সদ্য সংবাদ

বিভাগ: জাতীয়

রাজিব আর নেই

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

2018-04-17--11_01_10

ঢাকা শহরের কারওয়ানবাজারে দুই বাসের পাল্লাপাল্লির শিকার সরকারি তিতুমির কলেজের ছাত্র রাজিব হোসেন হাত হারানোর পর চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও অবশেষে মস্তিস্কের আঘাত তাকে নিয়ে গেছে না ফেরার দেশে। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

রাজীবের স্বজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানিয়েছেন, রাজিব মারা গেছে।

রাজীবের মামা জাহিদুল ইসলাম বলেন, রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তাদের অনুমতি নিয়ে রাজীবের লাইফ সাপোর্ট খুলে নেন চিকিৎসকেরা। তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে চেষ্টা করেও বাঁচানো গেল না রাজীবকে।’

বাচ্চু মিয়া জানান, ‘মারা গেছেন রাজীব হোসেন। রাজীবের স্বজনেরা কান্নাকাটি করছেন।’

৪ এপ্রিল বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন (২১)। হাতটি বেরিয়ে ছিল সামান্য বাইরে। হঠাৎই পেছন থেকে একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে পেরিয়ে যাওয়ার বা ওভারটেক করার জন্য বাঁ দিকে গা ঘেঁষে পড়ে। দুই বাসের প্রবল চাপে রাজীবের হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দু-তিনজন পথচারী দ্রুত তাঁকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেও বিচ্ছিন্ন সে হাতটি রাজীবের শরীরে আর জুড়ে দিতে পারেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রাজীব ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। এর মধ্যেই হঠাৎ গত ৯ এপ্রিল থেকে তাঁর অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়।

রাজীব দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর মা আকলিমা বেগম মারা যান। বাবা অপসোনিন ফার্মার ট্যাবলেট সেকশনে কাজ করতেন। প্রাচুর্য না থাকলেও সচ্ছল পরিবারের সন্তান ছিলেন। রাজীব বড়, পরে আরও দুটি ভাই। মায়ের মৃত্যুর পর বাবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। নিখোঁজ ছিলেন অনেক দিন। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। রাজীব তখন তাঁর নানির বাড়িতে আশ্রয় নেন। নানি মারা গেলে খালা জাহানারা বেগম রাজীবের দায়িত্ব নেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর রাজীব গৃহশিক্ষকতা শুরু করেন, কম্পিউটারের কাজ শেখেন। যাত্রাবাড়ীর একটি মেসে থাকতেন।

মৌলভীবাজার ২ ও ৪ সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন : কোন দাবি-আপত্তি থাকলে ১ এপ্রিল বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন

 

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

download

মৌলভীবাজার ২ ও ৪ সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। গত ১৪ মার্চ কমিশনের সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

১৬ জেলার ৩৮টি সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন করে পুনর্বিন্যস্থ নির্বাচনি এলাকার খসড়া করেছে নির্বাচন কমিশন। তন্মধ্যে মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনের মধ্যে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ আংশিক এবং মৌলভীবাজার-৪ শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ আসনে পরিবর্তন এসেছে।

পরিবর্তিত আসন বিন্যাসে মৌলভীবাজার-২ আসনের সাথে কমলগঞ্জ উপজেলার চার ইউনিয়ন শমসেরনগর, আদমপুর, আলীনগর ও ইসলামপুর সংযুক্ত ছিল। এ ইউনিয়নগুলোকে মৌলভীবাজার-২ থেকে বাদ দিয়ে পূর্বের অবস্থায় অর্থাৎ মৌলভীবাজার-৪ শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের আসনের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ফলে শুধুমাত্র কুলাউড়া উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

কমিশনের প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় এ নিয়ে কারো কোন দাবি-আপত্তি থাকলে ১ এপ্রিল বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। কমিশন দাবি-আপত্তি নিস্পত্তি শেষে আগামী ৩০ এপ্রিল সংসদীয় আসনের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে।

