সদ্য সংবাদ

বিভাগ: কমলগঞ্জ

ইউপি নির্বাচন-২০১৬ (৫ম দফা) : কমলগঞ্জে ৯টি ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা কে কত ভোট পেলেন

Kamalgonj UP Charman
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
শনিবার (২৮ মে ) অনুষ্ঠিত ৫ম দফায় ইউপি নির্বাচনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ৯টি ইউনিয়নেরর মধ্যে ৬টিতে আওয়ামীলীগ ১টিতে বিএনপি ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৯টি ইউনিয়নের ৯৪টি কেন্দ্রে মোট ৪২৫টি কক্ষে (বুথ) মোট ১৩৬৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ করেন।
১ নং রহিমপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইফতেখার আহমেদ বদরুল ৮৯৯০ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সাজিম আহমদ তরফদার পেয়েছেন ৮১৯২ভোট।
২নং পতনউষার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো: তওফিক আহমদ বাবু ৬১২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির অলি আহমদ খান পেয়েছেন ২৮০৪ ভোট।
৩ নং মুন্সীবাজার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালিব তরফদার ৪৫৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির শফিকুর রহমান চৌধুরী পেয়েছেন ৩৬৮৮ ভোট।
৪ নং শমশেরনগর আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জুয়েল আহমদ ৬১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল গফুর (বিদ্রোহী আ,লীগ) পেয়েছেন ৪৭৯১ ভোট।
৫ নং কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মো: আব্দুল হান্নান ৪৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির গোলাম কিবরিয়া শফি পেয়েছেন ৩৯৮৯ ভোট।
৬ নং আলীনগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক বাদশা ৭৬৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির অ্যাড: মো: আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ৩১৮২ ভোট।
৭ নং আদমপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো: আবদাল হোসেন ৮৩১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলেিগর সাব্বির আহমদ ভূঁইয়া পেয়েছেন ৪৬৫৮ ভোট।
৮ নং মাধবপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা পুষ্প কুমার কানু ৭০৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের মো: আসিদ আলী পেয়েছেন ৬০৪০ ভোট।
৯ নং ইসলামপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো: আবদুল হান্নান ৭৬৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের মো: সুলেমান মিয়া পেয়েছেন ৬০১৩ ভোট।

ইউপি নির্বাচন-২০১৬ (৫ম দফা) : কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নে সব কেন্দ্রে বিজয়ী হয়ে ভোটের রেকর্ড সৃষ্টি করলেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী বাবু

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

13315588_1815540028677394_4161249696084817838_n

সবকটি (১০টি কেন্দ্র) কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ভোটের রেকর্ড সৃষ্টি করলেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ২নং পতনঊষার ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু। গত শনিবার (২৮ মে ) অনুষ্ঠিত ৫ম দফায় ইউপি নির্বাচনে বিএনপির ঘাটি হিসেবে খ্যাত পতনঊষার ইউনিয়নে তিনি এ বিজয় লাভ করেন। বিগত ২টি নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। ফলাফল বিশ্লেষনে বোঝা যায়, দলীয় প্রতীকের কারণে কারণে নয় ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে বিগত একযুগ ধরে পতনঊষার ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দু:খের সাথী ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার কারণে ৬১২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী, পতনঊষার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদ খান পেয়েছেন ২৮০৪ ভোট। এই বিজয়ে উল্লসিত পতনঊষার ইউনিয়নের দলীয় নেতকার্মী সহ সাধারণ মানুষজন। রোববার আওয়ামীলীগ প্রার্থী নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু ছুটে যান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদ খানের বাড়িতে। তিনি অলি আহমদ খানকে মিষ্টি মুখ করান এবং পরিবার সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করে দায়িত্ব পালনে সর্বপ্রকার সাহায্য কামনা করেন।

পতনঊষার ইউনিয়নে মোট ১৫ হাজার ৪০৬ ভোটের মধ্যে ১১ হাজার ৮২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ২২৯টি ভোট বাতিল হয়। মোট ১০টি কেন্দ্রের ১০টি কেন্দ্রেই আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন মোট ৭ জন। এর মধ্যে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জরিপ হোসেন পেয়েছেন ১১৩ ভোট, চশমা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বদরুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন ১৮২৫ ভোট, মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদুর রহমান পেয়েছেন ৬২৩ ভোট, আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আসাদুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন ৯৩ ভোট ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজ চৌধুরী পেয়েছেন ১১ ভোট। কমলগঞ্জ উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন হলেও শুধুমাত্র এই পতনঊষার ইউনিয়নেই একমাত্র আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এতো বেশি ভোটের রেকর্ড সৃষ্টি করে জয় পেয়েছেন। সাধারণ মানুষজনের অভিমত, আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু একজন ভাল লোক। সিলেট পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের প্রভাষক পদ থেকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে প্রায় ১১ বছর পূর্বে ুিনজ এলাকায় এসে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন। বিগত ২টি নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করলেও বিজয়ী হতে পারেননি। তবে হাল ছাড়েননি বাবু। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তার ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মত। এজন্য সাধারণ দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের প্রচন্ড দুর্বলতা ছিল তার প্রতি। অনেকেই জানান, দল যার যার-বাবু সবার।

কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক ও সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী পতনঊষার ইউনিয়নে এতো বেশি ভোট পেয়ে কোন চেয়ারম্যান প্রার্থী জয় পায়নি। তার মধ্যে এই প্রথম বারের মতো রেকর্ড সংখ্যক ভোটে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু বিজয়ী হলেন। এতেই প্রতীয়মান হয় যে, এদেশের মানুষ আওয়ামীলীগকে কতটা ভালবাসে। বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করায় তিনি পতনঊষার ইউনিয়নবাসীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু বলেন, শত বাঁধা বিপত্তি ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে আমার প্রতি এলাকার সর্বদলীয় মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকার জনপ্রিয়তাই আমাকে এই সফলতা এনে দিয়েছে। তিনি ইউনিয়নবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি আপনাদের কাছে চিরঋনি। আমি চেষ্টা করব সর্ব মহলের সহযোগিতা নিয়ে এ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন করা।

ইউপি নির্বাচন-২০১৬ (৫ম দফা) : কমলগঞ্জে ৬ টিতে আওয়ামীলীগ ১টি বিএনপি ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

Kamalgonj UP Charman
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
২৮ মে শনিবার অনুষ্টিত ৫ম দফায় ইউপি নির্বাচনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ৯টি ইউনিয়নেরর মধ্যে ৬টিতে আওয়ামীলীগ ১টিতে বিএনপি ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।  কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৯টি ইউনিয়নের ৯৪টি কেন্দ্রে মোট ৪২৫টি কক্ষে (বুথ) মোট ১৩৬৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ করেন।
৯টি ইউনিয়নে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- ১ নং রহিমপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপির ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইফতেখার আহমেদ বদরুল (নৌকা), ২ নং পতনউষার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো: তওফিক আহমদ বাবু (নৌকা), ৩ নং মুন্সীবাজার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালিব তরফদার (নৌকা), ৪ নং শমশেরনগর আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জুয়েল আহমদ (নৌকা), ৫ নং কমলগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান (নৌকা), ৬ নং আলীনগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক হক বাদশা (নৌকা), ৭ নং আদমপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদাল হোসেন (ধানের শীষ), ৮ নং মাধবপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা পুষ্প কুমার কানু (সিএনজি) ও ৯ নং ইসলামপুর স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো. আবদুল হান্নান (আনারস)।

কমলগঞ্জের ৬ টি আওয়ামীলীগ, ১ টি বিএনপি, ২ টি স্বতন্ত্র

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

13307243_1035415523172907_4603241757695255405_n13315588_1815540028677394_4161249696084817838_n13325694_570143373164080_3837247181790869390_n13254312_1035410406506752_8850701837803932910_n13325542_1035402953174164_3174125501820985356_n13256470_1772937562936943_8075983246732801127_n13321990_895754513883278_6856889275563940245_n-1

13237863_607047099477028_6116900665228837371_n-1-113307266_898800620248131_6968798546445036306_n-1

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জানা যায়, ১ নং রহিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ইফতেখার আহমেদ বদরুল, ২ নং পতনঊষারে আওয়ামীলীগ ইঞ্জনিয়ার তওফিক আহমদ বাবু, ৩ নং মুন্সীবাজার আওয়ামীলীগ আব্দুল মোতালিবমোতালিব তরফদার, ৪ নং শমশেরনগর আওয়ামীলীগ মো: জুয়েল আহমদ, ৫ নং কমলগঞ্জ আওয়ামীলীগ আব্দুল হান্নান, ৬ নং আলীনগর ফজলুল হক বাদশা, ৭ নং আদমপুর বিএনপি আব্দাল হোসেন, ৮ নং মাধবপুর বিএনপি বিদ্রোহী পুষ্প কুমার কানু  ও ৯ নং ইসলামপুর বিএনপি বিদ্রোহী আব্দুল হান্নান বিজয়ী হন।

নির্বাচন সুষ্ঠু  ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

কমলগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ ।। চলছেন এখন গনণা ।। নারী ভোটারদের উপস্থিতি সরব

13263834_1279900872038982_7993301937156016027_n

13256190_1279947698700966_3283495716073455039_n
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
সকালে থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে  কমলগঞ্জের ৯ ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। এখন চলছেন গনণার পালা। সরজমিন দেখা যায়, বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। একটু পরই ফলাফল প্রকাশিত হবে। অধীরে আগ্রহনে অপেক্ষায় আছেনসোধারণ জনগণ। কমলগঞ্জ উপজেলা উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯৭০ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৯ হাজার ১১২ জন এবং মহিলা ভোটার ৭৯ হাজার ৮৫৮জন। মোট ৯৪টি ভোট কেন্দ্রের ৪২৫টি বুথে ভোট গ্রহণ চলছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা হলো ৪৫২জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৭জন, সংরক্ষিত ৮৭জন এবং সাধারণ ৩২৮জন।

কমলগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ ।। চলছে এখন গনণা ।। নারী ভোটারদের সরব উপস্থিতি

ইউপি নির্বাচন-২০১৬ (৫ম দফা): জমে উঠেছে শেষ মুহুর্ত্তের প্রচারনা কমলগঞ্জে ৩৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ ৪৫২ জন প্রার্থীর প্রচারনা চলছে জোরেশোরে

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

Pic--UP Election Chairman Candidate
আগামী ২৮ মে ৫ম দফায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। বাঘা বাঘা প্রার্থীদের এ ভোটযুদ্ধে নিস্তব্ধ সাধারণ ভোটারগণ। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রচারের উত্তাপ। মাঠে-ঘাটে, হোটেল-রেস্তোরাঁয় থেকে পথের ধারের চায়ের দোকানেও প্রার্থীদের ভাল-মন্দের দিক নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লে¬ষণ। ভোটাররা নিজের পছন্দের প্রার্থী বেছে নিলেও মুখ খুলছেন না। নির্বাচনে সব ইউনিয়নেই পাল্ল¬া দিয়ে চলছে আচরন বিধি লঙ্ঘনের প্রতিযোগিতা। বেশ ক’টি ইউনিয়নে চলছে কালো টাকার ছড়াছড়ি। প্রার্থীরা নানা কৌশলে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরার পাশাপাশি উন্নয়নে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। আরামের ঘুম হারাম করে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা। কমলগঞ্জের ৯ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধিতা করছেন ৩৭ প্রার্থী। ৮১টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩২৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৮৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। কমলগঞ্জ উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯৭০ জন। রিটার্নিং অফিসার ৫ জন, মোট ভোটকেন্দ্র ৯৪টি, মোট কক্ষ (বুথ) ৪২৫টি। মোট ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ১৩৬৯ জন।
১ নং রহিমপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপির ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইফতেখার আহমেদ বদরুল (নৌকা) এর সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাজিম আহমদ তরফদার (ধানের শীষ)। এই ইউনিয়নে মাত্র দুইজন প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। উভয় প্রার্থীর সুর সমান তালে চলছে। গোটা কমলগঞ্জ তথা মৌলভীবাজার জেলার মানুষজন এই ইউনিয়নের দিকে চেয়ে আছেন। উভয় প্রার্থীরা দেওরাছড়া চা বাগান, মিরতিংগা চাবাগান ও কালেঙ্গায় ভোট সেন্টারের দিকে নজর দিচ্ছেন। কারণ তিনটি সেন্টারেই হিসাব নিকাশে বোঝা যাবে কে হচ্ছেন চেয়ারম্যান ? সাধারণ মানুষের ধারনা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে বলা যায় চা বাগান অধ্যুষিত থাকায় ও এই ইউনিয়নে যে পরিমাণ উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে সে তুলনায় জনগণ মূুল্যায়ন করলে নৌকা মার্কার জয়ধ্বনি হবে বলে ভোটাররা মনে করছেন।
২ নং পতনউষার ইউনিয়নে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তবে মুল লড়াই হবে ত্রিমুখী। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো: তওফিক আহমদ বাবু (নৌকা) ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদ খান (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র বদরুজ্জামান চৌধুরী (চশমা) এর মধ্যে। এছাড়া জাতীয় পার্টির মনোনীত জরিফ হোসেন জাহিদ (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদুর রহমান বাদশা মোটর সাইকেল), শেখ আসাদুজ্জামান চৌধুরী (আনারস) ও আজিজ চৌধুরী (ঘোড়া)। এই ইউনিয়নে লাঘাটা নদীর এপার ওপার নিয়ে কিছু আঞ্চলিক ভোট ফ্যাক্টর হলেও তৃতীয় বারের মতো প্রতিদ্বন্দিতাকারী সর্বমহলের কাছে সুপরিচিত ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমদ বাবুর পাল্লা ভারী রয়েছে বলে ভোটারদের অভিমত।
৩ নং মুন্সীবাজার ইউনিয়নে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালিব তরফদার (নৌকা) এর সাথে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সফিকুর রহমান চৌধুরী (ধানের শীষ) এর সঙ্গে লড়াই হবে। অন্য প্রার্থীরা হলেন বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজেদা কোরেশী (আনারস) ও বিদ্রোহী বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: রফিকুল হক (মোটর সাইকেল)। এখানে লড়াই হবে দ্বিমুখী। আব্দুল মোতালিব তরফদারের সুর অনেক এগিয়ে রয়েছে তবে সফিকুর রহমান চৌধুরীর ভোট নিরব ভূমিকা পালন করছে।
৪ নং শমশেরনগর ইউনিয়নে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নির্ভর করছে চা শ্রমিকদের ওপর। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দিতা হবে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জুয়েল আহমদ (নৌকা) এর সাথে বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল গফুর (আনারস)। অন্য প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো: আব্দুল মোহিত (ধানের শীষ), বিদ্রোহী বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আহমদুর রহমান (মোটর সাইকেল) ও বিদ্রোহী বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: এনামুল হক শামীম (চশমা)। এ ইউনিয়নের তিনটি চা বাগানের ভোটে প্রত্যেকেই ভাগ বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এখানে দ্বিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের মো. আব্দুল গফুরের সুর বেশি রয়েছে।
৫ নং কমলগঞ্জ ইউনিয়নে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে। এখানে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলেও মূলত লড়াই হবে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া শফি (ধানের শীষ) এর সাথে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান (নৌকা) এর প্রতিদ্বন্দিতা হবে। অন্য প্রার্থীরা হলেন-জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আব্দুল আজিজ (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিকুল ইসলাম সফি (আনারস) ও বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী রহিম হোসেন (মোটর সাইকেল)। বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফির সুর বেশি রয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে জানা যায়।
৬ নং আলীনগর ইউনিয়নে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক হক বাদশা (নৌকা) এর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সম্পাদক সাংবাদিক শাহীন মিয়া (আনারস) ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মো. আব্দুল আহাদ (ধানের শীষ) এর লড়াই হবে। এছাড়া প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম (লাঙ্গল)। এ ইউনিয়নে এবার পরিবর্তনের সুর উঠেছে। এবার প্রথম বারের মতো উদীয়মান সাংবাদিক শাহীন মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনের সুর ওঠে আলীনগর ইউনিয়ন জুড়ে।
৭ নং আদমপুর ইউনিয়নে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতায় রয়েছেন। তবে মুল প্রতিদ্বন্দিতা হবে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সাব্বির আহমদ ভূঁইয়া (নৌকা) এর সাথে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদাল হোসেন (ধানের শীষ) এর সাথে। অন্য প্রার্থীরা হলেন- বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাজির বক্স (ঘোড়া) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আব্দুল হাই (আনারস)। এ ইউনিয়নে মূল লড়াই হবে আবদাল হোসেন ও সাব্বির আহমদ ভূঁইয়ার মধ্যে।
৮ নং মাধবপুর ইউনিয়নে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। চা বাগান অধ্যুষিত এ ইউনিয়নে মূলত লড়াই হবে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আসিদ আলী (নৌকা) এর সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা পুষ্প কুমার কানু (সিএনজি) এর সাথে। কৌশলগত কারণে বর্তমান চেয়ারম্যান চা শ্রমিক সন্তান পুষ্প কুমার কানু এবার বিএনপির মনোনয়ন নেননি। এখানে অন্য প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এম হারুনুর রশীদ (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কমলা বাবু সিংহ (আনারস)। এখানে প্রার্থীদের ভাল-মন্দ সবকিছুই ভোটাররা ওয়াকিবহাল। তাই নেই কোন নির্বাচনী উত্তাপ। তবে ভয় কাজ করছে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে। চা বাগান ও মণিপুরী অধ্যুষিত থাকায় উভয় প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে না। ভোটারা জানান, মন্তব্য করবো না। সময় মত জেনে নেবেন। তবে বর্তমান চেয়ারম্যানের অবস্থান ভালো রয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে বোঝা যাচ্ছে।
৯ নং ইসলামপুর হচ্ছে কমলগঞ্জ উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন। সবুজ আর পাহাড় ঘেরা চা বাগান অধ্যুষিত এ ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দিতায় রয়েছেন আপন দুই ভাই। বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মো. সুলেমান মিয়া (নৌকা) এর সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা হবে বড় ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল হান্নান (আনারস) এর মধ্যে। এ অঞ্চলে কার অবস্থান কেমন হবে সাধারণ ভোটারাই বলতে অক্ষম। সমান তালে চলছে প্রচারণা। ভাই ভাই যুদ্ধে কে জয়ী হবে, কে হবে এই ইউনিয়নের পিতা দেখার বিষয়। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা ?

কমলগঞ্জে ৪ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কার

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

wfUsS0UwnfQ5wAAAABJRU5ErkJggg==

 

 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের ৪ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ। সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন সিরাজের নির্দেশে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদ এক পত্রে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ দলের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করেন।

বহিষ্কৃতরা হলেন কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর ইউনিয়নে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মো. আব্দুল গফুর (আনারস), পতনউষার ইউনিয়নে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মো. বদরুজ্জামান চৌধুরী জহির (চশমা), মুন্সীবাজার ইউনিয়নে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সদস্য মাজেদা কোরেশী (আনারস) ও আদমপুর ইউনিয়নে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হাজির বখশ (ঘোড়া)।

এছাড়া আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমর্থন কিংবা মাঠে কাজ না করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান কিংবা নির্বাচনের মাঠে কাজ করলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভপাতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের ৪ বিদ্রোহী প্রার্থীকে জেলা আওয়ামীলীগ কর্তৃক বহিষ্কার করার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

রহিমপুর ইউপির ৬ নং ওয়ার্ডে সদস্য পদপ্রার্থী মো: আব্দুল খালেক

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

20160525_180844-1

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক সাবেক সদস্য মোঃ আব্দুল খালেক মোরগ মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

images-1

আগামী ২৮ মে নির্বাচনে মোরগ মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহবান জানান। তিনি সকলের দোয়া ও আশির্বাদ চেয়েছেন।

কমলগঞ্জের লুৎফুর নাহার বেগম জেলার শ্রেষ্ট গার্লস গাইড শিক্ষক নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

13244645_1388425237850891_1847783759262283905_n

কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ বালকিা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা লুৎফুর নাহার বেগম মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ট গার্লসগাইড শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৭ মে মৌলভীবাজার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার হাতে সনদ তুলে দেন। এর আগে ১১ মে তিনি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট গার্লসগাইড শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে জেলায় অংশ নেন।

লুৎফুর নাহার বেগম কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৮৮ সালে চাকুরীতে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে গার্লসগাইড চালু হবার পর তিনি গার্লসগাইড এর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। সেই থেকে লুৎফুর নাহার বেগম স্কুলে গার্লসগাইড দল পরিচালনা করে আসছেন। গার্লসগাইড এর উপর তিনি মৌলভীজার আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। তিনি একজন চৌকুস গার্লসগাইড শিক্ষক হিসাবে সুনাম অর্জন করেন। যার প্রেক্ষিতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৬ ইং উপলক্ষে কমলগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে শ্রেষ্ট গার্লসগাইড শিক্ষক হিসাবে উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত করা হয়। উপজেলা হতে ১৭ মে জেলা পর্যায়ে অংশ গ্রহন করে ৭টি উপজেলার মধ্যে তিনি শ্রেষ্ট নিার্বচিত হন। জেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা ১৭ মে তার হাতে সনদ তুলে দেন। এছাড়া কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর মুমতাহিনা জেলার শ্রেষ্ট গার্লসগাইড নির্বাচিত হয়েছে।