সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

কওমি সনদের স্বীকৃতির আইন মন্ত্রী সভায় অনুমোদন

shikriti-500x280

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণ শিক্ষার মাস্টার্সের সমমান স্বীকৃতি দিতে আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রী সভা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রী সভা বৈঠকে এই আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
বৈঠক শেষে সচিব ব্রিফিং করেন সচিবালয়ে। তিনি বলেন, ‘আগে থেকেই হয়ে (কওমি সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে) আসছে, সেটাকে আইনি কাঠামোতে নিয়ে আসা হচ্ছে।’
সচিব জানান, এখন সারা দেশে ছয়টি বোর্ড কওমি মাদ্রাসাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করলেও সেটিকে একটি শিক্ষা বোর্ড করা হবে।
এই বোর্ডের কেন্দ্রীয় কর্াালয় থাকবে ঢাকায়। চেয়ারম্যান চাইলে কমিটির সদস্য নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে কমিটি ১৫ সদস্যের বেশি থাকবেন না। এতে সরকারি প্রতিনিধি থাকবে না।
কওমি সনদের স্বীকৃতির বিষয়টি এই মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি। আর এই দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়ার পর ১৯৯৯ সাল বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রীক রাজনৈতিক দল ইসলামী ঐক্যজোট।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ধর্মভিত্তিক এই দলগুলোর আক্বিদাগত ব্যাপক পার্থক্য থাকলেও কেবল এই ইস্যুতে তারা ‘শত্রুর’ সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হয়। তবে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এই স্বীকৃতির বাস্তবায়ন হয়নি।
তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় কওমি আলেমদের গুরু আহমেদ শাহ শফিকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে সে সময় নিজেদের মধ্যে বিরোধের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ শক্তির বিরোধিতায় সেটা আর আগায়নি।
তবে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন গণভবনে উপস্থিত ছিলেন আহমেদ শাহ শফিও যিনি হেফাজতে ইসলাম নামে একটি সংগঠনের আমির।
এর দুই দিন পর কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিয়ে আদেশ জারি করে সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) উচ্চপর্যায়ের আলেমদের সঙ্গে দফায় দফায় বসে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কওমি মাদরাসার ১৫ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মূল ধারায় নিয়ে আসতে এই আইনটি করা হয়েছে।’
এই আইনের আগে যেসব সনদ দেয়া হয়েছে, সেগুলোও তা এই আইনের আওতায় গৃহীত হবে বলেও জানান সচিব।
আইনে যা আছে : সচিব জানান, বলা হয়েছে, ‘কওমি মাদরাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে এবং দারুল উলুম দেওবন্দের মূলনীতিগুলোকে ভিত্তি করে এই সমমান দেয়া হলো।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই সমমান দেয়ার লক্ষ্যে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারাসিল আরাবিয়া- বেফাক সভাপতি হিসেবে পদাধিকার বলে আল্লামা আহমেদ শাহ শফীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি সনদবিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বিবেচিত হবে। এদের তত্ত্বাবধানে নিবন্ধিত মাদরাসাগুলোর দাওরায়ে হাদিসের সনদ মাস্টার্সের সমমান বিবেচিত হবে।
এই কমিটির অধীনে ও তত্ত্বাবধানে দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা হবে। পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, পরীক্ষা পদ্ধতি, পরীক্ষার সময় নির্ধারণ, অভিন্ন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল এবং সনদ তৈরিসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক বা একাধিক উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়গুলো অবহিত করবে কমিটি। এই কমিটি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবে।
হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নয় : কওমি সনদের স্বীকৃতির বিষয়টি হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্তে হয়নি। ২০০৯ সাল থেকেই প্রধানমন্ত্রী আলেমদের সঙ্গে যে আলোচনার সূত্রপাত করেন, সেটি ২০১০ সালে গ্রহণ করা শিক্ষানীতিতেও স্থান পায়।
সে সময়ই কওমি শিক্ষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৩ সালে কওমি সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়নে আল্লামা শফীর নেতৃত্বে কমিশন গঠন করে সরকার। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটিতে সদস্য সচিব ছিলেন গওহারডাঙ্গা মাদরাসার মহাপরিচালক মুফতি রুহুল আমীন।
কওমি মাদরাসা মূলত ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দ মাদরাসার আলোকে প্রণীত শিক্ষা ব্যবস্থা। এখানে কোরআন-হাদিসের মূলধারার শিক্ষার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। বাংলাদেশে প্রায় ২০ হাজার কওমি মাদ্রাসা রয়েছে।
এতদিন স্বীকৃতি না থাকায় কওমি মাদ্রাসার সদনধারীরা সরকারি, বেসরকারি কোনো চাকরিতে যোগ্য বলে বিবেচিত হতেন না। এখন তারা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তাদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারবেন।
অবশ্য এ বিষয়ে নতুন আইন পাস হওয়ার আগেই গত মার্চে ১০১০ জন কওমি আলেমকে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (ষষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়।
দাওরায়ে হাদিস কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর। কওমি শিক্ষায় ছয়টি স্তর রয়েছে। এগুলো হলো: ইবতেদাইয়্যাহ (প্রাথমিক), মুতাওয়াসসিতাহ (নিম্নমাধ্যমিক), সানাবিয়্যাহ আম্মাহ (মাধ্যমিক), সানাবিয়্যাহ খাসসাহ (উচ্চ মাধ্যমিক), মারহালাতুল ফজিলত (স্নাতক), মারহালাতুত তাকমিল বা দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান)।

সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন-বোনাস পাচ্ছেন বৃহস্পতিবার

index

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের চলতি মাসের বেতন-ভাতা ও বোনাস আগামী বৃহস্পতিবারে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা অধিশাখা থেকে এ নির্দেশ জারি করা হয়। নির্দেশের এ চিঠি হিসাব মহানিয়ন্ত্রক ও কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স অফ ফাইন্যান্সে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, দেশে আগামী ২২ আগষ্ট ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। ফলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনীর নন-কমিশন্ড অফিসার ও কর্মচারীদের আগষ্ট মাসের বেতন-ভাতা বোনাস আগামী ১৬ আগষ্টের মধ্যে প্রদান করা হবে।
পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীরা একই সময়ে প্রাপ্য সুবিধা পাবেন। বাংলাদেশ ট্রেজারি রুলস এর এস আর ১১৩(২) ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়।

সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই

কমলকুঁড়ি ডেস্ক :
দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের জীবনাবসান হয়েছে। সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)
সোমবার সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৯টা ২৫ মিনিট) এই প্রখ্যাত সাংবাদিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হৃদরোগের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন সারওয়ার। তার অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বিকাল পাঁচটায় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় এই প্রবীণ সাংবাদিককে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৩ আগষ্ট মধ্যরাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় সারওয়ারকে। পরদিন সকালে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সিঙ্গাপুরে নিউমোনিয়া সংক্রমণ হ্রাসের পাশাপাশি সারওয়ারের ফুসফুসে জমে থাকা পানিও কমে গিয়েছিল। হার্টও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল। কিন্তু রবিবার হঠাৎ করে তার রক্তচাপ কমে যায়। কিডনিও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না।
এর আগে গত ২৯ জুলাই মধ্যরাতে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন দেশবরেণ্য এই সাংবাদিক। তিনি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদেরও সভাপতি।
সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই স্বনামধন্য সাংবাদিকের মৃত্যুতে দেশের সংবাপত্র জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।
দেশের প্রগতীশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গোলাম সারওয়ারের অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরতে গোলাম সারওয়ার ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি পুনর্গঠন 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

received_261915747966589-1

কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির এক জরুরি সভা রবিবার ( ১২ আগষ্ট) উপজেলা পরিষদের সম্মুখে মনু ধলাই ভ্যালীর কার্যালয়ে ইউনিটির সভাপতি পিন্টু দেবনাথ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিটির সাধারন সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক আর কে সোমেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ থেকে আব্যাহতি নেয়ায় কমিটি পূর্ণগঠন করা হয়। সভায় সকলের সর্ব সম্মতিক্রমে সভাপতি পিন্টু দেবনাথ (দি বাংলাদেশ টুডে), সহসভাপতি সীতারাম বীন ( মাসিক চা মজদুর), অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী (আলোকিত সকাল), সাধারন সম্পাদক আসহাবুর ইসলাম শাওন (দৈনিক প্রথম প্রহর), যুগ্ম সম্পাদক মো: মোনায়েম খান ( দি এশিয়ান এইজ), নির্মল এস পলাশ ( দৈনিক মুক্ত খবর), সাংগঠনিক সম্পাদক হিফজুর রহমান তুহিন (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), কোষাধ্যক্ষ আব্দুল বাছিত খান ( দৈনিক খবরপত্র), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হোসেন জুবায়ের ( স্টাফ রিপোর্টার, কমলকুঁড়ি), দপ্তর সম্পাদক সুমন আহমদ (দৈনিক নবরাজ), কার্যকরী সদস্য আব্দুল হাই ইদ্রিসী (দৈনিক আমাদের নতুন সময়), আলমগীর হোসেন (দৈনিক নতুন দিন) ও আহমেদুজ্জামান আলম (দৈনিক আজকালের খবর) সহ ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পূর্ণ গঠন করা হয়। #

১৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান সাংবাদিকদের

নিউজ ডেস্ক:: পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হামলা ও নির্যাতনকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে আগামী ১৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ঢাকা সাব এডিটর্স কাউন্সিল (ডিএসইসি) এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মোল্লা জালাল বলেন, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং নির্যাতনকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, যশোর, বগুড়া, কক্সবাজার, ময়মনসিংহসহ সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে। রাষ্ট্রের পক্ষে, রাষ্ট্রর জন্য সাংবাদিকরা কাজ করে। তাই রাষ্ট্র বাধ্য সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসার দায়ভার গ্রহণ করেছেন। এখন আমরা হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবি করছি। আমাদের সহকর্মীরা সংবাদ বর্জনসহ অনেক কর্মসূচির কথা বলেছেন। আমরা এই মুহূর্তে আপনাদের বোবা বানাতে চাই না। যদি উপেক্ষা করেন এবং নিজেদের অনেক শক্তিশালী মনে করেন, তাহলে আমরা আপনাদের বোবা বানিয়ে দেবো। সাংবাদিকরা না লিখলে আপনারা বোবা হয়ে যাবেন। আমরা চাই না আপনারা বোবা হন।

পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, পুলিশ প্রসাশনকে বলতে চাই চিহ্নিত সন্ত্রাসী, যাদের চেহারা গোটা জাতি দেখেছে, যাদের হামলার নগ্নতা দেখে গোটা জাতি লজ্জ্বায় মাথা হেঁট করেছে। আপনারা তাদের চেনেন না, খুঁজে পান না। যতই দিন যাচ্ছে আপনাদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা এবং অথর্বতা প্রমাণিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আবারও সমাবেশ করবো। এরপর ১৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে সাংবাদিকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। তারপরও যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা গ্রেফতার না হয় তাহলে আমাদের আস্থার শেষ ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে ধাবিত হবো। দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করতে পারেননি, আপনার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ক্ষমতা নেই সাংবাদিকদের সেই মিছিল আপনি রুখে দেবেন।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- বিএফইউজের সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলী শুভ, বিএফইউজের সহ-সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কাজী রফিক, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজল হাজরা, বিএফইউজের দফতর সম্পাদক বরুণ ভৌমিক, সদস্য খায়রুজ্জামান কামাল, শেখ মামুন প্রমুখ।

শাবান মাহমুদ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। তারা নগ্ন হামলা চালিয়ে উল্লাস করে এখনও প্রশাসনের আড়ালে নিজেদেরকে নিরাপদে রেখেছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেলিফোন করেছিলাম, আপনি আশ্বস্ত করেছিলেন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হবে। কিন্তু মাননীয় মন্ত্রী এখনও পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের, হামলাকারীদের গ্রেফতার না করে সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে যে উপহাস করে চলেছেন, তার জন্য আপনাকে সাংবাদিক সমাজের কঠিন আন্দোলন সংগ্রাম মোকাবিলা করতে হবে।

আবু জাফর সূর্য বলেন, তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো উদ্যোগ আমরা দেখিনি। সাংবাদিকদের কাজ করতে দিন, রাজপথে ঠেলে দেবেন না। আপনারা সিসি টিভি দেখে দু’দিনের মধ্যে মামলা করতে পারেন, গ্রেফতার করতে পারেন। কিন্তু সকল গণমাধ্যমে এলো আপনারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলেন না। কাজ করতে হবে, দেখাতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি দেয়ার আহ্বাব জানিয়ে ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বিএফইউজে, ডিইউজে, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ পেশাজীবি সাংবাদিকদের যত সংগঠন আছে সবাই এক সঙ্গে বসে কর্মসূচি ঘোষণা করতে হবে। যাদের সারাদেশের মানুষ চেনে তাদের গ্রেফতার করা হবে না, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে, এক সপ্তাহ ধরে তাদের সনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে না, এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।

শুকুর আলী শুভ বলেন, দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকবান্ধব। কিন্তু ওনার কেবিনেটে যারা আছেন তারা হয় তো অন্ধ। যে কারণে তারা এখন তালিকা চান। সাংবাদিকরা তালিকা দেয়ার কেউ না। তালিকা দেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

‘সড়কে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা আর বরদাশত করা হবে না’

ডেস্ক রিপোর্ট

1533987437

ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, সড়কে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা আর বরদাশত করা হবে না। যিনি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করবেন তার বিরুদ্ধে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুস্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। আজ শনিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সড়কে ট্রাফিক আইন আরো জোরদার করার লক্ষে ট্রাফিক সপ্তাহ ৩ দিন বাড়ানোর কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার।   আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কিভাবে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করিয়ে ধংসাত্মক পরিবেশ তৈরি করা হবে, সেসব তথাকথিত দায়িত্বশীল নেতার অডিওতে বিষয়গুলো উঠে এসেছে। অনেককেই আমরা চিহ্নিত করেছি। যারা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেছে এবং আগামীতেও যেন এমন সুযোগ না নিতে পারে সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।   ডিএমপি কমিশনার বলেন, ছাত্রদের ভ্যাট আন্দোলন, কোটা আন্দোলনে সহিংসতা এবং ২০১৩ সালের ঘটনা ২০১৪ সালের দেশজুড়ে জ্বালাও-পোড়াও সব একই সূত্রে গাঁথা।   তিনি বলেন, আন্দোলনের দুইদিন ছিলো ছাত্রদের, তারপর একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় আক্রমণ করেছে। তারা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, মিরপুর পুলিশ লাইন্স, কাফরুল থানায় হামলা করেছে। যা কোমলমতি সাধারণ শিক্ষার্থীরা করতে পারে না।    আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মালিকদের চিন্তা করতে হবে, যে আমি ফিটনেস বিহীন গাড়ি কেন রাস্তায় নামাবো? বৈধ লাইসেন্স ছাড়া কেন আমি একটা ড্রাইভারকে ড্রাইভিং করতে দেব? একটা কোন না কোন পর্যায়ে তো আমাদের ব্রেকথ্রু আনতে হবে। কোন না কোন পর্যায় থেকে আমাদের এটা শুরু করতে হবে।   তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, এখন আমাদের আইন প্রয়গ করতে হবে, এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমি এক্ষেত্রে সকলের সহযগিতা বিনীতভাবে কামনা করছি।  গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হয় ট্রাফিক সপ্তাহ। ‘ট্রাফিক আইন মেনে চলুন’, ‘ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করুন’, ‘ট্রাফিক শৃঙ্খলা একটি জাতির সভ্যতার প্রতীক’ ইত্যাদি স্লোগানে ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে ট্রাফিক সপ্তাহ ২০১৮।

কমলগঞ্জে অবুঝ গাছের চারাগুলোর সাথে কি এমন শত্রুতা ছিলো দূর্বৃত্তদের ?

38891269_307531103353643_7683538893014040576_n

আসহাবুর ইসলাম শাওন, কমলগঞ্জ থেকে:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রাতের আধারে রোপনকৃত মালিকাধীন ২ শতাধিক আকাশমনি গাছের চারা কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তের দল।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলাধীন আলিনগর ইউনিয়নের সলিমবাজার শ্রীনাথপুর এলাকায় সাবেক ইউপি, সদস্য মোবারক আলীর বাড়ীর সড়কে । শনিবার (১১ ই আগষ্ট) দুপুরে সরজমিনে মোবারক আলীর বাড়ীতে গিয়ে তার সাথে আলাপকালে তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন হলো আমার বাড়ীর সামনের রাস্তা জুড়ে প্রায় ২ শতাধিক আকাশমনি ও মেহগণি প্রজাতি গাছের চারা রোপন করি ।কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে কে কাহারা অমার রোপনকৃত ২ শতাধিক কেটে দিয়েছে । কারো সাথে শত্রুতা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন একই ইউনিয়নের বারামপুর গ্রামের একটি পরিবারের সাথে  জায়গা জমি নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে,তবে এই জগন্যতম কাজটি আক্রোশ মূলক এরাই কাউকে দিয়ে করিয়েছে, নাকি তৃতীয় কেউ এই জগণ্য কাজটি করেছে দুটি পরিবারের মধ্যে শত্রুতা বাড়ানোর জন্য তা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছিনা। তিনি কেটে ফেলা গাছের চারাগুলো তুলে দেখিয়ে বলেন, এই নিরপরাধ গাছের চারাগুলো কার কি এমন ক্ষতি করেছিলো ? চারা গুলোকে মাথা উচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ দিলো না।রাতের আধারে নির্মম ভাবে ধ্বংস করে দিলো দুর্বৃত্তরা।  এ বিষয়ে তিনি কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডাইরীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

সাংবাদিকদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

 

দেশব্যাপি সাংবাদিকদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশব্যাপী কর্মসুচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিটির আয়োজনে উপজেলা চৌমুহনা চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সহ সভাপতি নুরুল মোহাইমীন মিল্টনের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক সুব্রত দেবরায় সঞ্জয়ের স ালনায় সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, গবেষক আহমদ সিরাজ, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সাজিদুর রহমান সাজু, শাব্বির এলাহী, পিন্টু দেবনাথ, শাহীন আহমদ, মো: সানোয়ার হোসেন, এস, কে, দাস, সীতারাম বীন, কামরুল হাসান মারুফ, মো: আব্দুল মোক্তাদির, অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী, আসহাবুর ইসলাম শাওন, নির্মল এস পলাশ, মো: মোনায়েম খান প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে সংবাদ কর্মীরা বলেন, অবিলম্বে পেশাগত সাংবাদিকদের উপর হেলমেট বাহিনী কর্তৃক হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

কমলগঞ্জে চর্চা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের বর্ষার কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

pic-1

 কমলগঞ্জে মাধবপুর লেকে চা – বাগানের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে শুক্রবার (১০ আগষ্ট) বিকেলে চর্চা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নির্মল এস পলাশ এর সভাপতিত্বে ও খান মোহাম্মদ হোসেনের সঞ্চালনায় প্রকৃতির রানী বর্ষাকে কবিতায় প্রকাশের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষার কবিতা পাঠের আসর । চর্চা – সভাপতি তার অনুভুতি প্রকাশে বলেন চার্চা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ কমলগঞ্জে নবীব লেখক সৃষ্টি ও কবিতা লেখা ও পাঠের জন্য চর্চা করে করছে এবং কবিতার সাথে প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্ক জন্য ভিন্ন, ভিন্ন প্রকৃতিক স্থানে কবিতা পাঠের আসর আয়োজন করে থাকেন । উক্ত কবিতা পাঠের আসরে উপস্থিত হয়ে কবিতা আবৃত্তি করেন সিলেট থেকে আগত কবি সায়েম আহমদ , মৌলবীবাজার থেকে কবি পলাশ দেবনাথ, কুলাউড়া থেকে কবি জিয়াউল হক জিয়া এছাড়াও কমলগঞ্জের কবিতা প্রেমী লেখক চার্চার সাধারণ সম্পাদক কবি রফিকুল ইসলাম জসিম, ও সাংবাদিক মুনায়েম খান, কবি খান মোঃ হোসেন, বদরুল জামান, আমিনুল ইসালাম সুমেল, ,লুৎফুর রহমান সুমু, কামরুল ইসলাম , হারুনুর রশীদ । কবি ও লেখকদের আবৃত্তিতে ফুটে উঠে বাংলার বর্ষার রূপ সুন্দর্য ।

কমলগঞ্জ ভ্রাম্যমান আদালতের ভেজাল বিরোধী অভিযানে জরিমানা আদায়

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

06
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারে মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২টি রেস্তোরা, একটি বেকারী ও একটি স্টেশনারী দোকানের ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া মমিন ও মাসুমা জান্নাতের নেতৃত্বে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে নোংরা পরিবেশের কারণে মৃদুল হোটেল ও গ্রামবাংলা রেস্তোরাকে ১০ হাজার টাকা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কাজী ফুডস নামের বেকারীরও নোংরা পরিবেশের কারণে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া দোকানে সুনির্দিষ্ট মূল্য তালিকা না থাকায় আজহম এন্টারপ্রাইজ নামের স্টেশনারী দোকানের ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।