সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

একজন কবিতা প্রেমী ‌পৃথ্বীশ চক্রবর্তী ।। পিন্টু দেবনাথ ।।

Untitled-1 copy

দখিনা বাতাস এসে, মাতাল কি করে দিছে মন
উথাল পাতাল প্রাণ, জোয়ারের নদীর মতোন?
উড়েছে কি নীলরঙা তোমার ঐ শাড়ির আচল
দেখতে কি পাখি, প্রজাপতি না কি পরী অবিকল?
কেমন লেগেছে তোমার, গাছের পাতাঝরা সুর
কালো কোকিলের কুহু কুহু রব কতোটা মধুর?
গায়ে কি মেখেছো, লেবু-কাঞ্চন-কামিনীর ঘ্রাণ
উল্লসিত কেনো এতো, কেনো আজ উদাসিনী প্রাণ?
কিভাবে করেছো জয়, রক্তলাল পলাশের মন
কেমন দেখেছো আজ, হলুদাভ শিমুলের বন?
ফুটেছে কি কৃষ্ণচূড়া, ধরেছে কি আমের মুকুল
কার জন্যে মালা গাঁথো, কার জন্যে তুলে আনো ফুল?
কার জন্যে রঙ-রূপ, কার জন্যে এতো আয়োজন
কার জন্যে বসে থাকো, কার জন্যে বুঝোনি স্বজন?
—–
এই কবিতার গভীরে অনেক কিছু খুঁজে পাই কবির মাঝে। তিনি হলেন পৃথ্বীশ চক্রবর্তী। আজ ৮ নভেম্বর তাঁর জন্ম দিন। শুভ জন্মদিন কবি।
শূন্য দশকের তরুণ কবিদের অন্যতম পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী। শৈশবেই তাঁর লেখার জগতে হাতেখড়ি। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উদয়বাণী’ প্রকাশিত হয়। গভীর জীবনবোধ, দেশপ্রেম, সমাজ, ধর্ম, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, মানবতা, দর্শন, দ্রোহ, ভালোবাসা, প্রেম, বিরহসহ বিভিন্ন বিষয় তাঁর কবিতাকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। কবিতায় সিদ্ধহস্ত হলেও শিশুতোষ ছড়া-কবিতা, অণুকাব্য, সমকালীন ছড়ার জগতেও তিনি সমান পারদর্শী।
পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা আ/এলাকায় ০৮ নভেম্বর ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শাস্ত্রীয় পণ্ডিত শ্রীযুক্ত প্রণয়ভূষণ চক্রবর্ত্তী মিন্টু (ব্যাকরণ শাস্ত্রী, স্মৃতিভূষণ, ক্রিয়াতীর্থ) ও শ্রীযুক্তা সুপ্রীতি চক্রবর্ত্তীর তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তিনি বি.এসসি অনার্স, এম.এসসি (প্রাণিবিদ্যা) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে নবীগঞ্জ পৌরসভা হবিগঞ্জে করশাখায় কর্মরত।
এ পর্যন্ত তাঁর পাঁচটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্থগুলো হল: ‘উদয়বাণী’ (কবিতা, ১৯৯৭), ‘নোনাজলের বৃষ্টি ‘(কবিতা, ২০১৩), ‘বৃষ্টি পড়ে তিথির বাড়ি'(শিশু-কিশোর ছড়া, ২০১৩), ‘দুর্গম পথের যাত্রী’ (কবিতা, ২০১৬) ও ‘পড়শি আসে ভাষার মাসে'(শিশুকিশোর ছড়া-কবিতা, ২০১৭)।
তিনি সম্পাদনায় ‘বাসন্তী সাহিত্য পুরস্কার-২০০২’, বাংলাদেশ পয়েটস ক্লাব ও বাংলাদেশ পল্লীসাহিত্য গবেষণা পরিষদ কর্তৃক কবিতায় ‘জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন সম্মাননা-২০১৪’, আমীর প্রকাশন ও এডুকেশন কালচারাল লিটারেচার রিসার্চ ডেভেলপম্যান্ট কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘আমীর প্রকাশন সাহিত্য পুরস্কার-২০১৪’, সাপ্তাহিক বর্ণমালা কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘বাংলার বর্ণমালা পদক-২০১৪’, সংসপ্তক ও আমরা কুঁড়ি কর্তৃক ‘ভাসানী স্মৃতি পুরস্কার-২০১৪’ এবং কবিসংসদ বাংলাদেশ কর্তৃক ‘শ্রেষ্ঠ সংগঠক’ হিসেবে ‘জাতীয় কবি সম্মেলন সম্মাননা-২০১৫’ লাভ করেন। ‘নোনাজলের বৃষ্টি ‘ কাব্যের জন্য কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদ, ঢাকা কর্তৃক ‘জাতীয় সাহিত্য পদক-২০১৫’ লাভ করায় তাঁকে জাতীয় কবিতা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা কর্তৃক সংবর্ধনাও প্রদান করা হয়।
তিনি দুর্বার, বাংলাভাষা, সূর্যোদয়, প্রজ্বলন, জয়ন্তীসহ বেশকটি সাহিত্য ম্যাগাজিন ও পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। সংগঠক হিসেবেও রয়েছে তাঁর যথেষ্ট সুনাম। তিনি বর্তমানে কবিসংসদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি, বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ ও রূপসী বাংলা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক, সমকাল, সংবাদ, জনকণ্ঠ, কালেরকণ্ঠ, ভোরের কাগজ, যায় যায় দিন, বাংলাদেশ প্রতিদিন, আমাদের সময়, আজকের কাগজ, মুক্তকণ্ঠ সহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা, বাংলা একাডেমির ‘ধান শালিকের দেশ’, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর ‘শিশু’, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ‘নবারুণ’ ও ‘সচিত্র বাংলাদেশ’, ব্র্যাক বাংলাদেশের ‘সাতরং’, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ‘সবুজপাতা’ ও ‘অগ্রপথিক’ ব্যঙ্গল ফাউণ্ডেশনের ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’ সহ বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত কবিতা, পদ্য, ছড়া, অণুকাব্য ও প্রবন্ধের সংখ্যা ৫(পাঁচ) শতাধিক। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এর ‘ছন্দিত নন্দিত’ অনুষ্ঠানে তিনি অনেকবার ছড়া ও কবিতা পাঠ করেছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিরলস ও বিরতিহীনভাবে জাতীয় পত্রপত্রিকায় কবিতা, শিশুতোষ ছড়া, পদ্য, কিশোর কবিতা, অণুকাব্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখে যাচ্ছেন।
পৃথ্বীশ চক্রবর্তীর মামার বাড়ী হচ্ছে আমার গ্রামে। সেই থেকে তাঁর সাথে পরিচয়। এখানে আসলেই আমাদের বাড়ীতে চলে আসতেন। আজ তাঁর শুভ জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি শত ব্যস্ততার মাঝে সাহিত্যচর্চ্চা বিরামহীন ভাবে করে যাচ্ছেন। তাঁর লেখালেখিতে অনেক প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে। যা আমাদের অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরণা যোগায়। ধন্যবাদ কবি। তোমার জন্মদিনে আমার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালাম।

হে পথিক ! -লিয়াকত খান

 

Untitled-1 copy

হে পথিক !
ধীরে চলো,
সাবধানে অতি সন্তর্পনে
বড় পিচ্ছিল চলার পথ
অসতর্কতায় আছড়ে পড়তে পারো
মচকে যেতে পারে হাত-পা
মুখমণ্ডল হতে পারে ক্ষতবিক্ষত।
সঞ্চিত শক্তি, পেশীবহুল শরীর, দম্ভ, অহমিকা
বড় অসহায় পিচ্ছিলতার কাছে
নিমিষেই স্থানচ্যুত হতে পারে বুকের পাঁজর
সাধু সাবধান !
মেরুদণ্ড সোজা করে হাটো
মৃদু পায়ে অতি সন্তর্পনে।

জানেন কি বলিউডের এই গোপন প্রেমের গল্পগুলি?

95621-govindaa-srk-400x225

বিনোদন ডেস্ক

হৃত্বিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাওয়াত: হৃত্বিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাওয়াতের সম্পর্ক নিয়ে যখন জোর চাপানউতর চলছে, তখন একে অপরকে দোষারোপের পালাও অব্যাহত। কিন্তু, জানেন কি হৃত্বিক, কঙ্গনা ছাড়াও বলিউড নায়ক, নায়িকাদের এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের সম্পর্ক নিয়েও বিস্তর জল্পনা হয়েছে। সেই তালিকায় কারা কারা রয়েছেন জানেন? শাহরুখ খান-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া : শোনা যায়, পিগি চপসের সঙ্গে নাকি এক সময় সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শাহরুখ খান? বিষয়টি নিয়ে জোরদার জল্পনা হলেও, ডন টু-এর পর ওই দু’জনকে আর একসঙ্গে দেখা যায়নি। অক্ষয় কুমার-শিল্পা শেঠি : টুইঙ্কেল খান্নার সঙ্গে বিয়ের আগে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে নাকি শিল্পা শেঠির সম্পর্ক ছিল। যদিও, সেই সম্পর্ক বেশিদূর গড়ায়নি। হৃত্বিক রোশন-বারবারা মোরি : কাইটসে অভিনয়ের সময় নাকি ওই বিদেশি কন্যার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান হৃত্বিক। যদিও, বি টাউনের একাংশের দাবি, সিনেমার প্রচারের জন্যই নাকি ছড়ানো হয় ওই গুজব।  ইয়ামি গৌতম-পুলকিত সম্রাট : শোনা যায়, য়ামি গৌতমের সঙ্গে সম্পর্কের জন্যই নাকি সলমন খানের রাখি বোনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় পুলকিত সম্রাটের।
রণবীর কাপুর-মাহিরা খান : ক্যাটরিনা কাফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পরই বার বার পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে রণবীর কাপুরকে। শোনা যাচ্ছে, বর্তমানে নাকি মহিরার সঙ্গে প্রেম করছেন রণবীর কাপুর। রানি মুখোপাধ্যায়-গোবিন্দা : গোবিন্দার সঙ্গে নাকি এক সময় সম্পর্ক ছিল রানির। বি টাউনে এমন গুঞ্জনও ছড়িয়েছে।

বদঅভ্যাসকে উপজিব্য করে নানা ক্লাইমেক্সে ভরা ব্যতিক্রমী টেলিফিল্ম ‘বদঅভ্যাসের’ গল্প! খুব শীঘ্রই আসছে টেলিফিল্ম “বদঅভ্যাস”

received_163994437491365

নজরুল ইসলাম তোফঃ

অভ্যাস মানুষেরই দাস। সে অভ্যাস দিনে দিনে বদভ্যাসে পরিনত হয়। বেশীরভাগ মানুষেরই সে অভ্যাস আছে বৈকি। কিন্তু সেটি আবার যদি নেশা থেকে শুরু করে নারী ইভটিজিং হয়, তাহলে তো দেশিও দণ্ডবিধি অনুযায়ী শালীনতার উদ্দেশ্যে কোন মন্তব্য, অঙ্গ ভঙ্গি বা কোন কাজ করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা আবার তা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

কিন্তু টেলিফিল্মে নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা সে দিকে যেতেই চাচ্ছেন না। বলতে চাচ্ছেন, নিম্ন আয়ের মধ্যবিত্ত এক স্কুল শিক্ষকের কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের কথা। স্কুল শিক্ষকের সৎ উপার্জনে সংসার চালানোই মুশকিল, তার উপর পালিত ছেলের দ্বাবি, আই ফোন, দামি ল্যাপটপ, হাই সোসাইটির ছেলেদের মতই দামি পোশাক-আশাক, কি করে দিতে পারে বাবা স্কুল মাষ্টার? অতি সামান্য বেতনের চাকরি তাঁর।

এদিকে ছেলে জানবে কি করে মা তার ছোট বেলা থেকেই ঘরে নেই, বাবা পালিত ছেলের মতো করেই কখন দেখে না তাকে। আপনের আক্ষেপ, তার চাহিদার অপূর্ণতার মতোই মার চাহিদাকে পুরন না করে কষ্ট দিয়ে অকালেই মেরে ফেলেছে। আপন মায়ের কথা বাবাকে বললেই বাবা স্কুল মাষ্টার এড়িয়ে চলেন। কারণ আপনের বাবা তো বিয়েই করেনি। আপনকে এই কথা জানালে যদি কষ্ট পায়।

অপর দিকে, বাবার উপর জেদ করে আপন অবাধ্য হয়ে অসৎ সংগে দিনে দিনে বদঅভাসের দিকে পা বাড়ায়। আবার আপন মেয়ে দেখলেই তাকে মা সরূপ মনে করে অপলক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে থাকে! কিন্তু ধনীর দুলালি স্নেহা তা না বুঝে, আপনকে কটুক্তি করে। স্নেহা এমন দৃষ্টি মেনে না নিয়েই প্রতিবাদ করে এবং তার মা নার্গীসের কাছে বলে, আহসান মাষ্টারের ছেলে সর্বদাই কলেজের করিডোরে পথে-ঘাটে ইভটিজিং করে। মা নার্গীস অবাক হয় এবং কল্পনায় আনে, আমার প্রেমিক কি সেই আহসান।

মেয়েকে জিজ্ঞেস করে আহসান কোন স্কুলের মাষ্টার? একদিন নার্গীস সেখানে গিয়ে দেখে তার সেই প্রেমীক আহসান। এমন উপস্হিতিতে কি করবে সে, নার্গীস রাগ লুকিয়ে রেখে বলে তুমি কি বিয়ে করে ঘর সংসার করে দুষ্ট ছেলের জন্ম দিয়েছ ?

আহসান তাকে আর মিথ্যা বলতে পারেনা। প্রেমিক আহসান তো বিয়েই করেনি, নার্গীস অবাক হয়ে বলে, তাহলে সন্তান আপন কি করে জন্ম নিলো। তখন আবেগ তাড়িত কন্ঠে আহসান বলে, তোমার কাছ থেকে যেদিন শেষ দেখা করে বাড়ী ফিরি সেই মুহুর্তেই পথের মাঝে এই ছোট্ট ছেলেটি কাঁদে, অনেকেই তাকে দেখে চলে যায়, আমি যেতে পারিনি। তাকে আজ লালন পালন করে নাম রেখেছি আপন। কথা গুলো শুনে নার্গীসের চোখে পানি আসে এবং বলে, আমি তোমাকে বলেছিলাম আমাদের ছেলে হলে ‘আপন’ নাম রাখবো। তুমি কিনা কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের ‘আপন’ নাম রেখে আমাদের প্রেমকে অমর করেছ।

অপর দিকে নার্গীস আহসানের কথাও রেখেছে, মেয়ের নাম রেখেছে স্নেহা। আপন, স্নেহার এমন প্রেম কাহিনী নিয়ে নার্গীস ও আহসান আসলে কি করতে পারে। শেষ হবে তা টেলিভিশনের পর্দায়। তরুন নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা এমনিভাবে তার টেলিফিল্মে চমৎকার ক্লাইমেকস্ এনেছেন।

পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক মহান পেশা বা নেশা আছে, যা করতে ক্রিয়েটিভিটির প্রয়োজন পড়ে। এ কথার সাথে একমত না দ্বিমত-সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে একটা বিষয়ে মোটামুটি সবাই কম বেশি এক মত হবেন যে, এদেশের নির্মাণের মান এখন অনেকটাই এগিয়েছে অথবা মানসম্মত করার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন উৎসবে দেশীও সিনেমা প্রদর্শনী হচ্ছে। চমৎকার ও দুর্দান্ত সব সিনেমা সুধী মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। এমন কি মাঝে মধ্যে পুরস্কারও ছিনিয়ে আনছে। অর্থের অভাবে অথবা অন্য কোন কারণে যখন একটা ফিল্ম, সিনেমা হলের উপযোগী করে বানানো যায় না কিংবা গুটি কয়েক সিনেমা হল ছাড়া সারা দেশের সিনেমা হল গুলোতে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয় না, সেটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের দীনতা বোঝাতেই যথেষ্ট।

এই আলাপ গুরুজন-অভিজ্ঞজনেরা আরো বিশদভাবে ব্যাখা দিতে পারবেন বলে মনে করেন পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম। তবে টেলিফিল্মটির গল্পের গাঁথুনি ও চিত্রনাট্যে পরিপূর্ণতা সম্পূর্ণভাবে আধুনিক প্যার্টানে বিরাজমান। ভুল-ত্রুটির অভাব থাকলেই বরং দর্শকের প্রাণের তেষ্টা মেটে। সেখানে সমালোচনার খাতায় দারুণ প্রভাব ফেলে। এই ফিল্মের পরিচালক আশিক উল আলম সে আশাটুকুই করেন।

সহকারী পরিচালক হিসেবে ফাহিম শাহারিয়ার, উয়াইব আহম্মেদ অপু, অনি ও রেহান হাবিব রয়েছেন। গ্রীন এ্যারো প্রডাকশন হাউজের ব্যানারে টেলিফিল্মটি অবশ্যই নির্ভর হবে বলে আশা পোষন করেন পরিচালক। যোগ্য অভিনেতা ও অভিনেত্রীর সমন্নয়ে এই শৈল্পিক বিনোদন নির্ভর টেলিফিল্ম ‘বদঅভ্যাস’ এবং বেসরকারি চ্যানেলের জন্যই নির্মিত হচ্ছে।

ভারতের সেন্সর বোর্ডের সদস্য হলেন বিদ্যা বালান

image-25331বিনোদন :

ভারতের সেন্সর বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) শীর্ষ পদে সরকার নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী গীতিকার প্রসূন জোশিকে। বলিউড-শিল্পীদের জন্য সুখবর আরও আছে। সেন্সর বোর্ডের অন্যতম সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিদ্যা বালান। সম্প্রতি ভারত সরকার পুরো বোর্ডকেই ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি পুরো প্রক্রিয়ার দেখভাল করছেন। বিদ্যার নিয়োগ তার ইচ্ছাতেই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদে এখনও কাজ শুরু করেননি এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী, তারপরও দায়িত্ব পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি।  দায়িত্ব ব্যাপারে বিদ্যা বলেছেন, ‘বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে আমার দায়িত্ব ঠিকঠাকভাবে পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব বলে আশা রাখি।’ ভারতীয় চলচ্চিত্রে সংবেদনশীলতা, বাস্তবতা ও সমাজের জটিলতাগুলো ফুটিয়ে তুলতে সিবিএফসি এখন থেকে আরও উদার হবে বলে বিশ্বাস বিদ্যার। সে লক্ষ্যে নিজের ভূমিকাও ঠিকভাবে পালন করার কথা বলেছেন তিনি।

সালমান শাহ খুন হয়েছেন দাবি রুবির (ভিডিও)

92520

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ খুন হয়েছেন বলে দাবি করে রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের এক নারী ইউটিউবে ভিডিও ছেড়েছেন।  সালমানের সেই সময়কার প্রতিবেশী এবং তাঁর স্ত্রী সামিরার ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই বিউটিশিয়ান রাবেয়া। সালমানকে হত্যার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই এর সঙ্গে যুক্ত হিসেবে রাবেয়ার নাম আসে। আদালতে সালমানের মায়ের দায়ের করা হত্যার অভিযোগে আসামিদের তালিকায় আট নম্বরে ছিল রাবেয়ার নাম রয়েছে।  ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন বা সালমান শাহর ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বরে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ঘটনার পর সালমানের বাবা একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। সালমানের পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে এটা হত্যা। ২১ বছর হতে চলেছে। কিন্তু এখনো এটা স্পষ্ট হয়নি যে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, না তিনি আত্মহত্যা করেছেন।  সালমানকে হত্যার দায় স্বীকার করে রেজভী আহমেদ ফরহাদ নামের এক তরুণ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওই জবানবন্দির ভিত্তিতে সালমানের মা হত্যার অভিযোগে ১১ জনকে আসামি করে আদালতে নালিশি মামলা করেন। আসামিরা হলেন- সালমানের স্ত্রী সামিরা হক, শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ধনাঢ্য আজিজ মোহাম্মদ ভাই, রেজভী  আহমেদ ফরহাদ, চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডন, নজরুল শেখ, ডেভিড, রাবেয়া সুলতানা রুবি, মোস্তাক ওয়াইদ এবং সালমানের বাসার গৃহকর্মী আবুল হোসেন খান। সেই নালিশি মামলাটি অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে মিলিয়ে তদন্ত  করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সালমানকে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে রেজভী আহমেদ জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, ওই রাতে ডনের নেতৃত্বে সালমানের বাসায় গেলে নিচতলার একটি দরজা খুলে দিয়েছিলেন রুবি। তার ঘর থেকে আজিজ মোহাম্মদ ভাই বের হয়ে হত্যাকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।

রুবি ইস্কাটনে যে ভবনে সালমান থাকতেন তার সামনে মে ফেয়ার বলে একটি বিউটি পারলার চালাতেন। তার চীনা স্বামী রেস্তোরাঁ ব্যবসা করতেন। সম্প্রতি ইউটিউবে ছাড়া ভিডিওতে রুবি বলেছেন, সালমানকে খুন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই খুনের বিষয়ে আমি সব জানি। যেভাবেই হোক আবার যেন মামলা তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। আমি যেমন করেই হোক আদালতে সাক্ষী দেব। ভিডিওতে সালমানের মাকে উদ্দেশ করে তিনি বারবার বলেছেন, ‘ইমন আত্মহত্যা করে নাই, তাকে খুন করা হইছে। নীলা ভাবি প্লিজ কিছু একটা করেন, কিছু একটা করেন।…আমার হাজব্যান্ড এইটা করাইছে আমার ভাইরে দিয়ে।…সামিরার  ফ্যামিলি করাইছে…। আমার ছোট ভাই রুমিরে দিয়া খুন করানো হইছে। রুমিরেও খুন করা হইছে। আমি জানি না রুমির কবর কোথায় আছে। রুমির লাশ যদি কবর থেকে তুলে ঠিকমতো আবার পোস্টমর্টেম করে, তাহলে দেখা যাবে যে ওরা গলা  টিপে মাইরা ফেলছে।…ওরা আমারেও খুন করার চেষ্টা করছে। এই কেস যেন না শেষ হয়।’  এ বিষয়ে সালমান শাহর মা নিলুফার চৌধুরী বলেন, ‘তার এই বক্তব্যের পরে বলার আর কোনো অপেক্ষা রাখে না যে আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছিল। আমি জানতাম এই দিনটা আমার আসবে। রুবি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় আছে। তাকে নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হোক। আর রুবি যাদের নাম বলেছে তাদের এখনই গ্রেপ্তার করা হোক। তিনি  বলেন, ‘আমি বিচার চাই। এত বছর আমি হতাশায় ভুগছি। দেশে আমারও নিরাপত্তা নেই। যার কারণে আমি লন্ডনে আছি।’ সালমান শাহ হত্যার বিচার ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ১৬ আগস্ট (বুধবার) প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান নিলুফার চৌধুরী। সেদিনই তিনি পরবর্তী আরও কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

কাজল-অজয়ের সংসারে ফাটল

বিনোদন ডেস্ক
10

দীর্ঘ ১৮ বছরের  দাম্পত্য জীবন কাজল-অঝয়ের, রয়েছে দুই সন্তানও। দাম্পত্য জীবনে ছোট ছোট সমস্যা যে আসেনি তেমন নয়। তবে মোটের ওপর ভালোই চলছিল বলিউডের তারকা দম্পতির সংসার। এর প্রেক্ষিতে বলিউডের প্রথম সারির দম্পতিদের তালিকাতেও তাদের নাম ভাবা হতো। কিন্তু ইদানিং কাজল-অজয়ের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে চরম অশান্তি হচ্ছে।

সম্প্রতি ডেকান ক্রনিকেলকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে কাজল বলেন, আমার সততার জন্য আমাকে অনেক দাম দিতে হয়। আর এ নিয়ে প্রায় রোজই অজয়ের সঙ্গে অশান্তি হয় আমার।  কাজল জানান, তিনি একেবারেই ডিপ্লোম্যাটিকভাবে কারও সঙ্গে মিশতে পারেন না। এমনকি কেউ তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলেও পরে পার্টিতে দেখা হলে কাজল হেসে কথা বলেন। আর এতেই নাকি রেগে যান অজয়। বাড়িতে তার সঙ্গে অশান্তি চরমে পৌঁছায়!  কাজলের কথায়, আমি কোনো কিছু মনে রাখি না। কেউ মিথ্যা বললেনও তা ভুলে গিয়ে ভাল ব্যবহারের চেষ্টা করি। আর এতেই রেগে যায় অজয়।  সাংবাদিক মহলের প্রশ্ন, কাজল-অজয়ের মধ্যে এই সমস্যাগুলোই কি ভবিষ্যতে বড় আকার ধারণ করতে পারে? যদিও কাজল সে বিষয়ে ওই সাক্ষাত্কারে মুখ খোলোননি। তবে প্রশ্নটা বলিউড পাড়ায় ঘুরছে।

ইংল্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণী মডেলের মৃত্যু

moulvibazar-18-3

ডেস্ক রিপোর্ট

ইংল্যান্ডে এক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কাই অলিভিয়া মিশেল নামে ১৮ বছর বয়সী এক উদীয়মান তরুণী মডেলের মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বটলি গ্রামের কাছে গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মডেল অলিভিয়ার মৃত্যু হয়।   টাইমস অব ইন্ডিয়া খবরে বলা হয়, মডেল অলিভিয়া ও তার বন্ধু ক্যাটলিন লডিয়া এবং স্থানীয় এক নারীকে নিয়ে প্রাইভেটকার চালিয়ে যাচ্ছিলেন ৫১ বছর বয়সী একচালক। আকস্মিকভাবে তাদের গাড়িটি একটি ভ্যানের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই অলিভিয়া ও ক্যাটলিনার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের সফর সঙ্গী ওই নারী।
স্কাই অলিভিয়া মিশেল জুনিয়র মিস গ্রেট ব্রিটেন প্যাজেন্ট প্রতিযোগিতায় তৃতীয় অবস্থা দখল করেন। পরে ২০১৪ সালে জুনিয়র মিস নর্থ ওয়েস টাইটেল জয়ী হন। অলিভিয়া মিস সিম্বিয়া-২০১৭ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

চিত্রনায়িকা চম্পা চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত

pic-mbbb

বিনোদন ডেস্ক

চিত্রনায়িকা চম্পা ভাইরাসজনিত জ্বর চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন।  চম্পা বলেন, আমার শরীরের হাড়ে হাড়ে প্রথমে ব্যাথা করতে শুরু করে। এরপর মাথাব্যথা, চোখ জ্বালাপোড়া, বমিভাব, শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। এরপরই আমি চিকিৎসকের কাছে যাই।  সুস্থ হওয়ার পর ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির শুটিং শুরু করবেন চম্পা। ছবিটি পরিচালনায় পাশাপাশি চম্পার বিপরীতে অভিনয় করবেন আলমগীর। চিত্রনায়িকা চম্পা ভাইরাসজনিত জ্বর চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাকে বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে। চম্পা বলেন, আমার শরীরের হাড়ে হাড়ে প্রথমে ব্যাথা করতে শুরু করে। এরপর মাথাব্যথা, চোখ জ্বালাপোড়া, বমিভাব, শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। এরপরই আমি চিকিৎসকের কাছে যাই।   সুস্থ হওয়ার পর ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির শুটিং শুরু করবেন চম্পা। ছবিটি পরিচালনায় পাশাপাশি চম্পার বিপরীতে অভিনয় করবেন আলমগীর।

ছবি মুক্তি নিয়ে সেন্সর বোর্ড প্রধানের সঙ্গে পরিচালকের ঝগড়া!

 

 pic-mbbb

বিনোদন ডেস্ক::

চলচ্চিত্রের জন্য সেন্সর বোর্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ। কী প্রকাশ করা যাবে, কী যাবে না- এসব নির্ধারণ করে দেয় সেন্সর। কেবলমাত্র সেন্সরের ছাড়পত্র পেলে তবেই কোনো চলচ্চিত্র প্রযোজক বা পরিচালক ছবি মুক্তির অনুমতি পান।

কিন্তু প্রায় সময় দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্রে সেন্সর বোর্ড একটা অন্তরায় হিসেবে হাজির হয়। চলচ্চিত্রের কলাকুশলীদের সঙ্গে মতের পার্থক্য দেখা যায় সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে। এ নিয়ে চলে তর্ক-বিতর্ক, সমালোচনাও। সপ্তাহ খানেক আগে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের একটি ছবিরন ট্রেলারে ‘ইন্টারকোর্স’ শব্দটি নিয়ে আপত্তি তোলে বোর্ড। কিন্তু শেষাবধি দর্শকের ভোটের সমর্থন পেয়ে শব্দটি বৈধতা পায়।

তবে এবার বলিউডের একটি ছবির মুক্তিকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঝগড়ায় অবর্তীর্ন হলেন ছবির পরিচালক ও সেন্সর বোর্ডের প্রধান। ভারতীয় গণমাধ্যমে ফলাও করে খবরটি প্রকাশ হয়েছে।

বলিউডের দর্শকদের জন্য নির্মিত হয়েছে নারীকেন্দ্রিক একটি ছবি ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরকা’। পরিচালক অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব। প্রচারণা চালাচ্ছেন অনেকদিন ধরেই। প্রকাশ করেছেন ছবির ট্রেলারও। আর মাত্র দিন পনেরোর অপেক্ষা। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের ২১ জুলাই এটি প্রেক্ষাগৃহে আসবে।

কিন্তু তার আগে সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে গেল ছবিটি। সম্প্রতি ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরকা’র পরিচালক অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তবকে ‘মিথ্যেবাদী’ এবং ‘মনোযোগ আকর্ষণকারী’ বললেন বোর্ড প্রধান পহেলাজ নিহালনি।

কয়েকদিন আগেই ভারতীয় গণমাধ্যম ‘মিড-ডে’-কে অলঙ্কৃতা জানিয়েছিলেন, ‌‘সেন্সর বোর্ডের রিভাইসিং কমিটির সদস্যরা তার সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেছেন। বোর্ডের আচরণে তার মনে হয়, তিনি এক জন ‘ক্রিমিনাল’!’

সেন্সর বোর্ডের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের পরই মুখ খোলেন পহেলাজ নিহালনি। সম্প্রতি ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অলঙ্কৃতার সব অভিযোগ উড়িয়ে তিনি বলেছেন, ‘এসব ছবির প্রতি দর্শকদের আকর্ষণ তৈরির ছক মাত্র। ফ্রি পাবলিসিটি। সেন্সর বোর্ডের আপত্তির ঘটনা ছাড়া ছবির প্রচার করার আর কিছু নেই পরিচালকের হাতে? কেন তিনি বাজেভাবে ছবির প্রচারণায় নেমেছেন? অলঙ্কৃতা মিথ্যেবাদী। তার সঙ্গে কোনো দুর্ব্যবহার করা হয়নি। আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি তাকে বসতে বলেছিলাম। উল্টে তিনিই কোনও উত্তর দেননি।’

পহেলাজ নিহালনির দাবি, ‘অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তবের সঙ্গে সেদিন তার কথাও হয়েছিল। এ বিষয়ে নিহালনি ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে বলেছেন, ‘অলঙ্কৃতার সঙ্গে টু-দ্য-পয়েন্ট কথা হয়েছিল। এতে ক্রিমিনাল মনে হওয়ার কী আছে? আমি বুঝতে পারছি না।’

এ বছরের জানুয়ারি মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ছবিটির। কিন্তু, নিহালনির আপত্তিতে তা হয়ে ওঠেনি। তার যুক্তি ছিল, ‘ছবিটি খুব বেশি রকমের নারীকেন্দ্রিক। শুধু তাই নয়, দেশের নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের অনুভূতিতেও তা আঘাত করতে পারে। বাস্তবতাকে ছাপিয়ে পুরো সিনেমাটি কল্পনা নির্ভর। ছবিটিতে অসংখ্য যৌন দৃশ্য, অশালীন সংলাপ, অডিও পর্নোগ্রাফিসহ সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশের প্রতি স্পর্শকাতর দৃষ্টিভঙ্গি আছে-যা নীতিমালা বহির্ভূত। এ কারণে ছবিটি প্রদর্শনে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।’

তাই তিনি পরিচালককে ছবিটিতে কিছু পরিবর্তন আনতে অনুরোধ করেন। এ নিয়েই সেন্সর বোর্ড ও বোর্ড প্রধানের সঙ্গে ক্ষেপে যান পরিচালক। তার দাবি, সেন্সর বোর্ডের এভাবে ছবিতে কাঁচি চালানো উচিত নয়। নির্মাতাকে নির্মাণের স্বাধীনতা দেয়া উচিত। কোনটা দেখা যাবে আর কোনটা দেখা যাবে না সেই বিবেচনা দর্শকের উপর থাকা উচিত।

প্রথম ট্রেলারে ছিল, একটি মেয়ের মহিলা হয়ে উঠতে চাওয়ার কাহিনি। কিন্তু মাঝ বয়সে স্বামীর মৃত্যুর পর মনের সায় থাকলেও আরও একবার প্রেম করার অনুমতি সমাজ তাকে দেয়নি। সেই অতৃপ্ত হৃদয়ে বোরখার ভিতর দিয়ে তিনি বারবার দেখতেন ‘লিপিস্টিকওয়ালি ড্রিম’। হাঁটুর বয়সী বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে নিজেকে ভাসিয়ে দিতেন সুইমিং পুলে। ‘উড়তা পঞ্জাব’-এ কাঁচি চালানোর পর এই ছবির গল্প পুরো অবাস্তব বলে নাক সিঁটকেছিলেন সেন্সর বোর্ড চেয়ারম্যান।

তবে হাল ছাড়েননি ছবির পরিচালক অলংঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব এবং ছবির প্রযোজক প্রকাশ ঝা। পাল্টা আবেদন জানিয়েছিলেন ফিল্ম সার্টিফিকেশন অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালে (এফসিএটি)। অবশেষে সেখান থেকেই জুনের শেষ সপ্তাহে মিলেছে ছাড়পত্র। আগামী ২১ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। এতে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা, রত্না পাঠক শাহসহ আরও অনেকেই।