সদ্য সংবাদ

কমলগঞ্জে বনায়ন সমিতির সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা : ২ জনের নাম উল্লেখ করে নিহতের বাবার মামলা

20
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
সামাজিক বনায়নের গাছ বাঁচাতে গিয়ে শুক্রবার বিকালে প্রাণ যায়  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের কাউয়ারগলা গ্রামের সামাজিক বনায়ন সদস্য সুরুজ মিয়া (৪২)-র। এ ঘটনায় তার বাবা লাল মিয়া বাদি হয়ে শনিবার ২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত সুরুজ মিয়ার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় কাউয়ারগলা গ্রামে জানাযার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। প্রাকৃতিক দূর্যোগ উপেক্ষা করে জানাযায় শরীক হন কমলগঞ্জ থানার ওসি মো: বদরুল হাসান, আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আবদাল হোসেনসহ শত শত মুসল্লী।
কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক বনায়নের গাছ চুরি প্রতিরোধ করতে গিয়ে গাছচোর চক্র কূপিয়ে হত্যা করে কাউয়ারগলা গ্রামের ফরেষ্ট ভিলেজার লাল মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া। এ ঘটনায় নিহতের বাবা লাল মিয়া বাদি হয়ে শনিবার কমলগঞ্জ থানায় ২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আদমপুর ইউনিয়নের পূর্ব জালালপুর গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে আহাদ মিয়া (২৮) ও একই ইউনিয়নের আধকানি গ্রামের সফর আলীর ছেলে আজমত আলী (২৬)কে আসামী করা হয়। তাছাড়া মামলায় আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করা হয়।
মামলার বাদি লাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আসামী আহাদ ও আজমত চিহ্নিত গাছ চোর। এ চক্রই শুক্রবার বিকালে তার ছেলে সুরুজ মিয়াকে কূপিয়ে হত্যা করে। তাই এই দুই জনের নাম উল্লেখসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করেন তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কমলগঞ্জ থানার এসআই চম্পক ধাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে মামলার ১নং আসামী আহাদ মিয়ার বাড়ি ও বাড়ির পিছনের ধানী জমিতে ঝেপ দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় আকাশমনিসহ নানা জাতের অনুমান ৭৫ ঘনফুট চোরাই কাঁঠ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, এ মামলায় জোর তদন্ত চলছে। আসামীদেরর গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।