সদ্য সংবাদ

বিভাগ: সিলেট বিভাগ

ব্যানার-ফেস্টুন-তোরণে ছেয়ে গেছে পুরো সিলেট নগরী ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে সিলেটবাসী প্রস্তুত ॥ দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব থামিয়ে উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

 AG-242x300-1


সিন্টু রঞ্জন চন্দ :

একাদশ জাতীয় সংসদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৩০ জানুয়ারী সিলেট সফরে আসছেন। ওইদিন তিনি সিলেটে পৌঁছে প্রথমে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরানেরমাজার জিয়ারত শেষে সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার কাজ শুরু করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বিভাগীয় শহর সিলেট নগরীতে আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের সম্ভব্যপ্রার্থীরা জোরেশোরে অসংখ্য ছোট-বড় তোরণ ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন আলীয় মাদ্রাসা মাঠের আশপাশ এলাকাসহ পুরো নগরী। এখন সিলেটবাসী প্রস্তুত রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানাতে।
ওইসব সম্ভাব্য প্রার্থী থেকে শুরু করে জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীরা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ তথা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিলবোর্ড ভাড়া নিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশি হিসেবে ব্যানার টাঙ্গিয়ে জানান দিচ্ছেন তারা। এছাড়াও ৩০ জানুয়ারী আলিয়া মাদ্রাসার মাঠকে জনসমদ্রে পরিনত করতে আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীরা ঘুমকে হারাম করে মাইকিং, মিছিল-মিটিংসহ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ওইদিন জনসভায় বক্তব্য দেয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও অনেকগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর সঙ্গে সিলেটের উন্নয়নে নতুন কোনো ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আসবে কি না সেই প্রত্যাশায় এখন সাধারণ মানুষ জনের মধ্যে। শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার এমনটাই মনে করেন সিলেটের সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের আগমনে সিলেটবাসীর যেসব স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, সেগুলো আলোর মুখ দেখবে? তারা মনে করছেন, দলের ভেতরে চলছে দ্বন্দ্ব-কলহ। এছাড়া এ দ্বন্দ্ব কলহের কারনে সিলেটে বেশ কিছু নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্যে এসব খুন-খারাপি বন্ধসহ সিলেটের সাধারণ লোকজনের উন্নয়ন হবেতো?
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংবিধান অনুযায়ী চলতি বছরের শেষদিকে জাতীয় নির্বাচন। সে হিসাবে প্রায় এক বছর হাতে রেখেই ভোটের মাঠে নামছে শাসক দল। এর অংশ হিসেবে ৩০ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করছে আওয়ামী লীগ। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর এ সফর নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত সিলেটের আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা। সব আয়োজন প্রায় শেষ হতে চলেছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সিলেটবাসী। তিনি আসবেন, উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করবেন। সিলেটের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বারবারই আন্তরিক। যার প্রমাণ মেলে গত কয়েকবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট সফর থেকে। নির্ধারিত উন্নয়ন প্রকল্প ছাড়াও তিনি সিলেটের উন্নয়নে সিলেটবাসীর জন্য নতুন সুখবর দিয়েছেন। এবারের সফরেও তিনি অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন এবং উদ্বোধন করবেন। তবে বরাবরের মতো এবারও সিলেটবাসী রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে দারুণ কোন সুখবরের অপেক্ষায়। শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জনসভায় ভাষণ দেন। এর ঠিক ১১ মাস পর একই বছরের নভেম্বর মাসে তিনি একই স্থানে ভাষণ দেন। এর প্রায় ১১ মাস পর আবারো সিলেটে আসেন প্রধানমন্ত্রী। ১৭ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ নবগঠিত সদর দপ্তর ১১ পদাতিক ব্রিগেডের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেবারে এই আলীয়া মাদ্রাসার মাঠে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকল প্রস্তুতি সম্পন্নও করা হয়েছিল। তবে, ঐ সময় নির্বাচন কমিশন জেলা পরিষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আসায় পরবর্তীতে ওই সমাবেশ বাতিল হয়ে যায়। এদিকে গত বছর থেকেই শুরু হয়েছে গৃহবিবাদ মেটানোর কাজও। দলের জেলা, মহানগর, থানা ও উপজেলার নেতাদের পাশাপাশি সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীদের কেন্দ্রে ডেকে নিজেদের মধ্যকার বিরোধ মিটিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্ন্তদ্বন্দ্ব, কলহ, বিবাদ এবং দূরত্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় নেতারা। পাশাপাশি সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের দলীয় কার্যালয়ে ডেকে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়।
সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা শামীম ইকবাল বলেন, মাদার অব হিউম্যানিটি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিলেট আগমণে সিলেটের মানুষ আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাই ৩০ জানুয়ারি বিশ্বনেত্রীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। তাকে স্বাগত জানাতে সিলেটবাসী প্রস্তুত।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট সফরে ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় জনসমুদ্র পরিণত করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পুণ্যভূমি সিলেট আগমনে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। তিনি বলেন, আগামি নির্বাচনে দলের বিজয় সুনিশ্চিত করতে প্রতিটি অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীকে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জনসভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট সফর সফল করতে তিনি ইতিপূর্বে নেতাকর্মীদের মিছিল আর ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে জনসমাবেশস্থলে আশার আহবান করেছেন।
আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রথমই শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সিলেটের এ কর্মসূচি। সফরের মূল লক্ষ্য জেলা-উপজেলায় কর্মী সভা, বর্ধিত সভা এবং জনসভার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নের চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড জনগণকে আবারও মনে করিয়ে দেয়া।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, ২০১৮ সাল নির্বাচনী বছর। আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছি। দলের সভাপতি নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরার পাশাপাশি জনগণের মন জয়ের নির্দেশ দিয়েছেন, যা কার্যত নির্বাচনী প্রচারণাই। যারা মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুক, তারা এলাকায় ছোটাছুটি করছেন। চলতি মাসেই সিলেটে সাংগঠনিক সফর শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে নিজেদের মাঝে কোনো দূরত্ব থাকলে সেগুলো কমিয়ে আনতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কাজ শুরু করে যাচ্ছেন

সিলেটস্থ কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন সম্পন্ন

সোহেল আহমদ, সিলেট:
images-1
সিলেটের বিভিন্ন প্রতিষ্টানে অধ্যয়নরত কমলগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন হিসেবে কার্যকরী কমিটি গঠন ও বিজয় দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পনের মাধ্যমে আত্নপ্রকাশ করলো সিলেটস্থ কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন।
গত ১৫ ডিসেম্বর সিলেট নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী মতিউর রহমান ও মুরারিচাঁদ(এমসি) কলেজ শিক্ষার্থী মজিদ খানকে সাধারন সম্পাদক করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট এক বছর মেয়াদী কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।
সিলেটস্থ কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের প্রতিষ্টাকালীন কার্যকরী কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি সোহেল আহমদ (এমসি) ও দিপক কুমার সিনহা (এসআইইউ)।
যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সোহেল খান(এমসি), সৌরভ কান্তি দে (সিকৃবি), খালেদ সাইফুল্লাহ (মেট্রোপলিটন), সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন অাহমদ (পলিটেকনিক), তানভীর খালেদ (শাবিপ্রবি)।
কমিটির অন্যানদের মধ্যে অর্থ সম্পাদক শামছুর রহমান নাঈম(সরকারি অালিয়া), দপ্তর সম্পাদক সৌরভ আহমেদ (এমসি), প্রচার সম্পাদক মিছবাহুর রহমান(সরকারি অালিয়া), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ নোমান(এমসি), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ফয়সল আহমদ ইমন(মেট্রোপলিটন)।
সিলেটস্থ কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের ক্রীড়া সম্পাদক জামিল আহমেদ(এমসি), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহাইল আহমদ(সরকারি অালিয়া), আইন সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ রাব্বী(মেট্রোপলিটন), শিক্ষা সম্পাদক সুমন মিয়া(সিকৃবি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক জাহিদ হাসান বাপ্পি(এমসি), ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নিশাত জাহান(এসআইইউ), সমাজসেবা সম্পাদক শফিকুর রহমান(পলিটেকনিক)।
সংগঠনটির নির্বাহী সদস্যরা হলেন জাকির হোসাইন (লিডিং), সঞ্জিত সিনহা (ওসমানী মেডিকেল), সৌরভ দেব (সিকৃবি), রেশমা বেগম (এসআইইউ), মোহিতুর রহমান সোহাগ (বরকান্দি মাদ্রাসা) ও মোশারফ হোসেন মাছুম (আইএইচটি)।
উল্ল্যখ্য, কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, সিলেট গঠনের লক্ষে গত পহেলা ডিসেম্বর সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক মিলনমেলায় মিলিত হন সিলেটস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে অধ্যয়নরত কমলগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার্থীরা।

এমপি কেয়ার ওপর হামলার ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার ২

2017-12-07--00_33_07

হবিগঞ্জ :

হবিগঞ্জের বাহুবলে সংরক্ষিত নারী এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের মামলায় বাহুবল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান শাহেদকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশ ও ঢাকা ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে ঢাকার কদমতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর তাদের আদালতে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম ।

তিনি জানান-মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে ঢাকার কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী বলেন, ‘তাদেরকে গ্রেফতার করায় প্রশাসনসহ বাহুবল উপজেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই।’

উল্লেখ, গত ১০ নভেম্বর বাহুবল উপজেলার মিরপুরে এমপি কেয়া চৌধুরীর একটি অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনা তদন্ত করেন সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দে। ১৬ নভেম্বর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বাহুবল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থান ধর্মঘট করেন বিক্ষুদ্ধ জনতা। পরে গত ১৮ নভেম্বর এ ঘটনায় বাহুবল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

মামলাটি করেন উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের সদস্য ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী পারভিন আক্তার। ওই মামলায় ভাইস-চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা মো. তারা মিয়া, উপজেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান শাহেদ ও তারা মিয়ার গাড়ি চালক মো. জসিম উদ্দিনকে আসামি করা হয়। তাদেরকে গ্রেফতারের দাবিতে গত ২৬ নভেম্বর সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

সিলেটে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র আহত

1

সিলেট: সিলেটের আম্বরখানায় সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে জুয়েল আহমদ (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্র আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে আম্বরখানা এলাকার ডিঙি রেস্টুরেন্টের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।  ছুরিকাঘাতের পরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তার সহপাঠীরা। এসময় আহত অবস্থায় জুয়েলকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  আহত জুয়েল খাসদবির এলাকার আব্দুল লতিফের পুত্র এবং সে আম্বরখানা রয়েল এমসি একাডেমীর একাদশ শ্রেণির ছাত্র।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আম্বরখানা ডিঙি রেস্টুরেন্টের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন জুয়েল। এসময় পিছন দিক থেকে এসে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।  পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় জুয়েলকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি ৯নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  তাৎক্ষনিকভাবে ছুরিকাঘাতের কারণ জানা যায়নি।  কোতোয়ালী থানার ওসি গৌসুল হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জৈন্তাপুরে আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় মামলা হয়নি

1

 ডেস্ক রিপোর্ট

 সিলেটের জৈন্তাপুরে শ্রীপুর পাথর কোয়ারির দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনার দু’দিন অতিবাহিত হলেও থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে, এ ঘটনার পর আটক ৮ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে বিরোধপূর্ণ কোয়ারিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। মোতায়েন আছে পুলিশও।

মঙ্গলবার বিকেলে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাঈনুল জাকির এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, ‘সংঘর্ষে হোসন আহমদ নিহতের ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। এ কারণে আটককৃতদের ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগে নিয়মিত ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা দায়ের হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে বলেও জানান তিনি।’ উপজেলা নিবার্হী অফিসার মৌরীন করিম জানিয়েছেন, ‘কোয়ারীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিরোধপূর্ণ এলাকায় পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে কোয়ারীর সীমানা চিহ্নিত করে দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।’ উল্লেখ্য, শ্রীপুর পাথর কোয়ারীর আসামপাড়া ও শ্রীপুর মৌজাসহ কোয়ারীর অভ্যন্তরে মালিকানাধীন কিছু জায়গার দখল নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী ও অপর পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমদের অনুসারিদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি সামাজিক ভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষকে নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনও বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধান করার জন্য কয়েক দফা চেষ্টা করে। একই সাথে বিরোধপূর্ণ ১৪৫ বিঘা জমির উপর আদালত নিষেধাজ্ঞা জারী করে। আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির আংশকায় উপজেলা প্রশাসন আদালতের নিষেধাজ্ঞাকৃত এলাকায় ১৪৪ জারী করেন।

গত রোববার সকালে শ্রীপুর পাথর কোয়ারির বিরোধপূর্ণ জায়গার গর্ত দখল করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে আহতের মধ্যে মহাইল গ্রামের মর্তুজ আলীর পুত্র হোসেন আহমদ সোমবার সন্ধ্যায় ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

১ ঘন্টা পর সিলেটের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

 1

ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটের মোগলালাবাজারে ঢাকা থেকে সিলেটগামী জালালাবাদ ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় সারাদেশের সাথে সিলেটের রেল যোগাযোগ ১ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জালালাবাদ ট্রেনের চারটি বগির লাইনচ্যুতি ঘটে। পরে সাড়ে ১১ টার দিকে লাইনচ্যুত বগি সরিয়ে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়। মোগলাবাজার রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার ফজলুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় জালালাবাদ ট্রেনের চারটি বগির লাইনচ্যুতি ঘটে। সাড়ে ১১ টার দিকে বগি সরিয়ে ফেলা হয়। এখন রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।

উপজেলা করায় উল্লসিত শায়েস্তাগঞ্জবাসী

 

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

images-1

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করায় উল্লসিত এলাকাবাসী।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিকারের বৈঠকে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে হিসেবে এটি দেশের ৪৯২তম উপজেলা। সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর সৈয়দ শায়েস্তা মিয়ার নামানুসারে এ অঞ্চলের নাম শায়েস্তাগঞ্জ।

সংবাদটি জানার পর এলাকাবাসী আনন্দ-মিছিল বের করে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

সিলেটস্থ কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের মিলনমেলা’র প্রস্তুতি সভা

সোহেল আহমদ, সিলেট:

20171121_163742-1
সিলেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সিলেটস্থ কমলগঞ্জের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পহেলা ডিসেম্বর কমলগঞ্জ স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের মিলনমেলা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় সিলেট এমসি কলেজ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘সিলেটস্থ কমলগঞ্জের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১লা ডিসেম্বর’ ফেইসবুক ইভেন্টের হোস্টদের নিয়ে প্রস্তুতি সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এমসি কলেজ শিক্ষার্থী সোহেল আহমদের সঞ্চালনা ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় সিলেটে অধ্যয়নরত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌরভ দেব, ফয়সল আহমদ ইমন, মিছবাহুর রহমান, শুভ কর, শামছুর রহমান নাঈম, দিপক কুমার সিংহ, আমিনুল ইসলাম, সুহেল আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তুতি সভায় সিলেট শহরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে পহেলা ডিসেম্বরে কমলগঞ্জের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলার কর্মসূচী বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আগামী ১লা ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সিলেটস্থ কমলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিলনমেলাটি অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক যখন প্রতারণার শিকার!

410

  সুনামগঞ্জ:

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক এক নারী কতৃক প্রতারণার শিকার হলেন। শুধু জেলা প্রশাসক নন ওই নারীর প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকার্তাও।’ প্রতাণার বিষয়টি ধরা পড়ার পর পান্না বেগম নামের ওই নারীকে শুক্রবার তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।’ সে সদর উপজেলার অচিন্তপুর গ্রামের জুয়েল মিয়ার স্ত্রী ও পৌর শহরের ওয়েজখালীর বাসিন্দা।’ বিষয়টি জানাজানির পর নানা মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়ে খোদ জেলা প্রশাসকই যখন প্রতারণার শিকার তখন সাধারন মানুষ সাহায্য সহায়তা আদায়কারীদের নিকট প্রতিনিয়ত কতটুকুই বা প্রতারণার হাত থেকে নিরাপদ রয়েছেন?।

জানা গেছে, সদর উপজেলার পান্না বেগম প্রায় দু’মাস পুর্বে নিজের এক সন্তান আগুনে পুড়ে গেছে জানিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারতার নিকট থেকে চিকিৎসার নামে ১০ হাজার টাকা নেয়ার পর ওই দিন বিকেলেই শিশুটি মারা গেছে বলে ওই নারী ইউএনওকে অবগত করে।’ পরদিন পান্না তার দ্বিতীয় সন্তানের খাদ্য নালিতে মারবেল পাথর আটকে গেছে জানিয়ে চিকিৎসার সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। জেলা প্রশাসকের সমনে থানা ওই সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, এর আগের দিন ওই মহিলার ১ শিশু সন্তান অগ্নিদগন্ধ হয়ে মারা গেছে।’  এমন করুণ অবস্থায়  জেলা প্রশাসক মর্মাহত হয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএমজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেন।’ কিন্তু ওই নারী অ্যাম্বুলেন্সে না গিয়ে অন্য গাড়িতে যাবেন বলে আরো ২ হাজার টাকা নেন ইউএনও’র নিকট থেকে। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে ওই নারী মোবাইল ফোনে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে জানায় গাড়িতে সিলেট যাওয়ার পথেই তার দ্বিতীয় শিশুটিও মারা গেছে।’

