সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

চুনারুঘাট থানা নাথ সমিতি’র উদ্যোগে উপনয়ন, সমাবর্তন ও ধর্মসভা অনুষ্ঠিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

FB_IMG_1550648512451

‘চুনারুঘাট থানা নাথ সমিতি’র উদ্যোগে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গুরুত্বপূর্ণ দশবিদ সংস্কারের অন্যতম সংস্কার উপনয়ন ও ধর্মসভা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৫ ফেব্র“য়ারি ২০১৯ইং রোজ শুক্রবার চুনারুঘাট উপজেলার রূপসপুর গ্রামের শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে উপনয়ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৩জন ব্রতী ধর্মীয় রীতি অনুসারে, যজ্ঞের মাধ্যমে, ভাবগম্ভীর পরিবেশে আচার্য্য গুরু যোগাচার্য্য সিদ্ধযোগী স্বামী শিবনাথ মহারাজ, মঠাধ্য, কেয়ার ব্যাংক মঠ, ওড়িষ্যা, ভারত ও শ্রীযুক্ত শ্রীকান্ত গোস্বামী, শ্রীমঙ্গলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি সুসম্পন্ন হয়। পরে এতদুপলে ১৮ ফেব্র“য়ারি ২০১৯ইং রোজ সোমবার অনুষ্ঠিত সমাবর্তন ও ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রীযুক্ত নীহার রঞ্জন নাথ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শ্রীযুক্ত প্রণয় পাল ও রামানন্দ দেবনাথ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন-শ্রীযুক্ত বিকাশ দেবনাথ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শ্রীযুক্ত নিমচন্দ্র ভৌমিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-অতিরিক্ত সচিব শ্রীযুক্ত নারায়ন চন্দ্র দেবনাথ, যোগাচার্য্য শিবনাথ মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী শম্ভুনাথানন্দ গিরি মহারাজ, প্রকাশক বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সংঘটক বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী মিলন কান্তি নাথ, ভারতের আসাম রাজ্যের সাবেক বিধায়ক শ্রীযুক্ত প্রণব কুমার নাথসহ বিশিষ্ট গুণীজন। উক্ত অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজারও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় শিবনাথ মহারাজ তাঁর বক্তৃতায় এক পর্যায়ে বলেন, নাথ ধর্ম হচ্ছে শৈব ধর্ম, নাথেরা শিবের উপাসক, প্রাচীন কাল থেকেই নাথেরা যোগ সাধনা করে আসছে এবং তাঁরা রুদ্রজ ব্রা‏হ্মণ নামে পূর্বকাল থেকেই পরিচিত। সভা শুরুতে জাগরণ নামক স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন শিবনাথ মহারাজ সহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ যাচাই বাছাইকালে কমলগঞ্জে ২ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

d7fcfd222801ecf80d258c195f0b515f-5c4728aa0ae3e
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দ্বিতীয় ধাপ ১৮ মার্চে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয় বুধবার মৌলভীবাজার জেলা রিটানির্ং অফিসার জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে। যাছাই বাচাইকালে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ১জন, ওয়ার্কাস পার্টির মনোনিত ১জন, এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এই চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।
বুধবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাছাই বাচাই করা হয়। যাচাই বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম চেয়ারম্যান পদে ব্যাংক ঋণ খেলাপী দেখিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান এবং ওয়ার্কাস পার্টির মনোনিত প্রার্থী আব্দুল আহাদ মিনারকে আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। একই সাথে ব্যাংক ঋণ খেলাপীর কারণে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. সিদ্দেক আলী ও ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ স্বাক্ষরিত পত্রটিতে জালিয়াতির কারণে মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম চেয়ারম্যান পদে ২ প্রাথী ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন প্রার্থীরা আপিলের সুযোগ পাবেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদে মনোনয়ন বাতিল হওয়া আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান বলেন, তিনি ঋণ খেলাপী নন। তিনি ঋণ পরিশোধ করেছেন আগেই। তবে ব্যাংক থেকে সঠিক কাগজ জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পৌছেনি। ব্যাংকের কাগজপত্র তিনি নিজেও জমা করেছেন। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে একটি প্রতিবেদন আসার কথা। তিনি এ ব্যাপারে আপিল করবেন বলে জানান। একই কথা জানান মনোনয়ন বাতিল হওয়া ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিদ্দেক আলী।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান ও আওয়ামীলীগ ঘরোনার স্বন্ত্র প্রার্থী মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাংসদ উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদের ছোট ভাই ইতমিয়াজ আহমদ বুলবুল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা করেছিলেন। একই দিনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল গফুর ও ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনিত প্রার্থী আব্দুল আহাদ মিনার জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়পত্র জমা করেছিলেন।
একই দিনে কমলগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সম্পাদক মো. সিদ্দেক আলী, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মী শাব্বির এলাহী, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির আব্দুল মুঈন ফারুক, মৃুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মনোনয়নপত্র জমা করেছিলেন। অন্যদিকে এদিন কমলগঞ্জে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার (লিলি) ও মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী শিক্ষিকা বিলকিছ বেগম মনোনয়নপত্র জমা করেছিলেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ কমলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৩, ভাইস চেয়ারম্যান ৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

10
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা পর্যন্ত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সদস্য অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য শমশেরনগর ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মো: আব্দুল গফুর, ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ছিদ্দেক আলী, ব্যবসায়ী নারায়ণ পাল, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী, আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মী শাব্বির এলাহী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আং মুয়ীন (ফারুক), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার (লিলি) ও মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী শিক্ষিকা বিলকিছ বেগম মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জনসহ মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের শেষ দিন।

ভুয়া আইডি থেকে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস : র‌্যাবের হাতে আটক-১

নিউজ ডেস্ক:: সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ তিনটি নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতার যুবকের নাম ইশতিয়াক। মঙ্গলবার রাতে সাতক্ষীরার পলাশপোল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ইশতিয়াক রাজশাহীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর ভাটপাড়া গ্রামের নুর আলম নান্টুর ছেলে। সে নিজে এবার রাজশাহীর মসজিদ মিশন একাডেমি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী।ইশতিয়াক আহমেদ ইয়াকুব গত বছর তার সরবরাহকৃত গণিত ও বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র হুবহু সঠিক ছিল বলে স্বীকার করেছে। এবারও সে ৮০ জনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে প্রশ্নপত্র সরবরাহের কথা দিয়ে টাকা সংগ্রহ করছিল।র‌্যাব ৬-এর সাতক্ষীরা কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার জাহিদুল কবির বলেন, ইশতিয়াক সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর নামে খোলা ভুয়া ফেসবুক আইডিসহ এঞ্জেল শাকিলা ও নিজের নামে তিনটি আইডি খুলে এ প্রতারণা করে আসছে। এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ এবং তা বিতরণের জন্য ৮০ জনের সঙ্গে সে যোগাযোগ রক্ষা করে।ওই শিক্ষার্থী স্বীকার করেছে যে এই চক্রের সঙ্গে আরও জড়িত রয়েছে অপূর্ব নীল, নীলাকাশ, নব্য হিটলার ও প্রিন্স খান নামে কয়েকটি আইডি। তাদের অবস্থান ঢাকা ও খুলনায়। তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।র‌্যাব কমান্ডার আরও বলেন, প্রতারক চক্রটি SSC XM 19K নামে ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপ তৈরি করে তার মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ক্রয়ের প্রস্তাব দেয়। এ জন্য একটি বিকাশ নম্বরও দেয়া হয়। এই বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠালে প্রশ্ন সরবরাহ করা হবে বলেও জানায় ইশতিয়াক ও তার চক্রটি।গ্রেফতারকৃত ইশতিয়াক জানিয়েছে, প্রশ্নপত্র সরবরাহকারী ব্যক্তি তার চক্রের মধ্যেই রয়েছে। তবে অন্যদের অবস্থান ঠিক কোথায় তা সে জানে না বলে জানিয়েছে।ইশতিয়াক তার বাবার ফোনটি এ কাজে ব্যবহার করতো। তার মেডিকেল টেকনিশিয়ান বাবা নুর আলম নান্টুকে তার কর্মস্থল পলাশপোলের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয়।পরে তার সূত্র ধরে শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে ইয়াকুবকে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

12

মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল , বিপিএম,  রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত হয়েছেন । আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে এই পদক গ্রহণ করবেন ।

মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ এবং সেবামূলক কাজের বিবেচনায় এ পদক প্রদান করা হবে।

২০১৫ সালের ২১ জুন রোববার মোহাম্মদ শাহ্ জালাল মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার হিসাবে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি  বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টাস এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশ পুলিশের ২১তম বিসিএস ব্যাচে যোগদান করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় হতে আইন বিভাগে স্তাতকত্তোর ডিগ্রী গ্রহন করেছেন।

২০০৩ সালের মে মাসে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার পদে পুলিশ একাডেমী সারদায় যোগদানের পর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, পরে গাইবান্ধা সদর ও জামালপুর সদর সার্কেলে দায়িত্ব পালন করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রধান বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী ও নেত্রকানা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের ও বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে মহা-পুলিশ পরিদর্শকের (পিএস) ও সফল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চাকুরী জীবনে তিনি ২০০৭-২০০৮ইং জাতি সংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে পূর্ব তিমুরে সাফল্যের সহিত দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পুলিশের উচ্চতর প্রশিক্ষন গ্রহন করেছেন। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন উপজেলা নিবাসী মোহাম্মদ শাহ্ জালাল ২ পুত্র সন্তানের জনক। তার সহধর্মিনী মিসেস মাহমুদা বিলকিস একজন গৃহিনী।

মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল  রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত হওয়ার বিষয়টি মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে কমলকুঁড়ি  পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি ট্রাক উল্টে ইটভাটার শ্রমিকদের থাকার ঘরের ওপর পড়ে ঘুমন্ত ১৩ জনের মৃত্যু

কমলকুঁড়ি ডেস্ক

comilaa-accident-2-5c4a9d8a2350c

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি কয়লাবাহী ট্রাক উল্টে ইটভাটার শ্রমিকদের থাকার ঘরের ওপর পড়ে ঘুমন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার ২৫ জানু্য়ারি সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকায় কাজী অ্যান্ড কোং নামের একটি ইটভাটায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত অবস্থায় দু’জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর  এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা সবাই ইটভাটার শ্রমিক। তারা কাজী অ্যান্ড কোং ইটভাটায় শ্রমিকদের থাকার ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। তাদের বাড়ি নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায়।

নিহতরা হলেন- মো. সেলিম (২৮), কনক চন্দ্র রায় (৩৫), মোরসালিন (১৮), রনজিত চন্দ্র রায় (৩০), বিকাশ চন্দ্র রায় (২৮), মৃনাল চন্দ্র রায় (২১), অমৃত চন্দ্র রায় (২০), দীপ চন্দ্র রায় (১৯), শঙ্কর চন্দ্র রায় (২২), মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় (১৯),  বিপ্লব (১৯), অরুন চন্দ্র রায় (২৫) ও মাসুম (১৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাকটি উল্টে ইটভাটার শ্রমিকদের থাকার ঘরের ওপর পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা ১২ জন শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর থেকে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্রঃ সমকাল

মৌলভীবাজার ৪ টি আসনের মধ্যে ৩টি আওয়ামীলীগ ও ১টি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর বিজয়

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

MP

মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনের মধ্যে ৩টি আওয়ামীলীগ ও ১টি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিজয় লাভ করে।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শাহাব উদ্দিন ৭৭ হাজার ৮শ ৬৩ ভোটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক জয় লাভ করেছেন। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ প্রাথী মো. শাহাব উদ্দিন নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রাথী নাসির উদ্দিন মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮১৪ ভোট। এর আগে তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সাংসদ নির্বাচিত হন।
মৌলভীবাজার-২: সিলেট বিভাগ তথা সারাদেশজুড়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জয়জয়কারের মধ্যেও জয়লাভ করেছেন মৌলভীবাজার-২ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমদ। ২ হাজার ৫৭২ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন তিনি।
এই আসনের মোট ৯৩ কেন্দ্রের মধ্যে সুলতান মনসুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে বিকল্পধারার প্রার্থী এমএম শাহীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট।

মৌলভীবাজার-৩ : মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে ৭৯ হাজার ৯শ ৮৭ ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেসার আহমদ।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। স্থানীয় সূত্রে ১৬৮টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে জানা যায়, আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেসার আহমদ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫শ ৭৯ ভোট। অপরদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী নাসের রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫শ ৯২ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪: টানা ৬ষ্ঠ বারের মতো আবারো নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. আব্দুস শহীদ। তার মোট প্রাপ্ত ভোট ২ লক্ষ ১১হাজার ৬১৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২৯৫টি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস শহীদ মোট ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৩১৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৮০টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ড. আব্দুস শহীদ মোট ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৩৫০ টি, ধানের শীষ প্রতীকে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ৪৯ হাজার ৫০৯ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে মো. সালাউদ্দিন ৭শ’ ১৭ ভোট এবং উদীয়মান সূর্য প্রতীকে শান্তিপদ ঘোষ ৮৬ ভোট।
কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কমলগঞ্জ উপজেলার ৭২টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে মো. আব্দুস শহীদ মোট ভোট পেয়েছেন ৯৭ হাজার ২৬৩ টি, ধানের শীষ প্রতীকে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ৪৩ হাজার ৭৮৬ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে মো. সালাউদ্দিন ৬শ’০৮ ভোট এবং উদীয়মান সূর্য প্রতীকে শান্তিপদ ঘোষ ৬১ ভোট।

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা ছাত্রাবাস

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা::

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব জমিতে সরকারের অর্থায়নে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১০ তলা বিশিষ্ট বহুবিধ সুবিধাসম্পন্ন ছাত্রাবাস। এ ছাত্রাবাসে শুধুমাত্র চা বাগান শ্রমিকদের পরিবারের গরীব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে বা স্বল্পব্যায়ে আবাসন সুবিধা পাবে। ৩০০ আসন বিশিষ্ট নির্মিতব্য এ ছাত্রাবাসে ১৫০টি আসন ছাত্রদের জন্য বাকি ১৫০টি আসন ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এ ব্যাপারে সরকার ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলস্থ চা শিল্প শ্রম কল্যাণ বিভাগের হলরুমে সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব শিবনাথ রায় ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী নির্মিতব্য ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ, ছাত্রাবাসসহ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় জেলা প্রশাসক বা তাঁর উপযুক্ত প্রতিনিধির সভাপতিত্বে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শ্রীমঙ্গলস্থ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের ১ জন প্রতিনিধি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর শ্রীমঙ্গলের ১ জন প্রতিনিধি উপজেলা প্রশাসনের ২ জন প্রতিনিধি, চা শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ জন প্রতিনিধি (১ জন সদস্য সচিবসহ) সহ মোট ১১ জনের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড/কমিটি ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কর্তৃত গঠিত পরিচালনা কমিটি ভবনের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সভাপতি মাখন লাল কর্মকার, বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব রেজা, রাজঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক আহ্বায়ক বিজয় বুরার্জী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল মাহমুদ, চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, বালিশিরা ভ্যালী কমিটির সভাপতি বিজয় হাজরা, সিলেট ভ্যালী সভাপতি রাজু গোয়ালা, মনু-ধলাই ভ্যালী সম্পাদক নির্মল দাস পাইনকাসহ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির ৩৪ জন সদস্য।

চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, ‘চা শ্রমিক ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি বর্তমান চা শ্রমিকবান্ধব সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এর জন্য কাজ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনগ্রসর চা জনগোষ্টির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সদইচ্ছার ফসল।

তিনি আশা করছেন, খুব তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় কাজ কর্ম শেষে এর নির্মান কাজ শুরু হবে। এটি নির্মিত হবার পর শ্রমিক সন্তানদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন হবে। তিনি যুগান্তকারী এ পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ ও চা শিল্পে নিয়োজিত সকল শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে বলে দৃঢ় আশাবাদ । ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাকে শেখ

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

30

একাদশ সাধারণ নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে বলে দৃঢ় আশাবাদ জানিয়েছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। ভারতের আনন্দবাজারকে গত বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমরাই আসছি। মানুষ আমাদেরই চাইছে।’ আনন্দবাজার জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় সুধাসদনে বসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিপুল আস্থা। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। জনগণের ভোটেই আমরা নির্বাচিত হব।’ দিন বদলের স্বপ্ন দেখিয়ে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০১৪ সালে বিএনপির বর্জনের মধ্যে দশম সংসদ নির্বাচন জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শেখ হাসিনার দল ক্ষমতায় আসে।

শেখ হাসিনা আনন্দবাজারকে বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটা আগের মতো অত চ্যালেঞ্জিং নয়। বৈরিতার পরিবেশও নেই। বরং আমাদের স্বপক্ষে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোয় একটা বিভেদ লক্ষ্য করতাম। এবার কিন্তু একচেটিয়াভাবে সবার সমর্থনটা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। সেটা টেরও পাচ্ছি।’

৩০ ডিসেম্বর ভোট সামনে রেখে শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন-বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের অর্থায়নে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (আরডিসি) করা একটি জনমত জরিপে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবার ২৪৮ আসনে জয়ী হতে পারে। অন্যদিকে বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেতে পারে ৪৯ আসন।

আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসছে এটা নিশ্চিত কীভাবে হচ্ছেন এ প্রশ্নে আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং পরবর্তী সময়ে সহিংসতা সে কথা মনে করিয়ে  দেয়। জনগণই সে সময়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং তারাই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেই জনগণ আবার তাকে ভোট দেবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতিকে উদ্ধৃত করে আনন্দবাজার লিখেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরে সহিংসতার জন্য বিএনপি জনসমর্থনহীন হয়ে পড়ে। তাতেই আওয়ামী লীগের ফের সরকার গঠনের সম্ভাবনা আরো জোরালো হয়ে উঠেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা আনন্দবাজারকে বলেন, ‘নালিশ করার পাশাপাশি বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং মিথ্যা কথা বলতে ওরা ভীষণ পারদর্শী।’

বিএনপির পক্ষ থেকে এবার প্রতি আসনে একাধিক ব্যক্তিকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়ায় তাদের নিজেদের মধ্যেই সংঘাত শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘দলের পুরনো বা জিতবেন এমন  নেতাদের মনোনয়ন দেয়নি ওরা। যে কারণে বঞ্চিতদের কাছে ওদের আক্রান্ত হতে হচ্ছে।’

আনন্দবাজারকে শেখ হাসিনা বলেন, এখনকার তরুণরা আওয়ামী লীগের বিষয়ে ‘খুবই উৎসাহী’। বিএনপির সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটা বিকৃতির ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সত্যকে জানার একটা আগ্রহ রয়েছে। ইন্টারনেটে খুঁজলেই একাত্তরের অনেক তথ্য এখন জানা যায়। ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার বিষয়টি এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ‘এর ফলে আওয়ামী লীগের প্রতি যুব সম্প্রদায়ের মতটাই পাল্টে গিয়েছে।’

নির্বাচনী সফরে জনগণের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ অন্তর থেকে চাইছেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসুক। জনগণ এটা জানেন, আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তিত হবে।’

এবার বিএনপির মনোনয়নে জামায়াতে ইসলামীর ২২  নেতার ভোট করার প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘জামায়াত তো গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। মেয়েদের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া থেকে ঘরবাড়ি দখল করেছিল। ওদের  মনোনোয়ন দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মানুষ শঙ্কিত।’

ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে থাকা এক সময়ের আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে গিয়ে গণফোরাম গঠনের পর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি থেকে দাঁড়িয়ে ড. কামাল হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই তিনি কি না গেলেন জামায়াত-বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে? ‘আমি অবাক হইনি। কারণ কী জানেন? উনার শ্বশুরবাড়ি পাকিস্তানে। ছেলেদের একটু শ্বশুরবাড়ির টানটা বেশি থাকে।’

আনন্দবাজার বলছে, সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে শেখ হাসিনার কাছে তারা জানতে চেয়েছিল, ভোটের ফল কেমন হবে? উত্তরে শেখ হাসিনা হেসে বলেন, ‘ওই যে প্রথমেই বলেছিলাম, আমরাই আসছি। কারণ, মানুষ আমাদেরই চাইছে।’

নির্বাচনে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন

কমলকুঁড়ি ডেস্ক রিপোর্ট

11-Copy

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন সাংবাদিকরা। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং নির্বাচন সংক্রান্ত খবর সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্মতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে জানতে পারলাম নির্বাচনের দিন অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনের দিন যাতে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে পারে তা নিশ্চিত করতে ইসিকে অনুরোধ করি। এসময় তারা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচলে কোনো ধরনের বাধা থাকবে না।