সদ্য সংবাদ

বিভাগ: মুন্সীবাজার

সোমবার মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ ও অভিষেক

কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ।।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সোমবার বিকাল ৪টায় স্থানীয় কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জাসীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ এমপি। অভিষেক অনুষ্ঠানের শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

বিক্ষোব্ধ জনতার আলটিমেটামের শেষ সময়ে -কমলগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ যাত্রাপালা ও হাউজিং বাম্পারে প্যান্ডেল ভেঙ্গে মালামাল নিলাম

10 21

 
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥    
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের নারায়নক্ষেত এলাকায় তৈরী যাত্রার পেন্ডেল ভেঙ্গে মালামাল নিলামে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। যাত্রার নামে জুয়া, হাউজি সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে বিক্ষোব্দ জনতার আলটিমেটামের শেষ মুহুূর্তে বুধবার (১৪ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রোধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের নারায়নক্ষেত গ্রামের কৃষিজমিতে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি ও প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘ একমাস ধরে যাত্রার আয়োজনে প্যান্ডেল তৈরী করে। যাত্রার নামে জুয়া, হাউজি ও অসামাজিক কার্যক্রমের প্রতিবাদে তৌহিদী জনতাসহ সর্বস্তরের লোকজন এর প্রতিবাদ শুরু করেন। সভা, সমাবেশ করে যাত্রা বন্ধে প্রশাসনকে কয়েক দফা আলটিমেটাম দেয়ার পর অবশেষে বুধবার সকাল ১১ টায় বিক্ষোব্দ জনতা একত্রিত হয়ে যাত্রার প্যান্ডেল ভেঙ্গে ফেলতে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। সকাল থেকে রহিমপুর, পতনঊষার, মুন্সীবাজার ও শমশেরনগর এলাকার কয়েক হাজার বিক্ষোব্দ জনতা নারায়নক্ষেত এলাকায় জড়ো হতে থাকে। এসময় শমশেরনগর-মুন্সীবাজার সড়ক কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।
এর পূর্বেই আইন শৃঙ্খলার অবনতি আশঙ্কা করে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে অবৈধ যাত্রার জন্য নির্মিত প্যান্ডেল ও টিন ভেঙ্গে উপজেলা চত্ত্বরে নিয়ে আসেন। এরপর প্যান্ডেলের বাঁশ ও টিন ৩৩ হাজার ৫শ’ টাকায় নিলাম দেয়া হয়।
পরে তৌহিদী জনতারা রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করে। মাও: আব্দুল গাফ্ফারের সভাপতিত্বে ও মাও: লুৎফুর রহমান তাফাদার জাকারিয়ার পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি, মো: জুনেল আহমেদ তরফদার, সাবেক সভাপতি শাকির আহমেদ তরফদার সাজিম, ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন চৌধুরী, মাও: মোবাশ্বির আলী, মাও: নুরুল মোক্তাকিন জুনাইদ, মুফতি শামছুল ইসলাম লিয়াকত, মাও: নজরুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ, ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন আহমদ, মাও: আব্দুল মালিক, আব্দুল মজিদ, মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।
বক্তরা হাউজিং বাম্পার যাতে এলাকায় না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

শমশেরনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

Pic--UNO_Kamalgonj[1]
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের শিংরাউরী গ্রামের আশা ফুড প্রোডাক্টস্ এর মালিক সায়েদুর রহমান শাহাব আলীর বাড়িতে সোমবার সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় অবৈধভাবে চানাচুর, বাতাসাসহ কিছু খাদ্য সামগ্রী তৈরীর কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমাণা করা হয়। সাথে সাথে কারখানাটি সিলগালা করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও নির্বাহী হাকিম মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নেতৃত্বে এ আদালত পরিচালনা করা হয়।  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে কারখানা মালিককে পাওয়া যায়নি।
নির্বাহী হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অভিযান পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিশুদ্ধ খাদ্য আইন ১৯৫৯ এর ১৪ (ক) ও ১৮(১) ধারায় এ কারখানার মালিক পক্ষের নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বেশ কিছু আলামত জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে রাখা হয়।

