সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

একটি ভোটও পেলেন না। তাহলে নিজের ভোট গেল কোথায় ?

55
এম মছব্বির আলী, কুলাউড়া থেকে ।।
কুলাউড়া পৌরসভায় একজন মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী একটি ভোটও পেলেন না। বুধবার রাতে রিটার্নিং অফিসের কার্যালয় থেকে খালি হাতে বেরিয়ে গেলেন তিনি।
জানা যায়, কুলাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে শারমিন আক্তার শিউলি প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রচার প্রচারনাও চালিয়ে ছিলেন পুরোদমে। কিন্তু বুধবার বেরসিক ভোটাররা তাকে একটি ভোটও দেননি। কেন্দ্রের রেজাল্ট শুনে তিনি বিশ্বাস না করে ছুটে আসেন রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে। সেখানেও একই রেজাল্ট পেয়ে কেঁদে ফেলেন এই প্রার্থী।
উপস্থিত সবার একটা প্রশ্ন ছিলো- নিজের ভোটটা তাহলে গেল কোথায়? প্রার্থী শারমিন আক্তার শিউলি জানান, ভোটাররা আমাকে ভোট দেবে বলেছিলো। জানিনা কি হয়েছে। নিজের ভোট প্রসঙ্গে প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি তিনি।

পিএসসি, জেএসসি ও জেডিসির ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

কমলকুঁড়ি ডেস্ক ।।44

পঞ্চম(পিএসসি) ও অষ্টম(জেএসসি) শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩১ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রাথমিক শিক্ষা (পিএসসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট(জেডিসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন দুই মন্ত্রী।
এ ছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এবং দুপুর দেড়টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন।
সংবাদ সম্মেলনের পরে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ ফল জানতে পারবেন।
চলতি বছর জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ১৮ নভেম্বর। এবার ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে জেএসসিতে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪৭ এবং জেডিসিতে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪৮৬ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। আর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয় ২২ নভেম্বর। এতে ৩২ লাখ ৫৪ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৬৩ এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে ৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫১ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এবার প্রথমবারের মতো প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সারাদেশে আট সেট প্রশ্নপত্রে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌরসভা নির্বাচন-২০১৫ : মৌলভীবাজারের আওয়ামীলীগ-৩, আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী-১

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
Pic-4
মৌলভীবাজার জেলার ৪টি পৌরসভার নির্বাচনে মৌলভীবাজার, কমলগঞ্জ ও বড়লেখা পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তবে কুলাউড়া পৌরসভায় আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

মৌলভীবাজার পৌরসভা :
মৌলভীবাজার সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ফজলুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৩ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় প্রার্থী অলিউর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৬৩ ভোট।

কমলগঞ্জ পৌরসভা :
কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. জুয়েল আহমেদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩৯৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
তার নিকতম প্রতিদ্বন্দী জাকারিয়া হাবিব বিপ্লব(স্বতন্ত্র প্রার্থী) নারিকেল গাছ প্রতীকে ২৮০৪ ভোট পেয়েছে।
কুলাউড়া পৌরসভা :
কুলাউড়া পৌরসভায় মেয়র পদে ৪জনের মধ্যে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী শফি আলম ইউনুছ (নারিকেল গাছ প্রতিক) ৪২৩০ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি বিএনপি প্রার্থী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি কামাল আহমদ জুনেদ (ধানের শীষ প্রতিক) পেয়েছেন ৪১৭৪ ভোট। এছাড়াও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক একেএম সফি আহমদ সলমান (নৌকা প্রতিক) ৩৭৮৩ ভোট এবং কুলাউড়া পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ মুহিবুর রহমান লাল মাষ্টার (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৩৯ ভোট।
বড়লেখা পৌরসভা :
বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৪০৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খিজির আহমেদ মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫৭৭ ভোট। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ধানের শীষ নিয়ে পেয়েছেন ১৫৮১ ভোট।

কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে যারা নির্বাচিত হলেন

5869_1175420439153693_1064097567734401675_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর বুধবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। তাঁরমধ্যে

১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে মোছা: মুসলিমা বেগম (আঙ্গুর মার্কা) ১৯৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি মোছা: রোকিয়া বেগম (কাঁচি) ১২১১ ভোট পান।

৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে মোছা: আয়েশা সিদ্দিকী ( আঙ্গুর) ১১৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী নার্গিস বেগম ৭৭০ ভোট পান। অপর প্রতিদ্বন্ধি এনি বেগম ৫৭৫ ভোট ও মোছা: আরফা আক্তার (মৌমাছি) ৫৬৭ ভোট পান।

৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে শিউলী আক্তার শাপলা (কাঁচি) ১৪৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি রীতা রানী পাল (আঙ্গুর) ৭৯৯ ভোট ও ফয়জুন নেছা (ভ্যানটি ব্যাগ) ৬৮১ ভোট পান।

কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে যারা নির্বাচিত হলেন

5
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর বুধবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে ৩০ জন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। তারমধ্যে-

১নং ওয়ার্ডে  দেওয়ান আব্দুর রহিম ৩৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

২নং ওয়ার্ডে  সৈয়দ জামাল হোসেন ৩৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৩নং ওয়ার্ডে  আনসার শোকরানা মান্না ৪৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৪নং ওয়ার্ডে  আফজল মিয়া ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৫নং ওয়ার্ডে মোঃ রমুজ মিয়া ৫৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৬নং ওয়ার্ডে মোঃ রফিকুল ইসলাম রুহেল ৪১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৭নং ওয়ার্ডে গোলাম মুগ্নী মোহিত ৬৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আনোয়ার হোসেন ৪৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

৯নং ওয়ার্ডে মোঃ রাসেল মতলিব তরফদার ৪২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী মোঃ জুয়েল আহমেদ বিজয়ী

555
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন কঠোর নিরাপত্তা, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে চলাকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য, ম্যাজিষ্ট্রেট, সাংবাদিকবৃন্দ সার্বক্ষনিক মাঠে ছিলেন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী  কমলগঞ্জ পৌর যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ জুয়েল আহমদ (নৌকা) ৩৯৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি স্বতন্ত্র জাকারিয়া হাবিব বিপ্লব (নারিকেল গাছ) ২৮০৪ ভোট পান, বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ) আবু ইব্রাহীম জমসেদ ২১৬৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বিদ্রোহী হাছিন আফরোজ চৌধুরী ৪২৬ ভোট, জাতীয় পার্টি রফিকুল আলম (লাঙ্গল) ৮০ ভোট, খেলাফত মজলিশ নজরুল ইসলাম  (দেয়ালঘড়ি) ৮০ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুক আহমদ ২৩ ভোট পান। মোট ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
কমলগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৭৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৮৯৯ জন এবং মহিলা ৫ হাজার ৮৩২ জন। এর মধ্যে ভোট কাটিং হয়েছে ৯৭০২, বাতিল হয়েছে ১৩০টি। 1005932_1175437265818677_516584720184682548_n
মোঃ জুয়েল আহমেদ এর বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভানুগাছ বাজারের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে ভোটার,  সমর্থকরা ও দলীয় নেতাকর্মীবৃন্দ তাঁকে বিজয় মালা পড়িয়ে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, সহসভাপতি আছমল ইকবাল মিলন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সিদ্দেক আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ বদরুল, উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, যুবলীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন ছাত্রলীগ সভাপতি সানোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সরজমিন কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন-২০১৫

1

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু  ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটারদের শতস্ফুত: অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে পুরুষ ভোটারদের চেয়ে মহিলা ভোটারদের অংশগ্রহণ বেশি লক্ষ্যনীয়। 20151230_111515
২৯টি গ্রাম নিয়ে কমলগঞ্জ পৌরসভা গঠিত। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে কমলগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৭৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৮৯৯ জন এবং মহিলা ৫ হাজার ৮৩২ জন।
৩০ ডিসেম্বর বুধবার ভোটের দিন ১নং ওয়ার্ডের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনকালে দেখা যায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একধরনের উৎসব ও আমেজের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ৯:৩০ মিনিটে ১১৮২ টি ভোটারের মধ্যে ১৭১টি কাটিং হয়েছে, মোট বুথ ৩টি, বিশেষ ভাবে ১টি দেয়া হয়েছে।
২নং ওয়ার্ডে কমলগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০:১০ মিনিটে মোট ১২৮২ ভোটাদের মধ্যে কাটিং হয়েছে ১৯৪টি, বুথ ৪টি।20151230_095754
৩নং ওয়ার্ডে কমলগঞ্জ গণমহাবিদ্যালয়ে কেন্দ্রে সকাল ১০টায় ১৫১৪টি ভোটারদের মধ্যে কাটিং হয়েছে ৪১০টি, বুথ ৫টি।
৪নং ওয়ার্ডে গোবর্ন্ধনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯:৪৪ মিনিটে ১০৫৫টি ভোটের মধ্যে কাটিং ১৮৭টি, বুথ ৩টা।
৫নং ওয়ার্ডে কমলগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০:৪৬ মিনিটে ১৪২৭ জন ভোটারদের মধ্যে কাটিং হয়েছে ৪০৪টি, বুথ ৪টি।
৬নং ওয়ার্ডে ভানুগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০:৫৩ মিনিটে ১৩৬৭টি ভোট এর মধ্যে কাটিং হয়েছে ৬৬৬টি, বুথ ৪টা।
৭নং ওয়ার্ডে কমলগঞ্জ সাবরেজিষ্ট্রি কেন্দ্রে বেলঅ ১১টায় ১৫২১টি ভোটের মধ্যে ৬০২টি কাটিং হয়েছে, মোট বুথ ৫টি।
৮নং ওয়ার্ডে সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১১:৩১মিনিটে ১৩৫৭টি ভোটের মধ্যে ৬০৩টি কাটিং হয়, মোট বুথ ৪টি।
এবং ৯নং ওয়ার্ডে রামপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১:১৫ মিনিটে ৯৮৮ জন ভোটারদের মধ্যে ৩৯৩টি ভোট কাটিং হয়েছে। বুথ ৩টি।
বিস্তারিত জানতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ : নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় সোয়া লাখ ফোর্স মাঠে

