সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মৌলভীবাজার

মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ

Pic-1111[1]
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে স্থানীয় সাইফুর রহমান অডিটোরিয়ামে অনুষ্টিত হয়। সহকারী পরিচালক মোঃ আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ আজিজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুকুর রহমান শিকাদর। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হৃষিকেশ ধর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিহির কান্তি দেব। অনুষ্ঠানে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ১০ জন শিক্ষার্থী ও ৫ জন শিক্ষককে সনদপত্র ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। পরে সুপারভাইজার লতিফুর রহমানের পরিচালনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়।

কুলাউড়ায় আচরনবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১৩ প্রার্থীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

কুলাউড়া প্রতিনিধি:

কুলাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে আচরনবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৩ জন মেয়র প্রার্থী ও ১৩ জন কাউন্সিলার প্রার্থীকে দু’দিনে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২১ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ড কাউন্সিলার পদপ্রার্থী সেলিম খানকে ৭ হাজার, মঞ্জুর আলম খোকন ৭ হাজার, আজিজুর রহমান খোকন ৭ হাজার ও মুরাদ আহমদ ২ হাজার টাকাসহ মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
২০ ডিসেম্বর রোববার রাতে ৩ মেয়র প্রার্থী ও ৯ কাউন্সিলর পদ প্রার্থীকে ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আচরণ বিধি লংঘনের দায়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম সফি আহমদ সলমান ২ হাজার টাকা, বিএনপি প্রার্থী কামাল আহমদ জুনেদ ৫ হাজার টাকা, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ শফি আলম ইউনুছকে ৫ হাজার টাকা এবং কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ মুরাদ আহমদকে ৫ হাজার টাকা, হারুনুর রশীদকে ৫ হাজার টাকা, রুমান আহমদকে ৫ হাজার টাকা, মোঃ আলমাছ পারভেজ তালুকদারকে ৫ হাজার টাকা, আব্দুল মতলিব খোকনকে ৫ হাজার টাকা, শামীম আহমদ চৌধুরীকে ৫ হাজার টাকা, মোঃ মুস্তাককে ৫ হাজার টাকা, ইকবাল আহমদ শামীমকে ৫ হাজার টাকা ও বেবী বেগম চৌধুরীকে ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালানা করেন কুলাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাচন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলমগীর হোসেন। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আখন্দ ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান।

একটি সেতুর অভাবে রাজনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলার ৩ লাখ মানুষের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি

kusiara.b.

এম. মছব্বির আলী:

রাজনগর-বালাগঞ্জ রাস্তার খেয়াঘাট বাজারে কুশিয়ারা নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে দুটি উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ লাখ মানুষ যুগ-যুগ ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। সেতু না থাকায় জীবনের নিয়ে নৌকা যোগে ৩টি ঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। রাজনগর-বালাগঞ্জ রাস্তার খেয়াঘাট বাজারে কুশিয়ারা নদীর ওপর একটি সেতুর জন্য স্থানীয় মানুষ বছরের পর বছর আন্দোলন করলেও এতে ফল হচ্ছে না। অবহেলিত এ অঞ্চলের লোকজনের দাবি, কুশিয়ারা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ হলে শুধু রাজনগর-বালাগঞ্জ নয়, পার্শ্ববর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ ও ওসমানীনগর থানার মানুষও উপকৃত হবে। এসব অঞ্চলের মানুষ সিলেট, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সহজে যোগাযোগের পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা পাবে। জেলার মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত কাওয়াদিঘি হাওরের মৎসজীবিরা পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সহজে মাছ পরিবহন করতে পারবে। স্থানীয়রা জানান, কুশিয়ারা নদীর দক্ষিণ পাশে রাজনগর উপজেলা এবং উত্তর পাশে নদী পার হলেই সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা সদর। শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজের জন্য রাজনগর, বালাগঞ্জ ও ওসমানিনগর উপজেলার মানুষকে সিলেট ও মৌলভীবাজারে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে রাজনগর উপজেলার উত্তর পাশের ফতেহপুর, উত্তরভাগ, পাঁচগাঁও ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দাদের জন্য রাজনগর উপজেলা বা মৌলভীবাজার জেলা সদরের চেয়ে বালাগঞ্জ এবং সিলেটের সঙ্গেই যাতায়াত সহজ। এতে তাদের অর্থ ও সময় দুটোই বাঁচে। কিন্তু সেখানে একটি সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পেশাজীবি মানুষ নৌকা দিয়ে কুশিয়ারা পার হয়ে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন। এছাড়া স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও রোগীসহ সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে গেলে তীব্র স্রোতে খেয়ানৌকায় পারাপার আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তখন এ দুর্ভোগ আরও চরমে উঠে। বিভিন্ন সময় সেখানে নৌকাডুবির মতো মারাত্মক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। সেতুর অভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকায় শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে এ এলাকার মানুষ দিনে-দিনে পিছিয়ে পড়ছে। খেয়াঘাট বাজার ও বিলবাড়ী ঘাটে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঘাটে ৬-৭টি ছোট নৌকা বাঁধা রয়েছে। একটিতে মহিলা ও শিশুসহ ১৪-১৫ জন লোক উঠেছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নৌকা করে কয়েকটি মোটরসাইকেল পার করতে দেখা গেছে। বালাগঞ্জ ডিএন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাওসার আলী জানায়, লেখাপড়া করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই নৌকায় করে কুশিয়ারা নদী পার হতে হয় তাদের। বর্ষায় নদী পারাপার হওয়ার সময় প্রায়ই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।’ স্বাধীনতার পর থেকে স্থানীয়রা এখানে একটি সেতুর জন্য অনেকবার সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের কাছে ধর্না দিয়েছেন। আন্দোলন, বিক্ষোভ, মানববন্ধন করেছেন। ২০১৩ সালে এখানে একটি সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য পরিদর্শনে এসেছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের প্রকৌশলী অধ্যাপক সুজিত কুমার বালা ও অধ্যাপক তারেকুল ইসলাম। তারা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য কুশিয়ারা তীরবর্তী বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছিলেন। এরপর ২ বছর কেটে গেলেও এখনো শুরু হয়নি সেতু নির্মাণ কাজ। তুলাপুর গ্রামের বাসিন্দা অজিত দাশ ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘দেশ স্বাধীনর পর থাকিই নৌকা দিয়া লোকজন চলাচল করে। এইখানে একটা পুলর (সেতু) লাগি এলাকার মানুষে বহুত (অনেক) আন্দোলন-সংগ্রাম করছেন। দুই বছর আগে ঢাকা তনে (থেকে) ইঞ্জিনিয়ার আইয়া (এসে) মাপামাপি করতে দেখলাম। আজ পর্যন্ত কাজ শুরু হলো না।’ খেয়াঘাট বাজার কমিটির সভাপতি খালেদ উদ্দীন আহমদ জানান, রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়কের খেয়াঘাটে একটি সেতু বদলে দিতে পারে এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য। সেতু হলে মৌলভীবাজার ও সিলেটের সাথে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। তিনি বলেন, সেতু হলে এলাকার মানুষের বড় উপকার হতো। সহজে ও কম খরচে পণ্য পরিবহন করা যেত। সেতুটি হলে এলাকার শিক্ষা বিস্তার ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অবদান রাখবে। এ ব্যাপারে রাজনগর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রুবাইয়াত জামান জানান, এই সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় রিপোর্ট একনেকের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু করা যাবে।

