সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মৌলভীবাজার

বড়লেখায় প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

বড়লেখা সংবাদদাতা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ি) আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় বড়লেখায় উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের আয়োজনে নারী শিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজ হল রুমে এ প্রশিক্ষণ হয়। প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তোফায়েল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সুহেল মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুরুল আলম, বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিনুল হক প্রমুখ।

মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসে আগুন দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  অগ্নিসংযোগের জন্য বিএনপিকে কে দায়ী করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি অস্থায়ী নির্বাচনী
অফিস উদ্বোধন করা হয় শনিবার। সেদিন রাতেই ওই অফিসে আগুন দেয়ার পাশাপাশি চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে।

কাগাবলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাদের অভিযোগ, বিএনপি জামায়াতই এ আগুন লাগিয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম. নাসের রহমান জানান, এটাকে ইস্যু করে আমাদের নেতাকর্মীর ওপর মামলা করার জন্য এই নাটক। একটি প্রত্যন্ত এলাকায় বিকেলে কার্যালয় তৈরি করলেন আওয়ামী লীগ নেতারা আর রাতে আবার তা পুড়িয়ে দিয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। এ ব্যাপরে মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের কাছে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ : মৌলভীবাজার-৪ আসনের গণফোরাম প্রার্থী অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষনা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic 2
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন। বৃৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে শ্রীমঙ্গল শহরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ এর প্রতিনিধি মো: আব্দুল আজিজ। এ সময় গণফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুস সালাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি রাসেন্দ্র দত্ত, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: আজাদুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য মো: আতিকুজ্জামান, লন্ডণ বিএনপির উপদেষ্টা আং মমিন তরফদার প্রমুখ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ বলেন, সুদীর্ঘ ৪২ বছর যাবত আইন পেশায় নিয়োজিত থাকাকালীন সময়ে মানুষের প্রতি আমার বিপুল ভালবাসা থাকায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ আমার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিলেও ঐক্যফ্রন্টের অধিকাংশ নেতাকর্মী সমর্থক নির্বাচনী কর্মকান্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় গণফোরাম এর স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দিতা থেকে তিনি বিরত থাকছেন। তবে তিনি কাউকে সমর্থন জানাননি বলে সাংবাদিকদের জানান।
অ্যাড. শান্তিপদ ঘোষ আরো বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে আমার দল গণফোরাম এর সর্ব্বোচ্চ নেতৃবৃন্দ থেকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করায় নির্বাচনী এলাকায় আমার সমর্থনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে ঐক্যফ্রন্টের চুড়ান্ত প্রার্থীতা ঘোষনার মাধ্যমে আমাকে মনোনীত না করায় আমার কর্মী সমর্থকও আমাকে সমর্থনকারী বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হলে বিরাজমান অবস্থায় আমি দলীয় প্রতীক “উদীয়মান সূর্য” মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অবতীর্ণ হতে বাধ্য হই। পরবর্তীতে ঐক্যফ্রন্টের শরিক ও তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত শক্তিশালী শরিক দল বিএনপিসহ মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীকাল হতে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অবস্থান স্বত্ত্বেও ঐক্যফ্রন্টের অধিকাংশ নেতাকর্মী সমর্থক নির্বাচনী কর্মকান্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় গণফোরাম এর স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দিতা থেকে আমি সরে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাঁকে সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদানকারী নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবের অভিযোগ : গাড়িবহর থেকে ১৫ নেতাকর্মীকে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শ্রীমঙ্গলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১৫ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর গাড়িবহর থেকে ১৫ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ করেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পৌর যুবদলের সদস্য সোহেল আহমদ ও ছাত্রদল নেতা মান্না রয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ অভিযোগের ব্যাপারে মৌলভীবাজারে এএসপি (সার্কেল) আশরাফুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের প্রচার গাড়িতে হামলা হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ঠিক কতোজনকে আটক করা হয়েছে তা এই মূহূর্তে বলা যাবে না।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার (18 ডিসেম্বর) সন্ধ্যা  সাড়ে ৭টায় ভোজপুর বাজারে নির্বাচনী সভা শেষে আমার গাড়ী ও আমার নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত দুটি গাড়ী নিয়ে ভোজপুর বাজার থেকে বের হয়ে আসলে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে.এম.নজরুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আমার গাড়ীর গতি রোধ করে। এসময় তারা আমার গাড়ীটি ছেড়ে দিয়ে আমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অপর দুইটি গাড়ী থেকে আমার নেতাকর্মীদের পুলিশ অকথ্য ভাষায় গালা গালি ও মারধর করে আটক করে নিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমাদ আলীকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ আটক করে। কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে ঐক্যপ্রক্রিয়ার একটি মিটিং-এ পুলিশ অভিযান চালিয়ে মিটিং পন্ড করে দেয় এবং নেতাকর্মীদের বিনা ওয়ারেন্টে আটক করার চেষ্টা করে। নেতাকর্মীরা প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ রহিমপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী অফিস হতে উপজেলা বিএনপি সহ প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শিপলুকে আটক করে।

মৌলভীবাজারে মোটর সাইকেলে আগুন !

নিজস্ব প্রতিবেদক

22মৌলভীবাজারে  একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৯  ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের  সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখে মোটর সাইকেল রাখা ছিল। হঠাৎ করে সাইকেলটিতে আগুন ধরে যায়। পরে খবর পেয়ে মৌলভীবাজার ফায়াস সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন।  মৌলভীবাজার জেলার সিনিয়র পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: রাশেদুল ইসলাম পিপিএম  জানান, হঠাৎ করে কে বা কাহারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

233

মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল হোসেন চৌধুরী আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম মৌলভীবাজার  জানান, মোটরসাইলের মালিক জনি আহম্মদ  জেলা ছাত্রলীগের একজন কর্মী। জনি আহম্মদ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের গোজারাই গ্রামের হাসেম মিয়ার ছেলে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি সোহেল আহম্মদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোটর সাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে নৌকার প্রচার গাড়িতে হামলা, আহত ২

23শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা::

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বিটিআরআই (বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্র) ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে নৌকা প্রতীকের প্রচারণার সময় গাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানান, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিটিআরআই (বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্র) ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে মুখোশ পরা কয়েকজন যুবক নৌকার প্রচার গাড়ীতে হামলা চালায়। তারা গাড়ী ভাংচুরএবং প্রচারণায় থাকা দুই জনকে আহত করেছে।

আহতরা হলেন- শ্রমিকলীগ নেতা মো. মিজান মিয়া এবং গাড়ি চালক মো. হারুন মিয়া। তাদেরকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে ৷

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মৌলভীবাজার-২ : বড় দুই দলের নেতাকর্মীদের দ্বিমুখী অবস্থান

21

নূরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে দুই দলের নেতাকর্মীরা দিনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও রাতে মহাজোটের হয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ দিনে মহাজোট রাতে ঐক্যফ্রন্ট। এমন আলোচনা-সমালোচনায় কুলাউড়ার নির্বাচনী মাঠ সরগরম। এ নিয়ে দুই দলের দুই নবাগত প্রার্থীর মধ্যে চলছে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচল। এ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর এবং মহাজোট প্রার্থী বিকল্পধারার এমএম শাহীন ডিগবাজি দিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থান থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনী এলাকায় সুর উঠেছে- আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর পক্ষে ও বিএনপির একটি অংশ মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে গোপনে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, মনোনয়নবঞ্চিত উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জনপ্রতিনিধি নেতা, শ্রমিক লীগের পদস্থ নেতা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় ও সদস্য পদমর্যাদার একাধিক নেতা ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের পক্ষে রাতে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এসব নেতা ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে শুরু করে আওয়ামী রাজনীতিতেও বিকশিত হয়েছেন সুলতান মো. মনসুরের উৎসাহ-অনুপ্রেরণায়। ফলে এসব নেতা দিনে মহাজোট প্রার্থী এমএম শাহীনের পক্ষে সরব থাকেন নির্বাচনী প্রচারে। রাতে থাকেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর পক্ষে। একইভাবে উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতা মহাজোট প্রার্থী এমএম শাহীনের পক্ষে রাতে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে দিনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী তৎপরতায় ব্যস্ত সময় কাটান। দুই দলে নেতৃবৃন্দের দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে সাধারণ ভোটাররা বিপাকে পড়েছেন। তারা দিনের কথা, নাকি রাতের প্রচারে বিশ্বাস করবেন? কুলাউড়া উপজেলা সদর থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর মধ্যে চলছে লুকোচুরি খেলা। ফলে মহাজোট ও ঐক্যফ্রন্ট দুই শিবিরের নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের দোলাচলে ভরসা হারাচ্ছেন বলে জানা গেছে। কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আ স ম কামরুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতির সিদ্ধান্তের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী একজোট হয়ে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় মহাজোট প্রার্থীর অবস্থা দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। সব মিলিয়ে মহাজোট ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

নির্ভরশীল একটি সূত্র জানায়, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় পদে থাকা এক জনপ্রতিনিধি মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে তেমন সরব না থেকে রাতে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিকল্পধারার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় মনোনয়নপ্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও তাদের অনুসারীদের অনেকে এক সময়ে কুলাউড়ায় আওয়ামী লীগের সুলতান মো. মনসুরের অনুকূলে গোপনে কাজ করছেন বলে জানান হাজীপুর ইউনিয়নের কটারকোনা এলাকার সাধারণ ভোটার ব্রিকফিল্ড শ্রমিক গিয়াস উদ্দিন (৬৫)।

ঐক্যফ্রন্টের কারণে বিএনপির এমএম শাহীনের মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিলে তিনি বিকল্পধারায় যোগ দিয়ে মহাজোটের মনোনয়ন নিশ্চিত করে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। ফলে সারাজীবনের রাজনৈতিক শ্রমসাধনায় গড়া বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি অংশ গোপনে তার পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছে। এতে দুই শিবিরেই অশান্তির দাবানল জ্বলছে। জেলা বিএনপির সহসভাপতি, কুলাউড়ার ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেন, হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল বাছিত বাচ্চু, বিএনপির স্থানীয় উপজেলা শাখার নেতা তফজ্জুল হোসেন তফইসহ কেউ কেউ গোপনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংগ্রহ : সমকাল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ : মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপি’র মধ্যে দলীয় কোন্দল মিটিয়ে প্রচারণা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

14
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র মধ্যে দলীয় ক্ষোভ ও কোন্দল ছিল। যদিও আওয়ামীলীগ আলাদা আলাদাভাবে দলীয় কমিটি নেই,  এক কমিটির মধ্যই ছিল। কিন্তু দলের ভিতরে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল বিরাজমান ছিল।  আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে কোন্দল ও ক্ষোভ মিটিয়ে দলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। অন্যদিকে বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে দলীয় কোন্দল বিরাজমান ছিল। আলাদা আলাদা কমিটি ছিল। এখন তা নিরসন হয়ে দলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন। তবে কমিটি আলাদা রয়ে গেছে।  কিন্তু নির্বাচন সামনে রেখে এখন দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামী লীগের ছয়জন দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বর্তমান সাংসদ সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ ও কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুর রহমান বেশি আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এম এ শহীদই দলীয় মনোনয়ন পান। এরপর বিশেষ করে কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন্দল দেখা যায়।  অবশেষে এ বিরোধ মিটিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

11
৩ ডিসেম্বর কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ডাকা হয়। সভায় দলীয় প্রার্থী এম এ শহীদ তাঁর বক্তব্যে সবকিছু ভুলে গিয়ে দলের ও দলীয় প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে সবার কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তখন সবাই মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভের বিষয়টি ভুলে দলীয় প্রতীক নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐকমত্য পোষণ করেন। ওই সভার পর কমলগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দলীয় প্রার্থীর ছোট ভাই এম. মোসাদ্দেক আহমদ মানিককে আহ্বায়ক করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মনোনয়নবঞ্চিত অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমানকে এবং সদস্য সচিব হিসাবে আছেন প্রার্থীর আরেক ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল।
অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান বলেন, দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে চলতে হবে। তাই সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নৌকার পক্ষে তাঁরা জোর প্রচারণা শুরু করেছেন।
এদিকে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে বিএনপির গৃহবিবাদ দীর্ঘদিনের। কয়েক বছর ধরে এখানে নেতা-কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত। এমনকি কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বিএনপির আলাদা আলাদা কমিটি ছিল। কিন্তু সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কোন্দল মিটিয়ে ফেলা হয়েছে।

12
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও আলম পারভেজকে সম্পাদক করে কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একটি কমিটি রয়েছে। এ ছাড়া আবু ইব্রাহিম জমশেদকে সভাপতি ও শফিকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির কমিটি আছে। অন্যদিকে এখানে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সমর্থিত দুটি কমিটিও আছে। উপজেলা কমিটিতে দুরুদ আলী সভাপতি ও আবুল হোসেন সাধারণ সম্পাদক। পৌর কমিটিতে সোয়েব আহমদ সভাপতি ও তোফাজ্জল হোসেন সাধারণ সম্পাদক। আর শ্রীমঙ্গলে মুজিব বিরোধী কমিটিতে আতাউর রহমান সভাপতি ও ইয়াকুব আলী সাধারণ সম্পাদক। পৌর কমিটিতে মোছাব্বির আলী সভাপতি ও শামীম আহমদ সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে মুজিবুর সমর্থিত উপজেলা কমিটিতে আতাউর রহমান সভাপতি ও ইয়াকুব আলী সাধারণ সম্পাদক। এই পক্ষের পৌর কমিটিতে নুরুল আলম সিদ্দিকী সভাপতি ও তাজ উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক।
দলীয় সূত্র বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর হিসেবে এসেছে বিএনপির জন্য। মৌলভীবাজার-৪ আসনে মুজিবুর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা ওই বিরোধিতা থেকে সরে এসেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মুজিবুর বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় এখন দুই উপজেলার সব নেতা-কর্মীই ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
১০ ডিসেম্বর আতাউর রহমান ও ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বাধীন বিএনপির অংশটি সংবাদ সম্মেলন করে বিরোধ মিটিয়ে দলীয় প্রতীককে বিজয়ী করতে কাজ করার ঘোষণা দেয়। এরপর ১৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওয়ালী সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে কমলগঞ্জে বিএনপির উভয় পক্ষের সমঝোতা বৈঠক হয়।

আওয়ামীলীগ এর মধ্যে বিরোধ ও বিএনপির মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রচার প্রচারণা করে যাচ্ছেন। উভয় দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা বিজয় নিশ্চিত বলে আশাবাদী।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নিরাপত্তা চেয়ে জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপি’র প্রার্থী হাজী মুজিব

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Haji Mujib
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিজের জীবনের ও কর্মী সমর্থকদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবরে চিঠি পাঠিয়েছেন। সোমবার সকালে পাঠানো এই চিঠিতে তিনি লিখেন, নির্বাচনী প্রচার চালাতে গিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, আমার পোস্টার ছিঁড়ে একই স্থানে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীর পোস্টার লাগানো হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী বিভিন্ন সভায় হামলা ও ভাংচুর করা হচ্ছে, নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে। তাঁর নির্বাচনী সভার আশেপাশে দা, লাঠি, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। চিঠিতে তিনি আরও লিখেন, প্রায়ই আমার নির্বাচনী প্রচারনায় যাতায়াতের পথে হেলমেটধারী অজ্ঞাত কিছু মোটর বাইক তার গাড়িকে অনুসরন করে, যে কারনে আমি এবং আমার নেতাকর্মীরা প্রচন্ড নিরাপত্তীহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয় প্রশাসনকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, আমার দলীয় নেতীকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মো: তোফায়েল ইসলাম বলেন, চিঠিটি হয়তো আমার অফিস রিসিভ করেছে আমি এখনও চিঠি পাইনি।

বাংলাদেশ : -পলাশ দেব নাথ

Bangladesh copy
উনিশ শত সাতচল্লিশ থেকে শুরু করে আজ অবধি,
সাক্ষী আছে পাহাড় পর্বত কত সাগর নদী।
রক্তকণা বয়ে নিতে নদী হয়নিকো অস্থির,
জানতো নদী রক্তে মিশে আছে বাংলার বীর।
পাহাড় দেখেছে অনেক কিছু তবু অশ্রু আসেনি চোঁখে,
কত শহিদের দেহখানি ঠাই দিয়েছে তার বুকে।
কিসের নামাজ কিসের জানাজা গায়ে না দিয়ে কাপন,
এক কবরে কত শহিদকে করা হয়েছে দাফন।

বায়ান্নতে মায়ের ভাষা রক্ষা করতে গিয়ে,
রফিক জব্বারের মত অনেকের প্রাণ আসতে হয়েছে দিয়ে।
যুক্তফ্রন্ট আর মুজিবনগর সরকার করে গঠন,
একুশদফা ভিত্তির উপর চুয়ান্নর নির্বাচন।
ছয়ষষ্টিতে ছয়দফা শুনে কেউ থাকেনি স্থীর,
শপথ করে পথে নামে বাংলার সকল বীর।
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আরো কত আন্দোলন,
সকল কথা শুনলে আজো শিউরে উঠে মন।
ছিলনা পরিচয় বুদ্ধিজিবী, কিংবা মাঠের চাষী,
সবাই বলেছেন মায়ের সন্তান আমি মাকেই ভালোবাসি।

সত্তরেতে  দলীয়ভাবে করে নির্বাচন,
শেখ মুজিবুর জয়লাভ করে পাননি যোগ্য আসন।
পরে দিলেন তিনি ভাষন,
এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
সাত মার্চে বঙ্গবন্ধুর শুনে এমন বাণী,
হাসি মুখে যুদ্ধে গিয়ে দিয়েছে প্রাণখানি।
মাকে বলেছে মাগো আমি ফিরে আসবো আবার,
স্ত্রীকে বলেছে যতনে রাধিও আমার প্রিয় খাবার।
ভাগ্য দোষে অনেকই আর ফিরে আসেনি,
শুনলে চোঁখে ঝড়ে পানি, বাংলার করুণ কাহিনী।

প্রথম থেকেই থেকেই পাকিস্থানিরা করেছে বাংলা শোষন,
ঠিকমত পায়নি বাঙ্গালী খাবার কিংবা বসন।
কত রাজাকার করেছে আবার তাদের সাহায্য,
ওরা পাপি বলেই গ্রাহ্য।
পচিঁশে মার্চ কালো রাতে নির্মম হত্যা,
গুলি ছুড়ে ওরা উড়িয়ে দিয়েছে কত জনার মাথা।
ছাব্বিশে মার্চ পেলাম আমরা প্রিয় স্বাধীনতা।
ওরা ছিল কত পাষান,
ইতিহাসে তখন নির্মম ছিল পশ্চিম পাকিস্থান।
যে মেয়েরা লজ্জায় থাকতো আড়ালে সর্বক্ষণ,
সেই মেয়েকেও তখন ওরা করেছে ধর্ষণ।
যারা হারিয়েছে নিজের মান অনেকের হয়েছে মরণ,
তারা আজ বীরাঙ্গনা নারী গৌরবের উদাহরণ।
দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বয়ে গেলো আরেক ঝড়,
বুদ্ধিজিবীরাও বাঁচতে পারেনি চৌদ্দই ডিসেম্বর।

দেখে বাঙ্গালীর আত্মবলি দেখে জীবন বাজি,
আত্ম সমর্পন করতে বাদ্য হলেন নিয়াজী।
লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এত আন্দোলনের পর,
বিজয় পতাকা উড়লো শেষে ষোলই ডিসেম্বর।
মা বোন যারা সুরক্ষার জন্য ছিলেন ভারত বর্ষে,
নিজের দেশে ফিরলেন শেষে আনন্দ উল্লাসে।
শত কবিতা লিখে বাংলার ইতিহাস হবেনা শেষ,
অনেক ত্যাগে অর্জিত মোদের সোনার বাংলাদেশ।
——————————————-
লেখক পরিচিতি :  কবি ও সংবাদকর্মী