সদ্য সংবাদ

বিভাগ: সিলেট বিভাগ

পাল্কিছড়া চা বাগানে সামগ্রী বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

DSC_0295
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পাল্কিছড়া চা বাগানের ৭৩ জন মেয়েকে “মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা” সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। শুক্রবার ( ১৬ নভেম্বর) সকালে জাগরণ যুব ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় স্যানিটারি ন্যাপকিন ও সহায়ক সামগ্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাগরণ যুব ফোরামের সভাপতি মোহন রবিদাস, পাল্কিছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির অর্থ সম্পাদক কালিচরন দাস, সমাজ সেবক নারায়ন অলমিক, স্থানীয় সংগঠন রশ্মি সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি নিপেন নায়েক, বিজয় কুমার ভর, রাজু বাউরী, রনজিত রবিদাস, রাজকুমার রবিদাস।
মেয়েদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সুমি পিরেগু, রিতা সাহা, শিপা রবিদাস, অষ্টমী গোয়ালা, শিপা রবিদাস, রিতা সাহা, লাভলী শীল, আরতি শীল প্রমুখ।
জাগরণ যুব ফোরামের সভাপতি মোহন রবিদাস বলেন, পাল্কিছড়া চা বাগানের মতো সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা দেশের প্রতিটি চা বাগানে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও সহায়ক সামগ্রী প্রদান করবো।

কমলগঞ্জে কমিউনিটি মতবিনিময় সভা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

CSM Potonusa 1 (3)

বাংলাদেশে গ্রাাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের কমলগঞ্জ উপজেলার নং পতনউষার ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে “কমিউনিটি মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়।

পতনঊষার ইউপি চেয়ারমান ইঞ্জিনিনিয়ার তওফিক আহমেদ বাবুর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের কমলগঞ্জ উপজেলার উপজেলা সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট এর কর্মকর্তা ক. আহম্মদ কয়েছ (রাসেল) এর গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (২০১৩ সালে সংশোধিত) উপস্থাপন করা হয়। সভায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা আলাচনায় অংশ নেন। চেয়ারম্যান গত এক বছরের মামলার হিসাব উপস্থাপন করেন। সভায় ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য সহ এলাকার শিক্ষক ইমাম সহ মান্যগন্য স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন ইউনিয়নের আদালত সহকারী পিংকু দেবনাথ।

শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকারী ও বখাটেদের দৌরাত্ব, অসহায় যাত্রীরা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-1
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত রেলওয়ে স্টেশন শমশেরনগর। সকল প্রকার মেইল ট্রেনসহ বেশ কয়েকটি আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ থাকায় এখানে যাত্রী উঠা নামা হয় বেশী। যাত্রী উটা নামার ব্যস্তায়র সুযোগে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকারী ও বখাটেদের দৌরাত্ব বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ট্রেন যাত্রীরা অসহায়ত্ব বোধ করছেন।
বিভিন্নভাবে ট্রেন যাত্রীদের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অভিযোগ শুনে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে যাত্রী, রেল কর্মচারী ও স্টেশন প্লাট ফরমের দোকানীদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় কয়েকটি বখাটে যুবক  সন্ধ্যার পর থেকে ভোর রাত পর্যন্ত উভয় দিকে চলাচলকারী মেইল ট্রেন ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রীদের মুঠোফোন, স্বর্ণালঙ্কার, বেগ ইত্যাদি ছিনতাই করে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শী ফয়জু মিয়া জানান, গত ২৫ অক্টোবর ভোর রাত ৪টার সময় চট্রগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন এ স্টেশন ত্যাগ করার মুহূর্তে  বগির জানালা দিয়ে স্থানীয় এক বখাটে এক নারী যাত্রীর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায়। বখাটে যুবক কিছুটা প্রভাবশালী বলে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে দাপটের সাথে হেটে স্টেশন ত্যাগ করে। ভয়ে কেই প্রতিবাদ করার বা তার সাথে কথা বলারও সাহস পায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রেল কর্মচারী জানান, সুমন (১), জুয়েল, রাজু ও সুমন (২)-এর নেতৃত্বে একদল বখাটে যুবক সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১টা পর্যন্ত চলাচলকারী মেইল ও আন্তনগর ট্রেনে সুযোগ বুঝে জানালা দিয়ে যাত্রীদের বিশেষ করে জানালার পাশের আসনের নারী যাত্রীদের গলার স্বর্ণের চেইন, মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়। বখাটেরা প্লাটফরমের শেষ প্রান্থের বগি লক্ষ্য করে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকে। ট্রেনটি স্টেশন ত্যাগ করার সময় ধীর গতিতে চলতে শুরু করার সময় তারা ছিনতাই করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে থাকে। আবার ভোর রাত ৩টায় ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখী উপবন এক্সপ্রেস ও পরে রাত ৪টায় চট্রগ্রাম থেকে সিলেট অভিমুখী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
দুরবর্তী স্থানের নারী যাত্রীরা রাতে ট্রেন থেকে নেমে স্টেশনের বিশ্রামাগারে অপেক্ষা করতে থাকলেও এসব বখাটেদের দ্বারা নানাভাবে নাজেহাল হয়ে থাকেন।  আবার দিনে ও রাতে বখাটেরা অবাদে স্টেশন প্লাট ফরমের উপর দিয়ে দ্রুত  গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে ট্রেন যাত্রীরা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।  এসব ঘটনা স্থানীয় স্টেশন মাস্টারসহ রেল কর্মচারীরা জানলেও বখাটেদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন না। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেল কর্মচারী বলেন, উল্লেখিত বখাটেদের বাবারা নানা অপকর্মের সাথে যুক্ত। বখাটেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে শেষে স্টেশন কর্তৃপক্ষকে নাজেহাল হওয়ার ভয়ে তারা কিছু বলেন না।
শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন, রাতের ও ভোর রাতের ট্রেন এ স্টেশনে দাঁড়িয়ে আবার ত্যাগ করার সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে বলে বিচ্ছিন্নভাবে তিনি শুনেছেন। তবে কেউ সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ দেয়নি। তার পরও তিনি তাদের সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিতও করেছেন। তিনি আরও বলেন ষ্টেশন প্লাটফরমের দুই প্রান্থের শেষ দিকে তেমন কোন বাতির ব্যবস্থা নেই। সেখানকার ট্রেন বগিতেই এসব ঘটনা ঘটে।
রেলওয়ে পুলিশ শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলিম উদ্দীন বলেন, তিনি সদ্য এখানে যোগদান করেছেন। শমশেরনগর স্টেশনে এ ধরনের ঘটনা ঘটে তা তিনি জানেন না। বা কোন যাত্রী অভিযোগও করেনি। তার পরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলেও তিনি জানান।

বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

images

বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় সূচনা বক্তব্যেই প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

পরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার গণভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে বর্তমানে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়াও পৌর মেয়ররাও ছিলেন। কিন্তু শুরুতেই শেখ হাসিনা জানিয়ে দেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিতরা নৌকার টিকিট পাচ্ছেন না আগামী নির্বাচনে।

তিনি বলেন, এটা আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত। আমরা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছি, আমরা পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী দিয়েছি, সিটি করপোরেশনেও মেয়র প্রার্থী দিয়েছি। এছাড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনেও আমরা প্রার্থী দিয়েছি। আমরা তাদের জিতিয়েও এনেছি। কাজেই তারা তো অলরেডি পদ পেয়ে গেছেন। তাদের তো পাওয়ার দরকার নেই। বরং যারা এখনও পদ পাননি, তাদের মধ্য থেকে আমরা সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন দেবো।

তিনি বলেন, একটি কথা নেত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যারা জেলা পরিষদ, উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন, তারা তো একটি পদে আছেনই। যদি তারা এখন কেউ এমপিও হতে চান, তাহলে ওই পদ খালি করে এমপি হতে হবে। এটা একটা ঝুঁকি। এই ঝুঁকিটা আমরা কেন মাঝপথে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নেব?

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের অনেক নেতা আছেন, যাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, অনেক জেল-জুলুমের মুখে পড়তে হয়েছে। তাদেরও কিছু প্রাপ্য রয়েছে। আপনারা যারা পদে আছেন, তারা তো কিছু একটা পেয়েছেন। কিন্তু যারা পাননি, আমরা তাদেরকে প্রোভাইড করব। এ কথাটি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যারা আছেন, তারা যেন এখানে আর আশা না করেন (সংসদ সদস্য পদে দলীয় মনোনয়ন)। তারপরও বিশেষ কোনো প্রয়োজনে যদি কাউকে দিতে হয়, সেটা পরিস্থিতি বলে দেবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে দলের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে বসা হবে। তখন দেখা যাবে কোথায় কী পরিস্থিতি দাঁড়ায়। তবে আমাদের সাধারণ যে সিদ্ধান্ত, আমরা জেলা বা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার মেয়র যারা আছেন, তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারা এখানে মনোনয়ন চাইবেন না এবং তারা মনোনয়ন চাইলেও আমরা তাদের দেবো না। এই কথা আমরা তাদের জানিয়ে দিয়েছি।

সুত্র- সংগ্রহ

মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে প্রায় ২ ডজন আওয়ামীলীগ নেতার মনোনয়ন সংগ্রহ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

11-Copy2
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনে প্রায় ২ ডজন নেতা আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়ন সংগ্রহকারী নেতারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশাও প্রকাশ করছেন।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) বর্তমান সংসদ সদস্য ও হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন।

