সদ্য সংবাদ

বিভাগ: কমলগঞ্জ

চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে – কমলগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মবিরতি পালন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

images

চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডাররা কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে সারাদেশের ন্যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার অর্ধদিবস কর্ম বিরতি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার  (১৮ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ২৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের ২৬ জন সিএইচসিপি স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে ৩ ঘন্টার কর্মবিরতি পালন করে। উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা গেছে রোগীর দীর্ঘ লাইন থাকলেও সিএইচসিপিরা রোগী দেখছেন না।
বর্তমান সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে কার্যকর করার জন্য আরসিএইচসিআইবি প্রজেক্ট চালু করে। এর আওতায় প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রভাইডার নিয়োগ দেয়। অদ্যাবদি হেল্থ প্রভাইডার কমিউনিটি ক্লিনিকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা হাড় ভাঙ্গা খাটুনি দিয়ে রোদ বৃষ্টি ও ঝড় উপক্ষো করে নিয়মিত গ্রামের মানুষদের স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় চাকুরী জাতীয়করণের আশ্বাস দিলেও এর কোন বাস্তবায়ন হয়নি। এ দাবীতেই চাকুরী জাতীয়করণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষনে কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কমলগঞ্জেও তিন ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়।

কমলগঞ্জে উপজেলা পরিষদের ফিসারির মাছ শিকার নিয়ে বিতর্ক || অর্ধলক্ষাধিক টাকার মাছ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি

1
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মসজিদের দিঘীর ফিসারিতে চাষাবাদরত মাছ শিকার নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কাউকে না জানিয়ে ইউএনও’র নির্দেশে অফিসের একজন স্টাফ সোমবার ভোরে অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় মাছ শিকার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার মাছ মাত্র ২০ হাজার টাকা বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিসের স্টাফ সহিদ উল্লা বলেন, ভোররাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় ইউএনও অফিসের একজন স্টাফ লোক লাগিয়ে দিঘীর চাষকৃত রুই, কাতল, মৃগেল, তেলাপিয়া, কার্পুসহ ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করেন। বিষয়টি দেখে জিজ্ঞাসা করলে তাকে উল্টো বিভিন্ন কথাবার্তা বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে সহিদ উল্লা সহ স্থানীয় লোকজনের সাথে উপজেলা প্রশাসনের নানা বিতর্ক দেখা দেয়। শিকারকৃত প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার মাছ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তোলেছেন। ঘটনাটি উত্তেজনায় রূপ নিলে উপজেলা জামে মসজিদ কমিটির সম্পাদক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, মসজিদের কাজের জন্য মাছ শিকারের এরকম একটি সিদ্ধান্ত থাকলেও তাকে না জানিয়েই ভোরে মাছ শিকার করা হয়েছে। পরে এসব মাছ বিক্রি করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন মাছ শিকারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাছ শিকারের বিষয়টি পূর্বের সিদ্ধান্ত থাকলেও উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবকে জানানো হয়নি। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবকে জানিয়ে মাছ বিক্রি করা হয়েছে। তবে কত টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে তা এখনও হিসাব করা না হলেও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি উপজেলা পরিষদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।

কমলগঞ্জে আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী মেধাবৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

