সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিশ্ববিচিত্রা

কুয়েতের সালমিয়ায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে কমলগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামের একই পরিবারের শিশুসহ ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

stephen-radford-89716
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামের কুয়েত প্রবাসী মোহাম্মদ
জুনাইদের দুই ছেলে, দুই মেয়ে ও সহধর্মিনীসহ নিহত পাঁচজনের মরদেহ মোবারক আল কবির হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, হাওয়ালি জেলার সালমিয়ার একটি ভবনের ৪র্থ তলায় চার সন্তান ও স্ত্রী ভাড়া বাংলাদেশি জুনাইদ আহমেদ ।
গত সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার সময় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন সালমিয়া ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা ।
অগ্নিকাণ্ডের সময় জুনায়েদ আহমেদ অফিসে ছিলেন। বাসায় অবস্থানরত অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন। তারা হলেন স্ত্রী রোকেয়া বেগম, বড় মেয়ে জামিলা, বড় ছেলে ইমাদ, দিতীয় মেয়ে নাবিলা, ছোট ছেলে ফাহাদ ।
এইদিকে পুরো কুয়েত জুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে। প্রবাসী বাংলাদেশীরা শোকাহত ।
কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্টদূত ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও শোকাহত জুনাইদ আহমেদকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে কমলগঞ্জের কান্দিগাঁও গ্রামের জুনেদের প্রতিবেশি মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাড়িতে জুনেদের বৃদ্ধ মা ছাড়া আর কেউ নেই। জুনেদের অপর দুই ভাইয়ের মধ্যে এক ভাই জুবের স্বপরিবারে আমেরিকা ও অপর ভাই সোয়েব স্বপরিবারে লন্ডন বসবাস করেন।
তিনি জানান, অগ্নিকান্ডের সময় জুনায়েদ বাহিরে ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বর্তমানে চিকিৎসা নেয়ার পর তিনি সুস্থ আছেন। আর নিহতদের লাশ কুয়েতের মোবারক আল কাবির হসপিটালে রাখা হয়েছে।
এদিকে তাদের মুত্যু সংবাদ পেয়ে দেশের বাড়িতে অবস্থানরত জুনায়েদের মা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

নিষেধাজ্ঞায় ভালো ফল আসবে না : হুঁশিয়ারি মিয়ানমারের

 suu-kyi-20171012155943

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানের জেরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা কারও জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ টুন টুন নাইং এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে মিয়ানমার টাইমসের এক প্রতিবেদনে বুধবার জানানো হয়েছে।

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে পুলিশের ওপর রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর থেকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ছে। সেনাবাহিনীর নৃশংস অভিযানে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়েছে। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও রোহিঙ্গা মুসলিমরা রাখাইন ছেড়ে পালাচ্ছে।

আক্রমণাত্মক অভিযানে লাখো রোহিঙ্গা পালিয়ে আসার ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। মিয়ানমার টাইমস বলছে, ‘যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তাহলে কয়েক বছরের উন্নয়নের পর দেশটির বর্তমান অর্থনীতিকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।’

myanmar

‘মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এটা ভালো কোনো লক্ষণ নয়। নিষেধাজ্ঞা আরোপের অর্থ হচ্ছে কোনো দেশকে অর্থনৈতিকভাবে অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বাধা দেয়া। তারা আমাদের অবাধ ব্যবসা-বাণিজ্যের অধিকার ও দেশের সঠিক উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে এবং এটা ভালো কিছু নয়’- বলেন ইউ তুন তুন নাইং।

মিয়ানমারের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তাহলে অর্থনীতির ওপর সরাসরি কোনো প্রভাব পড়বে না। বাণিজ্য এবং সহযোগিতার মাত্রা কম থাকায় এতে কোনো সমস্যা হবে না।’

তবে জাতিগত শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে দেশটিকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এটি দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’

মিয়ানমার টাইমস বলছে, মিয়ানমার  এখনও গণতান্ত্রিক যাত্রা ও জাতীয় ঐক্যের পথে শুরুর দিকে রয়েছে। তুলনামূলকভাবে দেশটির অর্থনীতি দ্রুত অগ্রগতি লাভ করছে। আগের বছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে; যা ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে নতুন বিনিয়োগ আইন কার্যকর করা হয়েছে এবং শিগগিরই নতুন কোম্পানি আইনও অনুমোদন পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এছাড়া বেশ কিছু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও গভীর সমুদ্র বন্দরে বড় ধরনের বিনিয়োগের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। ফলে নতুন নতু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে এসব কিছুই বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখপাত্র ইউ জ্য হতেই বলেন, ‘কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা চলছে সেটি কোনো ব্যাপার নয়; তবে গণতন্ত্রের রূপান্তর, অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখা এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা পশ্চিমাদের উচিত হবে না।’

মিয়ানমার টাইমস বলছে, দেশীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, পূর্ববর্তী প্রশাসন থেকে বর্তমান সরকার, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠী অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। তবে জাতিগত, ধর্মীয় এবং সামরিক বিষয়গুলো এখনো অত্যন্ত সংবেদনশীল।

rakhaine

দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ইউ ইয়ে মিন ওও বলেন, ‘মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও অনৈক্য দেখা দিতে পারে।’

ইউ তুন তুন বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে মিয়ানমারের অর্থনীতিতে তা সীমিত প্রভাব ফেলতে পারে। নিষেধাজ্ঞার কারণে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ব্যবসা বাণিজ্যের ওপর। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিয়ানমারের ব্যবসা-বাণিজ্য সীমিত। চীন, জাপান, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের তুলনায় ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য কম হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমারের অর্থনীতির ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারবে না।’

সূত্র : মিয়ানমার টাইমস।

সাহিত্যে নোবেল পেলেন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক কাজুয়ো ইশিগুরো

literature-nobel-20171005173909

বিশ্ববিচিত্রা ডেস্ক:: চলতি বছর সাহিত্যে নোবেল জয়ীর নাম ঘোষণা করেছে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় সাহিত্যে নোবেল জয়ী হিসেবে ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক কাজুয়ো ইশিগুরোর নাম ঘোষণা করা হয়।

বরাবরই সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ঘোষণায় অনেক কানাঘুষা শোনা যায়। গত বছর বব ডিলানের হাতে পুরস্কার ওঠায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। গায়ক এবং গীতিকার হিসেবে পরিচিত বব ডিলানের পুরস্কার জেতাটা অনেকেই মেনে নিতে পারছিলেন না। চলতি বছরও সবাইকে অবাক করে দিয়ে জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক কাজুয়ো ইশিগুরো জিতে নিলেন সাহিত্যে নোবেল। তিনি চিত্রনাট্যকার, ছোট গল্পকার এবং ঔপন্যাসিক হিসেবেই সমধিক পরিচিত। কাজুয়ো ইশিগুরোর যখন মাত্র পাঁচ বছর বয়স, তখনই তার পরিবার জাপান ছেড়ে ইংল্যান্ডে চলে আসে। এর আগেও তিনি বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন। চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘নেভার লেট মি গো’, ‘দ্য রিমেইন্স অব দ্য ডে’, দ্য হোয়াইট কাউন্টিস’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রের।

গত বুধবার রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী তিন বিজ্ঞানীর নাম স্টকহোমে ঘোষণা করা হয়েছে। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপির উন্নতির জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তারা পুরস্কারটি পান। বিজয়ী তিনজন হলেন জ্যাকস ডুবোচেট, জোয়াশিম ফ্রাঙ্ক এবং রিচার্ড হেন্ডারসন। চলতি বছর পদার্থে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন রেইনার ওয়েইস, ব্যারি সি. ব্যারিশ ও কিপ এস থোর্নে। মঙ্গলবার রয়াল সুইডিশ একাডেমি স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় এ তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়ের ঘোষণা দিয়েছে। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ অনুসন্ধানের স্বীকৃতিস্বরূপ পদার্থের নোবেল পেয়েছেন এই তিন বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী রেইনার ওয়েইস জার্মান বংশোদ্ভূত। এছাড়া অপর দুই বিজ্ঞানী ব্যারি সি ব্যারিশ ও কিপ এস থোর্নে মার্কিন নাগরিক। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অভজারভেটরিতে (লিগো- ভিরগো) কাজ করেন এই তিন বিজ্ঞানী। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্ল্যাক হোলে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার ঘোষণা দেয় লিগো-ভিরগো। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বলছে, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ এবং শনাক্তরণে সক্ষম হয়েছেন এই তিন বিজ্ঞানী। মঙ্গলবার স্টকহোমে এক সম্মেলনে নোবেল কমিটির প্রতিনিধি জানান, পদার্থবিদ্যায় চলতি বছরের পুরস্কার এমন একটি আবিষ্কারের জন্য দেয়া হচ্ছে; যা পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। লিগো-ভিরগোর গবেষকরা বলেছেন, সূর্য থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করেছেন তারা। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কার এবং এ নিয়ে গবেষণায় সফলও হয়েছেন। এ তরঙ্গ সম্পর্কে শত বছর আগে ধারণা দিয়েছিলেন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো মহাবিশ্বের মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করেন লিগো-ভিরগোর এই তিন বিজ্ঞানী। ওই সময় জানানো হয়, সূর্য থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে এই তরঙ্গের উৎপত্তি হয়। পৃথিবীতে পৌঁছানোর আগে মহাকর্ষীয় এ তরঙ্গ অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে; যা পদার্থবিদ্যায় যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছে। ১৯০১ সালের পর থেকে নোবেল কমিটি এ পর্যন্ত ১১১ বার পদার্থে নোবেল পুরস্কার দিয়েছে। গত বছর পদার্থের টপোলজি ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল জিতেছেন ব্রিটিশ তিন বিজ্ঞানী।

সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছানুসারে নতুন কোনো কিছু উদ্ভাবন, বিশেষ গবেষণা এবং মানব জাতির কল্যাণে অসামান্য অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় এ পুরস্কার।

সূত্র : টু ওয়ে

কমলগঞ্জে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট কর্তৃক শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মালম্বী ৭৩ জনকে ১লক্ষ ২ হাজার ২শ’ টাকা নগদ অর্থ বিতরণ

1
 
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্টের আয়োজনে ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান, প্রবাসী কমলগঞ্জ সমিতির সভাপতি ফারুক আহমেদ এর বিশেষ উদ্যোগে তাঁর পারিবারিক বন্ধু ডাঃ প্রতিভা চক্রবর্তী, শ্রীমতি শাশ্বতী বাসু, শ্রীমতি বুলা মিত্রা ও মি. ভাস্কর প্যাটেল এর আর্থিক সহযোগিতায় শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্রদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

2
উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপস্থ উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি’র বাসভবনে শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল নান্টু এর সভাপতিত্বে ও কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ১নং রহিমপুর ইউপি (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট বাংলাদেশ এর প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল।

3

21752164_1797665443595853_714044460982416246_nঅন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ শামসুদ আহমদ, অবঃ প্রধান শিক্ষক হরিপদ দেবনাথ, রহিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহসভাপতি মোস্তাক আহমেদ খোকন, সাধারণ সম্পাদক দিপক কান্তি রায়. ইউপি সদস্য মাইদুল ইসলাম কাবুল, সমাজসেবক ফেরদৌস আহমদ প্রমুখ।
সনাতন ধর্মীয় পুরোহিত খোকা গোস্বামী জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন টাষ্ট্রের অনুদানদাতার মঙ্গল কামনা করে ঈশ্বরের কাছে বিশেষ প্রার্থনা করেন।
অনুষ্ঠানে ৭৩ জন দরিদ্রদের মধ্যে নগদ ১৪শ’ টাকা করে মোট ১ লক্ষ ২ হাজার ২০০ টাকা বিতরণ করা হয়।

4
অনুদানপ্রাপ্তরা শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষে এই আর্থিক অনুদান পেয়ে তারা আনন্দিত। তারা জানান, জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট এর কর্তৃপক্ষকে ঈশ্বর যেন দীর্ঘায়ু করেন। ভবিষ্যতে আর অনুদানের পরিধি বাড়ানোর দাবী করেন। এভাবে ট্রাষ্টের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে পূজা উপলক্ষে দ্ররিদ্ররা অনেক উপকৃত হবে। শারদীয় দূর্গাপূজার ঠিক আগ মুহুর্তে এ অনুদান পেয়ে ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান ও তাঁর পারিবারিক বন্ধুদের আনন্দময়ী মায়ের কাছে আশির্বাদ কামনা করেন। তারা বলেন, প্রবাসের থেকেও বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন এজন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানান তাঁরা যেন সবসময় সুস্থ থাকেন ও দীর্ঘায়ু হন।21617878_1797665180262546_7499696580565323286_n

উল্লেখ্য, আর্তমানবতার কল্যাণে সব সময় জুবেদা খাতুন ফাউন্ডেশন ট্রাষ্ট নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতি বছর দূর্গোৎসব উপলক্ষে আর্থিক অনুদান, ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান, শীতবস্ত্র বিতরণ, গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীকে সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে।

জেদ্দার তিন বহুতল ভবনে আগুন

india-china-border-20170816145533আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

সৌদি আরবে তিনটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার জেদ্দা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তিনটি বহুতল ভবনে আগুন ধরে যায়।

সিভিল ডিফেন্সের দমকল কর্মীরা ভবনগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। তবে আগুনে একটি ভবন ধসে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মক্কার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র কর্নেল সাইদ সারহান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল পর্যন্ত আগুন থামানোর চেষ্টা করে গেছেন দমকলকর্মীরা। আল কুমসানি, আল আসমায়ি এবং আবদেল আল নামের তিনটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বহু সংখ্যক দমকল কর্মী এবং উদ্ধারকারী দল আগুন নেভানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

লাদাখে চীন ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ

 india-china-border-20170816145533

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মিরের লাদাখে সীমান্ত এলাকায় চীন-ভারত সেনাবাহিনী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। ভারতীয সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, মঙ্গলবার পশ্চিম হিমালয়ের লাদাখের প্যাঙ্গং হ্রদের কাছে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে, এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সীমান্তের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার পর চীনের ১৫ সেনাসদস্য সেখান থেকে চলে যেতে না চাওয়ায় ওই সংঘর্ষ হয়েছে। দোকলামের বিতর্কিত এলাকায় চীনা সেনাবাহিনীর সড়ক নির্মাণ কাজে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বাঁধা দেয়ার পর থেকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে গত প্রায় দুই মাস ধরে চরম উত্তেজনা চলছে। এর মাঝেই মঙ্গলবার সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই দেশের সেনাবাহিনী। সীমান্তের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় একটি সূত্র বলছে, লাদাখের পাঙ্গন হ্রদের কাছে ভারতের ভূখণ্ডে চীনা সেনাবাহিনীর অনপ্রবেশ নস্যাৎ করে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। চীনের বেশ কয়েকজন সেনা রড ও পাথর নিয়ে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে চীনা সেনাবাহিনীর সদস্যদেরকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে ভারতীয় সেনা। এ সময় দুই দেশের সেনারা একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ে মারে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ অবস্থা চলে; তবে এসময় কোনো অস্ত্রের ব্যবহার হয়নি। পরে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে ব্যানার তুলে ধরলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। দুই দেশের একে অপরের বিরুদ্ধে নিজেদের ভুখণ্ডে অনপ্রবেশের অভিযোগ আনছে দর্ঘিদিন ধরে। তবে এ ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা একেবারে বিরল। এবিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরের এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, প্যাঙ্গন হ্রদের কাছে ঝামেলা হয়েছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্র বলছে, ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশের পর বিবাদ দেখা দিয়েছে। পর্বত এলাকার অচিহ্নিত সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটারে সীমান্ত নিয়ে প্রায় দুই মাস ধরে দোকলামে দুই দেশের সেনাবাহিনী মুখোমুখি অবস্থানে আছে। চীন একতরফাভাবে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে আসছে ভারতকে। চীনের গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত ভারতকে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কুলসুম নওয়াজ

ডেস্ক নিউজ
image-25290

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের শূন্য আসন লাহোর-৩ এ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নওয়াজ শরীফ অযোগ্য ঘোষিত হলে লাহোর-৩ আসনটি শূন্য হয়। নওয়াজের দল পিএমএল-এনের হয়ে উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন নওয়াজ শরীফের স্ত্রী বেগম কুলসুম নওয়াজ। ১১ আগস্ট (শুক্রবার) উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনি।   ধারণা করা হচ্ছে, উপনির্বাচনে বিজয়ী করার পর স্ত্রীকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়ন দিবেন নওয়াজ শরীফ। সেটি হলে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন বেগম কুলসুম নওয়াজ। লাহোর-৩ আসনের উপনির্বাচনে অন্তত ৩৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে আসিফ কিরমানি, ক্যাপ্টেন সফদার এবং সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ পার্টির (পিটিআই) মনোনীত প্রার্থী ডা. ইয়াসমিন রশিদও রয়েছেন।

রেকর্ড ভাঙলেন ট্রাম্প

92520

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা পরিচালনার কঠিন দায়িত্ব নেন ধনকুবের ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ২০০ দিন কেটে গেছে। এ সময়ের মধ্যেই বহু বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। এছাড়া এমন কিছু কাজের কারণে অতীতের সব নজিরকে ছাপিয়ে গেছেন। আর এসব কিছুর মধ্যে গত ৬৪ বছরের মধ্যে ট্রাম্পই কোনো প্রেসিডেন্ট, যিনি প্রথম ২০০ দিনে মাত্র একবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর এ বছর ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম সংবাদ সম্মেলন করেন ট্রাম্প। গত ৬৪ বছরে কোনো প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে এমনটা হয়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট জানায়, প্রথম ২০০ দিনে কম সংবাদ সম্মেলন করা প্রেসিডেন্টের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ ও রোনাল্ড রিগ্যান। তাদের সংবাদ সম্মেলনের সংখ্যা তিন। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ১৯ বার সংবাদ সম্মেলন করে আলোচিত হন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন। আর ২০০ দিনে ১৮ বার সংবাদ সম্মেলন করেছেন জর্জ হার্বার্ট ডব্লিউ বুশ। তিনি জর্জ ডব্লিউ বুশের বাবা।

বিয়েতে নারীদের আর্থিক অনুদান দেবে মোদি

ডেস্ক রিপোর্ট :

92520

মুসলিম সমাজে তালাক শব্দটি তিন বার উচ্চারণ করেই স্ত্রীর সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন রেওয়াজ আছে। এই প্রথাটি তিন তালাক নামে পরিচিত। এই তিন তালাক প্রথার অবলুপ্তি ঘটাতে উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার। বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। আর এবার যেসব মুসলিম নারীরা স্নাতক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন, সেইসব নারীদের বিয়েতে আর্থিক সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। ‘শাদি শগুন’ প্রকল্পে মুসলিম সম্প্রদায়ের স্নাতক নারীদের বিয়েতে উপহার হিসেবে ৫১ হাজার টাকা দেবে কেন্দ্রীয় সরকার।

খুব তাড়াতাড়ি এই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানোর জন্য একটি ওয়েবসাইটও চালু করা হবে। আর কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ মৌলানা আজাদ এডুকেশন ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থাকে এই প্রকল্পটি রূপায়ণের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বস্তুত, সম্প্রতি ওই সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। সেই  বৈঠকে মুসলিম নারীদের আর্থিক অনুদান দেওয়া বিষয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে ঠিক হয়, নবম  ও দশম শ্রেণিতে পাঠরত মুসলিম কিশোরীদের ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। এখন শুধুমাত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময়ে মুসলিম কিশোরীদের ১২ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেয় কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রক।

এ বিষয়ে মৌলানা আজাদ এডুকেশন ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ শাকির হোসেন বলেন, এখনও মুসলিম সমাজে একটি বড় অংশে মেয়েরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত। কারণটা মূলত আর্থিক। তাই মুসলিম সমাজেও মেয়েরা যাতে পড়াশোনায় উৎসাহ পায় এবং কমপক্ষে স্নাতক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য বিয়ের সময়ে ৫১ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বাবা-মা বা অভিভাবকরাও কন্যা সন্তানের পড়াশোনার বিষয়ে যত্নবান হবেন। পাশাপাশি, এই প্রকল্প চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও প্রশংসা করেন তিনি।

সাহস ডট কম

লিখিতভাবে জলবায়ু চুক্তি ত্যাগে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘে ট্রাম্প প্রশাসনের চিঠি

 বিশ্ববিচিত্রা ডেস্ক :

10

জাতিসংঘে চিঠি পাঠিয়ে প্যারিসের জলবায়ু অঙ্গীকার ত্যাগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের জুন মাসে হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক ঘোষণায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। ২ মাসের মধ্যে তার প্রশাসন এবার চিঠি দিয়ে জাতিসংঘকে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিতে শুরু করলো। চুক্তি থেকে সমর্থন প্রত্যাহারে জাতিসংঘে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়ে ৪ আগস্ট (শুক্রবার) পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি ভারসাম্যপূর্ণ জলবায়ু নীতি চায় যার মধ্য দিয়ে কার্বন নির্গমন কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।  বিবৃতির বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সি‌এনএন জানিয়েছে, উদ্ভাবন আর প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে জীবাশ্ব জ্বালানি থেকে নিঃসরিত হওয়া কার্বনের পরিমাণ কমানোর কথা জানায় ট্রাম্প প্রশাসন। বিভিন্ন দেশকে ক্ষতি কমিয়ে জীবাশ্ব জ্বালানি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পরিকল্পনাও জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সংবাদ বিবৃতিতে শুক্রবার জাতিসংঘে দেওয়া চিঠিকে ‘লিখিতভাবে চুক্তি থেকে বের হয়ে আসা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই ঘোষণাকে ‘প্রতীকী’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ, ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বরের আগে প্যারিস চুক্তি থেকে কারও বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আর বেরিয়ে যাবার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে তারপর আরও এক বছর সময় লেগে যাবে। তাই ২০২০ সালে যখন এটি কার্যকর হবে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়ে যাবে। তখনকার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট চাইলেই এই চুক্তিতে ফিরে আসতে পারবেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানাচ্ছে, তারা সব নিয়ম মেনেই এই চুক্তি থেকে বের হবে। ফলে আসছে দিনগুলোতে এই চুক্তির যেসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, সেগুলোতেও তারা নিয়ম মেনে যোগ দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে প্যারিসের ‘কপ-২১’ জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৮৭টি দেশ মিলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মাত্রা তারা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখার অঙ্গীকার করেছিল। ট্রাম্পের ভাষায়, এই চুক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘শাস্তি’, যার কারণে লাখো মার্কিনি চাকরি হারিয়েছে।