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন, সৈয়দ বজলুল করিম, শফিউল আলম নাদেল, অধ্যক্ষ এ.কে.এম শফি আহমদ সলমান, ডা. রুকন উদ্দিন, সাংবাদিক  কামাল হাসান, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আ.স.ম. কামরুল ইসলাম, আলী ওয়াজেদ খান বাবু, রফিকুল ইসলাম (রেনু মিয়া)।

মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর) বর্তমান সংসদ সদস্য সৈয়দা সায়রা মহসীন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, শিল্পপতি এম.এ.রহিম (সি.আই.পি), স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্থ, ভিপি আব্দুল আব্দুল মালেক তরফদার শোয়েব, সাইফুর রহমান বাবুল।

মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল) বর্তমান সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্য ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট পি.পি এস এম আজাদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক।

দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ নিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের একাধকি নেতা জানিয়েছেন, উত্তোলন ও জমাদানের সময় থাকায় অনেকেই মনোনয়নপত্র এখন সংগ্রন করছেন। তাই জেলায় এখন পর্যন্ত একটি আসনে কতজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন তা নির্দিষ্ট করে তারা কিছু বলতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের ছবি দেখেই তারাও সবার মত নিশ্চিত হচ্ছেন।

মনোনয়ন সংগ্রকারী অনেকেই এ প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকেই মনোনয়ন দিবেন তাঁর পক্ষে কাজ করবেন।

কমলগঞ্জে গরুর শিম গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রীকে মারধর ॥ থানায় লিখিত অভিযোগ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

3
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নে গরু শিম গাছ খাওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করায় এক কলেজ ছাত্রীকে মারধর করেছে প্রতিপক্ষ। আহত কলেজ ছাত্রী কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) রাতে ছাত্রীর মা ৫ জনকে আসামীকে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত আবেদন করেছেন। গত মঙ্গলবার দুপুরে আদমপুর ইউনিয়নের আধকানি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।     আহত কলেজ ছাত্রী আধকানী গ্রামের আব্দুল হকের মেয়ে রিমা আক্তার (১৭)। সে কমলগঞ্জে আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কলেজ ছাত্রী এ প্রতিনিধিকে জানায়, প্রায় দুই বছর আগে তাদের একটি গরু চুরি নিয়ে প্রতিবেশী রেজান মিয়া ও তার ভাই রজব আলীর পরিবারের সাথে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে একবার সালিশ বিচারও হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রেজান মিয়াদের একটি গরু তাদের(রিমাদের) বাড়ির একটি শিম গাছ খেয়ে ফেলে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে রেজান মিয়া, তার ছেলে রুবেল মিয়া (২৫), রেজান মিয়ার ভাই রজব আলীর ছেলে রনি মিয়া (২০), রকি মিয়া (১৮) ও মেয়ে নাজমিন (২২) এসে অতর্কিতে এসে তাকে (রিমাকে) মারধর করে। পরে পরিবার সদস্যরা রিমাকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার রাতেই রিমা আক্তারের মা জয়গুন বেগম বাদি হয়ে ৫জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, গরু বাড়ির শিম গাছ খেয়েছিল বলে রিমা মারমুখী হয়ে এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষ হারকাভাবে রিমাকে মারধর করেছে। বিষয়টি তিনি সালিশ বিচারে দেখে দিবেন বলেছিলেন। তার পরও রিমাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে রাতেই থানায় অভিযোগ করলে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।
আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন মারধরে ছাত্রী আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাঁকে জানিয়েই সে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। অভিযুক্ত রেজান মিয়া অভিযোগটি সঠিক নয় দাবি করে বলেন, শিম গাছ নিয়ে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিমা আক্তার এ অভিযোগ করেছে। আসলে এখানে মারধরের কোন ঘটনাও ঘটেনি। তিনি আরও বলেন বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান সামাজিকভাবে দেখে দেবার কথা বললেও কোন একটি মহলের প্ররোচনায় ছাত্রীটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে পরে তার মা থানায় মিত্যে অভিযোগ করেছেন।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান অভিযোগ গ্রহনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি একজন উপ-পরিদর্শক তদন্ত করে দেখছেন।

কমলগঞ্জের কুমড়াকাপন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic-02
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিল বুধবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পৌর কাউন্সিলর মো: আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক মনজুর আহমদ আজাদ মান্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট বিভাগের সাবেক শ্রেষ্ঠ এসএমসি সভাপতি মো: সানোয়ার হোসেন, উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোশাহীদ আলী, কমলগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী সালাহ উদ্দিন, এশিয়ান এইজ প্রতিনিধি মো: মোনায়েম খান প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা মাহমুদ। অনুষ্ঠানে এসএমসির সদস্য ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক, অতিথি, অভিভাবকবৃন্দ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সবশেষে এসএমসি’র সৌজন্যে পরীক্ষা উপকরণ প্রদান ও শিক্ষার্থীদের মিড ডে প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হককে ফুল দিয়ে বরণ ও ক্রেষ্ট তুলে দেন এসএমসি ও শিক্ষকবৃন্দ।

