সদ্য সংবাদ

সন্তানের ভালোর জন্য এই ডিভোর্সের বিপক্ষে আমি : অপু

বিনোদন ডেস্ক :

 images-1

অবশেষে গণমাধ্যমের সাথে ডিভোর্সের বিষয়ে কথা বলেছেন অপু বিশ্বাস। তালাক নোটিশ পেয়েছেন জানিয়ে অপু বলেন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তিনি। এছাড়া শাকিবের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। তবে ডিভোর্স নোটিশের ব্যাপারে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানালেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা।

৪ ডিসেম্বর অপু বিশ্বাসের বাসায় তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন চিত্র নায়ক শাকিব খান। এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই মূল ঘটনা জানতে উৎসুক হয়ে পড়ে গোটা দেশ। আর সেকারণেই মুঠোফোনে অপুকে পাওয়া না গেলে তার বাসায় সামনেই অপেক্ষা শুরু করেন সংবাদকর্মীরা। কিন্তু মুঠো ফোন কিংবা সামনাসামনি, কোনভাবেই পাওয়া যাচ্ছিলো না শতাধিক জনপ্রিয় সিনেমার নায়িকা অপু বিশ্বাসের কোন বক্তব্য।

সবশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা বলেন তিনি। জানান সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হলেও এখনো এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তার অবস্থান।

মুঠোফোনে দেয়া বক্তব্যে অপু বলেন, ‘আমার সন্তানের ভালোর জন্য, তার ভবিষ্যতের জন্য আমি সবসময় এইসবের বিপক্ষে। এটার (ডিভোর্স) নামটাও উচ্চারণ করতে আমার খারাপ লাগে; কেন এটা বলবো। আজকে আমার সন্তান হয়ে গেছে। যেখানে আট বছর লুকিয়ে সংসার করার মত সৌভাগ্য আমার হয়েছে, তাহলে কতবড় ভুলের সম্মুখিন যে আমি সেখানে সন্তান নিয়ে কেন আমি সংসার করতে পারবো না?’

এদিকে তালাক নোটিশে, সন্তানকে কাজের মেয়ের কাছে বাসায় তালাবদ্ধ রেখে কথিত বয়ফ্রেন্ডের সাথে ভারত যাওয়ার অভিযোগ করেছেন শাকিব খান। যা পুরোপুরি অস্বীকার করেন অপু বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু পেপার্স নিয়েই ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। এখন পেপার্স নিয়ে শাকিব যে কথাটা তুলছেন, সেই পেপার্স অবশ্যইু আমি দেখাবো। যেহেতু এটা নিজেদের ভেতরের ব্যাপার, আমি খুবই লজ্জা বোধ করছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি যেহেতু আমাকে বাধ্য করছে, আমি অবশ্যই পেপার্স দেখাবো। আমার ডাক্তারের সঙ্গে যদি কেউ কথা বলতে চায়, আমি সেই ডাক্তারের নাম্বারও দেয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব।’

২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করেন আলোচনার শীর্ষে থাকা এই তারকা-জুটি। নয় বছর পর তাদের সন্তান আব্রাহামকে নিয়ে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অপু বিশ্বাস লাইভে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।