সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

অভিনেত্রী দিতির চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ লাখ টাকা সহায়তা

12509863_494519264064703_8909547374035654961_n

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পারভিন সুলতানা দিতির চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বিকালে গণভবনে দিতির মেয়ে লামিয়া চৌধুরী ও ছেলে শাফায়াত চৌধুরী দীপ্তর হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দিতির দুই সন্তানের কাছে তাদের মায়ের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থার খোঁজ নেন। টিউমার অপারেশনের জন্য গত বছরের ২৯শে জুলাই চেন্নাইয়ে মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজিতে (এমআইওটি) দিতির মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরে আসেন তিনি। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় ৩০শে অক্টোবর তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আবারও চেন্নাইয়ে নেয়া হয় তাকে। গত শুক্রবার ভারত থেকে দেশে ফিরে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন এই অভিনেত্রী।

 

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি কারিনা কাপুর ঢাকায় আসবেন

kareenaবিনোদন ডেস্ক:
বেশকিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। খবরটি মিথ্যা নয়, সত্যি সত্যিই মিসেস খান আসছেন ঢাকায়। কারিনার বাংলাদেশে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অন্তর শোবিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী।

অনলাইনকে স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি কারিনা কাপুর ঢাকায় আসবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ‘বলিউড কুইন নাইট’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে কারিনাকে আমরা জনসম্মুখে আনব। বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করার কথাবার্তা চলছে।’

‘বলিউড কুইন নাইট’ অনুষ্ঠানে কারিনা ছাড়াও বলিউডের আর কোনো তারকাকে দেখা যাবে কি না জানতে চাইলে স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘কারিনা ছাড়া সংগীতশিল্পী কণিকা কাপুর ও জাবেধ আলি আসবেন। দর্শকদের জনপ্রিয় গানগুলো শোনাবেন তাঁরা।’

বাংলাদেশ থেকে কোনো তারকা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কি না জিজ্ঞাসা করতেই স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশি তারকারাও অংশ নেবেন এতে। তবে কোন কোন বাংলাদেশি তারকা থাকবেন, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবে অন্তর শোবিজ।

“বকুল”

 

-জ্যোৎস্না খান, (যুক্তরাজ্য প্রবাসী)   12467914_149039442133806_1728205547_n

 

