সদ্য সংবাদ

বিভাগ: সিলেট বিভাগ

শমশেরনগরে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

images

কমলগঞ্জের শমশেরনগর চাতলাপুর সড়কের একটি আবাসিক হোটেলের গোসলখানা থেকে ক্ষতবিক্ষত এক ব্যক্তির লাশ পুলিশ উদ্ধার করেছে। শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াই টায় তানজিম আবাসিক হোটেলের ৩য় তলার ২১১ নং কক্ষের গোসলখানা থেকে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যুবকের লাশটি উদ্ধার করে।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, তানজিম আবাসিক হোটেলের পক্ষ থেকে দুপুরে ফোন পেয়ে ৩য় তলার ২১১ নং কক্ষের গোসলখানায় উপত হয়ে পড়ে থাকা এক যুবকের লাশ দেখতে পান।

হোটেলে ও রেজিষ্টার খাতা সূত্রে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি সাইফুল ইসলাম (২৫) ব্যবসার কাজে শমশেরনগর এসে কয়েক ঘন্টা বিশ্রামের জন্য হোটেল বুক করেছিলেন। তার ঠিকানা শ্রীমঙ্গল উল্লেখ করেছেন। হোটেল বুক করার সময় বলা হয়েছিল তার এক পরিচিত লোক দেখা করতে আসবে। গত ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে এ হোটেলে এসেছিলেন তিনি।

শনিবার সাড়ে ১টায় হোটেল মালিক অ্যাড. মাহবুবুর রহমান হোটেলের কক্ষগুলির পানির লাইন মেরামত করতে গিয়ে গোসলখানায় এ লাশটি দেখে পুলিশকে অবহিত করেন।

হোটেল মালিক অ্যাড. মাহবুবুর রহমান এ প্রতিনিধিকে বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে তার হোটেল ম্যানেজারের কাছে সাইফুল ইসলাম পরিচয় দিয়ে নিজের হাতে রেজিষ্টারে লিখে কয়েক ঘন্টার জন্য কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলো। বেলা আড়াইটার দিকে হোটেল ম্যানেজারের অনুপস্থিতিতে ভাড়া নেওয়া ব্যক্তি হোটেলেল অফিসে কক্ষের চাবি রেখে চলে যায়।

ভাড়া নেওয়া ব্যক্তি চলে যাওয়ার পর থেকে আর এ কক্ষটি খোলা হয়নি। কক্ষের গোসলখানার পানির লাইন মেরামতের কাজ করতে গিয়ে গতকার শনিবার দুপুরে গোসলখানায় এক ব্যক্তি উপত হয়ে পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান। তিনি সাথে সাথেই বিষয়টি পুলিশ ফঁড়িতে অবহিত করলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) অরুপ কুমার চৌধুরী লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চি করে বলেন, ধারণা করা যাচ্ছে তাকে কোনভাবে অবচেতন করে হত্যার পর চাকু দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দুস্কৃতিকারী নিরাপদে পালিয়ে গেছে। আর লাশটি ৪/৫ আগের। হোটেল পক্ষ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত আলামতও সংগ্রহ করা হয়। লাশের পরিচয় পেলেও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কর্মকর্তা বেশী কিছু বলতে চাচ্ছেন না।

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা ছাত্রাবাস

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা::

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব জমিতে সরকারের অর্থায়নে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা বিশিষ্ট বহুবিধ সুবিধাসম্পন্ন ছাত্রাবাস। এ ছাত্রাবাসে শুধুমাত্র চা বাগান শ্রমিকদের পরিবারের গরীব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে বা স্বল্পব্যায়ে আবাসন সুবিধা পাবে। ৩০০ আসন বিশিষ্ট নির্মিতব্য এ ছাত্রাবাসে ১৫০টি আসন ছাত্রদের জন্য বাকি ১৫০টি আসন ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এ ব্যাপারে সরকার ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলস্থ চা শিল্প শ্রম কল্যাণ বিভাগের হলরুমে সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব শিবনাথ রায় ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী নির্মিতব্য ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ, ছাত্রাবাসসহ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় জেলা প্রশাসক বা তাঁর উপযুক্ত প্রতিনিধির সভাপতিত্বে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শ্রীমঙ্গলস্থ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের ১ জন প্রতিনিধি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর শ্রীমঙ্গলের ১ জন প্রতিনিধি উপজেলা প্রশাসনের ২ জন প্রতিনিধি, চা শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ জন প্রতিনিধি (১ জন সদস্য সচিবসহ) সহ মোট ১১ জনের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড/কমিটি ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কর্তৃত গঠিত পরিচালনা কমিটি ভবনের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সভাপতি মাখন লাল কর্মকার, বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব রেজা, রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক আহ্বায়ক বিজয় বুরার্জী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল মাহমুদ, চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, বালিশিরা ভ্যালী কমিটির সভাপতি বিজয় হাজরা, সিলেট ভ্যালী সভাপতি রাজু গোয়ালা, মনু-ধলাই ভ্যালী সম্পাদক নির্মল দাস পাইনকাসহ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির ৩৪ জন সদস্য।

চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, ‘চা শ্রমিক ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি বর্তমান চা শ্রমিকবান্ধব সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এর জন্য কাজ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনগ্রসর চা জনগোষ্টির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সদইচ্ছার ফসল।

তিনি আশা করছেন, খুব তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় কাজ কর্ম শেষে এর নির্মান কাজ শুরু হবে। এটি নির্মিত হবার পর শ্রমিক সন্তানদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন হবে। তিনি যুগান্তকারী এ পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ ও চা শিল্পে নিয়োজিত সকল শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

কমলগঞ্জে নৌকার সমর্থনে বিশাল নির্বাচনী জনসভা এই সরকার কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী ——-উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

M A Shahid MP11
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি বলেছেন, উন্নয়নের ধারা সচল রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামীলীগকে বিজয়ী করতে হবে। এই সরকার কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা আমাকে বারবার নির্বাচিত করেছেন, এই এলাকায় যতো উন্নয়ন হয়েছে তা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই হয়েছে। আমি আশা রাখি আগামীতেও অত্র অঞ্চলের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে আমাকে পূনরায় বিপুল ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন।’ আমি আপনাদেরই সন্তান। গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার খাদ্য গুদাম সংলগ্ন মাঠে নৌকার সমর্থনে স্থানীয় আওয়ামীলীগ আয়োজিত এব বিরাট নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বÍব্যে উপরোক্ত তথাগুলো বলেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এড. মো: সানোয়ার হোসেন ও যুবলীগ নেতা বিকাশ পালের সঞ্চালনায় জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সাংসদ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সদস্য কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অজয় সেন, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদ, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব তরফদার, পতনঊষার ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমেদ বাবু, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি দুরুদ আলীসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

কমলগঞ্জে দুটি বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সভা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic Awareness Meeting 1
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আয়োজনে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব শীর্ষক মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আর কে এস রয়েলের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শমশেরনগর হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত আদমপুর তেতইগাঁও রশিদ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ে ২য় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরে আলম সিদ্দিকের সভাপতিতে ও ডা. আর কে এস রয়েলের সঞ্চালনায় মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বিষয়ক এ সভায় প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন  জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক আলম। তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যে বিভিন্ন দিক নিয়ে উপস্থিত ৩০০ ছাত্রী, শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. হাসিনা মোমতাজ, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ঢাকার শিশু উন্নয়ন ও পারিবারিক মানসিক স্ব্াস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দীন আহমেদ। সচেতনতামূলক এ সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বের সাথে সামাজিক নিরাপত্তা, বিদ্যালয় পরিবেশ ও শিক্ষক সচেতনতামূলক বেশ কয়েকটি ভিডিও চিত্র প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এ সভায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আইয়ূব আলী, সদস্য মুজিবুর রহমানসহ শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বুধবার বেলা ১২টায় আদমপুর তেতইগাঁও রশিদ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে এ সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক আলম। এ সভায়ও বিদ্যালয়য়ের ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও পরিচালনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক রিপোর্ট

11-Copy

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন সাংবাদিকরা। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং নির্বাচন সংক্রান্ত খবর সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্মতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে জানতে পারলাম নির্বাচনের দিন অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনের দিন যাতে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে পারে তা নিশ্চিত করতে ইসিকে অনুরোধ করি। এসময় তারা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচলে কোনো ধরনের বাধা থাকবে না।

চারদিন যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

road
 কমলকুঁড়ি ডেস্ক

আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়িয়ে চলার জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয় রোববার (২৩ ডিসেম্বর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২৯ ডিসেম্বর (শনিবার) দিনগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত সড়কপথে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। এর আওতায় রয়েছে- বেবি ট্যাক্সি/অটো রিকশা/ইজিবাইক, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পু, স্থানীয় পর্যায়ে যন্ত্রচালিত বিভিন্ন যানবাহন।
আর ২৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) দিনগত রাত ১২টা থেকে ১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।তবে, রিটার্নিং অফিসার অনুমিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী/তাদের এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য। এক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র থাকতে হবে।
এছাড়া নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচনে বৈধ পরিদর্শক এবং জরুরি কাজে বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সংস্থাপন শাখার জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২৮ ডিসেম্বর দিনগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ জানুয়ারি দিনগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে, অন্যান্য যানবাহন ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ৩০ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে না।

রাত বারোটা থেকে নামছে সশস্ত্র বাহিনী

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

1

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সারাদেশে মাঠে থাকবেন সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) সদস্যরা।  রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাত থেকেই স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠে নামার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা পেয়েই সশস্ত্র বাহিনী মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

1

এরআগে, গত ১৩ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। ওইদিন তিনি বলেন, ‘ইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৪ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে।  এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে। এক হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি এখন মাঠে কাজ করছে।

ইসি সূত্র জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পরই এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আদলে এবারও ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন। এরআগে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫ দিন মাঠে ছিল সেনাবাহিনী। তারা সাধারণ এলাকায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন এলাকায় একজন কমিশনারের অধীনে দায়িত্ব পালন করে। ওই নির্বাচনে সারাদেশে প্রায় ৫০ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এক্ষেত্রে প্রতিটি জেলায় একটি ব্যাটালিয়ন (৭৪০ সদস্য) ও প্রতিটি উপজেলায় এক প্লাটুন (৩৫ জন) সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

কমলগঞ্জে ‘চর্চা’ সাহিত্য সংকলনের মোড়ক উন্মোচন

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে  ১৭ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় এক বর্ণঢ্য অনুষ্টানের মধ্যদিয়ে  মোড়ক উন্মোচন হলো ‘চর্চা’ নামের সাহিত্য সংকলনের।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘চর্চা সাহিত্য পরিষদ’ এর উদ্যোগে প্রকাশিত সংকলনটির মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি  আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ,মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য মো:হেলাল উদ্দিন। অনুষ্টানে সন্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি, বিশ্বজিৎ রায়।

উদীয়মান কবি ও সাংবাদিক, চর্চা ‘র সম্পাদক নির্মল সিংহ পলশের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আদিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ,  তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন,  ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক  মো:খুরশেদ আলী, মনিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিংহ, প্রবীন শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মী ভূবন মোহন সিংহ, কমলগঞ্জ  টিচার্স কালচারাল ক্লাবের আহবায়ক সাজ্জাদুল হক স্বপন, বাংলাদেশ মনিপুরী মুসলিম এডুকেশন ট্রাস্ট এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজ উদ্দিন ইংরেজী দৈনিক এশিয়ান এজ পত্রিকার কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মোনায়েম খাঁন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাহিত্য সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কমলগঞ্জের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে যুবসমাজ ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল সাহিত্যচর্চায় উজ্জীবিত করার গুরুত্বারোপ করা হয়।  অনুষ্টানে বক্তারা সাহিত্য পাঠের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বলেন, খাদ্য মানুষের দেহের চাহিদা মেটায় আর সাহিত্য মানুষের মনের চাহিদা মেটায় তাই প্রত্যেক মানুষের উচিৎ সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা করা, লেখালেখির মাধ্যমে নিজের আত্বাকে জাগিয়ে তুলা। বক্তারা ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা নিয়ে  “চর্চা’ সাহিত্য সংকলনের ভূয়ুসি প্রশংসা করেন এবং অথিতিরা মোড়োক উন্মোচনের মাধ্যমে  ‘চর্চা’ সাহিত্য সংকলনের  ২য় প্রকাশনার পর্দা তুলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ : মৌলভীবাজার-৪ আসনের গণফোরাম প্রার্থী অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষনা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic 2
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন। বৃৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে শ্রীমঙ্গল শহরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ এর প্রতিনিধি মো: আব্দুল আজিজ। এ সময় গণফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুস সালাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি রাসেন্দ্র দত্ত, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: আজাদুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য মো: আতিকুজ্জামান, লন্ডণ বিএনপির উপদেষ্টা আং মমিন তরফদার প্রমুখ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ বলেন, সুদীর্ঘ ৪২ বছর যাবত আইন পেশায় নিয়োজিত থাকাকালীন সময়ে মানুষের প্রতি আমার বিপুল ভালবাসা থাকায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ আমার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিলেও ঐক্যফ্রন্টের অধিকাংশ নেতাকর্মী সমর্থক নির্বাচনী কর্মকান্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় গণফোরাম এর স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দিতা থেকে তিনি বিরত থাকছেন। তবে তিনি কাউকে সমর্থন জানাননি বলে সাংবাদিকদের জানান।
অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ আরো বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে আমার দল গণফোরাম এর সর্ব্বোচ্চ নেতৃবৃন্দ থেকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করায় নির্বাচনী এলাকায় আমার সমর্থনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে ঐক্যফ্রন্টের চুড়ান্ত প্রার্থীতা ঘোষনার মাধ্যমে আমাকে মনোনীত না করায় আমার কর্মী সমর্থকও আমাকে সমর্থনকারী বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হলে বিরাজমান অবস্থায় আমি দলীয় প্রতীক “উদীয়মান সূর্য” মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অবতীর্ণ হতে বাধ্য হই। পরবর্তীতে ঐক্যফ্রন্টের শরিক ও তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত শক্তিশালী শরিক দল বিএনপিসহ মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীকাল হতে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অবস্থান স্বত্ত্বেও ঐক্যফ্রন্টের অধিকাংশ নেতাকর্মী সমর্থক নির্বাচনী কর্মকান্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় গণফোরাম এর স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দিতা থেকে আমি সরে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাঁকে সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদানকারী নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবের অভিযোগ : গাড়িবহর থেকে ১৫ নেতাকর্মীকে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শ্রীমঙ্গলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১৫ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর গাড়িবহর থেকে ১৫ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ করেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পৌর যুবদলের সদস্য সোহেল আহমদ ও ছাত্রদল নেতা মান্না রয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ অভিযোগের ব্যাপারে মৌলভীবাজারে এএসপি (সার্কেল) আশরাফুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের প্রচার গাড়িতে হামলা হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ঠিক কতোজনকে আটক করা হয়েছে তা এই মূহূর্তে বলা যাবে না।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার (18 ডিসেম্বর) সন্ধ্যা  সাড়ে ৭টায় ভোজপুর বাজারে নির্বাচনী সভা শেষে আমার গাড়ী ও আমার নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত দুটি গাড়ী নিয়ে ভোজপুর বাজার থেকে বের হয়ে আসলে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে.এম.নজরুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আমার গাড়ীর গতি রোধ করে। এসময় তারা আমার গাড়ীটি ছেড়ে দিয়ে আমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অপর দুইটি গাড়ী থেকে আমার নেতাকর্মীদের পুলিশ অকথ্য ভাষায় গালা গালি ও মারধর করে আটক করে নিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমাদ আলীকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ আটক করে। কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে ঐক্যপ্রক্রিয়ার একটি মিটিং-এ পুলিশ অভিযান চালিয়ে মিটিং পন্ড করে দেয় এবং নেতাকর্মীদের বিনা ওয়ারেন্টে আটক করার চেষ্টা করে। নেতাকর্মীরা প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ রহিমপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী অফিস হতে উপজেলা বিএনপি সহ প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শিপলুকে আটক করে।