PIC-PANNA 420 WITH 5 CHILDREN

এ দু’ ঘটনার আরো দু’দিন পর ফের ওই নারী জেলা প্রশাসকের নিকট উপস্থিত হয়ে জানায়, তার তৃতীয় শিশু সন্তানটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্টে ভ’গছে, সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত সন্তানটি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। জেলা প্রশাসক সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত ওই শিশুর চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিতে ও তার দেখভাল করতে সিভিল সার্জনকে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেন। পরে ওই নারী মোবাইল ফোনে জেলা প্রশাসককে জানায় এ সন্তানকেও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতাল গেইটেই শিশুটি মারা গেছে।’ পরপর তিন তিনটি শিশু সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি জেনে জেলা প্রশাসক ওই নারীর প্রতি আরো সদয় হন। তৃতীয় বাচ্চার বিষয়ে ওই নারী জেলা প্রশাসককে ঘটনার দিন দুপুরে মোবাইলে ফোন দিলেও তিনি একটি আলোচনায় সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন বলে ফোন রিসিভ করতে পারেননি।

শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনে জেলা প্রশাসকের ধারণা হয়, তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করতে না পারার কারনে হয়ত শিশুটি বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।’ এমন হৃদয় বিদারক ঘটনায় জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলামের নির্দেশে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ওই নারীকে আবারো ঘর নির্মাণের জন্য ৪ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।’ এদিকে টানা তিনবার সহায়তা পেয়েও ধমেননি পান্না। বৃহস্পতিবার ফের বন্ধকী জমি ছড়ানোর কথা বলে ৪র্থ বারের মত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পুন:রায় ১০ হাজার টাকা সাহায্য চায়।
এতেই বিপক্তি ও সন্দেহ দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে নিজের গাড়িতে করে পান্নার বসত বাড়িতে নিয়ে যান এবং জমি দেখাতে বলেন।’

PIC-PANNA 420শহরের ওয়েজখালি এলাকায় বসবাসকারী ওই নারীর বসতবাড়ি গিয়ে ইউএনও দেখেন আদৌ তার তিন সন্তান মারা যায়নি তার ৫ সন্তানই জীবিত, এমনকি স্বামীও রয়েছে।’ প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে সদর মডেল থানা পুলিশকে খবর দিয়ে পান্না বেগমকে আটক করিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।’

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতারণার দায়ে বৃহস্পতিবার রাতে পান্না বেগমকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করলে সদর মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার সকালে তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করে।’

পান্নার স্বামী জুয়েল মিয়া জানান, তার স্ত্রীর  প্রশাসনের সাথে  এমন প্রতারণার  বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান শুক্রবার বলেন,  প্রথমবারের মত এমন প্রতারণা আমি দেখলাম  প্রশাসন পর্যায়ে এধরণের প্রতারণা করার মতো সাহস করতে পারে বলে আমার জানাই ছিল না।’

সংগ্রহ- করাঙ্গী

বিপিএলে মাঠে নামার আগে অনুশীলনে আফ্রিদি

 স্পোর্টস ডেস্ক::
2

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর মাতাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন শহীদ আফ্রিদি। আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে অনুশীলনে যোগ দেন পাকিস্তানের বর্ষীয়ান এই অলরাউন্ডার। যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বিষেধাজ্ঞা ছিল তাদের কোন ক্রিকেটার ১৭ তারিখের আগে বিপিএল খেলতে আসতে পারবে না, তবুও আফ্রিদি আগেই চলে এসেছেন। এতে পিসিবির নিয়ম ভাঙ্গা হয়েছে কি না, এ নিয়ে আফ্রিদি বা ঢাকা দলের কেউ কথা বলতে রাজি হননি। প্রথম আসর থেকেই নিয়মিত বিপিএলে অংশ নিচ্ছেন আফ্রিদি। ধুম-ধারাক্কা ব্যাটিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়েই ভীষণ জনপ্রিয় এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। সব জায়গায় তার পরিচিতি ‘বুম-বুম’ আফ্রিদি হিসেবে।