়িতে বেশ কয়েকটি পরিবারের বসবাস থাকলেও হাতেগোনা দু-চারজন মহিলা ছাড়া আর কেউ নেই। পুরুষ নেই, গবাদিপশু চরানোর লোকও নেই। তাই ভরদুপুরেও বাড়িটির একাধিক গোয়ালঘরে গবাদিপশু বেঁধে রাখা হয়েছে। যে ক’জন মহিলা রয়েছেন, তারাও মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন। সকল প্রশ্নের সহজ উত্তর-‘জানি না’ বলেই তারা আর কথা বাড়াতে চান না। এ চিত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত জঙ্গি তামিম আহমদ চৌধুরীর গ্রামের বাড়ির। বাড়ির স্বজনরা জানান, ‘কেউ তার মরদেহ গ্রহণ করবেন না। কানাডা থেকে মরদেহ গ্রহণের জন্য কেউ যোগাযোগও করেনি।’

বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘তামিমের লাশ গ্রহণ-শনাক্ত অথবা কোনো তথ্যের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। তবে তিনি পুলিশ নিয়ে এলাকা ঘুরে এসেছেন।’ সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বড়গ্রামের শফিকুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে  সোয়া মিয়ার ছেলে তামিম আহমদ চৌধুরী। তার বাবা চট্টগ্রাম শিপইয়ার্ডে চাকরি করতেন। তামিমের শৈশব কেটেছে চট্টগ্রামে। সেখানে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত  লেখাপড়া করার পর বাবার সঙ্গে সে কানাডা চলে যায়। বছর দুয়েক আগে বড়গ্রামে যাতায়াতের জন্য মাটির রাস্তা তৈরি করা হয়। এর আগে বর্ষায় যোগাযোগের একমাত্র বাহন ছিল নৌকা। গ্রামের বাড়িতে তামিমের দুই চাচা পরিবার নিয়ে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার তার আপন চাচা নজরুল ইসলাম চৌধুরী মারা যান। তাদের সঙ্গে তামিমের পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই বলে জানান চাচী আঙ্গুরা খাতুন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমার বিয়ের আগে তামিমরা চট্টগ্রামে চলে যায়। সেখান থেকে কানাডা। ২১ বছর আগে তামিম একবার দেশে এসেছিল বলে শুনেছি। এখন তার নাম শুনলে ভয় লাগে।’ তামিমের চাচা কয়লা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘তাকে ভাতিজা বলতেও ঘৃণা হচ্ছে। ছোটবেলায় তামিম খুব শান্ত স্বভাবের ও  মেধাবী ছিল। দেশে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত  লেখাপড়া করার পর বিদেশ চলে যায়। কানাডা যাওয়ার পর থেকে ভাই শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে তার কোনো  যোগাযোগ নেই।’ চাচাতো ভাই ফাহিম আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘১৯৯৫ সালের দিকে তামিম একবার দেশে আসে। তখন তার বয়স ১৪-১৫ ছিল। ওই সময় দেখতে  পেয়েছি, সে সবার থেকে একটু আলাদা থাকার চেষ্টা করতো, শান্ত স্বভাবের ছিল। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ নেই।’ গ্রামের বাসিন্দা ঋষি রঞ্জন দাস জানান, তামিমের পিতার সঙ্গে কিশোর বয়সে তার পরিচয় ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তার ওপর একটি ফৌজদারি মামলা হলে  গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি চট্টগ্রামে আত্মগোপন করেন। পরে সেখান থেকে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। গ্রামের মানুষ বলছেন, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় নাম আসার পর তারা প্রথম তামিমকে চিনেছেন। তার কারণে গ্রামের অনেক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। একই গ্রামের বাসিন্দা বিজয় দাস বলেন, ‘জঙ্গি তামিমের নামের সঙ্গে আমাদের গ্রামের নাম জড়িয়ে  গেছে। লোকজন ‘জঙ্গির এলাকা’ও বলছে। এসব শুনলে লজ্জা লাগে।’ একই কথা বলেন গ্রামের দুই কলেজ শিক্ষার্থী জাকারিয়া ও পারভেজ।

