সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

কমলকুঁড়ি পত্রিকা ৩০ আগষ্ট ২০১৬, ৬ষ্ট বর্ষ, সংখ্যা-৫

11

22

33

444

বরের বয়স ৮৫, কনের ১৩

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

f96106c6808bf524f1459ead4bcdf401f96106c6808bf524f1459ead4bcdf401-1

বি-বাড়িয়া সরাইলে বাল্য বিয়ে থেমে নেই। স্ত্রীর মৃত্যু, আত্মহত্যা, সংসার জীবনে অশান্তি কোনোটাই রোধ করতে পারছে না বাল্যবিবাহ প্রথা। কিছু ক্ষেত্রে কাজী বেঁকে বসলেও বিয়ে হয়ে যায়। কারণ স্থানীয় কিছু সমাজপতি ও জনপ্রতিনিধি টাকা পেলে সবই পারেন। তারপর রয়েছে নোটারি পাবলিক। আর প্রশাসনের দায়সারা বক্তব্য হচ্ছে- খোঁজ নিয়ে দেখছি। ব্যবস্থা নিচ্ছি। এরই মধ্যে সর্বশেষ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে ৮৫ বছর বয়সের বৃদ্ধ আবু মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেল ১৩ বছরের শিশু সালমার। এ বিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আর প্রশাসন এখনো বলছে এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।–মানবজমিন।

 

স্থানীয় বাল্যবিবাহ বিরোধীদের বক্তব্য হচ্ছে- তাদেরকে জানানোর জন্য কি আরেকটি বিভাগ খুলতে হবে? সরেজমিন অনুসন্ধানে ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, নোয়াগাঁও মুতাঈদ বাড়ির অলি আহমেদের ছেলে আবু মিয়া ৪ সন্তানের জনক। তার রয়েছে অর্ধডজনেরও অধিক নাতি নাতনি। আবু মিয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি করতেন। ৪৫ বছর চাকরি করার পর ২০০৫ সালের জুন মাসে তিনি অবসরে আসেন। তার স্ত্রী ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন। পরে অসুস্থ হয়ে প্রথম স্ত্রী মারা যান। কিছুদিন পরই আবু মিয়ার নজর পড়ে একই গ্রামের দিনমজুর রফিকুলের শিশুকন্যা সালমার (১৩) উপর।

 

বছরখানেক আগে সালমার বাল্যবিবাহ হয়েছিল নরসিংদীর এক ছেলের সঙ্গে। ছেলেটি মাদকাসক্ত ও দরিদ্র হওয়ায় বিয়ের ৩ দিন পরই সালমা বাবার বাড়িতে চলে আসে। ১ মাস আগে ওই ছেলেকে ডিভোর্স দিয়েছে সালমা। সালমাকে বিয়ে করার জন্য উঠেপড়ে লেগে যান বৃদ্ধ আবু মিয়া। মেয়েকে যৌতুক দেয়ার প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে সালমার পরিবার সম্মত হলেও বেঁকে বসেন কাজী। কারণ অপ্রাপ্ত বয়স্ক সালমা ডিভোর্স দিয়েছে মাত্র ১ মাস আগে। ৩ মাস না হলে দ্বিতীয় বিয়ের বিধান নেই। আবু মিয়া আশ্রয় নেয় নোটারি পাবলিকের।

 

গত ২৬শে আগস্ট শুক্রবার শিশু সালমার সঙ্গে বিয়ে হয় আবু মিয়ার। সালমাকে ১ বিঘা ফসলি জমি ও বাড়ির ২ শতাংশ জায়গা লিখে দিয়েছেন বৃদ্ধ স্বামী। শিশু ও বৃদ্ধের এমন বিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে গোটা উপজেলায়। এ দম্পতিকে এক নজর দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে এসে ভিড় করেন উৎসুক লোকজন। অথচ উপজেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। বৃদ্ধ আবু মিয়া অল্প বয়সী সালমাকে বিয়ে করার কথা স্বীকার করে বলেন, সব মিলিয়ে ৪৫ বছর শুধু চাকরিই করেছি। এখন একা। তাই বিয়ে করে ফেললাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বড়লেখায় পুলিশ-ডাকাত গুলিবিনিময় ২ ওসিসহ আহত ১৭-অস্ত্রসহ ৭ ডাকাত আটক

