সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেট ২৯% ব্যয় বাড়িয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

 ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেট ২৯% ব্যয় বাড়িয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে পরিকল্পনায় রেখে আসন্ন অর্থবছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা ব্যয়ের ফর্দ জাতীয় সংসদের সামনে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেটের এই ব্যয় বিদায়ী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে সাড়ে ১৫ শতাংশ এবং সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ২৯ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার বিকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের এ মেয়াদের তৃতীয় এই বাজেট উপস্থাপনা শুরু হয় দেশের অর্থনীতিতে গত সাত বছরের সাফল্যের একটি মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে। এবার মূল বাজেটের যে আকার মুহিত ধরেছেন, তা বাংলাদেশের মোট জিডিপির (১৯ লাখ ৬১ হাজার ১৭ কোটি টাকা) ১৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গ শিক্ষার মান! – লিয়াকত খান

সবজান্তা হয়ে কেউই জন্মগ্রহন করেনা। পারিবারিক, পারিপার্শ্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে জ্ঞানার্জন করে থাকে। আস্তে আস্তে মানুষ বুঝতে শিখে শিক্ষা বা জ্ঞানার্জন ছাড়া তার উন্নতি সম্ভব নয় এবং একটি শিক্ষিত জনগোষ্ঠি ছাড়া একটি জাতি অগ্রসর হওয়াটাও অসম্ভব। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। এই গ্লোবোলাইজেশনের যুগে আধুনিক শিক্ষায় নিজেকে,জাতিকে আলোকিত ও বিকশিত করতে না পারলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় উন্নতি করার উপায় নাই। তাই রাষ্ট্র যোগপোযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা ও তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়ে থাকে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থায়ন ও আন্তরিকতা থাকা সত্বেও শিক্ষার আশানুরোপ উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা খালি চোখে আমরা যা দেখি তা সত্যিই হতাশাজনক। অতি রাজনীতি করন ও দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতিকে মেধাশুন্য করার বা মেরুদণ্ডহীন একটি জাতি গঠনের পায়তারা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। ‘মাছি মারা কেরানি’ বা জ্বী হুজুর জাতিয় জনগুষ্টি তৈরী করাই যেন এই শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সামাজিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মানের যে করুন দৃশ্য ফুঠে উঠে তা সত্যিই বেদনাদায়ক।

তাই বলে আমরা শিক্ষার্থীদের অভিযুক্ত করি কিভাবে ? দোষটা আমাদের। আমরাইতো ওদের তৈরী করছি। এমন শিক্ষা ব্যবস্থার জন্মদাতা কারা ? কারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ? কেন নকল নির্ভর পরিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া ? কেন পাশের হার বাড়ানোর জন্য এত তৎপরতা ? এখানে দোষী কারা, শিক্ষার্থী না শিক্ষা ব্যবস্থা ?

একটি জাতিকে মেরুদণ্ডহীন করার জন্য দূর্বল শিক্ষা ব্যবস্থাই যথেস্ট। তাই গুনীজনেরা বলে থাকেন -” If you want to destroy a nation, firstly destroy their education system and policy. So all other sectors will be ruined slowly and automatically”

 

কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য প্রবাসী

শৈব যোগী সংঘের ৬ ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

20160603_212816

কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগীবিল শৈব যোগী সংঘ এর ৬ ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকালে স্থানীয় রাখালথলীতে ধর্মীয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শৈব যোগী সংঘের সভাপতি ডা: শ্রীনিবাস দেবনাথ। আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক পিন্টু দেবনাথ, ইউপি সদস্য সুকুমার দেবনাথ, মুক্তেশ্বর দেবনাথ, ধরনী দেবনাথ প্রমুখ।

কমলকুঁড়ি পত্রিকা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ ও কিছু কথা ।। জ্যোৎস্না খান

সেদিন টেলিফোনে আলাপ কালে কমলকুঁড়ি সম্পাদক বাবু পিন্টু দেবনাথ বললেন, তাঁর মালিকানাধীন ও সম্পাদিত কমলকুঁড়ি পত্রিকার ৫ম বর্ষপূর্তির কাজ চলতেছে। তাই ভাবলাম বর্ষপূর্তি সংখ্যায় একটা কিছু লেখা দিতে পারলে ভালো হতো। যেহেতু তাঁর উৎসাহেই আমার লেখা-লেখির যাত্রা শুরু এবং এখনও তাঁর সাহস ও অনুপ্রেরণা আমাকে লেখা-লেখির প্রতি অনুপ্রাণিত করে। আমি এখনও কোন লেখক হতে পারিনি বা কর্মব্যস্থ জীবনে লেখা-লেখির তেমন সুযোগও আমার নেই। তাই ভাবছি কি লিখবো,কি দিয়ে শুরু করবো !