কমলগঞ্জের মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি জুনেল আহমেদ তরফদার, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম নির্বাচিত

Munshibazar Pic
কমলকুঁড়ি রিপোট ॥
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১১ জানুয়ারী) স্থানীয় মুন্সীবাজার কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৮ থেকে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। সর্বমোট ৮৮৮ জন ভোটারদের মধ্যে ৮৬৮ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। ৯৭.৭৫ ভাগ ভোট কাষ্টিং হয়। ভোট বাতিল হয়েছে ৪৯৮টি ভোট বাতিল হয়েছে। নির্বাচনে প্রিজাইটিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নিহারেন্দু ভট্টাচার্য্য, সহকারী প্রিজাইটিং অফিসার ৪ জন, পোলিং অফিসার ৮ জন, ৪টি রুমে ৮টি বুথ ছিল। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। নির্বাচনে ৮টি পদে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। ১১ জন প্রার্থী বিজয়ী হন। তারমধ্যে সদস্য পদে ৪চন প্রার্থী বিজয়ী হন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে জুনেল আহমেদ তরফদার (আনারস মার্কা) ৫০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি শাকির আহমেদ তরফদার সাজিম (চাকা) ৩৩৬ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ২০ ভোট।
সহসভাপতি মো: মর্তুজ মিয়া (গরুর গাড়ী) ৪৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আফজল চৌধুরী (চশমা) ৩৫১ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৪৩ ভোট।
সম্পাদক পদে শফিকুল ইসলাম (মোরগ) ২৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি শাহরিয়ার চৌধুরী লিটন (হরিণ) ২৬১ ভোট, রাসেল আহমেদ চৌধুরী (কুলা) ২২৫ ভোট ও আলীম মিয়া (টিউওবয়েল) ৪৪ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৬২ ভোট।
সহ সম্পাদক পদে ইব্রাহীম আহমদ সুমন (মাছ) ৫৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি মো: মখলিছ মিয়া (হাতি) ২৩৫ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৪১ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে রাখাল পাল (কাপ পিরিচ) ৪৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছাদেক মিয়া (মটরসাইকেল) ৩৩০ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৭৮ ভোট।
প্রচার সম্পাদক পদে মো: এলখাছ মিয়া (ঘূড়ি) ৪৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি কৃষ্ণ পদ পাল   (বৈদ্যুতিক পাখা) ৩০৯ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৬৫ ভোট।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে জুনেদ আহমদ (রিক্স) ৪২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি কৃষ্ণ কুমার রায়  সেলাই মেশিন) ৩৬১ ভোট পান। বাতিল হয়েছে ৯৮ ভোট।
সদস্য পদে মাওলানা মাশহুদ আহমদ  (গোলাপফুল) ৩৭৮ ভোট, আনন্দ মোহন মজুমদার (ক্রিকেট ব্যাট) ৩৪৮ ভোট, মো: আক্তার মিয়ার (ফুটবল) ৩৪১ ভোট ও শিমুল আহমদ চৌধুরী (মাইক) ৩২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি মিজানুর রহমান (আম) ২৭২ ভোট, মিনহাজ খাঁন ২৫০ ভোট, মো: ছয়ফুল্লাহ্ ১৮৬ ভোট ও মো: আশিক মিয়া (মই) ১৬০ ভোট পান। বাতিল হয়েছে। ৭১ ভোট।
ফলাফল ঘোষণা পূর্বে বক্তব্য রাখেন রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান হোসেন চৌধুরী। পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান জমসেদ।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো: লোকমান হোসেন চৌধুরী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