12743804_1182194785143681_7818524052934085578_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী কল্যাণ ট্রাষ্টের ২০১৫ সালের মেধা বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৪র্থ, ৫ম ও ৮ম শ্রেণির ২৬২ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মেধা বৃত্তির এ পরীক্ষায় মাধ্যমিক স্কুলের ১০ জন, প্রাথমিক স্কুলের ৩০ জন বৃত্তি লাভ করে। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টায় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।
আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি ও পতনঊষার ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ রিপন ইসলাম ময়নুলের সভাপতিত্বে ও ট্রাষ্টের সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান মিষ্টারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম, এ, ওয়াহিদ রুলু, সহ সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক  শাব্বির এলাহী, কার্যকরী সদস্য বিশ্বজিৎ রায়, বালিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বীরেন্দ্র চন্দ, নারীনেত্রী শেখ মনোয়ারা।
আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী মেধা বৃত্তি পরীক্ষা-১৫’ এর প্রকাশিত ফলাফলে ৪র্থ শ্রেণিতে ১৪ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- প্রীতি রানী নাথ (মেধাবৃত্তি ১ম স্থান) বিএএফ শাহীন কলেজ, শমশেরনগর, নাজমুল ইসলাম (মেধাবৃত্তি ২য় স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অর্ণব দত্ত (মেধাবৃত্তি ৩য় স্থান) বিএএফ শাহীন কলেজ, শমশেরনগর, আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী (মেধাবৃত্তি ৪র্থ স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাহেদ আহমদ রাজন (মেধাবৃত্তি ৫ম স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন-লুবাবা আক্তার (মেধাস্থান ৬ষ্ঠ) মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যুগ্মভাবে মেধাস্থান ৭ম-সানজা আক্তার (মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও মো. নাইমুর রহমান তামিম (মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), যুগ্মভাবে মেধাস্থান ৮ম-ছামিয়া আক্তার (মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও অর্পা রানী নাথ (দরগাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), যুগ্মভাবে মেধাস্থান ৯ম-খাদিজা জান্নাত ছামিয়া (রশিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও আসাদুজ্জামান শাওন (শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), যুগ্মভাবে মেধাস্থান ১০ম স্থান-ওয়াহিদা চৌধুরী তাহমী (পতনঊষার বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও ফাতেমা জান্নাত ফারিহা (রশিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)।
৫ম শ্রেণিতে ১৬ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- নাহিয়ান চৌধুরী হাদি (মেধাবৃত্তি ১ম স্থান) মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহানাজ পারভীন মিলি (মেধাবৃত্তি ২য় স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হানিফা আহমদ বর্ষা (মেধাবৃত্তি ৩য় স্থান) মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফাতেমা আক্তার ইমা (মেধাবৃত্তি ৪র্থ স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুমাইয়া জান্নাত ইমা (মেধাবৃত্তি ৫ম স্থান) শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন-মো. শিপু মিয়া (মেধাস্থান ৬ষ্ঠ) বনবিষ্ণুপুর শিখন স্কুল, যুগ্মভাবে মেধাস্থান ৭ম-হুমায়ুন কবির কাউছার (শহীদনগর আদর্শ বিদ্যা নিকেতন) ও পূর্ণা আচার্য্য পূজা (ছয়চিরি বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), মেধাস্থান ৮ম হয়েছে ৩ জন-জান্নাতুল ফেরদৌস তায়িবা (সৈয়দা আনোয়ারা কিন্ডার গার্ডেন), নাছরিন রশীদ মিলি (মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), সুমাইয়া সাবরিন প্রীতি (মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), মেধাস্থান ৯ম হয়েছে ৩ জন-তানজিলা খানম (মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), ফাতেমা আক্তার চৌধুরী কলি (পতনঊষার বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), তাহমিদ হাছনাত মাহদি (রশিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), যুগ্মভাবে মেধাস্থান ১০ম-তাছলিমা আক্তার রুলি (মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও পার্থ গোস্বামী (দরগাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
৮ম শ্রেণিতে ১০ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- নাদিয়া আক্তার নিহা (মেধাবৃত্তি ১ম স্থান) পতনঊষার উচ্চ বিদ্যালয়, অনামিকা দেবী (মেধাবৃত্তি ২য় স্থান) কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়, ফারহানা খানম তামান্না (মেধাবৃত্তি ৩য় স্থান) কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সৌরভ মল্লিক মুন্না (মেধাবৃত্তি ৪র্থ স্থান) বিএএফ শাহীন কলেজ, শমশেরনগর, মো. বিলাস আহমদ (মেধাবৃত্তি ৫ম স্থান) আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন-পুলক দেবনাথ (মেধাস্থান ৬ষ্ঠ) কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সাগর দেবনাথ (মেধাস্থান ৭ম) আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, নিনরুপমা নাইডু দেবী (মেধাস্থান ৮ম) বিএএফ শাহীন কলেজ, শমশেরনগর, রবিন রায় (মেধাস্থান ৯ম) কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও নুসরাত জাহান জাফরিন (মেধাস্থান ১০ম) পতনঊষার উচ্চ বিদ্যালয়।
উল্লেখ্য যে, আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী কল্যাণ ট্রাষ্টের অধীনে গত ৩০ ডিসেম্বর ২য় বারের মতো আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০১৫ বৃন্দাবনপুর আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ বৃত্তি পরীক্ষায় কমলগঞ্জ উপজেলার ২৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আগামী মার্চ মাসের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শ্রেণিতে মেধা তালিকায় ১ম হইতে ৫ম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ক্রেষ্ট, সনদপত্র ও বৃত্তি প্রদান করা হবে। এছাড়া মেধা তালিকায় ৬ষ্ঠ হইতে ১০ম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আং নুর-নূরজাহান চৌধুরী কল্যাণ ট্রাষ্টের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি-২০১৫ এর সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান মিষ্টার।

কমলগঞ্জে বিদ্যার দেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

12742354_1201935299835540_4448255477977039448_nকমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

সারা দেশে মণ্ডপে মণ্ডপে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সার্বজনীন ভাবে বিদ্যার দেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত।   শ্রী পঞ্চমী তিথিতে শনিবার সকাল থেকেই  পূজারীরা ভিড় করতে শুরু করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই ধর্মীয় উৎসবে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন অগণিত ভক্ত। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি জানান তাঁরা।
12734213_1201935586502178_6100188645205171407_nমৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতি, আলোকসজ্জা প্রভৃতি।
পূজা উপলক্ষে কমলগঞ্জে বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, পৌর মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিদ্দেক আলী,  রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুলসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

২০১৮ সালের মাঝে পদ্মা সেতু নির্মিত না হলে আওয়ামীলীগ আর ভোটের বাজারে আসবে না -কমলগঞ্জে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

Pic--333
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন,  ২০১৮ সালের মাঝে পদ্মা সেতু নির্মিত না হলে আওয়ামীলীগ আর ভোটের বাজারে আসবে না। বিএনপি নেত্রী সরকারকে উৎখাত করতে চান আর পদ্মা সেতুর ফিতা কাটতে চান। এই আশা কোনদিন পূরণ হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের টাকায় পদ্মা সেতুর কাজ করছেন। কারণ জনগণের কল্যাণে সরকার কাজ করেছে। বিএনপি শুধু জ্বালাও পুড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাসী। টানা ৯০ দিন হরতাল করেও তারা লাভবান হয়নি। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করেন বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেন না। এখন স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৯ সালেও শেখ হাসিনার সরকারের আমলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।Pic-44
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান  শনিবার (১৩ ফেব্র“য়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রিচিং আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন(রস্কের) প্রকল্প-২ এর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন শেষে  বিভিন্ন বিভাগে তিন মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১৬০ জন শিক্ষার্থীর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঝরে পড়াদের ও সুযোগ বঞ্চিতদের পড়াশুনার সুযোগ করে দিতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে রস্ক প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। সাথে সাথে এসব শিক্ষার্থীদের ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ নিয়ে চাকুরীর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ঝড়ে পড়াদের জন্য তৈরী স্কুলগুলোতে মান সম্মত পাঠদানে নজরদারী করারও নির্দেশনা দেন। চা বাগানগুলো আরও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতিসহ ভবন স্থান করার সুযোগ আছে। সেজন্য চা বাগান থেকে আবেদন করতে হবে।

Pic-222
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের উপর ভিত্তি করে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর মিলিয়ে যোগ্য প্রার্থীকেই সরকারী প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। ঈমান ইনসাফের সাথে বলতে পারি সঠিকভাবে ৮০ নম্বরের প্রশ্ন করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। রস্কের প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়া ঝড়ে পড়াদের তিন মাসের ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কর্ম দক্ষতা অর্জন করে দেশের উন্নয়ন করবে।  সকল প্রকল্পের অপচয় রোধ করতে পারলে সে অর্থে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হবে।

Pic-111
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী মো: মোস্তাফিজুর রহমান। অধ্যক্ষ মোঃ হেলাল উদ্দিনের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রস্কের প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব ড: মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাকসুদুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোহামম্মদ শাহাজালাল, প্রাথমিক শিক্ষা উপ পরিচালক (সিলেট অঞ্চল) তাহমিনা খাতুন, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোসাদ্দেক আহমদ, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দেক আলী, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল।

777888অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশাহিদ আলী ও ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ সানোয়ার হোসেন প্রমুখ।

কমলগঞ্জে রস্ক ফেইজ ২ প্রকল্পের প্রি ভোকেশনাল স্কিলস্ প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্টঃ

কমলগঞ্জের রস্ক ফেইজ ২ প্রকল্পের প্রি ভোকেশনাল স্কিলস্ প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

20160213_121738-1শনিবার বেলা ১১ টায় কমলগঞ্জ অডিটোরিয়ামে সনদপত্র অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এমপি। জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান সভাপতিত্ব করেন।

 

বিস্তারিত পেতে অপেক্ষায় থাকুন।

কমলগঞ্জে প্রি-ভোকেশনাল স্কিলস্ প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরণ আজ

Mustafizur-Rahman-Fizer-111
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :
রিচিং আউট-অব-স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) ফেইজ-২ প্রকল্পের প্রি-ভোকেশনাল স্কিলস্ প্রশিক্ষণ (পাইলট) কর্মসূচীর আওতায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ২টি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ প্রদানকারী সংস্থা কারিতাস কর্তৃক ১৬০ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কার্যক্রমের সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে আজ শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কমলগঞ্জ ৫০০ আসন বিশিষ্ট কমলগঞ্জ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এর আগমনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কমলগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র রমুজ মিয়া নির্বাচিত

f640f1bd-d453-4782-a997-a2aae893d972

কমলগঞ্জ পৌরসভার প্রথম পৌর পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুর ২টায় পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে কমলগঞ্জ পৌর মেয়র মো. জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে ও পৌর সচিব সরবীন্দু রায়ের পরিচালনায় শুরতেই জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদের এবং পৌরসভার প্রথম মেয়র মরহুম মুহিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে পৌরসভার প্যানেল গঠন নিয়ে আলোচনা অনুষ্টিত হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্যানেল- মেয়র-১ নির্বাচিত করা হয়। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্যানেল মেয়র-১ নির্বাচিত হয়েছেন তিন বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ রমুজ মিয়া,প্যানেল মেয়র-২ কাউন্সিলর সৈয়দ মোঃ জামাল হোসেন ও প্যানেল মেয়র-৩ নির্বাচিত হয়েছেন মহিলা কাউন্সিলর মোছাম্মত মুসলিমা বেগম।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নী মুহিত, আনোয়ারহোসেন, রাসেল মতলিব তরফদার, আনছার শোকরানা মান্না,আফজল হোসেন,শাপলা আক্কার প্রমুখ।

কমলগঞ্জে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪৬৫০ হেক্টর

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
Pic- Buru

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা একটি কৃষি বান্ধব এলাকা। উপজেলা ঘেষে ধলাই নদী বয়ে যাচ্ছে। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ছড়া। সরকারি ভাবে ছড়া খননসহ বিভিন্ন স্থানে পানি আটকানোর জন্য সুইচ গেইট নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা বিভিন্ন স্থানে বোরো আবাদে আগ্রহী কৃষকরা পর্যাপ্ত পানি সেচ এর অভাবে অনেক জমিতে বোরো আবাদ করতে পারছেন না। যাদো সুবিধা রয়েছে তারই কৃষি বোরো ক্ষেত করছেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রাথমিক ভাবে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬৫০ হেক্টর। এরমধ্যে রহিমপুর ইউনিয়নে ৩৮ হেক্টও, পতনঊষারে ৬১০, মুন্সীবাজারে ২৯৫, শমশেরনগওে ৩৭০, কমলগঞ্জ সদরে ৬০০, পৌরসভায় ২২০, আলীনগরে ৫৮০, আদমপুরে ৫২৯, মাধবপুরে ৭৩৫ ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ৩৩১ হেক্টর জমিতে কৃষকরা বোরো আবাদ। এর লক্ষ্যমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা বীজ তথা থেকে হালি উত্তোলন করেন জমিতে আবাদের কাজ শুরু করেছেন। অনেক কৃষকরা জানান, বোরো আবাদ শুরু করেছেন ঠিকই। পরবর্তিতে সেচের অভাব হতে পারে। বিভিন্ন খালের পানি ও বাড়ির পুকুরের পানি দিয়ে জমি আবাদ করছেন। তারা জানান, সরকারি ভাবে প্রতিটি গ্রামে গ্রামে যদি সেচের ব্যবস্থা করে দেয়া হত তাহলে যেকোন মৌসুমে কৃষি কাজ করতে কোন সমস্যা হত না।

কমলগঞ্জে বিজিবি-বিএসএফ ও দুই দেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৈঠক সমাপ্ত

12642585_1197233506972386_2356037936767129081_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নে মখাবিল এলাকায় বিএসএফের বাঁধায় ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে। দুই মাস চেষ্টার পর টানা ৪ ঘন্টার বিজিবি-বিএসএফ ও দুই দেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের বৈঠক কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জ উপজেলার ত্রিপুরা সীমন্তবর্তী ন্যাশনাল টি কোম্পানীর মালিকানাধীন চাম্পারায় চা বাগানে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকৌশলীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীমঙ্গলস্থ ৪৬ নং বিজিবি ব্যাটেলিয়ন কমান্ডারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরার কমলপুর থেকে ধলাই নদী ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। খরস্রোতা ধলাই নদের পানির আঘাতে প্রতি বছর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে ক্রমশ বাঁধটি সরু হয়ে ৩টি গ্রামের ৫ হাজার মানুষ হুমুকির মুখে পড়েছে। বন্যা হলে এ ৩টি গ্রামের বসত বাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মখাবিলে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ উন্নয়নের প্রকল্প গ্রহন করলেও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ ও ভারতীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াটার রিসোর্স বোর্ড)-এর আপত্তির কারণে কাজটি বন্ধ রয়েছে। ৪৬ নং বিজিবি ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার ল্যা: কর্ণেল নাসির উদ্দীন বলেন, বর্ষা শুরুর আগেই মখাবিলের প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ করতে তিনি দুই দেশের যৌথ বৈঠকের জন্য গত ২ মাস ধরে চেষ্টা করছিলেন। ২ মাসের চেষ্টায় বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বিএসএফ ২৭ ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক গুরপাল সিং ও ত্রিপুরার ওয়াটার রিসোর্স বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী তপন কুমার লোতের নেতৃত্বে ভারতীয় একটি প্রতিনিধি দল কুরমা চেকপোষ্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে চাম্পরায় চা বাগান ব্যবস্থাপক বাংলোয় উভয় দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃতৃ¦ দেন ৪৬ বিজিবি ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার ল্যা: কর্ণেল নাসির উদ্দীন, পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাই। টানা ৪ ঘন্টার বৈঠকেও মখাবিল এলাকায় ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ উন্নয়ন কাজের আপত্তি প্রত্যাহার করেনি ভারতীয়রা। ল্যা: কর্ণেল নাসির উদ্দীন আরও বলেন, ত্রিপুরার ওয়াটার রিসোর্স বোর্ড প্রধান প্রকৌশলী তপন কুমার লোত বাংলাদেশের রামগড় সীমান্তের ওপারের সাবরোম ও ফেনি সীমান্তের ওপারে বেলুনিয়া সীমান্তের নদী পথের দুটি অমিমাংশিত বিষয়টি নিয়ে এক সাথে না বসলে কমলগঞ্জের মখাবিলে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধের আপত্তি প্রত্যাহার করা যাবে না বলে জানান। আগামীতে এক সাথে এই ৩ টি বিষয়ে বৈঠক করে সামাধান করতে হবে বলে ভারতীয়রা জানান। পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাই বলেন, রামগড় ও ফেনি সীমান্তের বিষয়টি উদ্ধৃতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করেই পরবর্তীতে বসতে হবে। এ জন্য বৃহস্পতিবারের বৈঠকে কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ত্রিপুরার ওয়াটার রিসোর্স বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী তপন কুমার লোত সাংবাদিকদের বলেন, সমাধান করতে হলে এক সাতে ৩টি বিষয়েই সমাধান করতে হবে। এজন্য আগামীতে আবারও বড় আকারের বৈঠকের উদ্যোগ নিতে হবে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন ২৭ বিএসএফ সহকারী কমান্ডার পি কে শুকলা, ওয়াটার রিসোর্স বোর্ড কমলপুরের এসডিইও পবিত্র মজুমদার ও বাংলাদেশের পক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী ধীরেন্দ্র নাথ সরকার।