Barlekha-30

বিশেষ প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশ-ডাকাত গুলিবিনিময়ে বড়লেখা থানার ওসিসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন। ৩০ আগস্ট মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের পূর্বদক্ষিণভাগ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার যাদবপুরের জিতু মিয়া (৪২) ও হরিচন্দ্রপুরের আব্দুল খালিক (৩৭), মাধবপুর উপজেলার কালীনগরের আসিক আহমদ (৩৫), শিবপুরের খলিলুর রহমান (২৩), সাতপারিয়ার জাহাঙ্গীর (২৫), কামাল (৩৬) ও এখতিয়ারপুরের নুর মিয়া (২৮)। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৩টি রাম দা, ১টি দা, ২টি ছোরা, ১টি চিরা পাঞ্জা, ১টি সিদ কাটি, ১টি লাইট উদ্ধার করা হয়।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের পূর্বদক্ষিণভাগ এলাকার প্রবাস ফেরৎ ধনু মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে একদল ডাকাত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ একটি মাইক্রোবাস যোগে ধনু মিয়ার বাড়ির সামনে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাকাতরা গুলি ছুড়ে। এতে মাইক্রোবাসের (সিলেট-ছ-১১০৬১৭) কাঁচ ভেঙে যায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়ে। এতে পুলিশসহ উভয়পক্ষের ১৭ জন আহত হন। আহতরা হলেন-বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান, ওসি (তদন্ত) আকবর হোসেন, এসআই আনোয়ার উল¬্যাহ, অমিতাভ তালুকদার, দ্রুবেষ চক্রবর্তী, দেবাশীষ, কনস্টেবল আজগর, কামিল, শহীদুর, আতাউর। তাঁদের শরীরের বিভিন্নস্থানে গুলির ছররা লেগেছে। তাঁরা বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অপরদিকে ডাকাত দলের আহতরা হলেন-জিতু মিয়া, আব্দুল খালিক, আসিক আহমদ, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর, কামাল ও নুর মিয়া। তাদের বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে ধনু মিয়ার বাড়ির সামনে গেলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ২৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে পুলিশসহ উভয় পক্ষের ১৭ জন আহত হন। আমার কোমরে গুলির ছররা লেগেছে। ব্যান্ডেজ করতে হয়েছে। ওসি তদন্তেরও হাতে ব্যান্ডেজ লেগেছে। গ্রেফাতারকৃত ডাকাতদের মধ্যে পেশাদার ও জেলখাটা ডাকাত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। অস্ত্র আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি ও পুলিশের উপর আক্রমনের তিনটি পৃথক মামলা করা হবে।

কমলকুঁড়ি পত্রিকার পাঠক ফোরাম “সুধীজন” আহবায়ক কমিটি গঠন

14079797_625896217588795_5292958464152191154_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সুধীজন গঠন উপলক্ষে সোমবার (২৯আগস্ট) সকাল ১১টায় ধর্মপুর উম্মাহাতুল মু’মিনীন মহিলা (বালক-বালিকা)মাদ্রাসার অফিস কক্ষে মাও:আব্দুর রহমান তফাদার এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ. মাও:লুৎফুর রহমান জাকারিয়া তফাদার. মাও:মাশহুদ আহমদ প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে  আমিনুল ইসলাম হিমেলকে আহবায়ক. লুৎফুর রহমান বাবরকে সদস্য সচিব করে ৭সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ইজ্জাদুর রহমান, মাও : মিনহাজুর রহমান, হাসান আহমদ, নাহিদুল সলাম, মেহেদী হাসান রাব্বী

মিরতিংগা চা বাগানে কমলকুঁড়ি পত্রিকার পাঠক “সুধীজন” গঠন

14141670_625885730923177_6073587397191540218_n

মানিক পাল, মিরতিংগা থেকে :
কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের মিরতিংগা চা বাগানে সোমবার (২৯ আাগষ্ট) দুপুরে কমলকুঁড়ি পত্রিকার পাঠক সংগঠন “সুধীজন” গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ এর সভাপতিত্বে  আলোচনা অংশগ্রহণ করেন কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব এর সহসভাপতি আব্দুল বাছিত খান, কমলগঞ্জ বার্তা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম হিমেল। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্থানীয় ইউপি সদস্য ধনা বাউরীকে আহবায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা কুল চন্দ্র তাঁতীতে সদস্য সচিব করেন ২৭ সদস্য বিশিষ্ট সুধীজন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি অন্যান্য সদস্যরা হলেন নিরঞ্জন তন্ত্র, রীতা পাইনকা, সুনারাইন কূর্মী, সিরাজুল ইসলাম, নিতাই তাঁতী, বিকাশ তাঁতী, হান্নান মিয়া, মাবুদ আলী, সাতলাল উরাং, মাসুক মিয়া, ইমরান নাজির, নেবুলাল বাউরী, মুহিত মিয়া, মিন্টু বাড়াইক, দিলীপ ঘোষ, কান্তি বাড়াইক, পুরেন বৈধ্য, সিরাজুল ইসলাম (জব্বার), নরেন্দ্র সাওতাল, কার্ত্তিক উরাং, নরোত্তম বর্ধন, প্রেমকুমার পাল, আকাশ বাউরী, নয়ন ঘোষ, ছত্তার মিয়া।

কমলগঞ্জে নারী চোর চক্রের ৭ সদস্য আটক

আসহাবুর ইসলাম শাওন :

nari

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার জন্মাষ্টমীর পূঁজায় নারী চোর চক্র পার্টির সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। কমলগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানে গত ২৫ আগষ্ট  শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী  উপলক্ষে নাম কীর্তন সহ বিশেষ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। জন্মাষ্টমীর অনুষ্টানে বিভিন্ন  স্থান হতে হাজার হাজার দর্শনার্থীর উপস্থিতি ঘটে।এই সুযোগকে কাজে লাগাতে  ৮/৯ জনের একদল মহিলা চোর যাদের বাড়ী বিবাড়ীয়ার নাছিরনগর উপজেলার ধর্মেন্ড গ্রামের আলী নেওয়াজের স্ত্রী রহিমা বেগম (৪৫) আং মন্নানের স্ত্রী পারভীন আক্তার (৩৬) আলীরাজের স্ত্রী নাহার বেগম (২৫) আলী আহমদের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩০) মারুফ মিয়ার স্ত্রী মিলন বেগম (২৫) ফুরুক আলীর স্ত্রী বিলকিছ বেগম (২৭) জমসেদ আলীর স্ত্রী মাসুমা বেগম (৩৮) গত ২৭  আগষ্ট শনিবার সন্ধ্যা সাত টায় একজন দর্শনার্থীর গলার এক বড়ি ওজনের স্বর্নের চেইন টান দিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ঐ মেয়ের সাথে থাকা বাকি ৭ জনকে স্হানীয় জনতা আটক করে টহলরত পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।এই চক্রটি সনাতন ধর্মীদের বিভিন্ন অনুষ্টানে শাঁখা সিঁদুর পরে সাধারন দর্শনার্থীদের মাঝে মিশে এই অপকর্ম করে থাকে।এর আগেও গত রাস পূর্নিমায় নাসির নগর উপজেলার এই চক্রের ১০ জন মহিলাকে স্বর্নের চেইন চুরি করার সময় স্হানীয় জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলো। এবারো যারা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে আগের কয়জন মহিলাকে চিহ্নিত করা গেছে।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই চক্রটি কোন বড় অনুষ্টান হলেই সংঘবদ্ধ হয়ে চুরি করে থাকে।তদন্ত ক্রমে তাদের বিহিত ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

ঈদের ছুটি ৫ দিন : ১২ সেপ্টেম্বর ঈদুল আযহা

 eid1466591294

কমলকুঁড়ি ডেস্ক ::
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়ছে দেশ। ঈদের সরকারি ছুটি সঙ্গে দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মোট পাঁচ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ থাকছে।

