সদ্য সংবাদ

বিভাগ: বিশ্ববিচিত্রা

পতনঊষার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে এর আলোচনা সভা ও কার্যকরী কমিটি গঠন : সভাপতি ময়নুল, সম্পাদক রাসেল

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

received_1728093503902732-1

যুক্তরাজ্যের হোয়াইট চ্যাপেলের কলাপাতা রেস্টুরেন্টে গত ১৫ জানুয়ারী সোমবার  পতনঊষার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আয়োজনে এক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি ইমদাদ রাহহাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।   আফসার বক্ত চৌধুরী রাসেল এর সঞ্চালনায়  সংগঠনের পরবর্তী কার্যক্রমকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় তার উপর ভিত্তি করে মূলত সভার আয়োজন করা হয়।সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করে  সর্ব সম্মতিক্রমে পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

ময়নুল ইসলাম চৌধুরীকে সভাপতি এবং আফসার বক্ত চৌধুরী রাসেলকে সাধারন সম্পাদক করে দুই বছরের জন্য (২০১৮/১৯ ) সালের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয় । সম্মানিত সদস্যবৃন্দ হলেন ইমদাদ রাহাত, সরফরাজ খান সফি, আব্দুল হাই চৌধুরী রাজু, ইসহাক আকাশ জাকির, সোহেল আহমেদ সাজাদ, রায়হান জামান খাঁন, খাজা রুহুল হুদা চৌধুরী রাজন, রুবেল চৌধুরী, বাশার আহমেদ, লুৎফুর রহমান, জাকারিয়া আহমেদ, ইশতিয়াক চৌধরী, আসাদুর রাজা সুমন।

সম্মানিত উপদেষ্টা হলেন, ইসহাক কাজল, ফখর উদ্দিন চৌধুরী, লিয়াকত খাঁন, ছয়ফুল খাঁন, ছালেকুর রহমান চৌধুরী, আতিকুর রশীদ চৌধুরী সিপার সুমেল চৌধুরী, আলাউর রহমান খাঁন শাহীন ও তরিকুর রশীদ চৌধুরী শওকত।

“কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ফ্রান্স” শাখা গঠন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

1000000
ফ্রান্সের নার্দোন টিটু মিয়ার রেষ্টুরেন্টে গত সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় “কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ফ্রান্স” শাখা গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত ট্রাষ্টের সভাপতি নির্বাচিত হন সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম বুলবুল। ট্রাষ্টের প্রধান উপদেষ্টা হলেন মোঃ শাওন আহমদ, উপদেষ্টা জুবায়ের আহমদ। ট্রাষ্টের অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহসভাপতি আবু সিদ্দিক আনছারী, সহসাধারণ সম্পাদক মোঃ নজির খাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, “কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ফ্রান্স”  মূল্য লক্ষ্য হচ্ছে আর্ত মানবতার সেবায় কাজ করা। বিশেষ করে শিক্ষা, সাহিত্য ও বাসস্থানসহ সমাজের অবহেলিত হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো।

ভারতের কলিকাতায় বিজয় দিবসে সাবেক চিফ হুইপ এর শ্রদ্ধাঞ্জলি

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

2017-12-17--08_44_58

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ এমপি ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভারতের কলিকাতার আর্মি ও ষ্টান কমান্ড এর আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসুচীতে যোগদান করেন।

2017-12-17--08_44_11

তিনি সকালে আর্মি ক্যম্পে শহীদ মিনারে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। এসময় তিনি ১মিনিট নিরবতা পালন করেন।

পরে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচীতে যোগদান করেন।

ইরাকে ৩৮ জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
hanging11463561544সন্ত্রাসবাদের দায়ে আইএস ও আল-কায়েদার অন্তত ৩৮ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরাক। বৃহস্পতিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ধিকার প্রদেশের একটি কারাগারে এসব সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

প্রাদেশিক পরিষদের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা দাখেল কাজেম জানান, ধিকার প্রদেশের রাজধানী নাসিরিয়ার একটি কারাগারে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্য করা হয় এবং সেসময় ইরাকের আইন ও বিচারমন্ত্রী হায়দার আজ-জামেলি উপস্থিত ছিলেন।