full_1331890327_1451325477নিউজ ডেস্ক ::

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দেশের নবম পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড ও আনসার মিলিয়ে প্রায় সোয়া লাখ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

ইসির উপ-সচিব সামসুল আলম জানান, নির্বাচনে ৪৫ হাজার পুলিশ, ৯ হাজার ৪১৫ জন বিজিবি ও ৮ হাজার ৪২৪ র‌্যাব সদস্য ও উপকূলীয় ছয় পৌরসভায় কোস্ট গার্ডের ২২৫ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া আনসার ও ভিডিপি ৪৯ হাজার ৭২৮ সদস্য এবং ৪ হাজার ৫১২ ব্যাটেলিয়ন আনসার নিয়োজিত থাকবে। সব মিলিয়ে এবারের পৌরসভা নির্বাচনে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০৪ জন ফোর্স মাঠে থাকছে। তাদের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।

র‌্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চারদিনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা নির্বাচনী এলাকায় স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে। আবার ভোটের দিন প্রতি ভোটকেন্দ্রে ১৯ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২০ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকছে।

এদিকে নির্বাচনী অপরাধ রোধ এবং শাস্তি প্রদানের জন্য ১ হাজার ২০৪ জন ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করছেন।

ইসির উপ-সচিব সামসুল আলমের দেওয়া ২৮ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ২০টি দল প্রার্থী দিয়েছে। এতে মেয়র পদে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী ৯৪৫ জন। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৮৫ জন।

দলের প্রার্থী
দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ১ জন, জাতীয় পার্টির ৬ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩৪ জন, বিএনপির ২২৩ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৮ জন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের ১ জন, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের ১ জন, জাতীয় পার্টির ৭৪ জন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ১ জন প্রার্থী মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ৪ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক-জাসদের ২১ জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক-বাসদের ১ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৭ জন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের ১ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫৭ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ৩ জন, বাংলাদেশর বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১ জন ও খেলাফত মজলিশের ১ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এদের মধ্যে ভোটের মাঠে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ৭ প্রার্থী থাকছেন না।

দীর্ঘ ছয় বছর পর এবার ভোট হচ্ছে নৌকা-ধানের শীষ প্রতীকে। ইতোমধ্যে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ভোটের লড়াই জমে উঠেছে। বিএনপিও ঘোষণা দিয়েছে হেরে গেলেও তারা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে না। এই অবস্থায় ইসির তথ্য থেকে জানা যায়, ২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ২২২টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী রয়েছে।

এছাড়া সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৪৮০ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮ হাজার ৭৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যার মধ্যে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৪০ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদেরও ভোটের প্রতিযোগীতায় থাকতে হচ্ছে না।

এ নির্বাচনের মোট ভোটার রয়েছেন ৭০ লাখ ৯৯ হাজার ১৪৪ জন। যেখানে পুরুষ ভোটার ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ২৮৪ জন এবং নারী ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬০ জন।

৩০ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৫৫৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৮৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচনে ৬৬ হাজার ৭৬৮ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণ করবেন।

মোবাইলে ভোটকেন্দ্র
নির্বাচনে ভোটাররা যাতে ঘরে বসেই ভোটকেন্দ্রের নাম জানতে পারেন, এজন্য মোবাইলেও ভোটকেন্দ্র জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। এক্ষেত্রে ভোটারকে তার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে পিসি লিখে স্পেস দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর লিখতে হবে। এরপর তা ১৬১০৩ নম্বরে মেসেজটি সেন্ড করে দিলেই ফিরতি মেসেজে ভোটারকে তার ভোটকেন্দ্রের নাম জানিয়ে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে একটি মোবাইল অপারেটর তার গ্রাহকদের মেসেজ দিয়ে বিষয়টি জানাচ্ছে। এক্ষেত্রে যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তাদের এনআইডি নম্বরের আগে জন্ম সাল লিখতে হবে।

