সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

দুই বাংলার অভিনতো-অভিনেত্রীদের নিয়ে সিনেমা

 

বিনোদন ডেস্ক:

full_63189150_1454324727দুই বাংলার অভিনতো-অভিনেত্রীদের নিয়ে সিনেমা তৈরি হচ্ছে অনেক দিন ধরে। এসব সিনেমা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বেশ। আর এই যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণে বাংলাদেশে সবচেয়ে এগিয়ে জাজ মাল্টি মিডিয়া। তারা আবারও যৌথ প্রযোজনার ছবি তৈরি করতে যাচ্ছে।

জাজ মাল্টিমিডিয়া ও এসকে মুভিজের পরবর্তী ছবিতে অভিনয় করছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান ও ভারতের জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী। ছবির নাম অবশ্য এখনো ঠিক হয়নি। তবে ছবির সংলাপ, চিত্রনাট্য লেখা শেষ হয়েছে। এ ছবির জন্য চিত্রনাট্য লিখেছেন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ জহির বাবু ও কলকাতার পেলে চ্যাটার্জি।

এ ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারে দুই দেশের দুই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শাকিবের বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত হওয়া গেলও শ্রাবন্তীর বেলায় এখনো শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে এসকে মুভিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অশোক ঢানুকা বলেন, ‘গত মাসে শাকিবের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। আর শ্রাবন্তীর সঙ্গে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। তবে এখনো চুক্তি করা হয়নি। ঠিকঠাক থাকলে শিগগিরই চুক্তি হয়ে যাবে। তবে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলছি না।’

শ্রাবন্তীর বলেন, ‘যৌথ প্রযোজনার এই ছবিতে কাজের ব্যাপারে কথাবার্তা প্রায় ৯০ ভাগ এগিয়েছে। এতটুকুই বলতে চাই। তবে তাদের সঙ্গে আমার কাজ করার ইচ্ছা আছে।’

শাকিব খান বলেন, ‘একটু ভিন্ন আঙ্গিকে কাজ করার জন্য ছবিটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। ছবিটির বাজেটও অনেক বড়।’

জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ জানান, ‘এবারও দুই বাংলা থেকে দুজন পরিচালক ছবিটি পরিচালনা করবেন। বাংলাদেশ থেকে পরিচালনা করছেন সীমান্ত। কলকাতার পরিচালকের নাম সামনে সপ্তাহে জানানো হবে।’

আলোচিত অভিনেত্রী লামিয়া মিমো ৫ম বার বিয়ের পিঁড়িতে

কমলকুঁড়ি বিনোদন রিপোর্ট : 

444

বাংলাদেশের আলোচিত অভিনেত্রী লামিয়া মিমো আবার বিয়ে করলেন । এবার পঞ্চমবারের মত সৈয়দ শাহরিয়ার মারুফ জন নামে একজনের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন এ অভিনেত্রী। গত বছরের নভেম্বরে পছন্দের এ পাত্রের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয় তার। আসছে ফেব্রুয়ারিতে সংসার জীবন শুরু করার কথা ছিলো তাদের। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত বদলে গতকালই জনের সঙ্গে মালাবদল করলেন মিমো।
এ প্রসঙ্গে মিমো বলেন, কথা ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিয়ের কাজটি সম্পন্ন হবে। কিন্তু পারিবারিক সিদ্ধান্তে দিনক্ষণ এগিয়ে আনা হয়। জন অনেক ভালো একজন মানুষ। তার সঙ্গে আমার পরিচয় যতদিনের তাতে বুঝলাম সে-ই আমার জন্য পারফেক্ট। সব মিলিয়ে বলবো, আমার নতুন জীবনের জন্য সবাই আশীর্বাদ করবেন। জন ও আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যেন সুখী হতে পারি।
জানা যায়, জনকে বিয়ে করার আগে মিমো এ পর্যন্ত ৪বার বিয়ের পিড়িতে বসেছেন। এনটিভির রিয়েলিটি শো সুপার হিরো সুপার হিরোইনে আসার আগেই প্রথম বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিয়ে করেন সুপার হিরোইন খেতাব পাওয়ার পর চলচ্চিত্রের ভিলেন অভিনেতা ডিজে সোহেলকে। ওই সম্পর্কও বেশি দিন টেকেনি। এর পর লামিয়া মিমো বিয়ে করেন বিনোদন সাংবাদিক ও নাট্যকার এম এস রানাকে। ১ বছর সংসার করার পর রানাকে ডিভোর্স দিয়ে মিমো বিয়ে করেন ১ ব্যবসায়ীকে। সর্বশেষ মিউজিশিয়ান এ্যামিকে বিয়ে করেন।

