সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ : মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগ-বিএনপি’র মধ্যে দলীয় কোন্দল মিটিয়ে প্রচারণা

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

14
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র মধ্যে দলীয় ক্ষোভ ও কোন্দল ছিল। যদিও আওয়ামীলীগ আলাদা আলাদাভাবে দলীয় কমিটি নেই,  এক কমিটির মধ্যই ছিল। কিন্তু দলের ভিতরে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল বিরাজমান ছিল।  আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে কোন্দল ও ক্ষোভ মিটিয়ে দলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। অন্যদিকে বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে দলীয় কোন্দল বিরাজমান ছিল। আলাদা আলাদা কমিটি ছিল। এখন তা নিরসন হয়ে দলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন। তবে কমিটি আলাদা রয়ে গেছে।  কিন্তু নির্বাচন সামনে রেখে এখন দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামী লীগের ছয়জন দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বর্তমান সাংসদ সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ ও কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুর রহমান বেশি আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এম এ শহীদই দলীয় মনোনয়ন পান। এরপর বিশেষ করে কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন্দল দেখা যায়।  অবশেষে এ বিরোধ মিটিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

11
৩ ডিসেম্বর কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ডাকা হয়। সভায় দলীয় প্রার্থী এম এ শহীদ তাঁর বক্তব্যে সবকিছু ভুলে গিয়ে দলের ও দলীয় প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে সবার কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তখন সবাই মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভের বিষয়টি ভুলে দলীয় প্রতীক নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐকমত্য পোষণ করেন। ওই সভার পর কমলগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দলীয় প্রার্থীর ছোট ভাই এম. মোসাদ্দেক আহমদ মানিককে আহ্বায়ক করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মনোনয়নবঞ্চিত অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমানকে এবং সদস্য সচিব হিসাবে আছেন প্রার্থীর আরেক ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল।
অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান বলেন, দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে চলতে হবে। তাই সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নৌকার পক্ষে তাঁরা জোর প্রচারণা শুরু করেছেন।
এদিকে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে বিএনপির গৃহবিবাদ দীর্ঘদিনের। কয়েক বছর ধরে এখানে নেতা-কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত। এমনকি কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বিএনপির আলাদা আলাদা কমিটি ছিল। কিন্তু সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কোন্দল মিটিয়ে ফেলা হয়েছে।

12
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও আলম পারভেজকে সম্পাদক করে কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একটি কমিটি রয়েছে। এ ছাড়া আবু ইব্রাহিম জমশেদকে সভাপতি ও শফিকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির কমিটি আছে। অন্যদিকে এখানে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সমর্থিত দুটি কমিটিও আছে। উপজেলা কমিটিতে দুরুদ আলী সভাপতি ও আবুল হোসেন সাধারণ সম্পাদক। পৌর কমিটিতে সোয়েব আহমদ সভাপতি ও তোফাজ্জল হোসেন সাধারণ সম্পাদক। আর শ্রীমঙ্গলে মুজিব বিরোধী কমিটিতে আতাউর রহমান সভাপতি ও ইয়াকুব আলী সাধারণ সম্পাদক। পৌর কমিটিতে মোছাব্বির আলী সভাপতি ও শামীম আহমদ সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে মুজিবুর সমর্থিত উপজেলা কমিটিতে আতাউর রহমান সভাপতি ও ইয়াকুব আলী সাধারণ সম্পাদক। এই পক্ষের পৌর কমিটিতে নুরুল আলম সিদ্দিকী সভাপতি ও তাজ উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক।
দলীয় সূত্র বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর হিসেবে এসেছে বিএনপির জন্য। মৌলভীবাজার-৪ আসনে মুজিবুর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা ওই বিরোধিতা থেকে সরে এসেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মুজিবুর বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় এখন দুই উপজেলার সব নেতা-কর্মীই ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
১০ ডিসেম্বর আতাউর রহমান ও ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বাধীন বিএনপির অংশটি সংবাদ সম্মেলন করে বিরোধ মিটিয়ে দলীয় প্রতীককে বিজয়ী করতে কাজ করার ঘোষণা দেয়। এরপর ১৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওয়ালী সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে কমলগঞ্জে বিএনপির উভয় পক্ষের সমঝোতা বৈঠক হয়।

