সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিনোদন

কমলগঞ্জে ভারতে প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী অধ্যাপক পদ্মশ্রী কলাবতী দেবীকে সংবর্ধনা প্রদান

2
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত মণিপুরী নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যগুরু রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক পদ্মশ্রী শ্রীমতি কলাবতী দেবীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম এর আয়োজনে ও মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতি, মণিপুরী যুব কল্যাণ সমিতি, মণিপুরী থিয়েটার এর সহযোগিতায় শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারার দক্ষিণ মণ্ডপে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মণিপুরী আদবাসী ফোরামের উপদেষ্টা রসমোহন সিংহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপমহাদেশীয় সংস্কৃতি প্রসার কেন্দ্র সাধনার ধ্র“মেল প্রকল্পের আটস্টিক পরিচালক লুবনা মরিয়ম। পৌরি সম্পাদক সুনীল সিংহ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্য বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও নিদের্শক রোকেয়া রফিক বেবী, মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রাজকান্ত সিংহ,  মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি প্রতাপ চন্দ্র সিংহ।

1

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সমরজিত সিংহ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য ফোরামের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও শিক্ষিকা বিলকিছ বেগম, মণিপুরী নৃত্যশিল্পী ও প্রশিক্ষক সুইটি দাস চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের উত্তরীয় এবং ফোরামের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরাম সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিংহ। এছাড়া কমলকুঁড়ি পত্রিকার পক্ষ থেকে সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ  সংবর্ধিত অতিথিকে উত্তরীয় পড়িয়ে দেন। অতিথির উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী জ্যোতি সিনহা, মণিপুরী থিয়েটারের পক্ষে ক্রেষ্ট প্রদান করেন সভাপতি সুভাশিষ সমীর।

সন্তানের ভালোর জন্য এই ডিভোর্সের বিপক্ষে আমি : অপু

বিনোদন ডেস্ক :

 images-1

অবশেষে গণমাধ্যমের সাথে ডিভোর্সের বিষয়ে কথা বলেছেন অপু বিশ্বাস। তালাক নোটিশ পেয়েছেন জানিয়ে অপু বলেন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তিনি। এছাড়া শাকিবের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। তবে ডিভোর্স নোটিশের ব্যাপারে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানালেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা।

৪ ডিসেম্বর অপু বিশ্বাসের বাসায় তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন চিত্র নায়ক শাকিব খান। এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই মূল ঘটনা জানতে উৎসুক হয়ে পড়ে গোটা দেশ। আর সেকারণেই মুঠোফোনে অপুকে পাওয়া না গেলে তার বাসায় সামনেই অপেক্ষা শুরু করেন সংবাদকর্মীরা। কিন্তু মুঠো ফোন কিংবা সামনাসামনি, কোনভাবেই পাওয়া যাচ্ছিলো না শতাধিক জনপ্রিয় সিনেমার নায়িকা অপু বিশ্বাসের কোন বক্তব্য।

সবশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে কথা বলেন তিনি। জানান সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হলেও এখনো এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তার অবস্থান।

মুঠোফোনে দেয়া বক্তব্যে অপু বলেন, ‘আমার সন্তানের ভালোর জন্য, তার ভবিষ্যতের জন্য আমি সবসময় এইসবের বিপক্ষে। এটার (ডিভোর্স) নামটাও উচ্চারণ করতে আমার খারাপ লাগে; কেন এটা বলবো। আজকে আমার সন্তান হয়ে গেছে। যেখানে আট বছর লুকিয়ে সংসার করার মত সৌভাগ্য আমার হয়েছে, তাহলে কতবড় ভুলের সম্মুখিন যে আমি সেখানে সন্তান নিয়ে কেন আমি সংসার করতে পারবো না?’

এদিকে তালাক নোটিশে, সন্তানকে কাজের মেয়ের কাছে বাসায় তালাবদ্ধ রেখে কথিত বয়ফ্রেন্ডের সাথে ভারত যাওয়ার অভিযোগ করেছেন শাকিব খান। যা পুরোপুরি অস্বীকার করেন অপু বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু পেপার্স নিয়েই ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। এখন পেপার্স নিয়ে শাকিব যে কথাটা তুলছেন, সেই পেপার্স অবশ্যইু আমি দেখাবো। যেহেতু এটা নিজেদের ভেতরের ব্যাপার, আমি খুবই লজ্জা বোধ করছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি যেহেতু আমাকে বাধ্য করছে, আমি অবশ্যই পেপার্স দেখাবো। আমার ডাক্তারের সঙ্গে যদি কেউ কথা বলতে চায়, আমি সেই ডাক্তারের নাম্বারও দেয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব।’

২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করেন আলোচনার শীর্ষে থাকা এই তারকা-জুটি। নয় বছর পর তাদের সন্তান আব্রাহামকে নিয়ে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অপু বিশ্বাস লাইভে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

তালাকনামায় সই করেছি : শাকিব খান

1

ডেস্ক রিপোর্ট

স্ত্রী অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে তালাকনামায় সই করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। গত মাসেই তালাকনামায় সই করেন বলে আজ সোমবার (৪ডিসেম্বর)  নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সন্ধ্যায় শাকিব খান জানান, একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গত ১ ডিসেম্বর ভারতের হায়দরাবাদে যান তিনি। সেখানে যাওয়ার আগেই তালাকনামায় সই করেন। শাকিব খান বলেন, ‘ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি। তবে সেটি আজ পৌঁছেছে কি না, তা জানি না। আইনজীবীর সঙ্গে আমার এ বিষয়ে আজ কোনো কথা হয়নি। দুদিন ধরেই বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ছিল।’ হায়দরাবাদের রামুজি ফিল্ম সিটিতে নোলক নামের একটি ছবির শুটিংয়ে এখন ব্যস্ত শাকিব খান। ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা ববি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই ছবির শুটিং। এরপর শাকিবের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে আজ শাকিবের পাঠানো তালাকনামা অপু বিশ্বাসের বাড়িতে পৌঁছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে এটিকে অনেকে গুঞ্জন মনে করলেও শাকিবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রযোজন মোহাম্মদ ইকবাল জানান, অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠিয়েছেন শাকিব। তবে এ বিষয়ে অপুর কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। গত এপ্রিলে ঢাকাই ছবির নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের পর পরই গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন অপু।

মঞ্চে দুই সহোদরার ২০ বছর

888

হাসানাত কামাল

জ্যোতি সিনহা ও স্বর্ণালি সিনহা স্মৃতি। নিভৃতে কাজ করে যাওয়া মঞ্চনাটকের দুই শক্তিমান অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, সমানতালে ২০ বছর ধরে তারা মঞ্চে কাজ করে যাচ্ছেন। শুরুর গল্পটা ১৯৯৭ সালের। গুরুজি শুভাশিস সিনহার হাত ধরে ‘আজবপুরের বর্ষবরণ’ নাটকে রাজকুমারীর চরিত্রে প্রথমবারের মতো অভিনয় করেন জ্যোতি সিনহা। ছোট বোন স্মৃতির বয়স তখন সবে সাত। শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ‘আমি আহিলেই’ নাটকে শিশুশিল্পী হিসেবে কথক (পালাকার) চরিত্রে স্মৃতির অভিনয়জীবন শুরু। এরপর ডিম্ব রাজার দেশে, জুতা আবিষ্কার, ধ্বজো মেস্তোরীর মরণ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, দেবতার গ্রাস’সহ শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় প্রায় ২০টির বেশি নাটকে তারা দুই বোন অভিনয় করেন।

১৯৯৬ সালে মৌলভীবাজারে শুভাশিস সিনহার হাত ধরে সৃষ্টি হয় নাট্যদল মণিপুরি থিয়েটার। এখন পর্যন্ত ২৯টি নাটক প্রযোজনা করেছে এ থিয়েটার। এর মধ্যে ‘কহে বীরাঙ্গনা’ ও ‘দেবতার গ্রাস’ সমাদৃত হয়েছে দেশের বাইরেও। কহে বীরাঙ্গনায় কাজ করার পর জ্যোতির জীবনের মোড় ঘুরে দাঁড়ায়। যেখানে স্মৃতি সমাদৃত হন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও দেবতার গ্রাসের মাধ্যমে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা কাব্য থেকে কহে বীরাঙ্গনা নাটক নির্মাণ করেছেন শুভাশিস সিনহা। যেখানে একক অভিনয়ে ছিলেন জ্যোতি। জ্যোতি সিনহার ভাষ্যমতে, কহে বীরাঙ্গনা নাটকের চারটি চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা তার জন্য ছিল প্রায় সাধনাসম। ছন্দের ভেতরে থেকে কাজ করতে হয়েছিল তাকে। এ পর্যন্ত ৫৪টি শো হয়েছে নাটকটির। এ নাটকে জ্যোতির অভিনয়, সংলাপ প্রক্ষেপণে স্পষ্টতা, উচ্চারণের শুদ্ধতা, নৃত্যগীতে দক্ষতা— এসব মিলিয়ে জ্যোতি সিনহার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন নাট্যকার রামেন্দু মজুমদার।

তবে এ নাটক করতে গিয়ে আর্থিক সংকটের মধ্যেও জ্যোতি সিনহাকে চাকরি ছাড়তে হয়েছে। জ্যোতি বলেন, ‘সেটা ২০১০ সালের ঘটনা। আমি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বের হওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব আমার কাঁধে চাপে। মা-বোনের দেখাশোনা করতে হতো। নাটকে মনোযোগী হব নাকি চাকরি করব, এ বিষয়ে পড়েছিলাম দোটানায়। কহে বীরাঙ্গনা নাটকটি প্রচুর সময়, সাধনা, ধ্যান দাবি করছিল। তখনো সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স ফুরিয়ে যায়নি। আমি ভাবলাম চাকরি তো পরেও জুটিয়ে নেয়া যাবে, কিন্তু নাটকটি করার সুযোগ বারবার আসবে না। তখন একটি এনজিওয়ে চাকরি করতাম। সেটাও দিলাম ছেড়ে। টানা তিন বছর চাকরি করিনি। তখন অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু দর্শকের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তাতে সব কষ্ট নিমিষে মিলিয়ে গেছে।’ অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথের কবিতা অবলম্বনে শুভাশিস সিনহার নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় মণিপুরি থিয়েটারের আরেকটি জনপ্রিয় নাটক দেবতার গ্রাস।

২০১২ সালে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ প্রকল্পেগু নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। এতে মা ও ছেলের প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেন জ্যোতি ও স্মৃতি। ওই বছর ভারতের আগরতলা ও শিলচরে দেবতার গ্রাস নাটক মঞ্চায়ন ও প্রশংসা অর্জন করে। পাশাপাশি ভারতের বিখ্যাত পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়ার আমন্ত্রণে কলকাতায় কহে বীরাঙ্গনা মঞ্চায়ন হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্যোতি সিনহা নৃবিজ্ঞান ও স্মৃতি সিনহা  লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর অর্জন করেছেন। ২০১৬ সালে এমফিল সম্পন্ন করেন জ্যোতি। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা দুজনই নাট্যদলের কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।

নাটকের পাশাপাশি নাচেও সমান দক্ষতা দুই বোনের। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জ্যোতি সিনহা মণিপুরি বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী তামান্না রহমানের কাছে কয়েক বছর তালিম নেন। ২০১৩ সালে ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তি নিয়ে মণিপুরি নৃত্য শেখার জন্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেলেও চাকরির জন্য আর ভর্তি হননি। একই বছর মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কালচারাল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন ও বর্তমানে সেখানেই বহাল রয়েছেন। এখনো কর্মরত আছেন। স্বর্ণালি নাচ শিখছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশে আগত উদীয়মান শিল্পী সুইটি দাস চৌধুরীর কাছে।

এ পর্যন্ত প্রাচ্যনাট্য, পৌরি, জীবন সংকেত নাট্যগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন এ দুই বোন। ২০১২ সালে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ও ২০১৭ সালে প্রথম আলোয় বর্ষসেরা আলোচিত মুখ হিসেবে নাম আসে। সর্বশেষ আরণ্যক নাট্যদলের ৪৫ বছর পূর্তি উত্সবে দীপু স্মৃতি পদক-২০১৭ পান জ্যোতি সিনহা।

অবশ্য এরই মধ্যে বিভিন্ন টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন জ্যোতি। সর্বশেষ এনটিভিতে ‘পাগলা হাওয়ার দিন’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। বড় বোনের সঙ্গে স্বর্ণালিও কিছু নাটকে কাজ করেছেন, তবে তার বেশি আগ্রহ ফটোশুট মডেলিংয়ে। আগ্রহ রয়েছে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়েও। ভবিষ্যত্ ভাবনার কথা জানতে চাইলে দুই বোন উত্তর দেন, ‘দেখতে দেখতে ২০ বছর পার হয়েছে, আমরা মনপ্রাণ দিয়ে আরো কাজ করব, বিশ্বনাট্য তথা বাংলা নাট্য ইতিহাসের সঙ্গে সমৃদ্ধশালী মণিপুরি ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনা ও আধুনিক মঞ্চ/থিয়েটারধারার মেলবন্ধন ঘটানোর জন্য সাধনা করে যাব।’ নাটকে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে চান জ্যোতি সিনহা। আর বড় বোনের মতো ছোট বোন স্বর্ণালি সিনহা স্মৃতির ইচ্ছা আছে নৃত্য নিয়ে দেশের বাইরে পড়াশোনা করার।

(বনিকবার্তা থেকে সংগ্রহ)

রং তুলিতে আঁকবে বলাই :হিফজুর রহমান তুহিন:

mamar-bari-1

ছোট্ট মামা এলেন বাড়ি
মিষ্টি চিপস্ হাতে,,
বলাই সোনার প্রিয় চকো
মামা বিস্কুট সাথে।

গ্রাম ছবি শীতলতা
ভালোবাসে বেশ
ঘুরতে যাবে মামার সাথে
আনন্দের নাই শেষ।

গাছে গাছে পাখি দেখে
হালকা গাংচিল
রাখাল ছেলের গরু মাঠে
শাপলা ভরা বিল।

নানান ছবি দেখে বলাই
ভালো লাগে বেশ
রং-তুলিতে আঁকবে বলাই
সবুজ শ্যামল দেশ।

একজন কবিতা প্রেমী ‌পৃথ্বীশ চক্রবর্তী ।। পিন্টু দেবনাথ ।।

Untitled-1 copy

দখিনা বাতাস এসে, মাতাল কি করে দিছে মন
উথাল পাতাল প্রাণ, জোয়ারের নদীর মতোন?
উড়েছে কি নীলরঙা তোমার ঐ শাড়ির আচল
দেখতে কি পাখি, প্রজাপতি না কি পরী অবিকল?
কেমন লেগেছে তোমার, গাছের পাতাঝরা সুর
কালো কোকিলের কুহু কুহু রব কতোটা মধুর?
গায়ে কি মেখেছো, লেবু-কাঞ্চন-কামিনীর ঘ্রাণ
উল্লসিত কেনো এতো, কেনো আজ উদাসিনী প্রাণ?
কিভাবে করেছো জয়, রক্তলাল পলাশের মন
কেমন দেখেছো আজ, হলুদাভ শিমুলের বন?
ফুটেছে কি কৃষ্ণচূড়া, ধরেছে কি আমের মুকুল
কার জন্যে মালা গাঁথো, কার জন্যে তুলে আনো ফুল?
কার জন্যে রঙ-রূপ, কার জন্যে এতো আয়োজন
কার জন্যে বসে থাকো, কার জন্যে বুঝোনি স্বজন?
—–
এই কবিতার গভীরে অনেক কিছু খুঁজে পাই কবির মাঝে। তিনি হলেন পৃথ্বীশ চক্রবর্তী। আজ ৮ নভেম্বর তাঁর জন্ম দিন। শুভ জন্মদিন কবি।
শূন্য দশকের তরুণ কবিদের অন্যতম পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী। শৈশবেই তাঁর লেখার জগতে হাতেখড়ি। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উদয়বাণী’ প্রকাশিত হয়। গভীর জীবনবোধ, দেশপ্রেম, সমাজ, ধর্ম, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, মানবতা, দর্শন, দ্রোহ, ভালোবাসা, প্রেম, বিরহসহ বিভিন্ন বিষয় তাঁর কবিতাকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। কবিতায় সিদ্ধহস্ত হলেও শিশুতোষ ছড়া-কবিতা, অণুকাব্য, সমকালীন ছড়ার জগতেও তিনি সমান পারদর্শী।
পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা আ/এলাকায় ০৮ নভেম্বর ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শাস্ত্রীয় পণ্ডিত শ্রীযুক্ত প্রণয়ভূষণ চক্রবর্ত্তী মিন্টু (ব্যাকরণ শাস্ত্রী, স্মৃতিভূষণ, ক্রিয়াতীর্থ) ও শ্রীযুক্তা সুপ্রীতি চক্রবর্ত্তীর তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তিনি বি.এসসি অনার্স, এম.এসসি (প্রাণিবিদ্যা) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে নবীগঞ্জ পৌরসভা হবিগঞ্জে করশাখায় কর্মরত।
এ পর্যন্ত তাঁর পাঁচটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্থগুলো হল: ‘উদয়বাণী’ (কবিতা, ১৯৯৭), ‘নোনাজলের বৃষ্টি ‘(কবিতা, ২০১৩), ‘বৃষ্টি পড়ে তিথির বাড়ি'(শিশু-কিশোর ছড়া, ২০১৩), ‘দুর্গম পথের যাত্রী’ (কবিতা, ২০১৬) ও ‘পড়শি আসে ভাষার মাসে'(শিশুকিশোর ছড়া-কবিতা, ২০১৭)।
তিনি সম্পাদনায় ‘বাসন্তী সাহিত্য পুরস্কার-২০০২’, বাংলাদেশ পয়েটস ক্লাব ও বাংলাদেশ পল্লীসাহিত্য গবেষণা পরিষদ কর্তৃক কবিতায় ‘জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন সম্মাননা-২০১৪’, আমীর প্রকাশন ও এডুকেশন কালচারাল লিটারেচার রিসার্চ ডেভেলপম্যান্ট কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘আমীর প্রকাশন সাহিত্য পুরস্কার-২০১৪’, সাপ্তাহিক বর্ণমালা কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘বাংলার বর্ণমালা পদক-২০১৪’, সংসপ্তক ও আমরা কুঁড়ি কর্তৃক ‘ভাসানী স্মৃতি পুরস্কার-২০১৪’ এবং কবিসংসদ বাংলাদেশ কর্তৃক ‘শ্রেষ্ঠ সংগঠক’ হিসেবে ‘জাতীয় কবি সম্মেলন সম্মাননা-২০১৫’ লাভ করেন। ‘নোনাজলের বৃষ্টি ‘ কাব্যের জন্য কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদ, ঢাকা কর্তৃক ‘জাতীয় সাহিত্য পদক-২০১৫’ লাভ করায় তাঁকে জাতীয় কবিতা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা কর্তৃক সংবর্ধনাও প্রদান করা হয়।
তিনি দুর্বার, বাংলাভাষা, সূর্যোদয়, প্রজ্বলন, জয়ন্তীসহ বেশকটি সাহিত্য ম্যাগাজিন ও পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। সংগঠক হিসেবেও রয়েছে তাঁর যথেষ্ট সুনাম। তিনি বর্তমানে কবিসংসদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি, বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ ও রূপসী বাংলা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক, সমকাল, সংবাদ, জনকণ্ঠ, কালেরকণ্ঠ, ভোরের কাগজ, যায় যায় দিন, বাংলাদেশ প্রতিদিন, আমাদের সময়, আজকের কাগজ, মুক্তকণ্ঠ সহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা, বাংলা একাডেমির ‘ধান শালিকের দেশ’, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর ‘শিশু’, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ‘নবারুণ’ ও ‘সচিত্র বাংলাদেশ’, ব্র্যাক বাংলাদেশের ‘সাতরং’, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ‘সবুজপাতা’ ও ‘অগ্রপথিক’ ব্যঙ্গল ফাউণ্ডেশনের ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’ সহ বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত কবিতা, পদ্য, ছড়া, অণুকাব্য ও প্রবন্ধের সংখ্যা ৫(পাঁচ) শতাধিক। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এর ‘ছন্দিত নন্দিত’ অনুষ্ঠানে তিনি অনেকবার ছড়া ও কবিতা পাঠ করেছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিরলস ও বিরতিহীনভাবে জাতীয় পত্রপত্রিকায় কবিতা, শিশুতোষ ছড়া, পদ্য, কিশোর কবিতা, অণুকাব্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখে যাচ্ছেন।
পৃথ্বীশ চক্রবর্তীর মামার বাড়ী হচ্ছে আমার গ্রামে। সেই থেকে তাঁর সাথে পরিচয়। এখানে আসলেই আমাদের বাড়ীতে চলে আসতেন। আজ তাঁর শুভ জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি শত ব্যস্ততার মাঝে সাহিত্যচর্চ্চা বিরামহীন ভাবে করে যাচ্ছেন। তাঁর লেখালেখিতে অনেক প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে। যা আমাদের অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরণা যোগায়। ধন্যবাদ কবি। তোমার জন্মদিনে আমার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালাম।

হে পথিক ! -লিয়াকত খান

 

Untitled-1 copy

হে পথিক !
ধীরে চলো,
সাবধানে অতি সন্তর্পনে
বড় পিচ্ছিল চলার পথ
অসতর্কতায় আছড়ে পড়তে পারো
মচকে যেতে পারে হাত-পা
মুখমণ্ডল হতে পারে ক্ষতবিক্ষত।
সঞ্চিত শক্তি, পেশীবহুল শরীর, দম্ভ, অহমিকা
বড় অসহায় পিচ্ছিলতার কাছে
নিমিষেই স্থানচ্যুত হতে পারে বুকের পাঁজর
সাধু সাবধান !
মেরুদণ্ড সোজা করে হাটো
মৃদু পায়ে অতি সন্তর্পনে।

জানেন কি বলিউডের এই গোপন প্রেমের গল্পগুলি?

95621-govindaa-srk-400x225

বিনোদন ডেস্ক

হৃত্বিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাওয়াত: হৃত্বিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাওয়াতের সম্পর্ক নিয়ে যখন জোর চাপানউতর চলছে, তখন একে অপরকে দোষারোপের পালাও অব্যাহত। কিন্তু, জানেন কি হৃত্বিক, কঙ্গনা ছাড়াও বলিউড নায়ক, নায়িকাদের এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের সম্পর্ক নিয়েও বিস্তর জল্পনা হয়েছে। সেই তালিকায় কারা কারা রয়েছেন জানেন? শাহরুখ খান-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া : শোনা যায়, পিগি চপসের সঙ্গে নাকি এক সময় সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শাহরুখ খান? বিষয়টি নিয়ে জোরদার জল্পনা হলেও, ডন টু-এর পর ওই দু’জনকে আর একসঙ্গে দেখা যায়নি। অক্ষয় কুমার-শিল্পা শেঠি : টুইঙ্কেল খান্নার সঙ্গে বিয়ের আগে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে নাকি শিল্পা শেঠির সম্পর্ক ছিল। যদিও, সেই সম্পর্ক বেশিদূর গড়ায়নি। হৃত্বিক রোশন-বারবারা মোরি : কাইটসে অভিনয়ের সময় নাকি ওই বিদেশি কন্যার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান হৃত্বিক। যদিও, বি টাউনের একাংশের দাবি, সিনেমার প্রচারের জন্যই নাকি ছড়ানো হয় ওই গুজব।  ইয়ামি গৌতম-পুলকিত সম্রাট : শোনা যায়, য়ামি গৌতমের সঙ্গে সম্পর্কের জন্যই নাকি সলমন খানের রাখি বোনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় পুলকিত সম্রাটের।
রণবীর কাপুর-মাহিরা খান : ক্যাটরিনা কাফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পরই বার বার পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে রণবীর কাপুরকে। শোনা যাচ্ছে, বর্তমানে নাকি মহিরার সঙ্গে প্রেম করছেন রণবীর কাপুর। রানি মুখোপাধ্যায়-গোবিন্দা : গোবিন্দার সঙ্গে নাকি এক সময় সম্পর্ক ছিল রানির। বি টাউনে এমন গুঞ্জনও ছড়িয়েছে।

বদঅভ্যাসকে উপজিব্য করে নানা ক্লাইমেক্সে ভরা ব্যতিক্রমী টেলিফিল্ম ‘বদঅভ্যাসের’ গল্প! খুব শীঘ্রই আসছে টেলিফিল্ম “বদঅভ্যাস”

received_163994437491365

নজরুল ইসলাম তোফঃ

অভ্যাস মানুষেরই দাস। সে অভ্যাস দিনে দিনে বদভ্যাসে পরিনত হয়। বেশীরভাগ মানুষেরই সে অভ্যাস আছে বৈকি। কিন্তু সেটি আবার যদি নেশা থেকে শুরু করে নারী ইভটিজিং হয়, তাহলে তো দেশিও দণ্ডবিধি অনুযায়ী শালীনতার উদ্দেশ্যে কোন মন্তব্য, অঙ্গ ভঙ্গি বা কোন কাজ করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা আবার তা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

কিন্তু টেলিফিল্মে নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা সে দিকে যেতেই চাচ্ছেন না। বলতে চাচ্ছেন, নিম্ন আয়ের মধ্যবিত্ত এক স্কুল শিক্ষকের কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের কথা। স্কুল শিক্ষকের সৎ উপার্জনে সংসার চালানোই মুশকিল, তার উপর পালিত ছেলের দ্বাবি, আই ফোন, দামি ল্যাপটপ, হাই সোসাইটির ছেলেদের মতই দামি পোশাক-আশাক, কি করে দিতে পারে বাবা স্কুল মাষ্টার? অতি সামান্য বেতনের চাকরি তাঁর।

এদিকে ছেলে জানবে কি করে মা তার ছোট বেলা থেকেই ঘরে নেই, বাবা পালিত ছেলের মতো করেই কখন দেখে না তাকে। আপনের আক্ষেপ, তার চাহিদার অপূর্ণতার মতোই মার চাহিদাকে পুরন না করে কষ্ট দিয়ে অকালেই মেরে ফেলেছে। আপন মায়ের কথা বাবাকে বললেই বাবা স্কুল মাষ্টার এড়িয়ে চলেন। কারণ আপনের বাবা তো বিয়েই করেনি। আপনকে এই কথা জানালে যদি কষ্ট পায়।

অপর দিকে, বাবার উপর জেদ করে আপন অবাধ্য হয়ে অসৎ সংগে দিনে দিনে বদঅভাসের দিকে পা বাড়ায়। আবার আপন মেয়ে দেখলেই তাকে মা সরূপ মনে করে অপলক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে থাকে! কিন্তু ধনীর দুলালি স্নেহা তা না বুঝে, আপনকে কটুক্তি করে। স্নেহা এমন দৃষ্টি মেনে না নিয়েই প্রতিবাদ করে এবং তার মা নার্গীসের কাছে বলে, আহসান মাষ্টারের ছেলে সর্বদাই কলেজের করিডোরে পথে-ঘাটে ইভটিজিং করে। মা নার্গীস অবাক হয় এবং কল্পনায় আনে, আমার প্রেমিক কি সেই আহসান।

মেয়েকে জিজ্ঞেস করে আহসান কোন স্কুলের মাষ্টার? একদিন নার্গীস সেখানে গিয়ে দেখে তার সেই প্রেমীক আহসান। এমন উপস্হিতিতে কি করবে সে, নার্গীস রাগ লুকিয়ে রেখে বলে তুমি কি বিয়ে করে ঘর সংসার করে দুষ্ট ছেলের জন্ম দিয়েছ ?

আহসান তাকে আর মিথ্যা বলতে পারেনা। প্রেমিক আহসান তো বিয়েই করেনি, নার্গীস অবাক হয়ে বলে, তাহলে সন্তান আপন কি করে জন্ম নিলো। তখন আবেগ তাড়িত কন্ঠে আহসান বলে, তোমার কাছ থেকে যেদিন শেষ দেখা করে বাড়ী ফিরি সেই মুহুর্তেই পথের মাঝে এই ছোট্ট ছেলেটি কাঁদে, অনেকেই তাকে দেখে চলে যায়, আমি যেতে পারিনি। তাকে আজ লালন পালন করে নাম রেখেছি আপন। কথা গুলো শুনে নার্গীসের চোখে পানি আসে এবং বলে, আমি তোমাকে বলেছিলাম আমাদের ছেলে হলে ‘আপন’ নাম রাখবো। তুমি কিনা কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের ‘আপন’ নাম রেখে আমাদের প্রেমকে অমর করেছ।

অপর দিকে নার্গীস আহসানের কথাও রেখেছে, মেয়ের নাম রেখেছে স্নেহা। আপন, স্নেহার এমন প্রেম কাহিনী নিয়ে নার্গীস ও আহসান আসলে কি করতে পারে। শেষ হবে তা টেলিভিশনের পর্দায়। তরুন নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা এমনিভাবে তার টেলিফিল্মে চমৎকার ক্লাইমেকস্ এনেছেন।

পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক মহান পেশা বা নেশা আছে, যা করতে ক্রিয়েটিভিটির প্রয়োজন পড়ে। এ কথার সাথে একমত না দ্বিমত-সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে একটা বিষয়ে মোটামুটি সবাই কম বেশি এক মত হবেন যে, এদেশের নির্মাণের মান এখন অনেকটাই এগিয়েছে অথবা মানসম্মত করার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন উৎসবে দেশীও সিনেমা প্রদর্শনী হচ্ছে। চমৎকার ও দুর্দান্ত সব সিনেমা সুধী মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। এমন কি মাঝে মধ্যে পুরস্কারও ছিনিয়ে আনছে। অর্থের অভাবে অথবা অন্য কোন কারণে যখন একটা ফিল্ম, সিনেমা হলের উপযোগী করে বানানো যায় না কিংবা গুটি কয়েক সিনেমা হল ছাড়া সারা দেশের সিনেমা হল গুলোতে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয় না, সেটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের দীনতা বোঝাতেই যথেষ্ট।

এই আলাপ গুরুজন-অভিজ্ঞজনেরা আরো বিশদভাবে ব্যাখা দিতে পারবেন বলে মনে করেন পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম। তবে টেলিফিল্মটির গল্পের গাঁথুনি ও চিত্রনাট্যে পরিপূর্ণতা সম্পূর্ণভাবে আধুনিক প্যার্টানে বিরাজমান। ভুল-ত্রুটির অভাব থাকলেই বরং দর্শকের প্রাণের তেষ্টা মেটে। সেখানে সমালোচনার খাতায় দারুণ প্রভাব ফেলে। এই ফিল্মের পরিচালক আশিক উল আলম সে আশাটুকুই করেন।

সহকারী পরিচালক হিসেবে ফাহিম শাহারিয়ার, উয়াইব আহম্মেদ অপু, অনি ও রেহান হাবিব রয়েছেন। গ্রীন এ্যারো প্রডাকশন হাউজের ব্যানারে টেলিফিল্মটি অবশ্যই নির্ভর হবে বলে আশা পোষন করেন পরিচালক। যোগ্য অভিনেতা ও অভিনেত্রীর সমন্নয়ে এই শৈল্পিক বিনোদন নির্ভর টেলিফিল্ম ‘বদঅভ্যাস’ এবং বেসরকারি চ্যানেলের জন্যই নির্মিত হচ্ছে।

ভারতের সেন্সর বোর্ডের সদস্য হলেন বিদ্যা বালান

image-25331বিনোদন :

ভারতের সেন্সর বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) শীর্ষ পদে সরকার নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী গীতিকার প্রসূন জোশিকে। বলিউড-শিল্পীদের জন্য সুখবর আরও আছে। সেন্সর বোর্ডের অন্যতম সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিদ্যা বালান। সম্প্রতি ভারত সরকার পুরো বোর্ডকেই ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি পুরো প্রক্রিয়ার দেখভাল করছেন। বিদ্যার নিয়োগ তার ইচ্ছাতেই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদে এখনও কাজ শুরু করেননি এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী, তারপরও দায়িত্ব পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি।  দায়িত্ব ব্যাপারে বিদ্যা বলেছেন, ‘বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে আমার দায়িত্ব ঠিকঠাকভাবে পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব বলে আশা রাখি।’ ভারতীয় চলচ্চিত্রে সংবেদনশীলতা, বাস্তবতা ও সমাজের জটিলতাগুলো ফুটিয়ে তুলতে সিবিএফসি এখন থেকে আরও উদার হবে বলে বিশ্বাস বিদ্যার। সে লক্ষ্যে নিজের ভূমিকাও ঠিকভাবে পালন করার কথা বলেছেন তিনি।