তামিমের স্বজনরা জানান, ২০০১ সালে তারা সপরিবারে দেশে এলেও গ্রামের বাড়িতে আসেননি। সিলেট নগরীতে বাসা ভাড়া করে তিন মাস থাকার পর আবার কানাডায় ফিরে যান। ব্যক্তিগত জীবনে তামিম বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক।  ফেঞ্চুগঞ্জে নানাবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কোন এলাকায় তার নানাবাড়ি সে তথ্য কারও জানা নেই। এমনকি তামিম  কোথায় বিয়ে করেছে, দেশে অবস্থানরত তার পরিবারের কেউ সে বিষয়টিও জানেন না।

‘চা উৎপাদনে এবার ভাঙবে ১৬২ বছরের রেকর্ড’

index-7

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :
বাংলাদেশে চা একটি বৃহৎ শিল্প। আগামী ২০ বছরে এই শিল্প আরো বড় হবে। চা শিল্পের উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতা রয়েছে। এছাড়া চলতি বছর চা উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম এনডিসি পিএসসি।

একান্ত সাক্ষাৎকারে দেশের চা শিল্প নিয়ে পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের চা শিল্পকে আমরা প্রসারিত করতে চাই। চা বাগানের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি আমরা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। কোনো এক সময় চা বোর্ড থেকে বলা হয়েছিল, যেসব জায়গায় চা চাষ সম্ভব নয় সেখানে রাবার চাষ করার জন্য। পরে চা বোর্ডের রিসার্চে বের হলো- চা বাগানে রাবার চাষ করাটা ঠিক নয়। সেজন্য আমরা এখন এটা বন্ধ করে দিয়েছি। যে জায়গায় চা হবে না সেখানে অন্য ফসল লাগাতে হবে। তিনি বলেন, চা শিল্পের উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সেই পরিকল্পনাটি মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। সেটা পরিকল্পনা কমিশন পর্যন্ত গেছে। তারা কিছু অবজারভেশন দিয়ে চা বোর্ডে পাঠিয়েছেন। আশা করছি দ্রুত সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। ১৯৭২ সালে ভারত থেকে ২৯ কোটি টাকা নিয়ে যন্ত্রপাতি এনেছিলেন। সহজ শর্তে মেশিনারিজ, ঋণ দিয়েছিলেন চা শিল্পের মালিকদের। এছাড়া চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে ভোটের অধিকার দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

চা শিল্পের উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই চা শিল্পের উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে বাগান মালিকদের। সরকার এতো আন্তরিক এই শিল্পের উন্নতির জন্য। চায়ের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এর আগে চায়ের উৎপাদন ছিল ২৫ মিলিয়ন কেজি। সেখান থেকে আমরা বাড়িয়ে গত বছর চায়ের উৎপাদন ছিল ৬৮.৩৮ মিলিয়ন কেজি চা। চলতি মওসুমে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার চা শিল্পের ১৬২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হবে। এ বছর দেশে ৭০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে, যা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। শ্রীমঙ্গলে চায়ের নিলাম কেন্দ্র করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে চট্টগ্রামে চা নিলাম হচ্ছে। তাই এই বিষয়ে শ্রীমঙ্গলে চা নিলাম কেন্দ্র তৈরি করার চিন্তা করছি। এছাড়া পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর চা বাগানগুলোতে এ বছর ৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে। আগামী পাঁচ বছরে হয়তো সেখানে ২০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে। সেজন্য পঞ্চগড়ে চায়ের নিলাম কেন্দ্র করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চা শিল্প বড়। আগামী ২০ বছরের মধ্যে এ শিল্প আর বড় হবে। তিনি বলেন, অনলাইনে চা বিক্রির চিন্তাভাবনা রয়েছে। যাতে বায়াররা ঢাকায় বসে চায়ের অর্ডার দিতে পারেন। আমার এই ট্রেডের গতিশীলতা আনতে আমি চেষ্টা করছি। চোরাইপথে চা বিক্রি বন্ধ করার প্রসঙ্গে চা বোর্ডের এই চেয়ারম্যান বলেন, এটা বন্ধ করতে গত বছর আমি পুরস্কার ঘোষণা করেছি। কোথাও কেউ চোরাইপথে চা বিক্রি করলে আমাকে গোপনে জানাবেন। সরাইলে চেকপোস্ট বসিয়ে আমি ট্রাক চেক করেছি। এই অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া আছে। চায়ের চালান আসল কি নকল সেটা জানানোর জন্য। চা শিল্পের প্রতিটা ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতা, মজুদকারী প্রত্যেকের লাইসেন্স থাকতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া চায়ের বিক্রি বা ব্যবসা কেউ করতে পারবেন না। কারো কাছে যদি এ বিষয়ে ইনফরমেশন থাকে তাহলে এটা আমাদের জানিয়ে সহযোগিতা করুন। আমাদের চা-ও বিদেশে রপ্তানি হোক স্টো আমরা চাই। সারা পৃথিবী এখন ওপেন ইকোনমি। যারা রপ্তানি করতে পারবেন তারা ভালো দাম পাবেন। ভোক্তারা নির্ধারণ করবেন তারা বাংলাদেশি চা খাবেন, নাকি ভারত বা শ্রীলঙ্কার চা খাবেন। চা বাগানের শ্রমিক সংকট নিরসনের কৌশল সম্পর্কে তিনি বলেন, গবেষণা করে এখন থেকেই যান্ত্রিক পদ্ধতি নির্ভরশীল হতে হবে। বিদেশ থেকে চায়ের প্লাকিং মেশিন (চা পাতা উত্তোলনের যন্ত্র) প্রুনিং মেশিন (সমানভাবে চা গাছের মাথা কাটার যন্ত্র)সহ আরো মেশিন সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি। অবৈধভাবে চা বাগানের গাছ কাটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গাছ কাটার ব্যাপারগুলো ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট দেখে। বাগানের ছায়া গাছগুলো কাটতে হলে ডিসির অনুমোদন লাগবে। ফরেস্টের অনুমোদন লাগবে। চা বোর্ডের অনুমোদন লাগবে।

তার পরও আমি বলবো, আপনারা আমাকে সহায়তা করুন। টি-বোর্ডের ওয়েব সাইটে ই-মেইল অ্যাড্রেস দেয়া আছে। ওই মেইলে অভিযোগগুলো পাঠান। আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেবো। -মানবজমিন।

চা বাগানে মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে ( CIPRB)

 

মানিক পাল :

images-1

কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নং রহিম পুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড মিরতিংগা চা- বাগানে কিশোর কিশোরী ও সক্ষম দম্পতির সাস্থ্য সেবার মাধ্যমে মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে কাজ করছে (CIPRB)।

Centre for Injury Prevention and Research Bangladesh ” বাগান মায়ের জন্য ” প্রকল্পে UNFPA এর আর্থিক সহযোগিতায় স্বাস্থ্য সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছে ৭ জন বাগান সেবিকা এবং একজন প্রজনন স্বাস্থ্য সেবি এবং প্রোগ্রাম সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য নিযুক্ত আছেন প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী মি. সুভাষ চন্দ্র বর্মন। একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য ফ্রি তে ৩০০ আয়রন ১২০ টি ক্যালসিয়াম ৬০ টি মাল্টিভিটামিন টেবলেট এবং নিরাপদ প্রসবের জন্য একটি ডেলিভারি কীট দেওয়া হয়। এছাড়া ডেলিভারি কালিন জটিলটা দেখা দিলে হাসপালের পরিবহন খরচ এবং প্রাথমিক ঔষধ খরচ বহন করছে। মিরতিংগা চা- বাগানে CIPRB এর “বাগান মায়ের জন্য” প্রকল্প আশার আলো জ্বালিয়েছে এবং সৃষ্টি করেছে অনেক কর্মসংস্থান।

লাল সবুজের “পারাবত ট্রেন” : আগামী ২ সেপ্টেম্বর সিলেট-ঢাকা রেলরুটে চলবে

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

train photo (2)_117138_0

আগামী ২ সেপ্টেম্বর লাল-সবুজ রঙের নতুন ১৬টি কোচ নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেট যাত্রা করবে আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন।রেলসুত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে দ্বিতীয় কিস্তিতে আনা কোচ থেকে নতুন ১৬টি কোচ সংযুক্ত হচ্ছে সিলেট রেলরুটের পারাবত ট্রেনে। এরমধ্যে দুইটি কোচ থাকবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এছাড়াও থাকবে প্রথম শ্রেনী ও শোভন চেয়ার কোচ। খাবার গাড়ীও থাকবে একটি। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এই নতুন ট্রেনটি আগামি ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৬:৪০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।রেলসুত্র জানায়, বর্তমানে পারাবত ট্রেনে ১১টি কোচ রয়েছে। আগে এসি কোচ থাকলেও বর্তমানে তা নেই। দীর্ঘদিন থেকে পারাবতে কোচ সংকট থাকায় আসন সংকটের কারনে যাত্রীরা টিকেট পাচ্ছিলেন না। কোচ সংখ্যা বৃদ্বি করে নতুন এই ট্রেনটি চালুর মধ্য দিয়ে যাত্রী দূর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।

রেলসুত্র আরো জানায়, নতুন এই ট্রেনে কোচ সংখ্যা বৃদ্বির ফলে টিকেট সংকটও কিছুটা কমবে। তবে চরম টিকেট সংকটে নিপতিত শ্রীমংগল রেলস্টেশনের জন্য নতুন এই পারাবত ট্রেনে কোচ সংখ্যা বৃদ্বির পর কতগুলো আসন বরাদ্দ দেয়া হবে তা এখনও জানা যায়নি।

ফারাক্কার সব গেট খোলার প্রভাব ॥ ‘১০ বছরে এতো পানি আসেনি পদ্মায়’

mqdefault

পদ্মা নদীতে পানি প্রবাহ বেড়েছে আরও। পানি বাড়ায় বিপদসীমার আরও কাছাকাছি চলে এসেছে নদী। পশ্চিমবঙ্গ সরকার গঙ্গানদীর ওপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের সবগুলো গেট খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পদ্মায় এখন যত পানি এসেছে, গত এক দশকেও এত পানি আসেনি। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির এই হার নিয়ে নদী তীরে আতঙ্ক থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, যমুনা নদী বিপদসীমার নিচে থাকায় উদ্বেগের তেমন কারণ নেই। স্থানীয় সংবাদ কর্মী সেলিম দরকার বলেন, ‘পদ্মায় এই সময় এত পানি গত ১০ বছরে দেখিনি।’
নদী গবেষক ও পাবনা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যখন শুকনো মৌসুমে পানি দরকার হয়, তখন হিস্যা অনুযায়ী ভারত পানি দেয় না, আর এখন যখন আমাদের পানি সরকার নেই তখন ভারত তাদের সমস্যার কারণে ফারাক্কার সব কটি গেট খুলে দিয়েছে। এটা খুবই অন্যায়।’ ফারাক্কার সবগুলো গেট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকে প্রতিদিনই পদ্মায় পানি বাড়ছে। শুক্রবার দুপুরে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে এই পানি পরিমাপ করা হয় ১৪ দশমিক ০৮ মিটার। বৃহস্পতিবার এখানে পানি পরিমাপ করা হয় ১৩ দশমিক ৯২ মিটার। আগের দিন যা ছিল ১৩ দশমিক ৭৯ মিটার।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় বিপদসীমা ধরা হয় ১৪ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ আর ১৭ সেন্টিমিটার পানি বাড়লেই পদ্মাতীরবর্তী নিচু এলাকা ডুবে যেতে পারে। গত দুই দিনেই নদীতে পানি বেড়েছে ২৭ সেন্টিমিটার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চল পানি পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পানি বৃদ্ধির এখন যে হার, তা অব্যাহত থাকলে পদ্মা বিপদসীমা অতিক্রম করতে আরও দুই দিন লাগবে।’ পদ্মায় পানি বৃদ্ধির এই ধারা নিয়ে রীতিমত আতঙ্কিত নদী তীরের বাসিন্দারা।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চল পানি পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক কে এম জহিরুল ইসলাম জানান, ‘পদ্মা বিপদসীমা ছাড়ালেও দুশ্চিন্তার তেমন কারণ নেই। কারণ যমুনা এখন গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপদসীমার নীচে আছে। ফলে পদ্মার পানি দ্রুত বঙ্গোপসাগরে নেমে যাবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে জহিরুল ইসলাম বলেন, ১৯৮৮ এবং ৯৮ সালে পদ্মার পানি এর চেয়ে বেশি ছিল। এরপর নদীতে এত পানি কি কখনও এসেছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাঝেমধ্যে এসেছে, ২০০৫ সালেও একবার এখনকার মত বেড়েছিল।’
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিহারে বন্যা মোকাবেলায় ফারাক্কার ১০৪টি গেটের প্রায় সবগুলো খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। কর্মকর্তারা বলছেন, এই গেটগুলো খুলে দিলে ১১ লাখ কিউসেক পানি সরে যাবে, এতে বিহারের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সমীর সিনহা বিবিসিকে জানিয়েছেন, ফারাক্কায় গেটগুলো খুলে দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশকে আগেই নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে।
তবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিব জানিয়েছেন, গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদক আসার পর যৌথ নদী কমিশনকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছে। কমিশনের পরিচালক মোজাফফর হোসেন বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে ফারাক্কায় যাওয়া প্রতিনিধি দল এখনও প্রতিবেদন পাঠায়নি। পাঠালে পরে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কমলগঞ্জে বনদস্যু আটক