ইসির সিস্টেম ম্যানেজার রফিকুল হক বাংলানিউজকে জানান, সবগুলো অপারেটর থেকেই নির্দিষ্ট চার্জ প্রদান সাপেক্ষে ভোটাররা এ সেবাটি পাবেন। এক্ষেত্রে তা কেবল ভোটের দিনই কার্যকর থাকবে।

স্বাধীনতার পরে দেশে আটবারের মতো পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রথম পৌর নির্বাচন হয়। এরপর ১৯৭৭ সালের ১৩ আগস্ট, ১৯৮৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালের ২৮ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আর ১৯৯৯ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পৌরসভা নির্বাচন হয়। এরপর ২০০৪ সালের ৫ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী ১১৫ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১১ সালের মার্চের তৎকালীন ৩০৯ পৌরসভার মধ্যে ২৬৯ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এবার ৩২৩ পৌরসভার মধ্যে ২৩৪টিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে এক দফায়। অবশিষ্টগুলোয় মেয়াদ শেষ হওয়া সাপেক্ষে ভোটগ্রহণ করবে ইসি।

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

বিনোদন রিপোর্ট ।।

২০১৫ প্রায় শেষ। আর তো কয়েকটা দিন। তারপরই আরও একটা নতুন বছর। তারপর সেই বছরটাকেই মানিয়ে নেওয়া। ২০১৬-র সঙ্গে অভ্যস্থ হয়ে যাওয়া। পুরোনো হয়ে যাওয়া সালটাকে একেবারে বিদায় জানানোর আগে একবার দেখেই নিন না, এ বছর কোন ১০ টা বলিউড ফিল্ম বক্স অফিসে সব থেকে বেশি টাকার ব্যাবসা করল।

১) বজরঙ্গী ভাইজান – (সালমান খান, কারিনা কাপুর, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি) – ৩২০ কোটি রুপি।

২) প্রেম রতন ধন পায়ো – (সালমান খান, নীল নীতীন মুকেশ, সোনম কাপুর) – ২০৭ কোটি রুপি।

৩) তানু ওয়েডস মানু রিটার্নস – (মাধবন, কঙ্গনা রানওয়াত) – ১৫২ কোটি রুপি।

৪) এবিসিডি টু – (বরুন ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, প্রভু দেবা) – ১০৫ কোটি রুপি।

৫) বেবি – (অক্ষয় কুমার, তাপসি পান্নু, অনুপম খের) – ৯৫ কোটি টাকা।

৬) ওয়েলকাম ব্যাক – (জন আব্রাহাম, নানা পাটেকর, অনিল কাপুর) – ৯৪ কোটি রুপি।

৭) সিং ইজ ব্লিং – (অক্ষয় কুমার, অ্যামি জ্যাকসন, কে কে মেনন) – ৯০ কোটি রুপি।

৮) গব্বর ইজ ব্যাক – (অক্ষয় কুমার, শ্রুতি হাসান) – ৮৬ কোটি রুপি।

৯) ব্রাদার্স – (অক্ষয় কুমার, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ) – ৮২ কোটি রুপি।

১০) পিকু – (অমিতাভ বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন, ইরফান খান) – ৭৯ কোটি রুপি।

– See more at: http://www.sahos24.com/2015/12/26/45451#sthash.ruR1bfGv.dpuf

সিলেটে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

সিলেট প্রতিনিধি :
সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের মোগলাবাজারে ট্রাক ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চার আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিনগত মধ্যরাতে মোগলাবাজার থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট অভিমুখে আসা একটি মিনি ট্রাক (মৌলভীবাজার ন-১১-০১০৮) ঘটনাস্থলে আসামাত্র প্রাইভেট কারের (ঢাকা মেট্রো গ-১১-১২১২) সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেট কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে নিহত হন প্রাইভেট কারের চার আরোহী।
খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- পূবালী ব্যাংকের বিয়ানীবাজার চারখাই শাখার কর্মকর্তা ধ্রুব জ্যোতি দাস (৩৬), মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার আদিল চৌধুরী (৩৪), সঞ্জিত দাশ (৩০) ও প্রকৃতি (৩২)।
সিলেট মহানগরীর মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ট্রাকটি জব্ধ করা হয়েছে।