প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু কিছু ঘটনা থাকে। যা তার জীবনে সাথী হয়ে থাকে। কোন কোন ঘটনা আনন্দ দেয়, কোনটা দেয় পীড়া। এসব ঘটনাগুলো মানুষের স্মৃতি পটে সদা জাগ্রত থাকে। এগুলো ভূলা যায় না- ভূল তে চাইলেও না। আজ এমন একটি ঘটনা সকলের সাথে শেয়ার করতে চাই যা পড়ে হয়তো আপনাদের ভালো লাগবে। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগের ঘটনা। ইংল্যান্ডের ভিসা হয়ে গেছে কয়েকদিন পর চলে যাব। বাবা যেহেতু ইংল্যান্ডে থাকেন সেই সুবাদে ইংল্যান্ডে যাওয়া। একদিন মাকে বললাম চলোনা ঢাকা শিশু পার্ক ঘুরে আসি। টিভিতে দেখেছি অনেকের মুখে গল্প শুনেছি শিশু পার্ক নাকি খুব সুন্দর জায়গা। ইংল্যান্ড চলে গেলেতো আর দেখা হবে না। মা প্রথমে রাজি না হলেও ছোট ভাইয়ের পীড়া পীড়িতে রাজী হলেন। শিশু পার্কে গেলাম,পার্ক অনেকটা ফাঁকা। দুই এক জন মা তাদের সন্তানদের হাত ধরে সব কিছু দেখাচ্ছেন। বুঝতে পারলাম তারা এখানকার বাসিন্দা। আমরাও ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। এরই মধ্যে কয়েকটা রাইডও চড়া হয়ে গেছে। আমার ভাই ২য় বারের মতো রাইডে উঠিয়ে দিয়ে মা তাকে দূর থেকে খেয়াল রাখছিলেন। আমি তখন শাপলা রাইড দেখতে দেখতে সামনে চলে গেছি। হঠাৎ অনুভব করলাম আমার পিছনে কে যেন টুকা দিল। ভয় পেয়ে গেলাম। কে হতে পারে এই অচেনা শহরে ? মা-ই হবেন ! সাহস করে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি মা নন। একটি ৭/৮ বছরের মেয়ে,গায়ের রং শ্যামলা। পরনে সাদার উপর নীল ফুলের জামা। ঘাড় পর্য্যন্ত লম্বা চুল, খালি পা। হাতে বকুল ফুলের মালা। আমি মেয়েটির দিকে তাকাতেই সে একটি মালা সামনে এগিয়ে ধরলো। আমি জিজ্ঞাসা করলাম এটা কি আমার কাছে বিক্রি করতে চায়। সে কিছুই বলল না, আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম তখনও কোন উত্তর দিল না। আমি একটু অবাক হলাম ভাবলাম মেয়েটা হয়তো কথা বলতে পারেনা। আমি মেয়েটাকে এখানে রেখে মার কাছে দৌড়ে গিয়ে সবকিছু বললাম এবং কিছু টাকা চাইলাম। মা মেয়েটাকে দেখতে চাইলেন। তারপর মাকে নিয়ে এসে দেখলাম মেয়েটা উধাও হয়ে গেছে। চারিদিকে চোখ বোলালাম মেয়েটাকে দেখতে পেলাম না। অনেক খোঁজাখুঁজি করলাম মেয়েটাকে কোথাও খুঁজে পেলাম না। পরে মালাটা ঘরে এনে যত্ন করে রেখে দিলাম। এমনকি ইংল্যান্ডে আসার সময়ও ফেলে আসিনি। আমার বিয়ের পর যখন নূতন বাড়ীতে উঠলাম তখন শোকেইছে একটা চুড়ির আলনা ছিল তার এক পাশে ঝুলিয়ে রেখে দিলাম। অবশ্য মালাটার ফুলগুলি সব শুকিয়ে গিয়েছিল। তারপরও কেন জানি মালাটা ফেলে দিতে ইচ্ছা করতো না। মালাটার দিকে তাকালেই সেই মেয়েটির কথা মনে পড়তো। একদিন দেখলাম আমার ছোট্ট মেয়েটি সেই মালাটি হাতে নিয়ে কার্পেটের উপর বসে টিভি দেখছে। আমি তাকে ধমক দিয়ে বললাম ওটা যেন আর না ধরে, কেন যেন আমার রাগ হলো। আমার মেয়েটি তখন আমার দিকে ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। কিছু দিন পর হঠাৎ দেখি মালাটা উধাও। জানিনা কোথায় কিভাবে হারিয়ে গেল। অনেক খোঁজাখোজির পরও পেলাম না। এ প্রশ্নটা আমার মনে নূতন করে কৌতুহলের জন্ম দিল। এরপর যতবার দেশে যাই ছোট ছোট বাচ্চারা গাড়ির জানালার পাশে যখন ফুল নিয়ে আসে, কিছু ফুল কিনি আবার সেগুলো তাদেরকেই উপহার দেই আর তাদের মাঝে সেই মেয়েটিকে খুঁজে বেড়াই। তখন বাচ্চাগুলো অবাক-বিস্ময়ে আমার দিকে তাকায়, তাদের চাহনিতে রাজ্যের অনেক প্রশ্ন ! জানিনা মেয়েটি আজও বেঁচে আছে কিনা ! বিয়ে হয়েছে কিনা ! ছেলেমেয়ে আছে কিনা ! আমি দেখলে তাকে আর চিনতে পারবো কিনা ! সেকি আজও বিনামূল্যে মানুষকে ফুল উপহার দেয় ? আজ আমি অনেক ভাল চাকুরি করি, অনেক টাকা রোজগার করি, ফুল কিনার জন্য মার কাছ টাকা চাইতে হয়না। কিন্তু আমিতো ঋণী রয়েই গেলাম সেই দিনের সেইছোট্ট মেয়েটির কাছে। জানি না তার নাম কি? কোথায় তার বাড়ী ? তবে আজ ইচ্ছা করছে তাকে কোন এক নামে ডাকি । ‘বকুল’ হ্যাঁ আজ থেকে তুমি আমার বকুল। বকুল তুমি থাকবে আমার হৃদয়ে। যখন তোমার কথা মনে পড়বে তোমাকে নিয়ে কিছু লিখবো, অফুরন্ত ভালবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে।

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা বলিউডের ১০ ছবি

বিনোদন রিপোর্ট ।।

২০১৫ প্রায় শেষ। আর তো কয়েকটা দিন। তারপরই আরও একটা নতুন বছর। তারপর সেই বছরটাকেই মানিয়ে নেওয়া। ২০১৬-র সঙ্গে অভ্যস্থ হয়ে যাওয়া। পুরোনো হয়ে যাওয়া সালটাকে একেবারে বিদায় জানানোর আগে একবার দেখেই নিন না, এ বছর কোন ১০ টা বলিউড ফিল্ম বক্স অফিসে সব থেকে বেশি টাকার ব্যাবসা করল।

