সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

বাংলাদেশ পুলিশ: এসআই পদে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

141

  ডেস্ক রিপোর্ট

বহিরাগত ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮ এ লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৪১১ জন। গত ১৯, ২০ ও ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্লানিক-২) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়, ২০১৮ সালের বহিরাগত ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময়সূচি ও স্থান যথাসময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবাইকে অবহিত করা হবে।

 

উল্লেখ্য, উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অবশ্যই লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদপত্র, নাগরিকত্বের প্রামাণিক ও মুক্তিযোদ্ধা সনদসহ (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সঙ্গে আনতে হবে।

স্বর্ণের দাম কমেছে

 ডেস্ক রিপোর্ট

141

 

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২০ জুলাই) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে দেশের বাজারে তা সমন্বয় করতে এ দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরিতে কমেছে এক হাজার ১৬৬ টাকা। তবে অপরিবর্তী রয়েছে সনাতন পদ্ধতির দাম।

বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৪৮ হাজার ৬৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ও ১৮ ক্যারেটের দামও এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর মধ্যে ২১ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৩৬৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১ হাজার ২৯০ টাকা। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০ টাকা।

সারা দেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে বৃহস্পতিবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৪৯ হাজার ৮০৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ৪২ হাজার ৪৫৬ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বিক্রি হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, দেশের স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে সঙ্গে ওঠানামা করে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে। তাই বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে দেশের বাজারেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ জুন স্বর্ণের দাম কমেছিল। ওই সময় ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল।

কমলগঞ্জে মিরতিংগা চা বাগানে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

saper-kamore-mrittu
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের মিরতিংগা চা বাগানে ঘুমন্ত অবস্থায়  বিষধর সাপের কামড়ে শ্রীরাম গৌড় (৫০) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। গত বুধবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত তিনটায় মিরতিংগা চা বাগানের গৌড় টিলা শ্রমিক বস্তিতে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, এ  বাগানের দক্ষিণ ফাঁড়ি বাগানের গৌড় টিলা শ্রমিক বস্তির শ্রীরাম গৌড় বুধবার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত তিনটায় একটি বিষধর সাপে ঘরে প্রবেশ করে তাকে কামড় দেয়। সাপের কামড়ে তার ঘুম ভেঙ্গে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যে তার দেহ লীলাভ হয়ে পরে তিনি মারা যান। চা শ্রমিকদের ধারনা কিং কোবরা জাতীয় সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
রহিমপুর ইউনিয়নের স্থানীয় মিরতিংগা চা বাগান ওয়ার্ড সদস্য ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির (অঞ্চলের) সভাপতি ধনা বাউরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ধনা বাউরী মনে করেন প্রচন্ড গরমের কারণে সাপটি চা বাগানের ঝোপ ঝাড় থেকে বের হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে প্রেমিক যুগলের বিয়ে

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

Pic- 1
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের এক ভাড়াটিয়া বাসা থেকে এলাকাবাসী প্রেমিক যুগলকে আটক করে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আয়াছ মাহমুদের নেতৃত্বে প্রেমিক যুগলকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। পরে উভয় পক্ষের অভিভবাবকদের ডেকে এনে প্রেমিক যুগলের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে পুলিশের সহায়তায়। গত বুধবার রাত ৮ ঘটিকার সময় ১ লাখ টাকার কাবিন নামায় এ বিয়ে সম্পন্ন করা হয় শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে। প্রেমিক যুগলরা হচ্ছে- কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৯নং ইসলামপুর ইউনিয়নের গুলের হাওর গ্রামের মৃত বারিক মিয়ার ছেলে আব্দুল রশিদ (৩৬) ও শমশেরনগর ইউনিয়নের সিংরাউলী গ্রামের ফজলু মিয়ার মেয়ে জাবেদা আক্তার (২৫)। বুধবার রাত ৮টায় শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ পরিদর্শক অরুপ কুমার চৌধুরীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১ লাখ টাকা মোহরানা সাব্যস্ত করে কাজী ঢেকে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয়পক্ষের মধ্যে মিষ্টি মুখ করানো হয়।
শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ পরিদর্শক অরুপ কুমার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৯ লক্ষ টাকা বিতরণ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
01
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১৫০ পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং নগদ ৬ হাজার টাকা করে মোট ৯ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার বেলা ২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন সাবেক চিফ হুইপ ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ এমপি।