১১ জানুয়ারী রবিবার মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন

DSC02864
কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥
রাত পোহালেই ১১ জানুয়ারী ২০১৫ রবিবার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৮টি পদে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তার মধ্যে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহসাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, প্রচার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী বিজয়ী হবেন। ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পরিচালনা কমিটি। এবারের মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ঘিরে অন্যরকম আমেজ বিরাজ করছে। উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পোষ্টার দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছে গোটা বাজার। ছোট বড় বেষ্টুনি দিয়ে ভোটার ও জনসাধারণদের আকর্ষণ করা হয়েছে। সব মিলে আনন্দ উৎসব বিরাজ করছে।
এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও রহিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি জুনেল আহমেদ তরফদার (আনারস) ও সাবেক সভাপতি সাকির আহমেদ তরফদার সাজিম (চাকা) প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে আফজল চৌধুরী (চশমা) ও মো: মর্তুজ মিয়া (গরুর গাড়ী), সাধারণ সম্পাদক পদে মো: শাহরিয়ার চেšধুরী লিটন (হরিণ), মো: শফিকুর রহমান  (মোরগ), রাসেল আহমদ চেšধুরী (কুলা) ও আলীম মিয়া (টিউওবয়েল), সহ সম্পাদক মো: মখলিছ মিয়া (হাতি) ও ইব্রাহিম আহমদ সুমন (মাছ), কোষাধ্যক্ষ রাখাল পাল (কাপ পিরিচ) ও মো: সাদেক মিয়া  (মটর সাইকেল), প্রচার সম্পাদক কৃষ্ণ পদ পাল ( বৈদ্যুতিক পাখা) ও মো: এখলাছ মিয়া (ঘূড়ি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক কৃষ্ণ কুমার রায়  (সেলাই মেশিন) ও জুনেদ আহমদ (রিক্সা), সদস্য পদে মাওলানা মাশহুদ আহমদ (গোলাপ ফুল), মো: আক্তার মিয়া (বল), শিমুল আহমদ চেšধুরী (মাইক), আনন্দ মোহন মজুমদার (ক্রিকেট ব্যাট), মিজানুর রহমান (আম), মো: ছয়ফুল্লাহ (বাঘ), মো: আশিক মিয়া (মই) ও মো: মিনহাজ খাঁন (হাত পাখা) নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

১১ জানুয়ারী মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ॥ প্রার্থীদের প্রচারণা জমজমাট ॥ পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা

॥ কমলকুঁড়ি রিপোর্ট ॥

আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। আগামী ১১ জানুয়ারী কমলগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা দিন রাত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে গোটা বাজার। বিভিন্ন স্থানে দেয়া হয়েছে লম্বা লম্বা বেষ্টুন। ভোটারদের আকর্ষণ করার জন্য রঙিন বেষ্টুন ও বোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। সবকিছু মিলে উৎসব আমেজ মুন্সীবাজারে দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর রবিবার দুপুরে মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক কমিটি তফসিল ঘোষণা করেন। এ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের নিয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির আহবায়ক মো: লোকমান হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য মিজানুর রহমান জমসেদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থি ছিলেন রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার। বক্তব্য রাখেন জুনেল আহমেদ তরফদার, শাকির আহমেদ তরফদার সাজিম, আফজল হোসেন চৌধুরী, শাহরিয়ার চৌধুরী লিটন, শাহীন আহমদ, নাজমুল হোসেন, হোসেন জুবায়ের, নারায়ন পাল, মতিলাল পাল প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পদের প্রার্থী, ব্যবসায়ীবৃন্দ, সুধীবৃন্দ। গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়ন ফরম বিক্রয়, ৩০ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা, ৩১ ডিসেম্বর জমাকৃত মনোনয়ন যাচাই বাচাই। ১ জানুয়ারী প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্ধ। ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ৮টি পদে ১১ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। তার মধ্যে সদস্য পদে ৪জন নির্বাচিত হবেন। নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহসাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, প্রচার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সদস্য পদ রয়েছে। আসন্ন মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন জুনেল আহমেদ তরফদার (আনারস) ও শাকির আহমেদ তরফদার সাজিম বর্তমান সভাপতি (চাকা), সহসভাপতি পদে আফজল হোসেন চৌধুরী (চশমা) ও মো: মর্তুজ মিয়া (গরুর গাড়ী), সাধারণ সম্পাদক পদে সফিকুল ইসলাম (মোরগ), শাহরিয়ার চৌধুরী লিটন (হরিণ), রাসেল আহমদ চৌধুরী (কুলা) ও আব্দুল আলীম (টিউবওয়েল), সহ সাধারণ সম্পাদক পদে ইব্রাহীম আহমদ সুমন (মাছ) ও মো: মখলিছ মিয়া (হাতি), কোষাধ্যক্ষ পদে রাখাল পাল (কাপ পিরিচ) ও মো: সাদেক আহমদ (মোটর সাইকেল), প্রচার সম্পাদক পদে কৃষ্ণ পদ পাল (সিলিং ফ্যান) ও মো: এখলাচ মিয়া (ঘূড়ি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে জুনেদ আহমদ (রিক্সা) ও কৃষ্ণ কুমার রায় (সেলাই মেশিন), সদস্য পদে মাওলানা মাশহুদ আহমদ (গোলাপ ফুল), আক্তার মিয়া (ফুটবল), আশিক মিয়া (মই), শিমূল আহমদ চৌধুরী (মাইক), আনন্দ মজুমদার (ক্রিকেট ব্যাট), মিজানুর রহমান (আম), মিনহাজ খাঁন (হাত পাখা) ও মো: ছয়ফুল্লাহ (বাঘ)। সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটাররা কাকে ভোট দিবেন তা নিয়ে সাময়িক ভাবে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যান্য পদে মাত্র ২জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করায় বেশির ভাগ ভোটাররা তাদের মনের মতো প্রার্থীকে নির্বাচিত করে ফেলেছেন বলে জানা যায়। সকল প্রার্থীদের মধ্যে সভাপতি পদে প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হবে। ২জন প্রার্থীরাই বিজয়ী হওয়ার শতভাগ আশবাদ প্রকাশ করছেন। হিসাব নিকাশ করে বুঝা যাবে আগামী ১১ জানুয়ারী নির্বাচনে কে বিজয়ী হবে এ অপেক্ষায় রয়েছেন ভোটাররা ও সুধীজন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি (আহবায়ক) সূত্রে জানা যায়, সুষ্ঠু, সুন্দর, স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্য মূলক নির্বাচন করার লক্ষে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন। নির্বাচনে মোটা ভোটার ৮৯০ জন। বিগত নির্বাচনে ৭১৩ জন ভোটার ছিলেন।

বিদায় ২০১৪, স্বাগত ২০১৫

Modern Style 2015 New Year is coming background with blend shadoনিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০১৫। নতুন বছর নতুন আশা। কালের গর্ভে হারাল আরেকটি বছর। স্মৃতির খেরোখাতা থেকে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব মুছে শুরু হলো নতুন বছর। অনেক ঘটন-অঘটন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চড়াই-উৎরাই, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আনন্দ-বেদনার সাক্ষী হল বিদায়ী বছর। রাজনৈতিক সহিংসতা, নানা দুর্যোগ-দুর্ঘটনা আর ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইংরেজি ২০১৪ সাল।

সময় এক প্রবহমান মহাসমুদ্র। কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়া, পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তাই তো জীবন এত গতিময়। সেই গতির ধারাবাহিকতায় মহাকালের প্রেক্ষাপটে একটি বছর মিলিয়ে গেল। যে প্রত্যাশার বিশালতা নিয়ে ২০১৪-এর প্রথম দিনটিকে বরণ করা হয়েছিল, সেই প্রত্যাশার সব কি পূরণ হয়েছে? এ হিসাব না হয় নাইবা করলাম।

বিদায়ী বছরটি প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির দোলাচলে নিয়েছে অনেক কিছু। তারপরও নতুন বছরের নতুন সূর্যালোকিত দিনের প্রতি অসীম প্রতীক্ষা ও প্রত্যাশা মানুষের মনে। নতুন বছর মানেই নতুন স্বপ্ন। চোখের সামনে এসে দাঁড়ায় ধূসর হয়ে আসা গল্পগাঁথার সারি সারি চিত্রপট। কখনো বুকের ভেতর উঁকি দেয় একান্তই দুঃখ-যাতনা। কখনো পাওয়ার আনন্দে নেচে উঠে হৃদয়। এ বছরটি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে আমাদের জীবনে, এমনটিই প্রত্যাশা আমাদের। শুভ হোক নতুন বছর। সামনের দিনগুলোতে অনিশ্চয়তা কেটে গিয়ে ছড়িয়ে যাক শুভময়তা। নতুন বছরটি ভরে উঠুক আনন্দে, শান্তিতে। হ্যাপি নিউ ইয়ার।

‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এ কথার মতই দুঃখ, কষ্ট সবকিছু কাটিয়ে নতুন জীবনের দিকে যাত্রার প্রেরণা পেতে চাই। নতুন বছরটি যেন সমাজ জীবন থেকে, প্রতিটি মানুষের মন থেকে সকল গ্লানি, অনিশ্চয়তা, হিংসা, লোভ ও পাপ দূর করে। রাজনৈতিক হানাহানি থেমে গিয়ে আমাদের প্রিয় স্বদেশ যেন সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

২০১৫ সালকে দেখতে চাই ভিন্ন আঙ্গিকে। হিংসা-প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে উঠে রাজনীতিকরা পরমতসহিষ্ণু হয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার আবহ তৈরি করে জনকল্যাণে সবাই একসঙ্গে মনোযোগী হবেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। আইন হয়ে উঠবে সব কিছুর নিয়ামক। নিশ্চিত হবে শাসকদের জবাবদিহিতা।

বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ পালনের ধরন বাংলা নববর্ষ পালনের মত ব্যাপক না হলেও এ উৎসবের আন্তর্জাতিকতার ছোঁয়া থেকে বাংলাদেশের মানুষও বিচ্ছিন্ন নয়।

দীর্ঘ ছুটি দিয়েই শুরু ইংরেজি নববর্ষ ২০১৫। নতুন বছর নতুন আনন্দ আর কর্মব্যস্ততা নিয়ে শুরু হয়। কিন্তু ২০১৫ সালটি শুরু হচ্ছে দীর্ঘ ছুটি দিয়ে। ১ জানুয়ারী সরকারী ছুটি না থাকলেও সর্বত্র থাকছে উৎসবের আমেজ। থার্টিফার্স্ট উদযাপনের পর নতুন বছরের শুরুর দিনটি ছুটির আমেজেই কেটে যায়। নববর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে থাকবে উৎসবের আমেজ। এ বছরের ২ জানুয়ারি শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি শনিবার। তাই সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে থাকবে ছুটি। রোববার ৪ জানুয়ারী ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারী ছুটি।

১ জানুয়ারী নববর্ষ থেকে ৪ জানুয়ারী পর্যন্ত টানা ছুটি ভোগ করবে দেশ। ৫ তারিখ ঢাকায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির ঘোষণা রয়েছে আগে থেকেই। দু’পক্ষের কর্মসূচি নিয়ে জনমনে রয়েছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। ঢাকায় সেদিন কি ঘটতে পারে তা নিয়ে দেশবাসীর সাথে রাজধানীবাসীও আতঙ্কিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ৫ তারিখ ঢাকায় বিরোধী দল সমাবেশ করতে না পারলে টানা হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ ছুটি আরও দীর্ঘ হতে পারে এমন আশংকা অনেকের।

