সদ্য সংবাদ

বিভাগ: রহিমপুর

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ

- মো. জুয়েল আহমেদ

DSC_0258
প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তারে বর্তমান সরকারের সকল পদক্ষেপ যুগান্তকারী হিসেবে বিবেচিত। শিক্ষা বান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে বিদ্যালয়গামী হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা। এতে ঝড়ে পড়ার হার দিন দিন কমছে। শিশুরা উৎসাহ নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার হিসেবে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠছে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহন করার পর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সকল বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখায় প্রাথমিক শিক্ষার মান দিন দিন বাড়ছে।
দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুসজ্জ্বিত প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনী কক্ষ চালুর পাশাপাশি শিশুদের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়াধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় মনোরম পরিবেশে আনন্দ উৎসাহের সাথে খেলনার চলে যাতে শিশুরা শিক্ষা গ্রহন করতে পারে সেজন্য প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনী কক্ষকে বিভিন্ন সাজে সজ্জ্বিত করা হয়। এতে শিশুরা নিজের মতো করে হাতে খড়ির শিক্ষা গ্রহন করছে। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বর্ধিত শ্রেনী কক্ষ নির্মাণের পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মান করা হচ্ছে। এতে নিজেদের মতো করে স্বাচ্ছন্দে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়গামী করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে স্থানীয়দের অংশগ্রহনে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে চালু করার হয় মিড ডে মিল কার্যক্রম। যে কারনে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ে উপস্থিতির হার। স্থানীয়রাও সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহবানে মিড ডে মিল কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে শুরু করেছেন। পৌর এলাকাসহ দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হয় শতভাগ উপবৃত্তি। সরকারের সাহসী এই পদক্ষেপে ঝড়ে পড়ার হার প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। মা বাবা তাদের সন্তানদের এখন কাজে না দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠান। সকল বিদ্যালয়েই অনুষ্ঠিত হয় মা সমাবেশ। এতে করে মা’রা তার সন্তানের লেখাপড়ার খোঁজ খবর নেওয়া সুযোগ পাচ্ছেন। নিরাপদে লেখাপড়ার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য রাস্তার পাশের বিদ্যালয়গুলোতে নির্মাণ করা হচ্ছে সীমানা প্রাচীর। বছরের প্রথম দিন সকল শিক্ষার্থীর হাতে একযোগে তুলে দেয়া হচ্ছে পুরোপুরি নতুন বই। যেটা এক সময় ছিল স্বপ্ন। জানুয়ারীর ১ তারিখ শিক্ষার্থীরা মেতে উঠে বই উৎসবে। বইয়ের জন্য এখন আর বছরের কয়েক মাস হেলায় হেলায় নষ্ট হয় না। শিক্ষকদের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণের। আধুনিক ও মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য শিক্ষকরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
বর্তমান সরকারের আমলেই শিক্ষকদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি করা হয়। প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেনীর ননগেজেটেড কর্মকর্তার মর্যাদা দেয়া হয়। কোমলমতি শিশুদের মধ্য থেকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সৃষ্টির অংশ হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চালু করা হয় ছাত্র সংসদ। বছরে এক বার শিক্ষার্থীরা উৎসাহ উদ্দীপনায় নিজেদের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে স্টুডেন্ট কাউন্সিল প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। এতে তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুনাবলী তৈরী হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালুর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি দুর করা হচ্ছে। দেশের সকল বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে শিশুরা বিদ্যালয়ে সকল সুবিধা ভোগের সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে। শিক্ষক সংকট দুর করার জন্য প্রতি বছর স্বচ্ছতার সাথে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। স্লিপ ফান্ডের মাধ্যমে সকল বিদ্যালয়ে চাহিদামতো সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মানষকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে দেশের সকল বিদ্যালয়কে সরকারী বিদ্যালয় হিসেবে ঘোষনা করেন। যে কারনে শিক্ষকরা নিজ থেকে উৎসাহিত হয়ে শিক্ষা দানে আন্তরিক ভাবে মনোনিবেশ করেছেন। শিক্ষকরা যাতে তাদের সুবিধামতো চাকুরী করার সুযোগ পায় সেই সুযোগও সরকার করে দিয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় বর্তমান সরকারের আমলে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সু-শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি গঠনে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগন সরকারের গৃহীত সকল পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহন করায় শিক্ষা ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধিত হচ্ছে।
লেখক ঃ শিক্ষাদরদী, সমাজকর্মী

লোক গবেষক প্রয়াত মাহফুজুর রহমানকে স্মরণ করলো মৌলভীবাজারবাসী

DSC00807

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 
লোক গবেষক, লেখক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহফুজুর রহমানের মৃত্যুতে মৌলভীবাজারে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে মাহফুজুর রহমান নাগরিক শোকসভা কমিটি এ স্মরণসভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক শোকসভা কমিটির আহবায়ক প্রাবন্ধিক মো. আব্দুল খালিক। নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্য নিলিমেষ ঘোষ ও মীর ইউছুফের যৌথ সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দ আবু জাফর আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্যসচিব ডাডলী ডেরিক প্রেন্টিস ও প্রচার প্রকাশনা উপ কমিটির আহবায়ক আহমদ আফরোজ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ হোছনে আরা ওয়াহিদ, জেলা জাসদের সভাপতি আব্দুল হক, নাট্যকার আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল হামিদ মাহবুব, প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি সৈয়দ মোসাহিদ আহমদ চুন্নু, বিএনপি নেতা ওয়ালী সিদ্দিকী, মরমি শিল্পী ইউছুফ আলী, সাংস্কৃতিক সংগঠক এম শাহাবউদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক বকসী ইকবাল আহমদ, মাহফুজুর রহমানের ছেলে মোফলেহ রহমান, চিকিৎসক সায়মা মুজাহিদ লিজা, কবি জাহাঙ্গীর জয়েস, আইনজীবী পার্থ সারথী পাল, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সমন্বয়ক মাসুদ রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা কমিটির সভাপতি সুবিনয় রায় প্রমুখ। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন কবি মহিদুর রহমান।
এসময় প্রয়াত মাহফুজুর রহমান স্মরণে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ লোকপুরানের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা এবং মাহফুজুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত তথ্যচিত্র লোকপুরান দেখানো হয়।

কমলগঞ্জে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-Rpur
“ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার” এই শ্লোগানে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ শুক্রবার দুপুরে ভানুগাছ সার্বজনীন দুর্গাবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সভাপতি নিহারেন্দু ভট্টাচা র্য্যরে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও  হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরি ষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভা পতিমন্ডলীর সদস্য রনধীর কুমার দেব। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক প্রণয় দত্ত ও যুগ্ম সম্পাদক কালীপদ দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঐক্য পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এড, মাখন লাল দাস, মুখ্য আলোচক ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড. রাধাপদ দেব সজল, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আশু রঞ্জন দাস, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক মোহন চন্দ্র দেব, কমলগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর লাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাশ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আরিফুর রহমান, অধ্যাপিকা মঞ্জুশ্রী রায়, ভানু গাছ বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: সানো য়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদ কমল গঞ্জ উপজেলা শাখার প্রেডি য়াম সদস্য জিডিশন প্রধান সূচিয়াং। সম্পাদকীয় প্রতি বেদন পাঠ করেন ঐক্য পরিষদ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অশোক বিজয় দেব কাননজ্ঞ কাজল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ২য় অধিবেশনে কমিটি গঠন করা হয়। প্রণয় দত্তকে সভাপতি, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জিডিশন প্রধান সূচিয়াং, সত্যেন্দ্র কুমার পাল (নান্টু), কৃষ্ণ কুমার সিংহ, রামভজন কৈরী। সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দেব, যুগ্ম সম্পাদক সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত বুলবুল, সীতারাম বীন, অনিমেষ পাল লিটন ও প্রমোদ চন্দ্র দেবনাথকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনাক্রমে পূর্ণাঙ্গ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হবে।

সংস্কৃতি চর্চাকে বিকশিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে – কমলগঞ্জে সংস্কৃতি-বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর

Pic- Kamalgonj-1

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট   :
সংস্কৃতি-বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর এমপি বলেছেন, সংস্কৃতি চর্চাকে বিকশিত করতে তৃণমূল পর্যায়ের নিয়ে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্কৃতি জাতি সংঘ স্বীকৃতি দিয়ে গেছে। কমলগঞ্জ উপজেলা একটি বিচিত্রময় এলাকা। এখানে নানা ভাষাভাষি, জাতি গোষ্ঠীর বসবাস। প্রত্যেক মানুষের তাদের নিজ নিজ ভাষা সংস্কৃতি বিকাশে অধিকার রয়েছে। এরই মধ্যে তিনটি ভাষা গুরুত্বপূর্ণ বাংলা, ইংরেজি ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশে অসংখ্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বসবাস। এসব নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বাংলাদেশকে ফুলের বাগানের মত বিকশিত করে রেখেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স্র প্রাঙ্গণে  বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক সম্মেলনী-২০১৮-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলি বলেন গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মূল আয়োজক বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক সমরজিত সিংহ। বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি পিডিসন প্রধানের সভাপতিত্বে শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন ও শিক্ষিকা বিলকিছ বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযৃক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড: আব্দুল আউয়াল বিশ্বাস,ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাক ড: সৌরভ সিকদার, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহাজালাল, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান,অ ান্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড: কানিজ ফাতেমা,  প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচারক তাহমিনা খাতুন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তফাদার রিজুয়ানা ইয়াসমীন (সুমী) ও বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সহ-সভাপতি জিডিসন প্রধান সুছিয়াং।
সম্মিলনীর শুরুতেই বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী, খাসিয়া, চা জনগোষ্ঠী, সাওতাল সসম্প্রদায়ের শিল্পীদেও ৪০ মিনিট স্থায়ী একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এর পর উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের।
প্রধান অতিথি সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর আরও বলেন, আপনারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তাবনা তুলে ধরলে তিনি মন্ত্রী হিসাবে বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। আর এ জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের বিষেজ্ঞরা কর্মরত রয়েছেন। ক্ষুদ্র জাতির গোষ্ঠীর মাঝে চা জনগোষ্ঠী অনেকটা পিছিয়ে আছে। তাদের সংস্কৃতির বিকাশে আগামীতে চা শিল্পাঞ্চলে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়েছে। মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকে না। আগে আগে যে কোন অনুষ্ঠানে এলে হাততালি জন্য বলা লাগে না। এমনিতেই হাততালি দেয়া হয়। এখন সকলের হাতে মোবাইল ফোন হাততালি তেমন দেয়া হয়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের মানুষও এগিয়ে যাচ্ছে। তা একমাত্র এই শেখ হাসিনার সরকারের আমলে হয়েছে। তিনি সরাসরি ভোট চাইছেন না। শুধু অনুরোধ করে বলেন, যদি গণতন্ত্র বিশ^াস করি নির্বাচনের মাধ্যমে এগিয়ে যাব। বিগত ১০ বছর আগের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান ১০ বছরের বাংলাদেশের কথা ভেবে সবাই সিদ্ধান্ত নিলেই অবশ্যই আবারও আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করবেন এটাই বাস্তবতা।  এক কথায় শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে যে কোন পন্থের মানুষ বলবে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই ।
অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কমলগঞ্জে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন : মামলাবাজ ও ভূমিখেকো চক্রের থেকে কবল থেকে জানমাল রক্ষার দাবী

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic--Press Confarence
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ছনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী হাজী মোঃ মতলিব মিয়া এলাকার একটি চিহ্নিত মামলাবাজ ও ভূমি খেকো চক্রের থেকে নিজের ও পরিবার সদস্যদের জানমাল রক্ষার দাবী জানিয়েছেন। সোমবার দুপুরে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তবে ছনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী হাজী মোঃ মতলিব মিয়া বলেন, এলাকায় ভূমি দখল, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, লুটপাট, মিথ্যামামলা দায়ের করে নিরীহ লোকজনদের হয়রানী সহ বিভিন্ন অপরাধ তৎপরতার সাথে জড়িত এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মন্নান গং চক্রটি। এই সংঘবদ্ধ চক্রটি এলাকায় একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করলেও প্রাণভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাসহ পায়না। তাদের এহেন অপঃতৎপরতায় গোটা এলাকাবাসী এখন আতংকগ্রস্থ। তিনি বলেন, প্রায় ১০ বছর পূর্বে একই এলাকার প্রমোদ শর্ম্মা ও প্রণয় শর্ম্মার নিকট থেকে দূঘর মৌজাস্থিত ৫২৪৬ নং এস,এ দাগের ৩২ শতক ভূমি খরিদ করিয়া যথারীতি ভোগ দখলদার বিদ্যমান থাকিয়া বর্গাদারের মাধ্যমে হালসন পর্যন্ত চাষাবাদ করিয়া আসছেন। প্রবাসে থাকায় যথাসময়ে দলিল রেজিষ্ট্রি করিতে পারেন নাই। দেশে এসো চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তার খরিকৃত ভূমির রেজিষ্ট্রিকার্য সম্পাদন করি (দলিলনং ১৮৮)। এবং যথারীতি নিজ নামে ২৩৩৮ নং নামজারী খতিয়ান সৃজন করাইয়া ১৪২৫ বাংলা সন পর্যন্ত খাজনাদি পরিশোধ করেন।
মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী হাজী মোঃ মতলিব মিয়া বলেন, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মন্নান আমার বসতবাড়ীতে এসে ১ লক্ষ টাকা আমার নিকট হাওলাত চায়। এতে অপারগতা প্রকাশ করলে সে আমার খরিদকৃত ৩২ শতক জমি দখল করার হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবগর্গের কাছে বিচার চাওয়ায়  ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সন্ত্রাসী মন্নান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা । আমাকে নানা প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করতে থাকে এবং এলাকায় প্রচার করিতে থাকে যে, আমার খরিদকৃত সম্পত্তি তাহারা খরিদ করিয়াছে। মধ্যপ্রচ্য প্রবাসী নিরুপায়  হয়ে খরিদকৃত সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার রক্ষার্থে  মন্নান গং এর বিরুদ্ধে গত গত ১০ মার্চ মৌলভীবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৬০/২০১৮ নং স্বত্ব মামমলা দায়ের করেন।  মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত ১২ আগস্ট রাতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত বিশাল বাহিনী নিয়ে প্রবাসীর খরিদকৃত জমি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ট্রাক্টর দ্বারা হালচাষ শুরু করে। এতে বাঁধা প্রদান করলে মন্নান ও তার দলবলসহ আমার ভাই ও তার স্ত্রীর উপর হামলা চালিয়ে আহত করে। মামলাবাজ ও ভূমি খেকো সন্ত্রাসী মন্নান ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে কমলগঞ্জ থানায় আমিসহ ৩৩ জনকে আসামী করে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের। পরদিন আমরা থানায় এসে মন্নানগংদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু আমাদের দায়েরকৃত অভিযোগের কোন ব্যবস্থা না নিয়ে পুলিশ উল্টো প্রতিপক্ষের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় আমাদেরকে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চালায়। গত ৩০ শে আগষ্ট আদালতের মাধ্যমে জামিন প্রাপ্ত হয়ে আমরা বসত বাড়ীতে ফিরে আসার পর থেকে সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে নানা প্রকার হুমকী ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী হাজী মোঃ মতলিব মিয়া আরো বলেন. অপরাধীচক্রটি আমি ও পরিবার বর্গকে নানা প্রকার হুমকী ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখায় আমরা চরম আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছি । যে কোন মুহুর্তে সন্ত্রাসীরা আবারও আমাদের জানমালের ক্ষতি সাধন করতে পারে। মামলাবাজ ও অপরাধীচক্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও প্রবাসীর পরিবারে সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানসহ এলাকায় শান্তিতে বসবাসের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য আং মন্নানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। কমলগঞ্জ থানার নবাগত ওসি মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, আমি কমলগঞ্জ থানায় সদ্য যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শমশেরনগর চা বাগানে অগ্নিকান্ডে চা শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই ॥ ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
002
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা বাগানের ভজনটিলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে এক চা শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নগদ টাকাসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় শমশেরনগর চা বাগানের ভজনটিলার শ্রমিক বস্তিতে জগদীশ রবিদাসের বসতঘরে এই অগ্নিকান্ড ঘটে। অগ্নিকান্ডের সময় একই পরিবারের ৯ জন মানুষ তখন গভীর ঘুমে ছিলেন। অগ্নিকান্ড থেকে পরিবার সদস্য ও গবাদিপশু রক্ষা করতে পারলেও সবকিছু হারিয়ে জগদীশ পরিবারের সদস্যরা এখন খোলা আকাশের নিচে আছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষনিকভাবে নগদ ৫ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা করেছেন।
জগদীশ রবিদাস ও প্রতিবেশীদের দেওয়া তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত রোববার গভীররাতে পরিবারের ৯ জন সদস্য গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হলে জগদীশ রবিবার পরিবার সদস্যদের নিয়ে দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে হাল্লা চিৎকার শুরু করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিকায় জগদীশ রবিদাসের ঘরে রক্ষিত নগদ প্রায় তিনলক্ষ টাকাসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।  আগুন দাউ দাউ করে জলার সময়েও কেউ নিভানোর সুযোগ পাননি। পল্লী বিদ্যুৎ সমিদির লোকজন খবর পেয়ে মেইন সংযোগ বন্ধ করলে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও শমশেরনগর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসা পর্যন্ত অবস্থান করে।
ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক জগদীশ রবিদাস জানান, তার ছেলে শমশেরনগর বাজারে মুঠোফোনের ব্যবসা করে। তার অর্জিত আয়ে বেশ কিছু আসবাব পত্র দিয়ে ঘরটি সাজানো হয়েছিল। অগ্নিকান্ডে নগদ প্রায় তিনলক্ষ টাকা, মুঠোফোন, মূল্যবান জিনিসপত্র, আসবাবপত্র মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে সোমবার সকালে শমশেরগর চা বাগান ব্যবস্থাপক, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: জুয়েল আহমদ, ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী, সীতারাম বীন, মহিলা ইউপি সদস্য নমিতা সিং, চা বাগান পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো: জুয়েল আহমদ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জগদীশ রবিদাসকে তাৎক্ষনিকভাবে নগদ ৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং পরবর্তি পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শমশেরনগর চা বাগানের ভজনটিলার জগদীশ রবিদাসের পরিবারকে পূণর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেন।

কমলগঞ্জ থানায় পুলিশ কর্মকতাদ্বয়ের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic- Tana
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোকাতাদির হোসেন পিপিএম ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত ) মোঃ নজরুল ইসলামের বিদায় ও নবাগত অফিসার ইনচাজ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত ) সুধীন চন্দ্র দাশ এর বরণ অনুষ্ঠান সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) থানার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। নবাগত অফিসার ইনচাজ মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও এসআই চমক দামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ^জিৎ রায়। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অরূপ কুমার চৌধুরী, সাবেক মেয়র আবু ইব্রাহীম জমসেদ, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, আব্দুল হান্নান চিনু, মোস্তাফিজুর রহমান, শাহীন আহমেদ, এসআই মোঃ ফরিদ মিয়া,এএসআই আনিসুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী এবং যোগদানকারী কর্মকতাদ্বয়কে কমলগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে সম্মাননা ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে কমলগঞ্জের বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। #

কমলগঞ্জে হতদরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic- Rpur
“শেখ হাসিনার বাংলাদেশ- ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই শ্লোগান নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্রদের মধ্যে সুলভ মূল্যে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিতরণের জন্য খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দেওরছাড়া চা বাগানে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন ১নং রহিমপুর ইউপি (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক পিন্টু দেবনাথ, আওয়ামীলীগ নেতা দিপক কান্তি রায়, সীতাংশু কর্মকার, আং রহিম, খলিল আহমদ, সেলিনা বেগম, চালের ডিলার নেপুর কান্তি রায়, সুবোধ কূর্মী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কালেঙ্গা গ্রামের ১০৬ জন, দেওরাছড়া ১৩২, বড়চেগ ৭১ ও মিরতিংগা চা বাগানে ৯৫ জনসহ মোট ৪০৪ জনকে ৩০ কেজি করে প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে চাল বিতরণ করা হয়। #

কমলগঞ্জে উপজেলা ইলেক্ট্রিশিয়ান সমিতির ত্রি-বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্টিত

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ::

received_474253603092920

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা ইলেক্ট্রিশিয়ান সমিতির ত্রিবার্ষিক সন্মেলন-২০১৮ আজ ৯ সেপ্টেম্বর রবিরার সন্ধ্যা ৮ ঘটিকায় কামারগাঁওস্থ পৌর মেয়যের বাসভবন প্রাঙ্গনে সংগঠনের আহবায়ক বাবু ঝন্টু দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌর মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, প্রেসক্লাব সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক পরিচালক মোঃ নূর উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ রিপুল, প্যানেল মেয়র মোঃ রমুজ মিয়া প্রমুখ।
সন্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে বাবু ঝন্টু দত্তকে সভাপতি, মোঃ জাফর ইকবাল চৌধুরী রিপনকে সাধারন সম্পাদক, নবীন হোসেন রাসেলকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও মোঃ চেরাগ আলীকে কোষাধ্যক্ষ করে আগামী তিন বছরের জন্য ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

১১ সেপ্টেম্বর কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সচেতনতামূলক সম্মেলন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Untitled-1 copy
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স্র প্রাঙ্গণে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ  ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক সম্মেলনী-২০১৮ আগামী ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং গণস্বাক্ষরতা অভিযান এর সহযোগিতায় বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরাম ও বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। সম্মেলনকে সফল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম-এর সাধারন সম্পাদক সমরজিত সিংহ জানান, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী, খাসি, ত্রিপুরী, গারো, রাজবংশী, সাঁওতাল, ওঁরাও এবং চা-শ্রমিকদের মধ্যে বিদ্যমান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনজনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশু শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক এই সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে সম্প্রতি এক প্রস্তুতিমূলক সভা আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারাস্থ বাংলাদেশ মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।