কুলাউড়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১

কুলাউড়া প্রতনিধি :
কুলাউড়ায় পৌরশহরের উছলাপাড়া এলাকায় দু’টি সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে লাইলী বেগম (৫০) নামক মহিলা যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং অপর ৩ জন আহত হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় উছলাপাড়া এলাকায় দু’টি সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৪ যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন আকমল আলী (৩২), মাছুম বিল্লাহ (১৬), জাকির মিয়া (২২) ও লাইলী বেগম (৫০)। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত লাইলী বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ দূর্ঘটনাকবলিত দুটি সিএনজি অটোরিক্সা (নং মৌলভীবাজার থ ১১-৮১৯৯ ও মৌলভীবাজার থ ১১-২৯৩৪) দুটি আটক করেছে।  চালকরা দূর্ঘটনার পর পালিয়ে যায়। কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সাইফুল আলম জানান, দূর্ঘটনা কবলিত সিএনজি অটোরিক্সা আটক করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে বিজিবি দিবস পালিত

নান্টু রায়, শ্রীমঙ্গল
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শ্রীমঙ্গলে পালন করা হয়েছে বিজিবি দিবস। ৪৬ বিজিবি’র উদ্যোগে এই দিবস পালন করা হয়।  রোববার বিজিবি’র শ্রীমঙ্গল সেক্টরের বীর উত্তম শহীদ সফিক উদ্দিন চৌধুরী মিলনায়তনে দুপুর ১ টায় এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন ৪৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল নাসির উদ্দিন, মেজর মাহমুদ, ৫৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল সাজ্জাদ, ডিএডি মোশারফ, সেক্টরের অপস্ অফিসার মেজর শাহেদ, ক্যাপ্টেন শাহেদ, এনএসআই’র ডিডি রফিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি গোপাল দেব চৌধুরীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

Gram-Banglaকমলকুঁড়ি রিপোর্ট: কমলগঞ্জে ঘন কুয়াশার সাথে সাথে ঠান্ডা হালকা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শীতের তীব্রতার কারনে জনজীবন স্তবির হয়ে পড়েছে।

সোমবার শ্রীমঙ্গলেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। অবরোধের কারণে দুরপাল্লার গাড়ী চলাচল না করলে ও হালকা বাহন চলাচল করেছে। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলোকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

শীতের তীব্রতার জন্য দিনের বেলায়ও হাট-বাজার ও অফিস-আদালতে লোক সমাগম কম ছিল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে হতে দেখা যায়নি। অনেকেই ঘরের আঙ্গিনায়, এমনকি রাস্তার পাশে আগুণ জ্বালিয়ে বৃত্তাকারে বসে শরীরে উত্তাপ নিতে দেখা গেছে। শীতের তীব্রতা বেশী লক্ষ্য করা গেছে চা বাগান এলাকায়।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষক কেন্দ্রের সিনিয়র অবজারভার অফিসার মো. হারুনুর রশীদ জানান, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সূত্রে জানা গেছে ,শীতের তীব্রতার কারণে উপজেলার সর্বত্র স্বর্দি, কাশি, জ্বর ,শ্বাসকষ্ট রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

