সদ্য সংবাদ

বিভাগ: কমলগঞ্জ

শোক সংবাদ ॥ এখলাছুর রহমান ॥

Aklasur Rahman
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৩নং মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সাবেক ওয়ার্ড সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, প্রবীন বিএনপি নেতা এখলাছুর রহমান ওরপে কনা মিয়া (৭৬) গত শনিবার রাত ১০ টা ২০ মিনিটের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রুপসপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ ছেলে, ৪ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় রুপসপুর বন্দর বাজারে মরহুমের নামাজের জানাযা শেষে নিজ পারিবারীক করবস্থানে দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা বিএনপি নেতা সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি নেতা অলি আহমদ খান প্রমুখ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic T Worker Union Elction 2

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা আর কঠোর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেশের মোট ৭টি ভ্যালিতে (অঞ্চলে) বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন রোববার অনুষ্ঠিত হয়।  সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৩০টি চা বাগানের নিবন্ধিত নারী ও পুরুষ চা শ্রমিকরা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি  ও সাধারণ সম্পাদক মন্ডলী, ভ্যালি কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক মন্ডলী ও বাগান পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট প্রদান কনের। সকাল সাড়ে ১০টায় মনু-দলই ভ্যালীর শমশেরনগর চা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে তিনটি লাইনে নারী-পুরুষ ভোটাররা ভোট প্রদানের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। এ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সহকারী উপজেলা মৎস্য অফিসার মো: আসাদ উল্ল্যাহ জানান, সকাল পৌনে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ত্রিশ শতাংশ ভোটার ভোট প্রদান করেছেন।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যালয় শ্রীমঙ্গলস্থ লেবার হাউজ সূত্রে জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর টানা ৩৪ বছর একটি পক্ষ দ্বারা চা শ্রমকি ইউনিয়ন পরিচালিত হলেও সে সময় সাধারণ চা শ্রমিকরা ভোট প্রদান করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারতেন না। ২০০৮ সালে সংগ্রাম কমিটি গঠণ করে ব্যাপক আন্দোলনের মাধ্যমে সে বছর প্রথমবার গণতান্ত্রীক উপায়ে চা শ্রমিকরা ২৬ অক্টোবর ভোট প্রদান করে প্রথমে পঞ্চায়েত কমিটি ও ভ্যালি কমিটির প্রতিনিধি নির্বাচন করেছিল। ২ নভেম্বর রোববার বাংলাদেশ চা শ্রমকি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে। নির্বাচনে সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মাখন লাল কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরীর প্যানেল নির্বাচিত হয়েছিলেন।
নির্বাচিত এই কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে সরাসরি ৯৫ হাজার ৫০০ চা শ্রমিকের ভোটে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন করেছিল। ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে এ কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নানা জটিলতায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অবশেষে শ্রম অধিদপ্তরের মাধ্যমে চলতি বছরের ২৭ মে চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার মাধ্যমে ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হয়। তপশিল অনুযায়ী রোববার (২৪ জুন) সারা দেশের ৭টি ভ্যালিতে(অঞ্চলে) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একযোগে ভোট গ্রহন হয়।
নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনে মাখনলাল কর্মকার ও রাম ভজন কৈরী প্যানেল ও বিজয় প্রসাদ বুনার্জি ও সীতারাম অলমিক প্যানেলে সভাপতি ও সম্পাদক মন্ডলী, শিউধনী কুর্মির নেতৃত্বে একটি সভাপতি মন্ডলী ও গীতারানী কানুর নেতৃত্বে সম্পাদক মন্ডলীল আরও একটি প্যানেলে ৪টি করে পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সাথে ২৩০টি চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি ও ৭টি ভ্যালি কমিটিরও ভোট প্রদান করছে চা শ্রমিক ভোটাররা।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় সূত্রে আর জানা যায়, বৃহত্তর সিলেট ও চট্রগ্রাম অঞ্চল মিলিয়ে সাতটি ভ্যালিতে সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী মোট ৯৮ হাজার ৭৫২ জন ভোটার ভোট প্রদান করছে।
এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার ২২টি চা বাগান ও কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর চা বাগান নিয়ে মোট ২৩টি চা বাগান নিয়ে মনু-ধলই ভ্যালিতে ১৫ হাজার ৫২ টি ভোটের জন্য ভ্যালি কমিটিতে সভাপতি পদে ধনা বাউরী, সহ-সভাপতি পদে গায়ত্রী রানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্মল দাশ পাইনকা রিক্সা প্রতীকে, আবার সভাপতি পদে সীতারাম বীন, সহ-সভাপতি পদে আলোমনি রবিদাস ও সম্পাদক কুশল চাষা আম প্রতীকে নির্বাচন করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল নুনিয়া গোলাপ ফুল প্রতীকে ও প্রদীপ কালোয়ার কাঁঠাল প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রোববার বেলা ২টায় বলেন, ৭টি ভ্যালিতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সু-শৃঙ্খলভাবে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের ভোট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রতি কেন্দ্রে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।

রাত পোহালে বহুল আলোচিত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ॥ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ॥ কঠোর নিরাপত্তা জোরদার

 1

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন রোববার  (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চা শ্রমিকদের কাঙ্খিত কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে প্রতিটি চা বাগানে পঞ্চায়েত কমিটি ও ভ্যালি (অঞ্চল) কমিটির নির্বাচনে দেশের ২৩০টি চা বাগানের চা শ্রমিকরা অংশগ্রহণ করছে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যালয় শ্রীমঙ্গলস্থ লেবার হাউজ সূত্রে জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর টানা ৩৪ বছর একটি পক্ষ দ্বারা চা শ্রমকি ইউনিয়ন পরিচালিত হলেও সে সময় সাধারণ চা শ্রমিকরা ভোট প্রদান করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারতেন না। ২০০৮ সালে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে ব্যাপক আন্দোলনের মাধ্যমে সে বছর প্রথমবার গণতান্ত্রীক উপায়ে চা শ্রমিকরা ২৬ অক্টোবর ভোট প্রদান করে প্রথমে পঞ্চায়েত কমিটি ও ভ্যালি কমিটির প্রতিনিধি নির্বাচন করেছিল। ২ নভেম্বর রোববার বাংলাদেশ চা শ্রমকি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে। নির্বাচনে সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মাখন লাল কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরীর প্যানেল নির্বাচিত হয়েছিলেন।
নির্বাচিত এই কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে সরাসরি ৯৫ হাজার ৫০০ চা শ্রমিকের ভোটে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন করেছিল। ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে এ কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নানা জটিলতায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অবশেষে শ্রম অধিদপ্তরের মাধ্যমে চলতি বছরের ২৭ মে চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার মাধ্যমে ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হয়। তফশিল অনুযায়ী রোববার (২৪ জুন) সারা দেশের ৭টি ভ্যালিতে (অঞ্চলে) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনে মূলত দুটি মাখনলাল কর্মকার ও রাম ভজন কৈরী প্যানেল ও বিজয় প্রসাদ বুনার্জি ও সীতারাম অলমিক প্যানেলে সভাপতি ও সম্পাদক মন্ডলীর ৪টি করে পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সাথে ২৩০টি চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি ও ৭টি ভ্যালি কমিটিরও ভোট প্রদান করবে চা শ্রমিক ভোটাররা।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় সূত্রে আর জানা যায়, বৃহত্তর সিলেট ও চট্রগ্রাম অঞ্চল মিলিয়ে সাতটি ভ্যালিতে সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী মোট ৯৮ হাজার ৭৫২ জন ভোটার ভোট প্রদান করবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাখন লাল কর্মর্কার ও রাম ভজন কৈরীর সভাপতি মন্ডলীতে  দোয়াত কলম নিয়ে মাখন লাল কর্মকার সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন। সাধারন সম্পাদক পদে রামভজন কৈরী ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে বিজয় বুনার্জি- সীতারাম অলমিক প্যানেলে সভাপতি পদে বিজয় বুনার্জি সভাপতি পদে ছাতা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ প্যানেলে সীতারাম অলমিক  চেয়ার প্রতীকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন। এছাড়া সভাপতি পদে বাইসাইকেল প্রতীকে শিউ ধনী কূর্মি স্বতন্ত্র হিসাবে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নারী প্রার্থী গীতা রানী কানু কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার ২২টি চা বাগান ও কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর চা বাগান নিয়ে মোট ২৩টি চা বাগান নিয়ে মনু-ধলই ভ্যালিতে ১৫ হাজার ৫২ টি ভোটের জন্য ভ্যালি কমিটিতে সভাপতি পদে ধনা বাউরী, সহ-সভাপতি পদে গায়ত্রী রানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্মল দাশ পাইনকা রিক্সা প্রতীকে, আবার সভাপতি পদে সীতারাম বীন, সহ-সভাপতি পদে আলোমনি রবিদাস ও সম্পাদক কুশল চাষা,আম প্রতীকে নির্বাচন করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল নুনিয়া গোলাপ ফুল প্রতীকে ও প্রদীপ কালোয়ার কাঁঠাল প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, ৭টি ভ্যালিতে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলায় ১৪ হাজার ৩৪৪ জন ভোটার মোট ২৩টি ভোট কেন্দ্রে ৩৯টি বুথে ভোট প্রদান করবেন। শনিবার দিনভর কমলগঞ্জ উপজেলার ২৩টি ভোট কেন্দ্রে কঠোর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিসাাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসাররা ভোটের বাক্স, ব্যালেট পেপারসহ ভোটকেন্দ্রের সরঞ্জামাদি নিয়ে গেছেন। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রতি কেন্দ্রে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোকতাদির হোসেন পিপিএম জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার মোতায়েনের পাশাপাশি কেন্দ্র মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ করতে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। #

কমলগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা আঞ্চলিক কমিটির সভায় মনু-ধলাই নদী খনন, সংস্কার ও হাওর রক্ষার দাবি

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

01
পর্যায়ক্রমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে এমন নদ-নদী খনন ও হাওর রক্ষার দাবিতে মৌলভীবাজাররে কমলগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা আঞ্চলিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কমলগঞ্জ ইউনিটের শমশেরনগরস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হাওর ও নদী রক্ষা কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কমিটি সভাপতি মো. দুরুদ আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব তোয়াবুর রহমানের  সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য ও সমাজ সেবক আনোয়ার খান, সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, নূরুল মোহাইমীন মিল্টন, কমলগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক এম এ ওয়াহিদ রুলু, শিক্ষক ইয়াজুল ইসরাম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, মৌলভীবাজারে মনু নদী ও কমলগঞ্জের ধলাই নদী পর্যায়ক্রমে ভরাট হয়ে গেছে। ফলে দু’তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে উজানের ঢল নেমে এ দুটি নদী ও পাহাড়ি বিভিন্ন ছড়া উপচে পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রতিরক্ষা বাঁধের দুর্বল স্থান ভেঙ্গে পাহাড়ি ঢলে বন্যার সৃষ্টি হয়। বন্যার পানি গ্রামে প্রবেশ করে ফসলি জমি ও বাড়ি ঘর নিমজ্জিত করে। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নদ নদী রক্ষায় সরকারের পািন উন্নয়ন বোর্ড সঠিক কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে না। এসব নদী থেকে মাছ শিকারের বাঁশের বেড়া অপসারণ,  দ্রুত সময়ে প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামতের দাবি জানানো হয়। এজন্য আগামী ২৬ জুন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একচি স্মারকলিপি প্রেরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া  নদ-নদী খনন, প্রতিরক্ষা বাঁধ মরোমত ও হাওর রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এখন থেকে সর্বত্র প্রচারপত্র বিলি করা হবে।

কমলগঞ্জে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১, থানায় অভিযোগ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া গ্রাম্য রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় আহতের পক্ষে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১৩ জুন বুধবার দুপুরে উপজেলার মধ্যবাগ বাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধলাই নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলাকাবাসীর যাতায়াতের রাস্তায় নিয়ে বিরোধের জের ধরে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যবাগ গ্রামের সুন্দর মিয়া, বিলাল মিয়া, মজমিল মিয়া, মিনাল মিয়া একই গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে মো. ফারুক মিয়া (২৬) কে লোহার রড সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুক মিয়াকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ১৩ জুন থেকে এখন পর্যন্ত সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ফারুক মিয়ার ভাই জাহাঙ্গীর মিয়া বাদি হয়ে চার জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল তদন্ত করেছে। তবে অভিযোগ বিষয়ে সুন্দর মিয়া বলেন, আমার বাড়ির পাশ দিয়ে গ্রাম্য রাস্তাটি নদী ভাঙনে চলে যাওয়ায় আর জায়গা দেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে ফারুক মিয়া আমাদের উপর আক্রমনের চেষ্টা করে তখন দু’পক্ষের মধ্যে কিছুটা মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আমি নিজেও আহত হয়েছি। এই বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সালিশের মাধ্যমে শেষ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় আমরা অপেক্ষায় আছি।
আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দাল হোসেন বলেন, দু’পক্ষই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশে সমাধানের আগ্রহী রয়েছে। শীঘ্রই এ বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্ত কমলগঞ্জ থানার এসআই কৃষ্ণমোহন দেবনাথ বলেন, বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বন্যায় স্থানীয় শাক সব্জি বিনষ্ট : জেলার বাইরের শাক সব্জিতে কমলগঞ্জের কাঁচা বাজার টিকে আছে

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1
সাম্প্রতিক বন্যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ১৪৫ টি গ্রাম পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় খেতের সব ধরণের শাক সব্জি বিনষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় মৌলভীবাজার জেলার বাইরের নরসিংদিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শাক সব্জিতে ঠিকে আছে কমলগঞ্জের কাঁচা বাজার। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।
শনিবার সরেজমিন ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বন্যার কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে এ উপজেলার গ্রামঞ্চল থেকে কোন প্রকার শাক সব্জি বাজারে আসছে না। ক্রেতারা চাহিদামত তরতাজা শাক সব্জি পাচ্ছেন না।
শমশেরনগরের ক্রেতা নজরুল ইসলাম খান আব্দুল ওহাব বলেন, কাঁচা বাজারে গিয়ে চাহিদামত শাক সব্জি পাচ্ছেন না। যেগুলি পাচ্ছেন তা তরতাজা নয়। কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে খেত থেকে সংগৃহীত। এবং এগুলি উপজেলার কোন গ্রামের খেতের নয়। দামও কিছুটা বেশী।
শাক সব্জি বিক্রেতা অভিনাশ পাল ও জমশেদুর রহমান বলেন, বন্যার কারণে কমলগঞ্জ, পার্শবর্তী কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলার গ্রামের সব ধরনের শাক সব্জি বিনষ্ট হওয়া যায়। ফলে কাঁচাবাজারে এখন স্থানীয় কোন শাক সব্জি আসছে না। এখন বাজারে নরসিংদীসহ অন্যান্য স্থান থেকে সরবরাহকৃত শাকসব্জি বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে। তারা আরও বলেন, বাইরের এসব শাক সব্জি না আসলে কাঁচা বাজারে অগ্নিমূল্যে শাক সব্জি বিক্রি করতে হত।
বিক্রেতারা আরও বলেন ফলে এখন বাজারে পূর্বের দামে শাক সব্জি বিক্রি হচ্ছে। দুই একটি শাক সব্জিতে দাম সামান্য বেড়েছে। বাজার থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, পটল প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাকরুল ৪০টাকা, মুখি ৫০ টাকা,বেগুন ৩০ টাকা, করোলা ৩৫ টাকা থেকে বেড় ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, কমড়া (প্রতিটি) ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাউ (প্রতিটি) ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, আগাম আসা মূলা ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩৫ টাকা ও আলু ২৫ টাকা থেকে ২৮ টাকা ও ধনে পাতা বেড়ে প্রতি কেজি ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শমশেরনগরের কাঁচা মালের আড়ৎদার ইকবাল মিয়া বলেন, এসময় নরসিংদিসহ বাইরের জেলা থেকে শাক সব্জি না আসলে বাজারে কোন শাক সব্জিই পাওয়া যেত না। এসব শাক সব্জির কারণে ক্রেতারা বলা যায় আগের দামেই কিনতে পারছেন।
কষক ও শাক সব্জি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে জানা যায় কমলগঞ্জ উপজেলার টিলা ভূমি ও চা বাগান এলাকা ব্যতীত গ্রামাঞ্চলের সব শাক সব্জি বিনষ্ট হয়ে গেছে। তবে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন আহমদ বাজারে স্থানীয় শাক সব্জিরর সরবরাহ নেই স্বীকার করে বলেন, তাদের হিসাব মতে কমলগঞ্জে ৩০ হেক্টর জমির শাক সব্জি বিনষ্ট হয়েছে। এখন বন্যার পানিও নেমে গেছে কৃষকরা নতুন করে শাক সব্জি উৎপাদন শুরু করছেন।