 

বাবু পিন্টু দেবনাথের সাথে আমার পরিচয় অনেকটা নাটকীয় ভাবে। তাঁর সম্পাদিত কমলকুঁড়ি পত্রিকায় আমার স্বামীর লেখা-লেখির সুবাদে। একদিন আমার স্বামীর ফোনালাপ শেষে আমিও উনার সাথে কুশল বিনিময় করি। কথা বলে মনে হলো উনি একজন স্বজ্জন, মৃদুভাষী ও হাস্যজ্জল মানুষ। এরপর থেকে আমার স্বামী যখনই উনার সাথে ফোনে আলাপ করতেন আমিও কথা বলতাম। এই ফোনালাপ থেকেই উনার কর্মব্যস্ত জীবন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানলাম,জানলাম উনার পরিবার ও পত্রিকা সম্বন্ধেও। তাঁর একক উদ্যোগে কমলকুঁড়ি পত্রিকাটি পাঁচ বছর আগে কমলগঞ্জ থেকে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় সফলতার সাথে চলার পর ৬ষ্ট বছরে পদার্পণ করতে চলছে। বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টালগুলোর জনপ্রিয়তা যেমন বেড়েছে তেমনি চাহিদাও বেড়েছে। পাঠক ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার লক্ষ্যেই কমলকুঁড়ি ডট কম সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে। বাবু পিন্টু দেবনাথের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সমাজ কল্যাণের নিবেদিত মন-মানসিকতা থেকে এককভাবে পত্রিকাটির অনলাইন ও প্রিন্টভার্সনের কাজ নিখুঁত ভাবে করে যাচ্ছেন।

 

ইরেজীতে একটি প্রবাদ আছে-“A newspaper is a store house of knowledge”-অর্থাৎ সংবাদপত্র হচ্ছে জ্ঞানের ভান্ডার। দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্থার অবিচ্ছদ্য অংশ হচ্ছে সংবাদপত্র। তাই সংবাদপত্রকে সমাজের দর্পনও বলা হয়ে থাকে। সমাজের উন্নয়ন ও বিকাশ সাধন,কুসংস্কার ও দূর্নীতি দূরীকরনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ও প্রভাব অসামান্য। সমাজের অসঙ্গতি ও সঠিক,বস্তনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন,অন্যায় অপরাধ,দূর্নীতি,সন্ত্­রাস,চাঁদাবাজি,নারী নির্যাতন ও সামাজিক বৈষম্য ইত্যাদি বিষয়ে সংবাদপত্র মানুষকে সচেতন করে তুলে। মানুষের শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে সাথে সংবাদপত্রের ব্যবহারও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। গনমাধ্যমের প্রধান বাহন হিসাবে সংবাদপত্রের গুরত্ব,গ্রহণযোগ্যতা­ ও জনপ্রিয়তা ক্রমশ বেড়েই চলছে। শহর থেকে গ্রাম-গ্রামাঞ্চলে আজ সংবাদপত্রের বিচরনক্ষেত্র। তাই সংবাদপত্রের গুরত্ব বর্তমান সমাজে অপরিহার্য।সংবাদপত্রে­র মাধ্যমে মানুষ তার জ্ঞান ও শিক্ষার পরিপূর্ণতা লাভ করে। পুস্তকের শিক্ষা অপর্যাপ্ত ও সীমাবদ্ধ আর সংবাদপত্রের শিক্ষা পরিপূর্ণ,বিচিত্র ও নিত্যনতুন। বর্তমান বিশ্বে সংবাদপত্র ছাড়া নিত্য নতুন খবরাখবর জানার কোন উপায় নেই।