জানা গেছে, এবার ১২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সম্ভাব্য ঈদুল আযহা ধরে ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর তিনদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ঈদের সরকারি ছুটি থাকবে রবি, সোম ও মঙ্গলবার। এছাড়াও ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। সে হিসাবে ঈদের ছুটি ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার শেষ হবে। অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর বুধবার ঈদের পর প্রথম কার্যদিবস শুরু হবে। এদিকে পাঁচ দিনের ছুটি হলেও তেমন ব্যাংকিং খাতের লেনদেনে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, শুক্র ও শনিবারসহ মোট পাঁচ দিনের ছুটি হলেও ১০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) শিল্পাঞ্চল ও বন্দর এলাকায় প্রয়োজনে বিশেষভাবে ব্যাংক খোলা রাখা হবে। ফলে কর্মকর্তা-কমচারী ও শ্রমিকদের বেতন বোনাস প্রদানে সমস্যা হবে না। বেসরকারি চাকরিজীবী আসাদুজ্জামান বলেন, রোজার ঈদে গ্রামের বাড়ি যায়নি। তাই এবার কোরবানির ঈদে গ্রামের বাড়ি সিলেট যাবো। ৮ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে বাসের টিকিট কেটেছি। এবার ঈদে ৫ দিন ছুটি রয়েছে তাই বাড়তি ছুটি প্রয়োজন হয়নি। এদিকে জানা গেছে, এবারের ঈদে দীর্ঘ ছুটির কারণে ইতোমধ্যে দেশের পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল ও মোটেলগুলোতে বুকিং শুরু হয়েছে। এর আগে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছিল দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতাবলে ওই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, এ বছর সাধারণ ও নির্বাহী মিলিয়ে মোট ২২ দিন ছুটি রয়েছে। ওই ২২ দিনের মধ্যে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি। আর নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে ৮ দিন। তবে বেশিরভাগ সরকারি ছুটি বৃহস্পতি ও রোববার হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি টানা ছুটির কবলে পড়ছে দেশ।

বাংলাদেশে নারীদের সাংবাদিকতায় অংশগ্রহণ বাড়ছে

nari-journ_30252কমলকুঁড়ি  ডেস্ক :

উন্নত বিশ্বে মতো সাংবাদিকতা পেশায় আজকে বাংলাদেশেও নারীর অংশগ্রহণ দিন দিনই বাড়ছে। অবশ্য সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশার নাম। ঝূঁকিপূর্ণও বটে। এ পেশায় পুরুষের তুলনায় নারীর অংশগ্রহণ নিতান্তই কম। নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ নূরজাহান বেগমের হাত ধরেই মূলত বাঙালি নারীদের সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ। প্রায় ২ দশক আগেও সাংবাদিকতায় নারীদের হার ছিল শতকরা ৭ শতাংশ। তবে আশার কথা হলো নারী সাংবাদিকরা এখন সে অবস্থান থেকে এগিয়েছে অনেক দূর। গত ১০ বছরে সাংবাদিকতায় নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে লক্ষ্যণীয় হারে। নারীরা এখন অন্য পেশার মতো সাংবাদিকতাকেও স্থায়ী পেশা হিসেবে নিচ্ছে। এ অগ্রসরতার পেছনে রয়েছে সদিচ্ছা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সঠিক উদ্যোগ। পিআইবি ও নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর নবীন নারী সাংবাদিকদের জন্য আয়োজন করা হয় সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ। যা তাদেরকে সাংবাদিক হিসেবে দক্ষ, প্রতিষ্ঠিত ও আগ্রহী হতে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা রাখে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা শিক্ষায় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামের পর সম্প্রতি জগন্নাথ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগ খোলা হয়েছে। এখন অনেকগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগ রয়েছে। নিঃসন্দেহে এ ব্যপ্তি সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশুনার ব্যাপক আগ্রহের কারণেই ঘটেছে। এ সব সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে এ পেশার ক্ষেত্র। এ পেশার পরিধি এখন শুধুমাত্র সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশন চ্যানেলেই সীমাবদ্ধ নেই; সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এফ. এম. রেডিও, কমিউনিটি রেডিও এবং অনলাইন মিডিয়া। প্রতিটি গণমাধ্যমই এখন নারী সাংবাদিকদের দীপ্ত পদচারণায় মুখর। বিকাশমান সাংবাদিকতার সকল বিভাগেই নারীদের উপস্থিতি পুরুষদের চাইতে কোন অংশে কম নয়। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত পিআইডি গাইড হিসেবে পরিচিত টেলিফোন নির্দেশিকার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজি, বাংলা ও অনলাইন পত্রিকাসহ প্রায় ২০০ গণমাধ্যমে কর্মরত নারী সম্পাদক রয়েছেন মোট ৬ জন। যদিও তাদের সবাই সম্পাদক হয়েছেন মালিকানা সূত্রে, সাংবাদিকতা করবার সূত্রে নয়। আর তালিকাভুক্ত ২৫টি টেলিভিশনের মধ্যে নারী সিইও রয়েছেন একটিতে, নারী বার্তা প্রধান রয়েছেন ২টিতে। বেসরকারি টেলিভিশনের গত দেড় যুগের ইতিহাসে নারীদের প্রাধান্য দেখা গেছে, মূলত সংবাদ উপস্থাপনায়, সাংবাদিকতা করতে করতে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় পদে আসীন হয়েছে মাত্র দুয়েকজন। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে যে, প্রারম্ভিক পর্যায় থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত দীর্ঘ যাত্রাপথে অনেকেই থেমে যান বা হারিয়ে যান। ফলে সংখ্যাগত দিকদিয়ে শুরুটা যতখানি, শীর্ষপর্যায়ে তার তুলনায় যৎসামান্যই। তবে আশার বিষয় এই যে, এ সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমনকি এই একই চিত্র সাংবাদিকদের বড় দুটি সংগঠন জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নারী সদস্য সংখ্যার ক্ষেত্রেও। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিউজে) এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। নারী সাংবাদিকতা নারীর ক্ষমতায়নে কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে এই বিষয়ে নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা মিনু বলেন, নারীর ক্ষমতায়নই হচ্ছে সকল ক্ষেত্রে নারীর বৈষম্য দূর করে নারীর সাংবাদিক হয়ে ওঠা। একজন নারী সাংবাদিক তার দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত সমাজকে সচেতন করে, সরকারকে সচেতন করে, দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিতে, কর্মসংস্থানে তথা সকল পর্যায়ে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায়। নারী সাংবাদিকরা সমাজে নারীর অবস্থান তুলে ধরার মধ্যদিয়ে সকলকে সচেতন করে এবং সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ভূমিকা পালন করে; যা বর্তমান সরকারের অনেক পদক্ষেপের মধ্যামেই পরিলক্ষিত।

ফরিদা বখতিয়ারা, সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে। দীর্ঘদিন কাজ করেছেন এফ. এম. রেডিও প্রতিষ্ঠানে। তিনি মনে করেন, অনেক নারী সাংবাদিকতায় অনেক আগ্রহ নিয়ে আসেন এই ভেবে যে, গণমাধ্যমে কাজের ধরন ভিন্ন এবং এই কর্মক্ষেত্রে থেকে পরিচিতি লাভ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। তারা অনেকেই ভুলে যান যে, এ পেশার কর্মক্ষেত্রে দু’টি বিষয় বিশেষ মনোযোগ দাবি করে। এক. এই পেশায় অনেক পরিশ্রম করতে হয়, যখন সব ঘটনার শেষ, মূলতঃ  সেখান থেকেই সাংবাদিকতা পেশায় জড়িতদের কাজ শুরু। দুই. ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা, যা অনেকেই শেষ পর্যন্ত পারেন না বা থাকেন না। অনেক বাধা আসবে কিন্তু এ ক্ষেত্রে পরিবারের সহযোগিতা থাকলে সকল বাধাই অতিক্রম করা সম্ভব। আর সাংবাদিকতায় নারীর ক্ষমতায়ন হয় ২ ভাবে। তার নিজস্ব আইডেন্টিটির মাধ্যমে এবং সর্বোপরি পরিবার তথা সামাজিকভাবে তার নিজস্ব স্ট্যাটাসের মাধ্যমে, যেখানে অর্থনৈতিকভাবে একজন নারীর ক্ষমতায়িত হওয়া অন্যতম। পাশাপাশি সাংবাদিকতার মাধ্যমে একজন নারী অন্য অনেক নারীর সফলতার গল্প তুলে ধরছেন, যা অনেককেই অনুপ্রাণিত করছে। কিন্তু এত কিছুর পরও এ পেশায় শেষ পর্যন্ত অনেকেই টিকে থাকছেন না বলেই সাংবাদিকতা পেশার নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে যথেষ্ট সংখ্যক নারী উপস্থিতি নেই বলে তিনি মনে করেন। দিলারা হোসেন, কাজ করছেন হেল্থ রিপোর্টার হিসেবে। তিনি বলেন, নারীরা এখন অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে এসেছে, সাংবাদিকতা তার মধ্যে অন্যতম। এ পেশা অবশ্যই একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয় এ পেশায়, যা একজন নারীর ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি। একজন নারী সাংবাদিকই পারেন প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর সঠিক অবস্থান তুলে ধরতে, যা সে নারী সাংবাদিক তথা সকল নারী সমাজকেই ক্ষমতায়িত করতে ভূমিকা রাখে। নারী সাংবাদিকতা পেশায় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সে ক্ষমতায়িত; ফলে তথাকথিত এই পুরুষ শাষিত সমাজের অনেক সংকটময় ঘটনাও এখন নারীরাই জনসম্মুখে তুলে ধরছেন, যা নারীর ক্ষমতায়িত হওয়ার কারণেই বলে তিনি মনে করেন। সাংবাদিকতায় নারীর সরব অংশগ্রহণ প্রতিনিয়তই বাড়ছে। সে কথা অনস্বীকার্য। মনে রাখা প্রয়োজন যে, সংখ্যাগত দিক দিয়ে এমনকি সাংবাদিকতার নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের যেতে হবে বহুদূর। আর সে লক্ষ্যে প্রয়োজন সামগ্রিক অগ্রসর মনোভাব, প্রয়োজন সংকীর্ণতা থেকে বের হয়ে প্রগতির পথে চলা। আমাদের প্রত্যাশা সেই পথ চলায় পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সর্বত্র সামানভাবে অংশগ্রহণ করবে এবং উন্নত রাষ্ট্র গঠনে নারী সাংবাদিকগণ অন্যতম ভূমিকা পালন করবেন তাদের নিজস্ব ক্ষমতায়নের মধ্যদিয়ে। -বাসস ইউনিসেফ ফিচার