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

images
কমলগঞ্জের চিহ্নিত এক বনদস্যু একাধিক মামলার আসামী কাঠ পাচারকালে আটক করা হয়েছে।  বুধবার বনবিভাগ তাকে আটক করে।
জানা যায়, কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বটতলা গ্রামের সহিদ মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে লাউয়াছড়া বন থেকে সেগুন গাছ কেটে পাচার করতো। বুধবার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৫৫ ঘনফুট চাপালিশ কাঠ পাঁচার কালে এসিএফের নেতৃত্বে কাঠ বোঝাই টাটা পিকাপ ও সিএনজি সহ সহিদ মিয়াকে আটক করে কোর্টে সোপর্দ করেছে বনবিভাগ। সহিদের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১২ টি ফরেস্ট মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য মামলা থাকাকালীন অবস্থায় নিজেকে বাঁচাতে স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আওয়ামীলীগের নেতাদের ছবিসহ বড় বিল বোড টাঙ্গিয়ে শুভেচ্ছা দিয়েছে।

মেডিকেল-ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষায় নূন্যতম যোগ্যতা জিপিএ-৯

কমলকুঁড়ি ডেস্ক ::

index

চলতি বছর থেকেই মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পৃথকভাবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।একইসঙ্গে এ দুটি ভর্তি পরীক্ষা ৩০০ নম্বরে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে গতবারের তুলনায় এবার ১০০ নম্বর বেশি পরীক্ষা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া এবার ভর্তির আবেদনে এসএসসি ও এইচএসসিতে মোট জিপিএ-৯ থাকতে হবে। আগে আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা ছিল জিপিএ-৮।

রোববার (২১আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৭ অক্টোবর এমবিবিএস ও ৪ নভেম্বর বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ইতোপূর্বে ভর্তি পরীক্ষা ২০০ নম্বরের হলেও এবার ভর্তি পরীক্ষা হবে ৩০০ নম্বরের। এসএসসি ও এইচএসসি (এসএসসি ৭৫ ও এইচএসসি ৭৫) মিলিয়ে ২০০ ও ভর্তি পরীক্ষার ১০০ মিলিয়ে মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।