 

আজ কমলকুঁড়ির ৬ষ্ট বর্ষ পদার্পণ উপলক্ষে কমলকুঁড়ি স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদককে আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁর এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। কমলকুঁড়ি অনলাইন ও প্রিন্টভার্সনের উত্তরোত্তর সফলতা এবং সমাজ কল্যাণে বাবু পিন্টু দেবনাথের সুন্দর ও সৃজনশীল মনের প্রসারতা কামনা করছি।

কুলাউড়ায় নদী থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

কুলাউড়া প্রতিনিধি:

লাশ-উদ্ধার-1

 কুলাউড়া উপজেলায় জাহিদ আলী (৬) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার ( ০১ জুন ) বিকেলে গোগালীছড়া নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। জাহিদ আলী শহরের পৌর এলাকার জয়পাশা গ্রামের চেরাগ আলীর ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন জাহিদ আলী। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজার পরও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে বুধবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন গোগালীছড়া নদীতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নদী থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।

কুলাউড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোশারফ হোসেন জানান, শিশুটি পানিতে ডুবে মারা গেছে নাকি হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে-তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

নতুন আইন হচ্ছে : এবার ডাক্তারদের ফি নির্ধারণ করে দিবে সরকার

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

 

20160602210023

প্রায় ৩৪ বছর পর ডাক্তারদের চিকিৎসা বাবদ ফি নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়াও করা হয়েছে, যা বেসরকারি চিকিৎসাসেবা আইন ২০১৬ নামে অভিহিত হবে। নতুন আইন অনুযায়ী অফিস সময়ে কোনো ডাক্তার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কিংবা ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতে পারবেন না। ছুটির দিনে নিজ জেলার বাইরে গিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতে পারবেন না। উল্লিখিত নিময় না মানলে ওই ডাক্তারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হবে। এছাড়া আদালত উপযুক্ত মনে করলে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবেন।

 

এছাড়া নতুন এ আইনে ডাক্তাররা সরকার নির্ধারিত ফি’র তালিকা চেম্বারের সামনে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখতে বাধ্য থাকবেন। আদায় করা ফি বাবদ রোগীকে রসিদ দিতে হবে। রশিদের মুড়ি ডাক্তার নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে বাধ্য থাকবেন। কোনো ডাক্তার স্বীকৃত, অনুমোদিত সার্টিফিকেট কোর্স, ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি ছাড়া কোনো যোগ্যতার বিবরণ সাইনবোর্ড, নামফলক কিংবা ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে পারবেন না। মুক্তিযোদ্ধা ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে শতকরা ১০ ভাগ শয্যা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

 

ডাক্তারের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসংক্রান্ত যে কোনো ধরনের অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করবে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল। ওই সংস্থার তদন্তে কোনো ডাক্তার দোষী হলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। পক্ষান্তরে কোনো ব্যক্তি ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে মারা গেলে কিংবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভাংচুর করলে এবং এর ফলে কোনো ডাক্তার কিংবা বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে আক্রমণকারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হবে। এছাড়া অতিরিক্ত ফি আদায় করলে ডাক্তারের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।

 

আইনের খসড়া নিয়ে মঙ্গলবার এক বৈঠক শেষে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ১৯৮২ সালে এ সংক্রান্ত একটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে ওই আইন চলে আসছে। তবে যুগের পরিবর্তনের কারণে আইনটি প্রতিপালন হচ্ছে না। তাই নতুন করে একটি আইনের খসড়া তৈরি করে সমন্বয় সভা করা হয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

 

বৈঠক শেষে স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ইকবাল আর্সনাল বলেন, নতুন আইন প্রণয়নের প্রাথমিক কাজ চলছে। ডাক্তরদের ফি এখনও নির্ধারণ হয়নি। তবে আইনটি চূড়ান্ত করা হলে তাতে ডাক্তারের ফি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত অন্যান্য চার্জ উল্লেখ থাকতে পারে। এর বাইরে আর কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

 

আইনের খসড়া থেকে জানা যায়, সরকার সময়ে সময়ে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ডাক্তারদের ফি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাসংক্রান্ত চার্জ নির্ধারণ করে দেবে। কোনো ডাক্তার সেবাসংক্রান্ত কোনো ধরনের মিথ্যা প্রত্যয়নপত্র প্রদান করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে কোনো অর্থকড়ি নেয়া যাবে না। বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে অথবা ডাক্তারের ব্যক্তিগত চেম্বারে বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ করতে হবে। চিকিৎসাসংক্রান্ত সব তথ্য রেজিস্টারে লিখে রাখতে হবে। ওই রেজিস্ট্রার গোপনীয় দলীল হিসেবে গণ্য হবে। রোগীকে রোগের বিবরণ জানাতে হবে। প্রয়োজনীয় ও বিকল্প চিকিৎসা, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং অস্ত্রোপচারের জটিলতা সম্পর্কে রোগীকে অবহিত করতে হবে। এমনকি খাতওয়ারি চিকিৎসা ব্যয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে হবে। সন্দেহজনক মৃত্যু, আত্মহত্যা, বিষ প্রয়োগ, বেআইনি গর্ভপাত, অগ্নিদগ্ধ হওয়া, দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি, লাঞ্ছিত ও প্রহৃত ক্ষতি, অন্যের দ্বারা যে কোনো ধরনের আঘাতজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে চিকিৎসককে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে। ডাক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধগুলোর তদন্ত ও বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ৫নং আইনের আওতায় পরিচালিত হবে। ডাক্তারের অপরাধের ফলে রোগীর মৃত্যু হলে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪৫নং আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে। এছাড়া সরকারি লাইসেন্স ছাড়া বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

 

বেসরকারি কোনো চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা পরিদর্শন, চিকিৎসাসংক্রান্ত যন্ত্রপাতি, কাগজপত্র পরীক্ষা করতে পারবেন। সরকারি নিয়মনীতি লঙ্ঘিত হয়েছে- প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যাবে। চিকিৎসক আইন না মানলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিদর্শনকালে যদি প্রমাণ হয় জনস্বার্থেই এ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া দরকার, তাহলে সরকার যে কোনো বেসরকারি

বাতিল হচ্ছে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

 

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণিতে সমাপনী পরীক্ষা না নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা চালু হওয়ায় তা বিলুপ্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও মন্ত্রিসভা থেকেই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

 

তিনি মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা চাই প্রাথমিক সমাপনী একটি হবে, আর তা অষ্টম শ্রেণিতে। অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা শেষে আমরা শিক্ষার্থীদের সনদ দেব।”

 

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা চালুর পর ক্ষুদে শিশুদের এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মুখে ঠেলে দেওয়ায় তা নিয়ে শিক্ষাবিদদের অনেকে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। অভিভাবক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তা বাতিলের দাবি জানানো হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে গত ১৮ মে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে সরকার।

 

প্রাথমিকের আওতা সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরে ফিজার বলেন, “সবার বিবেচনায় এটা আসবে যে, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা একটাই থাকার কথা। আমরাও সেই বিবেচনা করব, প্রাথমিক সমাপনী একটাই হবে।

 

তিনি বলেন, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার (অষ্টম শ্রেণির) নাম কী হবে, সেটা সরকারের বিবেচনার জন্য মন্ত্রণালয় মতামত পাঠাবে। পিএসসি বা অন্য নামে হতে পারে, এটা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, শিগগিরই এসব বিষয়ে মতামত মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

 

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২০০৯ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রচলন শুরু হয়। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় জেএসসি পরীক্ষা। মন্ত্রী ফিজার বলেন, “যেহেতু মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত হয়েছিল তাই উভয় মন্ত্রণালয়ের (শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা) একটি মতামত সেখানে (মন্ত্রিসভায়) যাবে। সমাপনী একটা, না দুটো হবে- মন্ত্রিসভা সেই সিদ্ধান্ত দেবে। তবে আমরা চাইব যে প্রাথমিকে যেন একটাই সমাপনী পরীক্ষা থাকে।

 

চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা হবে কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “চেষ্টা করছি কত দ্রুত এটা (একটি সমাপনী পরীক্ষা রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) করতে পারি। এখনও ছয় মাস সময় আছে। এ বছরই যেন বাস্তবায়ন করতে পারি সেই চেষ্টা করব। এখন থেকে প্রস্তুতি নিলে এটা বাস্তবায়ন করতে পারব।”

 

এবারের প্রাথমিক সমাপনীর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত না হলে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তায় পড়ার কথা মন্ত্রীকে বলা হলে তিনি বলেন, “ক্লাস ফাইভের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু সেই পরীক্ষা না হলে তো কোনো ক্ষতি নেই, ভালো হয়ে তৈরি তো হবে।”

কমলকুঁড়ি পত্রিকার ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠান ।। একজন সৎ সাংবাদিক দেশের সম্পদ – কমলগঞ্জ ইউএনও মোহাম্মদ মাহমুদুল হক

 

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

13307195_879296728848744_7990600925291980055_n

 

কমলগঞ্জ13 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেছেন, পাঠের অভ্যাস যদি কেউ গড়ে তুলতে পারে সেটা বই হউক বা পত্রিকা হউক তার জীবনে সাফল্য আসবেই। একটা পত্রিকার শক্তি অসাধারণ। পত্রিকা শুধুমাত্র সংবাদ পরিবেশনের জন্য নয়। সংবাদটা হতে হবে দেশের কাজে লাগে। দেশের উন্নয়নের কাজে লাগে। যে সংবাদ পরিবেশনে এলাকাকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বলেন, সংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা মেনে চলে অনেক স্কলাররা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেয়। সাংবাদিকের একটি লেখা অনেক শক্তিশালী। বাংলাদেশকে নাড়িয়ে নিতে পারে। তোলপাড় করে দিতে পারে। একজন সৎ সাংবাদিক দেশের সম্পদ। সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। এই মহৎ পেশাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। এই পেশা যেন মাটি, মানুষ ও উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত থাকে। লেখা কিন্তু একটা আর্ট। লেখার জন্য বেশি করে পড়তে হয়, অনেক ভাষা জানতে হয়, চর্চ্চা করতে হয়। কমলকুঁড়ি পত্রিকা আজ ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করছে। পত্রিকা যদি এখন বন্ধ হয়েও যায়, তাহলে কমলগঞ্জের ইতিহাসে নাম উল্লেখ থাকবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৩১ মে ২০১৬ মঙ্গলবার বিকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কমলকুঁড়ি পত্রিকা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

আনুষ্ঠানিক কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল হান্নান চিনু এর সভাপতিত্বে ও কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়ার মোঃ জুয়েল আহমেদ। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রফিকুল হক, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ ফরহাদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, আনসার ভিডিবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোঃ সুলতান আহমদ, মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এস,এম, হাসনাত হাসান।

আলোচনায় অংশ নেন লেখক গবেষক আহমদ সিরাজ, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জনতা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ রায়, প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি এম, এ, ওয়াহিদ রুলু, প্রেসক্লাব সহসভাপতি ও দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আহমেদ, সাপ্তাহিক কমলগঞ্জ সংবাদ সম্পাদক মোঃ সানোয়ার হোসেন, এম,এ, ওহাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আজিজ, মঙ্গলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশাহিদ আলী প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক মানবজমিন প্রতিনিধি সাজিদুর রহমান সাজু, দৈনিক নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি মোঃ জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ বেতার প্রতিনিধি আর কে সৌমেন, দৈনিক অর্থনীতি মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি মোঃ সোহেল রানা, দৈনিক সিলেট বাণী প্রতিনিধি এম, এ মুক্তাদির, দৈনিক যোগাযোগ প্রতিনিধি আসহাবুল ইসলাম শাওন, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন প্রতিনিধি এবাদুল হক, মৌমাছি কন্ঠ ষ্টাফ রিপোর্টার এনামুল হোসেন, কমলকুঁড়ি পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার হোসেন জুবায়ের, উপজেলা শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী বাবুল ভুষণ দেব, তরুন সমাজকর্মী মাইদুর রহমান প্রমুখ।

সভার শুরুতে সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকার পরিবার ও এনজেনিউজ ২৪ ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে কমলকুঁড়ি পত্রিকার ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণে সম্পাদককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।