‘গুলশান-শোলাকিয়া হামলায় জড়িত আরও আটজন শনাক্ত’

monirulb20160406091959

কমলকুঁড়ি ডেস্ক ::
গুলশান-শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড জিয়া, নিহত তামিম ও মারজান ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত আরও আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের প্রধান (সিটি) মনিরুল ইসলাম। মনিরুল ইসলাম বলেন, কল্যাণপুরে নিহত নয় জঙ্গির মধ্যে চারজন এবং শনিবার (২৭ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জে অভিযানে নিহত তামিম ছিলেন নব্য জেএমবি’র গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে নব্য জেএমবিকে দমন করা হবে- বলেন তিনি।

জঙ্গি মারজান সম্পর্কে তিনি বলেন, জঙ্গি মারজান খুব মেধাবী, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় পারদর্শী। নিহত জঙ্গি তামিমের পক্ষ হয়ে তিনি বাইরে থেকে নতুন সদস্যদের ব্রেনওয়াশ করতেন। শনিবারের অভিযানে নিহত ফজলে রাব্বীর বাড়ি যশোরে। যশোরের পুলিশ তাকে নিয়ে নিখোঁজের পোস্টার ছাপিয়েছিল। নিহত আরেকজন তাহজিদ হাসানও ধানমণ্ডি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

-বাংলানিউজ২৪

শ্রীমঙ্গলে বিজিবির সাফল্যের ৯বছর

55শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের সীমান্ত রক্ষার দ্বায়িত্বে নিয়োজিত ৪৬ বডার গার্ড ব্যাটালিয়ানের সাফল্যের ৯ম বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজন করা হয়েছে নানা অনুষ্ঠান মালার। রবিবার বেলা দেড়টায় শ্রীমঙ্গলস্থ ৪৬ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে কেক কেটে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টর এর সেক্টর  কমান্ডার কর্নেল জাকির হোসেন পিএসসি। এ সময় স্বাগত বক্তব্যদেন ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্ণেল লে. কর্ণেল  মো. ইকবাল। উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. জামাল আহমেদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কুমুদ রঞ্জন দে, মুক্তিযোদ্ধা বিরাজ সেন তরুন, ভাড়াউড়া ডিজিএম গোলাম মোহাম্মদ শিবলী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ। ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্ণেল লে. কর্ণেল  মো. ইকবাল তার বক্তব্যে জানান, ব্যাটেলিয়ানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে দৃঢ়তার সাথে কাজ করেছে। বর্তমানে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার সীমান্তে সততা ও দক্ষতার সহিত কাজ করে চলছে।

বিশেষ করে ৪৬ বিজিবির ক্যাম্পাসেই ৫২ বিজিবি ও ৫৫ বিজিবির প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। একই সাথে শ্রীমঙ্গল সেক্টর প্রতিষ্ঠাকালীন সমেয় সেক্টরের জন্যও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে বিকেলে আয়োজন করা হয়েছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।