সদ্য সংবাদ

বিভাগ: সিলেট বিভাগ

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ

- মো. জুয়েল আহমেদ

DSC_0258
প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তারে বর্তমান সরকারের সকল পদক্ষেপ যুগান্তকারী হিসেবে বিবেচিত। শিক্ষা বান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে বিদ্যালয়গামী হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা। এতে ঝড়ে পড়ার হার দিন দিন কমছে। শিশুরা উৎসাহ নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার হিসেবে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠছে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহন করার পর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সকল বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখায় প্রাথমিক শিক্ষার মান দিন দিন বাড়ছে।
দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুসজ্জ্বিত প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনী কক্ষ চালুর পাশাপাশি শিশুদের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়াধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় মনোরম পরিবেশে আনন্দ উৎসাহের সাথে খেলনার চলে যাতে শিশুরা শিক্ষা গ্রহন করতে পারে সেজন্য প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনী কক্ষকে বিভিন্ন সাজে সজ্জ্বিত করা হয়। এতে শিশুরা নিজের মতো করে হাতে খড়ির শিক্ষা গ্রহন করছে। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বর্ধিত শ্রেনী কক্ষ নির্মাণের পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মান করা হচ্ছে। এতে নিজেদের মতো করে স্বাচ্ছন্দে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়গামী করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে স্থানীয়দের অংশগ্রহনে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে চালু করার হয় মিড ডে মিল কার্যক্রম। যে কারনে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ে উপস্থিতির হার। স্থানীয়রাও সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহবানে মিড ডে মিল কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে শুরু করেছেন। পৌর এলাকাসহ দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হয় শতভাগ উপবৃত্তি। সরকারের সাহসী এই পদক্ষেপে ঝড়ে পড়ার হার প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। মা বাবা তাদের সন্তানদের এখন কাজে না দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠান। সকল বিদ্যালয়েই অনুষ্ঠিত হয় মা সমাবেশ। এতে করে মা’রা তার সন্তানের লেখাপড়ার খোঁজ খবর নেওয়া সুযোগ পাচ্ছেন। নিরাপদে লেখাপড়ার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য রাস্তার পাশের বিদ্যালয়গুলোতে নির্মাণ করা হচ্ছে সীমানা প্রাচীর। বছরের প্রথম দিন সকল শিক্ষার্থীর হাতে একযোগে তুলে দেয়া হচ্ছে পুরোপুরি নতুন বই। যেটা এক সময় ছিল স্বপ্ন। জানুয়ারীর ১ তারিখ শিক্ষার্থীরা মেতে উঠে বই উৎসবে। বইয়ের জন্য এখন আর বছরের কয়েক মাস হেলায় হেলায় নষ্ট হয় না। শিক্ষকদের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণের। আধুনিক ও মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য শিক্ষকরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
বর্তমান সরকারের আমলেই শিক্ষকদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি করা হয়। প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেনীর ননগেজেটেড কর্মকর্তার মর্যাদা দেয়া হয়। কোমলমতি শিশুদের মধ্য থেকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সৃষ্টির অংশ হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চালু করা হয় ছাত্র সংসদ। বছরে এক বার শিক্ষার্থীরা উৎসাহ উদ্দীপনায় নিজেদের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে স্টুডেন্ট কাউন্সিল প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। এতে তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুনাবলী তৈরী হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালুর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি দুর করা হচ্ছে। দেশের সকল বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে শিশুরা বিদ্যালয়ে সকল সুবিধা ভোগের সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে। শিক্ষক সংকট দুর করার জন্য প্রতি বছর স্বচ্ছতার সাথে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। স্লিপ ফান্ডের মাধ্যমে সকল বিদ্যালয়ে চাহিদামতো সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মানষকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে দেশের সকল বিদ্যালয়কে সরকারী বিদ্যালয় হিসেবে ঘোষনা করেন। যে কারনে শিক্ষকরা নিজ থেকে উৎসাহিত হয়ে শিক্ষা দানে আন্তরিক ভাবে মনোনিবেশ করেছেন। শিক্ষকরা যাতে তাদের সুবিধামতো চাকুরী করার সুযোগ পায় সেই সুযোগও সরকার করে দিয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় বর্তমান সরকারের আমলে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সু-শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি গঠনে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগন সরকারের গৃহীত সকল পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহন করায় শিক্ষা ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধিত হচ্ছে।
লেখক ঃ শিক্ষাদরদী, সমাজকর্মী

কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদ উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
Md Jwel Ahmed

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ জাতীয় শিক্ষাপদক ২০১৮-তে কমলগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত হয়েছেন। গত সোমবার বিকেলে কমলগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মীসহ ৭টি বিভাগের শ্রেষ্ঠদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো:  মোশারফ হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা পর্যায়ে বাছাই প্রতিযোগিতায় অপরাপর পদে যারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন তারা হলেন- শ্রেষ্ঠ এসএমসি তেতইগাঁও  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সভাপতি- ভূবন মোহন সিংহ), শ্রেষ্ঠ শিক্ষক- মো: সালাহ  উদ্দিন আহমেদ (প্রধান শিক্ষক, মুন্সিবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা-সালেহা মাহমুদ (প্রধান শিক্ষিকা, কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক- বিপ্লবী রানী দে (প্রধান শিক্ষক, পতনঊষার সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়), শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়- কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঝড়েপড়া রোধে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় ধর্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
উল্লেখ্য, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কমলগঞ্জ সরকারি গণমহাবিদ্যালয়ের অনার্স ভবনের শুভ উদ্বোধন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

41843947_685375281817981_138468010456252416_n

  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ সরকারি গণমহাবিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ এমপি (অনার্স) ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট এই ভবনের উদ্ভোধন করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর ১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক চিফ হুইপ, সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি।

কমলগঞ্জ সরকারি গণমহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে ও প্রভাষক নার্গিস আক্তার পলির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহন চন্দ্র দেব, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার এর সহকারী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম খান, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আরিফুর রহমান, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আব্দুল হান্নান, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমদ বুলবুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মঞ্জুশ্রী রায়, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মো: হেলাল উদ্দিন, প্রভাষক রায়হান সেলিম, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ রিপুল, কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল হাকিম রাজ প্রমুখ।

লোক গবেষক প্রয়াত মাহফুজুর রহমানকে স্মরণ করলো মৌলভীবাজারবাসী

DSC00807

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 
লোক গবেষক, লেখক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহফুজুর রহমানের মৃত্যুতে মৌলভীবাজারে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে মাহফুজুর রহমান নাগরিক শোকসভা কমিটি এ স্মরণসভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক শোকসভা কমিটির আহবায়ক প্রাবন্ধিক মো. আব্দুল খালিক। নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্য নিলিমেষ ঘোষ ও মীর ইউছুফের যৌথ সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দ আবু জাফর আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্যসচিব ডাডলী ডেরিক প্রেন্টিস ও প্রচার প্রকাশনা উপ কমিটির আহবায়ক আহমদ আফরোজ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ হোছনে আরা ওয়াহিদ, জেলা জাসদের সভাপতি আব্দুল হক, নাট্যকার আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল হামিদ মাহবুব, প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি সৈয়দ মোসাহিদ আহমদ চুন্নু, বিএনপি নেতা ওয়ালী সিদ্দিকী, মরমি শিল্পী ইউছুফ আলী, সাংস্কৃতিক সংগঠক এম শাহাবউদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক বকসী ইকবাল আহমদ, মাহফুজুর রহমানের ছেলে মোফলেহ রহমান, চিকিৎসক সায়মা মুজাহিদ লিজা, কবি জাহাঙ্গীর জয়েস, আইনজীবী পার্থ সারথী পাল, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সমন্বয়ক মাসুদ রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা কমিটির সভাপতি সুবিনয় রায় প্রমুখ। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন কবি মহিদুর রহমান।
এসময় প্রয়াত মাহফুজুর রহমান স্মরণে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ লোকপুরানের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা এবং মাহফুজুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত তথ্যচিত্র লোকপুরান দেখানো হয়।

শমশেরনগর চা বাগানে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic Health Tea Garden 2
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার  শমশেরনগর চা বাগানে চা বাগান মেয়েদের মাসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও বুকের দুধ খাওয়ানো শীর্ষক দিনব্যাপী এক সচেতনতামূলক সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়। ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইয়থ ফর দি ন্যাশন (তরুন ডাক্তারদের স্বেচ্ছা সেবামূলক সংগঠন) ও চা শ্রমিক সন্তানদের সংগঠন জাগরণ যুব ফোরামের যৌথ আয়োজনে রোববার সকাল ৮টায় সচেতনতামূলক সভা ও পরে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকার গণ-স্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের স্বানামধ্যন্য ১৯ জন চিকিৎসক আলোচনায় অংশ গ্রহণসহ আগত ৩০০ রোগীকে দেখে নামমাত্র ফি-তে বিনামূল্যে ঔষধও বিতরণ করেন।  ঢাকা থেকে আগত ডাক্তাররা হলেন, ডা: মামুনুর রশীদ, ডা: আসলাম সরকার, ডা: মোহাম্মদ নাঈম, ডা: নাজমুল ইসলাম, ডা: আতাউর রহমান, ডা: মো: জাকির হোসেন, ডা: মোহাম্মদ ইরফান, ডা: হাসান আল মামুন, ডা: খোয়াইব হাসান, ডা: মো: ফেরদৌস আলম, ডা: কে এম শরিফুর রহমান, ডা: এনায়েত উল্যা শরীফ, ডা: সাইফ শরীফ, ডা: এম এ রহিম, ডা: কৌশিক, ডা: সুজা আলম, ডা: রাশেদুল ইসলাম, ডা: মামুন রশীদ ও ডা: শরীফ।
স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শিবিরের মূল সমন্বয়ক ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা: নাজমুল ইসলাম জানান, সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন জেলায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য স্কুল পরিচালনা, ক্লিনিক পরিচালনাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ত্রাণ ও শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।  দেশের বিভিন্ন জেলায় পিছিয়ে পড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের জন্য চিকিৎসা সেবা শিবির করে রোগীদের দেখে বিনা মূল্যে ঔষধও বিতরণ করে।  এ ধারাবাহিকতায় রোববার কমলগঞ্জের শমশেরনগর চা বাগানে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির পরিচালিত হয়। আগত নারী রোগীদের পাশাপাশি পুরুষ রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়।
জাগরণ যুব ফোরামের সভাপতি মোহন রবিদাস বলেন, চা- বাগানের স্বাস্থ্য সেবার অবস্থা খুবই নাজুক। চা বাগানের নারীরা অনেকটা অসচেতন বলে তাদের মাসিক সমস্যাসহ নানা সমস্যায় ভোগেন। তাদের সচেতন করে তোলাসহ এই স্বাস্থ্য সেবার জন্য এগিয়ে আসতে ইয়থ অর দি ন্যাশনকে আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামীতে ইয়থ ফর দি ন্যাশন ও জাগরণ যুব ফোরাম যৌথভাবে সকল চা বাগানে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

কমলগঞ্জে জানালার গ্রীল কেটে এক এসআই ও এক ব্যাংকারের ঘরে দু:সাহসিক চুরি ॥ আটক-১

50
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সংলগ্ন এলাকার দুটি ভবনের জানালার গ্রীল কেটে প্রবেশ করে থানার এক এসআই ও সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার ঘরে প্রবেশ করে দু:সাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১ জনকে পুলিশ আটক করেছে। গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
কমলগঞ্জ থানা ও সোনালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখা সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোর রাতে উপজেলা প্রশাসনিক এলাকা সংলগ্ন ইসলাম টাওয়ারের নিচ তলার এসআই সুরুজ মিয়ার ঘরের জানালার গ্রীল কেটে চোর চক্র ভিতরে প্রবেশ করে। চোর চক্র এসআই সুরুজের ঘর থেকে মুঠোফোন, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ৬ ভরি ওজনের স্বর্নালঙ্কার নিয়ে যায়। একই এলাকার পাশের জরিপ টাওয়ারের দোতলার কমলগঞ্জ শাখা সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা কবির আহমদের বাসায় প্রবেশ করে চোর চক্র চেতনা নাশক দিয়ে তাকে (কবির আহমদকে) অজ্ঞান করে তার টাকাসহ মানি বেগ ও মুঠো ফোন নিয়ে যায়।
কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আলেপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে ইমন মিয়াকে (২৫) আটক করা হয়েছে। সে এসআই সুরুজের বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করতো। সোনালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক রিপন মজুমদার বলেন, তার অফিসের কর্মকর্তা কবির আহমদের বাসায় প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় চোর চক্র স্প্রে দিয়ে তাকে অজ্ঞান করে তার একটি মুঠোফোন ও টাকাসহ মানি বেগ নিয়ে গেছে। কবির আহমদকে অসুস্থ্য অবস্থায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাস আরও বলেন, আশা করা যাচ্ছে আটক ইমন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে দুটি বাসার চুরির সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে শ্রেণিকক্ষের নামকরন

3
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
নতুন প্রজন্মের নিকট জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচিয়ে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ৩ তলা ভবনের ৯ টি শ্রেণি কক্ষের নামকরন করা হয়েছে শমশেরনগর ইউনিয়নে জন্মগ্রহনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের নামে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় ও ৪র্থ শ্রেণির ক শাখার নামকরন শমশেরনগর লামা বাজারে জন্মগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা মৃনাল কান্তি ধর, ২য় ও ৪র্থ শ্রেণির খ শাখার নামকরন শমশেরনগর বাজারে জন্মগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাই, প্রাক প্রাথমিক শ্রেনীর ক শাখার নামকরন শমশেরনগরের রঘুনাথ গ্রামে জন্মগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মন্নান, ১ম ও ৩য় শ্রেণির খ শাখার নামকরন শমশেরনগরের ভাদাইরদেউল গ্রামে জন্মগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ক্যাপ্টেন মোজাফফর আহমেদ, প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির খ শাখার নামকরন শমশেরনগর বাজারে জন্মগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম দুধ মিয়া, ১ম ও ৩য় শ্রেণির ক শাখার নামকরন শমশেরনগরের সিংরাউলী গ্রামে জন্মগ্রহনকারী ক্যাপ্টেন (অবঃ) সাজ্জাদুর রহমান, ৫ম শ্রেণির ক শাখার নামকরন শমশেরনগরের কৃষ্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহনকারী মরহুম এম এ গফুর, ৫ম শ্রেণির খ শাখার নামকরন শমশেরনগরের ভাদাইরদেউল গ্রামে জন্মগ্রহনকারী মরহুম এম এ বাছিত ও বিশেষ শ্রেণিকে শমশেরনগর বাজারে জন্মগ্রহনকারী অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরীর নামে নামকরন করা হয়েছে।
শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জানান, সকল বিদ্যালয়ে জাতীয় পর্যায়ের ব্যক্তিদের নামে শ্রেণি কক্ষের নাম করন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ের ব্যক্তিদের শিক্ষার্থীরা সর্বদাই বইয়ের মাধ্যমে জেনে থাকে। কিন্তু যে সমস্ত বীরমুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি, দেশ স্বাধীন না হলে ৩ তলা ভবন হতো না, আমরাও চাকুরী করতে পারতাম না। তাই তাদের স্মৃতিকে স্মরণ রাখতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী স্থানীয়ভাবে ৯ জন বীরমুক্তিযোদ্ধার নামে এ বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষগুলোর নাম করন করা হয়।

কমলগঞ্জে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-Rpur
“ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার” এই শ্লোগানে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ শুক্রবার দুপুরে ভানুগাছ সার্বজনীন দুর্গাবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সভাপতি নিহারেন্দু ভট্টাচা র্য্যরে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও  হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরি ষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভা পতিমন্ডলীর সদস্য রনধীর কুমার দেব। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক প্রণয় দত্ত ও যুগ্ম সম্পাদক কালীপদ দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঐক্য পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এড, মাখন লাল দাস, মুখ্য আলোচক ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড. রাধাপদ দেব সজল, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আশু রঞ্জন দাস, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক মোহন চন্দ্র দেব, কমলগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর লাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাশ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আরিফুর রহমান, অধ্যাপিকা মঞ্জুশ্রী রায়, ভানু গাছ বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: সানো য়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদ কমল গঞ্জ উপজেলা শাখার প্রেডি য়াম সদস্য জিডিশন প্রধান সূচিয়াং। সম্পাদকীয় প্রতি বেদন পাঠ করেন ঐক্য পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অশোক বিজয় দেব কাননজ্ঞ কাজল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ২য় অধিবেশনে কমিটি গঠন করা হয়। প্রণয় দত্তকে সভাপতি, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জিডিশন প্রধান সূচিয়াং, সত্যেন্দ্র কুমার পাল (নান্টু), কৃষ্ণ কুমার সিংহ, রামভজন কৈরী। সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দেব, যুগ্ম সম্পাদক সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত বুলবুল, সীতারাম বীন, অনিমেষ পাল লিটন ও প্রমোদ চন্দ্র দেবনাথকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনাক্রমে পূর্ণাঙ্গ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হবে।

কমলগঞ্জে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Pic- Sripur
 কমলগঞ্জ রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ৯নং ইসলামপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আমির আলীর সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক আব্দুল গাফ্ফারের সঞ্চালনায় মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আদমপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ ভূঁইয়া, ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: বশির উদ্দিন, তেতইগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শতাধিক মা উপস্থিত ছিলেন।

কমলগঞ্জে ৬ দফা দাবীতে নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আগরচাষীদের স্মারকলিপি প্রদান

3644 copy
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আগর চাষীরা ৬ দফা দাবীতে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে। বুধবার সকাল ১১ টায় আগরচাষীরা এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কমলগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি, টিলাবাজার, উত্তর কানাইদেশী, দক্ষিনকানাইদেশী, ছয়ঘড়িসহ প্রায় ১২ টি গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে আগর চাষ হচ্ছে। কিন্তু আগরচাষীদের সচেতনার অভাবে এক শ্রেনীর মধ্যস্বত্ত্ব ভোগী কমমূল্যে আগর ক্রয় করায় চাষীরা নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কমলগঞ্জ থেকে নায্যমূল্যের বাইরে বছরে প্রায় কোটি টাকার উপরে আগর বিক্রি হয়। তাই আগর চাষীরা উৎপাদিত আগর বাজারজাত করনে সরকারের সহযোগিতা, আগর উৎপাদনে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অর্থাৎ পক্রিয়াজাত করনে সহায়তা প্রদান, বিসিক বা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে আগর চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা, আগর চাষ রক্ষায় সরকারের নজরদারী বা সহায়তা প্রদান, আগর চাষে বড়লেখার পর কমলগঞ্জ একটি  উপযোগী স্থান কিনা তা বিবেচনায় নিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা, স্বপ্ল সুদে ব্যাংক হতে আগর চাষীদের ঋন প্রদানের ব্যবস্থার দাবী নিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদান কালে  উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন চিন্তক আহমদ সিরাজ, ইসলামপুর আগরচাষী উদ্যোক্তা উন্নয়ন পরিষদ আহবায়ক রফিকুল ইসলাম মানিক প্রমুখ।