সদ্য সংবাদ

পুরাতন সংবাদ: May 2019

কমলকুঁড়ি পত্রিকা ২৯ আগষ্ট ২০১৫

1

2

3

4

সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ট- কমলগঞ্জের ইউআরসি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

unnamed-190
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৫ উপলক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা রিসোর্ড সেন্টার প্রশিক্ষক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলা-জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট নির্বাচিত হয়ে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নিয়ে ৪টি জেলার মধ্যে শ্রেষ্ট নির্বাচিত হয়েছে। সম্প্রতি সিলেট প্রাথমিক অধিদপ্তর হতে তাকে শ্রেষ্ট হবার খবর জানানো হয়েছে। তিনি বিভাগীয়  শ্রেষ্ট নির্বাচিত হওয়ায় কমলগঞ্জের শিক্ষক সমাজ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মোহাম্মদ মোজাম্মেল  হক  ১৯৭৩ সালে  নরসিংদী জেলায় জন্ম গ্রহন করেন। বাবা অবসর প্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ। মা জরিনা আক্তার খাতুন গৃহিনী। ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম এস এস ডিগ্রী  অর্জন(১ম শ্রেনীতে ১ম), ২০০৫ সালে এশিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ হতে বিএড ডিগ্রী ও ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষা ও গবেষনা ইন্সটিটিউট হতে শিক্ষা প্রশাসনে এম.এড ডিগ্রী অর্জন (২য় শ্রেণীতে ১ম) করার পর ২০০০ সালে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করেন। চাকুরীতে যোগদান করে ইংলিশ অব একশন, বেটার হেল্থ বেটার এডুকেশন, টিচার সাপোর্ট নেটওর্য়াক ডথ লেসন ষ্টাডি, একাডেমীক তত্বাবধান, চাহিদা ভিত্তিক সাবক্লাস্টার, শারীরিক শিক্ষা, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা, বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষন লিডারশীপ, বুনিযাদি প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। ২০০৮ সালে তিনি কমলগঞ্জ উপজেলা রিসোর্ড সেন্টারের ইনসট্রাক্টর হিসাবে যোগদান করেন। কমলগঞ্জ রিসোর্ড সেন্টারে যোগদানের পর হতে  অত্র কমলগঞ্জের শিক্ষক/শিক্ষিকাদের পাঠ দক্ষতার ভুমিকা পালন করছেন। একজন দক্ষ প্রশিক্ষক হিসাবে কমলগঞ্জে সুনাম অর্জন করেছেন। মোজাম্মেল হক মাষ্টার ট্রেইনার হিসাবে শারীরিক শিক্ষা বিজ্ঞান ও বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করছেন। প্রতি মাসে দল গঠন বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষন প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে শত শত শিক্ষক প্রশিক্ষনগ্রহন করে বিদ্যালয়গুলোতে বাস্তবে কাজে লাগাচ্ছেন। ২০১৫ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ  উপলক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট প্রশিক্ষক মনোনীত হয়ে মৌলভীবাজার জেলা পর্যায়ে অংশ নিয়ে জেলার শ্রেষ্ট হিসাবে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেন। সিলেট  ৪ জেলার প্রশিক্ষকদের  মধ্যে কমলগঞ্জের রিসোর্ড সেন্টার কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ট নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি সিলেট বিভাগীয় অধিদপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৩ সালেও তিনি জেলার শ্রেষ্ট কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়ে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নিয়েছিলেন। মোজাম্মেল হকের এমন সাফল্যে কমলগঞ্জে শিক্ষক সমাজ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উচ্চ শিক্ষার্থে কমলগঞ্জ ইউএনও’র যুক্তরাজ্য গমন উপলক্ষে প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শুভেচ্ছা বিনিময়

