সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মৌলভীবাজার

সাংবাদিক শেখ শফিকের বাড়িতে শোক জানাতে সাবেক চীফ হুইপ আব্দুস শহীদ এমপি

13599085_1739799652942202_1845980325_n

শেখ শফিকুর রহমান :

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ ও মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি জেদ্দা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ শফিকুর রহমানের শ্রীমঙ্গল উপজেলার 2নং ভুনবীর ইউনিয়নের লইয়ার কুল পুরানগাঁও বাড়িতে যান. এবং আওয়ামী লীগ নেতা শেখ শফিকের মা মিসেস জবেদা মানিকের সাথে কিছু সময় কথা বলে শান্তনা প্রদান করেন ও সম্প্রতি শেখ শফিকের পিতা আব্দুল মালিক মানিকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মরহুমের জন্য মাগফেরাত কামনা করেন. এ সময় সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপির সাথে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্র লীগের নেতা কর্মী সাংবাদিকবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য বৃত্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি পুরানগাঁও রাস্তা কে ইট সলিং করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এ ব্যাপারে স্তানীয় জনপ্রতিনিধি কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

লাউয়াছড়ায় বনে সোনালী হনুমানকে গুরুতর আহতবস্থায় উদ্ধার

 index

 

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া বনের বিপন্ন প্রজাতির একটি সোনালী হনুমানকে গুরুত্বর আহতবস্থায় উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
সোমবার ৪ জুন সকালে শ্রীমঙ্গল রাধানগর গ্রামে একটি প্রাপ্ত বয়স্ক সোনালী হনুমান আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে রাধানগর গ্রামের সামছুল ইসলাম বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দেন। পরে সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বর আহত প্রাণীটিকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল পশু হাসপাতালে নিয়ে আসেন। শ্রীমঙ্গল প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জানান, প্রাণীটির মুখমন্ডল, হাত, পা, বুক ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। লেজের মধ্য অংশ দ্বি খন্ডিত হয়ে ঝুলে গেছে। প্রাণীটিকে চিকিৎসা দিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।
এ ব্যপারে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, প্রাণীটি কিভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে তা কেউ জানাতে পারেনি। তবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক লাইনে লেগে এই ঘটনা ঘটতে পারে। কারন রাধানগর, জেরিন ও লাউয়াছড়া বনের ভিতর দিয়ে খোলা বিদ্যুৎ লাইন প্রবাহিত হয়েছে। যে কারনে প্রায়ই বিভিন্ন প্রাণী বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে পুড়ে মারা যায়।

বড়লেখায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ : পুলিশের গুলি : আহত ৫০

 

barlekhanewspic2

বড়লেখা প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় এমপির ভাগ্নে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদকে ধাওয়া করে লাঞ্ছিত করেছে অটোরিক্সা চালকরা।  ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (০৩ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের দক্ষিণবাজারে। এ ঘটনার জের ধরে বিষয়টি ভিন্নদিকে মোড় নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা থেমে থেমে সংঘর্ষ, ভাংচুর, দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া আর ইট-পাটকেলের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০ রাউণ্ড ফাকা গুলিবর্ষণ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ একাধিক সূত্র জানায়, রোববার সকালে জনৈক দুই সিএনজিচালিত অটোরিক্সা চালকের মধ্যে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।  উত্তরবাজার স্ট্যান্ডের ওই চালক মধ্যবাজার স্ট্যান্ডে এসে ঘটনাকারীকে মারার চেষ্টা চালায়। এ সময় সেখানে ভীড় জমে যায়। সদর ইউনিয়ন অফিস সংলগ্ন এলাকায় ভীড় দেখে ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ এগিয়ে গিয়ে সমাধান করে দিবেন জানালে অটোরিক্সা চালক নজরুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিন চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদের গায়ে ধাক্কা মেরে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলে।  এ সময় চেয়ারম্যান উত্তেজিত হলে স্থানীয়রা বিষয়টি তাৎক্ষণিক সমাধান করে দেন। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি জানতে পেরে সোয়েব সমর্থকদের কয়েকজন স্ট্যান্ড কার্যালয়ে গিয়ে ভাংচুর ও ঘটনাকারীকে মারধর করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজীগঞ্জ বাজারের এক ব্যবসায়ী ডেইলি সিলেটকে জানান, ঘটনাটি এখন জফরপুর ও ইয়াকুব নগর দুটি গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। জফরপুর গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। আর ইয়াকুব নগর গ্রুপের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী।

নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারের অপর একজন ব্যবসায়ী বলেন, কাল বাদ পরশু ঈদ। এইরকম সময় বাজারে এমন মারামারি কারোরই কাম্য নয়। আজকের সংঘর্ষে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।

স্থানীয় আওয়ামীলীগেরই এক জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্দনে মধ্যবাজার সিএনজি স্ট্যান্ডের চালকরা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সোয়েব আহমদকে ধাওয়া করে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে দু’টি গ্রামবাসীর মধ্যে। দুপুর থেকে জফরপুর-গঙ্গারজল ও ইয়াকুবনগর গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০ রাাউণ্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। বিকেল ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া আর ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন রিয়াজ উদ্দিন, সুমন আহমদ, জামাল উদ্দিন, নজরুল ইসলাম প্রমুখ। তাৎক্ষণিক আর কারও নাম জানা যায়নি। আহতরা স্থানীয়ভাবে ও উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। ইট-পাটকেল নিক্ষেপের জন্য আনা গাড়িভর্তি একটি ট্রাক্টরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কুলাউড়া সদর সার্কেলের এএসপিসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উভয়পক্ষেই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আননে ২০ রাউণ্ড গুলি চালানো হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘোষিত পে-স্কেল নিয়ে কমলগঞ্জে কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ ।। বৈষম্যমূলক পে-স্কেল বাতিল করে সমহারে দেয়ার দাবি

index

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :
সরকার ঘোষিত শতভাগ পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে টানা দুই দিনের আন্দোলনের মুখে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দপ্তরাদেশ জারির মাধ্যেমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল ঘোষণা করেছে। ফলে এই পে-স্কেলে ব্যাপক  বৈষম্য দেখা দেয়ায় মৌলভীবাজার পবিস এর বিভিন্ন অফিসে কর্মরত কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন। অবিলম্বে এই পে-স্কেল  বাতিল করে সমহারে শতভাগ পে-স্কেল প্রদানের দাবি জানিয়েছেন পবিস কর্মচারীরা।
মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা জানান, সরকার ঘোষিত শতভাগ পে-স্কেল ঈদ বোনাসসহ বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশের ন্যায় সোমবার মৌলভীবাজারে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা মানববন্ধন ও সমাবেশ করে। পরদিন মঙ্গলবার জেলার সকল কর্মচারীরা তাদের দাবি আদায়ে কর্মবিরতিসহ শ্রীমঙ্গলস্থ জিএম অফিসের সম্মুখে সমাবেশ করেন। সারাদেশে এভাবে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা। ফলে আন্দোলনের মুখে ২৮ জুন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ৫৫৩ তম সভায় ১৫১২২ সিদ্ধান্ত মোতাবেক কর্মচারীদের পে-ন্বেল বাস্তয়নে একটি দপ্তরাদেশ জারি করে। ‘পবিস বেতন কাঠামো ২০১৬’ নামে অভিহিত দপ্তরাদেশ মোতাবেক জিএম পর্যায়ে পে-স্কেল ৮৬ শতাংশ, ডিজিএম ৭৪, এজিএম ৬৭, গ্রেড ৯ থেকে পুনর্বিন্যাসকৃত ১৫ গ্রেডে (জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও একাউনটেন্ট) ৬৫ শতাংশ, গ্রেড ৮ থেকে পুনর্বিন্যাসকৃত ১২ গ্রেডে (সহ: জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, পাওয়ার ইউস কো-অর্ডিনেটর) ৭৬ শতাংশ, গ্রেড ৭ থেকে পুনর্বিন্যাসকৃত ৯ গ্রেডে (হিসাব সহকারী, ওয়ারিং ইন্সপেক্টর, লাইন টেকনিশিয়ান) ৭৬ শতাংশ, গ্রেড-৬ (স্টোর কিপার, অফিস সহকারী, ক্যাশিয়ার, মেটার মেকানিক কাম সুপারভাইসার, লাইনম্যান গ্রেড-১) ৫৪ শতাংশ, গ্রেড-৫ (লাইনম্যান গ্রেড-২) ৫১ শতাংশ, গ্রেড-৪ (বিলিং সহকারী, মিটার টেস্টার, ওয়ারিং পরিদর্শক, সহ: ক্যাশিয়ার, সহ:স্টোর কিপার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর) ৪৬ শতাংশ, গ্রেড-৩ (চালক) ৬৪ শতাংশ, গ্রেড-২ (নিরাপত্তা) ৬৮ শতাংশ এবং গ্রেড-১ (মালি, সুইপার) ৭০ শতাংশ পে-স্কেল ঘোষণা করেছে। এই বেতন কাঠামো  ১ জানুয়ারী ২০১৬ তারিখে কার্যকর হবে বলে গণ্য করা হয়েছে। ভাতাদি ২০১৬ সনের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বৈষম্যমূলক বেতন কাঠামোর প্রতিবাদে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় কমলগঞ্জে এক সভায় এই বেতন কাঠামো বাতিল করে সমহারে শতভাগ বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবি জানান। লাইনম্যানরা বলেন, তারা সবচেয়ে অবহেলিত। ঈদের ডিউটির সময়ে কোন ভাতা নেই, শনিবারের কাজের অতিরিক্ত ভাতা নেই, অতিরিক্ত সময়েও ঝুঁকিভাতা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে তারা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী শিবু লাল বসু বলেন, ঘোষিত বেতন কাঠামো সমগ্র বাংলাদেশের জন্য। এটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়নি। তিনি আরও বলেন, এখনও ইনক্রিমেন্ট হয় নাই, ইনক্রিমেন্ট হলে তা দেখা যাবে।