নতুন বছরে রাজনৈতিক উত্তাপের আভাস এখন বাতাসজুড়ে। বছরের শুরুতেই এই উত্তাপ সৃষ্টি হচ্ছে দশম সংসদ নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তির দিন ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে। আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল দিনটিকে ‘গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। পক্ষান্তরে বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের কথা বলছে। বুঝাই যাচ্ছে, অনেকটা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি। ফলে এই নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বড়দিনে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেন, ‘ নতুন বছর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’। বর্তমান সরকার জনগণের ‘ভোটের অধিকার’ কেড়ে নিয়ে দেশকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে অভিযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। অনেকেই মনে করেন এটি নতুন বছর উত্তপ্ত যাওয়ারই ইঙ্গিত।

নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নেই। পরস্পরের প্রতি শুধু বিবাদ বিদ্যমান। সংসদ, বিচার, পুলিশসহ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে। ফলে আইনের শাসন ও মানবাধিকার বিপন্ন হচ্ছে। সম্পদের সুষম বণ্টন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারকে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করতে হবে। সর্বত্র আইনের শাসন, সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দলের ভেতর গণতন্ত্রের চর্চায় মনোযোগী হওয়া জরুরি।

সৃষ্টির জন্মলগ্ন থেকে নতুন বছর আমাদের মাঝে ঘুরে ঘুরে আসে অনেক আশা উদ্দীপনা নিয়ে। অন্যদিকে, পুরাতন বছর চলে যাওয়ার সাথে সাথে মানুষের সব হতাশা, গ্লানী, ব্যর্থতা দূর হয়ে যাক এই কামনায় প্রহর গুনে মানব জাতি। নতুন বছরে প্রথমে আমাদের যা ভাবতে হবে তা হল সম্পর্কের বন্ধন সুদৃঢ় করা।

প্রথমে পরিবার -সমাজ -রাষ্ট্র -বর্হিবিশ্ব – ধাপে ধাপে বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে। কাউকে শুভেচ্ছা জানানোর ব্যাপারে আমরা যেন কার্পন্য বোধ না করি। একজনের প্রতি আর একজনের একটু শুভেচ্ছা -একটা মানুষের জীবনে অনেক সফলতা এনে দিতে পারে। অন্যকে দিয়ে যেটা আশা করি সেটা কেন নিজের মধ্যে চর্চা করব না। আমরা একটু ভাবি নতুন বছরে, আমাদের সারা বছরের পরিকল্পনাটি কেমন হবে ? মনের কষ্ট-হতাশা ভুলে গিয়ে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু আনন্দ করতে যেন ভুলে না যাই। অন্তত পরিবারের শান্তি সুদৃঢ় করার স্বার্থে।

নতুন বছরে বই উৎসব হবে, শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে নতুন বই পৌঁছবে, নিঃসন্দেহে জাতির জন্য খুবই আনন্দের। প্রতিবারের মতো এবারো বছরের প্রথমদিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে বই পৌঁছে গেছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

৩০ ডিসেম্বর পিএসসি ও জেএসসির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এবারই প্রথমবারের মতো মাল্টিমিডিয়া গ্রন্থের বিতরণ ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সকল শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ অডিও ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া গ্রন্থের একটি পূর্ণাঙ্গ টেক্সট উদ্বোধন করেন।

নতুন বই বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিনা মূল্যের বই বিতরণে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। সারা বিশ্ব যা কখনো ভাবতেও পারেনি, বাংলাদেশ তা করে দেখিয়েছে। ছয় বছর ধরে একই দৃষ্টান্ত দেখিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এ বছর প্রাক প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থী বিনা মূল্যে পাবে প্রায় ৩৩ কোটি বই। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুরাও পাবে ব্রেইল পদ্ধতির বই। বছরের প্রথম কর্মদিবসেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব শিশু হাতে পাবে এসব নতুন বই। ফলে নতুন উদ্যম আর আগ্রহে শিশুরা শুরু করবে নতুন বছরের পড়ালেখা।

শিশুদের এই আনন্দের মধ্যদিয়ে নতুন বছর সকলের জন্য শুভ হয়ে উঠুক।