11178187_746263955485356_2657816132372318589_n
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
উচ্চ শিক্ষার্থে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার যুক্তরাজ্য গমন উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব এর উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এম, এ, ওয়াহিদ রুলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংবর্ধিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজগর আলী, কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বদরুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা: হাবিবুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ইফতেখায়ের হোসেন ভূঞা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপিকা মঞ্জুশ্রী রায়, লেখক-গবেষক আহমদ সিরাজ, বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিন্হা, উপজেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি কবি সাইয়্যিদ ফখরুল, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, সাংবাদিক বিশ্বজিৎ রায়, সাপ্তাহিক কমলগঞ্জ কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক জুয়েল আহমদ, কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি পিন্টু দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক নুরুল মোহাইমিন মিল্টন, শাব্বির এলাহী, এম, এ, হামিদ, আসহাবুর ইসলাম শাওন, মাসিক চা মজদুর সম্পাদক সীতারাম বীন, উপজেলা স্কাউটস সম্পাদক মোশাহীদ আলী, প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, সুজিতা সিন্হা, সাজ্জাদুল হক স্বপন, মামুনুর রশীদ ভূইয়া, মণিপুরী নেতা শ্যাম কান্ত সিংহ, কবি সনাতন হামোম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছাসহ ইউএনও’র প্রতিকৃতি ও সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পরিবারের পক্ষ থেকে একটি ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত : আহত ১

কুলাউড়া সংবাদদাতা:

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাজাহান আলী (২৪) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ওই মোটরসাইকেলের চালক রিপন মিয়া (৩০)।

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ২টায় কুলাউড়া-জুড়ী সড়কের আসুরীঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের মহলাল গ্রামের পাখি মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া ও একই ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের অইর আলীর ছেলে সাজাহান আলী দুপুর ১ টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে বরমচাল থেকে বড়লেখা উপজেলায় যাচ্ছিলেন।

পথে আসুরীঘাট এলাকার কাছে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। এতে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে এবং দু’জনই মারাত্মক আঘাত পান।

এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কুলাউড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে সাজাহান আলী মারা যান। রিপন মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার অবস্থাও আশঙ্খাজনক।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মতিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বড়লেখায় ডায়াগনস্টি সেন্টারে সম্ভ্রম হারানো নারীর ইজ্জতের মূল্য ২৭ হাজার টাকা!

বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরের সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক্স-রে করাতে গিয়ে সম্ভ্রম হারিয়েছেন স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী। অতি গোপনে এক ইউপি সদস্য সমাজপতিদের নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে বিষয়টির সালিশ-মীমাংসা করেন। সম্ভ্রম হারানো নারীকে ইজ্জতের দাম দেন ২৭ হাজার টাকা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ঘটনাটি ঘটে গত ১৮ আগস্ট শহরের সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

এক সময় বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালেও পরবর্তীতে সমাজপতিদের তীব্র কঠোরতার কারণে আর আগ বাড়েনিন ওই নারী। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নারীর সম্ভ্রম হারানো আর সালিশ-মীমাংসার ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। নারীর সম্ভ্রমের দাম টাকায় পরিশোধ করে সালিশ-মীমাংসায় সমাজপতিরা ঘটনাটি নিষ্পত্তি করেন। চিকিৎসা নিতে গিয়ে নারীর সম্ভ্রম হারানোর ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ একাধিক সূত্র জানায়, শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের জন্ম দিয়ে আসছেন এই সেন্টারের পরিচালক (লাইসেন্সকৃত মূল পরিচালক আক্তার হোসেন চৌধুরী) ওলি আহমদ চৌধুরী।

কোনো ধরণের নিয়ম-নীতির তোয়াক্তা না করেই ডায়াগনস্টিক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তরুণীদের লোভ দেখিয়ে এই সেন্টারে চাকরি দিয়ে তাদের অনেকের শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়েছে। তবে লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই স্পর্শকাতর এসব বিষয়ে থানায় অভিযোগ কিংবা কাউকেই জানাননি। অনেকেই সেন্টার পরিচালক ওলি আহমদ চৌধুরীর নানা অপকর্মের শিকার হয়ে চাকরি ছেড়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষায় গলাকাটা ফি নিয়ে দেদারছে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে সি.এস. (জেলা সিভিল সার্জন) থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্পিডমানির মাধ্যমে ম্যানেজ করে। ইতোপূর্বে একাধিকবার এই সেন্টারের নিয়মবহির্ভুত পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালানোর অভিযোগে জনৈক রফিক উদ্দিন নামের এক ভুক্তভোগী সিভিল সার্জন বরাবরে অভিযোগ দিলেও কোনো ফল পাননি।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, সরকারি বিধি না মেনে প্যাথলজি এসিস্ট্যান্ট, ল্যাব টেকনিশিয়ান, রেডিওলজিস্ট, ইসিজি.র চিকিৎসকবিহীন উপজেলার সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিয়ে প্রতারণা করে আসছে। ভুক্তভোগীরা এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, গত ১৮ আগস্ট দুপুরে জেনারেল ও প্লাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা: আব্দুল মান্নান এর কাছে কোমরের ব্যথাজনিত কারণে দ্বারস্থ হন উপজেলার বিওসি কেছরীগুল (উত্তর ডিমাই) গ্রামের বাসিন্দা জরিনা (ছন্দনাম)  (৩৫)। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এলএস স্পাইন (লাম্বো মেকরাল স্পাইন) পরীক্ষার জন্য সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান ওই নারী। তিনি ল্যাবরেটরীতে গেলে ল্যাব টেকনিশয়ান হিসেবে কর্মরত গৌছ উদ্দিন (১৮) তাকে বলে এ ধরণের পরীক্ষার পূর্বে যৌন মিলন করে নিতে হয় বলে ফুসলিয়ে তার সম্ভ্রম লুট করে।

২১ আগস্ট সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে এক্স-রে রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে তিনি ঘটনাটি জানিয়ে বলেন এতো কঠিন পরীক্ষা তাকে কেনো দিলেন। চিকিৎসক ওই নারীর অভিযোগ শুনে সেন্টারের পরিচালক ওলি আহমদ চৌধুরীকে অবহিত করেন এবং মহিলাকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন। পরদিন ওই মহিলা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি তদন্ত করেন। মামলা না করতে চাপ প্রয়োগ করে সম্ভ্রমহানির বিষয়টি অত্যন্ত গোপন রেখে এলাকার ইউপি সদস্য সৈয়দ লুৎফুর রহমান সালিশ বৈঠক করে ঘটনাটি মীমাংসা করে দেন এবং সম্ভ্রম হারানো নারীকে তার সম্ভ্রমের দাম বাবদ লক্ষাধিক টাকা আদায় করলেও ওই নারীকে দু‘দফায় ২৭ হাজার টাকা দেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি। অভিযোগের ব্যাপারে সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অঘোষিত পরিচালক ওলি আহমদ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার না করলেও আমাদের নিজম্ব মহিলা টেকনিশিয়ান না থাকায় দায়িত্বরত গৌছ ওই মহিলার কাপড় নিজ হাতে খুলে ফেলেছিল। অভিযোগ জানার পর তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়েছি।

বিষয়টি সম্পর্কে ৬নং বড়লেখা ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ড সদস্য সৈয়দ লুৎফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি যেহেতু মীমাংসা হয়ে গেছে তাই এ বিষয়ে আর জানার দরকার কি?

এ বিষয়ে বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে লিখিত কিছু তিনিপাননি। মৌখিকভাবে শুনে এসআই কামালকে দিয়ে প্রাথমিকভাবে খোঁজখবর নিয়েছেন।

মৌলভীবাজারে বাস-সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৫ : ৮টি গাড়ি ভাঙচুর

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা::
মৌলভীবাজারে বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্সে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে। এই সংঘর্ষেও ঘটনা গতকাল শনিবার বিকাল ৪টায় চাঁদনীঘাট বাস ও সিএনজি স্ট্যান্টে ঘটে । এ সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা ৭টি অটোরিক্সা ও ১টি বাসে ভাংচুর চালায়। ঘটনা চলাকালে প্রায় এক ঘন্টা ঢাকা –বিয়ানিবাজার ভায়া মৌৗলভীবাজার সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে । পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল আনুমানিক ৪টায় গাড়ী পার্কিংকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় বিপুল সংখ্যক শ্রমিক লাঠি-সোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । এসময় উত্তেজিত বাস শ্রমিকরা ৭টি সিএনজি এবং সিএনজি শ্রমিকরা ১টি বাস ভাংচুর করে । উভয় পক্ষের ১৫ জন শ্রমিক আহত হয়। আহতদের মধ্যে লিটন মিয়া , তছলিম মিয়া (২২) ও বক্কর-(৩৮) এর অবস্থা গুরুতর বলে জানায় শ্রমিকরা ।

স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করেমৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সংঘর্ষ চলাকালে ঢাকা-বিয়ানিবাজার ভায়া মৌলভীবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের মৌলভীবাজার-কুলাউড়া অংশে যোগাযোগ প্রায় ১ ঘন্টা বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে অনেক চেষ্টা করে নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ ব্যাপারে জানতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ অপারেশন আব্দুস ছালেকের সাথে যোগযোগ করলে তিনি বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানান ।

পাঠান বীর খাজা উসমান ও উসমান গড় উপজেলা বাস্তবায়ন!

 

11911811_10205049636701301_254338221_n।।  নজরল ইসলাম ।।

 

মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে রোমান্টিক ব্যক্তিত্ব পটান বীর খাজা উসমান।পাঠান বীর খাজা উসমান যেখানে গড়ে তুলেছিলেন তার রাজধানী শহর আমরা তারই নামে সেখানে উসমান গড় উপজেলা করতে চাচ্ছি– যা হবে একটি ঐতিহাসিক নাম। পাঠান বীর খাজা উসমান ছিলেন আফগান দলপতি। উসমান ছিলেন বাংলায় মুগল আগ্রাসনের মোকাবেলায় আফগানদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রাণপুরুষ এবং বাংলায় মুগলদের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি ছিলেন খাজা ঈসার (ঈসা খান মিয়া খেল) পুত্র এবং উত্তর উড়িষ্যার অধিপতি কুতলু খান লোহানীর ভ্রাতুষ্পুত্র। কুতলু খান লোহানীর মৃত্যুর (১৫৯০) পর তাঁর ভাই ও মন্ত্রী ঈসা খান লোহানী কুতলু খানের নাবালক পুত্র নাসির লোহানীকে উড়িষ্যার মসনদে অধিষ্ঠিত করে মুগল সম্রাটের আনুগত্য স্বীকার করেন। কিন্তু ঈসা খান লোহানীর মৃত্যুর পর উড়িষ্যার আফগানরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে।