জুড়ীর কন্টি নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার

জুড়ী সংবাদদাতা :

00-43
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফনগর ইউনিয়নের কামিনীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন কন্টি নদী থেকে জুড়ী থানার পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ২৯ জুন বুধবার সকাল ১১ টায় কন্টি নদীতে এক ব্যক্তির লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখে এলাকাবাসী সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজাকে জানান। ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে জুড়ী থানার পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মৌলভীবাজার জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়। এবিষয়ে জুড়ী থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার আক্তারুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

মৌলভীবাজারের পরিবার পরিকল্পনা উপলক্ষে এডভোকেসি সভা

মৌলভীবাজার  সংবাদদাতা :
প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ, নিশ্চিত করে সুস্থ সুন্দর পারিবারিক বন্ধন, এই প্রতিবাদ্য নিয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং মায়ের হাসি-২ এনজিও এনজেন্ডারহেল্থ বাংলাদেশ  এর সহযোগিতায় পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু-গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসেবায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি জোরদারকরণ এর লক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি  সভা গতকাল ২৮ জুন জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান এর উপস্থাপনায় এডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মোঃ কুতুব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মাসুকুর রহমান শিকদার, সিভিল সার্জন ডাঃ সত্যকাম চক্রবর্তী,ডাঃ অমর গুল আজাদ,(এফ,পিসিএসপি) সিলেট অঞ্চল । অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ,কে,এম,আব্দুস সোবহান। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাহমুদুর রহমান।
মুক্ত আলোচনা বক্তব্য  রাখেন  সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান লিলি আক্তার,রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনুন নাহার পান্না, ইসলামী ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম, ২৫০শষ্যা হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মমতাজ আরা রোজি, ডাঃ হাদী হোসেন, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক এস,এম,উমেদ আলী প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

কমলগঞ্জে মণিপুরি তাঁতপল্লীতে ঈদের শেষ সময়ের ব্যস্ততা

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

পাহাড় আর চা-বাগানবেষ্টিত মৌলভীবাজার জেলার অন্যতম পর্যটন উপজেলা কমলগঞ্জ। এ উপজেলায় বসবাসরতদের অন্যতম মণিপুরি সম্প্রদায়। এ সম্প্রদায়ের ৯৫ শতাংশ মহিলা জড়িত তাঁতশিল্পের সঙ্গে। ঈদকে সামনে রেখে মণিপুরি তাঁতশিল্পীরা সারা বছরের মন্দাভাব কাটিয়ে এখন শেষ সময়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তাদের হাতে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের শৈল্পিক ও নান্দনিক ডিজাইন আজ দেশ ছাড়িয়ে ইউরোপ ও আমেরিকাতে স্থান করে নিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ারে মণিপুরীরা দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী তাঁতসামগ্রীর চাহিদা বেড়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলার মণিপুির অধ্যুষিত প্রায় ৩০টি গ্রামের ঘরে ঘরে চলছে তাঁতের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির কাজ। কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজার, আদমপুর, মাধবপুর ও গুলেরহাওর এলাকায় মণিপুরী শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রিপিস, পাঞ্জাবি, বাঁশের কাজ করা সামগ্রী ও ব্যাগের দোকান খোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে ঈদে তাদের তৈরি তাঁতসামগ্রীর ভাল বিক্রি হবে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দিন দিন মণিপুরী তাঁতের তৈরি কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা কমলগঞ্জ প্রতিদিন শত শত দেশি-বিদেশি পর্যটক বেড়াতে আসেন। বেড়াতে আসা পর্যটকরা এখান থেকে মণিপুরি তাঁতের তৈরি বিভিন্ন পোশাক ক্রয় করে থাকেন। বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে মণিপুরী পোশাক হচ্ছে প্রথম পছন্দ। এসব পোশাকের মধ্যে রয়েছে থ্রিপিস, শাড়ি, ফতুয়া, ওড়না, ভ্যানিটি ব্যাগ প্রভৃতি। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এখন মহাব্যস্ত মণিপুরি তাঁতশিল্পীরা। উৎসব-পার্বণে ব্যতিক্রমী পোশাকের জোগানদাতা হলেন মণিপুরি তাঁতশিল্পীরা। মণিপুরি চাদরের সুনাম দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও রয়েছে। এছাড়া ব্যতিক্রমী পোশাক হিসেবে ঈদ আর পূজায় মণিপুরি তাঁতশিল্পীদের তৈরি কাপড়ের চাহিদা বাড়ে। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর, মঙ্গলপুর, রাণীরবাজার, কালারায়বিল, ভানুগাছ, বালিগাঁও, ইসলামপুর, তিলকপুর, ঘোড়ামারা, কোনাগাঁও, ছনগাঁও, তেতইগাঁও, হকতিয়ার খোলা, জালালপুর, কেওয়ালীঘাট, ভানুবিল, বন্দেরগাঁও, কান্দিগাঁও, ছয়চিরী, ভান্ডারীগাঁও, গঙ্গানগর, মকাবিল, গুলেরহাওর, টিলাগাঁও, মাঝেরগাঁও, নয়াপত্তন, হীরামতি গ্রামসহ প্রায় ৩০টি গ্রামে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মণিপুরী তাঁতীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রি করতে দোকানিরা বসেছেন বিভিন্ন আইটেমের সামগ্রী নিয়ে। কমলগঞ্জের মণিপুরীদের তাঁতে উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রী স্থানীয়ভাবে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্রয় করে থাকেন। এ সব সামগ্রী আবার স্থানীয় গ্রামগুলোর দোকানগুলোতে বিক্রি করা হয়।
কমলগঞ্জ পৌরসভার সামনে ভানুগাছ-শ্রীমঙ্গল সড়কে মণিপুরী মার্কেট ‘চিত্রাঙ্গদা’ মণিপুরি কাপড়ের দোকান ছাড়াও অন্য শপিং সেন্টারগুলোতে মণিপুরি পোশাকের ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। এছাড়াও আদমপুর, মাধবপুরসহ মণিপুরি অধ্যুষিত এলাকায় বেশ কিছু মণিপুরি পোশাকের দোকান গড়ে উঠেছে। দেশ-বিদেশের পর্যটক, দর্শনার্থীরা সেখান থেকেও কাপড় ক্রয় করে থাকেন। ঈদ-পূজা আর শীতের নতুন কাপড় তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন তারা।

আলাপকালে মণিপুরী মহিলা তাঁতি শুক্লা সিন্হা, সীমা সিন্হা, কস্তুরি সিন্হা, চিত্রালী সিন্হা জানান, ঈদের পর দুর্গা পূজা আসছে। বাজারে চাহিদা থাকলেও কাঁচামালের অভাবে চাহিদামতো পাইকারি বিক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করতে পারেন না। কাঁচামাল না থাকায় অনেকে তাঁতের কাপড় বোনা বাদ দিয়েছেন বলে জানান তারা। মণিপুরি তাঁতশিল্পী অনামিকা সিনহা বলেন, ঈদ ও পূজা উপলক্ষে অনেক পাইকারই এসে অর্ডার দিচ্ছেন। সিলেটের বাইরে থেকেও অনেক পাইকার এসেছেন। তবে সুতা না পাওয়ার কারণে সব ক্রেতার চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। তিনি জানান, মনিপুরি তাঁত কাপড়ের কাঁচামাল এখন সিলেটে পাওয়া যায় না। ঢাকা, নরসিংদী কিংবা চট্টগ্রাম থেকে আনতে হয়। তাঁতের কাপড় ব্যাবসায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ বলেন, ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী তাঁতের কাপড় দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে। কমলগঞ্জসহ সিলেটের বিভিন্ন স্থানে সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মণিপুরি তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র। বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে এসএমই ঋণ প্রকল্প।