কমলগঞ্জের পতনঊষারে সবুজ বাংলা যুব সংঘের বন্যার্তদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic-1
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবুজ বাংলা যুব সংঘের আয়োজনে বন্যার্তদের মধ্যে ফ্রি চিকিৎসা ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ জুন) দপুরে স্থানীয় পতনঊষার ইউনিয়নের মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জনের সহযোগীতায় ২৫০ এর অধিক রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। এসময় চিকিৎসক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডা. অরূপ রাউত,  ডাঃ সত্যজিৎ দাস, ডা. স্বপন তালুকদার।

2

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান চৌধুরী, ছুফি মিয়া, সাজাদ চৌধুরী, টিপুল আলী, হারুন মিয়া মাষ্টার, তছবির আলী, তালুকদার আমিনুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আব্দুল মুহিত হাসানী, লোকমান আহমদ, রকিব আহমদ, রফি চৌধুরী, সিরাজ খান, জয়নাল আবেদীন, রুহিন চৌধুরী, রাসেল চৌধুরী, তালুকদার আব্দুল মুমিন,আদনান চৌধুরী, আইনুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুল মুকিত হাসানী, শিপার আহমদ, কাওছার আহমদ, তানভীর খান, রাব্বী খান, জামাল আহমদ, বদরুল, শাহিন, রাজীব প্রমুখ।

বহুল আলোচিত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন ২৪ জুন শেষ মুহুর্তে প্রচারণা জমজমাট ॥ কমলগঞ্জের মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি কে হচ্ছেন ?

এম. কে পাল জয়

mmmm
বাংলাদেশ চা- শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন ২৪ জুন রোববার অনুষ্ঠিত হবে। আজ ২২ জুন শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচার প্রচারণা সমাপ্ত হবে। শেষ মহুর্তে প্রচারণায় জমজমাট মনু-ধলই ভ্যালির ২৩ টি চা- বাগান। মাঝে মধ্যে টাকার ছড়াছড়ি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  চায়ের কাপ থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্রে সব জায়গায় চলছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনা। মনু-ধলই ভ্যালিতে ৪ টি প্যানেল তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছে। প্রতিশ্রুতির বুলি শোনাচ্ছেন অবিরত।
এবার সংগ্রাম কমিটিকে  সমর্থন করে ৩ টি প্যানেল।  শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের ২ বারের নির্বাচিত সদস্য ও কমলগঞ্জ আওয়ামীলীগ সদস্য মাসিক চা- মজদুর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সভাপতি পদে সীতারাম বীন সভাপতি ও ক্লীন ইমেইজের নেতা হিসেবে পরিচিত পাত্রখলা চা- বাগানের ২ বারের নির্বাচিত সাবেক ইউ পি সদস্য সাধারণ সম্পাদক পদে কুশল চাষা ও ধলই চা- বাগানের মহিলা নেত্রী সহসভাপতি আলোমণি রবিদাস কে নিয়ে “সীতারাম-কুশল-আলোমণি” প্যানেল (আম প্রতিক) ।  বর্তমান সভাপতি সংগ্রামী নেতা  মাধবপুর চা- বাগানের গোপাল নুনীয়া সভাপতি এবং কানিহাটি চা- বাগানের চা- শ্রমিক নেতা মোহনলাল রবিদাশ সম্পাদক ও মহিলা নেত্রী সহসভাপতি পদে কবিতা কর্মকার কে  নিয়ে গঠিত “গোপাল-মোহনলাল-কবিতা” প্যানেল (গোলাপফুল প্রতিক) এবং ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের ২ বারের নির্বাচিত সদস্য মিরতিংগা চা-বাগানের ধনা বাউরী সভাপতি, ভ্যালীর বর্তমান সম্পাদক শমশেরনগর চা- বাগানের নির্মল পাইনকা ও বর্তমান সহ-সভাপতি ধলই চা- বাগানের গায়ত্রী ভর কে নিয়ে “ধনা-নির্মল-গায়েত্রী” প্যানেল (রিক্সা প্রতিক) নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। অন্যদিকে ঐক্য পরিষদের সমর্থিত মদনমহনপুর চা বাগানের শ্রমিক নেতা প্রদ্বীপ কালোয়ার সভাপতি, চাম্পারায় চা- বাগানের ছাত্রলীগ নেতা সুজন মুন্ডা সম্পাদক ও মাধবপুর চা- বাগানের শ্যামলী বোনার্জী ( মালতি)  সহ-সভাপতি পদে  “ প্রদ্বীপ-সুজন-শ্যামলী” প্যানেল (কাঠাঁল প্রতিক) নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
সংগ্রাম কমিটি  থেকে ৩টি প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করায় সংগ্রাম কমিটির সমর্থিত ভোটাররা নানা সমস্যায় রয়েছেন। এই সুযোগে ঐক্য পরিষদ সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
সভাপতি প্রার্থী সীতারাম বীন কমলকুঁড়িকে বলেন, নির্বাচনে পাশ করার ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। মনু-ধলই ভ্যালীতে ২৩টি চা বাগান রয়েছে। ২৩টি চা বাগানে আমার বিচরণ রয়েছে। আমি সব সময় চা শ্রমিকদের সুখে দু:খে পাশে থেকেছি, আছি ও থাকবো। বিজয়ী হলে চা-শ্রমিকদের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। বাংলাদেশের সব নির্যাতিত চা- শ্রমিকদের সমস্যা আমার নিজের সমস্যা মনে করি, আমি অনেক কষ্ঠকরে হলেও চা- শ্রমিকদের জীবন- জীবিকা নিয়ে মাসিক চা- মজদুর পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ করি। নির্বাচিত হলে চা শ্রমিকদের মুজুরী বৃদ্ধি সহ শিক্ষা,উন্নত চিকিৎসা,বাসস্থান এবং শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত ও শিক্ষিত বেকার চা- শ্রমিক সন্তানের চাকুরী নিশ্চিতের লক্ষে  সবসময় নিজেকে নিবেদিত রাখবো।
বর্তমান সভাপতি গোপাল নুনীয়া জানান ” আমি মনু-ধলই ভ্যালীর সভাপতি হয়ে সব সময় চেষ্টা করেছি চা- শ্রমিকের পাশে থাকতে। তাদের সমস্যা সমাধান করতে। তবে সাংগঠনিক কারনে অনেক সময় তা সম্ভব হয়নি। এবার আমার প্যানেল পূন:গঠন করেছি   চা- শ্রমিকরা যদি সুযোগ দেন তবে শেষ বারের মতো তাদের সেবা করে যাবো “। সাধারণ সম্পাদক অন্য প্যানেলে গিয়ে নির্বাচন করতে দেখা যায়, এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি? রহস্যজনকভাবে অন্য প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন এটি নিজস্ব ব্যাপার। তবে আমি অন্যায় কোন দিন মেনে নেই নাই হয়তো বা এটা একটা কারন হতে পারে।

সংগ্রাম কমিটি থেকে সভাপতি প্রার্থী ধনা বাউরির সাথে একাধিক বার সেল ফোনে (০১৭৭৪৭০৭০০০) যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর সমর্থক একজন মূখ্য কর্মী জানান, ধনা বাউরি মিরতিংগা চা- বাগানকে একটি মডেল বাগান হিসেবে পরিচিত করেছেন এবং মনু-ধলই ভ্যালির সব বাগানকে মডেল বাগান তৈরী করবেন। তিনি নির্বাচিত হলে সব বাগানে পঞ্চায়েতদের বসার একটি কার্যালয় মালিক পক্ষ থেকে আদায় করবেন।
নাগরিক ঐক্য সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী প্রদ্বীপ কালোয়ার জানান “চা- শ্রমিক আমাকে খুব ভালোবাসে আর তাদের ভালোবাসা নিয়ে সব সময় তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করে যাব এই প্রত্যাশা। আমি আগে ও চা- শ্রমিক ইউনিয়নের এডহক কমিটির সদস্য ছিলাম এবং চা- শ্রমিকের জন্য তখন থেকে এ পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছি।

সংগ্রাম কমিটি থেকে ৩ জন প্যানেল ও নাগরিক ঐক্য পরিষদ থেকে ১ প্যানেল।   শেষ মুহুর্তে কে হাসি হাসবে। এই নিয়ে ভোটাররা অপেক্ষায় আছেন।   #

কমলগঞ্জে ওয়ার্কার্স পার্টির ত্রাণ বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

10
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বন্যা দুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে ওয়ার্কার্স পার্টি মৌলভীবাজার জেলা কমিটি। শুক্রবার (২২ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় পতনউষার ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকায় এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ওয়ার্কার্স পার্টি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদব আব্দুল আহাদ (মিানর)-এর সভাপতিত্বে ত্রাণ বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলে ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড সিকন্দর আলী। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলে কমলগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো: বাদশাহ ফয়ছল, ওয়ার্কার্স পার্টি জেলা কমটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সৈয়দ আমিরুজ্জামান, যুবমৈত্রী জেলা কমিটির আহ্বায়ক বুলবুল আহমদ, জেলা নারী মুক্তি সংসদের আহ্বায়ক শ্যামলী রানী সূত্রধর প্রমুখ। বন্যা দুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ৩ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল,১ লিটার তেল, ১ তেজি লবন ও ১ কেজি করে পিয়াজ বিতরণ করা হয়।

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রকৃতি, জীব বৈচিত্র ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Kamalgonj Pic Tree Plantation 1
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বনের প্রকৃতি, জীব বৈচিত্র ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাইক্লিষ্টস অব শ্রীমঙ্গলের আয়োজনে দেশীয় ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রোপন করে। শুক্রবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভিতর বন বিশ্রামাগার সংলগ্ন স্থানে সাইক্লিষ্টস অব শ্রীমঙ্গলের উপদেষ্ঠা ডা: বিনেন্দু ভৌমিক বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধনের মাধ্যমে এসব বৃক্ষের চারা রেপান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাইক্লিষ্টস অব শ্রীমঙ্গলের সমন্বয়কারী অলক দাস, সদস্য খোকন তৌনুজাম,লাউয়াছড়া বনবিট কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন, ইকো ট্যুর গাইড রাসেল আলম, কানন বৈদ্য, লাউয়াছড়া গ্রাম সংরক্ষণ দলেল সাধারণ সম্পাদক সাজু মারছিয়াং ও সাইক্লিষ্টস অব শ্রীমঙ্গলের সদস্যবৃন্দ। আর এ কাজের সহযোগিতায় ছিলেন বন্যপ্রাণী সহব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ শ্রীমঙ্গল।
বন্যপ্রাণী সহব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ-এর সহকারী বন সংরক্ষক  মো: আনিসুর রহমান সাইক্লিষ্টস অব শ্রীমঙ্গলের আয়োজনে বৃক্ষ রোপনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ।