সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিশ্ববিচিত্রা

রাস্তায় বৈদ্যুতিক খুঁটির টানা তার নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সংগ্রহকালে : কমলগঞ্জে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে দুই সাংবাদিককে হুমকি ও অবরুদ্ধ

 নিজস্ব প্রতিবেদক

Kamalgonj Pic-2
মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নবনির্মিত লাইন স্থাপনে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে তারের টানা রাস্তার মাঝখানে স্থাপন করার অভিযোগে সরেজমিনে সংবাদ সংগ্রহকালে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে দলবল নিয়ে দুই সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আড়াই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে দু:খ প্রকাশ করেন। গতকাল রবিবার সকাল পৌণে ১১ টায় কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়চেগ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রহিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়চেগ গ্রামের আসাদ মিয়ার বাড়ির পার্শ্ববর্তী রাস্তায় নবনির্মিত লাইন স্থাপনে বৈদ্যুতিক খুঁটির তারের টানা রাস্তার মাঝখানে স্থাপন করা হয়। জনসাধারণের অসুবিধা না করে তারের টানা খুঁটি রাস্তার পাশে স্থাপন করার জন্য এলাকাবাসী গত শনিবার কর্মরত শ্রমিকদের আপত্তি জানান। বিষয়টি অবলোকনের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহমুদ আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের প্রবেশ বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তেজিত হয়ে উঠেন। এরপর ফোন কেটে তিনি তার ছেলে বাবেল সহ দুই মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসেই কমলগঞ্জের সমকাল প্রতিনিধি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ ও ইত্তেফাক প্রতিনিধি নূরুল মোহাইমীন মিল্টন এর উপর আক্রমনের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য মাহমুদ আলী (৫৫) ও তার ছেলে বাবেল মিয়া (২৫) সাংবাদিকদের উপর মারমুখী হয়ে উঠলে স্থানীয়রা তাদের প্রতিহত করেন। তারা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ওই দুই সাংবাদিকে মেরে গুম করারও হুমকি দেন। এরপর সাংবাদিকরা সেখানে আটকা পড়লে খবর পেয়ে অন্যান্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে আসেন এবং কমলগঞ্জ থানার ওসি মোকতাদির হোসেন পিপিএম এর নির্দেশে থানার এসআই মো. মাহবুব সহ পুলিশের একটি ফোর্স ঘটনাস্থল থেকে বেলা দুই টায় সাংবাদিকদের নিয়ে আসেন। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন মুহুূতে বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসি।

Kamalgonj Pic-1
দক্ষিণ বড়চেগ গ্রামের মসু মিয়া, লেবু মিয়া, আসিদ মিয়া, মাসুক মিয়া, হারুনুর রশীদ সহ এলাকাবাসী বলেন, ইউপি সদস্য মাহমুদ আলী পূর্ব থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে গ্রামের একটি অংশের উপর ক্ষুব্ধ। বৈদ্যুতিক খুঁটির টানা তার রাস্তায় স্থাপন করলে যাতায়াতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হবে ভেবে রাস্তার পাশে স্থাপন করার জন্য আপত্তি জানানোর কারনেই ইউপি সদস্য মাহমুদ আলীর ইন্ধনে গ্রামের কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করান। বিষয়টি দেখার জন্য সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হই এবং সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে আসলেও তাদের মেরে ফেলার হুমকি ও অবরুদ্ধ করে রাখেন।
ঘটনা শুনে রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমদ বদরুল বেলা আড়াইটায় ইউনিয়ন পরিষদে সাংবাদিকদের নিয়ে হামলাকারী ইউপি সদস্য মাহমুদ আলীসহ অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে দু:খ প্রকাশ করেন।
কমলগঞ্জ থানার এসআই মাহবুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রাস্তায় বৈদ্যুতিক খুঁটির টানা তার স্থাপন করা ঠিক হয়নি। সাংবাদিকদের সাথে ইউপি সদস্য ও তার ছেলের অশোভন আচরনের বিষয়টি এলাকাবাসি আমাকে জানিয়েছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাদের নিয়ে আসি।
এদিকে কমলগঞ্জের দুই সাংবাদিককে হুমকি ও অবরুদ্ধের ঘটনায় কমলগঞ্জ প্রেসকাবের আহ্বায়ক ও পৌর মেয়র মো. জুয়েল আহমদ, সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি আব্দুল হান্নান চিনু ও কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি এর সভাপতি পিন্টু দেবনাথ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
কমলগঞ্জ থানার ওসি মোকতাদির হোসেন পিপিএম বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি এবং এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মৌলভীবাজারে সরকারী মেডিকেল কলেজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠক সম্পন্ন: এক নব- ইতিহাসের সূচনা