কমলগঞ্জে ইউএনওর অভিযানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লাগানো বিলবোর্ড ও তোরণ অপসারণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

3
আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও সুন্দর রাখার লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-র নেতৃত্বে বিলবোর্ড  ও তোরণ অপসারণ অভিযান পরিচালিত হয়। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকা ও কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজার থেকে বিলবোর্ড ও তোরণ অপসারণ করা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশেকুল হকের নেতৃত্বে  প্রথমে অভিযানে উপজেলা চৌমুহনার বিভিন্ন সড়ক ধারের বৈদ্যুতিক খুঁটি, দালান কোটাসহ বিবিন্ন স্থানে টাঙানো বিলবোর্ডগুলি অপসারণ করা হয়। পরে কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজার থেকে বিলবোর্ড ও তোরণ অফসারণ করা হয়।
গত ঈদুল আজহা ও শারদীয় দুর্গাপূজার সময় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অংগ সংগঠন ও বিএনপি নেতার শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের ও তাদের প্রিয় নেতার ছবিসহ বিলবোর্ড লাগিয়েছিল। এমনকি সড়কের গুরত্বপূর্ণ স্থানেও বড় আকারের তোরণ স্থাপণ করা হয়েছিল। একই সাথে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে ও পৌরসভায় আগামীতে নির্বাচনে অংশ গ্রহনের প্রত্যাশীরা তাদের প্রিয় নেতার ছবিসহ বিলবোর্ড লাগিয়েছিলেন। এমনকি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাদের ছবিসহ  শুভেচ্ছা জানিয়ে স্থানীয় নেতারা বিলবোর্ড লাগিয়ে লাগিয়েছিলেন। এসব বিলবোর্ড ও তোরণ অপসারণ করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশেকুল হক বিলবোর্ড ও তোরণ অপসারণের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হয়েছিল নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার পর যারা বিলবোর্ড লাগিয়েছিলেন ও তোরণ স্থাপণ করেছিলেন তারাই নিজ উদ্যোগ তা অপসারণ করবেন। তবে নিজ উদ্যোগে বিলবোর্ড ও তোরণ অপসারণ না করায় বুধবার সকালে প্রশাসনিকভাবে কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনা এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও ভানুগাছ বাজারের বিভিন্ন সড়ক থেকে তা অপসারণ করা হয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জের গুরত্বপূর্ণ জনপদ শমশেরনগর থেকে বিলবোর্ড অপসারণ করা হবে।

কমলগঞ্জে জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের টিকাদান সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic-4
২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে ব্যাপহকারে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচী (এমপিভি) সম্পর্কে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইয়াহিয়ার সভাপতিত্বে ও আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার (লিলি), উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হাই, মেডিক্যাল অফিসার মুন্না সিনহা। আলোচনার শুরুতেই জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের টিকাদান সম্পর্কে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে আগত প্রতিনিধি মিল্লাতুর রহমান।
আলোচনায় জানানো হয় এ উপজেলার একটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়নে জলাতঙ্ক নির্মূলে আগামী বৃহস্পতিবার নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে কমলগঞ্জ পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে বিশেষ ব্যবস্থায় রাস্তার কুকুর ধরে প্রতিষেধক টিকা দিয়ে সেই কুকুরগুলিকে চিহ্নিতকরনের জন্য গলায় বেল্ট পরিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে একটি কুকুরকে তিন বছরে ৩টি টিকা দেওয়া হবে। আর কুকুমের কামড় আক্রান্তদেরও প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হবে। অবহিতকরণ সভায় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ ২২ জন অংশ গ্রহন করেন।

কমলগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে তিন দোকানে জরিমানা আদায়

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic
বাণিজ্য মন্ত্রনালয়াধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমিন এর নেতৃত্বে মঙ্গলবার কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারিতে খাদ্য তৈরি করা, যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স সংগ্রহ না করা, নিজেরা অতিরিক্ত দাম লেখে বিদেশী প্রসাধনী বিক্রি করাসহ বিভিন্ন অপরাধে বনলতা বেকারিকে ৬ হাজার টাকা, মেসার্স বখতিয়ার ভেরাইটিজ স্টোরকে ২ হাজার টাকা, জুয়েল গিফট সেন্টারকে ৫ শত টাকাসহ মোট ৮ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা আরোপ ও তা আদায় করা হয়। পাশাপাশি বিস্কোরক আইনের শর্ত মেনে ব্যবসা করার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং তাদের গ্যাস সিলিন্ডারে গ্যাসের ওজন মেপে দেখা হয়। এ সময় সহযোগীতায় ছিলেন কমলগঞ্জ থানার পুলিশ ফোর্স।