সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট :

hsc

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ২০১৬ ও সমমানের পরীক্ষার ফল বৃহস্পতিবার (১৮ আগষ্ট) প্রকাশ করা হবে। এদিন সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরে দুপুর ১টায় মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন মন্ত্রী। বেলা ২টায় কলেজগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে।

যেভাবে জানবেন এইচএসসির ফলাফল

তবে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই এইচএসসির ফলাফল জানতে পারবে। বেলা ২টার পর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব সাইটে ফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও যেকোনো মোবাইল থেকে এসএসএম করে পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এজন্য মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ (HSC DHA 000001 2016) লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। একইভাবে মাদ্রাসা বোর্ডের আলিমের ফল জানতে ALM লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। একইভাবে এইচএসসি ভোকেশনালের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

মাধবপুরে বৈকুন্ঠী চা বাগানের শ্রমিকরা বেতন পাচ্ছে না

চা-শ্রমিক

 হবিগঞ্জ :

জেলার মাধবপুর উপজেলার বৈকুন্ঠী চা বাগানে ৪১৫ শ্রমিক ও ৮ স্টাফ বেতন, রেশন ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না। বেতন ও রেশন না পেয়ে শ্রমিকরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইতিমধ্যে শ্রমিক স্টাফসহ ৫ জন অনাহারে অর্ধাহারে মারা গেছেন বলে শ্রমিকরা জানিয়েছেন। ৪ মাস ধরে বাগান ম্যানেজার ও দুই কর্মকর্তা লাপাত্তা হয়ে গেলেও শ্রমিকরা বাগানে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। পাচ্ছেন না তাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরী ও রেশন। এতে যে কোন সময় ফুঁসে উঠতে পারে ওই বাগানের শ্রমিকরা। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে শ্রমিকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৯৫৫ একর ভূমি নিয়ে বৈকুন্ঠী চা বাগান। ৪১৫ শ্রমিক ও ৮ জন স্টাফ নিয়ে বাগানের চা উৎপাদনের কাজ চলছিল। গত ১০ মে থেকে বাগান মালিকের অব্যস্থাপনার কারণে চা বাগানের ৪১৫ জন শ্রমিক ও ৮ জন স্টাফ নিয়মিত মজুরী, রেশন ঔষধ পাচ্ছে না। চা শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরী না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। চা শ্রমিক নেতা শাওন রবি দাস ও বাগান পঞ্চায়েত সেক্রেটারী জানান, শ্রমিক প্রভিন্ডেট ফান্ডের ২৪ মাসের ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ২৯ টাকা বাগান মালিক পক্ষ আত্মসাত করেছে। ৪ মাসের স্টাফ বেতন ৩ লাখ ৫৯ হাজার ২৫ টাকা, শ্রমিকদের মজুরী ৩৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, হাজিরা বোনাস ২০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ না করেই মুখার্জী কোম্পানীর (বৈকুন্ঠী চা বাগান) ম্যানেজার শাহজাহান ভুইয়া লাপাত্তা রয়েছেন। শ্রমিকরা বলেন- ন্যায্য মজুরী বোনাস, রেশন না পেয়ে আমরা এখন খুব কষ্টে জীবন যাপন করছি। ৪১৫ শ্রমিকের আড়াই হাজার সদস্য অর্ধাহারে অনাহারে দিন যাপন করছে। অর্ধাহারে ও অনাহারে থেকে ইতিমধ্যে ৩ শ্রমিক নিতাই শাওতাল, প্রবণ সাওতাল ও লক্ষ্মীমনি বুমিজ মারা গেছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা এখন অনেকটা কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছেন। বেতন না পেয়ে ও শ্রমিকদের চাপের কারণে স্ট্রোক করে বাগানের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ও মরণ চক্রবর্তী মারা গেছেন । চা শ্রমিকদের মহিলা সর্দার অমলা র‌্যালী জানান, ৪ মাস ধরে বেতন ও রেশনের টাকা না পাওয়ায় বাগানের শ্রমিকরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েছেন। অনেকেই ছেলে-মেয়েদের খাতা, কলমসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কিনে দিতে পারেছন না। হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা করাতে পারছেন না। তারপরও তারা বাগানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাগানের টিলাবাবু (মালিক পক্ষের কর্মচারী) দীপক কুমার রায় জানান, ৪ মাস ধরে শুধু শ্রমিক নয়, আমরাও বেতন, ভাতা, রেশন পাচ্ছি না। বেতনের টাকার জন্য মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা দেই দিচ্ছি বলে সময় কর্তন করছেন। তিনি বলেন- স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দুই সহকর্মী মারা গেছে। আমরা অবিলম্বে বেতন ভাতা চাই। ইউপি সদস্য বাবুল চৌহান জানান, শ্রমিকদের ন্যায্য শ্রমের মূল্য দেয়ার জন্য বার বার মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের কাছ থেকে সদুত্তর পাচ্ছি না। শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি না পেয়ে বাগানের চা উৎপাদন ও পাতা প্লাকিং অব্যাহত রেখেছেন। ইতিপূর্বে মালিক পক্ষ বাগানের উৎপাদিত চা বিক্রির চেষ্টা করলেও শ্রমিকরা পাওনা টাকা না পাওয়ায় তা বিক্রি করতে দেয়নি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে আমরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছি। এখন আমরা চাই প্রশাসনের মাধ্যমে বাগানের শ্রমিকদের সমুদয় বেতন ভাতা পরিশোধ করে বাগানের উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তাদের ন্যায্য মজুরী দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম। অন্যথায় আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো। এ ব্যাপারে বাগানের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন, ভাতা ও রেশনের টাকা পরিশোধ করা হবে।

পালিয়ে গেলেন রাগীব আলী

1471000268882

সিলেট: তারাপুর চা বাগান নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতরণার মামলার আসামি শিল্পপতি ও কথিত দানবীর রাগীব আলী ভারতে পালিয়ে গেছেন।গত বুধবার তিনি ও তার ছেলে, মেয়ে, জামাতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর ওই দিন বিকেলেই তিনি জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। এসময় সাথে ছিলেন ছেলে আবদুল হাই, আবদুল হাইয়ের স্ত্রী ও ছেলে এবং তার (রাগীব আলী) বাংলোর দুই শিশু। রাগীব আলীর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সুজ্ঞান চাকমা। সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, আবদুল হাইয়ের স্ত্রী ও ছেলে এবং রাগীব আলীর বাংলোর দুই শিশুকে সাথে নিয়ে জকিগঞ্জ যান। জকিগঞ্জে রাগীব আলীর এক ঘনিষ্ট ব্যক্তি ৬টি পাসপোর্ট নিয়ে জকিগঞ্জ সীমান্তের কাস্টমসস্থ ইমিগ্রেশন অফিসে আসেন। বিকেল সাড়ে ৫টায় রাগীব আলীসহ অন্যরা নৌকা দিয়ে কুশিয়ারা নদী পার হয়ে ভারতে পাড়ি জমান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান- রাগীব আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আদালত থেকে বের হওয়ার আগেই তিনি জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারত পালিয়ে গেছেন। এসময় তার সাথে ছেলে আবদুল হাইসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছিলেন। প্রসঙ্গত, জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ভূমি আত্মসাৎ ও প্রতারণার আলোচিত দুটি মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে-মেয়েসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতির মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অন্যদিকে প্রতারণার মামলায় রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, জামাতা আবদুল কাদির, মেয়ে রুজিনা কাদির, রাগীব আলীর আত্মীয় মৌলভীবাজারের দেওয়ান মোস্তাক মজিদ, তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গার উপর তারাপুর চা বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। আশির দশকে জালিয়াতির মাধ্যমে এটি দখলে নেন রাগীব আলী। এ নিয়ে চলা মামলার প্রেক্ষিতে আদালতে একটি রিট পিটিশনের ভিত্তিতে গত ১৯ জানুয়ারি তারাপুরে রাগীব আলীর দখলদারিত্বকে অবৈধ ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। একইসাথে বাগানের সকল স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন আদালত।

৪৪ বছর পর বঙ্গবন্ধুর সেই পাইপ যাচ্ছে জাদুঘরে

কমলকুঁড়ি ডেস্ক:

1471079142371

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যবহৃত একটি টোব্যাকো পাইপ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খুলনা পাইকগাছা এলাকার দাউদ আলী নামের এক ব্যক্তির কাছে পাইপটি প্রায় ৪৪ বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল। ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাইকগাছা সফরকালে পাইপটি বঙ্গবন্ধু ফেলে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।  পাইকগাছা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ওয়াপদার বেড়িবাঁধ উদ্বোধনের উদ্দেশে পাইকগাছা সফর করেন। আলমতলার বেড়িবাঁধের উদ্বোধন শেষে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিথি ভবনে এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত টোব্যাকো পাইপটি সেখানে পাওয়া যায় । পরে গড়ইখালী ইউনিয়নের পাতড়াবুনিয়া গ্রামের মৃত মুন্সী তাজেল গাজীর ১২ বছরের শিশুপুত্র দাউদ আলী পাইপটি কুড়িয়ে পান এবং নিজের কাছে যতœ করে রেখে দেন।
পরবর্তী সময়ে দাউদ আলী এলাকার রায় সাহেব কালিচরণ ছেলে ছেলে ভবতোষ মন্ডলের হেফাজতে পাইপটি রেখে দেন। দীর্ঘদিন পর দাউদ আলী ও ভবতোষ পাইপটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে সংরক্ষণের উদ্দেশে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দাউদ আলী ও ভবতোষ পাইপটি পাইকগাছা থানার ওসি মারুফ আহম্মদের কাছে তুলে দেন। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ আহম্মদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত দুর্লভ পাইপটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে হস্তান্তরের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে দাউদ আলী ও ভবতোষ মন্ডল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ওই পাইপ রাষ্ট্রীয় সম্পদ। তাই এটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে দেওয়ার জন্য হস্তান্তর করেছি।’

১৫ আগস্ট রাজধানীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে : ডিএমপি কমিশনার

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

14710823691193

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, জাতীয় শোক দিবসে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই রাজধানীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। শনিবার রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ও প্রতিকৃতিসহ আশপাশের এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জঙ্গিদের বিষয়ও আমলে নেওয়ার কথা জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাতীয় শোক দিবসে সোমবার ভোর ৪টা থেকেই মিরপুর রোডের রাসেল স্কোয়ার থেকে মেট্রো শপিং মল পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সকল দর্শনার্থীকে নিরাপত্তা তল্লাশীর মাধ্যমে ৩২ নম্বর রোডে প্রবেশ করতে হবে। কোন প্রকার ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ, ধারালো বস্তু, বিস্ফোরক, নারীদের হাতব্যাগ বহন না করার জন্য বলা হয়েছে। ভোরে ভিভিআইপিগণ ৩২ নং এলাকা ত্যাগ না করা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের কলাবাগান মাঠে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ভিভিআইপিগণ চলে যাবার পর আর্চওয়ে চেকিংয়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘরে প্রবেশ করতে হবে। মিরপুর রোড (কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড হতে সোবহানবাগ মসজিদ পর্যন্ত) এবং ধানমন্ডির আশে পাশে মোটর সাইকেল পার্কিং নিষিদ্ধ থাকবে। সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত নিরাপত্তার পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে চেকপোস্ট স্থাপন, সিসিটিভি স্থাপন, সোয়াট টিম, ডগ স্কোয়াড, বোম ডিসপজাল টিম। ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিরাপত্তার জন্য যা যা করার দরকার ডিএমপি তাই করবে।

দেশে আইএস নামে কোন জঙ্গি সংগঠন নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :

14710822165623

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দেশে আইএস নামে কোন জঙ্গি সংগঠন নেই। তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় সাভার সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জঙ্গিবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যদানকালে এ কথা বলেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দেশের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত আমরা ঘুরে দেখেছি, আইএস’র কোন অস্বিত্ব নেই। রাজধানীর গুলশান ও শোলাকিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে জঙ্গি হামলা করে বিদেশীদের হত্যার ঘটনা ঘটেছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করেছে। তিনি বলেন, দেশে কোন আইএস নাই। যারা এসব ঘটনা ঘটিয়েছে তারা এদেশীয় ইসলাম বিরোধী সন্ত্রাসী। তারা জেএমবি, হুজি, আনছার উল্লাহ বাংলাটিম। এদেরকে কঠোর হাতে দমন করার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার।

কি করছেন মুনমুন, ময়ূরী এবং পলি ?

বিনোদন ডেস্ক :

13920970_576759332507362_4917637172274351547_n
এমন একটা সময় ছিল ঢালিউডে, যে সময়ে কোন নতুন সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই, ওরা তিন জনের যে কেউ থাকবেই। যদিও সে সময় আর বর্তমান সময়ের মাঝে অনেক পরিবর্তন এসেছে চলচ্চিত্র শিল্পে। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়ায় হারিয়েছে ওরাও।
মুনমুন, ময়ূরী এবং পলি এখন কোথায় — এমন কৌতুল অতীত দর্শকের অনেকের মধ্যেই আছে। পরিচিত জন যারা চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে এসব কৌতুহলী দর্শকরা জানতে চান তারা এখন কে কোথায় আছেন। ক’দিন আগে একজন ফেসবুক ইনবক্সে জানতে চাইলেন, মুনমুন কোথায় আছে – ঢাকা নাকি বিদেশে।
তার কাছে জানতে চাওয়া হলো, তিনি কি বুঝাতে চাইলেন। বললেন, এদেশের নায়িকারা যখন আর পর্দায় থাকেন না, কর্মহীন হয়ে পড়েন ইন্ডাষ্ট্রিতে তখন তারা বিদেশ চলে যান কাজের খোঁজে। অথবা বিয়ে করে সংসারী হন, যা বেশিদিন টেকেনা। টিকলেও সেটা থাকে নানা গুজব গুঞ্জনে ভরপুর। এসব কারণে তারা পত্র-পত্রিকায় অহরহ আসতে থাকেন। কিন্তু কোনও দিক থেকেই তিনি তার কৌতুহল মিটাতে পারছিলেন না। তাই প্রশ্নটির অবতারণা করেছেন।
অতীতের সাড়া জাগানো, পর্দা কাঁপানো, লাস্য-রসে এবং আদিম আচরণে বিনোদন পিয়াসী দর্শকের তৃঞ্চা মেটানো নায়িকাদের হাল-হকিকত জানার কৌতুহল এমনিভাবে অনেকের মধ্যেই আছে। অনেকেই জানতে চান অশ্লীল বাণিজ্যিক ছবির যৌনাবেদনময়ী বা মশলা ছবির প্রধান উপাদান এসব নায়িকারা এখন কি করছেন এবং কোথায় আছেন।
কৌতুলী দর্শকের এই কৌতুহলকে সম্বল করে খোঁজ-খবর নিতে গিয়ে জানা গেল, মুনমুন আশুলিয়ায় নিজের বাড়িতেই আছেন। সংসার করার স্বপ্ন নিয়ে দু’বার বিয়ে করেছেন। দুই ঘরে তার দুটি ছেলে সন্তানও আছে। মুনমুনের সন্তান ভাগ্য অনুকুলে থাকলেও স্বামী ভাগ্য তেমন একটা সুখকর নয়। দুই স্বামীই তাকে ত্যাগ করেছে। তার মাও মুনমুনকে নিয়ে স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন ভাগ্যের সন্ধানে।

“গুন যখন গালি আর বিড়ম্বনা”

।। সফিকুল ইসলাম।।

13435392_10209362114871539_3490222783896931567_n

  বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে আপনার গুনও গালি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে আপনাকে পচাঁনো হয়। অন্য দেশেও কি হয়? হতে পারে আমার জানা নেই। অন্য প্রাণীর মধ্যেও কি হয়? হতে পারে আমার জানা নেই। প্রাণীর মনোজগত নিয়ে কাজ করেন যারা তারাঁ বলতে পারবেন। আপনি হয়তো বেশি সাদা বা লাল, বাংলাদেশে যাদেরকে সুন্দর বলে। কিন্তু আপনার এ ভালো দিকও গালি হয়ে প্রতিষ্ঠা হবে। ধলা ব্যাটা বা লাল বেটি নামে আপনাকে তাচ্ছিল্য করে এমনভাবে ডাকবে, যেন আপনার সাদা বা লাল হওয়াটা অন্যায় আর কি! আপনি হয়তো বিদেশ গিয়ে অনেক টাকা-পয়সা রোজগার করছেন। প্রতিবেশিরা আপনাকে মুখ বাঁকা করে বলবে- ওঅ ওতো দুইদিনের বড়লোক। বিদেশ গিয়া টাকা কামাইছে! আপনি হয়তো পড়াশোনা করেছেন- আপনাকে বলবে দুইকলম শিকখ্যা এখন বড় বড় আলাপ করে। ওইরহম শিকখিত ম্যালা দ্যাখছি! আপনি হয়তো বেশি সামাজিক। প্রায় আড্ডা দেন।আপনাকে বলা হবে- ওতো আড্ডাবাজ! কাম-কাইজ নেই। খালি কথা বইলা বেড়ায়!আপনি হয়তো অনেক কষ্ট করে ইংরেজি শিখছেন, প্রনানসিয়েশানসহ ভালো বলেন। এ নিয়েও কটুক্তি হবে। বলা হবে- হ্যা তো অহন চুস্ত ইংরাজি মারায়। আপনার তখন মনে হবে কোন ভুলে যে ইংরেজি শিখতে গেছিলাম। আপনি হয়তো এমপি বা মন্ত্রী বা ক্ষমতাধরের ভাই। তখন আপনার যতগুনই থাকুক আর যত ভালোই করেন, আপনাকে বলা হবে- তিনিতো ভাইয়ের পাওয়ারে ওইসব করছেন। আপনি হয়তো কম বয়সেই ভালো কিছু লিখে ফেলেছেন, আপনাকে নিচে নামানোর জন্য দুনিয়ার সমালোচনা জুটবে। পরিবারও বাদ যাবেনা সে সমালোচনা থেকে। আপনি হয় বিদেশ থেকে তিনটি ডক্টরেট করে ফেলছেন। তারা বলবে তিনিতো বাইরে বাইরে থাকেন দেশের জন্য কিছু করেননা। আপনি হয়তো দেশেই সারাজীবন শ্রম দিয়েছেন। তখন বলবে তারতো আউটলুক নেই। আপনি হয়তো আইটিতে ভালো। লোকে বলবে সে তো টেকনোলজি ছাড়া কিছু বোঝেনা। আপনি হয়তো টেকনোলজি কম বুঝেন বাট অন্য দিকে ভালো।তখন বলবে সে তো ট্রাডিশনাল, আধুনিক না। আপনি হয়তো ভাবছেন, এসব আপনার গায়ে লাগেনা। কারণ আপনি কামিনী রায়ের পাছে লোকে কিছু বলে ভালো করেই জানেন।

 ”করিতে পারি না কাজ, সদা ভয়, সদা লাজ, সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে।…

আড়ালে আড়ালে থাকি, নীরবে আপনা ঢাকি,সম্মুখ চরণ নাহি চলে, পাছে লোকে কিছু বলে।

মহৎ উদ্দেশ্যে যবে একসাথে মিলে সবে, পারিনা মিলিতে সেই দলে, পাছে লোকে কিছু বলে।

বিধাতা দিয়েছেন প্রাণ, থাকি সদা ম্রিয়মান, শক্তি মরে ভীতির কবলে, পাছে লোকে কিছু বলে।”

আপনি হয়তো দৃঢ়সঙ্কল্প করেছেন, পেছনে কে কী বললো গাঁয়ে লাগাবেননা।  কিন্তু দিন এখন বদলাইছে। আশেপাশের মানুষ এখন আর শুধু বলেই ক্ষান্ত হননা, খোঁচা মেরেই থেমে থাকেননা। বরং আপনার পেছনে লেগে যায় কিভাবে আপনাকে ল্যাং মারা যাবে। বহুসংস্কৃতির হরেকরকম সঙ্কর বাঙ্গালীর এ সমস্যার সমাধান কে করবে?! বঙ্গবন্ধু এজন্যই বলেছিলেন “পরশ্রীকাতরতা এবং বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে”।ঈর্ষা, দ্বেষ সকল ভাষায়ই পাবেন, সকল জাতির মধ্যেই কিছু কিছু আছে, কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে আছে পরশ্রীকাতরতা। ভাই, ভাইয়ের উন্নতি দেখলে খুশি হয় না। আগে তো পরের শ্রী দেখলে কাতর হতো এখন আর কাতর হয়না, রাগে জ্বলে উনুন হয়ে যায়, সুবিধামতো পেলে একেবারে পুড়িয়ে দেয়। দরকার হলে নিজের ক্ষতি করে হলেও আপনার ক্ষতি করবে। প্রবাদতো আছেই, “ নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ “ । রবী ঠাকুরও বলে গেছেন- আমি যে দেখেছি গোপন হিংসা কপট রাত্রিছায়ে, হেনেছে নিঃসহায়ে”। সংসারে কত লোকের মনে কত ঈর্ষার আগুন ধিকিধিকি জ্বলে! কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করেছিল পরশ্রীকাতরতায় ভূগেই। আল্লাহর রাসুল বলছেন ”আগুন যেমন শুকনা কাঠকে জ্বালিয়ে ছাই করে দেয় , হিংসা তেমনি পূণ্যকে ধ্বংস করে দেয়”। কুরান হাদীস দিয়ে কী হবে? ধর্ম মানি আর না মানি বাঙ্গালী মাত্রই পরগুনকে অসহ্য লাগে। যাদের অসহ্য লাগেনা, তাঁরা ব্যাতিক্রম।