স্বাধীনতার পরপরই সব বন্ধ কলকারখানা খুলে দিয়ে তা জাতীয়করণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। – প্রধানমন্ত্রী

Hachna
কমলকুঁড়ি ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাট শিল্পকে ধ্বংস করে দিয়েছিল বিএনপি।  আওয়ামী লীগের বিরোধিতা সত্ত্বেও পাটকল বন্ধের শর্তে বিশ্বব্যাংকের কাছে থেকে অর্থ নিয়েছিল জোট সরকার। মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পাট দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘সোনালি আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো জাতীয় পাট দিবস উদযাপন করছে সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের পাটকলগুলো ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দেয়। ১৯৯৬ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় এসে বন্ধ পাটকলগুলো খুলে দিতে শুরু করলাম। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দিল। যেখানে ২৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পরপরই সব বন্ধ কলকারখানা খুলে দিয়ে তা জাতীয়করণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটাকে যখনই জাতির পিতা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়। অন্যান্য শিল্পের মতো পাট শিল্পও প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার পরিহিত শাড়ি, ব্যবহৃত জুতা ও সঙ্গে থাকা ব্যাগটি পাটের বলে জানান।

মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন মেয়র সাঈদ খোকন

নিউজ ডেস্ক::

photo_-bg20180301142321-1

রাজধানীর পরীবাগে মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভেঙে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নাগরিক সমস্যার কথা শুনতে চলছিল ‘জনতার মুখোমুখি জনপ্রতিনিধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। সেখানে উপস্থিত নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও সমস্যার কথা শুনে উত্তর দিচ্ছিলেন মেয়র। প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময়ই হঠাৎ ভেঙে পড়লো মঞ্চ। মেয়রসহ মঞ্চে উপস্থিত সবাই ভাঙা মঞ্চ নিয়ে পড়ে গেলেন নিচে। এসময় মঞ্চে প্রায় ৩০-৩৫ জন ছিলেন। তবে কেউ আহত হননি। বেলা সাড়ে ১২ টার কিছু সময় পরে এ ঘটনা ঘটে।

পরে মেয়র থোকন দাঁড়িয়ে বলেন, আল্লাহর রহমতে আমি ঠিক আছি। কোনো সমস্যা হয়নি। এটি দুর্ঘটনাবশত হয়েছে। যেহেতু এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে তাই আজ আর দুই-একটি প্রশ্ন নিয়েই অনুষ্ঠান শেষ করে দেব।

সবাই ধাতস্ত হলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আরো কিছুক্ষণ কথা বলেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। বেলা ১টার দিকে সেখান থেকে তিনি চলে যান।

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। – প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

g-5a96d1c389274-1

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কেউ দুর্নীতি করলে শাস্তি পেতেই হবে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদে যুক্ত কিংবা অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। বুধবার দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার পর তার ছেলে তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী জেলে যাওয়ার পর যাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো, তিনিও দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ফেরারি আসামি। বিএনপির নেতৃত্বে কি একজনও ছিল না যে, তাকে দায়িত্ব দিতে পারত? তিনি বলেন, বিএনপির অধিকাংশ নেতার নামেই দুর্নীতির মামলা রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা রয়েছে, কেউ কেউ সাজাপ্রাপ্ত। খালেদা জিয়া জানেন, যাদের দায়িত্ব দেবেন তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির মামলা রয়েছে। বিএনপির সবাই তো দুর্নীতিগ্রস্ত, সবার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। যদি তা-ই না হয়ে থাকে, তাহলে বিএনপি নেত্রী দলে একজনকেও খুঁজে পেলেন না, যাকে দায়িত্ব দিয়ে যাবেন? সবকিছু জেনেই বিএনপি নেত্রী যদি দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানের হাতে দায়িত্ব দিয়ে থাকেন, কোনো কিছু বলার নেই।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ সমাপনী ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতির অধিবেশন সমাপ্তির আদেশ পাঠ করার মাধ্যমে স্পিকার শীতকালীন অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় সামনে রেখে বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধনের কঠোর সমালোচনা করে সংসদ নেতা বলেন, বিএনপি নেত্রী কারাগারে যাবেন- সেটি আগেই তারা টের পেয়েছিল কি-না জানি না। রায় হওয়ার আগেই রাতারাতি বিএনপি তাদের দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা পরিবর্তন করেছে। এই ধারায় দুর্নীতিগ্রস্ত কিংবা সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নেতা হতে পারতেন না। রাতারাতি গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিএনপি দুর্নীতিকেই মেনে নিল, দুর্নীতিগ্রস্তকে নেতা হিসেবে মেনে নিল। যে দল দুর্নীতিকে নীতি হিসেবে নেয়, দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্তকে নেতা হিসেবে মেনে নেয়- সেই দল দেশকে কী দিতে পারে? তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দল দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজকে গ্রহণ করে, সেই দল কীভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারে? এরা হত্যা-দুর্নীতি-লুণ্ঠন-অর্থ পাচার- এসবই করতে পারে; জনগণের কল্যাণ করতে পারে না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের রায় প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেন, আদালত রায় দিয়েছেন। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। বিচারক রায় দিলেন কেন- সে জন্য অনেক বিএনপি নেতাও হুমকি দেন। তবে কি অপরাধীদের অভয়ারণ্য হবে বাংলাদেশ? এটা তো আমরা হতে দিতে পারি না। দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার জনগণ ভোগ করবে। তার সরকার দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না। নিজেদের লোককেও ছাড় দেওয়া হয় না। এমনকি মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে, যে কোনো সময় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আদালত থেকেও ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আমরা আইন মানি; কখনও নিজেদের দোষকে ঢাকার চেষ্টা করি না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে যে ধরনের মামলা দিয়েছে, সেই একই ধরনের মামলা তার বিরুদ্ধেও দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের একাউন্ট বন্ধ করে দিয়ে সব কাগজপত্র পরীক্ষা করেছে- এতটুকু ফাঁক পাওয়া যায় কি-না। শত চেষ্টা করেও ট্রাস্টের এতটুকু অনিয়ম তারা পায়নি। তবে একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট থেকে প্রতি মাসে ১৬ থেকে ১৭শ’ শিক্ষার্থীকে যে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়, সেটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই সময় অনেক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। টাকার অভাবে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহতদের সহযোগিতা দেওয়া যায়নি। এতে তাদেরও অসহনীয় কষ্ট করতে হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে আসা টাকা খালেদা জিয়াসহ তার ছেলে ও অন্যদের আত্মসাৎ প্রসঙ্গে সংসদ নেতা বলেন, এতিমদের জন্য টাকা এসেছিল ২৭ বছর আগে। কিন্তু সেই এতিমের টাকা কোথায়? তখনকার দিনে দুই কোটি টাকার অনেক মূল্য ছিল। ওই সময় এ টাকা দিয়ে ধানমণ্ডিতে ৭-৮টি ফ্ল্যাট কেনা যেত। সেই টাকার লোভ বিএনপি নেত্রী সামলাতে পারেননি। এতিমের হাতে একটি টাকাও তুলে দেননি; পুরো টাকাই মেরে খেয়েছেন। শেখ হাসিনা আরও বলেন, তাদের কিছুই নেই। তবুও তারা দু’বোন ধানমণ্ডির পৈতৃক বাড়িটি জনগণের জন্য দান করে দিয়েছেন। অথচ বিএনপি নেত্রী এতিমের দুই কোটি টাকার লোভ সামলাতে পারলেন না! মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও দুদক। এখানে সরকারের দোষ কোথায়? খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ১০৯ বার সময় নেওয়া হয়েছে। ১০ বছর ধরে মামলা চলেছে; তারপর শাস্তি হয়েছে। শুরুতেই এতিমের টাকা দিয়ে দিলে তো এই মামলা চলত না। কিন্তু লোভ সামলাতে পারেননি বলেই আজ এ অবস্থা। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর টাকায় ইত্তেফাক গঠন হয়েছিল। এটা আওয়ামী লীগেরও সম্পদ। অথচ সেই ইত্তেফাকের টাকায় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নিয়ে ওই ব্যক্তি রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন। সেই ব্যক্তির মুখে এখন গণতন্ত্রের ছবক ও সংজ্ঞা শুনতে হয়- এটাই দুর্ভাগ্যজনক। তিনি জানান, এই ব্যক্তিটি তার কাছে অনেকবার এসেছিলেন- উপদেষ্টা হতে; তিনি করনেনি। এ কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলো। মামলা মোকাবেলার জন্য জোর করে বিদেশ থেকে ফিরে আসি। বর্তমান সংসদকে কার্যকর ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ভূমিকা রাখায় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংগ্রহ: সমকাল

বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

MP Sohid
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়  মহান জাতীয় সংসদে সংসদীয় নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উপস্থাপন করেন বর্তমান চিফ হুইপ আ,স,ম ফিরোজ এমপি।   এ সময় স্পীকার ড. শিরিন শারমিন এমপি সংসদে উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপিকে সভাপতি করে কমিটি নির্বাচিত করেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপির নির্বাচনী এলাকা মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) এর নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আনন্দ মিছিল বের করেন ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

খালেদার জামিনের মেয়াদ বাড়ল

 

ডেস্ক রিপোর্ট

 10

আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া— ফাইল ছবি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। তার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকা বিশেষ জজ আদালত ৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন। এই মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য থাকায় আদালতে এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করার জন্য হাজিরা পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন। উভয়পক্ষে আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়ার আগামী ১৩ মার্চ বাড়িয়ে দিয়ে আগামী ১৩ ও ১৪ মার্চ পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। আদেশের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানান, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে ১৩ ও ১৪ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট এই মামলা করে দুদক।

পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের প্রার্থী ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট10

আওয়ামী লীগ ২ উপজেলার চেয়ারম্যান, ৫ পৌরসভার মেয়র এবং ৫৫ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার/পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, ওবায়দুল কাদের, রশিদুল আলম, মাহবুবউল আলম হানিফ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে শেরপুরের নকলায় একেএম মাহবুবুল আলম, ভোলার তজুমদ্দিনে ফজলুল হক, পৌরসভার মেয়র পদে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কামাল হোসেন শেখ, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় নূর-এ-আলম সিদ্দিকী, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে খায়রুল আলম ভূঞা, সুনামগঞ্জের সদরে নাদের বখত, চট্টগ্রামের নাজিরহাটে মুজিবুল হক, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছীতে তাকবীর হাসান, শিলমাড়িয়ায় সাজ্জাদ হোসেন (মুকুল), বগুড়ার কাহালু উপজেলার মালঞ্চায় আবদুল হাকিম, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহে আবুল কালাম আজাদ, আইলহাঁসে আবদুল মালেক, জীবননগর উপজেলার বাঁকায় আবদুল কাদের প্রধান, হাসাদাহে রবিউল ইসলাম, রায়পুরে তাহাজ্জত হোসেন, যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুরে আনোয়ারা খাতুন, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মহম্মদপুরে রাবেয়া বেগম, বরগুনার তালতলী উপজেলার শারিকখালীতে আবুল বাসার তালুকদার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাবলুগঞ্জে আবদুস সালাম সিকদার, চম্পাপুরে রিন্টু তালুকদার, মিঠাগঞ্জে কাজী হেমায়েত উদ্দিন হিরন, বালিয়াতলীতে এবিএম হুমায়নু কবির, ধানখালীতে টিনু মৃধা, দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুরে আমিনুল ইসলাম, লেবুখালীতে শাহ আলম আকন, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুরে জাহিদুল হাসান, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুরে শহিদুল ইসলাম, লÿিন্দরে আবদুল আজিজ মিয়া, ধলাপাড়ায় শফিকুল ইসলাম, সাগরদিঘীতে হেকমত সিকদার, সন্ধানপুরে মতিয়ার রহমান সরকার, সংগ্রামপুরে আবদুর রহিম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগরে গোলাম সরোয়ার জাহান, কালিহাতী উপজেলার বাংড়ায় রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুরে সহীদুল ইসলাম, চর মাধবদিয়ায় তুহিনুর রহমান, নর্থচ্যানেলে মোফাজ্জেল হোসেন, আলিয়াবাদে ওমর ফারুক, ডিক্রীরচরে মেহেদী হাসান (মিন্টু), মাচ্চরে এসএম সরোয়ার হোসেন (সন্টু), অম্বিকাপুরে আবু সাইদ চৌধুরী (বারী), কৃষ্ণনগরে একেএম বাদশা মিয়া, কানাইপুরে ফকির মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, কৈজুরীতে খন্দকার ইফতেখার মোহাম্মদ (ইকু), গেরদায় জাহিদুর রহমান জাহিদ, গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড়ে সালাহউদ্দিন সরকার, পিরুজালীতে জালাল উদ্দিন, মির্জাপুরে মোশারফ হোসেন দুলাল, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার দুলালপুরে মরিয়ম বেগম মোক্তা, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়ায় আবুল কালাম আজাদ, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ফেঞ্চুগঞ্জে মাসার আহমেদ শাহ, মাইজগাঁওয়ে জুবেদ আহমদ চৌধুরী, ঘিলাছড়ায় লেইছ চৌধুরী, উত্তর কুশিয়ারায় লুদু মিয়া, উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জে জসীম উদ্দিন আহমদ, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শিলমুড়ি দক্ষিণে ফারুক হোসেন ভূইয়া, শিলমুড়ি উত্তরে আবু ইসহাক, খোশবাস দক্ষিণে আবদুর রব, বুড়িচং উপজেলার বাকশীমুলে আবদুল করিম, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার দীঘিনালায় ধনিতা চাকমা, বাবুছড়ায় মজিবুর রহমান, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার কালাপানিয়ায় আমিলুর রাজী।

ওবায়দুল কাদেরের মা আর নেই

 

নিউজ ডেস্ক::10
আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন নেছা (৯২) সোমবার  রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেছেন।   ব্রেন স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এর আগে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্ট্রোক করেন তিনি। বিকাল ৩টার দিকে তাকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেয়া হয়। সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে মায়ের পাশে দীর্ঘ সময় কাটান ওবায়দুল কাদের। চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।

বৃষ্টিতে স্বস্তি চা বাগানে

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট

2018-02-26--12_49_57

বসন্তের প্রথম বৃষ্টিতে স্বস্তি নেমে এসেছে  চা বাগান এলাকায়। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চা গাছে নতুন কুঁড়ি দেখা যাবে বলে আশা করছেন চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতি বছর চা গাছগুলোর মাথা নির্দিষ্ট মাপ অনুসারে ছেঁটে ফেলা হয়। তারপর চলে অপেক্ষার পালা। বৃষ্টির ফলে রোপণ করা নতুন চারাগুলো রক্ষা পাবে। এসব গাছে তিন-চার দিনের মধ্যে কুঁড়ি দেখা দেবে।

ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’

বৃষ্টির ফলে চা বাগানে এখন  আর সেচ ব্যবস্থা না করলেও হবে। চা গাছে নতুন কুঁড়ি গজাবে আর পাতা আগে তোলা সম্ভব হবে।’ জানালেন কত্পক্ষরা।

জেসম ফিনলে টি কোম্পানির সিলেট বিভাগের চা-এর উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বলেন, ‘যতটুকু বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতে আমরা স্বস্তি বোধ করছি। কিছুদিন আগে এই চা গাছের মাথা ছাঁটাই করা হয়েছিল। রুক্ষভাব দেখা গিয়েছিল চা বাগানে। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টির কারণে আবারও জেগে উঠেছে চা গাছগুলো।’