এসব কেন্দ্র থেকে প্রায় সব মণিপুরী পরিবার থেকেই নারীরা তাঁতের কাপড় তৈরি শিখে নিয়েছেন। তার মতে, শুধু প্রশিক্ষন প্রদান ও তাত ঋন দিলেই চলবেনা সর্বাগ্রে প্রয়োজন মণিপুরি কাপড়ের কাঁচামাল সহজলভ্য করা । প্রীতি মণিপুরী হ্যান্ডিক্রাফটসের স্বত্বাধিকারী এন প্রদীপ কুমার সিংহ জানান, এই শিল্পের বিশ্বব্যাপী প্রসার ও তাঁতীদের রক্ষার জন্য সুদের হার কমিয়ে প্রকৃত তাঁতীদের আরও বেশি করে ঋণ দিতে হবে। মণিপুরী তাঁতীদের জন্য আলাদাভাবে ঋণ সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

আশানুরূপ সুতা না পাওয়ায় কোয়ালিটিফুল কাপড় তৈরি করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে সংশি¬ষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, সুতার অপ্রতুলতা ও মূল্য বৃদ্ধির কারণে তাঁতের কাপড় বুননে অনেকে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন। ঈদ এবং পরে পূজা ও ঈদুল আজহা এই তিন উৎসবকে সামনে রেখে বৃহত্তর সিলেটের মণিপুরি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এখন মণিপুরি তাঁতগুলো খুব ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে। তাঁতশিল্পীরা জানান, দেশ-বিদেশে বাহারি মণিপুরি পোশাকের প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাব রয়েছে। তাই সবার আগে কাঁচামাল প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

কুলাউড়ায় বাল্য বিয়ে করায় বরের কারাদন্ড

Read more

কুলাউড়ায় জাতীয় যক্ষ্মা বিষয়ক এক এডভোকেসী সভা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

20160624_192033-1

হীড বাংলাদেশ ইউএসএআইডি চ্যালেঞ্জ টিবি (সিটিবি) বাংলাদেশ প্রকল্পের আমন্ত্রণে কুলাউড়ায় জাতীয় যক্ষ্মা বিষয়ক এক এডভোকেসী সভা  অনুষ্ঠিত হয়।

 

বুধবার ২২ জুন কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে  হীড ববাংলাদেশ জেলা টিবি সমন্বয়কারী তাপস বাড়ই এর সবভাপতিত্বে ও সুপারভাইজার রবীন্দ্র কুমার সিংহ এর পররিচালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য প: প: কর্মকর্তা ডা: মিজানুর।

 

সভায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

সভায় এইচআই/ এএইচআইসহ ৩০ জন স্বাস্থ্য কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রজেক্টের কার্যক্রম প্রজেক্টারের মাধ্যমে জুলাই ২০১৫  থেকে জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমস্ত রোগীদের কার্যক্রম বুঝিয়ে দেয়া হয়।

 

কুলাউড়ায় যক্ষ্মা বিষয়ক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

20160624_191816-1-1

 

 

হীড বাংলাদেশ ইউএসএআইডি চ্যালেঞ্জ টিবি (সিটিবি) বাংলাদেশ প্রকল্পের অধীনে কুলাউড়ায় জাতীয় যক্ষ্মা বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ  অনুষ্ঠিত হয়।

 

বৃহস্পতিবার ২৩ জুন কুলাউড়ার টিলাগাঁও হাজী তাহির আলী কমিউনিটি সেন্টারে হীড বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ টিবি প্রজেক্ট এর প্যারামেডিক এ্যালভিন অর্থি বোস এর সভাপতিত্বে ও সুপারভাইজার রবীন্দ্র  কুমার সিংহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টিলাগাঁও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা: আবু সালেহ মোহাম্মদ সায়েম।

 

সভায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।