 

(লেখকের ফেসবুক থেকে নেয়া)

বাংলাদেশ থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
1470314069
৪০১ জন যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ফ্লাইটটি জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরের হজ টার্মিনালে অবতরণ করে।

সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ  বিষয়টি জানান। এসময় বিমানবন্দরে রাষ্ট্রদূত ছাড়াও জেদ্দা কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল একেএম শহীদুল করিম, সৌদি সিভিল এভিয়েশনের মহাপরিচালক সহ দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা হজ যাত্রীদের উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) সকাল ৮টা ০৭ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি- ১০১১ ফ্লাইটটি ঢাকা ছাড়ে। প্রথম হজ যাত্রীদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এতে অংশ নেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মো. আবদুল জলিল। এছাড়া সিভিল এভিয়েশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি বছর সৌদি আরবে হজ করতে যাবেন এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স হজ যাত্রীদের পরিবহন করবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ খ্রি./৯ জিলহজ ১৪৩৭ হিজরি সালে পবিত্র হজ হবে।

সিএনজি দাম বাড়ানো হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার হুমকি

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
111
ঘনীভূত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) দাম বাড়ানো হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি ও সিএনজির মূল্য বৃদ্ধি থামাও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় পরিবহন খাতে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার স্বার্থে এ হুমকি দেন সংগঠনটি সভাপতি মাসুদ খান। গত সেপ্টম্বরে সিএনজির মূল্য ২৬ শতাংশ বাড়ানোয় পরিবহন ভাড়া দেড় গুণ বেড়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এবার বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে ৮৩ শতাংশ। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পরিবহন ভাড়া আবার বেড়ে দ্বিগুণের বেশি দাঁড়াবে। একইসঙ্গে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে পণ্যর দামও বাড়বে। গ্যাসের দাম বাড়াতে গত মার্চে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে প্রস্তাব পাঠায় গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো। তাদের প্রস্তাবের ওপর আগামী ৭ থেকে ১৮ অগাস্ট গণশুনানি হবে।
গত এপ্রিলে তেলের মূল্যে কমানোর সময় সিএনজির মূল্যে কমানো হয়নি জানিয়ে মাসুদ বলেন, তেলের মূল্যে কমানো হলেও তেলে চলা পরিবহন ভাড়া কমেনি। সিএনজিতে চলা ও তেলে চলা পরিবহন খাতের মধ্যে সুষ্ঠ প্রতিযোগিতা ব্যাহত হচ্ছে। এই সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা না থাকায় সিএনজির দাম বাড়ালে পরিবহন খাত তেলের দিকে যাবে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি বলেন, “আমরা মূল্যবৃদ্ধির শুনানিতে যাব, মূল্যবৃদ্ধি না করতে সুপারিশ করব। তবে মূল্যে বৃদ্ধি করলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করা হবে। বর্তমানে দেশে সিএনজি স্টেশন ৫৯০টি এবং রূপান্তরিত গাড়ি তিন লাখ এবং থ্রি হুইলার ৫ লাখ। ২০১৫ সালে প্রতি ইউনিট সিএনজি ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করা হয়। গত ছয় বছরে এর দাম বেড়েছে ২০০ শতাংশ।
দেশে উৎপাদিত গ্যাসের ৫% এর কম ব্যবহার করে সিএনজি খাত সরকারকে মোট গ্যাস মূল্যের ২২% এর বেশি রাজস্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ বলেন, এতে দেশীয় সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে এবং হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। তাই দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারকে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিএনজি দাম বাড়ানোর পর তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টির জন্য এ উদ্যেগে নেওয়া হচ্ছে দাবি করে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, “সরকার সিএনজির দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে আয় বৃদ্ধির জন্য নয় বরং যারা নতুন ব্যবসায় নামছে তাদের ব্যবস্থা যেন লাভজনক হয় সেজন্য।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, বাংলাদেশে গ্যাস শেষ হয়ে যাচ্ছে- এই অজুহাতে দাম বাড়াতে চাচ্ছে। দেশে গ্যাস নেই- এটি ঠিক নয়। বঙ্গোপসাগরে গ্যাস কূপ অনুসন্ধানে কোনো উদ্যেগে নেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে কূপ খননে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কোম্পানি বাপেক্স এর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এম এম আকাশের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম ও ঢাকা মেট্রোপলিটন সিএনজি অটোরিক্সা ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু।