সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

শ্রীদেবীর মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তসলিমার

10

বিনোদন ডেস্ক:: শ্রীদেবীর দেহের ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে আসার পর তার মৃত্যুর আসল কারণ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু মৃত্যুর সেই কারণ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন তসলিমা নাসরিন। দুবাইয়ে শ্রীদেবীর দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে শ্রীদেবীর। দুবাই পুলিশের দাবি, জ্ঞান হারিয়ে হোটেল অ্যাপার্টমেন্টের বাথটাবের জলে তিনি ডুবে গিয়েছিলেন। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পরেই তিনি জ্ঞান হারান কি না, সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। দুবাইয়ের পুলিশ তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও চালিয়ে যাবে বলেই জানা গেছে। শ্রীদেবীর রক্তে মদের নমুনা পাওয়া গেছে বলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। ময়না তদন্তে বর্ণিত মৃত্যুর এই সব তথ্য নিয়েই বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। নিজের টুইটার হ্যান্ডলে একটি টুইটে তিনি লিখেছেন, কখনও সুস্থ কোনও মহিলা ‘দুর্ঘটনাবশত’ বাথটাবের জলে ডুবে মারা যায়? তার প্রশ্নের সমর্থনে তসলিমা একটি ব্লগের উল্লেখ করেছেন। যেখানে ঠিক এই প্রশ্নটাই করা হয়েছে।মারিলি স্ট্রং নামে এক সাংবাদিকের ব্লগে এই নিয়েই আলোচনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাদের মৃগী রোগ রয়েছে বা যারা বেশি পরিমাণে অবসাদজনিত মানসিক রোগের জন্য ওষুধ খান বা বেশি পরিমাণে মদ্যপান করেন, তাদের কাছেই বাথটাব একটি বিপজ্জনক জায়গা। ‘যেসব পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের মেরে ফেলতে চান তাদের কাছে বাথটাব একটা ভাল জায়গা’, দাবি মারিলির ব্লগের। এই ব্লগের রেফারেন্সই রয়েছে তসলিমার টুইটে। বাথটাবে ডুবে মৃত্যু হলে ময়নাতদন্তে কখনই নিশ্চিত ভাবে মৃত্যুর আসল কারণ বলা যায় না বলেই দাবি এই ব্লগের। এই তত্ত্বের সমর্থনে মারিলি ফরেনসিক বিজ্ঞানের কিছু টেক্সটবুকেরও উল্লেখ করেছেন। একদিকে তসলিমা যেমন শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল কারণ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনই ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।এদিকে দুবাই পুলিশের তদন্ত যে শেষ হয়নি তাও পরিষ্কার। ফলে শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল কারণ জানতে এখনও অনেকটাই অপেক্ষা করতে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

“তফাত” – এ,বি,দেব,

10
আমি কবিগুরুকে ভালোবাসি, তবে ঠিক ততটা নয়,
যতটা ভালোবসি বিদ্রুহী নজরুলক, তোদের কি মনে হয়?
বিশ্বকবি আমার প্রিয় নয়,জাতীয় কবিতে আমি বিশ্বাসী,
গীতাঞ্জলী নোভেল বিজয়ী,কিন্তু আমি চাই সেই বিষের বাঁশি।
আমি চাই না “নোভেল”যেথায় লুকিয়ে আছে শ্রেষ্ঠ পূরষ্কার,
আমর পছন্দ লৌহ কবাটটে আবদ্ধ সেই পরিচিত অন্ধ কারাগার।
অট্টালিকায় বসে বসন্ত ও বর্ষার গান গাইতে একটুও ভলো লাগেনা,
ভলো লাগে কারগারের চারি দেয়াল,যেথায় লেখা হয়ছিলো অগ্নিবীণা।
আমি চাই অত্যচারীর প্রাচীর ভেঙ্গে দিতে, দাও না হাতুড়ি ও সাবল,
এতোদিনতো তাদের চরণতলে মাথা নতো করে করে
ফেলিলাম অশ্রুজল।

(লেখককের ফেসবুক থেকে নেয়া)

নতুন ছবিতে জয়ার সঙ্গে পাওলি

10

 বিনোদন

 টালিগঞ্জের জনপ্রিয় পরিচালক জুটি নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নতুন ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। ‘কণ্ঠ’ নামের ওই ছবিতে কাজ করবেন জয়া আহসান। নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দু’জনের ছবিতে প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন জয়া।  তবে এই খবরে আরো চমক হলো, জয়ার সঙ্গে এই সিনেমায় দেখা যাবে পাওলি দামকে। একজন ক্যানসার আক্রান্ত রোগীকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবিটি। ছবির মূল চরিত্রে পরিচালক শিবপ্রসাদই অভিনয় করছেন। আর তার চরিত্রের থেরাপিস্টের ভূমিকায় অভিনয় করছেন জয়া।

ভালোবাসা দিবসে অপূর্ব-রানীর লাভ বার্ড

বিনোদন :
10

 ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে অপূর্ব একটি করপোরেট হাউসের মালিক। তার স্ত্রী অভিনেত্রী রানী আহাদ। অপূর্বের অফিসে নতুন চাকরি নেয় জনি। কিন্তু জনির বস অপূর্ব তাকে সব সময় প্যারায় রাখে। আর সে তার বস অপূর্বকে অশান্তিতে রাখার জন্য তার স্ত্রী রানী আহাদকে ‘লাভ বার্ড’ গিফট করে। একপর্যায়ে রানী আহাদ দুর্বল হয়ে যায় জনির প্রতি। এরই মধ্যে ঘটে নানা ঘটনা। এমনই একটি গল্পে ভালোবাসা দিবসের জন্য নির্মিত হয়েছে নাটক ‘লাভ বার্ড’। সেজান নূরের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। রোমান্টিক গল্পের এই নাটকে আরো অভিনয় করেছেন মৌসুমি হামিদ। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এই নাটকটি ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে

বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অদিতি মুন্সি বিয়ে করলেন

বিনোদন ডেস্ক :
H

ভারতের জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সা রে গা মা পা’র অন্যতম প্রতিযোগী অদিতি মুন্সী বিয়ে করেছেন। বর পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী। ২৪ জানুয়ারি (বুধবার) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনেরা। ২৮ জানুয়ারি (রবিবার) ইকো পার্কে তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। দেবরাজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অদিতির সঙ্গে আগে থেকে আলাপ ছিল না। বাড়ি থেকে দেখাশোনা করেই বিয়ে। তবে দু-একটা অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক তৈরি হয়নি। আট মাস আগে আমাদের বিয়ে চূড়ান্ত হয়। ২০১৫ সালের ‘সা রে গা মা পা’ অনুষ্ঠানে কীর্তন গান গেয়ে শুরু থেকেই সবার নজরে আসেন অদিতি। ছিলেন ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত। অদিতির গান শুনে মুগ্ধ হয়েছেন লাখো দর্শক। পেয়েছেন খ্যাতি। এই রিয়্যালিটি শো শেষ হওয়ার পর গান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অদিতি।

কমলগঞ্জে ভারতে প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী অধ্যাপক পদ্মশ্রী কলাবতী দেবীকে সংবর্ধনা প্রদান

2
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত মণিপুরী নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যগুরু রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক পদ্মশ্রী শ্রীমতি কলাবতী দেবীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম এর আয়োজনে ও মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতি, মণিপুরী যুব কল্যাণ সমিতি, মণিপুরী থিয়েটার এর সহযোগিতায় শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারার দক্ষিণ মণ্ডপে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মণিপুরী আদবাসী ফোরামের উপদেষ্টা রসমোহন সিংহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপমহাদেশীয় সংস্কৃতি প্রসার কেন্দ্র সাধনার ধ্র“মেল প্রকল্পের আটস্টিক পরিচালক লুবনা মরিয়ম। পৌরি সম্পাদক সুনীল সিংহ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্য বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও নিদের্শক রোকেয়া রফিক বেবী, মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রাজকান্ত সিংহ,  মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি প্রতাপ চন্দ্র সিংহ।

1

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সমরজিত সিংহ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য ফোরামের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও শিক্ষিকা বিলকিছ বেগম, মণিপুরী নৃত্যশিল্পী ও প্রশিক্ষক সুইটি দাস চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের উত্তরীয় এবং ফোরামের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিংহ। এছাড়া কমলকুঁড়ি পত্রিকার পক্ষ থেকে সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ  সংবর্ধিত অতিথিকে উত্তরীয় পড়িয়ে দেন। অতিথির উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী জ্যোতি সিনহা, মণিপুরী থিয়েটারের পক্ষে ক্রেষ্ট প্রদান করেন সভাপতি সুভাশিষ সমীর।

সন্তানের ভালোর জন্য এই ডিভোর্সের বিপক্ষে আমি : অপু

বিনোদন ডেস্ক :

 images-1

অবশেষে গণমাধ্যমের সাথে ডিভোর্সের বিষয়ে কথা বলেছেন অপু বিশ্বাস। তালাক নোটিশ পেয়েছেন জানিয়ে অপু বলেন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তিনি। এছাড়া শাকিবের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। তবে ডিভোর্স নোটিশের ব্যাপারে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানালেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা।

৪ ডিসেম্বর অপু বিশ্বাসের বাসায় তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন চিত্র নায়ক শাকিব খান। এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই মূল ঘটনা জানতে উৎসুক হয়ে পড়ে গোটা দেশ। আর সেকারণেই মুঠোফোনে অপুকে পাওয়া না গেলে তার বাসায় সামনেই অপেক্ষা শুরু করেন সংবাদকর্মীরা। কিন্তু মুঠো ফোন কিংবা সামনাসামনি, কোনভাবেই পাওয়া যাচ্ছিলো না শতাধিক জনপ্রিয় সিনেমার নায়িকা অপু বিশ্বাসের কোন বক্তব্য।

সবশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা বলেন তিনি। জানান সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হলেও এখনো এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তার অবস্থান।

মুঠোফোনে দেয়া বক্তব্যে অপু বলেন, ‘আমার সন্তানের ভালোর জন্য, তার ভবিষ্যতের জন্য আমি সবসময় এইসবের বিপক্ষে। এটার (ডিভোর্স) নামটাও উচ্চারণ করতে আমার খারাপ লাগে; কেন এটা বলবো। আজকে আমার সন্তান হয়ে গেছে। যেখানে আট বছর লুকিয়ে সংসার করার মত সৌভাগ্য আমার হয়েছে, তাহলে কতবড় ভুলের সম্মুখিন যে আমি সেখানে সন্তান নিয়ে কেন আমি সংসার করতে পারবো না?’

এদিকে তালাক নোটিশে, সন্তানকে কাজের মেয়ের কাছে বাসায় তালাবদ্ধ রেখে কথিত বয়ফ্রেন্ডের সাথে ভারত যাওয়ার অভিযোগ করেছেন শাকিব খান। যা পুরোপুরি অস্বীকার করেন অপু বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু পেপার্স নিয়েই ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। এখন পেপার্স নিয়ে শাকিব যে কথাটা তুলছেন, সেই পেপার্স অবশ্যইু আমি দেখাবো। যেহেতু এটা নিজেদের ভেতরের ব্যাপার, আমি খুবই লজ্জা বোধ করছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি যেহেতু আমাকে বাধ্য করছে, আমি অবশ্যই পেপার্স দেখাবো। আমার ডাক্তারের সঙ্গে যদি কেউ কথা বলতে চায়, আমি সেই ডাক্তারের নাম্বারও দেয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব।’

২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করেন আলোচনার শীর্ষে থাকা এই তারকা-জুটি। নয় বছর পর তাদের সন্তান আব্রাহামকে নিয়ে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অপু বিশ্বাস লাইভে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

তালাকনামায় সই করেছি : শাকিব খান

1

ডেস্ক রিপোর্ট

স্ত্রী অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে তালাকনামায় সই করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। গত মাসেই তালাকনামায় সই করেন বলে আজ সোমবার (৪ডিসেম্বর)  নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সন্ধ্যায় শাকিব খান জানান, একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গত ১ ডিসেম্বর ভারতের হায়দরাবাদে যান তিনি। সেখানে যাওয়ার আগেই তালাকনামায় সই করেন। শাকিব খান বলেন, ‘ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি। তবে সেটি আজ পৌঁছেছে কি না, তা জানি না। আইনজীবীর সঙ্গে আমার এ বিষয়ে আজ কোনো কথা হয়নি। দুদিন ধরেই বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ছিল।’ হায়দরাবাদের রামুজি ফিল্ম সিটিতে নোলক নামের একটি ছবির শুটিংয়ে এখন ব্যস্ত শাকিব খান। ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা ববি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই ছবির শুটিং। এরপর শাকিবের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে আজ শাকিবের পাঠানো তালাকনামা অপু বিশ্বাসের বাড়িতে পৌঁছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে এটিকে অনেকে গুঞ্জন মনে করলেও শাকিবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রযোজন মোহাম্মদ ইকবাল জানান, অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠিয়েছেন শাকিব। তবে এ বিষয়ে অপুর কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। গত এপ্রিলে ঢাকাই ছবির নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের পর পরই গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন অপু।

মঞ্চে দুই সহোদরার ২০ বছর

888

হাসানাত কামাল

জ্যোতি সিনহা ও স্বর্ণালি সিনহা স্মৃতি। নিভৃতে কাজ করে যাওয়া মঞ্চনাটকের দুই শক্তিমান অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, সমানতালে ২০ বছর ধরে তারা মঞ্চে কাজ করে যাচ্ছেন। শুরুর গল্পটা ১৯৯৭ সালের। গুরুজি শুভাশিস সিনহার হাত ধরে ‘আজবপুরের বর্ষবরণ’ নাটকে রাজকুমারীর চরিত্রে প্রথমবারের মতো অভিনয় করেন জ্যোতি সিনহা। ছোট বোন স্মৃতির বয়স তখন সবে সাত। শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ‘আমি আহিলেই’ নাটকে শিশুশিল্পী হিসেবে কথক (পালাকার) চরিত্রে স্মৃতির অভিনয়জীবন শুরু। এরপর ডিম্ব রাজার দেশে, জুতা আবিষ্কার, ধ্বজো মেস্তোরীর মরণ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, দেবতার গ্রাস’সহ শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় প্রায় ২০টির বেশি নাটকে তারা দুই বোন অভিনয় করেন।

১৯৯৬ সালে মৌলভীবাজারে শুভাশিস সিনহার হাত ধরে সৃষ্টি হয় নাট্যদল মণিপুরি থিয়েটার। এখন পর্যন্ত ২৯টি নাটক প্রযোজনা করেছে এ থিয়েটার। এর মধ্যে ‘কহে বীরাঙ্গনা’ ও ‘দেবতার গ্রাস’ সমাদৃত হয়েছে দেশের বাইরেও। কহে বীরাঙ্গনায় কাজ করার পর জ্যোতির জীবনের মোড় ঘুরে দাঁড়ায়। যেখানে স্মৃতি সমাদৃত হন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও দেবতার গ্রাসের মাধ্যমে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা কাব্য থেকে কহে বীরাঙ্গনা নাটক নির্মাণ করেছেন শুভাশিস সিনহা। যেখানে একক অভিনয়ে ছিলেন জ্যোতি। জ্যোতি সিনহার ভাষ্যমতে, কহে বীরাঙ্গনা নাটকের চারটি চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা তার জন্য ছিল প্রায় সাধনাসম। ছন্দের ভেতরে থেকে কাজ করতে হয়েছিল তাকে। এ পর্যন্ত ৫৪টি শো হয়েছে নাটকটির। এ নাটকে জ্যোতির অভিনয়, সংলাপ প্রক্ষেপণে স্পষ্টতা, উচ্চারণের শুদ্ধতা, নৃত্যগীতে দক্ষতা— এসব মিলিয়ে জ্যোতি সিনহার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন নাট্যকার রামেন্দু মজুমদার।

তবে এ নাটক করতে গিয়ে আর্থিক সংকটের মধ্যেও জ্যোতি সিনহাকে চাকরি ছাড়তে হয়েছে। জ্যোতি বলেন, ‘সেটা ২০১০ সালের ঘটনা। আমি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বের হওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব আমার কাঁধে চাপে। মা-বোনের দেখাশোনা করতে হতো। নাটকে মনোযোগী হব নাকি চাকরি করব, এ বিষয়ে পড়েছিলাম দোটানায়। কহে বীরাঙ্গনা নাটকটি প্রচুর সময়, সাধনা, ধ্যান দাবি করছিল। তখনো সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স ফুরিয়ে যায়নি। আমি ভাবলাম চাকরি তো পরেও জুটিয়ে নেয়া যাবে, কিন্তু নাটকটি করার সুযোগ বারবার আসবে না। তখন একটি এনজিওয়ে চাকরি করতাম। সেটাও দিলাম ছেড়ে। টানা তিন বছর চাকরি করিনি। তখন অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু দর্শকের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তাতে সব কষ্ট নিমিষে মিলিয়ে গেছে।’ অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথের কবিতা অবলম্বনে শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় মণিপুরি থিয়েটারের আরেকটি জনপ্রিয় নাটক দেবতার গ্রাস।

২০১২ সালে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ প্রকল্পেগু নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। এতে মা ও ছেলের প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেন জ্যোতি ও স্মৃতি। ওই বছর ভারতের আগরতলা ও শিলচরে দেবতার গ্রাস নাটক মঞ্চায়ন ও প্রশংসা অর্জন করে। পাশাপাশি ভারতের বিখ্যাত পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়ার আমন্ত্রণে কলকাতায় কহে বীরাঙ্গনা মঞ্চায়ন হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্যোতি সিনহা নৃবিজ্ঞান ও স্মৃতি সিনহা  লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর অর্জন করেছেন। ২০১৬ সালে এমফিল সম্পন্ন করেন জ্যোতি। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা দুজনই নাট্যদলের কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।

নাটকের পাশাপাশি নাচেও সমান দক্ষতা দুই বোনের। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জ্যোতি সিনহা মণিপুরি বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী তামান্না রহমানের কাছে কয়েক বছর তালিম নেন। ২০১৩ সালে ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তি নিয়ে মণিপুরি নৃত্য শেখার জন্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেলেও চাকরির জন্য আর ভর্তি হননি। একই বছর মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কালচারাল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন ও বর্তমানে সেখানেই বহাল রয়েছেন। এখনো কর্মরত আছেন। স্বর্ণালি নাচ শিখছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশে আগত উদীয়মান শিল্পী সুইটি দাস চৌধুরীর কাছে।

এ পর্যন্ত প্রাচ্যনাট্য, পৌরি, জীবন সংকেত নাট্যগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন এ দুই বোন। ২০১২ সালে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ও ২০১৭ সালে প্রথম আলোয় বর্ষসেরা আলোচিত মুখ হিসেবে নাম আসে। সর্বশেষ আরণ্যক নাট্যদলের ৪৫ বছর পূর্তি উত্সবে দীপু স্মৃতি পদক-২০১৭ পান জ্যোতি সিনহা।

অবশ্য এরই মধ্যে বিভিন্ন টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন জ্যোতি। সর্বশেষ এনটিভিতে ‘পাগলা হাওয়ার দিন’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। বড় বোনের সঙ্গে স্বর্ণালিও কিছু নাটকে কাজ করেছেন, তবে তার বেশি আগ্রহ ফটোশুট মডেলিংয়ে। আগ্রহ রয়েছে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়েও। ভবিষ্যত্ ভাবনার কথা জানতে চাইলে দুই বোন উত্তর দেন, ‘দেখতে দেখতে ২০ বছর পার হয়েছে, আমরা মনপ্রাণ দিয়ে আরো কাজ করব, বিশ্বনাট্য তথা বাংলা নাট্য ইতিহাসের সঙ্গে সমৃদ্ধশালী মণিপুরি ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনা ও আধুনিক মঞ্চ/থিয়েটারধারার মেলবন্ধন ঘটানোর জন্য সাধনা করে যাব।’ নাটকে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে চান জ্যোতি সিনহা। আর বড় বোনের মতো ছোট বোন স্বর্ণালি সিনহা স্মৃতির ইচ্ছা আছে নৃত্য নিয়ে দেশের বাইরে পড়াশোনা করার।

(বনিকবার্তা থেকে সংগ্রহ)

রং তুলিতে আঁকবে বলাই :হিফজুর রহমান তুহিন:

mamar-bari-1

ছোট্ট মামা এলেন বাড়ি
মিষ্টি চিপস্ হাতে,,
বলাই সোনার প্রিয় চকো
মামা বিস্কুট সাথে।

গ্রাম ছবি শীতলতা
ভালোবাসে বেশ
ঘুরতে যাবে মামার সাথে
আনন্দের নাই শেষ।

গাছে গাছে পাখি দেখে
হালকা গাংচিল
রাখাল ছেলের গরু মাঠে
শাপলা ভরা বিল।

নানান ছবি দেখে বলাই
ভালো লাগে বেশ
রং-তুলিতে আঁকবে বলাই
সবুজ শ্যামল দেশ।