জুটি হলেন মৌসুমী রিয়াজ

বিনোদন রিপোর্ট :
5_67995এবার জুটি হলে চিত্রনায়ক রিয়াজ ও চিত্রনায়িকা মৌসুমী। একটি টিলিফিল্মি তাদের একসাথে দেখা যাবে।  এদিকে এই দুই তারকাও বেশ উচ্ছ্বসিত যে, তারা আবার অভিনয় নিয়ে ছোটপর্দায় আসছেন বলে। আর তাদের একসঙ্গে কাজে ফিরিয়েছেন পরিচালক জেডআই মিন্টু তার ‘মেঘের আড়ালে’ টেলিফিল্মের মধ্য দিয়ে। সোমবার উত্তরা বিভিন্ন লোকেশনে এর শুটিং হয়েছে। এতে অভিনয় করা প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, ‘এটি রোমান্টিক ধাঁচের গল্প। কাজ করে বেশ ভালো লাগছে। মৌসুমীর সঙ্গে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি দর্শকের কাছে ভালো লাগবে টেলিছবিটি।’ মৌসুমী বলেন, ‘আমি একটি টেলিফিল্মে কাজ করছি তাও আবার রিয়াজের সঙ্গে সত্যিই ভালো লাগছে। আশা করছি এটি দর্শকদের আনন্দ দেবে। রিয়াজের সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। এ ছাড়া জেড আই মিন্টুও অত্যন্ত যত্ম নিয়ে এটি নির্মাণ করছেন। সব মিলে শতভাগ পারফেক্ট একটি টেলিফিল্ম হবে এটি।’ পরিচালক জানান, এতে রিয়াজ মৌসুমী ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে বলেও জানান জেড আই মিন্টু।
উল্লেখ্য, টিভি পর্দায় রিয়াজ ও মৌসুমী একসঙ্গে এর আগেও একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। সেটি পরিচালনায় ছিলেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। এদিকে চিত্রজগতের এ দুই তারকার বর্তমানে একাধিক চলচ্চিত্র মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে রিয়াজ অভিনীত ‘কৃষ্ণপক্ষ’ ও ‘সুইটহার্ট’ চলচ্চিত্র দুটি মুক্তি পাবে শিগগিরই। এ ছাড়া মৌসুমীর ‘রাত্রির যাত্রী’, ‘ভালোবাসবোই তো’সহ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

নিলয়-শখ ব্যতিক্রমী নাটকে সিলেটের তরুণদের পাশে

বিনোদন ডেস্ক:

full_1849931048_1453040509

নিলয় ও শখ বিয়ের পর ব্যতিক্রমী একটি নাটকে অভিনয় করেছেন । সমাজসেবামূলক এই নাটকটির মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করবেন। এ কাজটিতে কোনো পারিশ্রমিক নেননি এই তারকা দম্পতি। প্রথমবারের মতো এমন কাজ করে প্রশান্তি পেয়েছেন তারা।

বিজয় ও তার দলের আশা, নাটিকার মধ্য দিয়ে রক্তদানে উৎসাহী হবে আরও অনেকে। রক্তের অভাবে আর একটি প্রাণও যেন না ঝরে যায়, সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আহ্বান জানিয়েছে ‘দৌলতপুর রক্তদাতা সংস্থা, সিলেট’ নামের এই সেবামূলক সামাজিক সংগঠনটি।

এই নাটিকার কাহিনীতেও ছিলো নতুন দম্পতির গল্প। সম্প্রতি উত্তরায় সমাজসেবামূলক নাটকটির দৃশ্যধারণে অংশ নেন নিলয় ও শখ। ‘রক্ত দিন জীবন বাঁচান, এই সংগ্রামে’ স্লোগান নিয়ে কয়েক বছর ধরে কাজ করছেন সিলেটের তরুণ সালাহউদ্দিন বিজয়। এ কারণে চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে গেছেন তারা।

সুখ দেখিনী

-মোঃ শামীম  মিয়া

Untitled-1 copy
আমি নই অলস,
তবে ভাই কাজ পাই কই
জীবণ আমার ভাঙ্গা কলস
সাধারণ আমি, নাই মোর সই।
হাটিতে জানি আমি
মাটিতে আছার পরিতে নয়
যেদিকে তাকাই সেদিকেই  মরুভূমি
গুলো গোলে জল সমুদ্র হয়।
আমি ভালোবাসিতে জানি
ভালোবাসা নাহি পাই
বেকারত্ব  মূল কারণ ভাই
জীবনটাই যেন পোড়া ছাই।
একা একা ভাবী দেখি
চোখে ভাসে পিতা মাতার স্বপ্ন্ েভরা মুখ
সুখ দেখিনী , সাথী যেন দুখ
অসহায় আমি চোখের জলে
ভিজে যায় বুক।

অভিনেত্রী দিতির চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ লাখ টাকা সহায়তা

12509863_494519264064703_8909547374035654961_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পারভিন সুলতানা দিতির চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বিকালে গণভবনে দিতির মেয়ে লামিয়া চৌধুরী ও ছেলে শাফায়াত চৌধুরী দীপ্তর হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দিতির দুই সন্তানের কাছে তাদের মায়ের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থার খোঁজ নেন। টিউমার অপারেশনের জন্য গত বছরের ২৯শে জুলাই চেন্নাইয়ে মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজিতে (এমআইওটি) দিতির মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরে আসেন তিনি। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় ৩০শে অক্টোবর তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আবারও চেন্নাইয়ে নেয়া হয় তাকে। গত শুক্রবার ভারত থেকে দেশে ফিরে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন এই অভিনেত্রী।

 

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি কারিনা কাপুর ঢাকায় আসবেন

kareenaবিনোদন ডেস্ক:
বেশকিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। খবরটি মিথ্যা নয়, সত্যি সত্যিই মিসেস খান আসছেন ঢাকায়। কারিনার বাংলাদেশে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অন্তর শোবিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী।

অনলাইনকে স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি কারিনা কাপুর ঢাকায় আসবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ‘বলিউড কুইন নাইট’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে কারিনাকে আমরা জনসম্মুখে আনব। বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করার কথাবার্তা চলছে।’

‘বলিউড কুইন নাইট’ অনুষ্ঠানে কারিনা ছাড়াও বলিউডের আর কোনো তারকাকে দেখা যাবে কি না জানতে চাইলে স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘কারিনা ছাড়া সংগীতশিল্পী কণিকা কাপুর ও জাবেধ আলি আসবেন। দর্শকদের জনপ্রিয় গানগুলো শোনাবেন তাঁরা।’

বাংলাদেশ থেকে কোনো তারকা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কি না জিজ্ঞাসা করতেই স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশি তারকারাও অংশ নেবেন এতে। তবে কোন কোন বাংলাদেশি তারকা থাকবেন, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবে অন্তর শোবিজ।

“বকুল”

 

-জ্যোৎস্না খান, (যুক্তরাজ্য প্রবাসী)   12467914_149039442133806_1728205547_n

 

প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু কিছু ঘটনা থাকে। যা তার জীবনে সাথী হয়ে থাকে। কোন কোন ঘটনা আনন্দ দেয়, কোনটা দেয় পীড়া। এসব ঘটনাগুলো মানুষের স্মৃতি পটে সদা জাগ্রত থাকে। এগুলো ভূলা যায় না- ভূল তে চাইলেও না। আজ এমন একটি ঘটনা সকলের সাথে শেয়ার করতে চাই যা পড়ে হয়তো আপনাদের ভালো লাগবে। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগের ঘটনা। ইংল্যান্ডের ভিসা হয়ে গেছে কয়েকদিন পর চলে যাব। বাবা যেহেতু ইংল্যান্ডে থাকেন সেই সুবাদে ইংল্যান্ডে যাওয়া। একদিন মাকে বললাম চলোনা ঢাকা শিশু পার্ক ঘুরে আসি। টিভিতে দেখেছি অনেকের মুখে গল্প শুনেছি শিশু পার্ক নাকি খুব সুন্দর জায়গা। ইংল্যান্ড চলে গেলেতো আর দেখা হবে না। মা প্রথমে রাজি না হলেও ছোট ভাইয়ের পীড়া পীড়িতে রাজী হলেন। শিশু পার্কে গেলাম,পার্ক অনেকটা ফাঁকা। দুই এক জন মা তাদের সন্তানদের হাত ধরে সব কিছু দেখাচ্ছেন। বুঝতে পারলাম তারা এখানকার বাসিন্দা। আমরাও ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। এরই মধ্যে কয়েকটা রাইডও চড়া হয়ে গেছে। আমার ভাই ২য় বারের মতো রাইডে উঠিয়ে দিয়ে মা তাকে দূর থেকে খেয়াল রাখছিলেন। আমি তখন শাপলা রাইড দেখতে দেখতে সামনে চলে গেছি। হঠাৎ অনুভব করলাম আমার পিছনে কে যেন টুকা দিল। ভয় পেয়ে গেলাম। কে হতে পারে এই অচেনা শহরে ? মা-ই হবেন ! সাহস করে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি মা নন। একটি ৭/৮ বছরের মেয়ে,গায়ের রং শ্যামলা। পরনে সাদার উপর নীল ফুলের জামা। ঘাড় পর্য্যন্ত লম্বা চুল, খালি পা। হাতে বকুল ফুলের মালা। আমি মেয়েটির দিকে তাকাতেই সে একটি মালা সামনে এগিয়ে ধরলো। আমি জিজ্ঞাসা করলাম এটা কি আমার কাছে বিক্রি করতে চায়। সে কিছুই বলল না, আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম তখনও কোন উত্তর দিল না। আমি একটু অবাক হলাম ভাবলাম মেয়েটা হয়তো কথা বলতে পারেনা। আমি মেয়েটাকে এখানে রেখে মার কাছে দৌড়ে গিয়ে সবকিছু বললাম এবং কিছু টাকা চাইলাম। মা মেয়েটাকে দেখতে চাইলেন। তারপর মাকে নিয়ে এসে দেখলাম মেয়েটা উধাও হয়ে গেছে। চারিদিকে চোখ বোলালাম মেয়েটাকে দেখতে পেলাম না। অনেক খোঁজাখুঁজি করলাম মেয়েটাকে কোথাও খুঁজে পেলাম না। পরে মালাটা ঘরে এনে যত্ন করে রেখে দিলাম। এমনকি ইংল্যান্ডে আসার সময়ও ফেলে আসিনি। আমার বিয়ের পর যখন নূতন বাড়ীতে উঠলাম তখন শোকেইছে একটা চুড়ির আলনা ছিল তার এক পাশে ঝুলিয়ে রেখে দিলাম। অবশ্য মালাটার ফুলগুলি সব শুকিয়ে গিয়েছিল। তারপরও কেন জানি মালাটা ফেলে দিতে ইচ্ছা করতো না। মালাটার দিকে তাকালেই সেই মেয়েটির কথা মনে পড়তো। একদিন দেখলাম আমার ছোট্ট মেয়েটি সেই মালাটি হাতে নিয়ে কার্পেটের উপর বসে টিভি দেখছে। আমি তাকে ধমক দিয়ে বললাম ওটা যেন আর না ধরে, কেন যেন আমার রাগ হলো। আমার মেয়েটি তখন আমার দিকে ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। কিছু দিন পর হঠাৎ দেখি মালাটা উধাও। জানিনা কোথায় কিভাবে হারিয়ে গেল। অনেক খোঁজাখোজির পরও পেলাম না। এ প্রশ্নটা আমার মনে নূতন করে কৌতুহলের জন্ম দিল। এরপর যতবার দেশে যাই ছোট ছোট বাচ্চারা গাড়ির জানালার পাশে যখন ফুল নিয়ে আসে, কিছু ফুল কিনি আবার সেগুলো তাদেরকেই উপহার দেই আর তাদের মাঝে সেই মেয়েটিকে খুঁজে বেড়াই। তখন বাচ্চাগুলো অবাক-বিস্ময়ে আমার দিকে তাকায়, তাদের চাহনিতে রাজ্যের অনেক প্রশ্ন ! জানিনা মেয়েটি আজও বেঁচে আছে কিনা ! বিয়ে হয়েছে কিনা ! ছেলেমেয়ে আছে কিনা ! আমি দেখলে তাকে আর চিনতে পারবো কিনা ! সেকি আজও বিনামূল্যে মানুষকে ফুল উপহার দেয় ? আজ আমি অনেক ভাল চাকুরি করি, অনেক টাকা রোজগার করি, ফুল কিনার জন্য মার কাছ টাকা চাইতে হয়না। কিন্তু আমিতো ঋণী রয়েই গেলাম সেই দিনের সেইছোট্ট মেয়েটির কাছে। জানি না তার নাম কি? কোথায় তার বাড়ী ? তবে আজ ইচ্ছা করছে তাকে কোন এক নামে ডাকি । ‘বকুল’ হ্যাঁ আজ থেকে তুমি আমার বকুল। বকুল তুমি থাকবে আমার হৃদয়ে। যখন তোমার কথা মনে পড়বে তোমাকে নিয়ে কিছু লিখবো, অফুরন্ত ভালবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে।

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

বিনোদন রিপোর্ট ।।

২০১৫ প্রায় শেষ। আর তো কয়েকটা দিন। তারপরই আরও একটা নতুন বছর। তারপর সেই বছরটাকেই মানিয়ে নেওয়া। ২০১৬-র সঙ্গে অভ্যস্থ হয়ে যাওয়া। পুরোনো হয়ে যাওয়া সালটাকে একেবারে বিদায় জানানোর আগে একবার দেখেই নিন না, এ বছর কোন ১০ টা বলিউড ফিল্ম বক্স অফিসে সব থেকে বেশি টাকার ব্যাবসা করল।

১) বজরঙ্গী ভাইজান – (সালমান খান, কারিনা কাপুর, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি) – ৩২০ কোটি রুপি।

২) প্রেম রতন ধন পায়ো – (সালমান খান, নীল নীতীন মুকেশ, সোনম কাপুর) – ২০৭ কোটি রুপি।

৩) তানু ওয়েডস মানু রিটার্নস – (মাধবন, কঙ্গনা রানওয়াত) – ১৫২ কোটি রুপি।

৪) এবিসিডি টু – (বরুন ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, প্রভু দেবা) – ১০৫ কোটি রুপি।

৫) বেবি – (অক্ষয় কুমার, তাপসি পান্নু, অনুপম খের) – ৯৫ কোটি টাকা।

৬) ওয়েলকাম ব্যাক – (জন আব্রাহাম, নানা পাটেকর, অনিল কাপুর) – ৯৪ কোটি রুপি।

৭) সিং ইজ ব্লিং – (অক্ষয় কুমার, অ্যামি জ্যাকসন, কে কে মেনন) – ৯০ কোটি রুপি।

৮) গব্বর ইজ ব্যাক – (অক্ষয় কুমার, শ্রুতি হাসান) – ৮৬ কোটি রুপি।

৯) ব্রাদার্স – (অক্ষয় কুমার, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ) – ৮২ কোটি রুপি।

১০) পিকু – (অমিতাভ বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন, ইরফান খান) – ৭৯ কোটি রুপি।

– See more at: http://www.sahos24.com/2015/12/26/45451#sthash.ruR1bfGv.dpuf

১১ ডিসেম্বর ‘শোভনের স্বাধীনতা’ মুক্তি পাচ্ছে

ferbg_130053231বিনোদন ডেস্ক::
ফেরদৌস ও নিপুণ জুটি হয়ে কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর বেশিরভাগেরই বিষয়বস্তু প্রেম-ভালোবাসা। ব্যতিক্রমও আছে। তাদেরকে দেখা যাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শোভনের স্বাধীনতা’য়। এটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১১ ডিসেম্বর।

ছোটপর্দার নির্মাতা মানিক মানবিক পরিচালিত প্রথম ছবি ‘শোভনের স্বাধীনতা’। সরকারি অনুদানে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া বাজারে এর দৃশ্যধারণ শুরু হয় ২০১২ সালে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেলেও ডিসেম্বরেই মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো সংশ্লিষ্টদের। গত ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কলকাতার নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি প্রশংসিত হয়েছে।

নির্মাতা জানান, ১৯৭১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোর মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চায়। তার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তাকে পড়াশোনা করতে বলেন। তার বাবা পাকিস্তান সরকারের অধীনে চাকরি করে। সে মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করে। তার মামা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী। এই বিষয়গুলো ছেলেটির মনে প্রশ্ন ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। ওর বন্ধুবান্ধব অনেকেই মুক্তিযুদ্ধেরে সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু ওকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে কেউ সহায়তা করে না। ওকে কিছু জানায়ও না। একপর্যায়ে সে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগীর ভূমিকা নেয়।

ছবিটির ব্যাপারে ফেরদৌস বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর একটি গল্পের মাধ্যমে তরুণদের মনে দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এতে।’ নিপুণ বলেন, “বিজয়ের মাসে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে বলে খুব ভালো লাগছে। ‘একাত্তরের মা জননী’র পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আরেকটি ছবিতে কাজ করলাম। যদিও এর কাজ হয়েছিলো আগে। দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি উপভোগ করলে আমাদের শ্রম সার্থক হবে।’

ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন চিত্রলেখা গুহ, আমিরুল হক চৌধুরী, খায়রুল আলম সবুজ, আতাউর রহমান এবং নটরডেম কলেজের একঝাঁক শিক্ষার্থী। শোভন চরিত্রে অভিনয় করা রুদ্র রাইয়ান তাদেরই একজন।