05
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে ও পতনঊষার ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নারায়ণ মল্লিক সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আবদাল হোসেন, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো: নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, ইতিমধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৬৫০ পরিবারের মধ্যে ১৫ লক্ষ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

কমলগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন

02

 কমলকুঁড়ি রিপোর্ট
“স্বয়ং সম্পূর্ণ মাছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৮ উদ্বোধন হয়েছে। বৃহষ্পতিবার দুপুরে এ উপলক্ষে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর এর আয়োজনে র‌্যালি, আলোচনা সভা, শ্রেষ্ঠ মৎস্যজীবিদের মধ্যে পুরষ্কার প্রদান ও উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কমলগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮- এর শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক চিফ হুইপ ও সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে ও পতনঊষার ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নারায়ণ মল্লিক সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: শাহাদাত হোসেন। এ সময় কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আবদাল হোসেন, কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো: নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

কমলগঞ্জ পৌরসভার ভবন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

04
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার ভবন সম্প্রসারণ কাজের আনুষ্ঠানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পৌরসভার ৯টি মসজিদে নগদ ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার বেলা ৩টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উন্নয়ন কর্মকান্ডের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক চিফ হুইপ ও সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ। এ সময় পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মসজিদের ঈমামগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কমলগঞ্জ পৌরসভার ভবন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

কমলগঞ্জে এইচএসসি ফলাফল প্রকাশ : পাশের হার ৫৯.৫০% ॥ ৪৪ জন জিপিএ ৫ ॥ একটি কলেজে কেউ পাশ করেনি

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

HSC
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ২০১৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বৃহস্পতিবার সারাদেশের ন্যায় একযোগে প্রকাশিত হয়েছে। উপজেলার  ৫টি কলেজ থেকে মোট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ২১৪৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ১২৭৮ জন। পাশের হার শতকরা ৫৯.৫০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, এইসএসসি পরীক্ষায় কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয় থেকে ৯৫২ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করে ৪৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার শতকরা ৪৬.৪৩%। সুজা মেমোরিয়াল কলেজ থেকে ৭৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫০১ জন। পাশের হার ৬৬.৩৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে ১৮৮ জনের মধ্যে ১৮৮ জন পাশ করে। শতভাগ পাশের হারে মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯ জন। অন্যদিকে হুরুন্নেচ্ছা খাতুন চৌধুরী কলেজ থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কেউ পাশ করেনি।
কারিগরি শিক্ষায় কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯৭.৮৩%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে আলীম পরীক্ষা ৬৭ জন অংশগ্রহণ করে ৪৩ জন পাশ করেছে। পাশে হার ৪৬.১৮%।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী ইশতেহারসহ লিটনের কিছু কথা

নজরুল ইসলাম তোফা::

FB_IMG_1531643849060

রাজশাহীর উন্নয়নের দক্ষ নেতা, ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন সহ অনেক নেতা কর্মীরা মিলিত হয়ে যেন জয়ের হিসাব নিকাশ কষে নির্বাচনী প্রচারণায় চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজশাহী সিটি নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেছেন।
তিনি রাজশাহী মহা নগরীর সাবেক ও সফল মেয়র জাতীয় ৪ নেতার অন্যতম নেতা শহীদ, এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সুযোগ্য পুত্র। তিনি এই রাজশাহী মহা নগরীর সন্তান, তিনি উন্নয়ন কর্মেই যেন বিশ্বসী, তাই তো তিনি জনগণের প্রিয় নেতা।
এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী অঞ্চল এবং উত্তরবঙ্গের অবিসংবাদিত নেতা বললেও ভুল হবে না। তাঁর নেতৃত্বে রাজশাহীতে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অনগ্রসরতা বৃদ্ধি পায়। তাই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকেই প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে নির্বাচনে জয়ের জন্য একযোগে কাজ করছেন।
ইতিমধ্যে তাঁর উন্নয়নের খুব সুন্দর একটি নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ হয়েছে। ইশতেহারে ১৫টি বিষয়ের মোট ৮২টি প্রতিশ্রুতির আছে। তার সবগুলোই যেন গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য। ইশতেহারের প্রথমেই জণ গনের কর্মসংস্থান কথা তুলে ধরেছেন। এতে আরও আছে গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে গার্মেন্ট শিল্প, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা করা সহ বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক দ্রুত বাস্তবায়ন করেই লক্ষাধিক মানুষের কর্ম সংস্থানের স্বপ্ন। তাঁর আরও প্রতিশ্রুতির মধ্যে রেশম কারখানা ও টেক্সটাইল মিল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা। রাজশাহী জুটমিল সংস্কার, কৃষি ভিত্তিক শিল্পস্থাপন এবং কুটির শিল্পের সম্প্রসারণে আত্ম কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করেন। রাজশাহী শিক্ষা নগরী হিসেবে খ্যাত তাই এই নগরীতে শিক্ষা নিয়ে অনেক কাজ করতে চান এমন জনপ্রিয় নেতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এই ইশতেহারের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় খুব দ্রুত বাস্তবায়ন এবং রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর,পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, খুব নতুন করে একাধিক বালক ও বালিকাদের স্কুল-কলেজ নির্মাণ, পূর্ণাঙ্গ সঙ্গীত, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয় স্থাপন করা সহ বিশ্বের প্রধান প্রধান ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা, আবার পুরো রাজশাহীর বিভিন্ন কেন্দ্রকে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় আনার কথা ব্যক্ত করেন। এ ইশতেহার অনুযায়ী এমন এ মেয়র নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্যখাতে এই নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাতৃসদন স্থাপন করে নগর বাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করবেন। তিনি বলেছেন, খুব দ্রুত গতিতেই শেষ করতে চান নিজের প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী শিশু হাসপাতালের নির্মাণ কাজ। জনগণের খুব চাহিদার প্রস্তাব, রাজশাহীতে পানি শোধনাগার প্রকল্প। তিনি বলেন, খুব দ্রুতগতিতে সেই চাহিদা বাস্তবায়ন করে নগরবাসীকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করবেন। নগরীর যে সকল বস্তিবাসী রয়েছে তাদের জন্যেও আলাদা সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি দিয়ে তাদেরও জীবন মানের উন্নয়ন ঘটাতে চান।
এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী সিটি নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছেন, নিজস্ব আয়ের অর্থ দিয়েই নগরীর গরিব মানুষদের বসবাসের জন্য বহু তল ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে তাদেরই সহজ কিস্তিতে মালিকানার ব্যবস্থাসহ তাদের জীবন যাপনের জন্য দৃষ্টি থাকবে। আরও বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, আলেম ও সাংবাদিকদের জন্যে আলাদা আবাসন এলাকা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন শহরের অবকাঠামো গড়ে তোলা সহ এমন নগরীর চতুুর্দিকে দিকে রিং রোড ও লেক নির্মাণ করবেন। রাজশাহী নগর জুড়ে প্রয়োজনীয় বহু সংখ্যক গণ শৌচাগার নির্মাণ, গুরুত্ব পূর্ণ এলাকাতেই ফ্লাইওভার এবং ওভারপাশ নির্মাণ, পর্যটনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং সাংষ্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।তাছাড়াও নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে একটি করে খেলা ধুলার মাঠ এবং সাংস্কৃতিক চর্চা ও প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের সাথে সাথে রাজশাহীর উন্নয়নে জন্য তাঁর বাবা শহিদ এ.এইচ. এম কামরুজ্জামান ব্যাপক পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য নিয়েই কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু কারাগারে এই জাতীয় নেতার হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়েই রাজশাহীর উন্নয়ন স্হবির হয়ে যায়। ২০০৮ সালে তাঁকে মেয়র পদে নির্বাচিত করে তাঁর বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং রাজশাহী উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ করে দেয় এ শান্তি প্রিয় রাজশাহীর জনগণ। তিনি আরও বলেন, তাঁর সৌভাগ্য রাজশাহী উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে যা চেয়েছিলেন তাই পেয়েছিলেন। দেশনেত্রী “শেখ হাসিনা” বলেছিলেন, ‘তুমি কাজ করে যাও, টাকার কথা ভেবো না।’ তাই তো রাজশাহীর এমন এই জনপ্রিয় নেতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন সমস্ত ধ্যান জ্ঞান দিয়েই যেন রাজশাহী উন্নয়নে নেমেছিলেন। সুতরাং বলাই যায়, সেই উন্নয়নের নজির আজও রাজশাহীবাসী ভুলতে পারেনি। উন্নয়নের ভাবনা ছিল বহুমাত্রিক। একজন মেয়রের গতানুগতিক কাজের বাইরেও রাজশাহীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সকল ক্ষেত্রে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। রাজশাহীতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস, ১২শো কোটি টাকা ব্যয়ে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ নতুন ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, কর্পোরেশনের নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন, হাইটেক পার্ক, রাজশাহীর বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেই কর্পোরেশনের আওতায় আনা, নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও জাতীয়করণ করা, বৃক্ষরোপণ,রাজশাহীর ঐতিহ্য পূর্ণ জনপ্রিয় স্হান শাহ মুখদম কেন্দ্রীয় ঈদগাহকে সম্প্রসারণসহ অন্যান্য ঈদগাহের উন্নয়নসহ শহরের মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসা, শ্মশানসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়ন, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধের উন্নয়ন,
পূর্ণাঙ্গ টিভি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমান বন্দর চালুকরণ, আধুনিক শপিংমল সহ শহরের বিভিন্ন স্থানে বাজারের কাঠামো উন্নয়ন, শহর রক্ষা বাঁধের বুলনপুর হতে মিজানের মোড় পর্যন্ত ১২ কি.মি. পাকা রাস্তা নির্মাণ, আলিফ-লাম-মিম ভাটা থেকে চৌদ্দপাই পর্যন্ত ৪ লেন বিশিষ্ট ফ্লাই ওভার সহ রাস্তা, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রশস্ত করণ ও এর পার্শে চলাচলের জন্যেই রঙ্গিন টাইলস দিয়ে ফুটপাত নির্মাণ, শহর রক্ষা বাঁধের পার্শ্বে চরম বিনোদনের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন, রাজশাহী টু ঢাকা নৈশকালীন ট্রেন চালুকরণ, রাত্রি কালীন বর্জ্য অপসারণ ও শহর পরিষ্কারকরণসহ আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। তাছাড়াও তিনি রাজশাহী শহরের বহু তল ভবনের নির্মাণ উদ্যোগ প্রথম গ্রহণ করেছিলেন। এর ফলেই আবাসন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগসহ অনেক ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটে যা এখনও চলমান রয়েছে। তিনি আবারও এমন নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রতীকে জয়লাভ করতে পারলে এই সকল কাজকে পুনরায় সংস্কার করে আরও বহু নতুন কাজের পরিকল্পনায় করবেন।
তিনি বলেছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিজ চেষ্টায় ও মহানগরবাসী এবং সরকার সহ দেশ-বিদেশের বহু সংগঠনের সহযোগিতায় শুধুমাত্র সাড়ে চার বছরের মধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে অনেক অনেক উন্নয়নেরই দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলেন। এই নগর সেবার উন্নয়নে ও মহানগরের আর্থ-সামাজিক বহু কাজে তিনি ব্যাপক অগ্রগতি সাধন করেছিলেন তা জনগণের অস্বীকার করার উপায় নেই। এই জন্যই পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে রাজশাহী সকলের কাছেই সুখ্যাতি অর্জন করেছিল। কিন্তু তাঁর শতভাগ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেন তিনি সামান্যই বাস্তবায়ন করতে পেরেছিলেন। সুতরাং বলতেই হচ্ছে এমন অসমাপ্ত অনেক কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্যে আরও একটিবার নির্বাচিত করা।
সামনে আবারও এই “রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন” নির্বাচন। তাঁকে ইতিমধ্যেই জননেত্রী শেখ হাসিনা মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছেন। অতীতের নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহ রাজশাহী বিশ্বমানের একটি নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়রপ্রার্থী। “বদলে দেই রাজশাহী” স্লোগানে এমন মেয়র প্রার্থী বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা শুরু করা হয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে রয়েছেন, রাসিকের সাবেক মেয়র পত্নি এবং নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহিন আকতার রেণী ও তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা বলা যায় পরিশ্রমী এবং মেধাবী নেত্রী। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদেরই সহ সভাপতি আনিকা ফারিয়া জামান অর্ণা। সভা-সমাবেশ এবং উঠান বৈঠককে উপস্থিত হয়ে লিটনের জন্যই ভোট প্রার্থনা করছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নতুন ভোটারদের নৌকার পক্ষে আনতে কাজ করছেন অর্ণা জামান। তার সঙ্গে রয়েছেন নগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও দলের সকল নেতৃবৃন্দ। সুতরাং আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে রাজশাহী পরিবর্তনে এই মহান জনপ্রিয় সফল নেতার এমন মেয়র নির্বাচনে যাওয়াটাই যেন যথার্থ বলে মনে করি।