খায়রুল আলম লিংকন:

4

দীঘ ১০ বছর ধরে  দাবী আদায়ের লক্ষে জেলাবাসী ক্যাম্পেইনে চালিয়ে আসছেন.। ইতিমধ্যে মৌলভীবাজারে কয়েকটি সফল সভা. সমাবেশ. সেমিনার ও সব বৃহৎ মানববন্ধন করা সহ মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান ও সাস্থ্যমন্ত্রী. চীফ হুইপ. হুইপ ও লকাল এমপি সহ  জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিশিষ্টজনের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। ২৫ লক্ষ জনগনের প্রাণের  দাবীতে দেশে- বিদেশে মৌলভীবাজার জেলাবাসী ঐক্যবব্ধ হয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা.লন্ডন সহ আমেরিকা. কানাডা. কুয়েত.কাতার.ইউরোপ মিডিলিষ্ট মধ্যপাচ্য ও  বিভিন্ন দেশে এমনকি বৃটেনের বিভিন্ন শহরে মতবিনিময়  সভা- সমাবেশ. মৌলভীবাজার জেলা সদরে ঐতিহাসিক সফল গোলটেবিল বৈঠক করা সহ সভা ও সমাবেশ এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছেন। এই ধারাবাহিকতায়    গত মঙ্গলবার বৃটেনের সেন্ট্রাল লন্ডনের অট্রিযাম  কনফারেন্স হলে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় বৃটেনে বসবাসরত চার শতাধিক মৌলভীবাজার জেলাবাসীর উপস্থিতিতে বৃটেনের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত গোলটেবিল বৈঠক সম্পন্ন করে এক নব- ইতিহাসের সূচনা করা হয়েছে।
ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্সআপ গ্রুপের  অন্যতম উপদেষ্টা  কমিউনিটি লিডার ড.ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই এর সভাপতিত্বে এবং ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্স আপ গ্রুপের এডমিন সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর আহমদ, সাংস্কৃতিক সংগঠক মিসেস হেলেনা ইসলাম ও সাবেক ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান খাঁন কমরুর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রবাসের ইতিহাসে লন্ডনের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশীদের গোলটেবিল বৈঠকের মৌলভীবাজার জেলাবাসীর এই  মিলনমেলায় প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার সাবিনা আক্তার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ সেলিম উদ্দিন,  যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন, ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান. বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী বজলুর রশিদ এমবিই. সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ত খালেদ চৌধুরী, কমিউনিটি লিডার কে এম আবু তাহের চৌধুরী,  বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী  এম এ মুনিম, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শাহনুর খাঁন. চ্যানেল এস এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহি ফেরদৌস জলিল.এনটিভি ইউরোপের সিইও সাবরিনা হোসেন. কানাডা আওয়ামীলীগ সভাপতি জিএম মাহমুদ মিয়া. বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সাইদুর রহমাম রেনু. বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুরুল ইসলাম মাহবুব.  বিসিএর সেক্রেটারি অলি খাঁন. কমরেড মসুদ আহমদ. মুক্তিযোদ্দা সৈয়াদ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর. কাউন্সিলার রিতা বেগম. কাউন্সিলার রহিমা রহমান. হারুনর রশিদ. ডা: আলাউদ্দিন আহমদ ডা: মুজিবুল হক. শিক্ষক নুরুল ইসলাম.  মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম. রাজন উদ্দিন জালাল. মুহি চৌধুরী ইকবাল.সাইদুর রহমান বিপুল. টিপু মিয়া. আব্দুল করিম মধু. ও  জিলানী চৌধুরী জেবু।
সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে  তেলাওয়াত করেন চৌধুরী হাফিজ আহমদ. ও গোলটেবিল বৈঠকের মৃল প্রবন্ধ পাঠ করেন জয়নাল আবেদিন লেখন.। সভায় বাংলাদেশ থেকে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন   মৌলভীবাজার -রাজনগরের জাতীয় সংসদ সদস্য প্যানেল স্পীকার  সৈয়দা সায়রা মহসিন এমপি.  গোলটেবিল বৈঠকের সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুনু মিয়া. মসুদ আহমদ. শাহ্‌জাহান আহমদ তরফদার. নজরুল ইসলাম অকিব.মাহমুদুর রহমান তালুকদার. মোহাম্মদ কিবরিয়া. মুজিবুর রহমান জসিম. নুরুল ইসলাম. জামাল আহমদ. রুহেল খাঁন. আব্দুল মুকিদ বাদশাহ. ফারুক আহমদ. রাজু আহমদ কালাম. জয়নাল আবেদিন লেখন. সাদিয়ান চৌধুরী. আলহাজ্ব লিয়াকত আলি. জেবিন চৌধুরী সেবিন.সুফিয়া আলম.কবি আসমা মতিন. জুসনা ইসলাম.মুন কুরেসী. হেনা বেগম. রাহেলা শেখ.জুনারা ইসলাম.  সাবরিনা. রানিয়া বেগম. লাভলী খাতুন.  মশউদ বকস নাজমুল. মোশাহিদ রহমান. সায়ফুর রহমান কুরেসী হিরু. শফিকুর রহমান তবারক. শেখ সালামত তালুকদার. এম এ রুকন. শাহ্‌ সাফি কাদির. রাধা ধর রাজু. আব্দুর রুউফ তালুকদার. রেফুল মিয়া. কাজী ফয়সল আহমদ. ব্যাবসায়ী আব্দুল মালিক. মোহাম্মদ মুজিব. শামীম চৌধুরী. সেলিম আহমদ. রাজু আহমদ কালাম. মামুন আহমদ.আমজদ সানি. মাহমুদ চৌধুরী.তাজুল হক কামাল. সৈয়দ আবু সাঈদ. ইমরান শামীম.  খায়রুল আলম লিংকন. সৈয়দ আকলাকুল আম্বিয়া রাবেল. শাহজাহান সিরাজ. সলিসিটর লিয়াকত আলী খাঁন. বদরুজ্জামান খাঁন.    শিবলু আহমদ. শাহিন আহমদ চৌধুরী  আব্দুল হাফিজ.  ইকবাল আহমদ. সাদিকুর রহমান. আতিকুল ইসলাম. আব্দুস সালাম. লিয়াকত খাঁন. নিয়াজ আহমদ লিটন.সৈয়দ মুজিবুর রহমান. আমিনুর রহমান চৌধুরী. আওয়াল আমরান. সালিক মিয়া. পারভেজ কবির. লিটন চৌধুরী. বদর উদ্দিন চৌধুরী. বাদল আহমদ  আব্দুর রব. আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল.রেজাউল করিম লাভলু. আবুল লেইস মনা. মুহিবুর রহমান সানজব. শাহীন আহমদ. কামাল চৌধুরী. শাহিন আহমদ চৌধুরী. কবির আহমদ. মোশেদ আহমদ মতসির. নাজিম আহমদ. অদূদ আহমদ. সেলিম আহমদ. মুকিত আহমদ. নাজিম আহমদ. বাবুল মিয়া. শাহ্‌ আলম. ফারুক আহমদ.  আয়শা বেগম. আবুল হোসেন. ফয়সল আহমদ. সাইফুল মিয়া.  সরওয়ার আহমদ.মনজিলা কুরেসী. মিসবাউর রহমান. আবু শহিদ সাবলু. প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা ২৫ লক্ষ জনগনের প্রাণের  দাবী মৌলভীবাজারে সরকারি মেডিকেল কলেজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মানণীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। এছাড়া ও দাবী বাস্তবায়ন না হওয়া অবধি ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সভায় দূঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করা সহ মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নে  মৌলভীবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও শমসেনগর বিমানবন্দর চালু  সহ ৭ দফা দাবী সম্ভলিত প্রস্তাবলী মৌলভীবাজারে সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্সআপ গ্রুপের  এডমিন কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর আহমদ পাঠ করে শুনানোর পর  তাহা সব সম্মতিক্রমে করতালির মাধ্যমে পাশ করা হয়।সভাপতি বক্তব্যে ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্সআপ গ্রুপের  অন্যতম উপদেষ্টা কমিউনিটি লিডার ড.ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই প্রবাসের ইতিহাসে লন্ডনের মাটিতে  প্রথম বাংলাদেশীদের গোলটেবিল বৈঠকে মৌলভীবাজার জেলাবাসীর মিলনমেলায় যারা উপস্থিত হয়ে ইতিহাসের অংশীদার হয়েছেন সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে আগামীদিনের ক্যাম্পেইনে  সবার সহযোগীতা কামনা করেন।

আব্দুল মোতালিব লিটন, যুক্তরাজ্য জাসাসের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

2018-04-25--11_35_15

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজজেলার পতনঊষারের কৃতি সন্তান, পতন ঊষার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, ইষ্ট লন্ডন জাসাসের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা, জাসাস যুক্তরাজ্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল মোতালিব লিটন কে সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। সাধারণ সম্পাদক যুক্তরাজ্যের বাহিরে অবস্থান করায় তাকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ দায়িত্ব প্রদা করা হয়। লিটন সকলের দোয়া কামনা করছেন।

এক গ্রামের প্রত্যেক পুরুষকেই দুবার করে বিয়ে করতে হয়

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

2018-04-21--00_25_46

ছবি প্রতিকী

পৃথিবীতে কতই না আজব ঘটনা ঘটে। কিন্তু ভারতের রাজস্থানের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে রয়েছে এক অদ্ভুত রীতি। অদ্ভুত রীতিটি শুনলে হয়তো আপনি চমকে উঠবেন। এই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষকেই দুবার করে বিয়ে করতে হয়।

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের ছোট গ্রাম দেরাসর। বারমের জেলার ওই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষেরই দুবার বিয়ে বাধ্যতামূলক।

দেরাসর গ্রামে প্রায় ৬০০ মানুষের বাস। মূলত মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামটিতে সব মিলিয়ে ৭০টি পরিবার রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রত্যেক পরিবারই বিয়ে নিয়ে ওই একই রীতি মেনে চলে।

গ্রামবাসীরা জানান, বহু দিন ধরেই ওই প্রথা চলে আসছে। এখনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইসলাম ধর্মে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু ওই গ্রামে একপ্রকার জোর করেই ছেলেদের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিতে বাধ্য করে তাদের পরিবার।

এমন রীতির পেছনে রয়েছে অদ্ভুত কারণ। গ্রামবাসীদের দাবি, আগে গ্রামে যতজন পুরুষ বিয়ে করতেন, তাদের কারোরই প্রথম স্ত্রীর সন্তান হতো না। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই সেই স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসত। বহুকাল ধরে এমন ঘটনাই ঘটে আসছে ওই গ্রামে এবং সেটাকেই রীতি হিসেবে অনুসরণ করে চলেছেন গ্রামবাসীরা।

এখনও ওই গ্রামে এমন ঘটনাই ঘটে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও এই ঘটনার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউই। গ্রামবাসীদের কথায়, প্রথমবার বিয়ের পর অনেকেই দীর্ঘকাল সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছেন, এ রকম উদাহরণ প্রচুর রয়েছে। কিন্তু আশা পূরণ হয়নি। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই তাদের ঘরে সন্তান এসেছে।

দ্বিতীয়বার বিয়েকে ওই গ্রামে শুভ কাজ বলেই মনে করা হয়। প্রথম স্ত্রীও তার সতীনের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গুছিয়েই ঘর করেন। তার সন্তানদেরও নিজের সন্তান মনে করেই বড় করে তোলেন।

বিলেতে কমলগঞ্জের শতজন : আব্দুল মুকিত চৌধুরী : শিক্ষক ও নিবেদিতপ্রাণ একজন সংস্কৃতিকর্মী

সৈয়দ মাসুম:

2018-03-25--08_46_28

কর্মজীবনের শুরু তাঁর শিক্ষতা দিয়ে। গান ,নাচ ,তাল ও সাহিত্য এর কোনটার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত না হয়েও একজন গণিতের ছাত্র ও গণিতের শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে ভালোবাসেন আর সংস্কৃতি কর্মীদের সংগঠিত করেন তিনি হচ্ছেন ব্রিটেনের মধ্যভূমি খ্যাত মিডল্যান্ডসের অন্যতম প্রিয় ও পরিচিত মুখ আব্দুল মুকিত চৌধুরী।
জনাব চৌধুরীর জন্ম ষাটের দশকে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার ইউনিয়নাধীন রহিমপুর গ্রামে। পিতা আব্দুল খালেক চৌধুরী যিনি স্বাধীনতা উত্তর সময় থেকেই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। মুন্সিবাজার এলাকায় ছুরণ মাষ্টার নামে পরিচিত জনাব খালেক চৌধুরীর চার পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের মধ্যে মুকিত চৌধুরী হচ্ছেন দ্বিতীয়।
মুকিত চৌধুরীর মাতা হচ্ছেন কুলছুম নাহার চৌধুরী যিনি নিজ এলাকায় একজন সু-গৃহিনী ও সমাজ হিতৈষী মহিলা বলে পরিচিত।
মুকিত চৌধুরীদের আদি নিবাস মুন্সিবাজারের গোবিন্দপুর গ্রামে। তাঁর এক পূর্বপুরুষ সিদ্ধেশ্বরপুরের জনৈক হারন খাঁ চৌধুরীর মেয়ে মেহের ভানুর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে জনাব মুকিত চৌধুরীর দাদা মরহুম রইছ উদ্দিন চৌধুরী রহিমপুর গ্রামে এক খন্ড ভূমি কিনে তাঁর পুত্র ও স্ত্রী কন্যাদি নিয়ে এক নতুন বসত ভিটা গড়ে তুলেন ,সেই থেকে তাঁরা রহিমপুর গ্রামেই স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন।

জনাব আব্দুল মুকিত চৌধুরী ১৯৮৩ সালে কমলগঞ্জের প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ মুন্সীবাজারের কালীপ্রাসাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সহিত এস এস সি এবং মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ থেকে এইস এস সি পাশ করেন। এম সি কলেজ থেকে গণিত শাস্ত্রে অনার্স এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই শাস্ত্রে এম এস সি ডিগ্রী লাভ করেন।

লেখা পড়ার পাঠ শেষ করে জনাব মুকিত চৌধুরী শিক্ষক পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। নব্বই দশকের শুরুতে সিলেটের তালতলায় প্রতিষ্ঠা করেন গণিত কোচিং সেন্টার ,সিলেটের খাজান্সি বাড়িস্থ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে গণিত শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন ১৯৯২ সালে। একই ধারবাহিকতায় এসে জনাব আব্দুল মুকিত চৌধুরী ১৯৯৫ সালে সিলেট পলিটেকনিক ইনিস্টিউটে প্রভাষক হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

১৯৯৭সালে বিলেত প্রবাসী শাম্মি চৌধুরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এক পর্যায়ে বিলেতে ফাঁড়ি জমান। ২০০১সালে বিলেতস্থ কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনাব চৌধুরী পলিমেথ ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।

বতর্মানে তিনি একজন স্বকর্মোদ্যক্তা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কভেন্ট্রির সভাপতি ,গ্রেটার মৌলভীবাজার এসোসিয়েশন কভেন্ট্রির সহ সভাপতির দায়িত্ব ছাড়াও জনাব আব্দুল মুকিত চৌধুরী কভেন্ট্রি সিটি আওয়ামীলীগের সহসভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘সিলেট বিভাগ প্রবাসী সমিতি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি : নজরুল ইসলাম সভাপতি ও সোহেল আহমদ সম্পাদক নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Provasi
সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের উদ্যোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিষ্ঠিত ‘সিলেট বিভাগ প্রবাসী সমিতি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সমিতির এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলাম সভাপতি, মোঃ সোহেল আহমদ (স্বপন) সাধারণ সম্পাদক ও মোয়াজ্জিম আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি শিগগির প্রকাশ করা হবে।

পতন উষার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট যুক্তরাজ্য কমিটি গঠন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

10

রেজী লন্ডনের ব্লু-মুন মাল্টিমিডিয়া সেন্টারে  গত ৭ ফেব্রুয়ারি পতনউষার ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  আবদুল মোতালিব লিটন এর সভাপতিত্বে এবং খলিলুর রহমান রুকনের উপস্থাপনায় ট্রাষ্টের বিগত দিনের কার্যক্রম এবং আগামী দিনে ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপস্থিত সকলে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় আগামী (২০১৮-২০২০) অর্থ বছরের ট্রাস্টের কার্যক্রমকে পরিচালনা করার জন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রসঙ্গ নিয়ে উন্মুক্ত আলেচনা করা হয়।  বিগত দিনে সংগঠনের নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিচালনা করে স্বল্প পরিসরে হলে ও স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকটি মানবিক কার্যক্রম সম্পাদন করায় সর্ব সম্মতিক্রমে পুনরায় আবদুল মোতালিব লিটনকে সভাপতি এবং খলিলুর রহমান রুকনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়।  ট্রাস্টের কার্যক্রমকে বাংলাদেশে সমন্বয় ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে স্থানীয় সম্মানিত সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশিষ্টজনের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয় যাদের প্রধান কাজ হবে বাংলাদেশ ট্রাষ্টের কার্যক্রম পরিচালনায় উপদেশ ও পরামর্শ প্রদান। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি-মো: আবদুল মোতালিব লিটন, সহ সভাপতি-আবু বক্কর সিদ্দিক তুহিন, সহ সভাপতি- মো: মিজানুর রহমান, সহ সভাপতি- আবদুল লিটন, সাধারণ সম্পাদক-মো: খলিলুর রহমান রোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সুহেল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক- লিপন আহমদ, প্রচার সম্পাদক- আতিকুজ্জামান তুহিন, অর্থ সম্পাদক- ফখরুল ইসলাম।  সম্মানিত সদস্যবৃন্দ- রহমত আলী, শাহেদ আহমদ,নাজমুল ইসলাম ইমন, জাকারিয়া হোসেন, খাজা রুহুল হুদা চৌধুরী রাজন, আবুল বাশার, রাজীব আহমদ, এহিয়া আহমদ প্রমুখ।