দাখেল কাজেম জানান, যেসব সন্ত্রাসীকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে তার মধ্যে একজন সুইডেনের নাগরিক এবং বাকি সবাই ইরাকি। গত ২৫ সেপ্টেম্বর একদিনে ৪২ সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরপর এই প্রথম একদিনে এবং একই কারাগারে এত বেশি সন্ত্রাসীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ইরাকে আইএসবিরোধী অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণার পাঁচদিন পর এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতিতে কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের আনন্দ শোভাযাত্রা​

সদেরা সুজন, সিবিএনএ কানাডা থেকে।। 
222
 জাতির​ ​​জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা UNESCO কর্তৃক “Part of World’s Documentary Heritage” হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে কানাডার অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন । বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে ১০ই ডিসেম্বর রবিবার বাংলাদেশ হাইকমিশন কার্যালয় থেকে এক আনন্দআনন্দ শোভাযাত্রা JOY RALLY বের করা হয়। এ র‍্যালীতে নেতৃত্ব দেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। দূতাবাসের সকল কূটনীতিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, তাঁদের পরিবারের সদস্যগণ, অটোয়াপ্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, অটোয়া আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং নাগরিক সমাজের সদস্যগণ উক্ত আনন্দ শোভাযাত্রায় যোগদান করেন। -১৩ ডিগ্রী’র প্রচন্ড শীত ও তুষারপাত উপেক্ষা করে আনন্দ শোভাযাত্রায় যোগদান করতে আসা নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন জনের পদচারণায় মুখরিত হয় অটোয়ার ৩৫০ স্পার্কস স্ট্রীটে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন চ্যান্সেরী প্রাঙ্গণ। লাউডস্পীকারে সজোরে বাজতে থাকে বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণ – “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম” . . . “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো; এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্‌”।

র‍্যালী শুরুর পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতাপর্বে যোগদানকারীদের থেকে বক্তব্য রাখেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মমতা দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক নূরুল হক, অটোয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ওমর সেলিম শের এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার নাঈম উদ্দিন আহমেদ।

আনন্দ শোভাযাত্রায় আগত সকলের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত তাঁর বক্তব্যে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, বাঙালী জাতির জীবনে ১৯৭১ হচ্ছে সবচাইতে গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ মাহেন্দ্রক্ষণ । স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতির ঠিক প্রাক্কালে ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর সেই কালজীয় ভাষণ – “এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম” ….. সেই ভাষনই তথা বঙ্গবন্ধুর দিক নির্দেশনা-ই ঠিক করে দিয়েছিলো আমাদের জাতির নিশ্চিত ঠিকানা – স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই বাঙলী জাতি এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জীবনে ৭ই মার্চ এবং বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণের গুরুত্ব এতো ব্যাপক। সেই চেতনার আলোকে তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ, আর ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ গড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সুখী, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার জন্য সকলের, বিশেষত: কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহবান জানান । দূতাবাসের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদের সঞ্চালনায় র‍্যালীপূর্ব এ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো: সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মো: আলাউদ্দিন ভূঁইয়া এবং প্রথম সচিব (কন্স্যুলার) অপর্ণা রাণী পাল। আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আতিকুল ইসলাম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধা শিকদার মতিউর রহমান, সুপরিচিত সমাজকর্মী রাশেদা নেওয়াজ, কমিউনিটি সংগঠক রিয়াজ জামান প্রমুখ। বিশেষ আমন্ত্রণে র‍্যালীতে যোগদান করেন মিসেস নিশাত রহমান, মিসেস ডালিয়া পারভীন, মিসেস আফরিন সুলতানা এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন ভুঁইয়া। শিশু-কিশোররাও স্বত:স্ফুর্তভাবে যোগ দেয় এ আনন্দ শোভাযাত্রায়।