সিলেট বিভাগের সন্ধ্যা ঘোষসহ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন আরও ৩৮ বীরাঙ্গনা

 

নিউজ ডেস্ক:: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতিত আরও ৩৮ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করেছে সরকার।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৫৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বীরাঙ্গনারা এ স্বীকৃতি পেলেন। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা হলো ২৩১ জন।

রংপুর বিভাগ : এই বিভাগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনাদের মধ্যে রয়েছেন- নীলফামারীর জলঢাকার মোছা. শাহেলা বেগম, লালমনিরহাটের শেফালী রানী, মোছা. রেজিয়া, মোছা. মোসলেহা বেগম, শ্রীমতি জ্ঞানো বালা এবং ঠাকুরগাঁওয়ের মোছা. আমেনা বেওয়া।

চট্টগ্রাম বিভাগ : এই বিভাগের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা হলেন চট্টগ্রামের পটিয়ার আছিয়া বেগম, ফেনীর ছাগলনাইয়ার রহিমা বেগম ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আফিয়া খাতুন খঞ্জনী।

রাজশাহী বিভাগ : রাজশাহী বিভাগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন- জয়পুরহাট সদরের খঞ্জনপুরের মোসা. জাহানারা বেগম, সিরাজগঞ্জের তাড়াশের অর্চনা সিংহ ও মৃত পচি বেওয়া, নওগাঁ সাপাহারের তিলনা রাজবংশীপাড়ার মৃত পান বিলাসী, নাটোর বড়াইগ্রামের মোছা. হনুফা।

খুলনা বিভাগ : এই বিভাগে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মোছা. ওজিফা খাতুন, দয়ারানী পরামানিক, মোছা. রাবেয়া খাতুন; কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মাছুদা খাতুন, মোছা. মোমেনা খাতুন, মোছা. এলেজান নেছা; কুষ্টিয়া সদরের আলমপুরের মৃত রাজিয়া বেগম এবং বাগেরহাটের রামপাল কুবলাইয়ের মোসা. ফরিদা বেগম মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

বরিশাল বিভাগ : বরিশাল বিভাগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা হলেন- ঝালকাঠি সদরের নথুল্লাবাদের সীমা বেগম এবং বীরকাঠির মোসা. আলেয়া বেগম।

ময়মনসিংহ বিভাগ : শেরপুরের নলিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দির মোছা. মহিরন বেওয়া, মোছা. আকিরন নেছা, মোছা. জতিরন বেওয়া, মোছা. হাসনে আরা, মোছা. হাজেরা বেগম (পিতা মৃত উমেদ আলী) ও হাজেরা বেগম (পিতা মৃত হাসেন আলী) এবং শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মৃত ফিরোজা খাতুন।

ঢাকা বিভাগ : এই বিভাগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা হলেন- শরীয়তপুর সদরের মনোহর বাজারের দক্ষিণ মধ্যপাড়া গ্রামের জুগল বালা পোদ্দার, যোগমায়া ও সুমিত্রা মালো; গোপালগঞ্জ সদরের মানিকদির হেলেনা বেগম ও সুলতানশাহীর ফরিদা বেগম এবং গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া বাজারের মোসা. আনোয়ারা বেগম।

সিলেট বিভাগ : সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের মাধবপুরের সন্ধ্যা ঘোষ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন।