সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

সুচন্দা-ববিতা-চম্পা হাসপাতালে আমজাদ হোসেনকে দেখতে গেলেন


বিনোদন ডেস্ক:: ব্রেন স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি আছেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পুরুষ আমজাদ হোসেন। রোববার সকাল ১০টায় তাকে অচেতন অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে নেয়া হয়। কিন্তু এখনো তার অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। কাটেনি শঙ্কা। তেজগাঁও ইমপালস হাসপাতালে চার দিন ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন আমজাদ হোসেন। তার চিকিৎসার সমস্ত দায়ভার নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হাসপাতালে প্রিয় এই মানুষটিকে দেখতে এসে ছিলেন চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা’ খ্যাত ববিতা, সুচন্দা ও চিত্রনায়িকা চম্পা। বুধবার বিকেলে তিন বোন আমজাদ হোসেনকে দেখতে আসেন তেজগাঁয়ের ইমপালস হাসপাতালে। আমজাদ হোসেনের দুই ছেলের কাছে তার খোঁজ খবর নেন।

চিত্রনায়িকা ববিতা বলেন, ‘চার মাস পর দেশে ফিরলাম। আমি কানাডায় বিমানে ওঠার সময় এই সংবাদ শুনি। তখন থেকেই মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করছে। আমজাদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করছি তখন থেকেই। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’ আমজাদ হোসেনকে দেখে এসে সুচন্দা বলেন, ‘আমজাদ ভাই অনেক বড় মাপের এখনজন নির্মাতা ছিলেন। তার কৃতকর্ম যেন কেউ ভুলে না যায়।’

jagonews

আমজাদ হোসেন নির্মিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। এই নির্মাতার সঙ্গে তার প্রথম ছবি ‘নয়নমণি’। মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ববিতা অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় ববিতার ক্যারিয়ারের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) এবং ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ (১৯৭৮)।

আমজাদ হোসেন ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া নানামাত্রিক কাজের জন্য ১৪ বার জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একইসাথে বাংলা একাডেমী পুরস্কার সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

বোনের প্রতি বোনের ভালোবাসা

কমলকুঁড়ি ডেস্ক
30

বিখ্যাত ব্যক্তিদের সম্পর্কে মানুষ জানতে চায়। তাদের সম্পর্কে আগ্রহের শেষ নেই। সেই বিখ্যাত ব্যক্তি যদি হোন কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার বোন তাহলে তো আর কথাই নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বোন শেখ রেহানার একটি ছবি তুলেছেন। আর এই ছবি ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এবং রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

তাঁরা দুই বোন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব আশরাফুল আলম খোকনের ভাষ্যে, ‘দেশের মানুষের কাছে রেখে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর দুই আমানত’। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী, আরেকজন তাঁর দুঃখ-সুখের ভাগীদার, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শক।

দুজনে যেমন ব্যক্তিগত দুঃখ-বেদনাটা ভাগ করে নেন, তেমনি ভাগ করে নেন হাসি-আনন্দের জন্য মেলা ক্ষণিকটুকুও। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এমনই এক স্নিগ্ধ সময় কাটছিল দুই বোনের। একজন দাঁড়িয়েছেন পেছনের পরিপাটি সুন্দর সিডনি শহরকে ব্যাকগ্রাউন্ড করে, আরেকজন তার সেই হাসিমুখ বন্দি করছেন স্মার্টফোনের রঙিন ফ্রেমে।

তাদের ছবি তোলার অসাধারণ মূহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী ইয়াসিন কবির জয়। ২০১৭ সালে তোলা ছবিটি শনিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন আশরাফুল আলম খোকন। এরপরই ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

অদৃশ্য প্রাণ ।। – সিদ্দিকুর রহমান অপু

21

 

পৃথিবীটা মরে গেছে

মরে গেছে উড়ন্ত হাঁস

চিকন অনুভূতিগুলো হারিয়ে গেছে

নলখাগড়ার বুকে দীর্ঘ নি:শ্বাস।

মহাশূন্যের ব্যর্থতায় এখন বিলীন অন্তরাত্মা,

কবেই হারিয়ে গেছে পথহারা ভ্রাম্যমান কান্না।

অনন্ত গতিশীল বুনো পাখিরা,

নিস্তরঙ্গ জলের অজ্ঞাত উপস্থিতি,

আজও ছুটে চলে অদৃশ্য প্রাণ।

 

ভারতে জি-বাংলা সা-রে-গা-পা গ্রেন্ড অডিশনে কমলগঞ্জের মন্টি সিনহা লেবেল-২ তে

42734639_306286386839187_7420650108103950336_n.jpg

নির্মল এস পলাশ

আজ রাত দশ ঘটিকায় জি-বাংলা চ্যানেল সংগীত প্রতিভা প্রতিযোগিতা প্রচারিত হয় । জিবাংলা গ্রেন্ড অডিশন সারে-গ-মা-পা অনুষ্ঠান বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী অবন্তী সিথি বাজিমাত করেছিলেন প্রথম পর্বে । আজ level- 1 শেষ পর্বে বাংলাদেশী “আইডল “মৌলবীবাজার তথা কমলগঞ্জের কন্ঠ শিল্পী মন্টি জি-বাংলা সারে-গা-মা-পা, মঞ্চে আসলে বিচারক শ্রীকান্ত আচ্যর্য মন্টির কাছে বাংলার লোকগীতি গান শুনতে চাইলে । মন্টি তার কন্ঠে লোকগীতি গান করিমানা কাম ছাড়েনা — গানটি পরিবেশন করে সংগীতের অনবদ্য পারফমেন্স পদর্শন করে । নিজেকে যেমন মেলে ধরলেন , আর এগিয়ে গেলেন
level-2 তে আর বাংলাদেশকে সম্মানিত করলেন । গর্বিত করলেন কমলগঞ্জ বাসীদের ।
মন্টির সংগীত প্রতিভায় সব সময়ে নিজেকে প্রমান করেছেন , হয়েছিলেন বাংলাদেশী আইডলের তৃতীয় স্থান অধিকারী । অধীর আগ্রহে ছিলেন কমলগঞ্জ , মৌলবীবাজার বাসী তথা তার স্বজন ও ভক্তবৃন্দ । জি-বাংলা টিভি চ্যানেলের সামনে অপেক্ষায় । মন্টির আজকের সা-গা-মা-পা মঞ্চে প্রাণ-উচ্ছল হাসিমাখা সংগীত পরিবেশনায় । আনন্দিত হয়েছেন সবাই। বাংলাদেশে ছেলে মন্টি জি-বাংলার অনুষ্ঠানে শীর্ষে ছুয়ে যাক এই প্রত্যাশা করছেন । আর শুভকামনা করছেন নিজ এলাকার মন্টি ভক্ত এবং এলাকাবাসীরা

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল অনুর্ধ্ব (১৭) শ্রীমঙ্গল উপজেলা চ্যাম্পিয়ন

ঝলক দত্ত

42474032_2189371291341240_2358185844369522688_n

মৌলভীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে (অনুর্ধ-১৭) জেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা ট্রাইবেকারে ৪-২ গোলে কমলগঞ্জ উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। নির্ধারিত সময়ের খেলাটি ১-১ গোলে অমিমাংশিত ভাবে শেষ হয়।

খেলাটি পরিচালনা করেন মৌলভীবাজার জেলার অভিজ্ঞ রেফারি মোঃ মাহমুদুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান দুলাল, মোঃ ফখরুল ইসলাম ও মুসা। সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাড়ে ৩ ঘটিকার সময় মৌলভীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীমঙ্গল উপজেলার রুনি হায়দার শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় ও কমলগঞ্জ উপজেলার একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার লাভ করেন। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ ও শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ গোলদাতাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তোফায়েল আহমদ ও অতিথিরা।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফুর রহমান এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সচিব হাসান আহমেদ সারোয়ার, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেছার আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মিসবাহুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সাংঘটনিক সম্পাদক মনসুর ইকবাল। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ইকরাম রানা, শ্রীমঙ্গল উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মিলন দাশ গুপ্ত, সাবেক ফুটবলার পিযুস দত্ত, ৩নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়। উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা রেফারি সমিতির সভাপতি কবির উদ্দিন সুইট, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, কামরুল হাসান দুলন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবলীগের সাংঘটনিক সম্পাদক আবুতালেব বাদশা, শ্রীমঙ্গল পৌর যুবলীগ সভাপতি আকবর হোসেন শাহীন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক শের জাহান সেজু, মোঃ মিজানুর রহমান, এমাদুর রহমান, শ্রীমঙ্গলের ক্রিকেট কোচ তাপস দত্ত, গোলাম মোস্তফা।

সংস্কৃতি চর্চাকে বিকশিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে – কমলগঞ্জে সংস্কৃতি-বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর

Pic- Kamalgonj-1

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট   :
সংস্কৃতি-বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর এমপি বলেছেন, সংস্কৃতি চর্চাকে বিকশিত করতে তৃণমূল পর্যায়ের নিয়ে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্কৃতি জাতি সংঘ স্বীকৃতি দিয়ে গেছে। কমলগঞ্জ উপজেলা একটি বিচিত্রময় এলাকা। এখানে নানা ভাষাভাষি, জাতি গোষ্ঠীর বসবাস। প্রত্যেক মানুষের তাদের নিজ নিজ ভাষা সংস্কৃতি বিকাশে অধিকার রয়েছে। এরই মধ্যে তিনটি ভাষা গুরুত্বপূর্ণ বাংলা, ইংরেজি ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশে অসংখ্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বসবাস। এসব নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বাংলাদেশকে ফুলের বাগানের মত বিকশিত করে রেখেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স্র প্রাঙ্গণে  বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক সম্মেলনী-২০১৮-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলি বলেন গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মূল আয়োজক বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক সমরজিত সিংহ। বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি পিডিসন প্রধানের সভাপতিত্বে শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন ও শিক্ষিকা বিলকিছ বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযৃক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড: আব্দুল আউয়াল বিশ্বাস,ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাক ড: সৌরভ সিকদার, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহাজালাল, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান,অ ান্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড: কানিজ ফাতেমা,  প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচারক তাহমিনা খাতুন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তফাদার রিজুয়ানা ইয়াসমীন (সুমী) ও বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সহ-সভাপতি জিডিসন প্রধান সুছিয়াং।
সম্মিলনীর শুরুতেই বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী, খাসিয়া, চা জনগোষ্ঠী, সাওতাল সসম্প্রদায়ের শিল্পীদেও ৪০ মিনিট স্থায়ী একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এর পর উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের।
প্রধান অতিথি সংস্কৃতি মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান নুর আরও বলেন, আপনারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তাবনা তুলে ধরলে তিনি মন্ত্রী হিসাবে বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। আর এ জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের বিষেজ্ঞরা কর্মরত রয়েছেন। ক্ষুদ্র জাতির গোষ্ঠীর মাঝে চা জনগোষ্ঠী অনেকটা পিছিয়ে আছে। তাদের সংস্কৃতির বিকাশে আগামীতে চা শিল্পাঞ্চলে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়েছে। মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকে না। আগে আগে যে কোন অনুষ্ঠানে এলে হাততালি জন্য বলা লাগে না। এমনিতেই হাততালি দেয়া হয়। এখন সকলের হাতে মোবাইল ফোন হাততালি তেমন দেয়া হয়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের মানুষও এগিয়ে যাচ্ছে। তা একমাত্র এই শেখ হাসিনার সরকারের আমলে হয়েছে। তিনি সরাসরি ভোট চাইছেন না। শুধু অনুরোধ করে বলেন, যদি গণতন্ত্র বিশ^াস করি নির্বাচনের মাধ্যমে এগিয়ে যাব। বিগত ১০ বছর আগের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান ১০ বছরের বাংলাদেশের কথা ভেবে সবাই সিদ্ধান্ত নিলেই অবশ্যই আবারও আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করবেন এটাই বাস্তবতা।  এক কথায় শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে যে কোন পন্থের মানুষ বলবে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই ।
অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এক মঞ্চে ইলিয়াস কাঞ্চন, জুয়েল আইচ ও নিপুণ

