সদ্য সংবাদ

টু মাডারের আসল ঘটনা উদঘাটন হয়নি, আতংকে শহরবাসী!

 
 
 
 

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারে অভ্যন্তরিন কোন্দলের কারনে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা । এ নিয়ে শহরের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শহরবাসীদের কাছ থেকে জানা যায়, তাদের সন্তানদের স্কুল কলেজে পাঠাতেও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। জনমনে  প্রশ্ন বিরাজ করছে পর্যটন শহর ও শান্তির শহর মৌলভীবাজার কেন হঠাৎ করে এত অশান্তি?
এদিকে গতকাল রাতে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ  ছয়জনের ছবি-সহ নাম প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় ক্যাবল সিস্টেমে তা প্রচার করা হয়। আসামিদের ধরিয়ে দিলে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরুস্কৃত করা হবে এবং তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।
আজ রবিবার  ভোর রাতে সদর উপজেলা পৃথক স্থান থেকে ফতেহপুর গ্রামের আনকার মিয়ার ছেলে জামিল ও কুলাউড়া উপজেলার পাবই গ্রামের কৌশিক দাসের ছেলে কনক, কে আটক করেছে পুলিশ।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুহেল আহম্মদ মুঠোফোনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর থেকে আল-জামিল ও কুলাউড়া থেকে কনক দাসকে আটক করা হয়েছে। এর আগে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রুবেল নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৩০মিনিটে  মৌলভীবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাসের সামনে অভ্যন্তরিন কোন্দলের কারনে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা  হত্যা করে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে (১০ডিসেম্বর) মৌলভীবাজার মডেল থানা প্রেসকনফারেন্স করে।  এতে উল্লেখ্য করে ১২ জনের নাম প্রকাশ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ০৭/০৯/১২ আসামিদের নাম, ১, আনিসুল ইসলাম চৌধুরী তুষার(২৭), ২, আরাফাত রহমান(২১) ৩, সৈয়দ সৌমিক (২২) ৪, আশরাফুল ইসলাম মাহদী(২০) ৫, জামিল(১৮) ৬, সনি হায়দার(২০) ৭, রুবেল মিয়া(২০) ৮, কনক মিয়া(১৮) ৯, প্রতীক হাসান(২০) ১০, হৃদয় আহমদ(২১) ১১, তানিম হাসান(২০) ১২, ফাহিম মুন্তাছির(২০) এড়াছাও ৬/৭ জনের নাম অজ্ঞাত রয়েছে।
অভ্যন্তরিন কোন্দলের কারনে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা, তবে যে আসামীদের ধরা হয়েছে এবং সনাক্ত করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও লোকমুখে শুনা যাচ্ছে তারা সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মী।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান রনির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, গত ৭ তারিখ যে অনাক্ষাংক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তা অতান্ত দুঃখজনক ও মর্মাহত। কে বা কারা এর সাথে জড়িত সে যেই দলেরই হউক না কেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের বিচারের আওতায় আনা হউক। সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। কিন্তু পুলিশের তদন্তে একের পর এক বেড়িয়ে আসছে নতুন নতুন ঘটনার বহিঃপ্রকাশ।
নিহদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, যে বয়সে ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করবে তাদেরকে রাজনীতিতে কারা ভিরায় আগে তাদের শাস্তি হউক কেন অকালে ঝরে যায় কোমলমতি প্রাণগুলো যারা আমাদের ভবিষৎ কান্ডারী । আর কত মায়ের কুল খালি হলে রাজনীতি শান্তি পাবে?