‘নৌকা মার্কায় ভোট দিন, বাবার আত্মা শান্তি পাবে’ -সৈয়দা সাবরিনা শারমিন

{Pic-}-1

হাসনাত কামাল, মৌলভীবাজার :

দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইলেন প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর কন্যা সৈয়দা সাবরিনা শারমিন। তিনি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ফজলুর রহমানের পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট চাইলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিন, বাবার আত্মা শান্তি পাবে’। সৈয়দা সাবরিনা শারমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ বাবা জীবিত থাকলে অনেক খুশি হতেন।’
জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাবরিনা শারমিন বলেন, ‘নৌকা ঐক্যের প্রতীক। দলের জন্য নৌকার প্রতীকের পক্ষে আমরা আজ থেকে মাঠে নামছি। নৌকাকে জেতাতে বিভেদ ভুলে কাজ করছে সবাই।’

তিনি বলেন, ‘দলীয় প্রতীক বরাদ্দ হওয়ায় এখন আর বিভেদ খোঁজার সুযোগ নেই। নির্বাচনে সবাইকে নৌকার জন্যই কাজ করতে হবে।’ মেয়রপ্রার্থী ফজলুরের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন বলেও জানান সৈয়দা সাবরিনা।

শ্রীমঙ্গলে দা দিয়ে গলা কেটে গৃহবধুর আত্মহত্যা

শ্রীমঙ্গল |:

শ্রীমঙ্গলের আশিদ্রোন ইউনিয়নের টিকরিয়া গ্রাম থেকে এক গৃহবধূ’র লাশ উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর আনুমানিক ৫ টার দিকে টিকরিয়া গ্রামের আহাদ মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫) নিজ বাড়ির রান্না ঘরে গিয়ে রান্নাঘরে থাকা বটি দা দিয়ে নিজ গলা গেটে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পরিদর্শক সৈয়দ মাহবুবুর  রহমান জানান, এলাকাবাসীর মতে মৃত্য মনোয়ারা বেগম শারীরিক ও মানসিক রোগে ভূগছিলেন। যার জন্য ডাক্তার ও কবিরাজের শরনাপন্ন হয়ে চিকিৎসাও নিয়েছিলেন। কয়েকদিন যাবত এলাকাবাসীকে বলেও বেড়িয়েছিল যে,সে হয়তো আর বাঁচবেনা। শারীরিক রোগের জ্বালা যন্ত্রনায় প্রায় রাতে নাকি তার ঘুম হতোনা।

এমতাবস্থায় সোমবার ভোরে তার স্বামী যখন ফজরের নামাজ পড়তে যায় তখন একা ঘরে সুযোগ পেয়ে নিজেদের রান্না ঘরে গিয়ে রান্না ঘরে থাকা বটি দা দিয়ে নিজ  গলায় নিজেই কুপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পরিদর্শক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আরও জানান, এব্যারে তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুলাউড়ায় মেয়েসহ মায়ের আত্মহত্যা

কুলাউড়া প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মনু রেলস্টেশন এলাকায় উদয়ন ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে মেয়েসহ আত্মহত্যা করেছেন মা জাহানারা বেগম। সোমবার মনু রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জাহানারা বেগম কুলাউড়া উপজেলার কোটারকোনা গ্রামের মছদ্দর আলীর স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে জাহানারা তার মেয়ে ইমাকে নিয়ে ভোরে ঢাকা থেকে সিলেটগামী উদয়ন ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিলে ঘটনাস্থলেই জাহানারার মৃত্যু হয়। এ সময় ইমাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ওসি ইফতিয়ার আহমদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৩ সাংবাদিক মেয়র প্রার্থী

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
মৌলভীবাজার জেলার তিনটি পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হয়েছেন তিন সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি জনগণের দ্বারপ্রান্তে সেবা ও সার্বিক উন্নয়ন করতে তারা প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনে জয়ী হতে দিনরাত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কমলগঞ্জ পৌরসভা থেকে দৈনিক আমাদের অর্থনীতি কমলগঞ্জ প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক কমলগঞ্জে কাগজ পত্রিকার সম্পাদক  জুয়েল আহমেদ ও কুলাউড়া পৌরসভা থেকে সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এ কে এম শফি আহমদ সলমান আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে এখন চষে বেড়াচ্ছেন। অন্যদিকে মৌলভীবাজার পৌরসভার ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত সৌমিত্র দেব (টিটু) হাতুড়ি মার্কা প্রতীক নিয়ে মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সাবেক সহকারী সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে রেডটাইমবিডি টুয়েন্টি ফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মেয়র পদে তিনজন প্রার্থী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সবাই শতভাগ আশাবাদী নির্বাচনে জয়লাভ করবেন।