হাইকমিশনারের বক্তব্যের পরপরই বিশাল জনসমুদ্রে ৭ই মার্চ ১৯৭১ -এ বক্তৃতারত বঙ্গবন্ধুর সেই ছবিসম্বলিত বৃহৎ ব্যানারসহ সকলে একযোগে র‍্যালী নিয়ে বের হন বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণ থেকে। র‍্যালীটি ৩৫০ স্পার্কস স্ট্রীট থেকে লায়ন স্ট্রীট অতিক্রম করে কানাডিয়ান ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস ভবনের পাদদেশ হয়ে কেন্ট স্ট্রীট পেরিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকে। প্রচন্ড ঠান্ডার মাঝেও অংশগ্রহণকারীদের পদযাত্রা এবং মুহূর্মুহ শ্লোগানে মুখরিত হয় অটোয়ার ব্যাস্ত রাজপথ।  সেই সাথে বাড়তে থাকে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ এবং ৭ই মার্চের ভাষণকে ঘিরে পথচারী ও দর্শক কানাডীয় নাগরিকদের আগ্রহ। রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) স্পেশাল কন্সটেব্‌ল স্যাম ব্রুনেটের নেতৃত্বে বিশেষ পুলিশ কর্ডন এ র‍্যালীকে সামনে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করে। র‍্যালীতে অংশগ্রহণকারী প্রায় সকলেরই হাতে ছিলো নানান শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, যা কানাডীয়দের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করে। এসব প্ল্যাকার্ডের উল্লেখযোগ্য শ্লোগানের মধ্যে ছিলো, “Bangabandhu’s 7th March Speech: A Speech Led to the Birth of Bangladesh”; “৭ই মার্চের ভাষণ, অমর হোক অমর হোক”; “Long Live 7th March Speech by Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman”; এবং “Long Live Bangladesh . . . Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, Father of the Nation : Thanks UNESCO for Recognizing Bangabandhu’s 7th March 1971 Speech as Part of World’s Documentary Heritage”.

প্ল্যাকার্ডে লিখিত শ্লোগানের পাশাপাশি র‍্যালীতে অংশগ্রহনকারীগণ মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা অর্জন এবং দেশ গঠনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমৃদ্ধ বিভিন্ন শ্লোগান সজোরে উচ্চারণ করেন, প্রকম্পিত হয় অটোয়ার রাজপথ। সকলের কণ্ঠে সমস্বরে ধ্বনিত হয়, “জাতির পিতা শেখ মুজিব, লও লও লও সালাম”; “পদ্মা, মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা”; “বিজয়ের এই দিনে, মুজিব তোমায় পড়ে মনে”; “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু”; এবং “শেখ হাসিনার দর্শন, বাংলাদেশের উন্নয়ন” প্রভৃতি শ্লোগান, যা সকলকে উজ্জীবিত করে এবং উপস্থিত কানাডীয় নাগরিকগণের মাঝে সঞ্চার করে এক ভিন্নতার মাত্রা। সৃষ্টি হয় এক ভিন্ন আবহ। কানাডীয়দের অনেককেই র‍্যালীতে অংশগ্রহণকারীদের সাথে আলাপ করে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণের ইউনেস্কোর স্বীকৃতির বিষয়ে এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

র‍্যালীর শেষ পর্যায়ে এসে আরও একবার সমবেত অংশগ্রহণকারী এবং অটোয়াপ্রবাসী বাঙালীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। প্রবাসীগণও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে আনন্দ র‍্যালী আয়োজন, তাঁদেরকে সম্পৃক্তকরণ এবং দূর প্রবাসের মাটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ, মহান মুক্তিযুদ্ধেরে চেতনা ও স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসকে তুলে ধরার ও নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এ প্রয়াসের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান এবং এই উদ্যোগের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

কেন্ট স্ট্রীট অতিক্রম করে স্পার্কস স্ট্রীট ও ব্যাংক স্ট্রীটের সম্মেলনস্থলে গিয়ে সমাপ্ত হয় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এ অনুপম আনন্দ শোভাযাত্রা।

ফ্রান্সে নব গঠিত কমলগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। সভাপতি সাইফ ঊদ্দিন আহমদ, সম্পাদক ফয়সল আহমদ

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

2017-12-07--07_28_43-12017-12-07--07_28_30-1

ফ্রান্সের প্যারিসের গার দু নদ টিটু ভাইর রেষ্টুরেন্টে বিপুল সংখ্যক কমলগঞ্জ প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমলগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ফ্রান্সের প্রধান উপদেষ্টা তাহির ঊদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মো: ফয়ছল আহমদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান উপদেষ্টা মো: তাহির উদ্দিন চৌধুরী পূর্নাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষনা করেন । উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন  আব্দুল মান্নান (১) আব্দুর রহমান, মনির চৌধুরী, কাজী মুমিনুর রশীদ, আব্দুল মন্নান (২)।
সভাপতি  মো: সাইফ ঊদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক মো: ফয়ছ আহমদ। অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি : কাজী কয়ছর, সহ সভাপতি : জাসেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি : নজরুল ইসলাম সহ সভাপতি : তানভীর আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি :বিমান দে, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক : ফরহাদ ঊদ্দিন তান্নু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শইদুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক : জামান আহমদ, কোষাধ্যক্ষ: মো: আশাদুজ্জামান লিটন, সহ কোষাধক্ষ: জামাল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক :মো: আজিজুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক : সফি চৌ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক :আব্দুল লতিফ, প্রচার সম্পাদক : কাওছার আহম,  সহ প্রচার: মোস্তফা কামা,  দপ্তর সম্পাদক :মুসলেহ উদ্দিন মুছা,  সহ দপ্তর সম্পাদক: নোমান আহম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক :রবিউল আলম ফয়েজ, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক : মীর মনি,  সাংস্কৃতিক সম্পাদক : পিন্টু দাস, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক:নাইয়ান খান মাহী,  ক্রীড়া সম্পাদক : মইন উদ্দিন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক : আকলুসুর রহমান শিশি,  ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক :লিমন চৌধুরী, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক : দিপন কুমার সিংহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক : মোছা. শাহানা চৌধুরী,  সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক : হালিমা আক্তার, সম্মনিত সদস্য : জায়েদ আহমদ চৌ, সদস্য -রায়হান চৌধুরী,  তানভীর আহম,  আব্দুল কাইয়ু,  জিল্লুর রহমা,  সাইদুল আল, সৈয়দ শাওন আহমদ।

নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল।

ইসরায়েলের তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সিরিয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট

সিরিয়ার দা1মেস্কের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইসরায়েলের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বিভাগ। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার সানার বরাত দিয়ে আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার এ খবর জানিয়েছে।

সিরিয়া ও ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর তিনদিন পর এ ঘটনা ঘটলো। তবে বার্তা সংস্থাটি এসব ক্ষেপণাস্ত্র কোথায় আঘাত করেছে বা এতে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানায়নি। তারা জানিয়েছে, সোমবার মধ্যরাতে এ হামলা চালানো হয়। আর এ ব্যাপারে ইসরায়েলেরও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে খবরে বলা হয়। সানা জানায়, ‘দামেস্কের পাশে গ্রামাঞ্চলে আমাদের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করেছে বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। তারা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে ধ্বংস করেছে।’ যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস’ জানায়, এদিন দামেস্কের জামরায়ে উপকূলে ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে। সেখানে সিরিয়ার একটি সরকারি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শনিবার সিরিয়ার রাজধানীর বাইরের একটি সামরিক ঘাঁটির পাশে এলাকায় ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেশ ক্ষতি হয়। তবে কেউ হতাহত হয়নি। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সে সময় দাবি করে, সিরিয় বিমান বাহিনী দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উপরেই ধ্বংস করেছে। পর্যবেক্ষণ সংগঠনটি বলছে, ওই এলাকায় ইরানি ও হিজবুল্লাহ সদস্যদের উপস্থিতি ছিল। তবে ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে কিনা তা পরিস্কার হওয়া যায়নি।   শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ লেবাননে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। বাশার আল আসাদকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সিরীয় ভূখণ্ডেও তৎপরতা রয়েছে সংগঠনটির। আর সেখান থেকে সংগঠনটি লেবাননে  অস্ত্রের চালান নিয়ে যাচ্ছে অভিযোগ ‍তুলে বেশ কয়েকবার বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।  আর ভবিষ্যতে হামলার আশঙ্কায় সিরিয়ায় ইরানি সেনাদের উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে ইসরায়েল। তারা বিষয়টি সিরিয়ার আরেক মিত্র রাশিয়ার সামনেও উত্থাপন করেছে।

মন্ট্রিয়ল বাংলাদেশি কানাডিয়ান -এমবিসি মিট দ্য প্রেস এন্ড কমিউনিটি অনুষ্ঠিত

MBC

কানাডা থেকে সিবিএনএ।।   

গত ২ ডিসেম্বর শনিবার দুপুরে মন্ট্রিয়লের পার্ক এক্সটেনশনের এক রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশি তরুণদের সামাজিক সহায়ক সংগঠন ‘মন্ট্রিয়ল বাংলাদেশি কানাডিয়ান-এমবিসি’ গণমাধ্যম কর্মী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সদস্যদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করে।

উক্ত সভায় বাংলাদেশে গিয়ে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ত্রাণ সাহায্য সহ তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এমবিসিয়ান জুয়েল উদ্দিন। দেশে বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে ২১ হাজার কানাডিয়ান ডলার এর ত্রাণ বিতরণ করে এমবিসি। এখানে উল্লেখ্য যে এমবিসি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার জন্য দুই সপ্তাহের প্রচারণায় সর্বমোট ৩১ হাজার ১০০ কানাডিয়ান ডলার সংগ্রহ করে যা কানাডাতে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচ্য হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ফান্ড রাইজিং করার পর খরচের একটি সুস্পষ্ট লিখিত হিসাব তুলে ধরেন এমবিসিয়ান আনোয়ার হোসেন তালুকদার। সংগঠনের অন্যতম সদস্য এমবিসিয়ান রাসেল মির্জা ত্রমবিসির আগামীদিনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যারা আর্থিক সহায়তা করছেন সবার প্রতি ধন্যবাদ জানান সংগঠনের সদস্যরা।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রুপক চক্রবর্তী, পাপিয়া চৌধুরী, সাবিনা ইয়াসমিন, রুপু আলম ও সুমন প্রমুখ। নাগরিক টিভি পুরো অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে। সাংবাদিকদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক টিভির- সিইও টিটো রহমান, টিভি এশিয়ার শাহিন আলম ও মাজহারুল ইসলাম বিপুল।

দার্জিলিং এর পথে : ৫০০০ টাকায় ঘুরে আসতে পারেন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

1
আসুন দার্জিলিং।  ৫০০০ টাকাতেই রাজার হালে ঘুরে আসতে পারেন। তবে প্রথমেই বলে নেই এই খরচ কিন্তু ৪-৫ জনের জন্য প্রযোজ্য। আসুন জেনে নেই কিভাবে ৫০০০ টাকায় ঘুরে আসবেন দার্জিলিং।পাসপোর্ট ভিসা রেডি করে মতিঝিলে সোনালী ব্যাংকে ট্রাভেল ট্যাক্স (৫০০ টাকা) জমা দিয়ে দিন তাতে বর্ডারে সময় বাঁচবে আর ঝামেলা কম হবে। এবার যাওয়ার টিকেটের ঝামেলা, তো আপনার নিশ্চয় ৩০-৪০ টাকা আর২-৩ ঘন্টা সময় নষ্ট করে গাবতলী থেকে টিকেট কিনে নষ্ট করার মতো সময় নাই। কোন ব্যাপার না সহজ.কম থেকে ঢাকা-বুড়িমারীর টিকেট কিনে প্রিন্ট করে নিন। নাবিল আরএম-২ (এসি) বাসের টিকেট পেয়ে যাবেন কাউন্টার থেকে ১০০-৩০০ টাকা কমে।
যাত্রার দিন ভালমতো দেখে নিন পাসপোর্ট ভিসা ট্রাভেল ট্যাক্স আর টিকেট ঠিক মতো আছে কিনা? বেড়িয়ে যান বাসা থেকে। নাবিলের এসি বাস গাবতলী থেকে রাত ৯.৩০ এ ছাড়বে। পানি কিনে টাকার নষ্ট করতে না চাইলেও সমস্যা নেই কারণ বাসেই আপনাকে পানির বোতল দেয়া হবে। রাত ১-১.৩০ এর দিকে ফুড ভিলেজ নামের হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে বাস স্টপেজ দিবে সেখানে খুব ক্ষুধা না থাকলেও ৩৫ টাকায় ভেজিটেবল পেটিস পাওয়া যায় খেয়ে বাসে উঠে পরুন। চোখে একটু ঘুম থাকলে চোখ বন্ধ করুন। চোখ খুলেই দেখবেন বুড়িমারী পৌঁছে গেছেন সকাল ৬-৭ টার দিকে। নামলেই দালাল ধরবে আপনাকে কিন্তু আপনার তো কম টাকায় ট্যুর করতে হবে আমার মতো তো কারো সঙ্গে কথা না বলে বুড়ির হোটেলে গিয়ে সকালের নাস্তা সেরে নিন। সারারাত তো বাসে বসে ছিলেন তো নাস্তা শেষে হাতে কিছু সময় থাকলে একটু এদিক হাটাহাটি করুন। বর্ডার খুলবে ঠিক ৯.০০ টায়। নিজে নিজেই ইমিগ্রেশন অফিসে চলে যান। কাউন্টার থেকে একটা ডিপার্চার ফরম ফিলআপ করুন। কাউন্টারে আপনাকে ২০ টাকা দিতেই হবে। ফরম ফিলআপ করে ছবি তুলে কাস্টমসের দিকে এগিয়ে যান। কাস্টমসে ট্রাভেল ট্যাক্সের কপি সো করে একটা সিল নিয়ে ঢুকে যান ইন্ডিয়া।

2
ইন্ডিয়া ঢোকার পরও আপনাকে দালাল ধরবে। এখানের দালালগুলা মোটামুটি ভাল। বাংলাদেশী ১০০ টাকায় আপনার সব কাজ করে দিবে। এখানে দালাল দিয়ে করিয়ে ফেলুন সব ফর্মালিটিজ। আমি একা একাই করেছিলাম কিন্তু কাস্টমসে আর ইমিগ্রেশনে ৫০+৫০ = ১০০ টাকাই লাগে আর সাথে একটু ফাও ঝামেলা। দালালরা এটা ৭০-৮০দিয়ে মনে হয় সেট করে নিজেদের ২০/৩০ কমিশন রাখে। ফর্মালিটিজ শেষে বর্ডারের সঙ্গের মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে রেট যাচাই করে সাথের টাকা/ডলার ক্যাশ করে নিন। আমি ৮১.৫ করে পেয়েছিলাম বাংলাদেশী ১০০ টাকায়। বর্ডারেই সব টাকা ভাঙ্গিয়ে নিন পরে কিছু বাঁচলে আবার ব্যাক করার সময় ক্যাশ করে নিতে পারবেন ১.১৮ টাকা রেটে। শিলিগুড়ি অথবা দার্জিলিং-এ বাংলাদেশি টাকা এক্সচেঞ্জ করা অনেক ঝামেলার কাজ আর রেট খুবই কম বর্ডার থেকে প্রায় ১০-১৫ টাকা করে কম পাবেন।
শহর “ঘুমে”
টাকা ক্যাশ করে এবার শিলিগুড়ি চলে যান। চেংরাবান্ধা বর্ডার থেকেই শেয়ার ট্যাক্সি পাওয়া যায় ভাড়া পড়বে ২০০ রুপির মতো অথবা বর্ডার থেকে অটো রিক্সা নিয়ে চলে যান চেংরাবান্ধা বাইপাস ভাড়া পড়বে ৩০-৪০ রুপি। সেখান থেকে মাথাভাঙ্গা অথবা কুচবিহার থেকে শিলিগুড়ির বাসে মাত্র ৬০ রুপি দিয়ে চলে যেতে পারবেন শিলিগুড়ি। বাসগুলো ভালই আর স্পীড লক্কর-ঝক্কর অ্যাম্বাসেডর থেকে বেশি। ৯টা বাজে বর্ডার ক্রস করলে ১১-১২টার মধ্যেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাবেন। এবার শিলিগুড়ি তেনজিং নরগে বাস টার্মিনালে নেমে পাশের শিলিগুড়ি জংশনে একটু ঢুঁ মারতে পারেন। সাথেই সুন্দর দার্জিলিং হিমালয়ান রেল স্টেশন। একটু পর দুপুরের খাবার শেষ করে এবার ট্রাফিক বক্সের সাথের জীপ স্ট্যান্ড থেকে ১৩০ রুপি দিয়ে দার্জিলিংয়ের শেয়ার জীপের টিকেট নিয়ে জীপে বসে পরুন। পাহাড়ি রাস্তার সৌন্দর্য, মেঘ আর পাহাড়ি গ্রাম দেখতে দেখতে ৩-৩.৩০ ঘণ্টায় চলে যাবেন দার্জিলিং। দার্জিলিং মটর স্ট্যান্ডে নেমে একটু উপরের দিকে গিয়ে রুম নিয়ে নিন। বেশি উপরে হোটেল ঠিক করলে নিচে নামতে কষ্ট লাগবে আর বেশি নিচে নিলে উপরে যেতে কষ্ট লাগবে তাই মাঝামাঝি জায়গায় হোটেল ঠিক করুন। ১২০০-১৫০০ রুপির মধ্যে গিজার সহ ভাল মানের রুম পাবেন। ৪-৫ জন ইজিলি থাকা যাবে আর রুম কক্সবাজারের ৪-৫ হাজার রুমের চাইতে কোন অংশেই কম ভাল না। হোটেল ঠিক করে একটু দার্জিলিংয়ের এদিক সেদিক হাঁটাহাঁটি করে মসজিদের পাশে মুসলিম হোটেল আছে সেখানে গরুর মাংস ভুনা আর ভাত খেয়ে নিন। খাওয়া দাওয়া শেষে পরদিন লোকাল টুরিস্ট স্পট ঘুরার জন্য একটা জীপ ঠিক করে নিন ২০০০-২৪০০ রুপির মধ্যে। রুমে গিয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরুন কারণ জীপ আপনাদের রুম থেকে ডেকে নিয়ে যাবে ভোর ৪টার সময়। মোটামুটি সবগুলা স্পট দেখিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ হোটেলে ছেড়ে যাবে। আমরা ঘুম থেকে উঠতে পারিনি তাই ভোরে টাইগার হিল, বাতাসিয়া লুপ আর ঘুম মন্সট্রি মিস করেছিলাম।

টাইগার হিলে সুর্যোদয়
পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নিন। ভোর ৪টায় জীপে করে টাইগার হিল বাতাসিয়া লুপ আর ঘুম ঘুরে জীপ আপনাদের ৮টার দিকে হোটেলে দিয়ে যাবে নাস্তা করার জন্য। নাস্তা শেষে আবার জীপে গিয়ে বসুন আর একে একে হিমালয়ান মাউন্টেনারিং ইন্সটিটউট, মিউজিয়াম, চিড়িয়াখানা, তেনজিং রক, জাপানিস টেম্পল, পিস প্যাগোডা, টি-গার্ডেন, বোটানিক্যাল গার্ডেন আর রক গার্ডেন ঘুরে দেখুন। এইচএমআই তে ঢোকার জন্য আপনাকে টিকেট কিনতে হবে। ইন্ডিয়ানদের জন্য ৫০ রুপি আর বিদেশিদের জন্য ১০০ রুপি সঙ্গে ক্যামেরার জন্য অতিরিক্ত ১০ রুপি।
আমরা যেহেতু ইন্ডিয়ানদের ভাই তো ৫০ রুপি দিয়েই টিকেট নিয়ে নিন। ওরা বুঝতে পারবে না আপনি কোন দেশের। তেনজিং রকে ৫০ রুপি দিয়ে রক ক্লাইম্ব করতে পারবেন আর রক গার্ডেন ঢুকতে আপনাকে ১০ রুপি দিয়ে টিকেট কিনতে হবে। রক গার্ডেন থেকে ব্যাক করার সময় অরেঞ্জভ্যালি টি স্টেটে একটু নেমে সময় কাটাতে পারেন। দার্জিলিং স্টেশনেও এক কাপ চা খেয়ে নিতে পারেন। এদিন ক্যাবল কারে উঠার কোন দরকার নেই বলে আমার মনে হয় কারণ ক্যাবল কারে চড়তে গেলে আপনাকে লাইন আর রাইডসহ ৩-৪ ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হবে তাতে আপনি অন্য জায়গা গুলো শান্তিমতো ঘুরতে পারবেন না। সন্ধ্যায় হোটেলে ব্যাক করে দার্জিলিংয়ে পায়ে হেটে ঘোরাঘুরি করুন। জায়গায় জায়গায় রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেখানে গিয়ে লোকাল ফুড ট্রাই করতে পারেন। মমো আর থুপকা (স্যুপি নুডুলস টাইপ) অসাধারণ।রাতে মুসলিম হোটেলে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। একটু দেরী হলেও সমস্যা নেই কারণ কালকে আপনার তেমন কোন কাজ  সকাল ৮-৯টায় ঘুম থেকে উঠুন। ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করে বেড়িয়ে পরুন। গতকাল তো ক্যাবল কারে উঠতে পারেন নি। নিচে মটর স্ট্যান্ড থেকে লোকাল জীপে ১০ রুপি করে চলে যান সেন্ট জোসেফ স্কুলের সামনে। এখান থেকে ঠিক বিপরীতে সিড়ি দিয়ে উপরে উঠলেই ক্যাবল কার। ১৭৫ রুপি দিয়ে টিকেট কিনে লাইনে দাড়িয়ে যান। লাইন শেষে ক্যাবলকারে চড়ে বসুন। ক্যাবল কার থামলে নেমে আবার লাইনে দাড়াতে হবে। সেখান থেকে আবার একটু পর ক্যাবল কারে চড়ে আগের জায়গায় রাইড শেষ হবে। আবার আগের মতো লোকাল জীপে চলে যান দার্জিলিং মটর স্ট্যান্ড। হোটেলে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন। বিকেলে বিগবাজার অথবা লোকাল মার্কেট থেকে শপিং করার থাকলে করে নিন। সন্ধ্যায় আইনক্সে একটা মুভি দেখতে ভুলবেন না। বিগবাজারের বিল্ডিংয়েই আইনক্স। টিকেট মাত্র ৭০রুপি। ব্লগবাস্টার থেকেও বক্স অফিসটা জোস। মুভি দেখা শেষ করে রাতের খাবার খেয়ে নিন। রুমে ফেরত চলে যান। আপাততো আপনার দার্জিলিং ঘোরা শেষ। এবার চাইলে ব্যাগ প্যাক করে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন কালকে সকালে ব্যাক করার জন্য। অথবা একটা দিন ঘুমিয়েও কাটাতে পারেন চাইলে।
ব্যাক করার সময় দার্জিলিং থেকে লোকাল শেয়ার জীপে করে মিরিক চলে যেতে পারেন। সেখান থেকে শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি থেকে বাসে করে চেংরাবান্ধা বাইপাস তারপর চেংরাবান্ধা বর্ডার। ট্যুর শেষে রুপি থাকলে বর্ডারে আবার টাকায় চেঞ্জ করে নিন। বর্ডারে কাউকে ১০০ টাকা দিলে সেই সব ফর্মালিটি শেষ করে আপনাকে গেট অবধি ছেড়ে দিয়ে আসবে। বাংলাদেশ ঢুকে টুকটাক ঝামেলা করতে না চাইলে কোন দালালের সহায়তা নিন। কোন ঝামেলা ছাড়াই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই। কিন্তু টাকা দিতে হবে ২০০। বেশি দাবি করবে কিন্তু দিবেন না। সময় থাকলে বুড়ির হোটেলে খেয়ে নিন নয়তো কিছু খাবার কিনে বাসে উঠে বসুন। বর্ডারেই অনেক বাস কাউন্টার আছে। সবগুলো বাস ৬.১০-৬.৩০ এর মধ্যেই ছেড়ে দেয়।
টিকেটের জন্য দালাল ধরতে পারে আপনাকে কিন্তু একাই যাবেন টিকেট কাউন্টারে। এখানে দালাল আপনার থেকে টাকা নিবে না কিন্তু কাউন্টার আপনার থেকে টিকেটের দাম ২০-৫০ টাকা বেশি নিয়ে দালালকে কমিশন দেবে। রাতে বাস থামলে, রাতের খাবার সেরে নিতে পারেন। সকাল সকাল ঢাকা নেমে যান আর বাসায় গিয়ে হিসাব করুন শপিং ছাড়া কত টাকা খরচ হলো।

কাতারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু।

এনামুল হোসেন, দোহা (কাতার)

received_773750946149843

 কাতারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সফিকুল ইসলাম (২৭) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার কাতারের আল শামাল সানাইয়া নামক স্থানে কর্মস্থলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান তিনি। নিহত সফিকুল কাতারে একটি কোম্পানিতে ৮ বছর কর্মরত ছিলেন।নিহতের বাড়ি নোয়াখালী সোনাইমুড়ী আমিশাপাড়া বারিনগর গ্রামে। সফিকুলের বাবার নাম তোফায়েল আহমেদে। নিহতের মরদেহ স্থানীয় দোহা হামাদ মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।কাতার বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম শ্রম সচিব রবিউল ইসলাম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। এছাড়া কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

কাতারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সফিকুল ইসলাম (২৭) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার কাতারের আল শামাল সানাইয়া নামক স্থানে কর্মস্থলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান তিনি। নিহত সফিকুল কাতারে একটি কোম্পানিতে ৮ বছর কর্মরত ছিলেন।নিহতের বাড়ি নোয়াখালী সোনাইমুড়ী আমিশাপাড়া বারিনগর গ্রামে। সফিকুলের বাবার নাম তোফায়েল আহমেদে। নিহতের মরদেহ স্থানীয় দোহা হামাদ মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।কাতার বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম শ্রম সচিব রবিউল ইসলাম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। এছাড়া কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।