আওয়ামীলীগ এর মধ্যে বিরোধ ও বিএনপির মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রচার প্রচারণা করে যাচ্ছেন। উভয় দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা বিজয় নিশ্চিত বলে আশাবাদী।

শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ালেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান

কমলগঞ্জ রিপোর্ট

10
শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশনের অসহায় দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষেরা যখন তীব্র শীতে উষ্ণ কাপড়ের অভাবে কঠিন সময় পার করছে, ঠিক এ সময় এসব অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার  আশরাফুজ্জামান।  বৃহস্পতিবার ১৩ই ডিসেম্বর মধ্য রাতে শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশনে নিজ উদ্যোগে ছিন্নমুল, অসহায় ও শীতার্থ মানুষের মাঝে নিজ হাতেই তিনি শীত বস্ত্র বিতরণ করেন।

শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি যখনই সুযোগ পাচ্ছেন তখনই ছুটে যাচ্ছেন এসব হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের কাছে।  কোন রকম তালিকা ছাড়াই সরজমিনে গিয়ে শীতার্থদের অবস্থা অবলোকন করেই সহকারি সিনিয়র সার্কেল আশরাফুজ্জামান নিজ হাতেই রেল স্টেশনের শীতার্তদের হাতে তুলে দিচ্ছেন শীতবস্ত্র । বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল। আর এই শ্রীমঙ্গলের কনকনে শীতে আর হিমেল হাওয়ায় খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষের কঠিন অবস্থা। তাই এই সব অসহায় মানুষদের পাশে শ্রীমঙ্গলের বিত্তবানরা হাত বাড়িয়ে সহযোগিতা করুন।

২৫ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েন

বৃদ্ধা মাকে গলা কেটে হত্যা করায় ছেলেকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী

কমলকুঁড়ি ডেস্ক রিপোর্ট

knife-as

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের ডোবালিয়া পাড়ায় বসতঘর বিক্রি করতে না দেওয়ায় মরিয়ম বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘাতক ছেলে মোস্তফাকে (৪৫) এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির উঠানে দা দিয়ে মোস্তফা তার মাকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর দৌড়ে পালাতে গেলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ সময় তারা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।

নিহতের ছোট ছেলে শাহ জালাল জানান, তার মা মরিয়ম বেগম তার স্বামী মৃত আব্দুল জব্বারের যে ঘরটিতে থাকতেন সেটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর নানাভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সে তার ছোট ভাই শাহ জালালের  উপরও  কয়েকবার হামলা চালায় ও তাকে খুনের হুমকি দেয়। এরপর থেকে কয়েক মাস ধরে বাড়ির বাইরে থাকছে শাহ জালাল।

হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চু বলেন, মরিয়ম বেগমের থাকার ঘর ও জমিটুকু নিয়ে তার ছেলেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ কারণে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক করেও বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারিনি। ভালুকা মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, এ ঘটনায় ঘাতক ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শাসন না নির্যাতন এক কি ?

:: সাইফুল আলম ::

নির্যাতন শব্দটির ব্যাখ্যা আইনে স্পষ্ট করা থাকলেও শাসনের কোন ব্যাখ্যা বিশ্লেষন আছে কি না আমার জানা নেই। তবে শাসন শব্দটি সামাজিক উপলব্ধি হতে পারে। আইনে যেকোনো নির্যাতন একটি সুস্পস্ট অপরাধ।যার জন্য বিচার ব্যবস্থাও প্রচলিত রয়েছে। যে কোন ধরনের শারীরিক মানসিক নির্যাতন অপরাধ হলেও শাসনটা হয়ে থাকে অধিকারের ভিত্তিতে। যার উপরে অধিকার রয়েছে তাকেই কেবল শাসন করা যায়। যেমন পরিবারের অভিবাক, শিক্ষকরা কোন বিষয় সংশোধন কিংবা প্রকৃত মানুষ গঠনের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে তাদের অনুগত সন্তান,ভাই বোন কিংবা ছাত্র/ছাত্রীদের শাসন করে। এক্ষেত্রে উদ্দেশ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এরকম শাসনও অনেক সময় শারীরিক কিংবা মানসিক নির্যাতনের কাতারে চলে যায় তবে উদ্দেশ্য যদি সৎ থাকে তাহলে এরকম শাসন কে নির্যাতন বলতে আমি একমত নই। কারন যুগপোযোগী পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরী এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে মোটিভেশনের পাশাপাশি শাসনও গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। কাজেই এরকম শাসন কে কখনো নির্যাতন মনে করার মানসিকতা দুর করারও জন্য সংশ্লিষ্টদের মোটিভেশন দরকার। আর এরকমটা হলে সাম্প্রতিক ভিকারুননিসার দুখ্যজনক ঘটনা নাও ঘটতে পারত!তবে নিকট অতীতে অনেক শিক্ষকের আচরনও যথেষ্ট প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।যা কাম্য নয়।

আমি একজন শিক্ষক পিতা-মাতার সন্তান। যেটি আমি সব সময় গর্ব করি।আমার মা কে এখনো অনেক সমাজের উচ্চ মর্যাদায় আসীন অনেকেই পা ছুয়ে সালাম করে। যা আমিও সুযোগ পেলে আমার শিক্ষকদের করে থাকি।ছাত্র শিক্ষকের সম্পর্কটা আসলে এরকমই হবার কথা।ধর্ম গ্রন্থেও মা বাবার পরে শিক্ষকের মর্যাদার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে এই মর্যাদা ধরে রাখাও অনেক চ্যালেন্জিং।

গ্রাম,শহর হয়ে রাজধানীর নামী দামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভ করার সুযোগ আমার হয়েছিল। শিক্ষকদের শাসন আর ভালবাসার অভিজ্ঞতা ছিল মনে রাখার মত। আর এরকম অভিজ্ঞতাই আমাকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। যাতে প্রতিক্ষেত্রেই “ভদ্র এবং বিনয়ী” এর সার্টিফিকেট পেয়ে থাকি।

শিক্ষকদের শাসনের অভিজ্ঞতা আজও মনে পরে। আমাদের সময় শাসন হত পড়াশুনা না করা,দেরিতে ক্লাসে আসা,শৃংখলা কিংবা নৈতিকতা পরিপন্থি কোন কাজ করার জন্য। আর শাসনের ধরন হত দাঁড়িয়ে থাকা এক পা কিংবা দু পায়ে ভর করে কিংবা বেন্চের উপর।বেতের প্রহার (যেই বেত আমরাই বাঁশ ঝাড় থেকে সংগ্রহ করতাম), নিল ডাউন, একজন আরেকজনের কান ধরে টানা ইত্যাদি। মজার কথা হল এরকম শাসনের শিকার হলে পরিবার কখনো জানত না। আমি যখন ক্লাস ফোরে একদিন দুপুরের বিরতির নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লাসে হাজির না হওয়ায় শিক্ষক আমাকে বেত দিয়ে প্রচুর প্রহার করেছিল,মজার ব্যাপার তখন পাশের রুমে আমার মা আমার কান্নার শব্দ শুনেও ঐ শিক্ষক কে কোন অনুরোধ করেননি। বরং আমাকে আবার শাসন করেছিল দেরিতে ক্লাসে এসেছিলাম কেন! তখন বলিনি “ উই ওয়ান্ট জাস্টিস”! বর্তমান প্রেক্ষাপটে যা কখনো সম্ভব নয়।

বর্তমানে ছাত্র /অভিবাবকের সাথে শিক্ষকের সম্পর্কে আস্থাহীনতা দূর করা প্রয়োজন।তাতে শাসন কখনো নির্যাতন হবে না।

লেখক- অফিসার ইনচার্জ ,জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর জোন),সিলেট।

(সংগ্রহ)

টঙ্গীতে ইজতেমা মাঠে দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত অর্ধশতাধিক

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

21

আজ  শনিবার দুপুরের দিকে বিশ্ব ইজতেমার আধিপত্য নিয়ে তাবলিগ জামাতের বিবদমান দুইটি গ্রুপের মধ্য সংঘর্ষ হয়েছে।   সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক ব্যক্তি।   এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও উত্তরার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও দুই পক্ষে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তাবলিগ–সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ দিনের জোড় (সম্মিলন) এবং ১১-১৩ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত তিন দিনের ইজতেমা করার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের তাবলিগ জামাতের মুরব্বি সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। অপরদিকে তাবলিগের হেফাজতপন্থী মাওলানা জোবায়েরের অনুসারীরা ডিসেম্বরের ৭ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত জোড় এবং আগামী বছরের জানুয়ারির ১৮ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত তিন দিন ইজতেমার ঘোষণা দিয়েছেন। দুই পক্ষের বিবদমান বিরোধের জেরে হেফাজতপন্থীরা মাঠ দখল করে সতর্ক পাহারা ব্যবস্থা করেছেন।

22

শনিবার সকালে সাদ গ্রুপের লোকজন মাঠে প্রবেশ করতে গেলে সেখানে উত্তেজনা দেখা দেয়। জোবায়ের গ্রুপের লোকজন লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অন্যদিকে সাদ গ্রুপের লোকজন কামারপাড়া এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে সেখানে অবস্থান নেন। দুপুরের দিকে মাঠের গেট ভেঙ্গে সাদ গ্রুপের লোকজন মাঠে প্রবেশ করেন। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

তাবলিগের মাঠ দখলমুক্ত করার দাবিতে ২৭ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাদপন্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, তাবলিগের অপর পক্ষটি উগ্রপন্থায় বিশ্বাসী। তারা কোমলমতি মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে লাঠিসোঁটা দিয়ে ইজতেমা মাঠ পাহারায় বসিয়ে দিয়েছে।

মৌলভীবাজারের চারটি আসনে ২৭ জনের মনোনয়ন পত্র জমা

11

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

47106922_928816673955182_1963347907415375872_n
মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনে ২৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বুধবার (২৮ নভেম্বর) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো.তোফায়েল ইসলামের কাছে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটানিং অফিসারের কাছে দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে পৃথক দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

মৌলভীবাজারে-৩ (সদর ও রাজনগর) আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১০ জন। তার মধ্যে একজন প্রার্থী মৌলভীবাজার-৪ আসনের। বাকি ৯জন মৌলভীবাজার-৩ আসনের প্রার্থী।

46918173_740744776282862_7267154312021671936_n

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. নেছার আহমদ। বিএনপির দুইজন প্রার্থীর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি এম নাসের রহমান ও আরেকজন তার স্ত্রী রেজিনা নাসের। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লুৎফুর রহমান কামালী। বাসদের প্রার্থী মো. মগনু মিয়া। জাসদের প্রার্থী মো. আব্দুল মছব্বির। খেলাফত মজলিসের মাওলানা আহমদ বিলাল । মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল) আসনে গণ ফোরামের প্রার্থী এড শান্তিপদ ঘোষ।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মো: আসলাম, বিএনএফ এর আশা বিশ্বাস। মৌলভীবাজার-৪ কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল আসনে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। বুধবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং অফিসার মো.নজরুল ইসলাম ও কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং অফিসারের কাছে দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে পৃথক দলীয় মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

46969490_740744872949519_444072117730803712_n
তারা হলেন, আওয়ামীলীগের প্রার্থী সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ এমপি, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব ও তার ছেলে মুঈত আশিক চিশতি। ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশে মো.সালাউদ্দিন আহমদ।

47056315_2236833683267671_3113165572301389824_n
মৌলভীবাজার ১ জুড়ী-বড়লেখা আসনে ৬জন প্রার্থী। মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসন থেকে বিএনপির দুই প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। একজন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরী ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাসির উদ্দিন মিঠু।   বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন আহমদ এমপি। ইসলাম শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. গিয়াস উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট আহমেদ রিয়াজ, আমিনুল ইসলাম (জামায়াত নেতা) স্বতন্ত্র প্রার্থী।

47152461_2291016091005870_5466775957945712640_n
মৌলভীবাজার -১, কুলাউড়া আসনে ৭জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন: মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর সাবেক ডাকসুর ভিপি এবং সাবেক আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মো. মনসুর আহমদ। সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বিকল্প ধারার থেকে নৌকা প্রতীকে এম এম শহীন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। বর্তমান আওয়ামীলীগের এমপি আব্দুল মতিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফিজ মতিউর রহমান। ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আসলাম হোসেন রাহমানী, বাংলাদেশ বিল্পবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে প্রশান্ত দেব সানা, জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাড মাহবুবুল আলম শামীম মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

10

মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনে মনোনয়ন পেলেন ১২ জন প্রার্থী : মৌলভীবাজার-৩ থেকে স্বামী-স্ত্রী মনোনয়ন, মৌলভীবাজার-৪ থেকে পিতা পুত্র মনোনয়ন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

12
মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা নিয়ে ৪টি সংসদীয় আসন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৪টি আসনে বিভিন্ন দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ১২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য হুইপ মো: শাহাব উদ্দিন, বিএনপির থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী ও শিল্পপতি নাসির উদ্দিন মিঠু। মৌলভীবাজার-২ আওয়ামীলীগে নেতৃত্বাধীন (বিকল্পধারা) সাবেক বিএনপির সংসদ সদস্য এম এম শাহীন, জাতীয় এক্যফ্রন্টের সাবেক আওয়ামীলীগ সংসদ সদস্য ডাকসুর ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর-রাজনগর) থেকে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি নেছার আহমদ, সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান পুত্র জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান ও এ আসনে এম নাসের রহমানের স্ত্রী রেজিনা নাসেরও মনোনয়ন পেয়েছেন।

13

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আওয়ামীলীগে থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ¦ উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ।  বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) ও তাঁরই পুত্র আশিক মুঈদ চৌধুরী। এ আসন থেকে বিএনপির নেতৃত্বাধিন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা গনফোরাম সভাপতি অ্যাডভোকেট শান্তি পদ ঘোষ।
আওয়ামীলীগের (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী  চূড়ান্ত হলেও মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মোট ৮ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এই ৮ জন থেকে ৪ জনকে প্রার্থী রাখা হবে। তবে কোন ৪ জন ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদন্ধিতা করবেন তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা।

নাসিমের বিরুদ্ধে লড়বেন কনকচাঁপা

নিউজ ডেস্ক

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাতে মনোনয়নের চিঠি গ্রহণ করেছেন কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখ্যপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের বিরুদ্ধে ধানের শীষের পক্ষে লড়বেন তিনি।

এদিকে রবিবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে লড়তে মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন মোহাম্মদ নাসিম।

বর্তমান ২৬ এমপি বাদ পড়লেন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক রিপোর্ট

21

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ২৬ আসন থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য বাদ পড়েছেন। এ ছাড়া আট আসনে বর্তমান এমপির পাশাপাশি আরও আট প্রার্থীকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

আসনগুলো হলো:- নেত্রকোনা-২ আসন থেকে বাদ পড়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আশরাফ আলী খান খসরু।  নীলফামারী-৩ থেকে বাদ পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা। আসনটি জোট শরীকদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। মাগুরা-১ থেকে বাদ পড়েছেন এ টি এম আব্দুল ওয়াহাব। মনোনয়ন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর।

মৌলভীবাজার-৩ আসনে সায়রা মহসিনের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন নেছার আহমেদ।

খুলনা-২ থেকে বাদ পড়েছেন মিজানুর রহমান। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর চাচাত ভাই শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল। খুলনা-৬ থেকে বাদ পড়েছেন শেখ মোহাম্মদ নুরুল হক, মনোনয়ন পেয়েছেন আক্তারুজ্জামান বাবু।

বাগেরহাট-২ থেকে বাদ পড়েছেন মীর শওকত আলী বাদশা, মনোনয়ন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা শেখ তন্ময় (শেখ হেলাল উদ্দিনের ছেলে)।

পটুয়াখালী-৩ বাদ পড়েছেন সাবেক বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন। পেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার ভাগ্নে এ এস এম শাহজাদা। পিরোজপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম এ আউয়ালের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন স ম রেজাউল করিম।  ঢাকা-১৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান।

মাদারীপুর-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপ। এ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন আ ফ ম বাহার উদ্দিন নাছিম। শরীয়তপুর-১ আসনে বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক। এ আসনে মননোয়ন পেয়েছেন দলের কার্য নির্বাহী সদস্য ইকবাল হোসেন অপু।

শরীয়তপুর-২ মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। বাদ পড়েছেন সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী। টাঙ্গাইল-৩ আসনে আমানুর রহমান রানার পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন তার বাবা আতাউর রহমান খান। পাবনা-২ আসনে বাদ পড়েছেন খন্দকার আজিজুল হক আরজু। মনোনয়ন পেয়েছেন আহমেদ ফিরোজ কবীর। কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিনের পরিবর্তে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে পুলিশের সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদকে।

কক্সবাজার-৪ আসনে আব্দুর রহমান বদির পরিবর্তে তার স্ত্রী শাহীন আক্তার মনোনয়ন পেয়েছেন। নওগাঁ-৫ আসনে আব্দুল মালেকের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিলের ছেলে নিজামুদ্দিন জলিল জন।

ফরিদপুর-১ আসনে বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। পেয়েছেন সাবেক সচিব মঞ্জুর হোসেন বুলবুল।  নরসিংদী-৩ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লার পরিবর্তে পেয়েছেন জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন। নড়াইল-২ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ হাফিজুর রহমানের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুর রহমান নওফেল। আসনটিতে এর আগে সংসদ সদস্য ছিলেন মহাজোটের শরীক জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন বাবলু। টাঙ্গাইল-৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আহসানুল ইসলাম টিটু। আহসানুল ইসলাম টিটু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনের ছেলে। এ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন আব্দুল বাতেন। সিলেট-১ আসনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পরিবর্তে তার ছোট ভাই এ কে এম আবুল মোমেন মনোনয়ন পেয়েছেন।  কুষ্টিয়া-৪ আব্দুর রউফের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন সেলিম আলতাফ জর্জ।

সিরাজগঞ্জ -৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আজিজ। এ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন গাজী আমজাদ হোসেন মিলন। এ ছাড়া জামালপুর-৫ আসনে রেজাউল করিম হিরার পাশাপাশি নাম আছে ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর আহমেদের। ঢাকা-৭ আসনে হাজী মো. সেলিমের পাশাপাশি নাম আছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আ. লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত। বরিশাল-৫ আসনে জেবুন্নেসা আফরোজের পাশাপাশি নাম আছে কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের। লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বেসামরিক বিমান পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালের পাশাপাশি নাম আছে গোলাম ফারুকের। ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লার পাশপাশি নাম আছে কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর।

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সৈয়দ আশরাফের পাশাপাশি নাম আছে মশিউর রহমান হুমায়ুনের। পটুয়াখালী-২ আসনে আ স ম ফিরোজের পাশাপাশি নাম আছে সামসুল হক রেজা। চাঁদপুর-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন আলমগীরের পাশাপাশি নাম আছে গোলাম রহমানের।