বিনোদন ডেস্ক:: ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পথিকৃত ইলিয়াস কাঞ্চন, চিত্রনায়িকা নিপুন ও প্রখ্যাত যাদুশিল্পী জুয়েল আইচকে এবার ঈদে পাওয়া যাবে একটি অনুষ্ঠানে। এটিএন বাংলার জনপ্রিয় ঈদ অনুষ্ঠান ‘স্টার ক্যানভাস’-এ অতিথি হয়েছেন তারা।

এ অনুষ্ঠানে দেখা যাবে একজন উপস্থাপিকার সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিবেন এই তিন তারকা। সেই আলাপচারিতায় উঠে আসবে তাদের জানা- অজানা ও চমকপ্রদ সব তথ্য। দর্শকরা জানতে পারবেন তাদের ব্যস্ততা, খাদ্যাভাস, কাজের অভিজ্ঞতা, সময়ের চ্যালেঞ্জ, স্টেজ পারফর্মেন্স, জীবনের চাওয়া ও প্রাপ্তির সমীকরণ ইত্যাদি।

এছাড়াও থাকবে সামাজিক নানান সেবামূলক কাজে তাদের অংশগ্রহনের কথা।এবারের স্টার ক্যানভাস উপস্থাপনায় রয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা শ্রাবণ্য তৌহিদা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন সেলিম দৌলা খান।

অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে প্রচার হবে ঈদের পঞ্চমদিন থেকে প্রতিদিন, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।

‘রাখি বন্ধন’ এর রাখি !

141

    বিনোদন ডেস্ক :

কোন ক্লাসে পড়ে ছোট্ট রাখি- স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘রাখি বন্ধন’ এভাবে জাদুজাল বিস্তার করে চলেছে এ দেশের অগণিত খুদে দর্শকের মনে। যেসব শিশু সিরিয়ালটির নিয়মিত দর্শক, তাদের মায়েরা বলেন, এই সিরিয়াল শুরু হলে খুদে দর্শকদের টিভির সামনে থেকে নড়ানোই যায় না। তখন তাঁরাও বসে যান নিজের ছেলে বা মেয়ের পাশে। এভাবে তাঁরাও এখন নিয়মিত দর্শক।
একজন খুদে মডেল ও অভিনেত্রী হিসাবে খুবই জনপ্রিয় ‘রাখি বন্ধন’ সিরিয়ালের রাখি অর্থাৎ কৃতীকা চক্রবর্তী। স্টার জলসা চ্যানেলের ধারাবাহিকের সবচেয়ে ক্ষুদে চরিত্র হল এই রাখি। মাত্র চার বছর বয়সে টেলি পর্দায় আসে এবং সকলের মন জয় করে কৃতীকা। অভিনয়ের পাশাপাশি শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে ছোট্ট রাখি।

‘রাখি বন্ধন’ সিরিয়ালেরও রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। এই আকর্ষণ এখন কচি মনকেও স্পর্শ করেছে। শহর-বন্দর-গ্রামে যেখানে স্টার জলসার জাদুজাল রয়েছে, সেখানে অনেক খুদে দর্শক এখন উন্মুখ হয়ে থাকে—কখন রাত সাড়ে ১০টা বাজবে। বাংলাদেশের এই সময়টাতেই শুরু হয় ‘রাখি বন্ধন’।
কেবল শিশুরাই নয়, সব বয়সী দর্শকই এখন আঠার মতো চোখ লাগিয়ে বসে এই সিরিয়াল দেখতে। এমনকি তিন বছরের শিশু, যার কাহিনি বোঝার মতো বোধ নেই, সেও এই সিরিয়ালে একেবারে চোখ বিঁধিয়ে বসে। ছোট্ট রাখি কী করে, একঠায় দেখে আর কুটকুট হাসে।
সংগত কারণেই প্রশ্ন এসে যায়, কী আছে ‘রাখি বন্ধনে’? সিরিয়ালের কাহিনি মূলত রাখি ও বন্ধন নামের দুটি শিশুকে নিয়ে। বন্ধন ভাই। রাখি তার বোন। ওদের বাবা-মা নেই। জেঠু আর জেঠির কাছে থাকে। দাদামশাইয়ের বাড়ি। তবে সংসারটা এখন জেঠু-জেঠির। জেঠুর মুখ থেকে জানা যায়, রাখি-বন্ধনের মা-বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। শিশু হিসেবে রাখি একেবারেই ফুলের কুঁড়ি। বয়স পাঁচ কি ছয়। ভাই বন্ধন একটু ডাগর। ১২-১৩ বয়স। জেঠু-জেঠির ঘরে আবার দুই ছেলেমেয়ে।
জেঠি চান নিজের মনের একলার সংসার, যেখানে রাখি-বন্ধনের মতো আপদ থাকবে না। জেঠু আবার ভাইয়ের ছেলেমেয়ের প্রতি একটা টান অনুভব করেন। হাজার হলেও তাঁর বংশধর। কিন্তু বউয়ের ভয়ে ভাইপো আর ভাইঝিকে দরাজ দিলে আদর করতে পারেন না। চুপিচুপি করেন। এদিকে পড়াশোনা করার সুযোগ না পাওয়া বন্ধনের লক্ষ্য একটাই—ছোট বোনকে খুব ভালো স্কুলে পড়াবে। মানুষের মতো মানুষ করবে। এখানে সেই স্কুল বলতে ব্যয়বহুল এক অভিজাত স্কুল দেখানো হয়েছে, যেখানে শ্রেণিবৈষম্য প্রকট।

জেঠির নির্মমতা গল্পকাহিনির কুটিল সৎমা তো বটেই, ঠান্ডা মাথার খুনিকেও হার মানায়। গলগ্রহ বলে প্রতিভাত রাখি-বন্ধনকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে রাত-দিন নানা ফন্দিফিকির ঘুরপাক খায় তার মাথায়। ছোট ভাই মদনা তার যাবতীয় দুষ্কর্মের সহযোগী। এই দুজন মিলে রাখি আর বন্ধনের রোজকার জীবন নানাভাবে বিষিয়ে তোলে।
এমনকি জেঠি চম্পা চামেলী দাস নামের এক নারী শিশু পাচারকারীর কাছে চড়া দামে রাখিকে বিক্রিও করে দেয়। একই সঙ্গে রাখি-বন্ধনের জন্য মা-বাবার রেখে যাওয়া ৪০ লাখ টাকাও হাতিয়ে নিতেও তার চেষ্টার ত্রুটি নেই। এদিকে চম্পা চামেলী আবার চড়া দামে ছোট্ট রাখির কিডনি বিক্রির ধান্দা করে সিরিয়ালে সাসপেন্সের খোরাক দিচ্ছে। মোটামুটি এভাবেই সিরিয়ালটির কাহিনি এগিয়ে চলেছে।
এটি যদি ছোটদের উপযোগী বিনোদনের বিষয় হতো, তাহলে কোনো কথা ছিল না। এ থেকে ছোটদের শেখার মতো যদি কিছু থাকত, তাহলেও কোনো প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু কাহিনি ও বিষয়বস্তু মিলিয়ে এটি মোটেও ছোটদের সিরিয়াল নয়। বড়দের সিরিয়াল। এর কাহিনিবিন্যাসে পদে পদে রয়েছে অবোধ শিশুর প্রতি মাতৃস্থানীয় দুই নারীর নির্মমতা, প্রবঞ্চনা, ছলচাতুরী, সুবিধা বাগানোর কারসাজি। আছে প্রতিকূলতা জয় করার নামে দুই শিশুর অবাস্তব লড়াই। আর আছে কিছু সস্তা ভাঁড়ামো।

সিরিয়ালের মূল আকর্ষণ রাখি নামের ছোট্ট শিশুটি। সে তোতাপাখির মতো টরটর করে কথা বলে। বড়দের অনেক বিষয়ে মন্তব্য করে জ্ঞান দেয়। এটা ঠিক যে রাখির কিছু আবেগপ্রবণ কথা প্রায়ই অনেক দর্শকের মন আর্দ্র করে তোলে। কিন্তু একজন পুরোহিত তাঁর মন্ত্রের অর্থ জানে কি না, এ প্রশ্ন তার কচি মুখে মানায় না। আরও মানায় না জেঠুর ‘আই লাভ ইউ’ সংলাপ আওড়ানো। পড়শি নারীর প্রেমে মজে রঙ্গরাজ জেঠু এটা বলেছেন।

এটুকু বয়সে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা আয় করে ফেলেছে এই খুদে তারকা। ৮ থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা স্টুডিওর গণ্ডির মধ্যেই থাকতে হয় তাকে। ২০১৭ সালে সেরা খুদে তারকার সম্মানও অর্জন করে কৃতীকা। পাশাপাশি ছবি তুলতেও খুব ভালবাসে ছোট্ট রাখি। এমনকি ছবি তুলে সেটাকে সুন্দর ভাবে এডিট ও করতে পারে সে। সুতরাং অভিনয় শুধু নয় তার পাশাপাশি অন্যান্য দিকেও বেশ পারদর্শী ছোট্ট রাখি।

সাংবাদিকের ভূমিকার কোয়েল !

3Shares

141

 ডেস্ক রিপোর্ট:

নিজের অভিনয় গুণে দর্শকের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কোয়েল মল্লিক। সিনেমার সঙ্গে তার সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকেই। বাবা রঞ্জিত মল্লিকের হাত ধরে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির মাঝে বেড়ে উঠেছেন।
এই অভিনেত্রী এখন ‘যক্ষের ধন’র সিক্যুয়ালের কাজ করছেন। এর সঙ্গে নতুন একটি সিনেমায়ও কাজ করতে যাচ্ছেন কোয়েল মল্লিক। এবার তাকে দেখা যাবে অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নতুন একটি থ্রিলার ছবিতে।
এই সিনেমার প্রধান চরিত্রে থাকছেন তিনি। ছবিটিতে তাকে দেখা যাবে সাংবাদিক চরিত্রে। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করবেন শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী’সহ অনেকে।
কোয়েল মল্লিক ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমার চরিত্রের নাম বিদিশা। মেয়েটি স্বাধীনচেতা, ঠোঁটকাটা। পেশায় সাংবাদিক। স্কুটি চালিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যায়। থ্রিলারকেন্দ্রিক হলেও ছবিটা ভীষণ রিয়েলিস্টিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মেয়েটা মারকুটে নয়। কিন্তু চিন্তাভাবনা স্বচ্ছ। যেটা করবে বলে মনে করে, সেটা করবেই। সত্যের জন্য লড়তে তার কোনও দ্বিধা নেই। এর জন্য কারও অনুমতি নেয়ারও প্রয়োজন বোধ করে না।’
এই সিনেমায় কোয়েলকে স্কুটি চালাতে দেখা যাবে। এই নায়িকা বলেন, ‘অনেক বছর আগে সিনেমার জন্যই স্কুটি চালানো শিখেছিলাম। এবার তেমন সমস্যা হবে না।’
এ মাসের শেষে শুটিং শুরু হতে চলেছে ছবিটির। শুরুর দিকে শুটিং হবে কলকাতার বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায়।  সিনেমাটি নিয়ে এরই মধ্যে নিজের প্রস্তুতি শেষ করেছেন বলে জানিয়েছেন কোয়েল মল্লিক।
উল্লেখ্য এর আগেও একাধিক সিনেমায় সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক।

কমলগঞ্জের সঙ্গীতের ভূবনে একটি নাম চা শ্রমিক সন্তান কান্তি বাড়াইক

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1000
চা শ্রমিক সন্তান কান্তি বাড়াইক। সঙ্গীতের ভূবনে এক নীরব নাম। যদিও অন্যান্য শিল্পীর মতো নাম, যশ, খ্যাতি কোনটাই নেই। তবুও গান লেখা ও গাওয়া তাঁর নেশা। সুযোগ সুবিধা না থাকায় সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ঘটাতে পারছেন না। যদি কোন মিডিয়া সুযোগ করে দেয় তাহলে তাঁর জীবনটা স্বার্থক হবে এমনই বিশ্বাস করছেন।
কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের মিরতিংগা চা বাগানের মৃত: আনন্দ বাড়াইক ও বিলাশ বাড়াইক এর পুত্র কান্তি বাড়াইক। ১৯৬৭ সালে  ৩১ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। ৩ ভাইদের মধ্যে তিনি মধ্যম। ছোট বেলা থেকে গান গাওয়ার নেশা জাগে। অভাব অনটনের মধ্যে লেখাপড়া তেমন একটা করতে পারেননি। এর মধ্যে ১৯৯৬ সালে ৭টি গান নিয়ে “সুন্দরী নারী” নামক একটি ক্যাসেট বের হয়। ২০০৪ সালে আরও ৭টি গান নিয়ে “সবিতা আমার হারিয়ে গেছে” নামক ক্যাসেট বের হয়। মাঝে মধ্যে গ্রামের অনুষ্ঠানে তিনি সঙ্গীত পরিবেশন করেন। নেই কোন অর্থ কড়ি, চা শ্রমিক সন্তান থাকায় সামনের দিকে এগুতে পারছেন না। চলতি বছরের বিটিভির একটি টিম মিরতিংগা চা বাগানে আসলে দেখা হয় কান্তি বাড়াইকের সাথে। তারা ২টি গান রেকডিং করেন। এরমধ্যে ৩০ এপ্রিল দুপুর ২টায় বিটিভিতে গান ২টি প্রচার করা হয়। গানের কলি “ আমার গান যখন তুমি শুনবে, আমাকে তোমার মনে পড়বে”/ চা বাগানে নতুন পাতা, সবুজ বরণ টিলা”। এটি ইউটিভিতে সার্জ করলে দেখা যাবে। (bangla new song kanti baraik).

124 copy

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী চা শ্রমিক সন্তান হয়েও মনের প্রবল ইচ্ছা জোর নিয়ে তিনি প্রায় ২০০টি সঙ্গীত রচনা করেছেন। তাঁর লেখা গান ও সুর দিয়ে তিনি নিজেই পরিবেশন করেন।  বিশেষ করে তিনি মুক্তিযোদ্ধা, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষে, শহর-গ্রামাঞ্চল  ও শিশু শিক্ষার্থীসহ আধুনিক গান লিখা রয়েছে। সামনে আরও এ্যালবাম বের করার ইচ্ছা রয়েছে। তিনি কোন মিউজিক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানান গানের একটু সুযোগ করে দেয়ার জন্য। #