উড়িষ্যার মুগল সুবাদার রাজা মানসিংহ কঠোর হস্তে বিদ্রোহ দমন করেন (১৫৯৩)। আফগান দলপতিদের বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে মানসিংহ বিশিষ্ট আফগান নেতাদের উড়িষ্যার বাইরে বিভিন্ন অঞ্চলে জায়গির প্রদান করেন। খাজা উসমানকে বাংলার ফতেহাবাদ পরগণায় (বর্তমান ফরিদপুর অঞ্চল) জায়গির বন্দোবস্ত দেয়া হয়। উসমান সম্ভবত ছিলেন মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে রোমান্টিক ব্যক্তিত্ব। উড়িষ্যা থেকে বিতাড়িত হয়ে উসমান মুগল আগ্রাসনের মোকাবেলা করে বাংলায় স্বীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং এ অঞ্চলে আফগান শক্তির পুনরুজ্জীবন ঘটান। উসমান অমর হয়ে আছেন তাঁর ব্যক্তিগত শৌর্য, অকুতোভয় উদ্যম ও কর্মশক্তি, তেজস্বিতা, উদ্দেশ্য সাধনে নিষ্ঠা এবং সর্বোপরি তাঁর স্বাধীনতা প্রিয়তার জন্য। এসব গুণাবলিই তাঁকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছে ক্রমবর্ধমান মুগল শক্তির বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিরোধ যুদ্ধে। মুগলের আধিপত্য কোন দিন তিনি মেনে নেন নি, বরং স্বীয় স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার সংগ্রামে রণক্ষেত্রেই তিনি প্রাণ দিয়েছেন। খাজা উসমান সিলেটের দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় নতুন ভাবে তাঁর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। গড়ে তোলেন তাঁর সুরক্ষিত রাজধানী শহর। এই শহর টি ছিল বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পতন উষার ইউনিয়নের শ্রীসুর্য/ উসমান গড় নামক স্থানে। উসমান তাঁর পুত্র খাজা মুমরিজ ও ভাই খাজা মালহী কে নিকটবর্তী তরফ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত করেন। আমরা তারই নামে উসমান গড় উপজেলা বাস্তবায়নের পক্ষে কাজ করছি যা ঐতিহাসিক , উসমানগড় উপজেলা বাস্তবায়নের লক্ষে্ মৌলভীবাজার জেলা প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে একটি দীর্ঘ দিন ধরে আমরা পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদ,কামারচাক ইউনিয়ন পরিষদ ,টিলাগাও ইউনিয়ন পরিষদ ,হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ ,শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদ ও শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সংস্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের আপামর জনতা সম্মেলিত ভাবে সর্বাত্মক আন্দোলন করে আসছি ।শমসের নগর বাসী সব সময়ই উসমান গড়ের সহযোগী ছিল,যদিও এখন একটি মহল ইতিমধ্যে নিজেরা অযৌক্তিক ভাবে উসমান গড়ের প্রতিপক্ষ হয়ে একটি ঐতিহাসিক নামের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন । আমরা উসমানগড় উপজেলার জন্য সেই ১৯৮৫ থেকে অদ্যবধি রাজপথে আছি এবং শেষ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ঐতিহাসিক উসমান গড়ে উপজেলা বাস্তবায়নের জন্য একটি গটন মূলক দূর্বার আন্দুলনের জন্য বদ্ধ পরিকর । জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক উছমানগড় নামক স্থানে উছমান গড় উপজেলা বাস্তবায়নের দাবিতে সভা সমাবেশ মানববন্দন কর্মসূচী চলছে । পাঠানবীর খাজা উছমানের স্মৃতি বিজড়িত পতনউষার ইউনিয়নের ঐ ঐতিহাসিক স্থান উছমানগড়ে নতুন উপজেলা স্থাপনের দাবি সুদীর্ঘকালের। সরকারের বিপুল পরিমাণ খাসজমিতে উঁচু-নিচু টিলা পরিবেষ্টিত প্রস্তাবিত কামারচাক,পতনউষার,টিলাগাও, হাজীপুর, শরীফপুর ও শমশেরনগর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই স্থানে ‘উছমানগড় উপজেলা’ নাম ধারন করে নতুন উপজেলা বাস্তবায়ন হলে স্বার্থ সংস্লিষ্ট ইউনিয়ন এলাকার উন্নয়ন ত্বরাম্বিত হবে যা বলার উপেক্ষা রাখে না । তাই আমি মনে করি উসমান গড় নামক স্থানে উছমানগড় উপজেলা বাস্তাবায়ন ও কার্যক্রম শুরু যুক্তিযুক্ত ও একটি ঐতিহাসিক স্বাক্ষর। আসুন সবাই মিলে এ দাবীর প্রতি একাত্ততা প্রকাশ করি।

 

(লেখক : নজরল ইসলাম (প্রবাসী ) ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসেস লন্ডন। মেম্বার দি ন্যাশনাল অটিস্টিক সোসাইটি ইউনাইটেড কিংডম।)

 

 

 

 

প্রকাশিত প্রতিবেদনটি লেখকের নিজস্ব মতামত । (মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন)

রহিমপুরের আতুরেরঘর বাজারে প্রিন্স হেয়ার ড্রেসার এর শুভ উদ্বোধন

kkk
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউপি আতুরেরঘর বাজারে শুক্রবার ২৭ আগষ্ট রাতে হাজী আব্দুল জব্বার মার্কেটে অবস্থিত প্রিন্স হেয়ার ড্রেসার এর ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন রহিমপুর ইউপি (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ বদরুল। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাজী আব্দুল জব্বার মার্কেটের সত্ত্বাধিকারী মো: আব্দুল হান্নান, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: জাকির হোসেন, সাধারন সম্পাদক জাবেদ আহমদ, তরুন সমাজসেবক মো. মদরিছ মিয়া, নিখিল মালাকার, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক প্রদীপ মালাকার প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি

কমলগঞ্জে “ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ মৈত্রী সেতু”র শুভ উদ্বোধন ।। আওয়ামীলীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে –উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি

Pic---Brige
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে চলেছে। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের দুর্দশা লাগবে বদ্ধ পরিকর। দেশের মানুষের কথা বিবেচনা সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহন করেছে। ইতিমধ্যে অনেক কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সব শ্রেনীপেশার মানুষের বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য ক্রমান্বয়ে সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত করবে বর্তমান সরকার। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। যারা উন্নয়নের নামে বাধা সৃষ্টি করে তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করতে হবে। তিনি শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক ২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ-মুন্সীবাজার ভায়া চৈতন্যগঞ্জ সড়কে ধলাই নদীর উপর নবনির্মিত “ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ মৈত্রী সেতু”র শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।Pic-MP
মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদারের সভাপতিত্বে ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম. মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সিদ্দেক আলী, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী কিরণ চন্দ্র দেবনাথ, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আছলম ইকবাল মিলন, মো. আব্দুল হান্নান, ছবুর মিয়া, বদরুল আলম জেনার, উপজেলা যুবলীগ সম্পাদক মো. মোশাহীদ আলী, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সানোয়ার হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আওয়ামীলীগ সরকারের লক্ষ্য। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে জায়গা জমির মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি মানুষের জীবন মানের উন্নতি ঘটছে। শেখ হাসিনার সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন এদেশের শিক্ষা, যোগাযোগ ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। বর্তমান সরকার যোগাযোগ অবকাঠামো উনয়নের লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেলা থেকে থানা পর্যায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রহিমপুরে সুষম সার উদ্বুদ্ধকরণ প্রকল্পের মাঠ দিবস পালিত

আর কে সোমেন ।।
কানাডিয়ান পটাশ, কৃষকদের বন্ধু, ফসলের বন্ধু এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ক্যানপোটেক্স লি: কানাডা ও ড্রাগন ফার্টিলাইজার বাংলাদেশ লি: আয়োজনে সুষম সার উদ্বুদ্ধকরণ প্রকল্পের মাঠ দিবস পালিত হয়েছে।

Pic- kalam
শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) বিকাল ৩টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে রহিমপুর ইউপি (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল এর সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলার উপ-পরিচালক মো: আব্দুল কালাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, এসআরডিআই প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তৈয়বুর রহমান, ড্রাগন ফার্টিলাইজার এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক তৈমুর হোসেন। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রনধীর সিনহার উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামছুউদ্দিন আহমদ, মৌলভীবাজার সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী লুৎফুন বারী, ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, বাংলাদেশ বেতার প্রতিনিধি আরকে সোমেন, ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ খান, গৌরাঙ্গ মালাকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, বিজয় পাল চৌধুরী, নন্দ কুমার সিংহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজারের উপ-পরিচালক মো: আব্দুল কালাম চৌধুরী বলেন, মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে সুষম সার জমিতে ব্যবহার করতে হবে। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করতে হবে। না হলে ভালো সফল উৎপাদন করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন জাতের বীজ গবেষণার মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়েছে। এ ফসল চাষাবাদ করে কৃষকরা লাভবান হবেন, তেমনি দেশ এগিয়ে যাবে, মাটিও সুরক্ষা থাকবে। আপনারা সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে ফসল উৎপাদন করুন। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে তা জানা যাবে অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার মাধ্যমে জানা যাবে।