বিলেতে কমলগঞ্জের শতজন : রওশনারা মনি : যার গানে ও সুরে মূর্চ্ছিত হয় ইউরোপ

:  সৈয়দ মাসুম :
100

মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বাবা মার হাত ধরে বিলেত প্রবাসী হন। ভিন্ন ভাষা ও ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে থেকেও বাংলা ভাষা ও বাংলা গান হৃদয়ে লালন করেন। শিশুকাল থেকে আজ অবধি ইংল্যান্ড ও ইউরোপের বাংলা সঙ্গীত জগতে যিনি দুর্দান্ত প্রতাপ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি হচ্ছেন মৌলভীবাজারের মেয়ে রওশনারা মণি।
রওশনারা মণির জন্ম মৌলভীবাজার শহরে। তাঁর পিতার নাম আলহাজ্জ্ব আব্দুস ছমরু ও মাতা সৈয়দা সুফিয়া খানম। জনাব আব্দুস ছমরুর ছয় ছেলে মেয়ের মধ্যে রওশনারা মণি হচ্ছেন সর্ব কনিষ্ঠ।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল কর্তৃক বাংলা সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় তিনি শিশু শিল্পী হিসাবে অংশ নিয়ে ১৯৮৫,৮৬,৮৭ও ৮৮ সালে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।
আশির দশকেই দিশারী শিল্পীগোষ্ঠীতে শিশু শিল্পী হিসাবে Save the children fund এর অনুষ্ঠানে সুবিখ্যাত Royal Albert Hall এ সঙ্গীত পরিবেশন করে তিনি বাঙালীসহ মূল জনগোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন।
এরপর থেকে রওশনারা মণিকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। বিলেত প্রবাসী বাঙালীদের মধ্যে তাঁর গানের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়তে থাকে।লন্ডন,বার্মিংহাম,ম্যানচেষ্টার ,কার্ডিফসহ যুক্তরাজ্যের ছোট বড় প্রায় প্রত্যেক শহর থেকেই গানের জন্য তাঁর ডাক আসে।
মঞ্চ ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া উভয়টাতেই তিনি অতি দ্রুততার সহিত সঙ্গীত পিপাসু বাঙালীদের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হন।
নব্বইর দশকে রেডিওতে উপস্থাপনা তাঁকে বিশেষ খ্যাতি এনে দেয়। এক সময় তাঁর জনপ্রিয়তা ইংল্যান্ড ছেড়ে ইউরোপে ফাঁড়ি জমায়। তিনি ইটালী ,জার্মানী ,ফ্রান্স ,সুইজারল্যান্ডে,বেলজিয়াম ,নেদারল্যান্ড ,নরওয়ে ,ডেনমার্ক ,সুইডেন ,আয়ারল্যান্ড ,স্পেন ,গ্রীস ,পর্তুগালে নিয়মিত মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন।ইউরোপের গন্ডী ছাড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও মঞ্চে তাঁর সরব ও দর্শক নন্দিত উপস্থিতি আমরা দেখতে পাই।ইংল্যান্ডের প্রত্যেকটি বাংলা চ্যানেলে সমান গুরুত্ব দিয়ে তাঁর গান পরিবেশিত হয়। বাংলা ছাড়াও তিনি ইংলিশ ,হিন্দী ও উর্দু সঙ্গীতে সমান পারদর্শী। ইংল্যান্ডের বহুজাতিক সমাজ ব্যবস্থায় বিভিন্ন কমিউনিটিতে এবং তাঁদের কমিউনিটি চ্যানেল গুলোতে বর্তমানে তিনি সমান দক্ষতার সাথে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন।
২০০০সালে রওশনারা মণির দশটি মৌলিক গানের সমন্বয়ে একটি সিডি বের হয় যেটি বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
ইংল্যান্ডের সানরাইজ রেডিও ২০০৫সালে সঙ্গীত ক্যাটাগরিতে তাঁকে বিশেষ সম্মাননা পুরুস্কার প্রদান করে।
২০০২ এবং ২০০৪ সালে লন্ডনের বাংলাদেশ সেন্টার থেকে তিনি আনন্দমেলা Special Achievment Award অর্জন করেন। ২০০৬ সালে বেলজিয়ামের Association of Bangladeah Comunity বাংলা সঙ্গীতে অবদান রাখার জন্য তাঁকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে।
রওশনারা মণি শুধু সঙ্গীতের মধ্যেই নিজেকে আবদ্ধ রাখেননি।মানব সেবায়ও তিনি তাঁর হাতকে সব সময় প্রসারিত করেছেন। The Railway Children সহ বেশ কয়েকটি চ্যারেটি সংস্থার সাথে তিনি জড়িত আছেন। ২০০৯ সালে তাঁরই একক প্রচেষ্ঠায় অসুস্থ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের জন্য দশ লক্ষ টাকা ফান্ডরাইজ করা হয়।
অভিনয়েও রওশনারা মণি সিদ্ধহস্থ। তিনি বিলেত প্রবাসী বিশিষ্ট নাট্যনির্দেশক কৌতুক অভিনেতা তছলিম আহমদের মঞ্চ নাটক ক্ষতবিক্ষত ,ডিনার সহ বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। রেডিও নাটকেও তিনি দেশের বিখ্যাত অভিনেতা আজিজুল হাকিমের বিপরীতে কাজ করেছেন। লন্ডনের প্রথম বাংলা চ্যানেল বাংলা টিভিরনিজস্ব প্রযোজনায় প্রথম নাটক আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লাল গোলাপে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
কর্ম জীবনে তিনি ব্রিটিশ ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
১৯৯২সালে রওশনারা মণি কমলগঞ্জ উপজেলার কামারগাঁও নিবাসী প্রকৌশলী কবি মোহাম্মদ ইকবালের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর একমাত্র পুত্র আইনান ইকবাল বিলেতের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্র।
সঙ্গীত ,সংস্কৃতি,পরিবার ও পেশা সবকটিতে সফল একজন নারী হিসাবে রওশনারা মণি দেশে ও বিদেশে সকলের নিকট পরিচিত।

কমলগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

121
ফ্রান্সে বসবাসরত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার একটি সামাজিক সংগঠন ‍কমলগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ফ্রান্স এর মাসিক সাধারন সভা গত ৫ ফেব্রুয়ারি এসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।   এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ফয়ছল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মনির চৌধুরী।   অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিতত ছিলেন সিনিওর সহ সভাপতি কাজী কয়ছর, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রবিউল আলম ফয়েজ, ক্রীড়া সম্পাদক মইন উদ্দিন, সদস্য সৈয়দ শাওন আহমদ, দীপন কুমার প্রমুখ।
সভায় সংগঠনের কাজ কে আরো গতিশীল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

1সর্বোচ্চ আদালতের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের জেরে চলমান উত্তেজনার মাঝে মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। আগামী ১৫ দিনের জন্য এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা দেয়া হয়েছে। দেশটির জাতীয় দৈনিক সানের এক প্রতিবেদনে সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্টের সহযোগী ও আইনবিষয়কমন্ত্রী আজিমা সাকুর জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার বিশ্বাস করে না যে, রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে সুপ্রিমকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। এর আগে আব্দুল্লাহ ইয়ামিন বলেন, মালদ্বীপের ইতিহাসে পাঁচ বছরের মেয়াদে কোনো প্রেসিডেন্ট এ ধরনের সংকটের মধ্যে পড়েননি।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, জরুরি অবস্থা জারি করায় সন্দেহভাজন ও বিরোধীদের গ্রেফতারে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। ইতিমধ্যে পার্লামেন্টের অধিবেশন স্থগিত করেছেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনে সুপ্রিমকোর্টের যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ ঠেকানোতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার।

সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে মালদ্বীপের সুপ্রিমকোর্টের সামনে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুমকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন সরকারদলীয় সমর্থকরা। ভারি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে ওই এলাকায় মালদ্বীপ পুলিশের স্পেশাল অপারেশন কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়।