১) বজরঙ্গী ভাইজান – (সালমান খান, কারিনা কাপুর, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি) – ৩২০ কোটি রুপি।

২) প্রেম রতন ধন পায়ো – (সালমান খান, নীল নীতীন মুকেশ, সোনম কাপুর) – ২০৭ কোটি রুপি।

৩) তানু ওয়েডস মানু রিটার্নস – (মাধবন, কঙ্গনা রানওয়াত) – ১৫২ কোটি রুপি।

৪) এবিসিডি টু – (বরুন ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, প্রভু দেবা) – ১০৫ কোটি রুপি।

৫) বেবি – (অক্ষয় কুমার, তাপসি পান্নু, অনুপম খের) – ৯৫ কোটি টাকা।

৬) ওয়েলকাম ব্যাক – (জন আব্রাহাম, নানা পাটেকর, অনিল কাপুর) – ৯৪ কোটি রুপি।

৭) সিং ইজ ব্লিং – (অক্ষয় কুমার, অ্যামি জ্যাকসন, কে কে মেনন) – ৯০ কোটি রুপি।

৮) গব্বর ইজ ব্যাক – (অক্ষয় কুমার, শ্রুতি হাসান) – ৮৬ কোটি রুপি।

৯) ব্রাদার্স – (অক্ষয় কুমার, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ) – ৮২ কোটি রুপি।

১০) পিকু – (অমিতাভ বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন, ইরফান খান) – ৭৯ কোটি রুপি।

– See more at: http://www.sahos24.com/2015/12/26/45451#sthash.ruR1bfGv.dpuf

১১ ডিসেম্বর ‘শোভনের স্বাধীনতা’ মুক্তি পাচ্ছে

ferbg_130053231বিনোদন ডেস্ক::
ফেরদৌস ও নিপুণ জুটি হয়ে কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর বেশিরভাগেরই বিষয়বস্তু প্রেম-ভালোবাসা। ব্যতিক্রমও আছে। তাদেরকে দেখা যাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শোভনের স্বাধীনতা’য়। এটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১১ ডিসেম্বর।

ছোটপর্দার নির্মাতা মানিক মানবিক পরিচালিত প্রথম ছবি ‘শোভনের স্বাধীনতা’। সরকারি অনুদানে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া বাজারে এর দৃশ্যধারণ শুরু হয় ২০১২ সালে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেলেও ডিসেম্বরেই মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো সংশ্লিষ্টদের। গত ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কলকাতার নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি প্রশংসিত হয়েছে।

নির্মাতা জানান, ১৯৭১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোর মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চায়। তার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তাকে পড়াশোনা করতে বলেন। তার বাবা পাকিস্তান সরকারের অধীনে চাকরি করে। সে মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করে। তার মামা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী। এই বিষয়গুলো ছেলেটির মনে প্রশ্ন ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। ওর বন্ধুবান্ধব অনেকেই মুক্তিযুদ্ধেরে সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু ওকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে কেউ সহায়তা করে না। ওকে কিছু জানায়ও না। একপর্যায়ে সে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগীর ভূমিকা নেয়।

ছবিটির ব্যাপারে ফেরদৌস বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর একটি গল্পের মাধ্যমে তরুণদের মনে দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এতে।’ নিপুণ বলেন, “বিজয়ের মাসে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে বলে খুব ভালো লাগছে। ‘একাত্তরের মা জননী’র পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আরেকটি ছবিতে কাজ করলাম। যদিও এর কাজ হয়েছিলো আগে। দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি উপভোগ করলে আমাদের শ্রম সার্থক হবে।’

ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন চিত্রলেখা গুহ, আমিরুল হক চৌধুরী, খায়রুল আলম সবুজ, আতাউর রহমান এবং নটরডেম কলেজের একঝাঁক শিক্ষার্থী। শোভন চরিত্রে অভিনয় করা রুদ্র রাইয়ান তাদেরই একজন।

কবরী দুই কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ চান


দুই কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ চান কবরী

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরী তার নতুন চলচ্চিত্রের জন্য দুই কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ চান। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেছেন, ‘আমি চলচ্চিত্র শিল্পকে ৪০-৫০ বছর ধরে অনেক কিছু দিয়েছি। এখন আমি একটা সিনেমা বানাতে গিয়ে সহযোগিতা পাচ্ছি না।’ তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সরকারি অনুদানের ছবি কারা পাচ্ছে?’

কবরী জানান, ‘আয়না’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করে তিনি সর্বমহলে প্রশংসা পেয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় ছবি পরিচালনার প্রি-প্রডাকশনও শুরু করেছেন। ‘এই তুমি সেই তুমি’ নামের ছবিটিতে অভিনয় করার কথা রয়েছে ওপার বাংলার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও মমতা শংকরের। দেশের শিল্পীদের তালিকায় আছেন সোহেল রানা, আলমগীর, কবরী ও আরিফিন শুভ। ছবিটিতে তিনি দুটি ভিন্ন প্রজন্মের গল্প বলবেন। প্রাসঙ্গিকভাবেই উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধ। আগামী ডিসেম্বরে এর ‍দৃশ্যধারণ শুরু করার কথা।

কবরী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই ভালো চলচ্চিত্র তৈরির কথা বলেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুও বলেন। আমি তো তেমনই একটি ছবি তৈরি করছি। আমি অনুরোধ করবো, তথ্য মন্ত্রণালয় যেন আমার এই ছবিটাতে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। তারা চাইলেই এটা পারেন। আমি চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। দেশের জন্য যে ছবিটি তৈরি করছি আমি চাই সেটাতে তারা সহযোগিতা করুন।’

এ প্রসঙ্গে কবরীকে প্রশ্ন করা হয়, ছবিতে সরকারি সহযোগিতা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে যোগাযোগ করতে হয়, সেটার একটা নিয়ম রয়েছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘কিসের সিস্টেম? আমি তো যোগাযোগ করেও অনুদান পাইনি! আমাকে ‘হাত পা বাধা’র অজুহাত দেখানো হয়েছে। কাজেই এসব কোনো কথা নয়।’

কবরী যুক্ত করলেন অন্য প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘এই তো কালকে, আমাকে জুরি বোর্ডের সদস্য হওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে। এর আগে এর প্রজ্ঞাপনে এটা বলা হয়েছে যে, দিনের শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে উপরমহল থেকে। এ নিয়ে এফডিসিতে তুলকালাম কাণ্ড চলছে।’ একটু চুপ থেকে কবরী হাসতে হাসতে বলেন, ‘তাই যদি হবে, তাহলে জুরি বোর্ডের দরকার কী? আমি ওখানে কী করবো?’

কবরীর সঙ্গে কথা শুরু হয়েছিলো চাষী নজরুল ইসলাম প্রসঙ্গে। সদ্যপ্রয়াত বরেণ্য ওই নির্মাতার ৭৫তম জন্মদিন পালন করা হয় এফডিসিতে। সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন কবরী। চাষী অনেক ছবি নির্মাণ করলেও কবরীর সঙ্গে তার কাজ একটিই- ‘দেবদাস’।  প্রয়াত নির্মাতাকে নিয়ে কবরী বলেন, ‘কাজের বাইরে চাষীর সঙ্গে আমার বন্ধুত্বটাই মুখ্য ছিলো। আমাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ পৃথক হলেও সম্পর্কটা ছিলো স্বার্থের উর্ধ্বে। তার মতো উদার চিন্তা-চেতনার মানুষ কমই হয়।’

সংগ্রহ- সাহস.কম

 

শুটিং স্পটে স্ট্রোক করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ

2015_10_19_21_17_13_GPqLLw2Wd2Hx68zqdNGHrStNKRsFMo_original

ডেস্ক রিপোর্ট ।।
কৃষ্ণপক্ষ চলচ্চিত্রের শুটিং স্পটে স্ট্রোক করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। সোমবার রাত আটটা দশ মিনিটের দিকে উত্তরায় শুটিং চলাকালীন সময়ে স্ট্রোক করেন তিনি। তাকে অ্যাপোলো হসপিটালে নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উত্তরায় মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ‘কৃষ্ণপক্ষ’ চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষনিক তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে দ্রুত অ্যাপলো হাসপাতালে স্থানাস্তর করা হয়। ‘কৃষ্ণপক্ষ’ চলচ্চিত্রের নায়িকা মাহিয়া মাহি এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

মাহি বলেন, ‘শুটিং চলাকালীন হঠাৎ করে রিয়াজ ভাই অসুস্থবোধ করেন। তিনি বর্তমানে অ্যাপলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শুটিং এখন বন্ধ আছে।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি কার্ডিয়াকের সমস্যায় ভুগছেন। পৌনে নয়টায় তাকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। তার হার্টে রিং পরানো লাগতে পারে।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় এ নায়ক ইচ্ছকৃতভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে ছিলেন। সম্প্রতি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে ‘কৃষ্ণপক্ষ’ চলচ্চিত্রটিতে মাহির বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে ফের ছন্দে ফেরেন রিয়াজ।

দুর্গাপূজা করতে স্বপরিবারে ভারত গেলেন মীম

full_452380053_1445093662বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি থাইল্যান্ড থেকে তার আপকামিং সিনেমা ‘ব্ল্যাক’র কাজ শেষ করে দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম।

কলকাতার নায়ক সোহমের বিপরীতে কলকাতার সিনেমা ‘ব্ল্যাক’র কাজ শেষ করেই আবার ভারতের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন গ্ল্যামার কন্যা মীম।

তবে এবার শুটিং এর জন্য নয়। পুরো পরিবারকে নিয়ে আসছে দুর্গা পূজা উদযাপন করতে ভারত গেছেন এ অভিনেত্রী।

মীম ভারতে যাওয়ার আগে তার ফেসবুকে ভক্তদের জন্য স্ট্যাটাস দিয়েছেন, ‘দুর্গা পূজা উদযাপন করতে পরিবারকে নিয়ে ভারত যাচ্ছি। কারণ তারাই আমার জীবনের সবকিছু।’

‘বিষকাঁটা’ জিতল পুরস্কার

41b01ccd1771e76414928da52528be1f-3নিউজ ডেস্ক :: দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেন ইন রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন (আইএডব্লিউআরটি) পুরস্কৃত করল ফারজানা ববি পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র বিষকাঁটাকে। ১৭ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে আইএডব্লিউআরটির বিয়্যানালে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
আইএডব্লিউআরটি বিয়্যানালে প্রতি দুই বছর পরপর ‘আইএডব্লিউআরটি ডকুমেন্টারি অ্যাওয়ার্ড কমপিটিশন’-এর আয়োজন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নারী নির্মাতা, প্রযোজক ও সাংবাদিকেরা তাঁদের তথ্যচিত্র নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন। এবারও এতে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, জার্মানি, চীন, ভারত, ফ্রান্সসহ ১৬টি দেশ থেকে জমা পড়ে তথ্যচিত্র।

সেসব থেকে এই প্রতিযোগিতায় সেরা তথ্যচিত্রের প্রথম পুরস্কারটি জেতেন ফারজানা ববি, তাঁর বিষকাঁটা প্রামাণ্যচিত্রের জন্য। পুরস্কার ঘোষণার সময় জুরিবোর্ড তাদের লিখিত বক্তব্যে বলে, ‘ফারজানা ববি যে নিবিড় আখ্যান তৈরি করেছেন, তাতে তিন মুক্তিযোদ্ধা নারীর শান্ত মনের তলার গভীর ক্ষতের তীব্রতা দর্শক অনুভব করতে পারে। ছবিটির গতি ভাবার সুযোগ করে দেয়। সিনেমাটোগ্রাফি ও সংগীত এককথায় অসাধারণ।’
বিষকাঁটার আবহ ও সংগীতের সুরকার দিলজিৎ সজল। খনা টকিজ, মনজুরুল ইসলাম ও ফারজানা ববির প্রযোজনায় নির্মিত এই প্রামাণ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত তিন নারী মুক্তিযোদ্ধার বর্তমান জীবনের বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে। বিষকাঁটা আগামী নভেম্বরে নেপালে দক্ষিণ এশীয় তথ্যচিত্র উৎসবে অংশ নিতে যাচ্ছে।

সূত্র : প্র.আলো

সামনে ঈদ, চলেছে শুটিং, সিলেটের বিভিন্ন চা বাগানে অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভিড়!

সিলেটের চা বাগানে চলছে শুটিং!

11954669_1002445399817212_7334043643354554106_nবিনোদন ডেস্ক:

ঈদ কে সামনে রেখে  বেশ তোর জোর দিয়ে নির্মাণ চলছে নাটক। আর এ জন্য দেশের নানা জেলার মনোরম পরিবেশে নাটকের দৃশ্যধারণের জন্য বেছে নেয়া হচ্ছে। এমন একটি ছয় পর্বের ধারাবাহিক নাটকের জন্য পুরো শুটিং ইউনিট রয়েছেন সিলেটে।

প্রচার হবে আসছে ঈদুল আযহায় এটিএন বাংলা টেলিভিশনে। রচনা ও পরিচালনা মোহন খান। এতে অভিনয় করছেন সজল, সমাপ্তি, স্বাধীন খসরু, চাঁদনী, সাব্বির আহমেদ, তানজিন তিশা, আমব্রিন, দোলন। তবে নাটকটির নাম এখনো ঠিক করা হয়নি। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর রাতে শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরছে পুরো টিম।